এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • সিঙ্গুর: কি ভাবছেন সবাই(২)

    Ishan
    অন্যান্য | ১৮ অক্টোবর ২০০৬ | ৭৯২২৩ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • bidbajjan | ০৩ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ১৪:৫৪697874
  • ইস্‌স্‌স্‌স! ব্যাটাচ্ছেলে মরল তো মরল, সুইসাইড করে মরল! পুলিশের গুলিতে মরলে পারত না? কবে থেকে বসে আছি পথ চেয়ে, পুলিশ ক্যালালেই কালো চশমা পরে মিছিলে বেরোব। এতগুলো প্রবন্ধ, সাক্ষাৎকার, টি ভি চ্যানেলে আলোচনা- সব মিস হয়ে গেল?
  • santanu | ০৩ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ১৪:৫৭697875
  • বিশ্বাস অবিশ্বাসের প্রশ্ন নাই, টিভি তো দেখতে পাই না, কেবল কাগজে ছাপা ছবি দেখছি। তাতে কেবল বাইরে থেকে Steel Structure Shed দেখাচ্ছে।

    যদি মেসিনারী প্রায় সব ইনস্টল হয়ে যায়, (commissioning বাকি থাকলেও) তাহলে টাটারও ঝাড় গেল, ঐ মেসিনারী ওখান থেকে উবড়ে বার করা সহজ হবে না।
  • Arijit | ০৩ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ১৪:৫৯697876
  • কাগজেই ওই তিনটে গাড়ির একটা ছবি দিয়েছিলো - দিন তিনেক আগে। একই ছবি টিভিতেও দেখিয়েছে। এবার আমি তো সিঙ্গুরের ভিতরে ঢুকি নাই, কাজেই কাগজের কথাকে বিশ্বাস করে নিতে হচ্ছে যে ওটা সিঙ্গুরই, সিঙ্গাপুর নয়। তিনটে গাড়ি যদি ওখানে তৈরী হয়ে থাকে তাহলে মেশিনারী বসে গিয়ে থাকাই স্বাভাবিক।
  • bidbajjan | ০৩ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ১৫:০১697878
  • এমনিতেই এবার বুঝতে পারছিলাম না কি করব। দশ দিন চুপচাপ বসে- কোনো স্টেটমেন্ট না, টিভি চ্যানেলে যাওয়া না- পেট ফেঁপে মরি আর কি! রাজ্যপাল এই নিরপেক্ষ মধ্যস্থতাকারীর হাই-প্রোফাইল ভ্যাকেন্সিটা তৈরি করলেন বলে বাঁচোয়া! নইলে মাইরি কি যে বলতাম!
  • sarathi | ০৩ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ১৫:০১697877
  • আজ সকালেই হয়েছে এই দু:খজনক ঘটনা, উনি সিঙ্গুর গ্রামীণ হাসপাতালে (আমার মামারবাড়ির খুব কাছে) মারা যান

    যা শুনলাম লাশগন্ধী নন্দীগ্রাম-মার্কা শকুনদের ভীড় খুব একটা হয় নি
    কারণ বোধহয় হতে পারে এই যে, বাড়ির লোকের বক্তব্য অনুযায়ী উনি কারখানা সমর্থক তথাকথিত ইচ্ছুক চাষী ছিলেন আর ওনার দুই ছেলে প্রকল্পে ঠিকা শ্রমিকের কাজ করত

