এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • ধর্ষণের শাস্তি কি মৃত্যুদন্ড?

    s
    অন্যান্য | ১৮ ডিসেম্বর ২০১২ | ৬৯৬৬৮ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • PT | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৯:০২582202
  • সব সিনেমাই যেন উন্নত মানের শিল্প্চর্চা!! দক্ষিণের সিনেমার দাঁত খিঁচিয়ে পেলভিস ঝাঁকানো আর হিন্দির কথায় কথায় সিফন জড়ানো শরীরে জল ঢেলে দেওয়াও নাকি উন্নত মানের শিল্প! পাতি শরীর দেখিয়ে পয়সা কামানোর ধান্দাকেও শিল্প বলতে হবে? "শিল্প" শব্দটিকেও যে এইভাবে ধর্ষণ করা যায় সেটা জানতাম না।
  • কল্লোল | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৯:০৩582203
  • Atoz।
    লেখাটা পড়লে বোধ হয় পরিষ্কার হবে। অপরাধ কে মান্যতা দেওয়ার কথা হচ্ছে না, বরং কেন অপরাধ সেটা বোঝার চেষ্টা হচ্ছে। যতো বাচ্চা এভাবে বড়, মস্তো বড় শহরে আসছে, তারা সবাই কি অপরাধী হয়ে যাচ্ছে? সবাই নয়, তবে অনেকেই। যারা অপরাধী হয়েও যাচ্ছে, তারা সকলেই কি ধর্ষক ও খুনী হয়ে যাচ্ছে? সবাই নয়। কেউ মাদক বেচছে, কেউ মাদকাসক্ত হয়ে যাচ্ছে। কেউ প্রচন্ড দক্ষ লেটার প্রেস কম্পোজার থেকে মুদী দোকানের জোগানদার হয়ে সংসার চালাতে হাবুডুবু খাচ্ছে আর হতাশা ও রাগ ঝাড়ছে প্রতি রাতে বৌ পিটিয়ে। তার বাসায় অবশ্য তৃতীয় বা চতুর্থ হাত ঘোরা বা ভাগ্য ভালো হলে তার বৌ যেসব বাসায় ঠিকে ঝিয়ের কাজ করে তাদের কারুর পুরোনো টিভি শোভা পায়, কেবল কানেকশনও আছে। আর তাতেই লোকে হেদিয়ে যাচ্ছে - ঐ দ্যাখ উন্নয়ন।
    যাগ্গে, অন্য দিকে চলে যাচ্ছি। হ্যাঁ, তো এরা সকলেই যে খুব সুনাগরিক হয়ে ওঠার সুযোগ পায় না, তা নিয়ে দ্বিমত আছে কি? সমাজ আমায় সারা জীবন ধরে অবহেলা, ঘৃণা, অবিচার দিলে - আমি সমাজকে কি ফিরিয়ে দিতে পারি? ভালোবাসা??
  • কল্লোল | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৯:০৬582204
  • ছোট স। আপনি জীবনে কাউকে ভয় পেয়ে সম্মান করেছেন? একটু জানাবেন। আশা করি সম্মান ও সমীহ গোলাবেন না।
  • lcm | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৯:০৮582205
  • ধর্ষনের শাস্তি মৃত্যুদন্ড বোধহয় কোথাও নেই (আরব দেশগুলো জানি না), কিন্তু খুনের শাস্তি হিসেবে আছে।
  • Ishan | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৯:২৫582206
  • কোনটা সিল্প আর কোনটা সিল্প না, কে ঠিক করে দিচ্ছেন এখন? পিটি? :) হেলেনের মেহবুবা দেখে উদ্দীপক লেগেছে? তাইঅলে ওটা সফল সিল্প, কারণ ওইজন্যই ওটা বানানো। আর যদি, একান্তই হায়, না লেগে থাকে, তাহলে ব্যর্থ। :)

    আর, প্রভাব? প্রভাব কেন পড়বেনা? মনে যদি শিল্প প্রভাবই না ফেলল তো বানানো কেন? কিন্তু কথা হচ্ছে, কতটা প্রভাব? আত্মহত্যার সিন দেখে লোকে পালপাল লোক আত্মহত্যা করতে দৌড়য়? খুনের দৃশ্য দেখে দলে দলে লোক খুন করে? চুরির ফিল্ম বানালে লোকে পাড়াপ্রতিশির বাড়িতে চুরি করে? তাহলে শিগ্গির সব বন্ধ করার দাবী তুলুন। আর তা যদি না হয়, যৌন উদ্দীপক দৃশ্য দেখে ছেলেপুলেরা ধর্ষক হয়ে যাচ্ছে, এরকম দাবী করবেন না। যৌনতাকে আপনি সিঙ্গল আউট করছেন, কারণ ওটা আপনার ট্যাবু। সেটা জনতার ঘাড়ে চাপিয়ে জাস্টিফাই করবেন না।

