এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • আরও একটি ধর্ষণ

    Ishan
    অন্যান্য | ১৬ মে ২০১৩ | ৪১৫৯৫ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Zn | ১৭ মে ২০১৩ ০৬:৫৬604486
  • আরে রিদ্ধি, নী পা আর হ হ পা দের বাদ রাখবেন না। কিংবা ম দে পা। বা গুর্চ ফে বু গ্রুপ। আর্বিট আইডি দিয়ে বা জাস্ট নাম্বার দিয়ে রেস্পন্স রাখতে পারবে জানলে দেখবেন ঝাঁকে ঝাঁকে লোক আসছে সার্ভেতে। ঃ-)
  • aranya | ১৭ মে ২০১৩ ০৭:০৪604497
  • আরে সবসময় মানে কি আর লিটারালি সবসময় নাকি। এই সিনারিও-টা ধরুনঃ
    আপনি ঋদ্ধির ভাষায় 'তরতাজা ফুটন্ত যুবক ', এই মুহুর্তে অসুস্থ নন, ক্লান্ত নন, মেন্টালি ডিপ্রেসড নন, কারও সাথে প্রেম করছেন না (ইয়ানি কি বিবেক-জনিত সমস্যা নেই), এমতাবস্থায় রিপালসিভ দেখতে নয় এমন কোন তরুণী আপনাকে সেক্সে আমন্ত্রণ জানাল। প্রিকশন ইঃ আছে, অধিকক্তু তার কোন এসটিডি নেই,এটাও ধরেন সামহাউ এনসিওরড।
    এবার ছেলেটির রাজি হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় ১০০%।
    একই অবস্থায় কোন মেয়ের রাজি হওয়ার সম্ভাবনা কত?
  • pi | ১৭ মে ২০১৩ ০৭:১২604508
  • তা, এই এতগুলো প্রিকন্ডিশনের সময় কোন মেয়ে এসে ঐ ব্যবহার করলে সেটাকে হ্যারাসমেন্ট ধরা হবে তো ?
  • aranya | ১৭ মে ২০১৩ ০৭:১৯604519
  • মাইনর হ্যারাসমেন্ট, বিগ ডিল কিছু নয়, আমার মতে। তবে সেটা ছেলে টু ছেলে ভ্যারি করতে পারে।
  • aranya | ১৭ মে ২০১৩ ০৭:৩২604530
  • প্রিকন্ডিশনের লিস্টিতে পিপিটি বানানোর চাপকেও রাখতে হবে :-)
  • Ishan | ১৭ মে ২০১৩ ০৭:৩৭604541
  • উফ কোথাকার টই কোথায় এনে ফেলেছে। :)

    রিদ্ধির থিয়োরির গোড়ায় গলদ। কেন বলি। ধরুন, আফগানিস্তানে তালিবানি জমানায় ১০০ টি পুং আর ১০০টি নারীকে নিয়ে সার্ভে করলেন। পুরোটাই থট এক্সপেরিমেন্ট। আফগানিস্তানের ১০০টি মেয়েই বলল ওরে বাবা পুংরা খেয়ে ফেলবে। এবার আমেরিকায় এসে স্টাডি করলেন। ৩০ টি মেয়ে বলল হৃষ্টপুষ্ট পুরুষ পেলেই শুতে রাজি। তা, এর মানে কি দাঁড়াল? আফগানিস্তানের মেয়েরা বায়োলজিকালি সেক্ষবিরোধী আর আমেরিকার মেয়েরা বায়োলজিকালি সেক্ষপন্থী? সেটা যে নয় নিশ্চয়ই এমনিই বোঝা যাচ্ছে।

    আসলে এখানে একটা বেসিক ভ্যারিয়েবলকেই উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। প্রত্যেকটা স্টাডিতেই ভাবা হচ্ছে মানুষ যা "চায়" সেটা বায়োলজিকালি নির্ধারিত। ছেলেরা সেক্সে বেশি "মুক্ত" অতএব সেটাই বায়োলজিকাল "সত্য", এই অ্যাজামপশানে যেটা উড়ে যাচ্ছে, সেটা হল বায়োলজি এবং মানুষের মধ্যে সোশাল কন্ডিশনিং একটি বড়ো বস্তু। কমরেডরা মনে হয় ইনহিবিশন শব্দটা ভুলে গেছেন। সেটাকে একটা ভ্যারিয়েবল এবং অবজেক্ট অফ স্টাডি হিসেবে ব্যবহার করুন। তবেই এই গোলকধাঁধা থেকে মুক্তি পাবেন।
  • Ishan | ১৭ মে ২০১৩ ০৭:৫২604552
  • এবার আমি এই ইনহিবিশনকে প্রশ্ন করব।

