এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • বস্তি উচ্ছেদ ও আন্দোলন নিয়ে

    Sam
    অন্যান্য | ৩১ মার্চ ২০১২ | ৩৯৭২৫ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • pi | ১০ এপ্রিল ২০১২ ০৬:২৯539908
  • যেদিন শান্তিভঙ্গের দায়ে কেস দেওয়া হল, পার্থদা সেদিন দুপুরে কল্যাণীতে IISER এর ফ্যাকাল্টি মিটিং এ। মিটিং শিটে সই ও আছে। কিন্তু তাতে কী ? সরকারের উকিল বলেছেন, আজকের প্রযুক্তির যুগে ফোনই সব। ফোনেই তো সবরকম ইন্ধন যোগানো যায়। অতএব কেস খাও।
    http://www.bartamanpatrika.com/content/kolkata.htm

    প্রযুক্তির যুগে 'অস্ত্রশস্ত্র' মজুতের জন্যও যে কত 'প্রমাণ' জন্মে যাবে, কে জানে। ১২ ই এপ্রিলের মধ্যে নির্ঘাত 'অস্ত্রশস্ত্র' উদ্ধারও হয়ে যাবে।
    আমরা অবশ্য কোনোকিছুকেই 'সাজানো' বলবো না।
  • kallol | ১০ এপ্রিল ২০১২ ১০:০৪539909
  • শ্রীপর্ণার ব্যাঙ্গচিত্র দারুণ ও যথাযথ।
  • rajdeep | ১০ এপ্রিল ২০১২ ১০:০৯539910
  • পাই সাজানো "অস্ত্র উদ্ধার" তো ১৩ই মে পরবর্তী মধুচন্দ্রিমাকালে অনেক হয়েছে :)

    তখন অবিশ্যি ...
  • PT | ১০ এপ্রিল ২০১২ ১০:১৫539911
  • গত দশ মাসে নোনডাঙা ঘটার কত আগেই কত ""মজুত"" অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার হচ্ছিল সারা বাংলা জুড়ে সেগুলো বোধহয় সবই ঠিকঠাক ছিল - কেননা তখন কেউ কোন প্রশ্ন করেনি এই অস্ত্র উদ্ধারের পদ্ধতি নিয়ে। এখন সেই স্ট্র্যাটেজিই ব্যবহৃত হচ্ছে। ঘরে আগুন লাগলে কি আর মন্দির বাঁচে?
  • ranjan roy | ১০ এপ্রিল ২০১২ ১০:৪৭539912
  • রাজদীপ,
    সেই সময় সদ্যসমাপ্ত নেতাই কান্ডের থেকে স্পষ্ট ছিল যে অস্ত্র তো মজুত আছে। নেতাই গ্রামে লোকে তো কোন
    জাদুটোনায় মরেনি!
    কিন্তু নোনাডাঙ্গায় উচ্ছেদ হওয়া লোকজন বা তাদের কথিত উস্কানীদাতারা অস্ত্র ব্যবহার বা প্রদর্শিত করছেন এমনটি মনে হয়েছে কি!
    পিটি,
    হক্‌ কথা! এই যেমন লক্ষণ শেঠ ও কিষেণজী।
    প্রথমে পাঁশকুড়া এপিসোডের সময় শেঠজী কিষেণজীকে গোলাবারুদ সাপ্লাই দিয়ে তিনোমূলীদের প্যাঁদানোর বন্দোবস্ত করলেন। সফল হওয়ার পর স্মার্ট হয়ে কিষেণজীদের" "ন্যায্য" সুবিধাটুকু দিতে ভুলে গেলেন।
    আর এক স্মার্ট কিষেণজী। পাল্টি খেয়ে ঘাসফুল খেয়ে জঙ্গলমহল থেকে সিপিএম প্যাঁদাতে লাগলেন।
    ফল? শেঠজী জেলে, কিষেণজী মায়ের ভোগে।
    হায়!ওরা যদি আপনার সুভাষিতাবলী শুনতো এবং মানতো, আজ তেলে-জলে-শাঁসে বেড়ে উঠতো।
  • kallol | ১০ এপ্রিল ২০১২ ১০:৫১539913
  • নেতাই ও জঙ্গল মহল জুড়ে অস্ত্র উদ্ধার হবে, সকলেই জানে যে অস্ত্র সিপিএম আর তৃণমূল সিবিরে আছেই।
    এখানে কতগুলো উচ্ছেদ হয়ে যাওয়া মানুষ আবার উচ্ছেদ হচ্ছেন। সেখানে কয়েকজন নকশাল ও তাদের আন্দোলনে সামিল। শুধু সেই জন্যই ওখানে অস্ত্র পাওয়া যাবে এটা বেশ কষ্ট কল্পনা।
    এটা বলে আত্মপ্রসাদ লাভ করা যেতে পারে, ""এ তো আগেও হয়েছে""। কিন্তু দুটোর প্রেক্ষিত যথেষ্ঠই আলাদা।
  • PT | ১০ এপ্রিল ২০১২ ১১:১১539914
  • ভয় এটাই ছিল যে নৈরাজ্যবাদীদের দৌলতে সরকার বদলাবে কিন্তু পরিবর্তন আসবে না। সেটাই হয়েছে। সেই সময় ""সিপিএম যাক পরে দেখা যাবে কি হয়"" -এর বদলে rule of law আসুক এই শ্লোগানটা তোলা বেশী জরুরী ছিল।

