এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • তুঘলকি শাসন

    mila
    অন্যান্য | ০৮ নভেম্বর ২০১৬ | ১১৬৯৮১ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • de | ২১ নভেম্বর ২০১৬ ১৪:০১723982
  • আমাদের দেশের লোকের প্রচন্ড ঈর্ষাপরায়ণ মনটা আরো ভালো করেই এক্ষপোজড হলো এই ডিমানি কান্ডে। আমার অসুবিধে হচ্ছে হোক, বেশী ধনীদের তো আরো বেশী অসুবিধে হচ্ছে - তারা সব ধনেপ্রাণে মারা যাচ্চে, এই আনন্দেই লোকে উলুতপুলুত! বম্বেতে এতো অসুবিধের মধ্যেও আমি কয়েকজন বাঙালী বাদে আর কারোকে কোন অভিযোগ জানারে শুনিনি - বরং রোদ্দুরের মধ্যে কিউতে দাঁড়িয়ে কিভাবে মোদী কালোবাজারীদের সর্বনাশের বন্দোবস্ত করেচেন সেই নিয়ে অ্যানালিসিস শুনেছি। সাধারণ মানুষ, যাঁদের এতো কষ্ট হচ্চে, তাঁরাই যদি মুখ না খোলে, শুধু কয়েকজন মধ্যবিত্তের বিক্ষোভে মোদী কোংয়ের বয়েই গেলো!
  • PT | ২১ নভেম্বর ২০১৬ ১৪:০৩723983
  • এটাকে একধরণের মস্তিষ্ক প্রক্ষালণও বলা যায়-ঐ মাথায় শ্রীরাম লেখা ইঁট নিয়ে অযোধ্যায় যাওয়ার মত........
    মানুষ সিস্টেমের বদল চায় কিন্তু ঠিক কি হলে কাজ হয় তা জানা নেই.......
  • ছোটোলোক | ২১ নভেম্বর ২০১৬ ১৪:০৮723984
  • টাকা পোড়নোর সঙ্গে ২০০% ট্যাক্সের তুলনা করাটা বুঝলাম না। ইনফ্লেশন হলে দেশ টাকা ছাপে। যেমন ছেপেছিলো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মানী। তারপরে সেই টাকা পোড়াতে হয়। হিটিং এর কাঠ জ্বালানোর চেয়ে টাকা পোড়ানো সস্তা ছিলো। কিন্তু এক্ষেত্রে টাকা পোড়ালে ইনফ্লেশন কমবে কি? দেশের গোল্ড রিজার্ভের একটা গল্প আছে না এর পেছনে? এই জন্যই কি মোদি সোনা চাইছিল দেশের লোকের কাছে? এরকম একটা খবর শুনেছিলাম যে লোকে তাদের গয়না গলিয়ে ২৪ ক্যারাটের সোনা বানিয়ে ব্যাঙ্কের কাছে জমা রাখবে। সেটাতো দেশের গোল্ড রিজার্ভ বাড়ানোর গল্প। সেটার সঙ্গে ইনফ্লেশন কমানোর যোগ থাকা উচিৎ। ট্যাক্সের ওপরে ২০০% ফাইনটা অবশ্যই ভয় দেখানোর তাগিদে, যাতে কিছু টাকা পুড়ে যায়। সরকার জানে কতগুলো ১০০০/৫০০ র নোট ছাপানো হয়েছিলো ইন টোটাল। সার্কুলেশনে নোটের সংখ্যা তার চেয়ে বেশি। সেটাও মুদ্রাস্ফীতির একটা কারন।
  • রোবু | ২১ নভেম্বর ২০১৬ ১৪:২৪723985
  • ভারতের ইকোনোমি গোল্ড ইকোনোমি নয়, ফিয়াট ইকোনোমি।
  • নেতাই | ২১ নভেম্বর ২০১৬ ১৪:২৭723986
  • Name: sinfaut

    IP Address : 133.136.198.83 (*) Date:17 Nov 2016 -- 11:25 PM

    এ কন্ফিউশন আমারও। ধরে নিলাম আমার সম্পূর্ণ কর ফাঁকি দেওয়া ১০ কোটি টাকা ৫০০ আর হাজারের নোটে আছে। সেই টাকা কাগজ হ্যে যাওয়ায় আমার ক্ষতি। কিন্তু ব্যাংকের কী লাভ? সে এখন কাগজ নিয়ে করবে কী?

