এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • বাঙ্গালি পুরুষ বনাম বঙ্গনারী

    Parolin
    অন্যান্য | ২১ জুলাই ২০০৬ | ১০০০৩ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • dd | ২৩ জুলাই ২০০৬ ১৯:৫২633023
  • হ্যা:, যো যে কি কয়।

    পঞ্চাশ কোটি ভারতীয় ছেলে রয়েছে, নাবালকদের বাদ্দিলেও পঁচিশ কোটী সাবালক। তাদের সক্কলের কথা জানি নে - কিন্তু আয়নার সামনে দাঁড়ালে নিত্যি দেখি এক লোমহর্ষক পৌরুষে প্রোঙ্কÄল ঈষৎ টেকো ব্যক্তিত্ব্যকে। তার বেলা ?
  • tan | ২৩ জুলাই ২০০৬ ২০:৪০633024
  • ভারতীয় মেয়েরা ন্যাকা তো বটেই,মুশকিল হলো অনেকসময় জোর করে তাদের ন্যাকা সাজতে হয়,জীবনসংগ্রামের টেকনিক,নইলে বেমানান হয়ে যাবে গুল্মের দেশে মহীরুহের মতন অসম,বেমানান।জোর করে নিজস্ব চিন্তার স্বাধিকার সম্প্রদান করে দিতে হয় তাদের।
    আর কী কী ভাববে এটা নারীপুরুষ নির্বিশেষে শিখিয়ে দেওয়া হয় সমাজ থেকে,গুরুজন থেকে, কতজন স্বাধীন চিন্তা করে,হোক নারী বা পুরুষ? তাহলে এত স্থবির ও খারাপ রীতিনীতি আজও থাকতো?
    অনেক সাবালক সাবালিকা,"আমি তো জানিনা,বাবা/গুরু/নেতা জানেন"এমন ধরনের একটা দায়িত্বহীন জীবনের আইডিয়া প্রচার করেন।বদলে নাকি তারা নিজেদের সাধ আহ্লাদ বিসর্জন দিয়েছেন।
    আই ন্যাকা কাটিং আইডিয়া সমস্ত ভারতীয় মিডিয়া খুব খাওয়ায় খাওয়াতো খাওয়াবে।
    এর খুব স্পষ্ট বিপরীত পশ্চিমের আইডিয়া,চয়েস সেখানে খুব জোর পায়। যার যার বোঝা,তার তার।নেতা গুরু বাবার কাঁধে দোষ দিলে চলবে না।
    কিজানি অন্যদের কি মনে হয়,আমার এমুন মনে হয় দেখ টেখে,যদিও সামান্যই দেখেছি।
  • Ishan | ২৩ জুলাই ২০০৬ ২১:২৬633025
  • এক। আমি যদ্দুর মনে করতে পারি, ভারতীয় ছেলেরা ম্যাদামারা, আর বিলিতিরা মুচমুচে, -- এই জাতীয় স্টেটমেন্ট থেকেই কথাটা শুরু হয়েছিল। সেটা অবশ্য এই থ্রেডে নেই, কিন্তু একটু খুঁজলেই পাওয়া যাবে। তা, এই জাতীয় কথা "মিঠে খুনসুটি' করে বললে কোনো অসুবিধে নেই, (আমার ধারণা ছিল তাইই বোধহয় হচ্ছে), কিন্তু সিরিয়াস "যুক্তি' হিসাবে একদম দাঁড়ায়না।

    দুই। সব ব্যাটাকে ছেড়ে দিয়ে "ভারতীয় ছেলেরা' (বা মেয়েরা) ইন জেনেরাল ভিতু-হ্যান্ডু না-ইত্যাদি ইত্যাদি -- এইরকম জেনারালিজড স্টেটমেন্টের বিপদ আছে। ধরুণ, পথিবীর সব লোকেরই দুটো করে হাত আর পা আছে, কিন্তু সবারইরই একটা দিকের হাত/পা বেশি জোরালো, অন্য দিকেরটা নয়। এবার, কেউ যদি দুম করে বলেন, যে, "ঐ পাইকপাড়ার ছেলেগুলো, জানিস একদম অপদার্থ, অলস। ভগবান দুটো করে হাত দিয়েছে, কিন্তু একটাকেও দেখলামনা একটু চেষ্টা করে দুটো হাত সমান ভাবে ব্যবহার করতে। যে ব্যাটার ডান হাত চলে, তার বাঁ হাত চলেনা, আর যার বান হাত চলে তার ডানদিকটা অচল। ভাব, কি অপদার্থ।' তো, এটা বললে ভাবখানা এরকমই দাঁড়ায়, যে, সারা পৃথিবীর বাকি সব লোকই সব্যসাচী, আর পাইকপাড়ার মুখ্যু গুলো শুধু অপদার্থ। তা, এই কথাগুলো ও ঠাট্টা ইয়ার্কি হিসেবে ঠিকই আছে, কিন্তু সিরিয়াস যুক্তি হিসাবে দাঁড় করালে তার উত্তরে একটা কথাই বলার থাকে, যে, যুক্তিটি আগা থেকে গোড়া পর্যন্ত বোগাস।

