এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • লাল গড় :পটভুমি,অতিত-বরতমান-ভবিষ্যত

    kanti
    অন্যান্য | ১৪ নভেম্বর ২০০৮ | ৩৯১৩৮ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Blank | ১৮ জুন ২০০৯ ২২:১৪405602
  • স্বপ্ন দেখতেও কিস্যু প্রয়োজন পরে না
  • a x | ১৮ জুন ২০০৯ ২২:১৫405613
  • পলিটিকাল ইকোনমি কে অ্যাড্রেস না করে, স্রেফ হিউম্যান রাইটসের ওপর অ্যাপীল করে এই সমস্যার সমাধান খোঁজাকে কি বিশেষণ দেওয়া যায় ভাবছি।
  • Blank | ১৮ জুন ২০০৯ ২২:২১405624
  • সেই জায়গা অনেকদিন হারিয়েছে
  • a x | ১৮ জুন ২০০৯ ২২:৪৫405646
  • হারিয়েছে বলেই যেখানে মানুষের এই অবস্থা, স্কুলবাড়ি মানে পুলিশ ক্যাম্প, রাস্তা মানে পুলিশের গাড়ি আসার ব্যবস্থা, NREGAর কার্ড চুরি, কোনো কাজ নেই, শিক্ষা নেই, হাসপাতাল নেই, পেটে ভাত নেই, সেখানে সিপিএমের কর্মীর দোতলা পাকা বাড়ি থাকলে ভাঙ্গা হয়। যত এরকম হবে, এটাই হবে। আর এই রোম্যান্টিসিজম ইত্যাদি বিশেষণ দিয়ে নিজেদের সমালোচনার জায়গা বন্ধ রেখে, গোটা কয়েক আমলাশোল বানানোর পর তারপর লোকে দা কাটারি তুলে নিলে, খালি বাইক বাহিনী বা কোবরা দিয়ে সমাধান করতে চাইলে লোকসভা নির্বাচনের ফল হবে।
  • ranjan roy | ১৮ জুন ২০০৯ ২২:৪৫405635
  • রোকেয়া,
    ভাই, তোমার বক্তব্য বুঝতে পারছি না। বঙ্গে মাওবাদীরা বিহার-ঝারখন্ড-ওড়িষ্যার সঙ্গে যুক্ত লিমিটেড পশ্চাদপদ এলাকায় হাতিয়ার তুলেছে।
    সেখানে চুনোপুঁটিদের মারছে কি বড় নেতাদের মারছে এইপ্রশ্ন কেন? যখন যেমন সুযোগ হবে, তখন তেমন।
    বস্তারে রাষ্ট্রপতি প্রতিভা পাতিলের হেলিকপ্টারের ওপর ও আক্রমণ
    চালানো হয়েছিল, দিল্লি গিয়ে নয়। যেমন জঙ্গলমহলে মুখ্যমন্ত্রীর ওপর।
    প্রশ্ন হল বড়দের ওপর আক্রমণ করা না করার ওপর কি ওদের লেজিটিমেসি নির্ভর করে?
    শ্রাবণী,
    নন্দীগ্রামে বা জঙ্গলমহলে মাওবাদীরা শুরু থেকেই ছিল। এটা মাওবাদীরা আদৌ অস্বীকার করেনি। ToI তে ওদের মিলিটারি কমিশনের চীফের সাক্ষাৎকারে স্পষ্টই বলা আছে, কেশপুরে তৃণমূলকে প্যাঁদাতে লক্ষণ শেঠের থেকে কত অ্যামো নিয়েছিল এবং নন্দীগ্রামে সিপিএমের বিরুদ্ধে টি এম সি থেকে আর্মস্‌।
    প্রশ্ন হল মাওবাদী হামলা হলেই কি নির্বিচারে ঘরে ঘরে ঢুকে পুলিশি বর্বরতা জাস্টিফায়েড হয়ে যায়?