    লক্ষণ শেঠ তার অপরাধ প্রমাণের পরে জেলে যাক তাতে কোন অসুবিধে নেই। কিন্তু নতুন সরকারের আমলে অস্ত্র উদ্ধারের কম্মটি যে মোটেই নিয়ম মেনে করা হয়নি সেটা পরিষ্কার।

    নোনাডাঙ্গার জন্য এখন যারা জেলে যাচ্ছে তারা ঐ নাটকীয় পদ্ধতিতে অস্ত্র উদ্ধার প্রসঙ্গে বা ধরা যাক মমতার বিধান সভা ভাঙ্গচুড়ের পরে কি বক্তব্য রেখেছিল জানতে ইচ্ছে করছে।

    গ্যাস ছাড়া যাহাই উপরে ওঠে তাহা একসময় নামিয়াও আসে - এখন তাই হচ্ছে। কাল ""নাগরিক মঞ্চ""-এর এক প্রতিনিধি আকাশ বাংলার এক অনুষ্ঠানে জানালেন যে মমতা যে এত তাড়াতাড়ি ""অগণতান্ত্রিক"" রাস্তায় হাঁট বেন তা নাকি তাঁরা কল্পনাও করতে পারেননি!! -- তোবা! তোবা!!
  • pinaki | ১০ এপ্রিল ২০১২ ১১:২৩539086
  • ক্ষমতা থেকে হঠার আগের দিন পর্যন্তও সিপিএম নিজেদের কোনো ভুল শোধরানোর উদ্যোগ দেখিয়েছিল? শোধরানোতো দূরস্থান, ভুল যে কিছু হচ্ছে তার স্বীকৃতিটাও দেয় নি। ক্ষমতা থেকে না নামালে রুল অফ ল প্রতিষ্ঠার কোনো ইঙ্গিত সিপিএম জমানায় ছিল না। ক্ষমতা থেকে হঠতে হল বলেই না সিপিএম নেতারা মানলেন যে কিছু ভুল হয়েছিল। ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় মানছিলেন? এই সরকারও ভাবছে যতদিন গ্রামবাংলা হাতে আছে ততদিন যাই করি ক্ষমতায় থেকে যাব। ঠিক যেভাবে সিপিএম ভাবত। নৈরাজ্যবাদীরা সিপিএমকে ক্ষমতা থেকে নামায়নি। নামিয়েছে সাধারণ মানুষ। এই সরকারকেও নামাবে।
  • kallol | ১০ এপ্রিল ২০১২ ১১:২৯539087
  • ঐ যে, আত্মপ্রসাদ লাভ করা যেতেই পারে, তোবা তোবা বলে, কিন্তু প্রতিবাদ হচ্ছে ও হবে। সিপিএম চুপ করে থাকছে ও থাকবে। ব্রিগেড ও যাদবপুরের মিছিলের পর মনে হয়েছিলো আমার ভাবনা ভুল হয়ে যাবে। সিপিএম এবার লড়াইয়ের ময়দানে নামবে। কিন্তু না: আমি বড় অল্পেই খুশী হয়েছিলাম।
    যারা বলেছিলেন সিপিএম যাক, পরে বুঝে নেওয়া যাবে, তারা কথা রাখছেন। বুঝে নিচ্ছেন। পরিবর্তন এটাও তো। আগেও উচ্ছেদ হতো, পুলিশ / ক্যাডার দিয়ে হিংসাত্মক ভাবে, এখনও হচ্ছে। আগেও মিছিল হতো তার বিরুদ্ধে। কোন গ্রেফতার বা বাধা নেই। মিছিল মিছিলের মতো হয়ে যেতো, উচ্ছেদ উচ্ছেদের মতো হয়ে যেতো। এখন ক্ষমতার দাঁত নখ দৃশ্যমান, তখন সুচতুর থাবায় লুকানো থাকতো।
    লড়াই জারী থাকবে।
  • kallol | ১০ এপ্রিল ২০১২ ১১:৩৫539088
  • সিপিএম-এর পুরো দলিল হাতে পেতে পেতে হয়তো মে জুন হয়ে যাবে। কিন্তু এখনই শুনছি - ঔদ্ধত্যের কথা উঠেছে প:ব:এর পার্টির পরিপ্রেক্ষিতে। তাহলে মানলো ঔদ্ধত্য ছিলো? চিরকালের মতো ঘটনা ঘটে যাবার পর, চৈতন্য হয় এদের। ভারত ছাড়োর বিরোধীতা, সুভাস বোসের মূল্যায়ন, ইত্যাদি প্রভৃতি।
  • dd | ১০ এপ্রিল ২০১২ ১৩:০৫539089
  • আমি সিপিএমের সি ই ও হলে কিন্তু বর্তমান লাইনি চালাতাম।
    চুপচাপ ঘাপটি মেরে বসে থাক্তাম। গা ঘামানোর দরকার নেই। মাঝে মধ্যে একটা দুটো মিছিল, বছরে একবার ব্রীগেডে জনস্রোত। অল্প কিছু মোমবাতি। ব্যাস। বছর খানেক যেতে দে। শুধু রিমাইন্ডার দিয়ে যাওয়া। আমরা আছি,কমরেড্‌স। ভুলো মৎ। এমারজেন্সীর সময়ে যেমন ছিলো।
    মমতার ইম্পোলশন হবে। নিজের থেকেই টুটিফাটা হবে। একেবারে শেষের দিকে খুব হম্বি তম্বি করে ঝাঁপিয়ে পরলেই হোলো। বেশী দিন ও লাগবে না। এখন শুধু চুপচাপ গা মোড়ামুড়ি দিয়ে হাই তোলা।