    এই নিয়ে গুরুতে মিনিমাম পঞ্চাশবার একই কথা লিখেছি। ঘুমোতে যাবার আগে আরেকবার প্র্যাকটিস করে নিলাম। জয় হিন্দ।
  • Ishan | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৯:৩৯582207
  • ধুর আমি আরও চাল্লাইন লিখবই। ভাব এসে গেছে।

    অন কনট্রাডিকশনে মাও কী বলেছেন? কাঠে স্রেফ ফু দিয়ে আগুন ধরানো যায়না, বীজের বদলে লুডোর ছক্কায় ঝাঁঝরি করে জল ঢাললে গাছ হয়না, আমগাছে সার দিয়ে কাঁঠাল ফলানো যায়না, পরিষ্কার টয়লেট বানিয়ে হিসি পাওয়া বাড়ানো যায়না, পাছাকে পেলভিস বললেই শিল্প হয়না, আর আর আর, হিন্দি সিনেমা দেখিয়ে রেপিস্ট বানানো যায়না। অর্থাৎ কিনা, বস্তুর বিকাশ তার আভ্যন্তরীন দ্বন্দ্বের কারণে হয়। বাহ্যিক পরিবেশ তার উপর প্রভাব ফেলতে পারে, কিন্তু নির্ধারক হতে পারেনা।

    ন্যান ফাঁকতালে দ্বন্দ্বমূলক বস্তুবাদ শিখিয়ে দিলাম। এবার ঘুমোতে দিন।
  • aranya | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৯:৪৪582208
  • ঈশেন কিনা সম্পাদক, তাই ও কিছু বললে, ডিক্টেট করছে বলে কারো মনে হতে পারে। ভাট আর টই যেহেতু খোলা পাতা (বুবুভা-র প্রথম পোস্টটাই সারা গুরু-তে একমাত্র সম্পাদক-নির্বাচিত লেখা), তাই এখানে ঈশানের পোস্ট-কে অন্য যে কোন অরণ্য, রাম,শ্যাম,যদু, মধু-র পোস্টের মতই ট্রিট করা উচিত। সেভাবে দেখলে আর ডিক্টেট করছে মনে হবে না, পছন্দ/অপছন্দ জানাচ্ছে মনে হবে, অন্যদের মতই।
  • PT | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৯:৪৫582209
  • এক আধজন আসল পন্ডিতের কথাও শোনা যাকঃ

    Why do movies have these effects on adolescents? These researchers examined the role of a personality trait known as sensation-seeking. One of the great dangers of adolescence, is the predisposition for “sensation seeking” behavior. Between the ages of ten and fifteen, the tendency to seek more novel and intense stimulation of all kinds peaks. The wild hormonal surges of adolescence makes judicious thinking a bit more difficult..........

    Researchers point out that it is important to remember that this research cannot conclude a direct causal effect of movies on sexual behavior. Nonetheless, O’Hara says, “This study, and its confluence with other work, strongly suggests that parents need to restrict their children from seeing sexual content in movies at young ages.”

    Those who had been exposed to the most sexual content in movies had become sexually active at younger ages and were more likely to engage in risky behavior, the study reported.

    Scheduled to be published in the journal Psychological Science, the study highlighted a specific personality trait called sensation-seeking – a tendency to seek new and intense forms of stimulation that peaks from ages 10 to 15. According to the research, the more exposure to sexual scenes in movies during youth led to a higher peak of sensation-seeking during adolescence.

    http://www.foxnews.com/health/2012/07/20/sex-scenes-in-movies-impact-sexual-behavior-in-teens-study-says/
  • aranya | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৯:৫০582210
  • নির্ধারক নয়, কিন্তু প্রভাব ফেলতে পারে - কতটা প্রভাব, তাই নিয়েই তক্কো।
    btw, :-)-এর ঐ ২০ টাকায় বুক খুলে দেওয়া ইঃ আমারও জঘন্য লেগেছে। পাঠকের শকথেরাপি-র জন্য এসব বলার কোন মানে দেখি না।
  • lcm | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৯:৫৮582212
  • বোঝো! পিটি-ও কিনা শেষে ফক্স নিউজের লিংক দিল ঃ-)
  • anirban | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১০:০৬582213
  • lcm-দা, আমিও সেটাই বলতে যাচ্ছিলাম। ঃ-)
  • :-) | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১০:৩৫582214
  • ঈশান,
    গত দশকে যেভাবে মোবাইল চুরি বেড়েছে, পকেটমারেরা যেভাবে স্রেফ মোবাইল চোরে কনভার্টেড হয়েছে, সেখান থেকে অন্তত ল্যাপি তত্ত্বটা ফিরে দেখা যেতে পরে।মোবাইল চুরি অবশ্যই আইনশৃঙ্খলার সমস্যা, কিন্তু তার রুট কজ লুকিয়ে আছে মোবাইলকে আবশ্যকীয়তম কমোডিটি করে তোলার মধ্যেই। যে মর্মান্তিক আর্ত মোবাইলের ব্যবহার আজকের জনতার তার পেছনে প্রচারের হাত নেই? ফেসবুক নাওয়া খাওয়ার চেয়ে প্রয়োজণীয়তম হয়ে ওঠার পেছনে প্রচারের দায় নেই, জুলফি উড়িয়ে দেওয়ার পিছনে মিঠুনের দায় নেই, বা জুলফি তেরছা কামানোয় হৃতিক এর দায় নেই, যেন আমরা হাম আপকে হ্যায় কৌন এর আগে মেয়েদের কোমরের একটু উপর পর্যন্ত উন্মুক্ত সম্পূর্ণ পিঠ দেখতে পেয়েছি হাটে হাজারে!

