এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • সিকি | ০৭ জুন ২০১২ ১১:২৮11670
  • আজ আবার ভোর পাঁচটা থেকে কারেন্ট নেই। সাড়ে ছঘন্টা হল। আর ঘন্টাখানেক বাদেই ইনভার্টার দেহ রাখবে।
  • শ্রাবণী | ০৭ জুন ২০১২ ১১:১২11669
  • এটা আমি আগে লিখেছি কিনা জানিনা, বিয়ের পরে প্রথম কেরালা গিয়ে (আমার শ্বশুরবাড়ী একটি অনেক পুরনো সমুদ্রপারের শহর) দেখলাম, খাওয়ার পরে এঁটোকাঁটা, খোসা জাতীয় ওয়েস্ট গাছের গোড়ায় ফেলা হয়......নারকেল, বড় বড় কাঁঠাল ও অন্যান্য বড় গাছের গোড়ায় চারদিকে ডিপ করে গর্ত বানানো, সেখানেই সবাই ফেলে, যাদের বাড়ি বড় গাছ নেই তারা বাইরে রাস্তার ধারের গাছের গোড়ায় ফেলে....
    আর অন্যান্য কাগজ জাতীয় ওয়েস্ট ( তারমধ্যে বাথরুম ইত্যাদির ওয়েস্টও পড়ে) একজায়গায় জড়ো করে (প্রত্যেক বাড়িতে এরকম নির্দিষ্ট জায়গা আছে, আর কেরোসিনের বোতল) অল্প কেরোসিন ছড়িয়ে জ্বালিয়ে দেওয়া (পল্যুশন তো অবশ্য হোলো, কিন্তু ওদেশে চারিদিকে এত গাছগাছালি)...
    প্লাস্টিক কাগজ বা অন্যান্য জিনিসের মধ্যে যা প্লাস্টিক থাকে তা ধুয়ে ভালো করে একদিকে জমা করে রাখা থাকে, কর্পোরেশনের ময়লা তোলার লোক এসে নিয়ে যায়.....কেউ ভাবতেই পারেনা এখানে ওখানে যেমন তেমন করে ময়লা ফেলে রাখবে....
    সাধারণ মধ্যবিত্ত পাড়া, এমনকি খুব অবস্থা ভালো নয় এমন পাড়াতেও এইভাবেই একটা ঝকঝকে তকতকে ভাব। (এখন অবশ্য শহরে বোধহয় অন্যপ্রান্তের লোকের বসবাসে কোথাও কোথাও নোংরা চারপাশদেখা যায় শুনেছি, তবে আমি খুব একটা দেখিনি)....
    এখনো এত বছর বাদেও এর অন্যথা নেই, খেয়ে উঠোনের নারকেল গাছের গোড়ায় ফেলি, বাগানের একপাশে পোড়ানোর জায়গায় পোড়ানোর জিনিস জমা করি।
  • ব্যাং | ০৭ জুন ২০১২ ১০:৪৯11668
  • ঝিকি, পুত্তুর মশাইকে অনেক অনেক অভিনন্দন আর আর চটকেমটকে আলুসেদ্ধমাখা টাইপ আদর।
  • ব্যাং | ০৭ জুন ২০১২ ১০:৪৩11667
  • থ্যাংকিউ কেসি। আমার স্নান শেষ, আজকের প্রাতঃরাশে ছিল ছেলের একটি ফাইভস্টার চকোলেট। বহুদিন ধরে বইয়ের ভিতরে লুকনো ছিল একটি আগে তার বইয়ের তাক গোছাতে গিয়ে খুঁজে পেলাম।
    ।আমি নাকি আশা রখি কোনো এক্দিন আবার সেই পঞ্চাশ কেজি ওজনে ফিরতে পার্ব!