    তিন। আমি যা বলেছিলাম, বা অক্ষ/পারমিতারা যা বলেছেন, তাকে সিরিয়াস যুক্তি দিয়ে কাউন্টার করার কোনো প্রয়াস কিন্তু আমি এখনও দেখলাম না।J যা বলেছে, সেগুলো সেই, "আমার যা দেখেছি' টাইপ পর্যবেক্ষণ, বা "মোদ্দা কথা পৌরুষ নাই' টাইপের বেসলেস জেনারালাইজড স্টেটমেন্ট। ঠাটা ইয়ার্কি হলে ঠিক আছে, কিন্তু যুক্তি টুক্তি হিসাবে এগুলি অচল পয়সা।
  • Ishan | ২৩ জুলাই ২০০৬ ২১:৫৩633026
  • ভুল করে শুধু অক্ষ/পারমিতা লিখেছি। দ্রি,স, আর R এর নাম বাদ গেছে।
  • omnath | ২৩ জুলাই ২০০৬ ২২:১৪633027
  • সবাই জানে পর্যবেক্ষণ নিয়ে তক্কো হয় না। যুক্তি টুক্তি এলে কাল আম্মো পোবোন্ধো নামাতে পারি।
    তবে আমারও একটা অবজার্ভেশন আছে।
    এখনও পর্যন্ত একটাও ভদ্রস্থ ভারতীয় মেয়ে দেখলাম না।