    আপামর জনসাধারণ গাম্বাট নয়। তারা অঞ্জন দত্তের গান শুনে ২৪৪১১৩৯ এ নাগাড়ে ফোন করে না। ত্রিদেব রিলিজ করার পর ঘোষণা করার দরকার পরে না রাস্তায় ওয়ে ওয়ে ডাক দিলে পুলিশে গ্রেপ্তার করবে। কমরেড নিজের ও পারিপার্শ্বিক চেনা সার্কেলের শিক্ষা-দীক্ষা মানসিক গঠন যুক্তি বুদ্ধি ও পরিণতির চশমায় দেশের আপামর জনতার মানসিক পরিণতি মাপার চেষ্টা না করাই ভালো। শিল্প, পিটিদা যেমন বললেন যারা শিল্প করেন তারা তাদের স্বাধীনতা রক্ষার্থে যারা ব্যবসা করেন তাদের কতখানি জাহগা ছেড়ে দিচ্ছেন একটু খেয়াল রাখবেন। দু-তিন দশক আগেও যদি নায়ক আর ভালোছেলের প্রোটোটাইপ দেখেন, তারা আদ্যন্ত হতাশা ও সামজিক প্রত্যাখ্যান ছাড়া মদ ছোঁয় না। নায়িকারা, ভ্যাম্প বাদে, মদ ও সিগারেট খাচ্ছে - বিরল। তারপর সিনেমার ফান্ডিং এ হাত বাড়ায় অ্যালকোহল ও তামাক কোম্পানীগুলো। আর আজকের নায়ক নায়িকার প্রোটোটাইপ দেখুন। নেশা করা হল ফান। অবশ্য ঈশানের মতে লোকে এসবই সিনেমায় দেখে ও সিনেমায় রেখে আসে, বাস্তবে কেউ জ্বলন্ত দেশলাই জিভে নেভায় নি গুলাম এর পর, বা বাচ্চারা সুপারম্যান স্পাইডারম্যন খেলতে গিয়ে পড়ে গিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে মারা যায়নিও কোনোদিন।

    পানু তুলে দিতে হবে - এই দাবি দিল্লীর ঘটনার পরেই অনেক ফোরামে অনেক বিপ্লবীরাই করেছেন। ঈশান কি তাদের যুক্তি শোনেনি? ফ্যান্টাসি ও হস্তমৈথুন ব্যান করতে কে বলল? বরং উপরোক্ত দাবিদাওয়া থেকে স্পষ্ট হওয়া উচিত ছিল, যাবতীয় ফ্যান্টাসির শেষ হস্তমৈথুনেই হলে সামাজিক সমস্যা খানিক হলেও কমতো। হস্তমৈথুনের উপকরিতা তথা গ্লোরিফিকেশন নিয়ে প্রচার চালিয়ে দেখা যেতে পারে। সমস্যা একটাই প্রত্যক্ষ ফল লোকে হাতেনাতে পায় বলে শুভু প্রচার কতটা খাবে বলা মুশকিল। বরং বলা উচিত ফ্যান্টাসি তৈরির মেকানিজম নিয়ে কথা হচ্ছে। তিন দশক আগে লোকে কি নিয়ে কি লেভেলে ফ্যান্টাসি করত আর আজ কি নিয়ে কি লেভেলে করে এরম কোনো সমীক্ষা করার কথা ভাবা যেতে পারে।

    আরো চমক। ঈশান কি মনে করে ডাউরি প্রথা এখনো বহু জায়গায় সোচ্চারে চালু থাকা ডোমেস্টিক ভায়োলেন্সের ক্ষেত্রে কোনো প্রভাব ফেলে না?

