এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • নরওয়ের আদালতের রায়ে জেল হল ভারতীয় দম্পতির - কী ভাবছেন এ বিষয়ে?

    se
    অন্যান্য | ০৪ ডিসেম্বর ২০১২ | ৬৬৩৪ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • PT | ০৫ ডিসেম্বর ২০১২ ১৪:৩৭583299
  • আমেরিকার আর্থ-সমাজিক নীতি দিয়ে নর্ডিক দেশ গুলোকে মাপতে চাইলে ভুল হবে। সমাজ এবং মানুষ সম্পর্কে এদের approach এমনকি ইউরোপের মূল ভুখন্ডের জার্মান বা ব্রিটিশদের থেকেও সম্পুর্ণ আলাদা। সমাজ-সংস্কৃতিটা না থাকলে বোঝা যায়না। তবে অর্থনীতির-এমনকি বাজার অর্থনীতির ফারাকটা বাইরে থেকে বোঝা যায়। ক্যেকদিন আগে আবাপতে একটা প্রবন্ধ বেরিয়েছে এই প্রসঙ্গে।
  • dukhe | ০৫ ডিসেম্বর ২০১২ ১৭:০৫583300
  • কিন্তু তাই বলে lcm তসলিমাকে বাঁধাকপি (নাকি হাতির মাথা?) বলবে?
    সাধে কি উনি ব্যাটাছেলেদের ওপর হাড়ে চটা!
  • S | ০৫ ডিসেম্বর ২০১২ ২০:০৬583301
  • চার নম্বর পয়েন্টটা ঠিক লাগছে না। নরওয়েতে ইউনিভার্সাল হেলথ্কেয়ার, নাগরিক এবং পার্মানেন্ট রেসিডেন্টদের মতন মাইগ্র্যান্ট ওয়ার্কারদের পুরোপুরি হেলথকেয়ার অ্যাক্সেস আছে, সার্চ করে সরকারি যেসব ডকুমেন্ট দেখতে পেলাম। সব পেজ আবার ট্র্যান্সলেট করে দেখতে হচ্ছে, তাই খুব বেশী কিছু দেখিনি। আমার মনে হয় দুটো জিনিস হয়ে থাকতে পারে। এক, ভাষাগত সমস্যা, তার জন্যে কোনো মিসকম্যুনিকেশান, আর নয়ত, বাবা-মা কিছুই করেন নি, এখন চাপে পড়ে বলছেন অথরিটির সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন কিন্তু কোনো লাভ হয় নি। বেশীরভাগ ইন্ডিয়ান পেরেন্টরা বাচ্চাদের ডেভেলপমেন্টাল বা বিহেভিয়ারাল প্রবলেম কে প্রবলেম বলে মানতে চান না। বড় হলে ঠিক হয়ে যাবে - এই রকম ধারণা নিয়ে বসে থাকেন। আর না হলে মেরে ধরে ডিসিপ্লিন শেখাতে চান।
    আর রিমিকে বলব যে ইন্টারনেট ইউজার গ্রুপ বা মেসেজ বোর্ড দেখে কোনো দেশের চাইল্ড ওয়েলফেয়ার পলিসি নিয়ে আমি অন্তত কোনো সিদ্ধান্ত নেব না। কারণ তা ভীষণভাবে একপেশে হবে। বিশেষত যে দেশ ওয়েলফেয়ারের জন্যে পুরো দুনিয়ার কাছে আইডিয়াল। নরওয়ে চাইল্ড ওয়েলফেয়ার সংক্রান্ত যতগুলো ঘটনা সামনে এসেছে তার প্রথম রিপোর্ট পড়লে মনে হবে রাষ্ট্র এসে বাবা-মার থেকে বাচ্চাদের নিয়ে নিচ্ছে। পরে আসল ঘটনা বোঝা যাচ্ছে। ইন্টারনেট এক আজব জিনিস। আপনি আমেরিকার প্রেসিডেন্টকে সার্চ করলে অসংখ্য ওয়েবসাইট পাবেন যেখানে বলা আছে বারাক ওবামা হচ্ছে ইল্লেজিটিমেট প্রেসিডেন্ট, একজন কেনিয়ান মুসলিম কম্যুনিস্ট, যার সিক্রেট অ্যাজেন্ডা হচ্ছে আমেরিকাকে থার্ড ওয়ার্ল্ডের কলোনিতে পরিণত করা। তো এই হচ্ছে ইন্টারনেট !