    তাই এখনো বিয়ে করি নি।

    জানি শেষ পর্যন্ত আমার মতোই কোনো খাপে খাপ .... জুটবে। তবু হাল ছাড়িনি। এখনো অন্বেষণে।
  • tan | ২৩ জুলাই ২০০৬ ২২:৩০633028
  • ওমনাথ,
    পঞ্চার বাপেরে বিয়া করতে চাইলে দেশে এট্টু চাপ আছে বাপ।
    বাইরে গিয়ে কত্তে পারো অবিশ্যি।:-)))
  • a x | ২৩ জুলাই ২০০৬ ২৩:১৬633029
  • য, তাইলে সততা আর নির্ভীকতা কাটিয়ে এখন ভড়ং is the contending issue? দুটো রিলেটেড কিন্তু এক না। আচ্ছা, কিন্তু এইদেশে (আর কোনো দেশে বছরের পর বছর থেকে সেই দেশের মানুষকে চেনা/বোঝার চেষ্টা করিনি, কাজেই সব'ই এই মার্কিন মুলুকের পরিপ্রেক্ষিতে বলব) - এইদেশে যে সবসময় packagingএর ওপোর জোর দেয়, সব জব ইন্টার্ভিউতে বলে need to sell yourself, যা জানো, তার বেশি যে জানো, সেটাই দেখাতে হবে। এদের মধ্যে যে street smartness, কথা বলতে পারার অদ্ভূত ক্ষমতা, সেগুলো তাহলে ঠিক ভড়ং না? ওটাই ওদের হ্যান্ডসাম করে?
    খুনসুটি হলে খুব ভালো, আমিও men are jerks women are bitches বলে গলা মেলাবো, কিন্তুক এখানে যুক্তি দিয়ে কথা বলা খুব ডিফিকাল্ট, কারন, আপনি প্রথমেই যা বলেছেন, তাই দিয়ে, কোনো ছেলে যদি কিছু বলে, সেতো বলবেই, কারণ সে এই সেট-এই পরে। কোনো মেয়ে যদি বলে, সে তো বলবেই, কেননা এক সে ন্যাকা, দুই তার বাপ, ভাই প্রেমিক, বর বন্ধু সব ঐ উপোরোক্ত সেট-এর অন্তর্গত, কাজেই আপনাকে সমর্থন করতেই হবে :-))
  • a x | ২৩ জুলাই ২০০৬ ২৩:১৮633030
  • হে হে ওমনাথ, তার চেয়েও বড় কথা, ভদ্রস্থ ভারতীয় মেয়ে আপনারে বিয়ে করবে কেন? তাই তার দেখা পেয়ে হৃদয়ভঙ্গর চেয়ে সে নাই নাই ধরে নিলেই সুখ ও শান্তি বেশি ;-)
  • saa | ২৪ জুলাই ২০০৬ ০১:১০633031
  • superficially দেখতে গেলে সাদা ছেলেরা ঝাঁ চকচকে! glittering! কথায় বার্তায় চলনে বলনে মেয়েদের impress করার ব্যাপারে ভড়ং বাজিতে সিদ্ধ হস্ত! ( দিশি মেয়েদের এরা জেনেরালি বড়ো একটা পাত্তা দেয়না সেটা আলাদা পোশ্নো) আর পৌরুষ? শারীরিক ক্ষমতায়, শয্যাশৈলী তে হয়তো দেশী ছেলেরা ধারে কাছে ও পাত্তা পাবেনা।
    কিন্তু সততা? কইতে পারিলামনা যো! পাড়ার দিদিমা কে দেকি লিপিস্টিক লাগিয়ে দাদু খুঁজতে পাবে যায়! কারন আগের দাদু ভেগেচে নতুন মামীর সাথে!
    বিছোনায় ঠিকঠাক না হলেই ভাগলবা!
    এই কি সততা? আমাদের কাকি, মামি, পিসিদের কতা ভাবো দেকি! বুড়ো হলে তো আমাদের দেশের ছেলেরা আরো বেশি করে নিভভর্শীল হয়ে পড়ে।
    দীর্ঘমেয়াদী সম্পর্কের সততা আমাদের দেশের ভীতু ছেলেদের অনেক বেশি ভাই, অন্তত মধ্যবিত্ত শ্রেণীতে!
    আর মেয়েরা? এদের মেয়েরা অনেক বেশি ন্যাকা! বরের ওপর ভস্‌সা নেই যে ! তাই শান লাগিয়ে রাখতে হয় ছেলে পটাবার স্কিল গুলোকে সদা সব্বদা!
  • a x | ২৪ জুলাই ২০০৬ ০১:৫৪633033
  • "শয্যাশৈলী" র তুলনামুলক গবেষণা অছে বুঝি বিভিন্ন জাতির? আমাকেও একবার দেবেন তো রেফারেন্সটা। ভারতীয় মেয়েদের সাদা ছেলেরা পাত্তা দেয় না, এটাও বোধহয় কোনো তথ্যমূলক বক্তব্য নয়। আপনি তাই দেখেছেন, আর আমি অন্তত ইউনিভার্সিটি সেটিং-এ উল্টোটা দেখেছি। উল্টো বলবনা। মানে সাদা মেয়ে ফেলে ভারতীয় কে পাত্তা দিচ্ছে এমনটাও না। আর ভারতীয় বলে মুখ ঘোরাচ্ছে এমন একেবারেই না।
    আমাদের কাকি মামি পিসি, সারাজীবন কিছুই communicate করতে না পেরেও, অগাধ না পাওয়া বয়ে বয়ে সমাজ এবং অভ্যেসবশত একটা মানুষের সাথে পাশাপাশি শুধু শুয়েই গেল - এটা সততার জন্য? আর দাদু জীবনকে একটু বদলে দেখার জন্য, সারাজীবনের চেনা ছক থেকে বুড়ো বয়েসে বেরিয়ে গেল বা যৌবনমনা দিদিমা সঙ্গী খুঁজতে বেরলো - এটা অসৎ?!! বরের ওপর ভরসা বা বৌএর ওপর ভরসা অবার taken for granted হয়ে যায় খুব সহজেই।
  • dri | ২৪ জুলাই ২০০৬ ০৩:১৯633034
  • বিভিন্ন জাতির সততা আর অসততার কিছু উদাহরণের একটা লিস্ট হোক না। যে যেমন ফেস করেছেন। তাহলে হয়ত আলোচনায় সুবিধে হত। তা না হলে বড্ড হাওয়ায় কথা হচ্ছে।
  • J | ২৪ জুলাই ২০০৬ ১৩:০৫633035
  • সততা আমার বিচারে, যা বিশ্বাস করি ব'লে বলে বেড়াই, সেটাই করি। মুখে বলি এক আর করি আরেক, এটা সততা নয়। শুধু যৌন্‌ণ সম্পর্কের ক্ষেত্রে নয়, এটা সব দিক দিয়েই বলা হচ্ছে।
  • J | ২৪ জুলাই ২০০৬ ১৪:৫৪633036
  • এই আলোচনার হেডিংটাই বোকাবোকা। এমনটা হবে সেতো ভাবিনি। আর মেয়ে বনাম ছেলে আলোচনায় দাঁড়িয়ে গেলে সেই পুরোনো স্টাইলেই গপ্প শেষ হবে। তেমনটাও ইচ্ছে নেই।
    আচ্ছা, মেয়েদের যে যে দোষগুলো দেখা গেছে সেগুলো নিয়েও আলোচনা হোক। আমার তো কোনো আপত্তি নেই। হোক না।
    হুম্‌ আমি ব্যকিগত অভিজ্ঞতা থেকেই তো বলব। বইয়ে পড়া মুখস্ত বুলির কোনো স্টকই যে নেই আমার। যা বলি লিখি সবই দেখে-ঠেখে শেখা জিনিস। কোনো লিটারেচারের রেফারেন্স দিতে পারব না। ম্যাক্সিমাম সিনেমার রেফারেন্স দোবো, তাও সস্তার ছবি। তবে রক্ত মাংসের মানুষ-মানুষীর সঙ্গে ইন্ট্যার‌্যাকশান নেহাৎ কম হয়নি। সেই পরিপ্রেক্ষিতেই এই কথাগুলো এসেছিলো। বেসলেস হবে কেন? বেস তো আছেই, কেস বাই কেস, দেখে দেখে তবেই তো বেস বানিয়েছি। দরকার হলে সেগুলোও লিখবো।
    আমার মনে হয়েছিলো, এগুলো নিয়ে আলোচনা হলে নিজেকে অন্য কারোর চোখে দেখে অনেক কিছু শুধরে নেওয়াও যেতে পারে। সবসময় খুব বেশি প্রোটেকটিভ না হলেই বা ক্ষতি কি?
    এই য্যামন DDভায়া লিখেছে, আয়নার সামনে দেখা হ্যান্ডসামত্ব। তার উত্তরে বলতেই পারি, বটেই তো আহা আফনে বেজায় হ্যান্ডু। কিম্বা এও বলা চলে, আয়নায় তো শুধু সামনেটা দেখলেন, অনেক ঘাড় টাড় ঘুরিয়েও যেটু আয়নায় এলো না সেটুকু? আমরা তো সেই সব দিকেই সবচেয়ে দরকারী দোষগুলো ভাঁজ করে রেখে দিই। সেগুলো যারা দেখতে পায়, তারা বলুক, শুনি নয় সেগুলো কিছুটা।
    বাঙ্গালী পাজি- এটা শুনে, কেউ বলবে, না না, বিহারীরা আরো বেশি পাজি।
    এখানে আলোচনাটা সেরম দাঁড়িয়ে গেছে। সেরকম আমার অভিপ্রেত ছিলো না।
  • Sayantan | ২৪ জুলাই ২০০৬ ২৩:৪০633037
  • কান্নাডিগা মেয়েরা প্যানপ্যানে!! গৃহবধু টাইপ!! পারোলিনদি, চলে এসো, একবারটি দেখে যাও আমার বউকে। রাত বিরেতে বাড়ী ফিরে যখন হুংকার ছাড়ে না - আজকেও আলুবাটি? (সত্যি বলছি, আলুবাটি এককালে খুব পছন্দ করত, সরষের তেল আর টম্যাটো দিয়ে ... আর হ্যাঁ, বাংলাও শিখিয়েছি)