    ব্ল্যাংকি,
    কারুর বক্তব্যকে এক কথায় রোমান্টিসিজম ছাপ মেরে দেয়া মানে তাকে মেসেজ দেয়া যে তার বক্তব্যটি নন-অ্যানাটিক্যাল, অতএব পলিটিক্যালি আলোচনার যোগ্য নয়। ছোটবাচ্চার কথা ছাড়ান দ্যাও গোছের। কিন্তু তাতে সমস্যাকে অ্যাড্রেস করার দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়া হল না কি?
  • ranjan roy | ১৮ জুন ২০০৯ ২৩:১৭405657
  • অক্ষ,
    না, খালি বিমূর্ত মানবাধিকারের দৃষ্টিকোণ থেকে এত গভীর সমস্যার সমাধান খোঁজা যায় না।
    এর কোন সরল লিনিয়ার সমাধান আমি জানি না। আমি যা বলবো তা চটজলদি তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া।
    এক, হ্যাঁ, শংকর গুহ নিয়োগী হত্যার পর জন আন্দোলন হয়েছিল। ছত্তিশগড় মুক্তি মোর্চার নেতৃত্বে। এর ফলে সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের মধ্যে ওদের প্রভাব বাড়ছিলো। এমনকি ওরা পরবর্তী সাধারণ নির্বাচনে একটি বিধানসভার সীট ও পেয়েছিলো। যদিও সেটাই সাফল্যের একমাত্র মাপকাঠি নয়।
    দুই, নি:সন্দেহে মাওবাদীদের সাংগঠনিক ও লজিস্টিক সাপোর্ট লালগড়ের পুলিশি অত্যাচার বিরোধী আন্দোলনকে এক নতুন মাত্রা দিয়েছে।
    কিন্তু এখানেই আমার বক্তব্য যে অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী ""বিপ্লবীরা'' তারপর এভাবে খুঁচিয়ে তালঠুকে রাষ্ট্রযন্ত্রের অত্যাচারের সামনে ( রেগুলার প্রোভোক করে, প্রায় এক্সিবিশনিস্ট কায়দায়) সাধারণ জনতাকে ঠেলে দিলেন আমার মনে হয় সেটা চুড়ান্ত অনৈতিক।
    কেমন যেন মনে হচ্ছে সেই "" যেখানেই অত্যাচার সেখানেই প্রতিরোধ'' গোছের সরল ম্যাক্সিমের পরে বিশ্বাস করে এই চালটি খুব জেনে বুঝে খেলা হয়েছে, এবং সেটা লালগড়ের জন আন্দোলনের ওপর চাপিয়ে দেয়া হয়েছে।
    আমার মতে ফল হবে ছ'মাসের পরে ওখানের জনতার দাবিদাওয়াগুলো লোকে ভুলে যাবে।জঙ্গলমহাল এলাকায় "" ভবে তোমার নাম কেহ লবে না''।
    আমি জ্যোতিষী নই, ভুল প্রমাণিত হলে আমি খুশি হব।
    তিন, মধ্যবিত্তের কাছে সমাজবাদের প্রধান আকর্ষনই হল নৈতিক। প্রচলিত গণতন্ত্রের চেয়ে আরঅও ব্যাপক উন্নত গণতন্ত্র।
    কিন্তু, বস্তারে লালগড়-মাওবাদীদের হাইকম্যন্ডের যে ধরণের গণতন্ত্র দেখছি তাতে তাকে তালিবানি মার্কসবাদ না বলে পারছিনা। শুধু অস্ত্রের তাৎকালিক ডমিনেশন দিয়ে কোন ইডিওলজির সত্যতা যাচাই হবে না। তাই আমেরিকাকে হারিয়েও খমের রুজ কাম্বোডিয়ার মাটি থেকে মোছে গেল। শ্রীলংকায় তামিল সমস্যার সমাধান হয় নি, কিন্তু লিট্টের অন্য তামিল সংগঠনগুলোর নেতাদের সাবাড় করে দেয়া ও প্রভাকরণের মনোপলি ( নিজের কম্যান্ডার করুণা কে স্রেফ মতভেদের জন্যে হত্যা করা মনে করুন) আজ কোথায় নিয়ে গেল?