    আর "এ বার কিন্তু রেগে যাবো" বলে আস্তিন গুটাবার একটা মিনিম্যাল প্রচেষ্টা। ব্যাস।
  • lcm | ১০ এপ্রিল ২০১২ ১৩:১৮539090
  • ডিডি ঠিক বলেছেন। ভোটের আগে ঝাঁপিয়ে পড়তে হয়।
    সিপিএম তো ৩৪ বছরে ভুল কিছু করে নি। ভারতবর্ষে ভোটের খেলায় জিতে ক্ষমতায় থাকতে গেলে যা যা করা দরকার তাই করেছে। ভালই খেলেছে। সময় বুঝে সূক্ষ্ম ডজ মেরেছে, ড্রিব্‌ল করেছে, দরকার পড়লে গদাম-সে গোলে শট মেরেছে, চোরাগোপ্তা ফাউলও কম করেনি, দরকার হলে রেফারিকে হাতে রেখেছে - এবং, ওভারঅল ৩৪ বছর ধরে একের পর এক ভোটের গোল মেরে জিতে তো গেছে! আর চাট্টে পার্টি যা করে তাই করেছে। কোনো ভুল করে নি।
  • PT | ১০ এপ্রিল ২০১২ ১৩:২২539091
  • শুধু সিপিএম কেন, যারা চারুবাবুর সঙ্গে পথ হেটেছিল তাদের কত সময় লেগেছিল ভুল স্বীকার করতে? তাদের অনেকেই বামপন্থা ত্যাগ করলেও সিপিএমের প্রতি অবস্থানে সেই গুরুর আদেশ মেনেই চলছে বলে মনে হয়। ""সিপিএম যাক"" নিয়ে আমার কোন সমস্যা নেই - সমস্যা তার পরের অংশটা ""তার পরে দেখা যাবে""-টাকে নিয়ে।

    কিন্তু আমার প্রশ্নটা অপ্রয়োজনীয় নয়। কেননা একজন অন্তত: নিজের (অনেকের হয়ে?) ভুল স্বীকার করেছেন: ""ভুল ভেবেছিলাম। নির্বোধ ভ্রান্তি!!"" http://www.anandabazar.com/10edit3.html
  • ranjan roy | ১০ এপ্রিল ২০১২ ১৩:৫০539092
  • পিটি ভালই জানেন যে চারুবাবু মারা যাবার আগেই ওনার ভুল নিয়ে কথা ওঠে। মাত্র দু'বছর(১৯৬৯-৭১)। এমনকি মতবিরোধ হয়, দলিল হয়, অনেকগুলো ভাগ হয়, ইত্যাদি ইত্যাদি।
    কিন্তু আপনার প্রবলেম হল সিপিএম এর প্রতি মনোভাবে পরিবর্তন হল কি না, সেটাইআপনার ঠিক-ভুলের ব্যারোমিটার। তাতেও তফাৎ আছে, কেউ কেউ সিপিএমকে সোশ্যাল ডেমোক্রাট ও বলেন, তাতে যদি আপনার ভালো লাগে।
    আর পিনাকী যেমন বলেছেন-- নৈরাজ্যবাদীরা সিপিএমকে টেনে নামায় নি। ওদের ক্ষমতাকে আপনি বড় বেশি করে আঁকছেন। কেন? ওদের গাল দেয়া সোজা বলে? মানে আম পাব্লিকের চেয়ে?
    তা দেখুন না, সিপিএম প্রধান শত্রুকে কিভাবে চিহ্নিত করে!
    কংগ্রেস না বিজেপি? না কি দুটৈ? এগুলো কতবার বদলাবে?
    আর শ্রেণীবিশ্লেষণের কথা বল্লে- কোন শ্রেণী প্রধান শত্রু হবে তাই নিয়ে বলা হোক। তা না কোন পার্টি প্রধান শত্রু!!!!
    মানে সিপিএম এর পুরো রাজনীতিটাই ইলেকশনে সীট পেয়ে সরকার বানানো নামক কেন্দ্রীয় লক্ষ্যে আটকে গেছে। কোন রাজ্যে পার্টি সক্রিয় কি নিষ্ক্রিয়, সফল না কি বিফল --তার মাপদন্ড কি? না কটা সীট বেড়েছে বা কমেছে? রামো:
    নব্বই বছরে ভারতে মার্কসবাদ চর্চা কোথায় পৌঁছেচে! নকু-মাও তো ভোগে গেছে, একটু খানি আশা ছিল সিপিএমের ওপরে। আমার প্রথম প্রেম।
    কিন্তু কোথায় কি?
    সাংগঠনিক রিপোর্ট বলছে-- দলের মধ্যে প্রোমোটারি, বাড়িঘর তৈরি, পার্টির মধ্যে অনেক মেয়ে যৌনশোষণের স্বীকার? একি কথা শুনি আজ মন্থরার মুখে!
    বৃন্দাদিদি, অন্তত: পার্টির ভেতরে এসব নিয়ে কড়া দাওয়াই দিন। খালি জেনারেল সেক্রেটারির বৌ হয়েই থাকবেন?
  • rajdeep | ১০ এপ্রিল ২০১২ ১৩:৫৫539093
  • রঞ্জনদা
    আমি নেতাই রেফার করছি না,ওখানে যারা ঐ হত্যাকান্ডে জড়িত ছিল প্রমাণসহ গ্রেপ্তার হয়েছে।