    যেদিন ওমলেটের ঝোল রাঁধি বাড়ি ফিরে, আ:, পরের দুটো দিন বেশ ভালো যায়।
  • tan | ২৪ জুলাই ২০০৬ ২৩:৫৬633038
  • এতদিনে!!! এতদিনে একজন ইন্টার কালচার/ভাষী বিপ্লবী পাওয়া গেলো!
    এইবারে অসুবিধা নেই আর! দুরুমদাড়াম উইকেট পড়বে।:-))
  • Babli | ২৫ জুলাই ২০০৬ ০৩:৩৯633039
  • বঙ্গ নারী কি বঙ্গ পুরুষ জানি না ছেলেদের ব্যাপারে আমার এক টা মত আছে।সেটা হলো গিয়ে ছেলেরা usually বেশ অপরিষ্কার হয়। অনেকে রাগ কর লে আমার কিছু করার নেই। example দিচ্ছি।
    1:ভেজা তোয়ালে টা কি সুন্দর bed এর ওপর রেখে চলে যাওয়া কাজে।
    2: বাইরে থেকে ঘরে ঢ়োকার সময় জুতোটা পপোষে না ঘষা।
    3: জুতোটা যেখানে বসে খুল বে সেখানে মিনিমাম আধ ঘন্টার জন্য থাক বে।তার পর সেই জুতো তার যথাস্থানে যাবে।আবার কোনোকোনো দিন সেই জুতো কে সেখানেই সারারাত রাখার ব্যাপারে স ওয়াল করা হবে এই যুক্তিতে, যে কাল তো আবার জুতো পরে hospital এ যেতেই হবে। বল তে বল তেই আমার গা পিত্তি জ্ব লে যাচ্ছে।আর হ্যা বেশী চেল্লাই মেল্লাই কর লে জুতো আর মোজা ছুড়ে ছুড়ে তার যথাস্থানে পাঠানোর ব্যবস্থা হবে।(আমি না চন্দ্রবিন্দু লিখ তে পার ছি না)
    4: shave যখন কর বে basinrazor টা ঠুকে ঠুকে পরিষ্কার কর বে। দিয়ে flush করার সময় খেয়াল কর বে না basin টা ঠিক মতো clean হলো কিনা।
    5: যেদিন রান্না ঘরে ঢ়ুক বে রান্না করার জন্য সেদিন সেটা পুরো এক টা battlefield এ পরিনত হবে।
    কথাগুলো হয়তো আপ নাদের আলোচনার তুলনায় এক টু হাল্কা হয়ে গেলো, কিন্তু বিশ্বাস করুন এগুলো বড্ড সত্যি।এগুলো যখন দেখি তখন মনে হয় আগামী জন্মে আর কোনো ছেলেকে বিয়ে কর বো না।