    Name: PM

    IP Address : 149.5.231.253 (*) Date:18 Nov 2016 -- 12:02 AM

    অপসান ১) আপনি ১০ কোটি টাকা ঈ তে জমা দিলেন, ঈ ঐ টাকা Rঈ কে ফেরত দেবে, Rঈ ফ্রেশ ১০ কোটি টাকা ঈ কে দেবে। সরকার নরমাল ট্যক্সের ২০০% মনে ৬ কোটি টাকা ট্যক্সো নেবে আপনার কাছে

    অপসান ২) আপনি ১০ কোটি টাকা (আসল) পুড়িয়ে ফেল্লেন।

    ঐ ১০ কোটি টাকা সরকার আবার ছাপবে। মানে আপনার কছ থেকে টাকা সরকারের পকেটে / Rঈ এর পকেটে ট্রান্সফার হলো।

    অপসান ৩) আপনার ১০ কোটি টাকা জাল আর আপনি পুড়িয়ে ফেল্লেন

    ১০ কোটি জাল টাকা সিস্টেম থেকে বেড়িয়ে গেলে ইন্ফ্লেসন কমবে

    এই মোটামুটি অ্যাসাম্পসন আর প্ল্যান ঃ)
  • sch | ২১ নভেম্বর ২০১৬ ১৫:০৭723987
  • কারা যেন বলছিল গরীব মানুষের কাছে ৫০০/১০০০ এর নোট কোত্থেকে আসবে। শেষ লাইনটা ভালো করে পড়বেন। একদম নিজের অভিজ্ঞতা, ছোটোখাটো কাজের সাথে যুক্ত আমার এক ঘনিষ্ঠ আত্মীয়কেও এই কথাই বলা হয়েছে। এখন ৫০০/১০০০ না নিলে পেতে অনেক দেরী হবে।

    "ঠিকাকর্মীদের বেতন দেওয়া হচ্ছে বাতিল পাঁচশো -হাজারের নোটে৷ এমনই ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চলে৷ রাতুড়িয়া, অঙ্গদপুর, বামুনাড়া শিল্পতালুক সর্বত্রই এই ঘটনা ঘটেছে৷ তবে বিষয়টি অত্যন্ত গোপন রেখেছিল মালিকপক্ষ৷ কিন্ত্ত ব্যাঙ্কে লম্বা লাইন আর নোট বদলের ঝক্কিতে নাজেহাল কর্মীরা মুখ খুলতেই ঘটনাটি প্রকাশ্যে এসেছে৷ বাতিল নোটে ঠিকাকর্মীদের বেতন দেওয়ার তালিকায় ছোটখাটো কারখানাগুলির সঙ্গে নাম উঠে এসেছে জয় বালাজি, শ্যাম ফেরো অ্যালয়ের মতো বড় সংস্থাগুলিরও৷ কালো টাকা উদ্ধারে নোট বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়ে দেশ জুড়ে আলোড়ন পড়েছে৷ বাতিল নোট এক্সচেঞ্জ করতে লাইনে দাঁড়িয়ে দুর্ভোগ চলছে৷ এরই মাঝে এক শ্রেণির মানুষ তাঁদের কাছে মজুত টাকা যে কোনও উপায়ে বাজারে চালাতে চাইছেন৷ এমনকি কমিশনের ভিত্তিতে নোট বদলের অভিযোগও উঠেছে৷ তা রুখতেই নোট পরিবর্তনে হাতে কালি দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে৷ এসবের মাঝে দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চলে বাতিল নোটে বেতন দেওয়ার ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে৷ বাতিল নোট দিয়ে বিপাকে ফেলায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শ্রমিকরা৷ শ্যাম ফেরো অ্যালয় কারখানার ঠিকাকর্মী কমল টুডু বলেন, ‘প্রতিমাসে ২০ থেকে ২৫ তারিখের মধ্যে আমাদের বেতন দেওয়া হয়৷ কিন্ত্ত এবার ১১ তারিখে বেতন দেওয়া হয়েছে৷ সাড়ে ছ ’হাজার টাকার বেতনের পুরোটাই বাতিল পাঁচশো -হাজারের নোট পেয়েছি৷ প্রতি মাসে এই টাকা ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্টে জমা পড়ে৷ এবার হাতে নগদ টাকা দিয়েছে৷ আমরা বাতিল নোট নিতে অস্বীকার করেছিলাম৷ কিন্ত্ত কর্তৃপক্ষ বলে দিল, নতুন নোটে বেতন নিতে হলে তিন মাস দেরি হবে৷"