    আমি বলছিলাম ১৩ই মের পরে অনেক তথাকথিত শান্তিপুর্ণ এলাকার পার্টি অফিস, বসতবাড়ী এমনকি বর্দ্ধমানের এক শতাব্দীপ্রাচীন লাইব্রেরী পুলিশ-টিএমসি ঘিরে ফেলেছিল যে অস্তর শস্তর লুকোনো আছে, সেখানেও কিছুই পাওয়া যায় নি। সেই সময়ের কাগজের আর্কাইভ দেখুন, রোজই এই সংক্রান্ত খবর পাবেন আর বেলেঘাটা অফিসও কদিন আগে ভাঙা হয়েছিল অস্ত্র আছে বলে !

    আর শুধু সিপিএম নয় জলপাইগুড়ি কোচবিহারে বহু ফব অফিসও এই কারণে ভাঙচুর হয়েছিল।
  • Siddhartha | ১০ এপ্রিল ২০১২ ১৪:০৩539094
  • এখানে কেউ গরু রচনা মুখস্থ করে এক্সাম পেপারে নদী রচনা পেয়েছেন। তাই এখন প্রানপন চেষ্টা কিভাবে গরুটাকে ঠেলে নদীতে ফেলা যায়।

    মাইরি সব টপিকে সিপিএম ভাল টিএমসি বদের বাসা এটা না করলে চলছে না?

    উন্নয়নের প্যাটার্ণে সিপিএম কংগ্রেস টিএমসি সব এক। নক্সালরা ক্ষমতায় আসেনি, আসলে তারাও ঐ এক জিনিস-ই করবে। কারন এই আর্বান উন্নয়নের প্যাটার্নের কোনো বিকল্প কেউ দিতে পারছে না। তাই সিপিএম সরকারে থেকে খালপাড় উচ্ছেদ করে, টিএমসি নোনাডাংগা।

    সিপিএম-এর দায়টা বেশি ছিল কারণ ৩৪ বছর সময় পেয়েছিল বিকল্প পরীক্ষা নীরিক্ষা চালানোর। চালায়নি।

    টিএমসির কাছ থেকে সেটুকুও কেউ এক্সপেক্ট করে না।

    বাই দা ওয়ে, নোনাডাংগা নিয়ে সিপিএম-এর এই চুপ থাকাটা আমি বি্‌য়্‌ক্‌তগতভাবে ঠিক বলেই মনে করি। যেখানে গরীব মানুষ গরীব মানুষের লড়াই, সেখানে পার্টির পতাকা ঢোকানো উচিত না।
  • Siddhartha | ১০ এপ্রিল ২০১২ ১৪:১০539095
  • আর সিপিএম যাক সেটা শুধু অতি-বামেরা চাইবে কেন? সাধারণ মানুষ-ও চেয়েছিল তো !

    পিটি দা মাও-য়ের সেই ডিম ফুটে বাচ্চা হবার থিওরী জানেন তো! একটা পাথরে বছরের পর বছর তা দিলেও বাচ্চা হবে না। তার জন্য একটা ডিম চাই।