    সরকারের উচিত অবিলম্বে এই পরিবারসহ বাকি চাষীদের আরো বেশি ক্ষতিপুরণের ব্যাবস্থা করা
  • bidbajjan | ০৩ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ১৫:১০697879
  • তার উপর কিছু অকালপক্ব ছেলেমেয়ে মোমবাতি জ্বালাচ্ছে, স্বাক্ষর সংগ্রহ করছে- আমাদের ছাড়া? আমরা পারমিশন দেওয়ার আগেই মোমবাতি জ্বালিয়ে ফেলল? আজকালকার ছেলেমেয়েদের এই সামাজিক অবক্ষয় ও গুরুজনদের প্রতি অশ্রদ্ধা চোখে দেখা যায় না। এরপর আর স্টেটমেন্ট না দিয়ে থাকা যায়?
  • quark | ০৩ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ১৫:২৬697880
  • আজ্ঞে গাড়ি ওখেনে তৈরী হয় নেকো! বেশীর ভাগটা অন্য জাগায় বানিয়ে শেষে ওখান থেকে বের করার পেল্যান ছেলো। নৈলে গোটা গাড়ি এই অল্পো দিনে বানানো যায় না, যেখানে কারখাণাই পুরো তৈরি হয় নি।
  • Arijit | ০৩ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ১৫:৩০697881
  • এই লাশ পলিটিক্সটা করে লাভ আছে? কেউ যদি মুখ বুজে থাকেন সেটা তাঁদের হিপোক্রিসি, আর সেই নিয়ে এরকম উতোরচাপান চালালে সেটা উল্টোদিকের তরফে লাশটাকে হাতিয়ার বানানোর চেষ্টা। সকলের নিজস্ব চিন্তাভাবনা আছে - পথটা তাঁদের নিজেদের বেছে নিতে দিন না।
  • Arijit | ০৩ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ১৫:৩১697882
  • কিন্তু তিনটে তো তিনরকম অবস্থায় ছিলো, একটা আবার শুধু খাঁচা। মানে ওখানে বাকিটা তো করতে হবে?
  • quark | ০৩ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ১৫:৩৫697884
  • অ্যাসেম্বলী
  • santanu | ০৩ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ১৫:৪৪697885
  • এই বিতর্কটা কাটিয়ে দেন। মোটেই জরুরী নয়।

    আমার as a construction engineer খালি জানার ছিল factory টা কতোটা কমপ্লিট হয়েছে, কতোটা রিকভার করা যাবে আর কতোটা জলে গেল।

    বুঝতে পারছি এটা জানার ঠিক সময় নয়। পরে দেখা যাবে।
  • Somnath | ০৩ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ১৫:৪৭697886
  • হ্যাঁ সিকি, ঐ পোস্টটা ভুলে গেছিলাম। তবে এখন "র‌্যাদার বেশি করে হচ্ছে" কথাটা ঠিক।

    কাল নিরুপম সেন দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলেছেন, নতুন প্যাকেজ দেওয়া হলে তা সবার জন্যেই হবে। শুধুমাত্র অনিচ্ছুক কৃষকেরা আলাদা প্যাকেজ পাবেন তা হবে না। সরকারের পক্ষে সেটা করা অসম্ভব।

    চারশ একর ফেরতের যে দাবি, প্রতিদিনে লিখেছে রাজ্যপাল হয়ত ২০০ একর ফেরতের জায়গা থেকে সরকারের সাথে কথা বলা শুরু করবেন, সেটা এক হিসেবে অসম্ভব। কারণ ঐ জমি কারখানার মোট জমির মধ্যে কোনো একটা দিকে একসাথে পড়ে রয়েছে তা নয়। পুরো ১০০০ (অ্যাকচুয়াল ফিগারটা কাল নিরুপম সেন বলেছে, ভুলে গেছি) একরের মধ্যে জমিগুলো ১-২-৩ বিঘা করে করে ছড়িয়ে আছে। ওগুলো ফেরত দেওয়া মানে প্রোজেক্টটা বন্ধ করা। একটা বিশাল কারখানা প্রাঙ্গণের মধ্যে দু বিঘা জমি একটা লোকের। সে ঐ জমিতে ঢুকবেটা কোথা দিয়ে? আকাশ থেকে প্যারাস্যুটে করে নিজের জামিতে ল্যাণ্ড করবে? চারিদিকে কারখানার দেওয়াল/কাঁটাতারে ঘেরা নিজের জায়গাটুকুতে খুরপি হাতে কাজ করে আবার হাউইবাজি চড়ে শুন্যপথে বাড়ি ফিরে যাবে? কারণ কোনো কারখানা তার প্রেমিসের মধ্যে দিয়ে অযাচিত লোকজনকে হাল বলদ গরু নিয়ে তার জমিতে যাওয়ার জন্যে রাস্তা বানিয়ে রাখবে এমনটা নিশ্চয়ই কেউ বলতে চাইবে না।