  • a x | ০৫ ডিসেম্বর ২০১২ ২০:১১583302
  • যারা স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশে থেকেছেন, তারা কখনও রেসিজম ফেস করেছেন?
  • rimi | ০৫ ডিসেম্বর ২০১২ ২০:২৭583303
  • আমি ইউজারগ্রুপ বা মেসেজবোর্ড দেখি না। বিভিন্ন নিউজপেপার বা নিউজ আর্টিকল দেখেছি, যার মধ্যে অস্লোর নিউজপেপার ছিল, আমেরিকার নিউ ইয়র্ক টাইমসও ছিল। এটা ঠিক যে কোনো মিডিয়াকেই পুরো বিশ্বাস করা যায় না। কিন্তু সন্দেহের অবকাশ থেকেই যায়।
  • T | ০৫ ডিসেম্বর ২০১২ ২০:৩৩583304
  • ইউ এন রিপোর্টে যে ১২৫০০ বাচ্চার ফস্টার কেয়ারে রাখা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে, সেটাও কি ইন্টারনেটের মামুলি আর্টিকল পড়ে উদ্ভূত?
  • pi | ০৫ ডিসেম্বর ২০১২ ২০:৩৮583305
  • ফস্টার কেয়ারে থাকা বাচ্চাদের নিয়ে কোন স্টাডি হয়েছে ? কেমন থাকে তারা, সেখানে সমস্যা হয় কিনা, কেমন বিকাশ হয় ইঃ ? মানে, হয়েছে তো নিগ্ঘাত, কারুর পড়া থাকলে একটু দিন বা বলুন।
  • S | ০৫ ডিসেম্বর ২০১২ ২১:৫৭583307
  • T,
    UN এর রিপোর্ট পড়িনি। লিংক দেবেন ? UN এর রিপোর্ট হলে নিশ্চই পড়ে দেখব। সেই রিপোর্টের কোনো ফলো-আপ আছে কিনা দেখবো। মানে UN এর রিপোর্ট বলে সেটাকে সিরিয়াসলি নেবো। কিন্তু রিমি যে লিংকগুলো দিলেন সেগুলো নিয়ে শিওর নই। আর তিন নম্বর লিংকের ছবিতে বন্দুকধারী বাচ্চা উদ্ধারকারী র‌্যাম্বো কে দেখে বেজায় হাসি পেল। ইন ফ্যাক্ট, এই খবরটা অনিয়ন জাতীয় খবর বলে মনে হচ্ছে।
    কারোর সময় থাকলে ইউনিসেফের এই ডকুমেন্টটা পড়ে দেখতে পারেন।
    NORWAY’S REPORT ON THE FOLLOW-UP TO THE WORLD SUMMIT FOR CHILDREN AND STATUS AND CHALLENGES - AT THE BEGINNING OF A NEW DECADE
    ২০০১ সালের রিপোর্ট। খুব বড় নয় আর আমরা যে অলোচনা করছি সেগুলো সব কভার করা আছে।
    http://www.unicef.org/specialsession/how_country/edr_norway_en.PDF
  • T | ০৫ ডিসেম্বর ২০১২ ২২:০৮583309
  • নাহ্‌ ইউ এন রিপোর্ট আমিও দেখিনি। নরওয়ের কেসটার সময় বিভিন্ন মিডিয়াতে এই রিপোর্টের কথা উঠে এসেছিল। ২০০৫ সালের রিপোর্ট বোধহয়। খুঁজে পেলে লিঙ্ক টিঙ্ক দেবো।
    রিমিদেবী এই লোকটির কথাই বলতে চেয়েছেন।
    http://en.wikipedia.org/wiki/Krzysztof_Rutkowski

    ব্যাপারটা নরওয়ের নিউজপেপার গুলোও কভার করেছিল। বিশ্বাস করবেন কি করবেন না, সে আপনার ব্যাপার।
  • rakhhekali | ০৬ ডিসেম্বর ২০১২ ০১:০৬583310