    অরণ্যদা বা রিদ্ধি যেটা বলছে, সেই যুক্তিশৃঙ্খলাটা খুব পপুলার। এর স্টেপগুলো এরকমঃ

    বায়োলজিকালি পুরুষরা বেশি "চায়"। আর মেয়েরা কম "চায়"। অতএব, পুরুষদের সেক্স মাত্রেই মূলতঃ এনটারটেনমেন্ট। যেখানে পায় সেখানেই খায়। নারীরা অত খেতে ভালোবাসেনা। তাই তারা চুজি। এবার চুজি বলেই, তাদের উপর জুলুমের চান্স বেশি। পুরুষরা সর্বদাই খেতে রাজি, তাই তাদের উপর আবার জুলুম কি?

    এইটা খুব পপুলার যুক্তি। এই কনসেপশন নিয়েই একটি পুং পুং হয়ে ওঠে। নার যৌনাঙ্গ নিয়ে যখন শৈশবে নাড়াচাড়া করা হয়, তখন সেটাকে সে খেলা বলে ভাবতে শেখে। অন্যদিকে একটি মেয়ের যৌনাঙ্গ শিশুকাল থেকেই ট্যাবু। সেটাকে সত্যিই প্রাইভেট পার্ট হিসেবে ভাবার ট্রেনিং তৈরি হয় শৈশব থেকেই। পুরুষের পুরুষ হয়ে ওঠার এবং নারীর নারী হয়ে ওঠার পদ্ধতি। এবং পুং এর "মুক্ত যৌনতা" আর মেয়েদের "সতীত্ব" উভয়েরই উৎস এখানেই। এবং আমি এর একটাকে নয়, দুটোকেই ইনহিবিশন বলব। যেটা সামাজিক নির্মান।

    এবার কোচ্চেন হল, আমি তো বলে খালাস। ইনহিবিশন যে ইনহিবিশন, সেটা বুঝব কিকরে? আর বুঝলেই বা মাপব কিকরে? সেজন্য লক্ষ্য রাখুন পরের পোস্টে। :)
  • তাতিন | ১৭ মে ২০১৩ ০৭:৫৯604563
  • যেকোনও সামাজিক নির্মাণের নিচে একটা জৈবিক/প্রাকৃতিক ভিত্তি লাগে না? পুরুষের যদি ইজ্যাকুলেশনের পরে দুদিন ঘরে শুয়ে কাটাতে হত, তাহলে যৌনতার 'সামাজিক নির্মাণ' ও এরকম হত না। ছোট থেকে ধরে রাখা ইত্যাদির ওপরে ট্রেনিং দেওয়া হত।
  • Ishan | ১৭ মে ২০১৩ ০৮:১০604574
  • মাপার জন্য, আমি প্রথমেই যুক্তিপরম্পরার প্রথম পয়েন্টটিকে ধরব। অর্থাৎ, পুরুষরা বেশি "চায়" আর মেয়েরা কম "চায়"। এটাকে বায়োলজিকালি দেখতে হবে। কে কত "চায়" সেটা জিজ্ঞাসা করা নিশ্চয়ই একটা বায়োলজিকাল পদ্ধতি হতে পারেনা। "চাওয়া"র নিশ্চয়ই একটা বায়োলজিকাল মাপকাঠি থাকবে।

    সৌভাগ্যক্রমে সেরকম একটি মাপকাঠি আছে। যেটাকে আমরা বলি "উত্তেজনা"। তার নানারকম শারীরিক ম্যানিফেস্টেশন হয়, সেসব বায়োলজিকালি মাপাও সম্ভব। এই নিয়ে একটা স্টাডির লিংক বহুকাল আগে গুরুতে দিয়েছিলাম। এখন আর লিংকটা নেই। অন্য কেউ খুঁজে দিলে ভালো হয়।

    স্টাডিটা এরকম ছিল। কিছু স্ট্রেট পুং ও নারীকে সিনেমায় নানা দৃশ্য দেখানো হয়। বানরের যৌন দৃশ্য, পুং ও নারীর যৌন দৃশ্য, দুই ধরণের সমকামী দৃশ্য। এবং শারীরিক রেসপন্স মাপা হয়। এবার শোয়ের শেষে প্রত্যেককে আলদা করে জিজ্ঞাসা করা হয়, কোনটা যৌনভাবে উত্তেজক লাগল।