    কিন্তু এক হিসেবে ফেরত দেওয়াটা সম্ভব। তাতে কেউ নিজের জমিটুকু পাবে না। মূল কারখানা ছেড়ে বাকি যেটুকু জায়গা খালি থাকবে সেখানে তাদের থেকে নেওয়া জমির সমান সাইজের জমি ফেরত দিতে হবে। অর্থাৎ সেই পরিবর্ত জমিই দিতে হল।

    এইবার সেই পরিবর্ত জমি ঐ কারখানা প্রেমিসের মধ্যেই নেবো, অন্য কোথাও দিলে নেবো না - এই দাবি পুরো গা জোয়ারি। মানে রাম স্বেচ্ছায় জমি দিয়েছে, আমি দিইনি। এবার আমায় রামের জমি থেকে আমার জমি মেপে ফেরত দিতে হবে অন্য কোনো জায়গায় শ্যামের জমি থেকে আমার জমি মেপে ফেরত দিলে নেবো না এই কথার কোনো মানে হয় না। জমি ফেরত চাইলে রিহ্যাবিলিটেশন লোকেশন নিয়ে বার্গেইন চলতে পারে উর্বরতার নিরিখে, ম্যাক্সিমাম। পরিবর্ত জমির কথা উঠলে সেই কারো না কারোর থেকে জমি নিয়েই চাষীদের ফেরত দিতে হবে। দুশ একর মালিকানাহীন উর্বর জমি তো আর রাজ্যে রাতারাতি গজিয়ে উঠবে না। তো তাদের আবার অন্য কোথাও পুনর্বাসন দিতে হবে। এভাবে তো হয় না। তাহলে এখন রাজ্যে দুশ একর উর্বর জমি চাই, যা বেচে দিতে তার মালিকেরা ইচ্ছুক।

    প্যাকেজ নিয়ে কথা বলার দাবি বারবার জানানো হচ্ছে। বেশি টাকা, বিকল্প কর্মসংস্থানের ""প্রতিশ্রুতি নয়"" পরিণতি, আর কি কি ভাবে যারা জমি হারালেন বা সেই জমিতে জীবিকা হারালেন তাদের ভালো থাকা এনসিওর করা যায়, পেনসন স্কীমের মতো কিছু, ইত্যাদি নানা জিনিস নিয়ে বিরোধীরা তাদের/অনিচছুক কৃষকদের দাবি বুঝে নিতে পারে। কিন্তু সেদিকে না গিয়ে আন্দোলনের ফোকাস পুরো একটা অসম্ভবের দিকে।

    কাল ভালো হয়েছে। তৃণমূলের এক নেতা টিভিতে বলছিল উল্টোদিকের যে জলাজমি (বেসিকালি সিপিএমের প্রোমোটারের), সেই জমি অধিগ্রহণ করে অনুসারি শিল্প হোক। (পাতি কথা, সিঙ্গুরে জমির দাম হু হু করে বাড়বে আর সিপিএম-এর প্রোমোটার তার ফায়দা তুলবে ভবিষ্যতে উল্টোদিকের জমি চড়া দামে বেচে তা চলবে না।) আণ্ডারপাস কানেক্টর করে নিলেই তো আর যাতায়াতের সমস্যা হয় না, পরিবহন খরচ বাড়ে না। ইত্যাদি। তা টিভির লোক তাকে জিজ্ঞেস করল "আপনাদের কোন্‌ টেকনিক্যাল লোক এ কথা বলেছে? আপনারা কি কোনো অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ারের সাথে কথা বলে এরকম প্ল্যান দিচ্ছেন?" তাতে সে নেতা কি প্রচণ্ড চাপে পড়ে গেল !! ;-)
  • Arijit | ০৩ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ১৫:৫৪697887
  • আরে এই ছড়িয়ে থাকা জমির কথা তো গত সাতদিন ধরে বলে আসছি - যে মৌজা ম্যাপ নিয়ে দাগিয়ে দ্যাখো। বেসিক্যালি এই আন্দোলনকারী (অনুরাধা তলোয়ার ইত্যাদিরা) আর তাদের সিমপ্যাথাইজার - কারোরই জমি নিয়ে বিন্দুমাত্র আইডিয়া নেই। যেমন আর্য্য এখনও অবধি বলতে পারেনি ওই জমি আদৌ ফেরত দেওয়া সম্ভব কিনা বা ফেরত দিলে তাতে কি হবে...কেউই পারে নি, কারণ কেউ জানেই না...ইনারশিয়ায় চলছে।
  • Suvajit | ০৩ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ১৯:০১697888
  • ন্যানোর লঞ্চ অক্টোবরেই হবে, অন্তত পি ডব্লু সির তাই দাবি। আজকে রবিকান্তও দেখলাম একই কথা বল্লেন।
    http://tinyurl.com/5as2ju
    সমস্যা শুধু ক্যাপাসিটির।
  • Ishan | ০৩ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ২০:৪৭697889
  • একটা কথা না বলেই পারছিনা।