    কেকে আর রিমি নিস্চয়ই ভির্মি খাচ্ছে। গেলাম।
  • kc | ০৭ জুন ২০১২ ১০:১৭11666
  • বাহ!! ওয়েস্ট ম্যনেজমেন্টের বিবরণ গুলো বেশ ভাল লাগল।
    আরও ভাল লাগল এই কারণে যে অনেকদিন পরে কিছু পজিটিভ কাজের কথা শুনলাম। বেঙি কিপিটাপ।
  • ঝিকি | ০৭ জুন ২০১২ ১০:১৫11665
  • আমি কাটলাম। আমার পুত্তুর আজকে প্রি-স্কুল থেকে গ্র্যাজুয়েটেড হবেন। সেই অনুষ্ঠানের প্রত্যক্ষদর্শী হতে চললাম।
  • প্পন | ০৭ জুন ২০১২ ১০:০৬11664
  • তিনটে আলাদা জিনিসের তো পড়েছিলাম, কিন্তু পুরোটা এইবার বুঝলাম। আমি রিসাইকল্ড/নন-রিসাইক্লড (নন-প্লাস্টিক/প্লাস্টিক) এই অ্যাঙ্গল থেকে ভাবছিলাম। তালে দুটো বিন লাগে।
  • ব্রতীন | ০৭ জুন ২০১২ ০৯:৫৮11663
  • হমমমম
  • ব্যাং | ০৭ জুন ২০১২ ০৯:৪৫11662
  • আমার কিবোর্ডের শিফটের বাটনটা বেগড়বাই করছে, আশা করি সবাই বুঝছে সেটা।
  • ঝিকি | ০৭ জুন ২০১২ ০৯:৪৪11661
  • সেতো অনেককাল আগে দে দিয়েছিল।
  • ব্যাং | ০৭ জুন ২০১২ ০৯:৪২11659
  • আমি অবার তৈরি হতে হতে আর কয়েকটা পোস্ট করে বেরিয়ে পড়ি।
  • ব্যাং | ০৭ জুন ২০১২ ০৯:৪২11660
  • ঝিকি ঐ ওয়ান পট বিরিয়ানির রেসিপি দাও দিকি নি?
  • ব্যাং | ০৭ জুন ২০১২ ০৯:৪১11658
  • প্পন আলাদা আলাদা তিনটি রং করা হয়েছিল কেন সেটা তো পোস্টেই লেখা হল। একটা রান্নঘরের অবর্জনা। একতা শুকনো অবর্জনা, প্লাস্তিক, বাজে কাগজ র‌্যাপার ইত্যাদি, আর অন্যতা বাথরুমের জিনিস পত্র ডায়াপার ইত্যাদি। প্রথম থেকেই চেষ্টা ছিল ড্রাই ওয়েস্ট অ্যাট সোর্স সেগ্রিগেট করে তার টাকা তা কাজে লাগানোর পাড়ায় যারা কাজ করে অনিয়মিত বেতনের ভিত্তিতে তাদের জন্য।
  • ব্যাং | ০৭ জুন ২০১২ ০৯:৩৮11657
  • বাজে বানান ভুল হচ্ছে। কিন্তু চোখে ঘুম এমন জড়িয়ে আসছে, যে আবার করে পড়ে দেখতে ইচ্ছে করছে না। যাই হোক, লেখাটা শেষ করি।
    এই নিয়মটা ফেল করায় মেয়েরা বেশ মিইয়েই ছিল। এর মধ্যে বেশ কিছু অর্গানাইজেশন যোগাযোগ করতে শুরু করে এই ওয়েস্ট কালেকশনের জন্য। সাহস নামে একটা অর্গাইনেজন্শন খুবই উৎসাহ দেখায় ওয়েট ওয়েস্টের জন্য, কিন্তু সেটা বাড়ি বাড়ি কালেকশনের জন্য, তারা টাকা চায়। আবার রেসিডেন্টরা বেঁকে বসে। টাকা দিয়ে কেন নিজেদের আবর্জনা ফেলব। আবার অন্য একটি অর্গানাইজেশন উৎসাহ দেখায় ড্রাই ওয়েস্টের জন্য। তাদের মূল লক্ষ্য ছিল দুইহাজার ফ্ল্যাটের সারা মাসের খবরের কাজ আর ম্যাগাজিনের জন্য। কিন্তু মেয়েরা যখন বলে যে ড্রাই ওয়েস্টের মধ্যে খবরের কাগজ আর ম্যাগাজিন রাখা যাবে না, ওগুলো অন্য কারণে আমরা নিজেরাই কালেক্ট করি, অরগানাইজেশনটিই উৎসহ হারায়। ইতিমধ্যে মেয়েরা অনেকেই জানতে পারে এইসব ওয়েস্ট কালেকশনের পিছনে বিশাল টাকার খেলা আছে। তারা নেত ঘঁটে, বিভিন্ন ওয়ার্কশপ অ্যাটেন্দ করে এগুলো নিয়ে খবর যোগাড় করতে থাকে।