  • বাচ্চাকে প্যাঁদানোর অধিকার হল মৌলিক অধিকার। সব দেশে এই অধিকার থাকা উচিত। বিদেশে গেলে জন্মসুত্রে পাওয়া এই অধিকার ছেড়ে দেব ক্যানে? না প্যাঁদাতে পারলে অন্ততঃ বকে, ধমকে, খিস্তি করে, ভয় দেখিয়ে বাচ্চাকে দাবিয়ে রাখতে দিতে হবে। কঠোর অনুশাসন না হলে শিক্ষা হবে না। আসুন এই নিয়ে দেশে দেশে আন্দোলন গড়ে তুলি।
  • Binary | ০৬ ডিসেম্বর ২০১২ ০২:৪৫583311
  • আগেও লিখেছি অনেকবার। আমি ডেনমার্কে চার বছর ছিলাম, আমার কন্যা দেড় বছর বয়স থেকে ছয় পর্যন্ত, ডেনমার্কের হেল্থ কেয়ার পেয়েছে, বুগেস্টু (ডে কেয়ার) বর্নহাভেন (কিন্ডার গার্ডেন) ইত্যাদিতে গেছে, এমনকি ক্লাশ ওয়ানে-ও ওখানে পড়েছে। অবশ্য-ই ডেনমার্ক আর নরওয়ে আলাদা দেশ। কিন্তু এখানে স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশ গুলোর কথা বলা হচ্ছে, তাই বলছি। বাচ্চাদের হেল্থ কেয়ারে ওয়ার্কপারমিট (আমার ছিলো) আর পার্মানেন্ট রেসিডেন্সিতে "কোনো" (বোল্ড অ্যান্ড আন্ডার লাইন) ফারক ছিলো না। আমার মেয়ের আদ্দেকের বেশী ইমুনাইজেশন ওখানেই হয়েছে। বছরে দুই বার করে বাড়ীতে চাইল্ড কেয়ারের সার্ভেয়ার আসত বাচ্চা-র স্পেশাল কোনো নীড আছে কিনা খোঁজ নিতে। বাচ্চার জন্য ১০০০ ক্রোনার মান্থলি কেয়ার অ্যালাউন্স দিতো, ইররেস্পেক্টিভ।

    পার্মানেন্ট রেসিডেন্ট নয় বলে স্পেশাল কেয়ার নেয় নি আমি ঠিক মানতে পারছি না। অবশ্য নরওয়ে আলাদা হতেই পারে।
  • Binary | ০৬ ডিসেম্বর ২০১২ ০২:৫৪583312
  • আমি অন্তত কোনো রেসিজিম ফেস করিনি। আমার প্রচুর ডেনিস বন্ধু। তারা এখনো বন্ধু, আর যোগাযোগ আছে, টোরোন্টো-তে থাকতে আমার বাড়ীতে অতিথি হয়ে থেকে-ও গেছে। ইন ফ্যাক্ট ডেনিস-রা অনেক মাই ডিয়ার লোক দ্যান আমেরিকান (অন্তত আমার অভিজ্ঞতা তাই বলে)।

    হ্যাঁ, পুর্ব-ইউরোপ সম্বন্ধে ওদের ভয়ানক নাক সেঁট্কানো আছে (সবার নয়, কারো কারো)।
  • Binary | ০৬ ডিসেম্বর ২০১২ ০৩:১৩583313
  • আমার অল্প বুদ্ধি-তে মনে হয়, যে বাবা-মা বাচ্চাকে পেঁদিয়ে কালশিরে ফেলে দিতে পারে বা, গায়ে গরম খুন্তি-র ছ্যাঁকা দিতে পারে, তাদের মানসিক সমস্যা-ও কিছু আছে। তাদের কাছথেকে বাচ্চাকে আলাদা করা অ্যাবিউজ কিছু না। বাচ্চারা হয়তো সার্ভাইবালের তাগিদে বাবা-মা-কে তাও চাইবে, কিন্তু বড় হলে আরেকটি ছেলে-ক্যালানো বাবা/মা হবে।

    হ্যাঁ কাউন্সেলিং তো দরকার-ই, শাস্তি-টাও অবশ্য-ই দরকার।
  • Marveaux | ০৬ ডিসেম্বর ২০১২ ০৯:৪৪583314
  • ফিনল্যান্ডে আমি রেসিজম ফেস করিনি। তবে নোকিয়ার পরিবেশ আলাদা হতেই পারে।