    এছাড়াও আরো অনেক point আছে। যেমন :এরা চোখের সাম নে থাক লেও কোনো জিনিষ খুজে পায় না।যদিও এরা জীবনের বেশ কিছু বছর hostel এ কাটিয়ে আসে।বল তে গেলেই বলে আগে নাকি সব কিছু ঠিক ঠাক পাওয়া যেতো,এখন গুছানোর চোটে কিছু পাওয়া যায় না।

    এরা usually বেশ পেটুক হয়।রোজ বিয়ে বাড়ীর মতো খাবার চায়,নাহলে নাকি ভীষন deprived feel করে।বল তে গেলে বল বে আহা এক টাই তো অভ্যাস,সেটা এক টু ভালো খাওয়া।

    বাইরে যে ছেলেগুলো থাকে সেগুলো বৌকে তাও ঘরের কাজে help করে। যেহেতু এখানে কাজের লোক পাওয়া যায় না,দেশ এর গুলো সেই হারে করে না।
    (এই conclusion গুলো কিন্তু কিছু sample এর ওপর base করেই।)

    তবে ছেলেদের কিছু ভালো quality আছে।যেমন আপ নি যদি এক দিন টিউশন মিস করেন পরের দিন সেটা আপ নার জন্য photocopy করে ready থাক বে। টিউশন পড় তে গিয়ে যদি late হয়ে যান বাড়ী কিকরে ফির বেন কোনো চিন্তা নেই। gate অব্দি security থাক বে,কারন যতই আপ নি চেল্লান রাত হলে এক টু আপ নার ভয় কর বে, সেটা ন্যাকা শোনাক আর বোকা।Frequent interval এ এরা আপ নাকে propose কর বে competition করে।ফুল টুল দেবে।বেশ লাগে। pamper করে। খাসা।আর এগুলো ভাব লেই মনে হয়, না আবার বিয়ে কর বো, পার লে যেটা কে করেছি সেটাকেই কর বো।আমাকে কেউ confused ভাব লে ভাব তেই পারেন, যা সত্যি তাই বল লাম।
    J
    আপ নার handsome এর definition এর সাথে আমি এক মত।

    আর Ishaan
    ঠিক আছে আম রা বঙ্গ নারীরা ন্যাকা। তো কি হয়েছে। I take it as a compliment। আমার মনে হয় ন্যাকামোটা এক টা art, যেটা সকলে পারে না। accept it
    আর মনের beauty আসল, সেটা এক শ বার বল বো দুশো বার বল বো, আর তার সাথে দু পরত make up ও লাগাবো, হাজার বার লাগাবো,কারন ও দুটোর কোনো গভীর relation নেই। মন টা পরিষ্কার রাখার সাথে সাথে ওপর টা সুন্দর রাখ লে problem টা কোথায়?
    আর মেয়েরাই শুধু handu পয়সাবালা খোজে না? পাত্রী চাই এর add দেখ লে অন্য ছবিটাও ভাসে।
    ভালো থাক বেন, বহুত ঝগ ড়া কর লাম।
  • Ishan | ২৫ জুলাই ২০০৬ ০৩:৪৫633040
  • এই বাবলি কিন্তু আবার শুরু করেছে। কি ঝগড়ুটে রে ভাই মেয়েগুলো। উফ্‌ফ্‌ফ।
  • dri | ২৫ জুলাই ২০০৬ ০৪:০৯633041
  • ন্যাকামোটা একটা আর্ট। ঠিকই। অসততাও একটা আর্ট। খুচরো খাচরা অসততায় কত্ত কাজ হাসিল করা যায়। তাছাড়া কবি তো বলেইছেন শিল্প বা আর্ট হল একটি ব্যক্তিগত ম্যানিফেস্টো।
  • Babli | ২৫ জুলাই ২০০৬ ০৪:৫৩633042
  • dri
    excuse me ন্যাকামো আর অসততাকে যতই art বলে চালান দুটো parallelly গেলেও কোনোদিন converge কর বে না।কারন মেয়েরা usually ন্যাকা হলে ও dishonest হয় না।এটা কিন্তু আমি seriously বল লাম।