    যেখানে সামান্যতম মতভেদের অবকাশ নেই, বিরোধিতার সমাধান শুধু গলা কেটেই হয় সেই ব্যবস্থা দীর্ঘস্থায়ী হতে পারেনা।
    আমেরিকার ডাকাতি যেমন বিন লাদেনকে ডেকে এনেছে, কিন্তু তাবলে যেমন লাদেনকে সমর্থন করা যয় না, তালিবানকেও না।
    তেমনি ভারত রাষ্ট্রের অমানবিক রূপ মাওবাদীদের পাল্টা বর্বরতাকে জাস্টিফাই করে না।
  • ranjan roy | ১৮ জুন ২০০৯ ২৩:৪২405668
  • ব্ল্যাংক,
    তুমি নিজেই বললে স্বপ্ন দেখতে কোন পড়াশুনা-পরিশ্রম কিছুই লাগে না।
    তা কারাতবাবুদের জোরগলায় থার্ড ফ্রন্টের মেজরিটি পাওয়ার দিবাস্বপ্ন কোন স্তরের রোমান্টিসিজম্‌?
  • ranjan roy | ১৮ জুন ২০০৯ ২৩:৫৭405679
  • অক্ষ,
    আপনি যদি আমাকে পাল্টা বলেন যে "" বিপ্লব কোন এমব্রয়ডারি বা ছবি আঁকা নয়, বিপ্লব এত ভদ্র এত নম্র হতেই পারে না। এটা একটা এমন প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে একটা শ্রেণী আর একটা শ্রেণীকে বলপূর্বক ক্ষমতাচ্যুত করে''।
    অতএব রঞ্জনদা, আপনার বক্তব্য এই কঠিন সময়ে অতীব ন্যাকা, সেফ সাইডে বসে ফর্মান জারি করার মত শোনাচ্ছে, তালে আমি নাচার।
    আপনি বলতেই পারেন--
    "" নাগিনীরা ফেলিতেছে বিষাক্ত নি:শ্বাস,
    শান্তির ললিত বাণী শুনাইবে ব্যর্থ পরিহাস''।
    কিন্তু বিশ্বাস করুন, আমি শান্তির ললিত বাণীর কথা বলছি না। আমার মনে হচ্ছে আন্দোলনটা মাওবাদী নেতৃত্বের ভুল চিন্তার ফলে অন্ধগলিতে ঢুকে যাচ্ছে, যার শেষে আছে চরম হতাশা।

    আর হ্যাঁ, বিনা কোন পূর্বশর্ত যদি বিদ্রোহী নাগাদের, মিজোদের,বোড়োদের সঙ্গে আলোচনায় ভারত সরকার বসতে পারে, মাওবাদীদের সঙ্গে কেন নয়?
    হনুর কালকের একটিবক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে:
    ------------------------
    কোন সন্দেহ নেই যে অপারেশন বর্গার ফলে বঙ্গে, এমনকি খাস নকশালবাড়িতে, আশির দশকে নকশাল আন্দোলন অনেকটাই স্তিমিত হয়ে এসেছে।
    কিন্তু কুমার রাণার প্রতীচী ট্রাস্টের রিপোর্ট এবং রজত রায়ের EPW তে সরকারি ডাটার ওপর ভিত্তিকরে প্রকাশিত লেখায় বলা হয়েছে যে তিরিশ বছরের বাম্‌শাসনের পরও এই রাঢ়বাংলা এলাকয় প্রায় দেড়কোটির মত লোক একবেলা আধপেটা খেয়ে শুয়ে্‌ত যায়। ফলে এইএলাকায় মাওবাদীদের বেস এলাকা গড়ে ওঠা খুব স্বাভাবিক।
  • a x | ১৯ জুন ২০০৯ ০০:২২405690
  • রঞ্জনদা, এখন সময় নেই, আপনাকে আমি পরে মেল করে এই নিয়ে কথা বলতে চাই, যদি আপত্তি না থাকে। এখন শুধু এইটুকু বলব। মাওবাদীদের এই display of power ba terror কে আমি কোনো ভাবেই সমর্থন করিনা। বাম ট্র্যাডিশনের ধারা বজায় রেখে মেয়েদের সামনের সারিতে রেখে রাষ্ট্র যন্ত্রের মোকাবিলা আমি সমর্থন করিনা। এই দুটো আগে পরিষ্কার করে নেওয়া যাক।