    পাই,
    খাজুরাহো কোনার্কের মূর্তি কি কালিদাসের সাহিত্য হইল কল্পনা। আর বাস্তবে গাদা মেয়েরা প্রবৃত্তির বশে লোভে ও স্রেফ এনজয় করার জন্য মরালিটির প্রচলিত প্রোটোটাইপ ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে নিজের শরীর ও যৌনতাকে ওপেনলি ব্যবহার করছে, বিপরীত যৌনতাকে প্রলুব্ধ ও চ্যালেঞ্জ করছে - এইটার গ্লোরিফিকেশন কি সম্মান অর্জনের কোনো সিধে পন্থা হইল? এ থেকে যে সম্মান অর্জন ও করা সম্ভব এইটেই একটি অলীক প্রকল্প যা পিটিদা ও আমি বলছি।

    মেয়েরা কী কী করলে মেয়েদের সম্মান করা যাবেনা, তার থেকে 'ঘৃণা' 'জাত' হবে, এই যুক্তি পরম্পরার অভিমুখ তো সেই লাইন ধরে নির্যাতন করাকে বৈধতা দেওয়া নিয়েই -এইটে শেষ এসে একটু ঘেঁটে গেল। অভিমুখটি স্পেকুলেটেড। নির্যাতন কে বৈধতা না দিয়ে নির্যাতনের মানসিকতা জন্মের কারন খোঁজা ও একটা অভিমুখ হতে পারে। আর যে মেয়েরা যে যে কাজ করছে আর তজ্জাত বা সেই সংক্রান্ত ঘৃণা যাদের উপর গিয়ে পড়ছে সেই ম্যাপিংটা 1:1 না ও হতে পারে। যদি দেব-ডি সিনেমা মনে থাকে, মাহিগিলের উপর ঘ্রিণা ও রাগ অভয় দেওল সেই অন্য মেয়েটির উপর মেটায়, যে স্বেচ্ছায় অভয়ের সঙ্গে শুয়েছিল। ডোমেস্টিক ভায়োলেন্স প্র্চন্ড প্রচন্ড বেড়ে যাচ্ছে - এই জিনিসটার একটার কারণও কিন্তু কোথাও গিয়ে সেই মিসোজিনি। তো, এই মিসোজিনি কেন বাড়ছে সেটা খোঁজা দরকার বলেই মনে করি।

    এক বার ভেবে দেখব না, তার সঙ্গে সমাজ-সংসার কী ব্যবহার করেছে? কোন সুস্থতা আর স্বাভাবিকতা তাকে আমরা দিয়েছি, যে তার কাছ থেকে সুনাগরিকের ব্যবহার আশা করব?এক বার ভাবব না, এই বয়সে কেন তার নারী শরীরের উপর এত হিংস্র রাগ? কেন ‘মজা’ করার আর কোনও উপায় তার মনে এল না? কেমন করে তৈরি হল তার মনের গড়ন? কে তার জন্য দায়ী? - এই খোঁজটার মধ্যে আমি এনগেজ করছি। সেক্সুয়ালিটির ওপেন ফল্ন্টিংকে অনেকাংশে দায়ি করছি।