    আর Ishan
    আমি আবার শুরু করেছি মানে ? আমি আগে আবার কবে শুরু করেছিলাম? এখানে আসার পর থেকে শুধু বরের সাথে ঝগড়া করি।তাও তার পিছনে এক টা solid reason আছে, সেটা হলো ছুরিতে যেমন শান না দিলে মরচে পড়ে যায় তেমনি ঝগড়া না করলে মনে মরচে পড়ে যায়, প্রেমে মরচে পড়ে যায়, সে বহুত বাজে case হয়ে যায়।আর সেই কারনেই আমি ঝগড়া করি।Otherwise আমি খুব ভালোমেয়ে।
  • tan | ২৫ জুলাই ২০০৬ ০৪:৫৬633044
  • বাবলি,
    মাঝে মাঝে মারামারিও করবেন,ওয়ার্ম আপ!!
    কিছু মনে করলেন না আশা করি।
    আমার ক্যালাকেলি খুব পছন্দ লাগে,কেমন তাজাভাব,মুচমুচে!
    বেশী ভদ্রতা মানুষকে ঠান্ডা আর আধমরা রোবট রোবট করে দেয়!
  • dri | ২৫ জুলাই ২০০৬ ০৫:০১633045
  • মেয়েরা ডিজনেস্ট হয় না? ইউজুয়ালি ডিজনেস্ট হয় না? যখন প্রয়োজন হয় এবং হলে লাভ হবার সম্ভাবনা থাকে এবং রিস্ক কম থাকে, অনেকেই হয়। আমিও একদম সিরিয়াস।
  • J | ২৫ জুলাই ২০০৬ ১২:২৭633046
  • ক্রিয়েটিভ আলোচনা হলো না। ছেলে মেয়ে দুদলই ব্লন্ডি বনে গেল।
    আরে পাব্লিক লজ্জা কিসের? কেস বাই কেস অ্যানালিসিস হোক না। আসুন নিজেদের শুধরে নিই। গোঁয়ারতুমি কাটিয়ে কে কে রাজি?
  • vikram | ২৫ জুলাই ২০০৬ ১৩:০৭633047
  • দোর বাল - আমাকেই সেই লিখতে হলো। এতো চিন্তার কি আছে - অমুকে মেয়ে তমুকে ছেলে - মেয়েরা আর ছেলেরা একরকম হলে তো হয়েইছিলো। তার সঙ্গে সততা হাবিজাবি আসবে কোথা থেকে? আর সততাও কি একরকম নাকি। গড়পড়তা লোকজন কোথাও একটু বেশি সৎ কোথাও একটু কম।
    তাইলে আমরা কি নিয়ে আলোচনা করব? না এইসমস্ত র‌্যান্ডমনেসের মধ্যে সিটেমেটিক কিছু পাওয়া যায় কি না।
    শুরু: করো: এক দুই এক দুই:

    ১)বাঙ্গালী পুরুষ ঘরে বিশেষ রাঁধে না। বঙ্গনারী জেনারালি মেনে নেয়।
    ২) বঙ্গনারী আনন্দের সঙ্গে পদবী চেনজ করে। বা নিরান্দের সঙ্গে বা এমনি এমনি। কিন্তু আল্টিতে করে। প্রোগ্রেসিভ বঙ্গবাসীরা মাইয়াদের পদবী চেনজ কত্তে না করে। কিন্তু প্রগ্রেসিভ পুরুষ বঙ্গনারীর পদবী নেয় না।
    ইত্যাদি ইত্যাদি - এতে ঐ বঙ্গনারীরা নিজেদের বাড়ি থেকে বিয়ের পর স্বামীর বাড়ি এসে থাকে এসব হাবিজাবিও ল্যাখা যেত।
    এবার কেস হলো এতো সব জায়গায় হয়, তাহলে বঙ্গ নিয়ে কথা বলে কি লাভ? না কি না হেডিং এ বঙ্গ আছে বলে লিখে দিলাম।
    এর থেকে বৃহত্তর জায়গাতেও যাতে প্রযোজ্য হয়।
    মোট কথা এইটে হচ্ছে বিনির্মান, বা বিচ্ছিতি।