    ব্জেক্টিভ কন্ডিশন না থাকলে বছরের পর বছর অতি-বামদের লাফালাফিতেও সিপিএম পড়ত না। এমনকি বিদেশি শক্তির টাকা খাটলেও না। পড়েছে, কারণ সেই অব্জেক্টিভ কন্ডিশন লেফ্‌ট-ফ্রন্ট সরকার বাঁশ কেন ঝাড়ে করে নিজে ডেকে নিয়ে এসেছে।
  • kallol | ১০ এপ্রিল ২০১২ ১৪:১৪539097
  • পিটি।
    রঞ্জন যেমন লিখেছে। ৬৭ থেকে ৭০, তিন বছরেই নিজেদের ভুল নিয়ে কথা উঠেছে
    নকশালদের ভিতরে (খেয়াল করবেন
    সিপিআইএমএল শুধু নয়)। খতমের লাইন, গণ আন্দোলন গণ সংগঠন না করা, অ্যাকশনের রাজনীতি, মুর্তিভাঙ্গা সব নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে। পার্টি ভাগ হয়েছে। আর তিন বছরের মধ্যেই যারা ঐ বিরোধীতাগুলো করেছেন তাদের একটা বড় অংশ, এপিডিআর ও অন্য নানা গণসংগঠন তৈরী করে ভুলের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে রাস্তায় নেমেছেন।
    আর সিপিএম হেরে যাবার পর ভুল স্বীকার করছে প্রায় ৩২ বছর আগেকার ভুল। তাও ভুল স্বীকার দয়ে ও দায়ে পড়ে। এর পরও যদি সিপিএম ক্ষমতায় আসে, ঐ একই রূপ দেখবো। এ নিয়ে কোন সন্দেহ নেই।
    আর সিপিএমের প্রতি মনোভাব পরিবর্তন? আজ নয় ১৯৭২-৭৩এর কথা বলছি। এপিডিআরের প্রথম প্রকাশ্য সভায় বক্তা ছিলেন জ্যোতি বসু। আমরা বারবার ডেকেছি - আর আসে নি সিপিএম। নকশালদের একটা বড় অংশ তাদের সিপিএম সম্পর্কিত মনোভাব পরিবর্তন করেছে সেই ৭২-৭৩এই। কিন্তু সিপিএম নকশালদের সম্পর্কে মনোভাব আজও পরিবর্তন করে নি - এটা বলতে পারি।
    ৭৬-৭৭এ গণতান্ত্রিক ছাত্ররা মনে আছে ? ছাত্র পরিষদের বিরুদ্ধে সিপিএম-নকশাল আর স্বৈরতন্ত্র বিরোধী ছাত্ররা এক জোট হলো। নির্বাচনও জিতলো। যেই ৭৭এ বামফ্রন্ট এলো, এসএফআই বেরিয়ে গেলো জোট থেকে। এই তো ঐক্যবদ্ধ বাম আন্দোলনের ঘটা। ঐক্য তাদের সাথেই যারা টুঁ শব্দটি করবে না।
    আমরা কালীঘাট-রাসবিহারী-কেওড়াতলা অঞ্চলে বারবার যৌথ কাজের জন্য চিঠি দিয়েছি এলাকার ডিওয়াইফকে। আমাদের প্রস্তাব আলোচনায় উঠেছে, সেও মূলত: বিকাশদার জন্য (পরে মেয়র), কিন্তু ভোটে হেরে গেছে।
    এই তো মনোভাব উপর থেকে নীচুতলাতেও।
    যাগ্গে।
    এই মাত্র খবর পেলাম নোনাডাঙ্গায় নতুন তোলা ঝুপড়িগুলোকে আবার পুলিশ ভেঙ্গে দিয়েছে। এবার কাঁটা তার দিয়ে ঘিরে দিয়েছে ঐ এলাকা।
  • kallol | ১০ এপ্রিল ২০১২ ১৪:১৭539098
  • গণতান্ত্রিক ছাত্ররা - যাদবপুর ইউনির প্রেক্ষিতে বলা।
  • PT | ১০ এপ্রিল ২০১২ ১৫:০২539099
  • এসব তো বহুবার চর্বিত হয়েছে। রাজনীতি তো আর অনূ-পরমানুর নিয়ে কাজ করা নয় যে তার ধর্মাধর্ম সম্পর্কে শেষ কথা বলা যাবে। পার্টি প্রথম ভাগ হওয়ার সময়-ও সিপিএম ভুল ছিল সিপিআইএর কাছে। সেত বহু বছর আগের ঘটনা। তার পরে আবার ভাগের সময় নকশালরা বলল যে সিপিআইএম ভুল। সেও তো বহুদিন হল। এখনো সিপিআই-সব রকমের নকশাল -এসিউসির বিচারে সিপিএম ভুল। সিপিএমের বিচারেও এরা সবাই ভুল। তিরিশ বছর আগেও ভুল ছিল এখনো ভুল- নাহলে তো সব মিলে একটা দল হত। নোনাডাঙ্গায় সঙ্গে গেলেও ভুল (সিদ্ধার্থ) না গেলেও ভুল (কল্লোল)!!