    sinfaut
    কিছু সংখ্যক মেয়েরা সমাজ-অস্বীকৃত নিচু কাজ করছে ? কোনটা নীচু কাজ? সমস্ত গণমাধ্যমে এন্টারটেনমেন্ট সেক্টরে সেক্সুয়ালিটিকে এক্সক্লুসিভ হায়ারার্কি দেওয়া ও বেসিক মোড অব এক্সপ্রেশনের জায়গায় নিয়ে আসা? এই মুহূর্তে যাবতীয় ড্রেস ডিজাইন ও ফ্যাশন ট্রেন্ডের একমাত্র লক্ষ্য হল সেক্সুয়ালিটি এক্সপ্লোর করা ও তার কনজিউমার বেস বাড়ানো। অ্যাটিচুড ও পার্সোনা ম্যানুফ্যাক্চারিং এর বেস হল নিজের সৌন্দর্য প্রদর্শন, যাকে ভালো বাংলায় বলে দেখানো। এই কাজে শুধু মডেল, ফিল্মস্টারই নয়, এই ফ্যাশনের কনজিউমার, এই রোল মডেলের অনুকরণকারী প্রত্যেক ইন্ডিভিজুয়ালই ব্যবহৃত হচ্ছে। এ তো সমাজের পরম আকাঙ্ক্ষিত কাজ, অস্বীকৃত বা নীচু কেন হবে? এটাই তো প্রবলভাবে কাম্য। যে যেটাকে ভোগ্য হিসেবে পেতে চায় তার কাছে সেটাই তুলে ধরা প্রাপ্তব্য স্বপ্ন হিসেবে। স্বপ্নই কিন্তু। কারণ সে জানবে রিয়া সেন থেকে প্রিয়াঙ্কা চোপড়া সবাইকেই পাওয়া যায়। কিন্তু তারা তার সাধ্যের বাইরেই থাকবে। সাধ্য মানে দুবাই ও আবুধাবির শেখ কিংবা কর্পোরেট উঁচু চেয়ার। এবার ফ্যান্টাসিতে গল্প শেষ হয়ে গেলে কিছুই বলার ছিল না। কিন্তু কেস হল, বাস্তবেও তার সাধ্যের মধ্যে পাওয়ার মতো কিছু আছে। ঐ ২০, ২০০, ২০০০ এই। সে সেটাই কিনতে বাধ্য। সেই কেনাতে তার মধ্যে একই সাথে কিন্তু জমতে থাকে অসন্তোষ, বলছি ঘৃণা। কারণ এখানেই তার আপোষ। মাধুরীর নাচ দেখে রক্ত গরম করে তাকে গিয়ে দাঁড়াতে হচ্ছে গড়িয়ার গলির মাসির ঘরে। মাধুরীও যদিও নিজেকে বেচছে, শুধু ক্ষমতার অভাবে তার নিজের করায়ত্ত হচ্ছে না। সম্মন সে কারোকেই করতে পারছে না। না মাসিকে, না মাধুরীকে। মাসিওতো ঠিক স্যানকথিত দারিদ্র্য অসহায়তা দেখিয়ে ভিক্ষু স্বরূপ, বাবু যদি দয়া করে আজ রাত আমার খাটে এসে শোন, তবে আমার সন্তান কাল খেতে পাবে গোছের স্ট্যান্সে থাকেনা। ""শপিং মল-এ ডবকার পর ডবকা দেখে ভাবি উফ শালা কেউ না কেউ তো ডেলি এদের খালিগায়ে পায়!""(ল্যাজে পা, চন্দ্রিল ভট্টাচার্য, রবিবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০১৩) - আমি পাই না, কিন্তু কেন, আমি কম কিসে? এই জায়গা থেকে একটা চ্যালেঞ্জের শুরু কিন্তু। ট্রেনে পাশে দাঁড়ানো খোঁচা দাড়ি অস্নাত লুঙ্গিকে "কি হচ্চে কি? অসভ্যতা করা জায়গা পান নি, ঠিক করে দাঁড়ান" বলছেন যিনি, সেই মহিলটিরই দুই ঊরুর মধ্যে তখন ঢুকে রয়েছে বসে থাকা ক্লীন শেভড লুইফিলিপের কনুই। ঝাড়টি দেওয়ার পরেই তিনি আরো গভীরে জায়গা করে দিচ্ছেন কনুইটিকে ও আবেশে চোখ বন্ধ করছেন, এটিও চোখে দেখা। এই ওপেন উপভোগের জায়গাটা তৈরি হচ্ছে, বাড়ছে, প্রত্যক্ষ বঞ্চিতদের সংখ্যাও। একে আমি দূর্ভিক্ষপীড়িত দেশে বিরিয়ানী উৎসব বলি। কোনো একটাকে শুধু অ্যাড্রেস করে বিশেষ লাভ আছে বলে মনে হয় না, দুটোকেই অয়্ড্রেস করতে হবে।

    আর ট্যান খারাপ কি বলেছে? ছেলেদের দর ও সহজেই জানা যায়। গুচ্ছ ছেলে রাস্তায় দাঁড়ায় তো। আমি ফিগারটা জানি না, তবে অনেকেই নিশ্চয়ই জানেন। প্রকৃত প্রস্তাবে ছত্রাকে পাওলি অনুব্রতকে টাকা দিয়েছিল। কত সেটা ক্লিপটা আরেকবার দেখলে আন্দাজ করা যেতেও পারে।