    প্রশ্নের উত্তরগুলো আশ্চর্যজনকভাবে ঋদ্ধি আর অরণ্যদার বক্তব্যের সঙ্গে মেলে। স্ট্রেট পুংরা জানান তাঁরা মূলতঃ পুং ও নারী আর লেসবিয়ান দৃশ্যে উত্তেজিত বোধ করেছেন। মেয়েরা সংখ্যাগড়িষ্ঠভাবে কিছুতেই উত্তেজনাবোধ করেননি বলে জানান। (পপুলার নোশন, মেয়েদের ওসব দেখে "আসেনা")।

    এবার ভার্বাল রেসপন্সের সঙ্গে ফিজিওলজিকাল রেসপন্স মিলিয়ে দেখা হয়। পুংদের ক্ষেত্রে উভয়ই মোটামুটি ম্যাচ করে। কিন্তু মেয়েদের ক্ষেত্রে জাস্ট কিছুই ম্যাচ করেনা। দেখা যায়, ফিজিওলজিকালি মেয়েরা প্রতিটি যৌনদৃশ্যে উত্তেজিত হয়েছেন। মানে ফিজিকাল রেসপন্স তেমনই। যদিও তাঁরা বলেছেন অন্য। ঢপ মেরেছেন ভাবার কোনো কারণ নেই, সত্যিই অন্যরকম ভেবেছেন। অর্থাৎ, কন্ডিশনিং কোনোভাবে কাজ করেছে।

    বায়োলজি আর কন্ডিশনড মানুষ, এদের ফাঁকটাকে আপনি ইনহিবিশন ভাবতে পারেন। এটাই "চাওয়া"টা তৈরি করে। বায়োলজি নয়।
  • Ishan | ১৭ মে ২০১৩ ০৮:১৯604586
  • "চাওয়া" মাপার আরেকটা পদ্ধতি হতে পারে। যেটা পুরো বায়োলজিকাল নয়। বরং ইনহিবিশনের সীমান্তে। সেটা সাইকোলজির মাপ। অর্থাৎ, খানিকটা ইনহিবিটেড, খানিকটা ধরা-বাঁধার বাইরে। ইয়েস, ঠিকই ধরেছেন, আমি হস্তমৈথুনের কথা কইছি।

    হস্তমৈথুনের খনিকটা কেন সীমানার বাইরে তো এমনিই বোঝা যাচ্ছে। আমি কল্পনায় সামাজিক বিধিনিষেধের বেড়া ডিঙোচ্ছেন। যৌনতার যতরকম শেডস অফ গ্রে, সবকিছুকেই প্র্যাকটিস করে ফেলছেন, সমাজস্বীকৃত হোক বা না হোক।

    কিইন্তু এর পরেও আপনি যে পার্টনারকে ভাবছেন, সে হয় আপনার প্রেমিক/কা, কিংবা আপনার অসম্ভব ভালো লাগে এমন কেউ। এই পছন্দটা আবার অনেকটাই সামাজিক। তার চুল কেমন, ব্যক্তিত্ব কেমন, হাসে কেমন ইত্যাদি দ্বারা নির্ধারিত।

    এই ইনহিবিশনের সীমানে যদি আপনি স্টাডি করেন, বায়োলজির চেয়ে একটু বেশি ইনহিবিটেড উত্তর পাওয়া যাবে। কিন্তু সেটা আবার সরাসরি প্রশ্নের চেয়ে একটু বেশি খোলামেলা।

    তা, এরকম স্টাডিও আছে। ইউনিভার্সিটি অফ শিকাগোর স্টাডি দেখাচ্ছে, পুংদের ৬১% আর মহিলাদের ৪১% হস্তঐথুন করেন।