    (http://www.epaper.eisamay.com/epapermain.aspx)
  • বক্তৃতার সারাংশ | ২১ নভেম্বর ২০১৬ ১৬:০০723989
  • http://www.anandabazar.com/state/black-money-has-become-more-black-mamata-s-sharp-attack-on-modi-dgtl-1.518256#

    এ ছাড়াও দিদি বার দুয়েক একটা রয়েল বেঙ্গল টাইগারের কথা বলেছিলেন। কোন একটা রয়েল বেঙ্গল নাকি 'ওরা' টাকা থেকে তুলেই দিল। কোন বাঘের কথা দিদি বোঝাতে চেয়েছেন জানেন ? দশ টাকার নোট ছাড়া তো আর কোথাও রয়েল বেঙ্গল নেই! তবে দিদি এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করবেন বলেছেন।

    তবে যাই বলুন, আমাদের মুখ্যমন্ত্রী কিন্তু মা, মাটি, মানুষ/মানুষখেকো সবারই পাশে।
  • sm | ২১ নভেম্বর ২০১৬ ১৬:০৫723990
  • আজকেই দেখলাম পুরসভার অফিসে বসে; জনৈক কর্মচারী মনের সুখে সিগারেট টানছে। সচরাচর রাগী না। কিন্তু, প্রচন্ড বিরক্তি এলো।মানুষের সেন্স এতো কম!
  • sm | ২১ নভেম্বর ২০১৬ ১৬:০৬723992
  • ভুল জায়গায় পোস্ট হলো; ভাটিয়ালি তে যাবে।
  • d | ২১ নভেম্বর ২০১৬ ১৮:১০723993
  • মমব্যানের বক্তব্য। সূত্র আনন্দবাজার