    অরন্যদা, শুনলেন তো? ২০টাকা ২০০ টাকা শুনে খারাপ লেগেছে? তবে ওটি সফল শিল্প, কারন ওটি খারাপ লাগার জন্যেই লেখা। ঃ-)
  • san | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১০:৪৮582215
  • খারাপ আমারও লেগেছে তবে সেটা শক ভ্যালুর জন্য না, কথাগুলোর মধ্যে তাচ্ছিল্য চুঁইয়ে পড়া দেখে। সেটা উদ্দেশ্য হলে সফল শিল্প ও বিফল ভ্যালুজ :-) বাকি পরে।
  • siki | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১০:৫২582216
  • আপাতত আমি স্মাইলির দলে। স্মাইলির বক্তব্য আমার অনেকখানি যুক্তিগ্রাহ্য লেগেছে।
  • san | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১০:৫৬582217
  • এই কথাগুলোর মধ্যে যে বহুশ্রুত স্বর আসলে শোনা যাচ্ছিল, সামান্য কয়েকটা টাকার জন্য ধর্ম/সতীত্ব/এক্সওয়াইজেড বিসর্জন দেয়, একে আবার করতে হবে সম্মান? আমার সময় নাই, সম্মান ও সতীত্ব সম্পর্তিক প্রবন্ধ লেখার ভার ঈশানকে দিয়ে আমি কাটি।
  • san | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১১:০৪582218
  • ধুর আরো দুটো কথা লিখতে হবে।
    এক হল মরালিটির প্রোটোটাইপের এক্সপায়ারি ডেট পেরিয়ে গেলে তার জায়গা আস্তাকুঁড়ে। যৌনকর্মীদের সম্মান আর অধিকারের দাবি এই দুর্ভিক্ষপীড়িত দেশেও উঠতে শুরু করেছে।
    দুই হল দুজনেই ট্রেনে বসে থাকলে একজনের কনুই কিকরে আরেকজনের দুই ঊরুর মধ্যে ঢোকে এটা বোঝা খুব কঠিন !
  • san | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১১:০৬582219
  • *সম্পর্কিত
  • b | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১১:১৮582220
  • অর্থাৎ গেম থিওরীর লোকজনরা বলবেন ব্যাড ইকুইলিব্রিয়াম।
    ১। পুরুষ শাসিত সমাজ সব সময়েই চাইবে অমুক নারীটি যেন সহজভোগ্যা হয়, ওকে নিয়ে যেন শুতে পারি।
    ২। সেই নারীটি, (কখনো স্বেচ্ছায়, কখনো পেটের টানে, স্মাইলি যেমন সব সময়েই বলেছেন স্বেচ্ছায়) যখন নিজেকে সহজভোগ্যা করে তুলবেন, তখনই পুরুষ শাসিত সমাজ-ই তাঁর দিকে আঙুল তুলবে, বেটি খা***।

    ৩এ। তবে ১+২ কি রেপ জাস্টিফাই করে? মনে হয় না।

    ৩বি। লুই ফিলিপ কি ট্রেনের মেঝেতে বসেছিলেন?
  • sch | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১১:১৯582221
  • তাহলে শেষমেশ কি দাঁড়ালো যে মেয়েদের মরালিটি কমে যাওয়ার জন্যে রেপ বাড়ছে? বেশ বেশ। প্রগ্রেসিভ চিন্তা ভাবনা তো
  • :-) | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১১:৩১582223
  • ও যেটা মিস করে গেলাম। না যৌনতা সিঙ্গল আউট করা কেন হবে? ভায়োলেন্সকেও করব। সেটাকে ট্যাবু বলে দাগিয়ে দিলে যদি দায় মিটে গেল ভাবেন, ওয়েলকাম।

    তবে ঈশানের যুক্তিজালে শুধু উদাহরণে এসে ঠেকছে দেখে খারাপ লাগে। আত্মহত্যার সিন দেখে লোকে পালপাল লোক আত্মহত্যা করতে দৌড়য়? - না, কিন্তু আত্মহত্যার বহুল ব্যবহার, সিনেমা ও টিভিতে, আত্মহত্যার সামাজিক ট্রেন্ডে প্রভাব ফেলে। নেগেটিভ ও বিষাদ থীমের সিনেমা সামাজিক অবসাদ বেড়ে যাওয়ার কারণ হতে পারে। বিশেষ করে মনে পড়ছে কয়ামত সে কয়ামত তক রিলিজ করার পর বেশ কয়েক বছর যুগল প্রেমিকদের আত্মহত্যা একটা কনসার্ন ছিল। খুনের দৃশ্য দেখে দলে দলে লোক খুন করে? - না। কিন্তু খুন মারামারি ভায়োলেন্সের গ্লোরিফিকেশন সামাজিক ভায়োলেন্সে অবদান রাখে। হিরোইজম দাদাগিরি মাস্তানি তে প্রভাব রাখে। চুরির ফিল্ম বানালে লোকে পাড়াপ্রতিশির বাড়িতে চুরি করে? - সব লোকে না করলেও বেশ কয়েকটা ঘটনার রিপোর্টিং রয়েছে যেখানে সিনেমার প্লট মেপে জোচ্চুরি, চুরি ও ঠকানো হয়েছে। বান্টি আউর বাবলির সময় এইরকম বেশ কয়েকটা কেস ছিল। ওয়ে লাকি লাকি ওয়ের পরেও।

    তাহলে শিগ্গির সব বন্ধ করার দাবী তুলুন। - না, কোনো দাবি তোলা হচ্ছে না। কিভাবে এই প্রত্যক্ষ প্রভাব কমানো যায় তা ভাবা হচ্ছে। ছেলেমেয়েকে ছোট্টোবেলা থেকে প্রবল ভায়োলেন্সের সিরিয়াল, গেমস আর সিনেমার মধ্যে দিয়ে বড় করলে তাদের ফলশ্রুতি কি হয় জানতে খুব বেশি গুগুল সার্ফ করতেও হবে না। যৌন উদ্দীপক দৃশ্য দেখে ছেলেপুলেরা ধর্ষক হয়ে যাচ্ছে, এরকম দাবীও না, করা হয় নি, কিন্তু যৌন উদ্দীপক দৃশ্য দেখতে দেখতে সেই শিল্পের কুশলীদের প্রতি দারুণ সম্মান গড়ে উঠবে; সেই দৃশ্য, পোশাক ও অ্যাটিচুড যখন লোকে দৈনন্দিনে অনুকরণ করবে,তখনও তাদের প্রতি দারুন সম্মান গজিয়ে উঠবে এরকমটাও বলা যায়না।