    একটু ইংরিজি কোট তুলে দিইঃ

    "Many women masturbate, but they haven't beaten the men when it comes to solo sex frequency... at least not yet. Statistically speaking, various studies of the sexual behavior of men and women detailed connections between gender and self-stimulation. The authors of The Social Organization of Sexuality (Edward O. Laumann, John H. Gagnon, Robert T. Michael, and Stuart Michaels; University of Chicago Press, 1994) gathered information about masturbatory practices from face-to-face interviews and self-administered questionnaires of 2,969 men and women ranging in age from 18 to 59 years. The researchers found that 41.7 percent of women and 63.3 percent of men masturbated during the year studied. According to The Janus Report on Sexual Behavior (Samuel S. Janus and Cynthia L. Janus; John Wiley & Sons, Inc., 1993), based on a large-scale, nationwide survey of adult Americans ages 18 and up conducted between 1983 and 1992, 10 percent of women reported masturbating frequently (several times weekly or daily) vs. 25 percent of men. Similarly, 38 percent of women reported masturbating on a regular basis (monthly to daily) in comparison to 55 percent of men. The Kinsey Institute also published statistics about gender differences in masturbation. They were compiled from renowned sex researcher Alfred Kinsey's studies on the sexual behavior of men and women. According to Dr. Kinsey's 1948 and 1953 studies, based on detailed interviews with white American adults, 92 percent of men and 62 percent of women reported that they had masturbated."
  • Ishan | ১৭ মে ২০১৩ ০৮:২৬604597
  • এই রেজাল্টটাও আমার অ্যাসামপ্শনের সঙ্গে দিব্য যায়। অর্থাৎ, কিছুটা ইনহিবিটেড অবস্থায় নারীর যৌন আকাঙ্খা পুরুষের থেকে কমে যায়। থাকে, কিন্তু ততটা "মুক্ত" নয়।

    এবার মজা হল, স্টাডি যাই দেখাক, নারীদের হস্তমৈথুনকে আমরা একেবারে নেই করে করে দিয়েছি। যেভাবে পুরুষদের ধর্ষণকে নেই করে দিয়েছে ভারতীয় পেনাল কোড। পুরুষদের হস্তমৈথুন ওপেন সিক্রেট। ছেলেরা প্রকাশ্যেই এই নিয়ে কথাবার্তা বলে টলে থাকে। কিন্তু মেয়েদের টা ট্যাবু। কাকপক্ষীটিও যেন টের না পায়। এমনকি প্রাণের বান্ধবীটিও না।

    এটা কেন? ওই একই কারণে। সামাজিকভাবে এই কনসেপ্টটি নির্মান করতে হবে, যে, মেয়েদের ওসব চাওয়া "আসেনা"। "প্রকৃতিগতভাবেই"। অতএব, নারীর পাপবোধ পুরুষের থেকে অনেক বেশি জাগ্রত করতে হবে। এবং তার আচরণ এমন করতে হবে, যা সামাজিক ধারণাটিকে কনফার্ম করে, যে, "পুরুষদেরই যত সুড়সুড়ি"।
  • Ishan | ১৭ মে ২০১৩ ০৮:২৯604608
  • এবার এত বার্তালাপ কেন? না, "পুরুষদের বেশি সুড়সুড়ি, আর মেয়েরা ততটা চায়না" -- যদি এটা ধরে নেন, এবং এটার উপরে "বিজ্ঞান" "বায়োলজি" ইত্যাদির ছাপ্পা মারেন, তাহলে বাকি যুক্তিপরম্পরাটারও সুবিধে হয়। যার শেষ ধাপে আছে "নারী মাত্রেই ধর্ষণযোগ্য"। এবং অন্য পিঠে "পুরুষ ধর্ষিত হতে পারেনা"।

    আমি সেইটই খন্ডন করার চেষ্টা করলাম। এতক্ষণ। :)
  • a x | ১৭ মে ২০১৩ ০৮:৩৭604619
  • ঈশান, স্টাডিটা পুরো ঠিক বললেনা। মেয়েদের সেক্সুয়ালিটি অনেক বেশি ফ্লেক্সিবল এটা ছিল সেই স্টাডির প্রতিপাদ্য এবং not category specific। মেয়েরা - স্ট্রেইট এবং লেসবিয়ান, দুজনেরই লেসবিয়ান পর্ণ দেখাকালীন মানসিক ও যৌনাঙ্গের উত্তেজনা টের পাওয়া যায়। অন্যদিকে স্ট্রেইট পুরুষেরা গে পর্ণ দেখে বিশেষ রিয়াকশন দেখায়না। আর এরা কিন্তু বলে এই তফাৎ innate না কন্স্ট্রাকটেড তা বোঝা যায়না।

    কিন্তু স্টাডিটার ascertainment bias ছিল - অর্থাৎ খুব বেশি মেয়ে যৌনাঙ্গে যন্ত্র দিয়ে মাপার পক্ষে ছিলনা। যারা ছিল, তারা আর যারা রিফিউস করে তাদের সেক্সুয়াল বিহেভিয়ার আলাদা - অর্থাৎ random sample না। উদাহরণ - যারা স্টাডিতে অংশ নেয়, তারা বেশি ম্যাস্টারবেট করে, তাদের সেক্সুয়াল পার্টনার বেশি ইত্যাদি।