    মমতার বেসিক দাবীটা বোধহয় ছিল, জমি ফিরিয়ে দেবার সিদ্ধান্ত "নীতিগতভাবে' ঘোষণা করা। তারপর আলোচনায় বসা। যার যার জমি তাকেই ফিরিয়ে দিতে হবে এই দাবী বোধহয় ছিলনা।

    এবং এই দাবী যে ভয়ংকর অযৌক্তিক এটা আমার মনে হয়না।

    তবে পেশী প্রদর্শন আর অসহিষ্ণুতা, সেগুলো অসহ্য। নি:সন্দেহে।
  • Blank | ০৩ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ২১:০৪697890
  • 'নীতিগত' টা কি যথেষ্ট নতুন আমদানী নয়? রাজ্যপালের কথা বলার পর এসেছে নীতিগত ব্যপারটা।
  • Ishan | ০৩ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ২১:২৫697891
  • নতুনই তো। কিন্তু অযৌক্তিক না।

    আর সিঙ্গুর টিঙ্গুর নয়, মমতার আসল লক্ষ্য হল কৃষক বেল্টে ঢোকা। ইত্যাদি। সে নিয়ে কোনো তক্কো নেই।
  • Arpan | ০৩ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ২২:০৭697892
  • নতুন মানে? "নীতিগত' সিদ্ধান্তের কথা ২৫ তারিখেই বলা হয়েছিল মমতার তরফে। ধর্নার দ্বিতীয় দিন।

    http://www.anandabazar.com/archive/1080826/26raj1.htm
  • Ishan | ০৩ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ২২:২০697893
  • তাইলে উইথড্র। নতুন না। :)
  • santanu | ০৩ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ২২:৪০697895
  • সেই তো, 'নীতিগত' তো বেশ পুরোনো ইস্যু।

    আমরা নিজেরা এই নিয়ে ভেবেও ফেলেছিলাম, বুদ্ধবাবু তো বলতেই পারেন, "ঠিক হ্যায়, নীতিগত ভাবে মেনে নিলাম, এবার আসুন আলোচনা টেবিলে, আর এই নিন ম্যাপ, এই নিন হাইকোর্টের অর্ডার, এই নিন আইনের কপি, এবার ৩০০০ লোকের জমি ফেরত দিন, আমাদের জ্বালাবেন না"

    তবে সবই কি আর এত সহজ?
  • Du | ০৩ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ২৩:৫৭697896
  • ঐ অধিগৃহীত জমির থেকেই দিতে হবে এই দাবি নিয়ে মমতার কোন দ্বিধা ছিলনা। এখন এইসব লেখা দেখে উনি যা খুশি ক্লু ব্যবহার করতে পারেন বৈকি।

    উনি পরিস্কার জমি ফেরত এবং অনুসারী শিল্পকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া এইসব বলে গেছেন। বিকল্প জমি তার দাবিতে কোনদিনও ছিলনা। বরং তিনি বিকল্প জমি অনুসারীদের দিতে বলেছেন।

    নীতিগত মানেও পরিস্কার, পদ্ধতিগত ব্যাপারগুলো পরে দেখে নেওয়া যাবে। ওতে ওনার বিশেষ ইন্টারেস্টও নেই। আর আলোচনা উনি জীবনে কখনো করেছেন কি?