    বিক্রম
  • J | ২৫ জুলাই ২০০৬ ১৩:২৫633048
  • আমি একটা পয়েন লিখছি।
    ইন্ডিয়ান ব্যাটাছেলেরা কোথাও বাড়ীর অন্যান্য সদস্যদের নিয়ে বেড়াতে গেলে,
    ইন জেনেরাল ঘেবড়ে থাকে, টেনসু হয়ে থাকে অহেতুক। যেন একটা বলদের পাল সামলাচ্ছে। সে নিজে গাইড অথবা টিম লীডারের ভঙ্গিতে আগে আগে হাঁটতে থাকে, আর তাকে ফলো করে বাড়ীর মেয়েছেলেরা, শিশুরা ও অল্পবইসী ছোঁড়ারা। তাকে না বলে হুট করে একটা দোকানে ঢুকে পড়া বা দুদন্ড কোথাও দলছড়া হয়ে হারিয়ে যাওয়া প্রথা বিরুদ্ধ। সে সবসময় "হেই হ্যাট হ্যাট, চলরে বলদ, হ্যাট হ্যাট..." স্টাইলে গোটা দলটাকে শাসন করতে থাকে। যেকোনো হিল স্টেশন, সমুদ্রের ধার, প্লেসেস অফ ইন্টারেস্টে গেলে সংসারী ইন্ডিয়ান ব্যাটাছেলের এই রূপ এন্তার দেখা যায়। এরা নিজেরাও অহেতুক টেনশানে থাকে, আর দলের লোকগুলোকেও স্বাধীনভাবে তিষ্ঠোতে দেয় না।
  • J | ২৫ জুলাই ২০০৬ ১৩:৩৮633049
  • ল্যাক অফ কনফিডেন্স
    যেকোনো জায়গায় গেলে এক কথা চোদ্দোবার করে জিগ্যেস করে করে ভেরিফাই করে। সেই যে ছোটোবেলা বাড়ি থেকে শিকিয়ে দেয়া হয়েছিলো, " খুব ভালো করে জেনে অস্‌সবি, বার বার করে জিগ্যেস করে নিবি" কিম্বা " কোশ্চেন পেপার ভালো করে পড়বি, লেখা হয়ে গেলে যতক্ষণ টাইম থাকবে বারবার করে খাতা মিলিয়ে নিবি, বার বার করে"।
    তাই এনারাও সব কথা বারবার জিগ্যেস করতে থাকেন, একবারে উত্তর পেয়ে ঠিক স্যাটিসফ্যাকশান হয় না।
    -দাদা শোভাবাজারের মেট্রো কোন দিকে আসবে?
    - এইতো লেখা আছে দেখুন, এইদিকেই আসবে।
    - ও আচ্ছা, এই দিকেই আসবে?
    - হ্যাঁ এইদিকেই আসবে।
    এতে ঠিক স্যাটিস্‌ফ্যাকশান হলো না, তাই আরেকজনকে গিয়ে জিগ্যেস করলেন,
    - ইয়ে মানে শোভাবাজারের মেট্রো কি এইদিকেই?
    - হ্যাঁ এইদিকেই। আমিও শোভাবাজার যাবো।
    - ও আচ্ছ, আপনিও শোভাবাজার যাবেন? বা: তাহলে তো সব ঠিকই আছে।

    কিম্বা রেলের টিকিট কাটতে গিয়ে, হুট করে দু মিনিটে টিকিট কাটা হয়ে গেলেও সেই টিকিট কাটার মধ্যে বেশ টিকিট কাটলাম টিকিট কাটলাম গোছের স্যাটিসফ্যাকশান আসে না। তখন কাউন্টারের ক্লার্কটিকে আরো তিন চারটে প্রশ করতে থাকেন লোকটি। আরেকটু স্যাঙ্গুইন হয়ে নেন যে টিকিটটি যথার্থই সঠিক টিকিট কিনা। যা যা লেখা রয়েছে তাতে, সবই সত্য কিনা। কোনো প্রিন্টিং মিসটেক, কোনো ভুল তাতে ভুলক্রমেও আছে কি নেই, এইসব।