    • ‘‘এক জন প্রধানমন্ত্রী রোজ দেসের সব রাজনৈতিক দলকে হুমকি দিচ্ছেন! কোনও দিন এ রকম দেখিনি। আমরা দেশে এত জন প্রধানমন্ত্রীকে দেখেছি, কাউকে এ রকম করতে দেখিনি। কেউ বিরোধিতা করলেই প্রধানমন্ত্রী তাঁকে শাসাচ্ছেন! যে কোনও ইস্যুতে সবাই আপনাকে সমর্থন করবে, এমনটা হতে পারে না। তা বলে আপনি জোর করে কাউকে সমর্থন করতে বাধ্য করতে পারেন না। আমরা জিএসটি-তে সমর্থন করিনি? সে সময় তো আমরা পূর্ণ সমর্থন দিয়ে বিল পাশ করিয়ে দিয়েছি। কিন্তু সব ইস্যুতে আপনাকে সমর্থন করব, এমনটা আশা করেন কী করে? আপনাকে বলছি, প্রধানমন্ত্রীর মতো আচরণ করুন।’’ প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে এ ভাবেই তীব্র বিষোদ্গার করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
    • ‘‘আমি ভয় পাই না, আমাকে ভয় দেখাতে পারবেন না। আপনি ক্ষমতায় আছেন, আপনি আমাকে জেলে ভরতে পারেন। আপনি আমাকে খুন করতে পারেন। কিন্তু যত দিন পারব আমি সাধারণ মানুষের স্বার্থে লড়ে যাব।’’ মন্তব্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।
    • বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারকেও খোঁচা বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর। ‘‘এ রাজ্যে প্রচুর বিহারি ভাই-বোন থাকেন, কাজ করেন। খুচরোর সমস্যার জন্য তাঁরা দেশে চলে যাচ্ছেন। বিহারের মুখ্যমন্ত্রী চুপ করে রয়েছেন। নিশ্চয়ই রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে।’’ বললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
    • ‘‘সিদ্ধান্ত যা হয়েছে, তা অর্থমন্ত্রী জানতেনই না। ওঁদের দলের লোকেরাই এ ব্যাপারটা পছন্দ করছেন না। ঘরেই কোন্দল রয়েছে।’’
    • ‘‘কোনও কোনও দল ভয়ে মুখ খুলছে না। সবাইকে ভয় দেখাতে পারলেও, আমাকে পারবে না।’’ বললেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী।
    • ‘‘কার টাকা বাজার থেকে তুলে নিচ্ছে। রাজ্যগুলো থেকে কর আদায় করেই ওঁদের চলে। রাজ্য থেকে সব কিছু শুষে নিচ্ছে।’’ কেন্দ্রকে তীব্র আক্রমণ মমতার।
    • ‘‘যদি ক্ষমতায় এসে বলে, দেশ বেচে দেব, তা কখনোই মেনে নেওয়া যাবে না।’’ হুঙ্কার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।
    • নোট বাতিলের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারকে চরমসীমা দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সে সময়সীমা আগেই শেষ হয়েছে। সোমবার কেন্দ্রের বিরুদ্ধে আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করে দিলেন মমতা।
    • ‘‘কাল ফের দিল্লি যাচ্ছি। ২৩ তারিখ থেকে রাস্তায় নামব। সবাইকে মিছিলে যোগ দিতে আহ্বান জানাচ্ছি।’’ বললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
    • ‘‘২৪ তারিখ ব্লকে ব্লকে বিক্ষোভ কর্মসূচি।’’ ঘোষণা মমতার।
    • ২৯ নভেম্বর লখনউতে বিক্ষোভ কর্মসূচি। ১ ও ২ ডিসেম্বর বিক্ষোভ বিহারে। তার পর পঞ্জাব যাবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নোট বাতিলের প্রতিবাদে মঙ্গলবার থেকেই কার্যত শুরু হয়ে যাচ্ছে মমতার ‘ভারত পরিক্রমা’।
    • ‘‘নোট বাতিলের পিছনে এঁদের গোপন এজেন্ডা কী?’’ প্রশ্ন তুললেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী।
    • ‘‘প্রধানমন্ত্রীকে বলছি, প্রধানমন্ত্রীর মতো আচরণ করুন। আগুন নিয়ে খেলবেন না। সাধারণ মানুষের ঘরে আগুন লাগাবেন না।’’ হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রীর।
    • ‘‘এই কেন্দ্রীয় সরকার কাউকে সম্মান করছে না। জানি না সরকার কেন এমন আচরণ করছে। সবার অধিকার ছিনিয়ে নেওয়া হচ্ছে।’’
    • নোট বাতিলজনিত পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিক বৈঠকে আক্ষেপ মুখ্যমন্ত্রীর ‘‘নতুন নোট চালু বিষয়ে এঁদের কোনও পরিকল্পনাই নেই। সাধারণ মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।’’
    • ‘‘কৃষকরা ধান কাটতে পারছেন না। মজুরি দেওয়ার পয়সা নেই বলে ধান কাটার লোক পাওয়া যাচ্ছে না।’’ নোট বাতিলের পর কৃষকরা চরম দুরবস্থার মধ্যে রয়েছেন বলে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী। তীব্র ক্ষোভও প্রকাশ করলেন।
    • সুন্দরবন এলাকার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ মুখ্যমন্ত্রীর। মানুষের হাতে খাবার জোগাড় করার মতো অর্থও নেই, জানালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ‘‘নদী থেকে মাছ ধরে মাছটা পুড়িয়ে খাচ্ছেন অনেকে’’, তীব্র ক্ষোভের সঙ্গে জানালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
    • ‘‘১৪ লক্ষ কোটি টাকা বাজার থেকে তুলে নেওয়া হয়েছে। এই ভাবে চলতে থাকলে দুর্ভিক্ষ দেখা দেবে।’’ আশঙ্কা প্রকাশ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।
    • ‘‘কালো টাকা আরও কালো হয়েছে, সাধারণ মানুষের হাত থেকে সাদা টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে।’’ বললেন মমতা।
    • ‘‘আমি যেমন একটা দল করি, তেমন একটা সরকারও চালাই। প্রতি মুহূর্তে সাধারণ মানুষের সঙ্গে আমাদের কথা হয়। আমরা বুঝতে পারছি সমস্যাটা কোথায় হচ্ছে।’’ কালে টাকা ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীকে ফের আক্রমণে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী।
  • Robu | ২১ নভেম্বর ২০১৬ ১৯:২১723994
  • সাবাশ!
  • সিকি | ২১ নভেম্বর ২০১৬ ২১:৫৭723995
  • রয়্যাল বেঙ্গল রহস্য।