    যাগ্গে, এ বিষয়টা এখন আর ভাট ছাড়া কিছু মনে হচ্ছে না।
  • Binary | ০৪ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ০১:৩৬697897
  • গনদেবতা সিনেমায় মাধবী মুখার্জী-র সঙ্গে বুড়ি ঠানদিদির (কে অভিনেত্রী ছিলেন মনে নেই), পুকুরপারের সেই ঝগড়াটার কথা মনে হচ্ছে, মানে মমতার হাবেভাবে। আর সিঙ্গুর নিয়ে তক্কবিতক্ক নিতান্ত ছেলে খেলার পর্যায় এখন। মানে নাইট রাইডার্সের ২০-২০ ম্যাচের মত, টাটা যাবে -না থাকবে, এনেইচ-টু খোলা থাকবে কি থাকবে না, হ্যা:।

    এই অর্বাচীনের কখান প্রশ্ন ছিলো,

    ১) মমতা যদি সত্যি ক্‌ষক বেল্টে ঢোকার জন্য এসব করে থাকে, আপাত ভাবে তাই মনে হয়, তাহলে কিছু বলার নেই, আর নাহলে, মমতার মঞ্চে কজন সিঙ্গুরের লোক আছে, হিসাবটা জানা দরকার।

    ২) সরকার প্রথমথেকেই ১৪৪ ধারা জারি করে ধর্না বন্ধ করলনা কেন ? যেরকম আগে করেছিলো, মমতাকে সিঙ্গুরে ঢুকতে না দিয়ে ? অন্তত নভম্বর পর্যন্ত ? ১৪৪ ধারায় তো গুলি-বন্দুকের দরকার নেই। নাকি প্রমান করার দরকার ছিলো উল্টোটা ?

    ৩) টাইমিং টাও সন্দেহজনক। সিঙ্গুরের ধর্না ঠিক অগাস্টের শেষে কেন ? জুন-জুলাই তে নয় কেন?

    ৪) চুক্তি প্রসঙ্গে সরকরের সচ্ছতা নেই, এটা যদি মমতার এবং তাকে ধামাধরা মিডিয়ার অভিযোগ হয়, মানে 'চুক্তিটা হ্যান্ডবিল করে বিলি করা হয়নি কেন ?' ইত্যাদি, যদিও বিধানসভায় একাধিকবার প্রকাশকরা হয়েছে, সেখানে মমতাই-ব টাটার (মানে রবিকান্তের, আবপতে যা বেরিয়েছে) চিঠি হ্যান্ডবিল করে ছাপাছেন না কেন?

    ৫) সক্কলে বলছে সরকার অনিচ্ছুকদের সঙ্গে সরাসরি বসছে নাকে ? সেরকম পরিবেশ কি কখনো ছিলো ? রিরূপম সেন যদি বলত 'কে ভাই অনিচ্ছুক চাষি, চলো আলোচনায় বসি', তারা বসত ? মমতা-র ছাতা বাদ দিয়ে ? বিশ্বাস হয় ? এতদিন ধরে যাদের পুরকি খাইয়ে রাখা হয়েছে, আরো বেশী পাইয়ে দেওয়ার ?
  • arjo | ০৪ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ০১:৪০697898
  • যা অবস্থা হাতে লাঠি নিয়ে অরিজিত বোধহয় কলম্বাস অবধি ছুটে আসতে পারে। :-)))

    আমি বলেছি জমি যার অধিকার তার এটা বেসিক গণতন্ত্র। যা হবার হয়ে গেছে বলে শিল্প গড়া যায় না। রাজনৈতিক দাবা খেলে সলিউশন খোঁজা যায় না। ম:ব: কে একা দোষ দেবেন না। এবং এইক্ষেত্রে ওনার দাবী খুব ভুল নয়। মহান মার্ক্সের নামে এই রাজনীতি চলছে চলবে।