    টোটাল কনফিডেন্সহীন।
    এরম মেয়েরাও।
    টিকিট কাটতে টেনশান, ট্রেন ধরতে টেনশান।
  • J | ২৫ জুলাই ২০০৬ ১৩:৪৯633050
  • ইন্ডিয়ান ব্যাটাছেলেরা ইন্ডিয়ান মেয়েছেলেদের ওপর অলিখিত কোনো আইনে কর্তত্তি ফলাতে চায়। এটা ম্যাক্সিমাম হয় বিদেশে।
    কোনো বিদেশী মেয়ে খোলামেলা পোশাক পরে এলে ইন্ডিয়ান ছেলে তাকে মনে মনেও ক্রিটিসাইজ করবার আগে সামলে নেয়। আর সামনাসামনি কোনো কমেন্ট পাস কল্লে যে দাবড়ানি খাবে সে ব্যাপারেও পুরোমাত্রায় ওয়াকিবহাল, অথচ ইন্ডিয়ান মেয়ে ঐ একই পার্টিতে ঐ একইরকম খোলামেলা পোশাক পরে এলে বা সর্বসমক্ষে ঢুকু ঢুকু মদ খেলে ইন্ডিয়ান ব্যাটাছেলের বহুৎ রাগ হয়। কথায় না হলেও চোখ দিয়ে তাকে ভষ্ম করে দিতে পাল্লী করে ফ্যালে। দোষটা আর কিছুই না, - বিদেশী মাগী যা কচ্ছে করুক, তাই বলে আমাদের দেশের মেয়ে এরকম করবে? একটা প্রেস্টিজ নেই!
    আরে তোর দেশের মেয়ে বলে, তোর প্রাইভেট প্রপার্টি নাকি?
    জাস্ট নিজের টেরিটোরি ভুলে যায়।
    নিজের বৌ বা প্রেমিকা যদি ইন্ডিয়ান হয় তাদের পোশাক আশাকের ওপর নিজের খবরদারী বজায় রাখে। অন দ্য ক¾ট্রারী বিদেশিনীর সঙ্গে প্রেম বা বিবাহ হলে, এসব খবরদারীতে যায় না, সেখানে ঝাড় খাবার সম্ভবনা প্রবল।
  • J | ২৫ জুলাই ২০০৬ ১৪:০৩633051
  • মেয়েদের ন্যাকামি একটা সারভাইভাল পলিসি।
    ন্যাকা মেয়েদের ব্যাটাছেলেরা খুব পছন্দ করে, যখন মুড ভালো থাকে, মন উড়ু উড়ু থাকে, পকেটে পয়সা থাকে, কোষ্ঠ পরিষ্কার হয়, তখন।
    কিন্তু ট্যাঁকে এনাফ ক্যাশ না থাকলে, পেট পরিষ্কার না হলে, অফিসে কাজের প্রেশার থাকলে, প্যাচপ্যাচে গরম পড়লে ন্যাকামিটা খুব ইরিটেটিং লাগে।
    অথচ ন্যাকামেয়েরা তো আসলে ন্যাকা নয়। তারা ন্যাকা সাজে। ব্যাটাছেলেটাকে বাগে রাখবার জন্যে। এই হাই কম্পিটিশান আর ফাস্ট চেঞ্জিং ওয়ার্ল্ডে এভাবেই ন্যাকামি করে মেয়েরা নিজেদের মার্কেট ভ্যালু মেনটেন করে চলে।
    ন্যাকা না হলেও মেয়েদের মার্কেট ডিম্যান্ড থাকতে হয়, সেগুলো হচ্ছে ভালো চেহারা উইথ সেক্স অ্যাপীল, কিম্বা ভালো চাকরী উইথ মোটা টাকা ইনকাম, এটসেটরা।
  • Parolin | ২৫ জুলাই ২০০৬ ১৪:১৬633052
  • সায়ন্তন, ইয়ে বলছিলুম যে ইংরিজিতে একটা কথা আছে না, এক্সেপশান্স প্রুভ দ্যা রুল
    :-))

    যোদি আমি পাশে আছি। শুরু হোক সব কেস বাই কেস অ্যানালিসিস।

    আমি একটা সেমসাইড দিয়ে শুরু কচ্চি-

    বাঙ্গালি মেয়েরা ইন জেনেরল স্লাইট হিংসুটি আর বহুত পসেসিভ হয়। বিয়ের পরে বেচারা বর মার আর বোনের কথা তুললেই মুখ বেঁকিয়ে বলে " যত্ত আদিখ্যেতা "। এদিকে কিন্তু কথায় কথায় আমার বাপের বাড়ি অমুক আমার বাপের বাড়ি তমুক।

    :-))
  • s | ২৫ জুলাই ২০০৬ ১৪:৩৬633053
  • বাঙালী মেয়েরা গায়ে জ্বালা ধরানো টাইপের ন্যাকা - সার্ভাইভ্যাল স্ট্র্যাটেজি কি অন্য কোন এক্সকিউসই তার জন্য যথেষ্ট নয়। সর্বোপরি নিজেদের কার্যোদ্ধারের জন্য সব কিছু করতে পারে, অন্যকে এক্সপ্লয়েট করার ব্যাপারে মহারথী।
  • J | ২৫ জুলাই ২০০৬ ১৪:৪৮633055
  • ন্যাকা মেয়েরা বেসিকালী লোভী। হাভাতের মতো খেতে ভালোবাসে, পরের পয়সায়।
    কোনো কিছু হলেই, - খাওয়াও।

    - নতুন ব্যাগ কিনেছিস? খাওয়া।
    - চাকরী পেয়েছিস? - খাওয়া।
    - প্রেম করবার জন্যে মেয়ে খুঁজে পেইচিস? খাওয়া।
    - নতুন জামা কিনেছিস?খাওয়া।
    - প্রোমোশান? খাওয়া।
    - বাড়ী ফিরলি? খাওয়া।

    যে কোনো অজুহাতে শুধু খেতে চায়। লোকের ঘাড় ভেংএ। যা পাবে তাতেই লাভ, চাইনীজ, ঠাই ফুড, ফুচকা, রসগোল্লা, ক্যাডবেরী, যতটুকু ফোকটে চেয়েচিন্তে খাওয়া যায়।
    অথচ এরা কেউ বুভুক্ষু দু:স্থ ঘরের মেয়ে বা ছেলে নয়। এটা স্বভাব।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ঝপাঝপ মতামত দিন