    নতুন দুহাজারের নোটে ডিজাইন হিসেবে পদ্মফুল, ময়ূর আর হাতির ছবি আছে পরপর। এখন প্রথম দুটো জাতীয় ফুল ও পাখি। কিন্তু হাতি মানে তো মায়াবতী! দিদির তাই দাবি, ওখানে জাতীয় পশু নেই কেন। রয়্যাল "বেঙ্গল" বলে?
  • b | ২১ নভেম্বর ২০১৬ ২২:৫৫723996
  • খাইসে। এই প্রশ্নটা আমার বৌ-ও আমায় করেছেল। বাঘ নেই কেন? গ্রেট লেডিজ থিংক অ্যালাইক।
  • sinfaut | ২১ নভেম্বর ২০১৬ ২৩:১১723997
  • এগুলোও যদি বোঝাতে হয় আপনাদের। বাঘ ভেজু তো নয়ই উল্টে গরু খায়। তাকে রাখা যায়?
  • Arpan | ২১ নভেম্বর ২০১৬ ২৩:১৮723998
  • আ মোলো যা। ময়ূর যেন ভেজু?
  • Ekak | ২১ নভেম্বর ২০১৬ ২৩:২১723999
  • গরু চেহারা সব ভেজ।
  • Arpan | ২১ নভেম্বর ২০১৬ ২৩:২৫724000
  • বাঘ নেই কারণ মোদিবাউ বাঘের উপরে চড়ে বসেছেন। নীতিশ উবাচ।

    দিদিকে কেউ হাতি, জিরাফ আর ফ্রিজের সিরিজটা শেখায়নি। ঃ)
  • PT | ২১ নভেম্বর ২০১৬ ২৩:৪০724001
  • তাহলে ছাগল এবং শেয়াল নেই কেন? তারাই তো আসল!!
  • Bhagidaar | ২২ নভেম্বর ২০১৬ ০০:৩১724003
  • আচ্চ আমরা কি ছোতোবেলয় জাতীয় পশু সিংহ পড়েছি? নাকি চিরকালই বাঘ ছিল? কেমন যেন মনে হচ্ছে!
  • s | ২২ নভেম্বর ২০১৬ ০০:৪১724004
  • মমব্যানের মাথার ঘায়ে কুকুর পাগল অবস্থা। সেই যে সারদার বস্তা বস্তা টাকা যা দিয়ে আগামী কয়েকটা নির্বাচন হেঁসেখেলে চালিয়ে দেবেন ভেবেছিলেন, সব হাগজ হয়ে গেছে।
  • Bhagidaar | ২২ নভেম্বর ২০১৬ ০০:৪৪724005
  • অ! বুঝলাম! শিপিয়েম আর বিজেপি চক্রান্ত করে এটা করেছে!
  • সিকি | ২২ নভেম্বর ২০১৬ ০৬:৫১724006
  • s ১২ঃ৪১ -