    আমার কাছে পেপারটার পিডিএফ আছে। মেইল করতে পারি।
  • Sankha | ১৭ মে ২০১৩ ০৮:৪২604630
  • হুম। হক কথা। আমার একেবারে হাতে গরম এক্ষপিরিয়েন্স আছে। হস্তমৈথুন শব্দটা শুনলেও পারলে লোকে গঙ্গায় একটা ডুব মেরে আসে। এই করেই গঙ্গা মৈলি হয়ে গেল... ঃ-))

    দেখি এখানেও সেন্সারের দাবী আসে কিনা। সিঁদুরে মেঘ দেখছি।
  • Ishan | ১৭ মে ২০১৩ ০৮:৪৭604641
  • অক্ষদা, আমার সত্য সত্যই স্টাডিটা ঠিকঠাক মনে নেই। একটু কোথাও তুলে লিং দিয়ে দাও না। হক্কলেই পড়ে নিক।
  • sosen | ১৭ মে ২০১৩ ০৮:৫১604652
  • সব পড়তে পড়তে "এই রেজাল্টটাও আমার অ্যাসামপ্শনের সঙ্গে দিব্য যায়" এইটা পড়ে সবচেয়ে মজা পেলাম।
  • Ishan | ১৭ মে ২০১৩ ০৮:৫২604662
  • মজার কারণ কী ব্যাখ্যা করলে ভালো হয়।
  • aranya | ১৭ মে ২০১৩ ০৯:০০604663
  • তাইলে সর্বসম্মতিক্রমে এইরম কি বলা যায়, যে সোশাল কন্ডিশনিং, ইনহিবিশন ইত্যাদির প্রভাব সত্ত্বেও ছেলেদের ক্ষেত্রে বায়োলজি-ই জয়যুক্ত হচ্ছে?
    ঈশেনের স্টাডিটার কথা পড়ে তো সেইরমই মনে হল।
  • a x | ১৭ মে ২০১৩ ০৯:০১604664
  • কোথায় তুলব? কাউকে একটা মেইল করে দিতে পারি সে তুলে দিক।
  • Ishan | ১৭ মে ২০১৩ ০৯:০২604666
  • আনাকেই দাও। আমি কাল তুলে দেব। এখন ঘুনু পায়।
  • a x | ১৭ মে ২০১৩ ০৯:০৬604667
  • জিমেইলে পাঠিয়েছি।
  • শ্রী সদা | ১৭ মে ২০১৩ ০৯:৩৩604668
  • ঋদ্ধিদার 17 May 2013 -- 06:46 AM পড়ে পরের পর হেঁচকি তুলছি।
    ঃ)))))
  • riddhi | ১৭ মে ২০১৩ ০৯:৫৮604669
  • ১) প্রথমেই ইউ শিকাগো কে তীব্র ধিক্কার আর ছিঃ। ছেলের মধ্যে ৬১% হস্তমৈথুন রেট যাস্ট হতেই পারে না। ওটা অনেক বেশী হবে। হয়তো ৬ আর ৯ গুলিয়ে গেছে। আমাকে র‌্য্যাগিং এর সময় অভিরূপ দা ৯৫% মত বলেছিল। বাকি টাইপ- ওয়ান এরর। পরে আমিও পড়াশোনা করে ৯০ এর কোঠায় একটা নাম্বার পেয়েছিলাম।

    ২) ঈশান একটা দারুন পয়েন্ট তুলেছেন-ইনহিবিশন, যেটা আমি লিখেতে যাচ্ছিলাম। এখন এই ইনহিবিশন তো বায়বীয় কিছু না, এর কিছু নির্দিস্শ্ট সোর্স আছে। আর এই সোর্সের লিস্ট বড় না। পুরুষদের ক্ষেত্রে টপ ইনহিবিশন হল ধর্ম, বিশ্বামিত্রের আমল থেকে। এখানে হ্যরাসমেন্ট টা ঠিক কিভাবে হয়? একটা পুরোহিতের অফিসে ঢুকে যই সানি লিওন বেধরক নাচতে থাকলে, পুরোহিত টার অস্বস্তি হয় ঠিকি, কিন্তু সেটা অনেকটা 'হা ঠাকুর তুমি এই ভাবে আমার পরীক্ষা নিচ্ছ" লাইনে। নিজের সাথে নিজের লড়াই। লিওন আর ঠাকুরের টাগ ওফ ওয়ারে ওর বা* ওসিলেট করে। এখন আপনি কাকে হ্যারাসার বলবেন। আমি ঠাকুর বা ভগবানের কন্সেপ্টকে বলব। আমি রাশ্ট্র হলে এই কেস নেব না, উল্টে লোকটাকে ইনহিবিশন মুক্ত করার চেষ্টা করব, কাউন্সেলিং করে।

    ৩) পুরুষদের "মুক্ত যৌনতা" যেটার বায়োলজিকাল বেসিস আছে, সেটা ইনহিবিশন কেন বুঝলাম না। এটা কি ঈশান বলছেন সামাজিক নির্মান? কিভাবে?