    এরপর যে প্রশ্নটা আসে, সব খুনই সমান নিন্দনীয় কিনা। না। আমার কাছে না। জার খুন করা, জোতদার খুন করা, শঙ্কর সামন্ত কে খুন করা এগুলো খুব একটা নিন্দনীয় না আমার কাছে। সব মৃত্যুও, না, সমান না। অহিংস আন্দোলনেও লড়াই চালানো যায়। কিন্তু ছোটছোট লড়াই। আমি গান্ধীবাদী না। যদিও মনে করি অনেক সময় গান্ধীবাদী ট্যাকটিক্স খুবই কার্যকরী। কিন্তু লং টার্ম র‌্যাডিকাল চেঞ্জ বা একটা আমূল পরিবর্তনের জন্য গান্ধিবাদী আন্দোলন কাজ করেনা।
    নর্মদা বাঁচাওএর উদাহরণ নিলে বোঝা যাবে একটা বড় ফল্ট এটাই। এই নিয়ে অরূন্ধতীর বক্তব্য খুবই যাকে বলে close to my heart - "I think people have felt that there is a futility in these kind of hunger fasts and dharnas, sit-ins, and sitting on the pavement singing songs, because I think the government loves that. Now Sonia Gandhi is talking about satyagraha and Gandhi in Davos. We have satyagraha fairs in Connaught Place where they sell herbal shampoos.
    And when the government starts promoting satyagraha, it's time for us to think about it."


    স্টেট যখন তার সমস্ত মেশিনারী দিয়ে দমন করতে চাইছে, পেটে মারছে, প্রাণে মারছে, তখন অবশ্যই আমি কৃষকের অস্ত্র তুলে নেওয়া কে সমর্থন করব।
    কাজেই না খুন মানেই তালিবান না। খুন মানেই সাদ্দাম না। কিন্তু হ্যাঁ, মৃতদেহ ফেলে রাখা, বিধবাকে হাঁটতে বাধ্য করা এগুলো শুধু পার্ট অফ আন্দোলন/লড়াই না, এগুলো ডিসপ্লে অফ টেরর। এবং এটা আমি কখনই সমর্থন করিনা। রোকেয়া যা বলছে, এবং ঐ কাফিলাতেই মনোবীণা লিখেছিলেন, আমরা নিজেরাও যেটুকু খবর পাই, এই নিয়ে লোকাল এবং সে¾ট্রাল লেভেলে ডিবেট ইত্যাদি আছে।

    আমার মনে হয়, আমি নিজে ইনক্লুডেড, এবং এই প্রশ্নটা কদিন থেকেই মাথায় ঘুরছে, আমাদের, মধ্যবিত্তের কাছে "হিউম্যান রাইটস" খুব ইম্পর্ট্যান্ট। হিউম্যান রাইটসের স্ট্যান্ড নিলে নিজেকে অনেক বার্ডেন ফ্রী রাখা যায়, গিল্টে ভুগতে হয়না। কিন্তু এখান থেকেই ডিপলিটিসাইজেশনের শুরুও হয়। কখনও কখনও যে one has to choose sides
  • a x | ১৯ জুন ২০০৯ ০০:২৪405702
  • এই লেখাটা আপনার এই আগের লেখাটা দেখার আগে লিখেছি।
  • Blank | ১৯ জুন ২০০৯ ০০:৩২405705
  • রঞ্জন দা
    ১) এই খেমের রুজের কথা ই বলতে যাচ্ছিলাম আমি। নিরস্ত্র মানুষ মেরে বিপ্লব যারা করতে চায় তাদের কথা ভাবলে কম্বোডিয়ার কয়েক মিলিয়ান মানুষের মৃত্যুর কথাই মনে পরে। হিটলারিপনা ছারা কিছুই নয় ওটা।
    ২) 'গোপীনাথের সদ্য বিধবা কে মিছিলে হাঁটানো', 'মৃতদেহ ফেলে রাখা' জিনিসটা 'স্ট্র্যাটেজিক ভুল'। অর্থাৎ মেরে টেরে পুড়িয়ে দিলে ব্যপারটায় সমস্যা থাকতো না !!