    অন কনট্রাডিকশনে মাও কী বলেননি? কাঠের গায়ে চকমকি ঠুকলে আগুন জ্বলবেই, বীজ বোতলে পুড়ে না রেখে মাটিতে পুঁতলেই গাছ হয়, আম বা কাঁঠালএর আঁটি ও বিচি মাটিতে ফেললেই গাছ গজায়, টয়লেট অত্যন্ত নোংরা রাখলে হিসি চেপে রাখার ক্ষমতা বাড়ানো যায়, পাছাকে পাছা বললেই শিল্প হয়না, আর আর আর, হিন্দি সিনেমা দেখিয়ে মিসোজিনি, সেক্সিস্ট মানসিকতা ও ভায়োলেন্স মনের গভীরে ঢুকিয়ে দেওয়া যায়। অর্থাৎ কিনা, বস্তুর বিকাশ তার যে আভ্যন্তরীন দ্বন্দ্বের কারণে হয় বাহ্যিক পরিবেশ সেই আভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব তৈরি ও নার্চার করায় দিব্যি প্রভাব ফেলতে পারে, অর্থাৎ আউটকাম বা অভিমুখ নির্ধারক হতেই পারে।

    ন্যান যা পারেন শিখে নিন।

    হ্যাঁ লুই ফিলিপ সাইডের (৪ নম্বর সীটে) বসে ছিলেন, মহিলাটি তার গায়ে, সাইদে দাঁড়িয়ে, লুঙ্গি ও দাঁড়িয়ে, দরজার দিকে।
  • :-) | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১১:৩৫582224
  • বি, দা, রেপকে কে জাস্টিফাই করতে চাইছে? আজব! ছেলেদের মনে স্পেশালি মেয়েদের প্রতি এত ঘৃণা কেন জমে ঊঠছে তার কারন ভাবা হচ্ছে বলে মনে হয়। এমনকি ঘৃণাটাকেও জাস্টিফাই করার চেষ্টা হচ্ছে না।
  • san | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১১:৪০582225
  • কারণটা মেয়েদের মরালিটির সমস্যায় না খুঁজে (কোনো কোনো) ছেলেদের মরালিটিতে খুঁজে দেখতে পারেন ফর আ চেঞ্জ। যে মরালিটি বলে বেশ্যারা সম্মানলাভের যোগ্য না। সেটাকে চ্যালেঞ্জ না করলে এই সব অপরাধ বাড়তেই থাকবে, আমার মত !
  • :-) | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১১:৫০582226
  • ওহো, স্যান যা ভ্যালুজের উদাহরণ দিল, টাকার অঙ্কটা ধরুন হাজারে দিয়ে আদর করে বিছানায় ডাকলে যারা সানন্দে চলে আসবেন তাদেরই প্রকৃত ভ্যালুজ রয়েছে। স্বেচ্ছায় যৌনতা উপভোগের আনন্দলাভের জন্য যারা সমাজ সম্পর্ক মরালিটি বুলশীট বলে কাটিয়ে দিয়েছে তাদের সঙ্গে দারিদ্র অভাবে পেট চালানোর দায়ে যারা বাধ্য হয়ে শরীর বিক্রি করছেন তাদের প্রতি সমবেদনা ইকুয়েট করার এই প্রবল চেষ্টা একটু যাকে বলে ইয়ে ঃ-)
  • Shibir | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১১:৫১582227
  • কল্লোল - "একজনের ইচ্ছার বিরুদ্ধে তার শরীর স্পর্শ করাও ধর্ষন।" তাহলে রেপ আর molestation এর মধ্যে পার্থক্য কোথায় ?
    আমি বেশ কিছু লোককে চিনি যারা রাস্তাঘাটে নানা ছুতোয় মহিলাদের শরীর স্পর্শ করে, তার মানে কি তারাও ধর্ষক ?

    রেপ এর কিছু ডেফিনেশন

    It is defined in many jurisdictions as sexual intercourse, or other forms of sexual penetration, of one person by another person without the consent of the victim.