    ৪) প্রাক্টিকালি, পুরুষদের ধার্ষিত হতে না পারার একটা বড় কারণ হল মেয়ে আর ছেলের শারীরিক ক্ষমতার অসাম্য। এটা বিশাল ফ্যাক্টার, যেটা উপেক্ষা করলে চলবে না।
  • a x | ১৭ মে ২০১৩ ০৯:৫৯604670
  • পুরুষরা পুরুষদের দ্বারাই ধর্ষিত হচ্ছে।
  • khilli | ১৭ মে ২০১৩ ১০:০৯604671
  • "পুরুষদের উপর হ্যারাসমেন্টের জন্য বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মেয়েরা দায়ী, কিন্তু ধর্ষণের জন্য বোধহয় ছেলেরাই দায়ী" - pi এর এই কথা টাকে কেন জেনারাল সুইপিং স্টেটমেন্ট বলা হবে হবে না? কোন ডেটার ওপর এটা প্রুফ হয়?
  • sosen | ১৭ মে ২০১৩ ১০:১০604672
  • মেয়েদের হস্তমৈথুন ট্যাবু, প্রাণের বান্ধবীরা-ও জানতে পারেনা, নেই করে দেওয়া হয়েছে ইত্যাদি কিভাবে জানা গেল? কৌতূহল।
    ধর্ষণ কি সবসময় সেক্সুয়াল ড্রাইভেরই প্রজেকশন বলে স্বীকার করা হচ্ছে? এটা-ও কৌতূহল।
  • riddhi | ১৭ মে ২০১৩ ১০:১৩604673
  • ax হ্যান একদম ঠিক, আমি স্পেসিফিকালি মেয়েদের তরফ থেকে ধর্ষনের কথা বলছিলাম। লাস্ট পয়েন্টটাই "মেয়েদের দ্বারা " যোগ হবে। পুরুষদের পুরুষকে ধর্ষন কমন।
  • lcm | ১৭ মে ২০১৩ ১০:২৩604674
  • এসব বায়োলজিক্যাল ব্যাপার না? এস্ট্রোজেন, মেন্স্‌ট্রুয়েশন, মান্থলি ব্লাড লস, বেবি বার্থ প্রসেস... ছেলেদের চেয়ে মেয়েদের ফিজিক্যাল স্ট্রেন্থ তুলনামূলক ভাবে কম ...উইকার সেক্স ... এসেট্রা... আফটার অল, ফোর্স্‌ড কোনো কিছুতেই তো একটা গায়ের জোরের ব্যাপার থাকেই...
    মানে তাই তো বলে।
  • Ekak | ১৭ মে ২০১৩ ১১:৩৯604675
  • হয় এরা ইন্ডিয়াতে নেই নইলে আমার ইন্ডিয়া নয়। এতদিন ভায়দিক ইভলুশন দিয়ে মাথা খাওয়া হয়েছে এবার শুরু হলো সিউডো বায়োলজিকাল। কেমন সুন্দরভাবে সব হিসেবের ডেটা খুঁজতে আদিম মানুষে চলে যেতে হচ্ছে। এত হাজার বছরের সোশাল এভলিউসনের কোনো প্রভাব নেই। শিম্পাঞ্জি থেকে উদবেড়াল সবার ক্ষেত্রে রিসেন্ট ডেটা। শুধু মানুষ নিয়ে আলোচনা হলে গুহামানব-কাকু কে ডাকতে হয়। কি মিষ্টি মিষ্টি থেওরি সব। কদিন বাদেই বিজ্ঞানী আর চার্চের ফাদার হাত ধরাধরি করে টুইস্ট নাচবে :):):) মানে এর নাম যদি বিজ্ঞান হয়।
  • lcm | ১৭ মে ২০১৩ ১১:৪৭604677
  • জোর যার মুলুক তার।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ক্যাবাত বা দুচ্ছাই মতামত দিন