    ঠিক কি কি উন্নতি করেছে ঐ সব অঞ্চলে মাওবাদি 'সরকার' তা জানা যাবে কোথা থেকে? ইনডাইরেক্ট এফেক্ট হিসেবে আর্মির তৈরী রাস্তা, ইত্যাদিকে কি ধরা হচ্ছে?
    এক কালে শুনেছিলাম বীরাপ্পনেরও বেশ ভালো সাপোর্ট ছিলো।
    আর আমরা সব্বাই জানি কাশ্মীরের দিকে ভারত সরকারের প্রতি মাস সাপোর্ট আছে :)
    তো মাস সাপোর্ট হিসেবের মাপকাঠিটা ঠিক কি?
    সমস্যা যেখানে শুধুই 'স্ট্র্যাটেজি' নিয়ে সেখানে অন্য কিছু আনতে পারছি না।
    ৩) রঞ্জন দা, পুলিশি বর্বরতা ব্যপারটাকে একটু অ্যানালিসিস করলে হয় না।
    মাইন ফাটলো
    পুলিশ ঢুকলো
    বর্বরতা করলো
    তার পরে পরেই লোকজনের স্বত:স্ফুর্ত প্রতিরোধ শুরু হলো
    এমনি করে তো কম্পুটার প্রোগ্রাম লিখি আমরা।
    লালগড় অঞ্চলে পুলিশ কি মাঝে মাঝেই রেইড করে? কেউ জানালে জানাবেন।

    আর অক্ষদিকে,
    লালগড় এলাকায় ঐ এক খানি ই দোতলা বড় বাড়ি আছে তো? বাকি আর কিস্যু নাই? কোনো পাকা বাড়ি টারি কিস্যু না !!
  • pi | ১৯ জুন ২০০৯ ০০:৪৬405706
  • রঞ্জনদার সাথে একমত।
    ঠেলে দেওয়ার বিপ্লবীয়ানা যত ই
    রাষ্ট্রের বর্বরতা, বঞ্চনা, ব্যর্থতা এদের উত্থান, সাপোর্ট বেস তৈরি হওয়াকে জাস্টিফাই করতে পারলেও, এদের কারোর কর্মপদ্ধতি কেই জাস্টিফাই করতে পারেনা। মাওবাদী হোক কি এল টি টি ই।
    আর তার উত্তরে এবার জাস্টিফায়েড কারণে পুলিশ আর্মি র শান্তি আনার নামে আরো কিছু আনজাস্টিফায়েড অত্যাচার
    প্রত্যুত্তরে আবার ... সেই ভিশাস সাইকেলে ঘোরাফেরা।

    এর থেকে কি কোনোভাবেই বেরোনো যাবে না ?
    কোনো আলোচনা ই কি সম্ভব নয় ?
    কোনো আলোচনা ই কি সম্ভব ছিলো না, এতদিন ? তার কোনো চেষ্টা কি আদৌ করা হয়েছে ? সরকার থেকে ?
    এখন তো শুনছি মাওবাদীরা আলোচনায় যেতে ইচ্ছুক, আর সরকার নারাজ।
    টি ভিতে নাকি কিষেণজী বলেছেন যে, সেনা সরালে নাকি ওরা আলোচনায় বসার কথা ভাবতে পারেন, আর অর্ধেন্দু বাবু উত্তর দিয়েছেন, সেনা না সরালে কোনো আলোচনা নয়।

    এই 'খুঁচিয়ে, তালঠুকে জনগণকে রাষ্ট্রের অত্যাচারের সামনে ঠেলে দেওয়ার' যে বিপ্লবীয়ানা দেখানো হল তা নি:সন্দেহে অপ্রয়োজনীয় ও নিন্দনীয়।
    সরকারের মনোভাব ও আচরণ ও ঠিক ততটাই।

    মাঝে মাঝে তো মনে হচ্ছে, অপারেশন টা মনে প্রাণে চাইছে মাওবাদী আর সরকার দু পক্ষ ই।
    আফটার অল, মরবে কয়েক গাছি উলুখাগড়া।
    এইসব শহীদদের রক্ত একদলের কাজে লাগবে নতুন বিপ্লবের ক্ষেত্র প্রস্তুত করতে আর আরেকদল এইসুযোগে যতটা পারা যায় সাফাই অভিযান চালিয়ে নেবেন, এই তো !