    শুধু যারা মমতাকে তোল্লাই দিয়েছিল, আর তাকে বামপন্থী বলে তার হয়ে প্রচারে ছিল তারাই শুধু ভুল স্বীকার করবে না। নোনাডাঙ্গার মানুষগুলোর তো যা সর্বনাশ হওয়ার সেতো হচ্ছেই। শুধু মমতাকে তোল্লাই দেওয়া বিপল্বীরা যারা নোনাডাঙ্গাকে আশ্রয় করে হারানো জমি ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করছে তারা কতদিন টিকে থাকে দেখা যাক - কেননা তারা আর এখন আবাপ-বর্তমানের স্নেহধন্য নয়।
  • quark | ১০ এপ্রিল ২০১২ ১৫:২৫539100
  • ইয়ে, বর্তমান জানি না, আবাপ কিন্তু ফিরছে!
  • kallol | ১০ এপ্রিল ২০১২ ১৫:৪২539101
  • মমতাকে কে বা কারা বামপন্থী বলেছিলো, জানা নেই। অবশ্যই সিপিএমের বিকল্প হিসাবে দেখা হয়েছিলো। সেটা শুধু অ-সিপিএম বামেরাই দেখে নি, প:ব:র মানুষও দেখেছিলো। তোল্লাই কেউ দেয় নি। বলা হয়েছিলো সিপিএম যায়। তারপর যেই আসুক (ঘটনাচক্রে মমতা), দেখা যাবে।
    তারা কেন ক্ষমা চাইবে সেটাও বোধগম্য নয়। সিপিএমের অপশাসন হঠানো লক্ষ্য ছিলো। এমন কথা কেউ বলেনি যে মমতা এলে সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। বরং এটাই বলা হয়েছিলো, মমতাও যদি একই পথে হাঁটে তো লড়াই জারী থাকবে, আছেও।
    রাজনীতি একই সাথে মাইক্রো ও ম্যাক্রো নিয়ে কাজ। তাঁবেদারদের নিয়ে জোট হবে এটা উপরের সিদ্ধান্ত। ১৯৭৭এ যাদবপুরের এসএফআই পার্টির সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে গণতান্ত্রিক ছাত্ররার জোট ছেড়ে আসে নি।
    এখনো চুপ করে থাকবে সিপিএম। আসলে নোনাডাঙ্গার মানুষদের সামনে যেতে লজ্জাই পাবে সিপিএম। মানুষ এতো সহজে সব ভোলে না।
    আজ বাম পৌর বোর্ডের হাত থেকে আর্থিক ক্ষমতা কেড়ে নেবার বিরুদ্ধে রাস্তায় নামবে না সিপিএম, কারন তারাও তো বহরমপুরে একই কান্ডো ঘটিয়েছিলো।
    ধর্মঘটে যোগ দেওয়ার জন্য রাজ্য সরকারী কর্মীদের শাস্তি দেওয়া হচ্ছে - কোঅর্ডিনেশন কমিটি ফুস হয়ে বসে আছে। এইতো মানুষের পাশে দাঁড়ানোর গল্প। শুধু ভোটে জেতা ও লুটে খাওয়া ছাড়া আর কিছু ভাবতে পরছে না সিপিএম।
    ঐ মাতাঙ্গিনী সমিতির মেয়েরা এই ঝড়-জলেও ঐ ঝুপড়িবাসীদের পাশেই আছে। গ্রেপ্তার হচ্ছে। ওরা যদি মাওবাদীও হয়, তো কি? মানুষের পাশে তাদের বিপদের দিনে তো আছে। এবং ভোটের জন্য নয়।
  • cb | ১০ এপ্রিল ২০১২ ১৫:৪৯539102
  • আর ম্যাক্স দিন দশ বারো, আবাপ আবার দিদির আঁচলের আড়ালে ঢুকে পড়বে, কিছু একটা ডিল হয়েছে সেটা আজকে দিদির ইন্টারভিউ থেকেই বোঝা যাচ্ছে। প্রোবাবলি জমির সিলিং টা তোলা নিয়ে, বা ব্যবসা র অন্য এঙ্গেল থেকে। মাঝখান থেকে বর্তমান এর চমৎকার পায়ুপ্রহার হল।
  • pinaki | ১০ এপ্রিল ২০১২ ১৫:৫৮539103
  • পিটিদা, ইনফর্মেশনে ঘাটতি হচ্ছে। এই উচ্ছেদের আন্দোলনে মূলত: তিনটে রাজনৈতিক শক্তি রয়েছে - ১) এম কে পি, ২) সি পি আই এম এল লিবারেশন, ৩) মাওবাদীদের সিমপ্যাথাইজার। এছাড়া রয়েছে কিছু ইন্ডিভিজুয়াল। এর মধ্যে প্রথম দুটো রাজনৈতিক দলই বিগত নির্বাচনে মমতাকে ভোট না দিতে আহ্বান করেছিল। কাজেই আপনার অভিযোগটা অন্দোলনে অংশগ্রহণকারী ম্যাক্সিমাম ৩০% এর জন্য ভ্যালিড।

    আর সিদ্ধার্থর যুক্তিটা বুঝলাম না। উচ্ছেদের আন্দোলনে গরীব ভার্সেস গরীব লড়াই কোথায়? গরীব ভার্সেস রাষ্ট্র তো।
  • a | ১০ এপ্রিল ২০১২ ১৬:৫১539104
  • অ, তার মানে কল্লোলদা বলতে চাইলেন, গত ৩৪ বছরে সিপিয়েম কোনদিনও মানুষের বিপদের দিনে পাশে দারায়নি!! আশ্চর্য!!
  • pi | ১০ এপ্রিল ২০১২ ১৭:০৪539105
  • সুমনের স্ট্যাটাস। শেয়ার করলাম।