    লোকে তো ইউকে-তেও বেজায় রেসিজম আছে বলে চেঁচায়। শুনেছি সাউথের দিকে আছে। নর্থে যেখানে যেখানে গেছি/থেকেছি - ম্যাঞ্চেস্টার, নিউক্যাসল, স্কটল্যান্ড - সেখানে কখনো কিছু ফেস করিনি।
  • dukhe | ০৬ ডিসেম্বর ২০১২ ০৯:৫৯583315
  • যারা ধোলাই খেয়ে বড় হয়, তারা বড় হয়ে ছেলে-ক্যালানো বাবা মা হয় - এইটা দিব্বি সরল গোলগাল থিওরি। বাই ইন্ডাকশন এই ধারা প্রজন্মের পর প্রজন্মে বহাল থাকবে। আমার পাপ মন শুধু কাউন্টার এগজাম্পল খুঁজে পায়। হায়।
  • pi | ০৬ ডিসেম্বর ২০১২ ১০:১৫583316
  • ভাটিয়া৯ পশ্য। কাল থেকে এনিয়েই চলে যাচ্ছে ! ঃ)
  • Marveaux | ০৬ ডিসেম্বর ২০১২ ১০:২১583317
  • ওই জন্যিই তো বাঙালীর কিস্যু হবে না। "স্ট্রাকচার" বোঝে না।
  • siki | ০৬ ডিসেম্বর ২০১২ ১১:১৯583318
  • ডেনমার্ক ঘ্যামা দেশ। ডেনিশদের নিয়ে কোনও কথা হবে না।
  • dd | ০৬ ডিসেম্বর ২০১২ ১১:৩৬583320
  • আম্মো, ডেনমার্কে ক্ক্ষুনো কোনো রেসিজম ফেস করি নি। নরওয়েতেও নয়। নেভার।

    মে বী একটা কারন আমি ঐ দেশ গুলোতে কখনো যাই নি। তর্কের খাতিরে সেটাও হতে পারে।
  • PT | ০৬ ডিসেম্বর ২০১২ ১২:৪০583321
  • ভারতীয়রা রেসিজম নিয়ে আলোচনা না করলেই পারে। আমাদের দেশজ রেসিজমের চমৎকারিত্ব অতুলনিয়!!
  • সে | ০৬ ডিসেম্বর ২০১২ ১৩:২৯583322
  • এই ঘটনাকে কোনোমতেই রেসিজম বলা যায় না। এটা দুটো পরষ্পর বিরোধী কালচারের মধ্যে কন্‌ফ্লিক্ট। এরই মধ্যে এই নিয়ে প্রচুর আলোচনা হয়ে গেছে তা সত্ত্বেও না বলে পারছি না যে এই দম্পতি নরওয়ের কালচারের সঙ্গে ইন্টিগ্রেট করতে পারেনি। তাই এই সমস্যা। দেশে থাকতে তাদের ছেলে মার খেয়েই অভ্যস্থ ছিলো। হঠাৎ করে অস্লোতে এসে তাকে শুধু বুঝিয়ে শুঝিয়ে ( না মেরে) বাধ্য করানোতে বাবামায়ের অনেক বেশী ধৈর্যের দরকার। সেই ধৈর্য যে ছিলনা তাতো পরিষ্কার। নতুন আসা ইমিগ্র্যান্ট অথবা রেসিডেন্টদের জন্যে নরওয়ে সরকার একটা ইন্টিগ্রেশন কোর্সের কথা ভাবতে পারেন, যদিনা তা অলরেডি থেকে থাকে। কিছু কিছু বিপদ কন্‌ফ্লিক্ট সমস্যা হৈচৈ এইভাবে কিন্তু এড়ানো সম্ভব।
    টিসিএস কিন্তু দেশ থেকে বিদেশে ডেপুটেশনে পাঠানোর আগে ছোটোখাটো এইধরণের ট্রেনিং করিয়ে নেয়। যেমন কীভাবে দাঁড়াবে, কীভাবে কথা বলবে, পোশাক কেমন পরবে, কপালে বিভূতির ফোঁটা টিপ এসমস্ত পরে ওয়ার্কপ্লেসে যাবে না, হাত কীভাবে রাখবে, - এইরকমের প্রচুর খুঁটিনাটি। বছর ছয়্সাত তো হয়েই গেছে এইসব ট্রেনিং চালু হয়েছে। কলকাতাতেই এমন একজনে চিনি যে এই ট্রেনিং দেয়/দিত।