  • Blank | ১৯ জুন ২০০৯ ০০:৫০405707
  • পাই দি,
    এই কদিন আগেও ভোট নিয়ে লালগড়ের কমিটির সব দাবী দাওয়া সরকার মেনে নিয়েছিলো
  • pi | ১৯ জুন ২০০৯ ০০:৫৭405708
  • আদিবাসীদের দাবী ছিল পুলিশকে ক্ষমা চাইতে হবে।
    দাবীটা কিন্তু ন্যায্য ছিল।
    এবং দাবীটা মানা হয়নি।
  • Blank | ১৯ জুন ২০০৯ ০১:০১405709
  • দাবীটা ছিলো, 'মৌখিক' ক্ষমা নয়।
  • pi | ১৯ জুন ২০০৯ ০১:০২405710
  • শুধু 'মৌখিক' ক্ষমা চাওয়ার মতন অপরাধ ছিলো ও না।
  • rokeyaa | ১৯ জুন ২০০৯ ০১:০৫405711
  • আগে এগুলো বোলে নি, ১)লালগড় আর কাছাকাছি জায়গায়, নাম মনে নেই, বেশ কিছু এলাকায়, রাস্তা তৈরী, পুকুর কাটা, সাঁকো বানানো হয়েছে শেষ কয়েকমাসে, এমনকি নতুন একটা স্বাস্থ্যকেন্দ্র০ চলছে। কাজেই, ওখানে যাকে "জনতানা সরকার' বলে, সেটা তৈরী না হলেও, কিছু কাজ তো হয়েইছে।
    ২)মাস সাপোর্ট কথাটা বোধ হয় রিলেট্‌ব্‌হ, মানে, সিপিয়েম নেতার বাড়ি পোড়ানোতে সাপোর্ট থাকতেই পারে, তার মানেই কারুকে পিটিয়ে মারায় সাপোর্ট নাও থকতে পারে।
    ৩)পুলিশি হামলা, ওখানকার লোকেদের কথায় ভরসা করলে, ওখানে নতুন কিছু না। এমনকি, ওরা এটাও বলেছে, ওখানে থানা এলাকাগুলোর একেকটা কোটা থাকে, কোনো ঘটনা ঘটলে ঐ কোটা ভরতি করে লোক ধরতে হয়।
    ৪)অনুজ পান্ডের বাড়ির ছবিটা যেখানে ছেপেছে, তাতে, বাড়িটার ঠিক পাশেই আরেকটা দোতলা চালাঘর দেখা যায়। ঐ জায়গাটায়, ঐ চালাঘরগুলো হলো সম্পন্নদের। আর, অনুজ পান্ডের অসমাপ্ত বাড়ি, আমার ধারণা, কোনো ছোট্টো শহরেও, মানে আমি যেরকম জায়গায় বেড়ে উঠেছি আর কি, মোটামুটি বিত্তশালীদের। আবাপ না টাইঅমস, কে যেন রিপোর্ট করেছে যে ঐ বাড়ীর মার্বেল খুলে নিয়েছে উত্তেজিত জনতা। ঐ এলাকায়, মার্বেল বসানো বাড়ি, সত্যি দুর্লভ।
  • Blank | ১৯ জুন ২০০৯ ০১:০৬405712
  • 'মৌখিক' না হয়ে অন্য কিছু করতে গেলে তার জন্য আইন আদালত ডাকতে হয়। আর সমান ভাবে অপরাধীর বক্তব্য শোনার জায়গা রাখতে হয়। এক পক্ষের দাবী মানেই অন্য পক্ষ অপরাধী হয়ে যায় না।
    নয়তো দেশ থেকে আইন আদালত তুলে দেওয়ার আন্দোলন করা যায়।
    এমনকি 'মৌখিক' ব্যপারটা তেও ..