    KabirSuman:
    নোনাডাঙার উচ্ছেদ ও উচ্ছেদবিরোধীদের ঘিরে যা যা ঘটল, পশ্চিমবঙ্গ সরকার যা যা করলেন সেগুলিকে আমি ধিক্কার জানাচ্ছি। মস্ত রাজনৈতিক ভুল করে বসলেন সরকার। সেই সঙ্গে অন্যায়ও। গত কয়েকদিন আমি আমার এক অসুস্থ স্বজনকে নিয়ে খুব ব্যস্ত তাই সব খবর রাখতে পারিনি, পারছি না। কিন্তু শুনলাম মিছিল করার অনুমতি দেননি পুলিশ (অর্থাৎ সরকার), এক ধার থেকে গ্রেপ্তার করেছেন। শুনলাম এম-কে-পির অমিতাভ গ্রেপ্তার হন। মনে আছে, এই অমিতাভ মমতাদেবীর অনশনমঞ্চে ভাষণ দিয়েছিলেন। কী দুর্দান্ত সেই ভাষণ। সিঙ্গুরে কী-মারই না খেয়েছিলেন অমিতাভ পুলিশের। টেলিভিশনের পর্দায় তাঁর সেই মার খাওয়ার ছবি, সেই রক্তপাত অনেক নাগরিককেই বামফ্রন্ট সরকার সম্পর্কে ভাবিয়ে তুলেছিল। সিঙ্গুরে বামফ্রন্ট সরকারের অভিসন্ধি সম্পর্কে সজাগ করে তুলেছিল। এম-কে-পির আভাস মুন্সি মমতার সঙ্গে অনশন করেছিলেন। অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাঁকে হাসপাতালে যেতে হয়েছিল। মমতাদেবী সব ভুলে গিয়েছেন। আমরা অনেকে কিন্তু ভুলিনি। ছি:, মমতা। যাঁরা আপনার পাশে লড়াই করেছিলেন আজ আপনি তাঁদের সঙ্গে এই আচরণ করছেন?