    The United Nations Office on Drugs and Crime defines it as "sexual intercourse without valid consent,"।

    World Health Organization defined it in 2002 as "physically forced or otherwise coerced penetration – even if slight – of the vulva or anus, using a penis, other body parts or an object".
    (wiki)
  • san | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১১:৫৭582228
  • ওটা আপনার বোঝবার সমস্যা। সমবেদনা তাদের প্রাপ্য যারা বাধ্য হয়ে খুব কম টাকায় পেশা হিসেবে শোয়াকে বেছে নিয়েছেন। যারা স্বেচ্ছায় বহু টাকায় আসবেন তাদের মরালিটি তাদেরই বুঝতে দিন। যারা অপরাধী, মরালিটির বিচারটা তাদের প্রাপ্য। অন্যপক্ষের না।
  • কল্লোল | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১২:১১582229
  • শিবির।
    ওটা আইনের ভাষ্য। সে আইনও বোধ হয় পাল্টেছে সম্প্রতি। ইচ্ছার বিরুদ্ধে কারুর গায়ে হাত দিলে কি হয়? যার গায়ে হাত দেওয়া হলো সে অসম্মানিত বোধ করে। নিগৃহিত বোধ করে। একজনের ইচ্ছার বিরুদ্ধে ইন্টার্কোর্স করলেও তাইই হয়। শ্লীলতাহানী বলে তো দুটোকেই।
    যারা নানা ছুতোয় গায়ে হাত দেয়, তারা অবশ্যই ধর্ষক। যে কোন নারীকে জিজ্ঞাসা করুন।
  • :-) | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১২:২২582230
  • এইত্তো স্যান মোটামুটি জায়গায় এসেছে। যারা স্বেচ্ছায় বহু টাকায় বা ধরুন বিনে পয়সার স্রেফ আনন্দ উপভোগের জন্য আসবেন তারা "অপরাধী, মরালিটির বিচারটা তাদের প্রাপ্য"। অর্থাৎ স্যান "নষ্ট মেয়ে", "বাজে মেয়ে"র কনসেপ্টটায়, প্রোটোটাইপটায় সাবস্ক্রাইব করছে। এইবার জেনারেলাইজেশন। সিনেমায় টিভিতে কাগজে পোস্টারে বিজ্ঞাপনে পথে মাঠে ঘাটে এই স্বেচ্ছাউপভোগকারীনীদের সংখ্যাধিক্যের যে বাড়বাড়ন্ত দেখা যাচ্ছে, অনুকারক ট্যাবুমুক্ত যৌনতার ধারক ও বাহক দের "দেখানোর" যে জয়যাত্রা তা থেকে ইন জেনারেল বেশির ভাগ মেয়েই স্যানকথিত "অপরাধী, মরালিটির বিচারটা" অন্তত বিচারজাত ঘৃণা জিনিসটা "তাদের প্রাপ্য" এই মানসিকতা যে বাড়ছে, সেটা অ্যাকসেপ্ট করছেন কি? বিশেষতঃ যখন দেশে এখনো "ভালো মেয়ে" নষ্টমেয়ে" এই প্রোটোটাইপিং দিব্যি বিদ্যমান। কম শিক্ষিত, অশিক্ষিত, টুকে পাশ, বাড়ির সুস্থ পরিবেশের অবর্তমানে শিক্ষার মধ্যে দিয়ে তথাকথিত "ভ্যালুজ" না গড়ে ওঠা বিপুল বিশাল জনগোষ্ঠীর মধ্যে? যারা এখনো অ্যাভেলেবেল মেয়েদের ভ্যালুয়েশন পারিপার্শ্বের বাজারে ঐ ভাবেই দেখতে পাচ্ছে, ঐ ২০ টাকায় খোলা, ২০০ টাকায় শোয়া আর ২০০০ টাকায় টোটাল সত্ত্বহীন বিক্রি, যাকে আইনে ট্রাফিকিং বলে।
  • কল্লোল | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১২:২৬582231
  • মেয়েটি পয়সার বিনিময়ে শুলো। সে অপরাধী। আর যে পয়সার বিনিময়ে মেয়েটির শরীর কিনলো সে অপরাধী নয়? ক্যাবাৎ।
  • san | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১২:২৮582232
  • আবার ভুল বুঝেছেন। অপরাধী বলতে যারা ধর্ষণ, মোলেস্টেশন ইত্যাদি করে।

    অন্যের বক্তব্যকে টুইস্ট করে গোরুর রচনায় কোনোমতে ঢোকাতে পারলেই হল !
  • san | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১২:৩২582235
  • অর্থাৎ, যারা ধর্ষণ, মোলেস্টেশন ইত্যাদি করে, তাদের মরালিটিকে প্রশ্ন করুন, সেটাকে কিভাবে পাল্টানো যায় ভাবুন। মেয়েদের মরালিটি মেয়েদের বুঝতে দিন। তারা বাধ্য হয়ে আসুক বা স্বেচ্ছায়।
    অবশ্য যে পক্ষ ভিকটিম তাদের মরালিটি দাঁড়িপাল্লায় বিচার না করলে আর সনাতন ভারতীয় ভ্যালুজ ক্ষি হল, সেটাও সত্যি !
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লুকিয়ে না থেকে মতামত দিন