  • Blank | ১৯ জুন ২০০৯ ০১:১১405713
  • বুঝলাম না
    ১) লালগড়ের কাছকাছি এলাকায় পুকুর তৈরী, রাস্তা তৈরী, স্বাস্থ্য কেন্দ্র হয়েছে মাওবাদী দের টাকায়?
    ৪) বেশ কিছু পাকা বাড়ির ছবি তো নিজেই দেখলাম
  • rokeyaa | ১৯ জুন ২০০৯ ০১:১২405715
  • অন্য বিষয়ে,
    আমি যেটা প্রধান ভাবে বলতে চেয়েছিলাম, কোনো ক¾ট্রাক্টর বা বড়ো ব্যবসায়ীর গায়ে হাত পড়ছে না, সিপিয়েমের কিছু নিতান্ত চুনোপুঁটি নেতা-কর্মী মারা পড়ছে, এটা বিপ্লবের প্রথম ধাপ বলে মেনে নিতে আপত্তি আছে।
  • Blank | ১৯ জুন ২০০৯ ০১:১৩405716
  • একটার পর একটা মানুষ মারাকে বিপ্লব বলতে ভয়ানক আপত্তি আছে
  • pi | ১৯ জুন ২০০৯ ০১:১৬405718
  • মানে ! পুলিশ যদু ভ্রমে মধুকে ধরে তার লাইফ হেল করবে, সেটা ভুল প্রমাণিত হবার পর ও মধু তার জন্য ক্ষমা দাবী করতে পারবে না !

    এই মনোভাবের ই ফসল, অন্য এক্সট্রীমে গিয়ে পুলিশ আর পার্টির লোকেদের লাইফ হেল করে দেবার এই বদলা। জনরোষ না থাক্লে মাওবাদীরা এই কাজ চালিয়ে যেতে ( বা বলা ভাল, তাকে 'ব্যভার করতে') পারতো না।
  • rokeyaa | ১৯ জুন ২০০৯ ০১:১৬405717
  • মাওবাদীদের টাকায় নয়, গ্রামের লোকেদের স্বেচ্ছশ্রমে। স্বাস্থ্যকেন্দ্র-র বাড়িটা সম্ভবত ছিলো, ডাক্তার ছিলো না। সেখানে ডাক্তার নিয়ে গেছে এই আন্দোলনের সমর্থক রা।
  • rokeyaa | ১৯ জুন ২০০৯ ০১:১৮405719
  • পাকাবাড়ি? আমি অন্তত: দেখিনি। দোতলা চালাঘর-ই খুব কম।
  • Blank | ১৯ জুন ২০০৯ ০১:২৪405720
  • পাই দি কে,
    অবশ্যই যদু মধু ক্ষমা দাবী করতে পারে। কিন্তু যদু আর মধু যদি বলে পুলিশকে কনস্টেবলটিকে নাকে ক্ষত দিতে হবে (ইত্যাদি ইত্যাদি), তাহলে তাকে আইনের মধ্যে দিয়ে গিয়েই দাবী জানাতে হবে।
    শাস্তির দায়িত্ত নিজেরা নিলে তো আইন আদালত তুলে দেওয়া উচিৎ।
  • pi | ১৯ জুন ২০০৯ ০২:১৭405721
  • পুলিশ কি মৌখিক ক্ষমাটুকুনিও চেয়েছে ?
    সরকার বলেছে কি, ভুল হয়েছে ?
    আর নাকি এই মাওবাদী অজুহাতে সাধারণ লোকের উপর অত্যাচার, অবিচার বন্ধ হয়েছে ?
  • . | ১৯ জুন ২০০৯ ০৩:৫২405722
  • পুলিশের কাজ রাষ্ট্রের স্বার্থ রক্ষা এবং তার জন্য তাদেরকে অনেক কাজ করতে হয় যা আম জনতার পছন্দ নয়, তার জন্য তাদেরকে ক্ষমা চাইতে হবে নইলে আমাদের ত্যাঁদড়ামি চলবে এইতো মাওবাদীদের স্বরুপ। তার ও আবার সমর্থন!!!