    KabirSuman: কিছুকাল আগে আমি শ্বাসকষ্টের কারণে হাসপাতালে ভর্তি ছিলাম। এখনও আমি ওষুধের ওপরে আছি। আমার হৃদ্‌যন্ত্রের একটা সমস্যা আছে, যে কারণে আমি আগের মতো দৌড়ঝাঁপ করতে পারব না, শারীরিক মানসিক চাপ নিতে পারব না। ২০০৬ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত যে চাপ নিতে পেরেছিলাম, আজ আর তা পারব না। আমি হৃদ্‌যন্ত্রের মায়োপ্যাথির রুগী। সেরকম চাপ নিলে আমি খুব বিপদে পড়ে যাব। আমার পক্ষে আর কথায় কথায় মিছিলে যাওয়া, সভায় গিয়ে বক্তৃতা দেওয়া, গান গাওয়া সম্ভব নয়। জনে জনে এই কথা বলে বেড়ানোর ইচ্ছেও আমার নেই। আমি মূলত সঙ্গীতকার, লেখক, এক ধরণের সাংবাদিকও। সবার আগে দায় আমার সঙ্গীতের প্রতি। বামফ্রন্ট আমলেই আমার পেশাজীবনে রাজনৈতিক হস্তক্ষেও হয়েছিল। বিভিন্নভাবে অপমান করা হয়েছিল আমায়। আমার বয়স হয়ে গিয়েছে আজ। স্বাভাবিকভাবেই আগের শারীরিক ক্ষমতা আমার আর নেই। সঙ্গীতের জগতে আমার আর বিশেষ জায়গাও নেই। যেমন, চলচ্চিত্রে যদি আমায় সঙ্গীত প্রয়োগ করতে হয় তো নিজেকেই ছবি করতে হবে। সেটা কতদূর পেরে উঠব জানি না। প্রতিষ্ঠানগুলির ওপর আমার ঘেন্না ধরে গিয়েছে। কিন্তু বাড়িতে আমি আজও রেয়াজ করি। আমি সেখানকার লোক। সেখানেই থাকতে চাই। সুরেই আমার মুক্তি। সেই "সুর" একান্তই আমার জগ্‌ৎ। কাজেই আগের মতো সভাসমিতি মিটিং মিছিল করে উঠতে পারব না। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ সরকার যে আচরণ দেখাচ্ছেন তাতে রাস্তায় নামতেই ইচ্ছে করছে। তা পারব না সব সময়ে। চিকিৎসকদের বারণও আছে। কিন্তু আমার মন থাকবে প্রতিবাদকারীদের সঙ্গে। বর্তমান সরকারের প্রধান নেতা এবং তাঁর বশংবদ পত্রিকা আমায় নানানভাবে অপমান করেছেন, অপমান করেছেন ও করবেন নেতার স্তাবকবৃন্দও। যদি ক্ষমতায় কুলোয়, আমার সৃজনশীলতার মোকাবেলা করুন, আমার সৃষ্টির সামনে একবার দাঁড়াতে চেষ্টা করুন। পারবেন না। সেই সাংস্কৃতিক বোধ ও সৃজনশীলতা আপনার/আপনাদের নেই। আপনাদের মানসিকতা, মানুষের কিছু মৌলিক অধিকারের ব্যাপারে যে মানসিকতা আপনারা দেখাচ্ছেন সে-জন্য আমি আপনাদের ধিক্কার জানাচ্ছি। ভোটের প্রচার করতে গিয়ে সি পি আই এমের উদ্দেশে বলতাম: 'একবার পরাজিত হতে শিখুন। ভোটের সময়ে সন্ত্রাস করবেন না। তার চেয়ে এইবারে পরাজয় বরণ করুন। আবার সংগঠন করুন। পরের বার সফল হবেন।' - পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নেতাদের সবিনয়ে বলছি অলিভার ক্রমওয়েলের একটি ইতিহাসপ্রসিদ্ধ উক্তি স্মরণ করুন: "Ibeseechyou...thinkitpossiblethatyoumaybemistaken." আপনাদের আর পরাজয় বরণ করার পাঠ নিতে হবে না। আপনারা ইতিমধ্যেই পরাজিত। - মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী, আপনি তো মহাত্মা গান্ধীর ডাণ্ডি অভিযানের কথা জানেন। সেই অভিযানে অহিংস সত্যাগ্রহীদের ওপর ব্রিটিশ পুলিশের লাঠিচার্জ দেখে নিউ ইয়র্ক টাইমসের সংবাদদাতা তাঁর পত্রিকাকে তারযোগে জানিয়েছিলেন: "Westerncivilizationdiedtoday." - নোনাডাঙায় সাধারণ মানুষদের ওপর, মহিলাদের ওপর, হে মাননীয়া পুলিশমন্ত্রী, আপনার পুলিশ যেভাবে আক্রমণ করলেন, যেভাবে আপনি এক অহিংস প্রতিবাদমিছিল হতে দিলেন না, উলটে প্রতিবাদীদের গ্রেপ্তার করলেন তাতে বুঝতে পারছি - আপনারই তৈরি করা 'মা-মাটি-মানুষ' ভূলুন্ঠিত। The 'civilization' thatyoumightberepresentingDIEDTODAY. - আমি জানি, এ-দেশের বেশিরভাগ নেতার কানে পৌঁছোয় কেবল স্তাবকদের স্তুতি। তাও বলছি, ভেবে দেখবেন। আপনার অনশন মঞ্চ থেকে দীর্ঘকাল যে যে অবস্থায় আমি আপনার পাশে ছিলাম তার সূত্রে এরকম পরিনতি হওয়ার কথা ছিল না কিন্তু, মাননীয়া। প্রকৃত গণতান্ত্রিক বোধ আপনাদের সহায় হোন।
  • achintyarup | ১০ এপ্রিল ২০১২ ১৭:৩০539106
  • নোনাডঙায় মাপজোকের কাজ শুরু হয়েছে। কাল থেকে দেওয়াল তোলা
  • kallol | ১০ এপ্রিল ২০১২ ১৭:৩৭539109
  • এ।

    ৭৮এর বন্যায় সিপিএম পার্টি হিসাবে মানুষের পাশে ছিলো। সরকারও ছিলো। সেবার ওরকম একটা বন্যার পরেও শহরগুলোতে অসহায় মানুষ এসে ভিড় করে নি। এটাই প্রমান যে সরকার ও পার্টি কত ভালো কাজ করেছিলো।
    অপারেশন বর্গা। ভালো কাজ সন্দেহ নেই। কিন্তু সেই ভালো কাজ কে কিভাবে দলীয় কাজে লাগিয়েছে তার বহু বহু দলিল আজ পাওয়া যায়। নতুন একটা বাংলা শব্দ তৈরী হলো পাট্টাদাস।
    পঞ্চায়েত। একই ব্যাপার। একটা অসীম সম্ভাবনাপূর্ণ কাজকে স্রেফ দলীয় স্বার্থে ব্যবহার করে নষ্ট করে দিয়েছে সিপিএম।
    এর পর তো ১৯৭৯ থেকে মরিচঝাঁপি দিয়ে মানুষ বিরোধী কাজের শুরু।
    আর ৭২ থেকে ৭৭? সিপিএম রাস্তায় নামলো সম্ভবত : ৭২-এর ভূখ মিছিল। ব্যাস। তারপর টুঁ শব্দটি নেই। রেল ধর্মঘটে নেতৃত্ব দিলো জর্জ ফার্ণান্ডেজ। সে বিশ্বাসঘাতকতা করে ধর্মঘট ভাঙ্গলো, সিপিএম লড়াই তুলে নিলো না। চুপ করে থাকলো। অথচ আর সাতদিন ধর্মঘট চললে রেশন ব্যবস্থা, ডাক ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়তো। ইন্দিরার তখন কোন কিছু সামলানোর ক্ষমতা থাকতো না।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। হাত মক্সো করতে মতামত দিন