    এবারে একটু ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল পড়ুন

    http://online.wsj.com/article/SB122037878739291499.html?mod=hpp_asia_pageone

    এরা বলছে টাটা এখন উঠে গেলে নাকি মাত্র ১০-২০% ইনভেস্টেড মানি তুলতে পারবে। যাস্ট ব্যবসায়ী দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দেখলে ঠিক বোঝা যাচ্ছে না। ঠিক যখন সমাধান হব হব একটা ভাব তখনই কেন? (অবশ্য আমি আর কতটা বুঝি?) কোনো লং টার্ম ব্যবসায়ীক চাল। নাকি যা বোঝা গেল সরকার বিরোধীদের সামলাতে পারবে না। এই ঝামেলা আমাশার ডাকের মতন আসবে যাবে? এরকম ঝামেলা চলতে থাকলে টাটার ব্র্যান্ড ইমেজে কালি মানে অন্য ব্যবসায় ঝাড় নামবে? দেখতে থাকি ও পড়তে থাকি এগিয়ে যাব আশা রাখি।
  • ranjan roy | ০৪ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ০৩:০৫697899
  • সূতোটা শুরুই হয়েছে ঈশানের "" সিঙ্গুর: কি ভাবছেন সবাই?'' প্রশ্নটি দিয়ে।
    দেখা যাচ্ছে অধিকাংশ ভাবছেন --- টাটা চলে যাওয়ায় বঙ্গের উন্নয়নের স্বপ্ন দুর্গাপুর রোডের জ্যামের মত আটকে রইল।
    আর এই হতাশা থেকে শুরু হয়েছে ""আসলি ভিলেন কৌন?'' খোঁজা। বা কি হলে কি হতে পারত সেইসব বিকল্পের তালাস। অরিজিৎএর মত কেউ কেউ অন্ধকারেও আলো দেখতে পান,অত্যন্ত ইন্‌ভলব্‌ড হয়ে এখনও কি করা যেতে পারে ---তার রোড্‌ম্যাপ নির্মাণে লেগে যান।
    আমার মতে বেশি জরুরি টাটা যাওয়ায় লাভ-লোকসানের ব্যাপারে informed polemics চালানো। অর্থাৎ, টাটা তো শুরু মাত্র, শেষ নয়। সালেম আচে, ডাও আছে। তাদের কি হবে? তারা থাকলে -গেলে কার কি হবে?
    এইসুতোয় কেউ টাটার হাত ধরে বাংলার নবজাগরণের স্বপ্নদেখা ও তার স্বপ্নভঙ্গের গল্প শুনিয়েছেন।
    আমার মনে হয় আগে ঠিক করা দরকার আমরা "" উন্নয়ন'' বলতে কি বুঝি?
    কারণ, সবাই যদি উন্নয়নের নিজের মত করে মানে করি তাহলে মিনিংফুল ডিসকাসন হতে পারে না।
    এই দেখুন, কেউ আমাদের মত পিছিয়ে থাকা বেকারভর্তি দেশে উন্নয়নের মুখ্য মাপকাঠি রোজগার নির্মাণকে ধরেছেন।
    কাজেই তিনি স্টেটস্‌ম্যানে দীপাঞ্জন রায়চৌধুরির প্রবন্ধকে তুলে ধরেছেন, যাতে বলা হচ্ছে যে মডার্ণ ন্যনো প্রোজেক্টে রোজগর কম লোকের হবে। বরং টাটার লাভ বেশি। শস্তায় জমি- লোন পাবে,বরং এত খরচে যা চাকরি হবে তা' বলার মত নয়।
    আবার অনেকেই ""উন্নয়্‌ন' ও "বিনিয়োগ'' কে সমার্থক ধরেছেন। তাঁরা ''আজকাল'' থেকে দেখাচ্ছেন যে ন্যানোর সঙ্গে বাংলা থেকে বেশাকিছু বিনিয়োগ ও চলে যাবে।
  • aja | ০৪ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ০৩:৪৫697900
  • জমি যার অধিকার তার, এই গণতন্ত্র পৃথিবীর কোথাও চলে না। এমনকি আম্রিকার সুপ্রীম কোর্টও এমিনেন্ট ডোমেন নিয়ে মত দিয়েছে যে সরকার জনস্বার্থে যে কোন ব্যক্তিগত সম্পত্তি অধিগ্রহণ করতে পারে। এবং অধিগ্রহণ করে সেই জমি ওয়ালমার্টকে দিতে পারে।
  • aja | ০৪ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ০৩:৫০697901
  • উইকিপেডিয়া বলেছে:

    The Supreme Court's decision in Kelo v. City of New London, 545 U.S. 469 (2005) affirmed New London’s authority to take non-blighted private property by eminent domain, and then sell the property to a private developer solely for the purpose of increasing municipal revenues. This 5-4 decision received heavy press coverage because the Court sided with the city's argument that this sort of taking and private redevelopment was a public benefit. Kelo inspired a public outcry that eminent domain powers were too broad. This resulted in several states enacting or considering state legislation that would further define and restrict the state's own power of eminent domain. The Supreme Courts of Illinois, Michigan (County of Wayne v. Hathcock(2004)) and Ohio (Norwood, Ohio v. Horney(2006)) have recently ruled to disallow such takings under their state constitutions.

    The redevelopment in New London, that was the subject of the Kelo decision, proved to be a failure and as of the summer of 2008 (three years after the court's decision) the redeveloper has not been able to obtain financing for the project and nothing has been built on the taken land in spite of the expenditure of some $80 million in public funds.


    সূত্র:

    http://en.wikipedia.org/wiki/Eminent_domain
  • Ishan | ০৪ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ০৪:১৬697902
  • ঠিক।

    কিন্তু তার সঙ্গে পুনর্বাসন নিশ্চিত করার কথাও বলা হয়। বিশেষ করে উন্নয়নশীল দেশে। মনে রাখবেন শুধু ক্ষতিপূরণ নয়। পুনর্বাসন।

    বিশ্বব্যাঙ্কের গাইডলাইন দেখুন:

    Involuntary resettlement may cause severe long-term hardship, impoverishment, and environmental damage unless appropriate measures are carefully planned and carried out. For these reasons, the overall objectives of the Bank’s policy on involuntary resettlement are the following:

    (a) Involuntary resettlement should be avoided where feasible, or minimized, exploring all viable alternative project designs.2
    (b) Where it is not feasible to avoid resettlement, resettlement activities should be conceived and executed as sustainable development programs, providing sufficient investment resources to enable the persons displaced by the project to share in project benefits. Displaced persons3 should be meaningfully consulted and should have opportunities to participate in planning and implementing resettlement programs.
    (c) Displaced persons should be assisted in their efforts to improve their livelihoods and standards of living or at least to restore them, in real terms, to pre-displacement levels or to levels prevailing prior to the beginning of project implementation, whichever is higher.4


    লিংকটা বড্ডো বড়ো। কাটিয়ে দিলাম। পরে টাইনি করে দেব।
  • aja | ০৪ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ০৪:২৬697903
  • পুনর্বাসন, ক্ষতিপূরণ প্যাকেজ নিয়ে আমার কোন আপত্তি নেই। আমার আপত্তি মালিকের অমতে জনস্বার্থে জমি অধিগ্রহণ করা যাবে না - এই কথাতে।
  • lcm | ০৪ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ০৪:৪১697904
  • অজ, ঠিক বলেছ। শুধু "...জনস্বার্থে জমি অধিগ্রহণ...' - এতে "জনস্বার্থ' অংশটা নিয়ে কনফিউশন তৈরী হতে পারে। হাসপাতাল/হাইওয়ে/স্কুল/কলেজ-কে জনস্বার্থের লেবেল দেওয়া যতটা সহজ, টাটা-র কোম্পানীকে তত সহজ নয়।
  • Ishan | ০৪ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ০৪:৪৪697907
  • ঠিক। শুধু "জনস্বার্থ' র একটা লিমিট থাকা উচিত। সবকিছুই প্রশাসকদের ব্যক্তিগত ইচ্ছার উপর নির্ভরশীল থাকা উচিত না। বিশেষ করে পাইকিরি রেটে বেসরকারি শিল্প বানানো তো লিমিটের বাইরেরি থাকা উচিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। বুদ্ধি করে মতামত দিন