  • arjo | ১৯ জুন ২০০৯ ০৩:৫৮405723
  • এই ফুটকিটা আবার কে? এত লোকে ফুটকি লিখলে কনফিউশন হয়। একটা নাম নিন না।
  • Ishan | ১৯ জুন ২০০৯ ০৮:২২405724
  • পুলিশ এমন অনেক কিছু করে, যার জন্য ক্ষমা চাওয়াটা ঠিক সাফিশিয়েন্ট মনে হয়না আমার। যেমন ঘুষ খাওয়া, লক আপে ঠ্যাঙানো। এর জন্য অন্তত: চাকরি যাওয়া উচিত। জেল ফেলও হওয়া উচিত।

    তবে হ্যাঁ, এইসব কেসে পুলিশকে দেখে দু:খই লাগে। লোকগুলো খিস্তি দিতে দিতে তেড়ে যাচ্ছে, যাকে তাকে মারছে, ঠিকই। কিন্তু ওদেরও তো জানের ভয় আছে। বৌ-বাচ্চা আছে। যুদ্ধ করাটা তো ঠিক ওদের কাজ না। বুদ্ধবাবু স্বভাবোচিত ঔদ্ধত্যে লালগড় সমস্যাটাকে ফু দিয়ে বাড়িয়ে টাড়িয়ে দিল্লী চলে গেলেন, কিষেণজী কয়েকপিস নিচু তলার সিপিএম কর্মীকে কোতল করে আজ না হোক কাল দন্ডকারণ্যে পালাবেন। শুধু আদিবাসী গুলো মরবে, ঠ্যাঙানি খাবে। আর তেমন কায়দা করতে পারলে গেরিলা পদ্ধতিতে কটা পুলিশ মারার বিপ্লবও হবে।
  • Samik | ১৯ জুন ২০০৯ ০৯:৩৪405726
  • রোকেয়া একেবারে ঠিক কথা বলেছে। আমি বাড়িতে হিন্দুস্তান টাইম্‌স রাখি না, অফিসে পড়ি, তাই সঠিক ডেট খুঁজে বের করে দিতে পারব না।, তবে গত দু সপ্তাহের মধ্যে কোনও এক উইকডে-তে এই নিয়ে ফ্রন্ট পেজ আর্টিক্‌ল বেরিয়েছিল HTতে।

    লালগড় এলাকায় গত তিরিশ বছরে বামফ্রন্ট সরকার যা করতে পারে নি, মাওবাদীরা তা করে দেখিয়েছে। স্বাস্থ্যকেন্দ্র পুরো রিভ্যাম্প করেছে, ডাক্তার এনে বসিয়েছে। নিজেরা গ্রামের লোকেদের দিয়ে স্বেচ্ছাশ্রম দিয়ে ক্যানেল খুঁড়েছে, ক্ষেতে ক্ষেতে জল পৌঁছবার উত্তম ব্যবস্থা করেছে। এর জন্য ওরা যাদবপুর থেকে একজন সিভিল না ইরিগেশন ইঞ্জিনীয়ারকে নিয়ে এসেছিল। নাম দেয় নি ন্যাচারালি, সেই ভদ্রলোক ক্যানেল কাটার সমস্ত ব্লু প্রিন্ট গ্রামবাসীদের জন্য বানিয়ে দিয়ে যান, সেই নকশা ধরে ক্যানেল কেটে লালগড়ের প্রত্যন্ত অঞ্চলে জল নিয়ে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে। এ সমস্তই হয়েছে মাওবাদীদের উদ্যোগে, গত দশ মাসে।

    মাওবাদীরা সমস্তরকমভাবে চেষ্টা করেছিল এই সব কাজের পাবলিসিটি না করতে, কিন্তু রিসেন্টলি প্রচুর মিডিয়া ঐ অঞ্চলে ঢুকে পড়ায় এখন সব জানা যাচ্ছে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। মন শক্ত করে মতামত দিন