    শেষে একটি সংস্থার সঙ্গে কথা হয়। সেগ্রিগেশন অ্যাট সোর্সের বেসিসে ড্রাই ওয়েস্ট আর ই-ওয়েস্টের জন্য দুটি করে বড় জুটের ব্যাগ দেওয়া হবে প্রতিটি ফ্ল্যাটে। সার সপ্তাহের ড্রাই ওয়েস্ট প্লাস্টিক, পুরনো বোতোল আর উনোকোটি জিনিস একটা ব্যাগে। আর সিডি, পেন ড্রাইভ ইত্যাদি আরেকটি ব্যাগে। বেসমেন্তে দুটি বড় ঘর অ্যালোকেট করা হয় এই বিশাল অ্যামাউন্টের ড্রাই ওয়েস্ট রাখার জন্য। প্রতিটি ফ্ল্যাটে বলা হয় যখনই আপনাদের এই ব্যাগ ভরে যাবে, আপনাদের নিজেদেরও নীচে এগুলো রাখতে যেতে হবে না, এই ভলান্টিয়ার গ্রুপের কোনো মেয়েকে ফোন করবেন, তারাই এসে নিয়ে যাবে। নিয়ে গিয়ে নীচের সেই ঘরে রাখা হয়, রেসিডেন্টরাও যখন দেখে যে তাদের প্রতিবেষে মহিলারাই এগুলো কালেক করতে আসছে, তখন ড্রাই ওয়েস্ট আর ওয়েট ওয়েস্ট মিশিয়ে তাদের হাতে দেওয়ার অভ্যাস বন্ধ হয়। সবাই সচেতন হতে শুরু করেছে, মনে করে ড্রাই ওয়েস্টগুলো ঐ ব্যাগে ভরছে। হপ্তায় দুই দিন ঐ সংস্থার ট্রাক এসে ওগুলো কালেক্ট করে নিয়ে জায় একটা মোটা টাকার বিনি ময়ে, সেই টাকায় পাড়ার যত হাউস্কিপিং স্টাফ আছে, বাংলায় আমারা যাদের ঝাড়ুদার বলি, তাদের আর সিকিউরিটি গার্ডদের পেনশন দেওয়ার স্কিম শুরু করা হয়েছে। আর ইওয়েস্টের টাকাতা জাচ্ছে, কাজের মেয়েদের বাচ্চাদের ক্রেশটির উন্নত ব্যব্স্থা করতে।
    বাকি রইল ওয়েট ওয়েস্টের কথা। সেটির জন্য পাড়ার ভিতরেই এক কোনে একটি প্ল্যান্ট বসছে, যেখানে ওগুলো কালেক্ট করে প্রসেস করে পাড়ার বিশাল বিশাল গাছগুলো, আমবাগান, এবং ফুলের বাগনগুলোর সার তৈরি হবে।
    কেমন ভালো না, নিয়মগুলো?
  • Toon Army | ০৭ জুন ২০১২ ০৯:৩৭11656
  • আলাদা আলাদা রঙের বিন নিউক্যাসল সিটি কাউন্সিলও করেছিলো - রিসাইক্লেবল ওয়েস্ট বাড়ির সামনে কালো বাক্সে, বাদবাকি সবুজ বিনে বাড়ির পিছনে। রঙ দেখে সেই মত জিনিস ফেলা। আইডিয়াটা ভালো।
  • প্পন | ০৭ জুন ২০১২ ০৯:৩২11654
  • ঝিকি, হুম্ম্ম্ম।

    ব্যাং, তিনটে রঙের বিনের কী দরকার ছিল? (বুঝতে চাইছি)
  • r | ০৭ জুন ২০১২ ০৯:৩২11655
  • @ঝিকি, আমি এককালে একটু জাহাজের ডিজাইন করতাম, সেই সূত্রে মাঝে মাঝে ইয়ার্ডে যেতে হত।
  • pi | ০৭ জুন ২০১২ ০৯:৩১11653
  • পড়ছি, বাড়ি ফিরে।
  • ঝিকি | ০৭ জুন ২০১২ ০৯:২৮11652
  • কাজের লোকেদের দিয়ে কাজ করালে সবরকম পরিবেশপ্রেমী আইডিয়া ডাহা ফেল করে!!!