    আমাদের দেশের সফ্ট্‌ওয়ার বিজনেসের বিরাট একটা অংশ আসে বাইরের দেশের কোম্পানীগুলো থেকে। দেশের ভতরে প্রচুর ব্যবসা হচ্ছে নিশ্চয়ই কিন্তু এই বিদেশী ক্লায়েন্টদের তো উড়িয়ে দেওয়া যায় না। খবটা যেভাবে মিডিয়া কভারেজ পেল, তাতে করে ভারতীয়দের ইমেজ কিন্তু অল্প হলেও চিড় খেলো।
  • Arin | ০৭ ডিসেম্বর ২০১২ ০৫:৩৬583323
  • pi লিখেছে, "ফস্টার কেয়ারে থাকা বাচ্চাদের নিয়ে কোন স্টাডি হয়েছে ? কেমন থাকে তারা, সেখানে সমস্যা হয় কিনা, কেমন বিকাশ হয় ইঃ ? মানে, হয়েছে তো নিগ্ঘাত, কারুর পড়া থাকলে একটু দিন বা বলুন।"

    ফস্টার কেয়ার এ থাকা বাচ্চাদের নিয়ে বহু স্টাডি হয়েছে, একটু গুগল স্কলার সার্চ করলেই দেখতে পাবে, ধর,
    http://goo.gl/ZtcvI
  • rimi | ১০ ডিসেম্বর ২০১২ ২০:২০583324
  • এখানেই দিই এটা, চাইল্ড অ্যাবিউজের এক্সট্রিম কনসিকোয়েন্সেঃ
  • a x | ১০ ডিসেম্বর ২০১২ ২১:৪৪583325
  • রিমি, এক বছর বয়েসের সেক্সুয়াল অ্যাবিউস কী করে মনে রেখেছে? একটু অদ্ভূত লাগছে।
  • তাতিন | ১১ ডিসেম্বর ২০১২ ১৩:২৫583327
  • অনেকের*
  • তাতিন | ১১ ডিসেম্বর ২০১২ ১৩:২৫583326
  • নেকের তো জন্মের আগের ঘটনাও মনে থাকে
  • lcm | ১১ ডিসেম্বর ২০১২ ১৩:২৬583328
  • কততম জন্মের?
  • rimi | ১১ ডিসেম্বর ২০১২ ২১:০৮583329
  • অক্ষ, শুনতে অদ্ভুত হলেও আমার নিজের কিন্তু এক বছর বয়সের কিছু স্মৃতি ছবির মতন মনে আছে। সেইসব ছবি বড়দের কথাবার্তা শুনে পরে মনের মধ্যে রিকন্স্ট্রাক্ট করেছি কি না জানি না অবশ্য। যেমন, আমার মা বরানগর থেকে ব্যাগে করে কুকুরছানা নিয়ে এল। আমিও ছিলাম সঙ্গে। সেই কুকুরকে ডেটল দিয়ে স্নান করানো হল। কুকুরটা ছুটে পালিয়ে যাচ্ছিল। এগুলো মনে পড়ে। আর দু বছর বয়সের তো অনেক কিছুই সচেতনভাবেই মনে পড়ে। বোন জন্মানোর সময় প্রথমবার আমাকে মাকে ছাড়া প্রায় অচেনা এক আত্মীয়ের বাড়িতে রাত কাটাতে হল। খুব ভয় পেয়েছিলাম। সেই বাড়িতে অ্যাকোয়ারিয়াম ছিল। ইত্যাদি ইত্যাদি। মানে আনইউজুয়াল যে সব ঘটনা, যা প্রতিদিনের জীবনে ঘটত না, সেগুলো মনে আছে। যদিও বড়বেলার অনেক ঘটনা একদম ভুলে গেছি।
  • ladnohc | ১১ ডিসেম্বর ২০১২ ২১:৫১583331
  • সে রকমভাবে পেন্ট্রেটিভ ঘটনা হলে মনে থাকতেই পারে, সোসেনদির টৈ প​ড়েও তাই মনে হ​য়।
    দেড়-দু বছরের বেশকিছু ঘটনা আবছা মনে প​ড়ে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। দ্বিধা না করে মতামত দিন