    কাল একজনকে এটাই বললাম। তা তিনি রেগেমেগে জিজ্ঞেস করলেন, কোথা থেকে পাও বলো তো এসব আবোল তাবোল খবর?
  • s | ২২ নভেম্বর ২০১৬ ০৭:৩৩724007
  • সিকিঃ এক্সাক্টলি এক কথা আমি বলেছিলাম আমার এক কলিগকে। সালটা ২০০৯। আমার এক কলিগ আমাকে কথায় কথায় বলেছিল, তার কোন এক কলকাতার বন্ধু তাকে বলেছে যে, দিদির কাছে এই চিটফান্ডগুলো থেকে প্রচুর ক্যাশ টাকা রেগুলার সাপ্লাই হয়। তখন বাম সরকার। সিংগুর, নন্দীগ্রাম হয়ে গেছে। লোকসভায় দিদি ভালো সীট পেয়েছে। পরিবর্তনের ডাক। আমি সেই কলিগকে দুর দুর করে ভাগিয়ে দিয়েছিলাম। বিশ্বাস করতে চাইনি যে যার উপর পুরো রাজনৈতিক স্টেক, সে আপাদমস্তক করাপ্ট।
    পরে যখন যবনিকা উঠেছে ধীরে ধীরে পোবোল মর্মাহত হয়েছি।
    কিন্তু, কি আর করা যাবে?
  • Robu | ২২ নভেম্বর ২০১৬ ০৮:২০724009
  • পাওয়ার করাপ্টস।অ্যাবসলিউট পাওয়ার করাপ্টস অ্যাবসলিউটলি।
  • PT | ২২ নভেম্বর ২০১৬ ০৮:২০724008
  • "অ-রাজনীতি মানে কোনও প্রসঙ্গকে তার সামাজিক তাৎপর্য দিয়ে বিচার করতে পারার ক্ষমতাকে হারিয়ে ফেলা।"
  • PT | ২২ নভেম্বর ২০১৬ ০৮:২৩724010
  • কিন্তু এক্ষেত্রে তো কবি ক্ষমতারোহনের আগের কথা বলিয়াছেন.......অর্থাৎ কিনা যাঁকে তোল্লাই দেওয়া হচ্ছিল লালবাড়ি দখলের জন্যে তিনি বিরোধী রাজনীতি চলার কালেই করাপ্ট ছিলেন?!!
  • pi | ২২ নভেম্বর ২০১৬ ০৮:২৮724011
  • কিন্তু সবাই জানে যখন তখন রেইড করা হয়না কেন বা রেইডের দাবি তোলা হয়না কেন ?
    বিজেপি কেন্দ্রে যখন, তখন নানা তৃণমূল নেতা কর্মীদের বাড়িতে রেইড চালাতে খুব অসুবিধে কি ? এই নিয়ে অনেক সোচ্চার দাবি তোলা উচিত তো বিরোধীদের।

    আর s দা, আগে অবিশ্বাস করেছিলে,এখন যখন বিশ্বাস করছো, নিশ্চয় কোনো প্রমাণের ভিত্তিতে করছো। সেগুলো কী কী ? সেগুলো তো সামনে আসা দরকার।
  • PT | ২২ নভেম্বর ২০১৬ ০৮:৩৯724012
  • গৌতম দেব সেই সময়ে আধপোড়া কুপন দেখিয়ে মিডিয়া ও পাবলিকের কাছে কি রকম হ্যাটা খেয়েছিলেন সে সব ভুলে গেলে চলবে কি করে?
    সেই আমেরিকান কন্সুলেটের ঘরে মিটিন ও ট্রাঙ্কভর্তি ১৬ কোটি টাকার খবরের (সুখরঞ্জন দাসগুপ্ত) লিংটা আরেকবার কেউ দেবেন নাকি?
  • সিকি | ২২ নভেম্বর ২০১৬ ০৮:৪১724014
  • আর পোমান। গৌতম দেবের সেই ইন্টারভিউ নিয়ে কত খিল্লি করেছিলাম। এখন ভাবলে লজ্জা লাগে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা খুশি মতামত দিন