  • ঝিকি | ০৭ জুন ২০১২ ০৯:২৭11651
  • প্পন ওয়ান পট বিরিয়ানি খাও না, সেখানেও তো একই ব্যাপার, জলটা পুরো শুকিয়ে যাবে।
  • প্পন | ০৭ জুন ২০১২ ০৯:২৩11649
  • হুম, তালে আমার চলবে না। ঃ(
  • r | ০৭ জুন ২০১২ ০৯:২৩11650
  • না, ঝিকি, ওটা একটা ক্রুইজ ভেসেল ছিল। ফিনল্যান্ডের টুরকু ইয়ার্ডে এসেছিল, মেনটেন্যান্সের জন্য।
  • ব্যাং | ০৭ জুন ২০১২ ০৯:২২11647
  • আমাদের পাড়ায় প্রথম থেকেই একটা নিয়ম ছিল প্রতি রোব্বার প্রতিটা ব্লকের একজন বা দুইজন মহিলা সকাল্বেলা থেকে লোকের ঘরে ঘরে সারা সপ্তাহের পুরনো খবরের কাগজ আর ম্যাগাজিন-বই সংগ্রহ করেন। প্রতিটা বিল্ডিংয়ে দেড়্শোরও বেশি ফ্ল্যাট থাকায় ষোলোটা বিল্ডিং থেকে একটা বিশাল অ্যামাউন্টের খবরের কাগজ কালেকশন হয়। সেইগুলো পাড়ার সামনের পুরনো জিনিসের দোকানে বিক্রি করে যে অ্যামাউন্টটা হয় সেটা প্রায়ই দশহাজার ছড়িয়ে যায়। সেই টাকাটা বেশ কিছু অনাথ আশ্রমকে প্রতি মাসে সহায্য দেওয়া হয়, সান্বিম, স্নেহ সদন ইত্যাদি অনাথ আশ্রমে প্রতি মাসে নিয়মিত দুই-তিনহাজার করে টাকা দেওয়া হয় পুরনো খবরের কাগজের থেকে। এই নিয়মটা গত দশ বছর ধরে আমাদের পাড়ায় চলছে।

    যাই হোক ফিরে আসি ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্টের কথায়। আমাদের পাড়ার বেশ কিছু মহিলার উদ্যোগে প্রতিটা ব্লকের নীচে তিনটি করে বিন রাখা হয় সবুজ, নীল এবং কালো। রান্নঘরের আবর্জনার জন্য সবুজ বিন, বাকি ড্রাই ওয়েস্টের জন্য নীল বিন আর টয়্লেটের জিনিসগুলোর জন্য কালো বিন, আর নিয়ম ইম্প্লিমেন্ট করা হয়, হাউসকিপিং স্টাফরা বাড়ি থেকে কালেক্ট করবে না, নিজেদের আবর্জনা নিজেদেরই গিয়ে বিনে ফেলে আসতে হবে। প্রথমে প্রচুর আপত্তি, বিরোধিতা পেতে শুরু করে ঐসব মেয়েরা। টাও তারা অনড় থকে এই সিদ্ধান্তে। ক্কিন্তু কিছুদিন পরে দেখা যায়, প্রায় সব বাড়ি থেকেই কাজের মেয়েরা ঐ ওয়েস্ট ব্যাগগুলো বিনে ফেলতে জাচ্ছে। এবং বেশির ভাগ সময়েই তারা আলাদা ব্যাগ আলাদা বিনে না ফেলে যেকোনো একটা সব শুদ্ধু ফেলে দিচ্ছে। ফলে এই নিয়মটা ভিচ্ছিরিভাবে ফেল করে।
  • ঝিকি | ০৭ জুন ২০১২ ০৯:২২11648
  • মাড় ফেলে দিলে তো সব স্বাদ-গন্ধ চলে যাবে, সেজন্যই তো জলের মাপ☺
  • প্পন | ০৭ জুন ২০১২ ০৯:২০11646
  • রেসিপিটা তো চমৎকার। কিন্তু এতে বোধহয় মাড়টা রয়ে গেল নাকি?
  • ঝিকি | ০৭ জুন ২০১২ ০৯:১৯11645
  • "জাহাজের সুপারস্ট্রাক্চার ডেকে "
    r ও কি অফসোর ওয়েল অ্যান্ড গ্যাস??
  • ঝিকি | ০৭ জুন ২০১২ ০৯:১৮11644
  • পাই, রেসিপি দিয়ে দিলাম। ব্যাং শর্টকাটে কোন রান্না সারতে চাও?
  • ঝিকি | ০৭ জুন ২০১২ ০৯:১৭11643
  • @ r ক্ক
  • প্পন | ০৭ জুন ২০১২ ০৯:১৬11641
  • জমির অ্যাকচুয়াল দাম ভ্যালুয়েশন করে যারা তাদের থেকে জানা যাবে।

    ফ্রিহোল্ড হলে লিগালি বেচা যাবে বোধহয়, সরকাএর দু'পহা রেভেনিউ আসবে। এমনিতে বোধহয় ৯৯৯ বছরের লিজ়।
  • r | ০৭ জুন ২০১২ ০৯:১৬11642
  • শুধু কনস্ট্রাশান সাইটে ওয়েলডিং, আর যারা ব্লাস্ট ফার্নেসে কাজ করছে, আর স্টীল মেল্টিঙ সপ, তাদের কি অব্স্থা।
    শুধু তাই নয়, উলটোটাও আছে, -৩০ সে, জাহাজের সুপারস্ট্রাক্চার ডেকে (৫০ মি উচ্চ্তা) ওয়েলডিং করা লোক্জন। সেখানে কম করেও ৫০ কিমি/ঘন্টা বেগে হাওয়া দিচ্ছিল(চিলিং ফ্যাক্টরটা চিন্তা করুন)। আমি নিজে ১৫ মিনিটের বেশি একটানা দাড়াতে পারছিলাম না।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত