এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • a x | ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ০৬:০৭583764
  • এখানে কিছু খবর আছে - http://shahbagaction.com/live/
  • শাহবাগ লাইভ | ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ০৬:৪২583765
  • http://vimeo.com/60279807#

    আন্দোলনের সতেরতম দিনে ২৪ ঘণ্টা জুড়ে প্রতি ৩০ সেকেণ্ড অন্তর ছবি তুলে বানানো টাইম ল্যাপ্স ভিডিও।
  • h | ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ১৮:৩৯583766
  • সরকার(সম্ভবত দীপু মনি) যে স্টেটমেন্ট দিয়েছিলেন, সেইটা ভেবে দেখার মত, 'ধর্মনিরপেক্ষ' শব্দটা ব্যবহার না করে ব্যবহার করেছিলেন, 'অসাম্প্রদায়িক' শব্দটা।
    এইটা আমার খুব ভালো লেগেছে, একটা চিন্তা ভাবনা আছে।
  • h | ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ১৮:৪১583767
  • আমি ধর্মনিরপেক্ষ শব্দটার পক্ষে, কিন্তু এই ক্রাইসিস এ এই চিন্তা টা আমার ভালো লেগেছে। সাধারণত চিন্তা ভাবনা এই সব তো রাজনীতিবিদ দের কাস থেকে আসকাল আর আশা করা জায় না।
  • চান্দু মিঁঞা | ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ২১:৪৮583768
  • অসাম্প্রদায়িকতার ব্যাপ্তি কি ধর্মনিরপেক্ষতার থেকে বেশি নয়?
  • siki | ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ২৩:৫৭583769
  • ধর্ম আর সম্প্রদায়। কতটা তফাৎ একে অপরের মধ্যে? বিশেষণগুলোকে একটু উল্টে পাল্টে দেখি?

    সম্প্রদায়নিরপেক্ষ আর অধার্মিক।

    অনেকটা মানে পাল্টে গেল। আসলে তফাৎটা কী?
  • rivu | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ০০:৪৭583770
  • আসলে অনেক তফাত। বাঙালি ও একটা সম্প্রদায়। ভারতীয় ও একটা সম্প্রদায়। কিন্তু ধর্মটাকে প্রধান সম্প্রদায় হিসাবে দেখা হয়।চান্দু ঠিকই বলেছেন। অসাম্প্রদায়িকতার ব্যাপ্তি ধর্মনিরপেক্ষতার চেয়ে বেশি। কিন্তু যেহেতু পৃথিবীটা এখনো বিশ্বমানবের দেশ হয়ে যায়নি, কিছু সাম্প্রদায়িকতা ছাড়া বাঁচা মুস্কিল। যেমন জাতীয়তাবাদ। ইত্যাদি। যেহেতু ধর্মনিরপেক্ষ বললে বড় মুস্কিল ছিল, তাই দিপু মনি অসাম্প্রদায়িক বলে দিয়েছেন, সাপ ও মরলো লাঠিও ভাঙলোনা। আমি খুশি হব যদি "ধর্ম নিরপেক্ষ" কথাটা সংবিধানে যোগ করা হয়।
  • dd | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ০০:৫৫583771
  • সুনীল গাংগুলি। এথিস্ট কইতেন না।

    কইতেন "ধর্ম উদাসীন"। নট "নিরপেক্ষ"। ঐ ধর্ম উদাসীন টার্মটা আমার খুব পসন্দো হতো।
  • Yan | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ০০:৫৮583600
  • একদল বন্ধু সেকুলার কথাটার বাংলা করেছেন "ইহজাগতিক"। এটাও বেশ লাগে আমার। ঃ-)
  • a x | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ০৩:৩৩583601
  • সুনীল ওটা অ্যাগনস্টিকের বাংলা করেছিলেন।
  • শিমূল | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ১৩:৫০583602
  • বাংলাদেশ এ আজ চলছে জামাত ও ১২ সমমনা ইসলামি দলের হরতাল। কেন এই হরতাল? দাবি কি এই হরতাল এর পিছনে? আমাদের বাংলাদেশ এর হরতাল এর ইতিহাস বেশ পুরনো। আমি এখানে হরতাল এর ইতিহাস লিখব না। আমি দেখতে চাই যারা হরতাল ডেকেছে, তারা কারা? বর্তমান বাংলাদেশের ৯০% অধিবাসী মুসলমান। আর বাদবাকি হিন্দু - বৌদ্ধ - খ্রিস্টান ও অন্যান্য আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
    বাংলাদেশের মুসলমান দের ৯৫% ই স্বল্প শিক্ষিত। যা অন্যান্য ধর্মগোষ্ঠীর ঠিক উল্টো। মুস্লিম দের একটা বিসয় আছে এরা স্বল্প শিক্ষিত বিধায় এরা খুব ই মাথা মোটা। সামান্য কারনে অনেক বর গন্ডগোল পাকিয়ে দেয়। আল্লা কিনবা মুহাম্মদ এর নামে কিছু বললেই এরা খেপে যায়, অথচ একটু যাচাই করেও দেখেনা, কোন দাড়িওয়ালা মাওলানা বললেই কুরুক্ষেত্র দার করিয়ে দেয়। তাই দেখা যায় উচ্চ শিক্ষিত মুস্লিম রা সাধারণত অতটা ধর্মানুরাগী নয়। কারন তারা ধর্মের ফাকি বাজিটা ধরতে পারে।
    আমি বলছিলাম কারা আজকের এই হরতাল ডেকেছে? তারা হোল ওইসব মাথা মোটা স্বল্প শিক্ষিত মুস্লিম। ভিডিও ক্লিপ্স নিলে দেখা যাবে বেসির ভাগ মানুষ ১৬- ২২ বছরের মাদ্রাসা পড়ুয়া তরুণ। এদের কোন ভবিষ্যৎ নেই কারন এরা যে শিক্ষায় শিক্ষিত তা দিয়ে ইহ জগতে কোন আয় সম্ভব নয়। আর ইস্লামিক আইন অনুযায়ী ইস্লামের কোন বিষয়ে কোন প্রস্ন করা জাবেনা। যেহেতু মাওলানা রা কোরান হাদিসের কথা বলেন, তাই তাদের কথাতেও কোন প্রস্ন না করে মেনে চলাই সবচেয়ে পুন্নের কাজ মনে করা হয় ইসলামে। এখানেই অন্য ধ্রমের সাথে ইস্লামের তফাৎ। আর মুস্লিমদের সাথে অন্য ধ্রমের মানুষ দের। ইসলাম ধরমে আছে মুস্লিম ছাড়া আর সবাই কাফের। কাফের দের সাথে ইস্লামের নিরন্তর জিহাদ ( যুদ্ধ )। ইসলাম চায় সারা বিশ্বে ইসলাম কায়েম। ইসলাম কায়েম মানে হলও ইসলাম ছাড়া আর কোন ধর্ম বা আইন থাকবে না। সব জায়গায় এক আল্লার আইন প্রতিষ্ঠিত হবে। এখানেই আর সবার সাথে ইস্লামের যুদ্ধ। বাংলাদেশ কে ইস্লামি দল গুলো পূরনাংগ ইস্লামি রাষ্ট্র বানাতে চায়। তারা গণতন্ত্রের সুজগ কে কাজে লাগিয়ে ক্ষমতায় জেতে চায়, কিন্তু ক্ষমতায় যেয়ে গণতন্ত্রকে নস্যাৎ করে, ইস্লামি শাসন ব্যবস্থা কায়েম করবে।
    এখন বাংলাদেশে চলছে ৭১ এর যুদ্ধপরাধীদের বিচার এর দাবী তে গনআন্দোলন। ইস্লামি দল গুলো সেই আন্দোলনের ভয়ে এখন ভীত।
    তাই তারা অপপ্রচার চালাচ্ছে যে যুদ্ধপরাধীদের বিচার দাবীর এই আন্দোলন আদতে ইসলাম বিরোধী আন্দোলন।
    গত শুক্রবার তারা এই আন্দোলনকে থামাবার দাবীতে সারা বাংলাদেশ এ দুপুরের নামাজের পর তান্ডব চালালো। দেখালো তাদের কত শক্তি!!!!
    এই তান্ডবে লাখো মানুষের উপস্থিতি দেখা গেছে। আদতে এরা সবাই কি জামাত আর শিবির? না বেশির ভাগ মাদ্রাসা পড়ুয়া ছাত্র, আর গরীব অশিক্ষিত মানুষ, যাদেরকে ভুল বুঝিয়ে উস্কানি মুলক কথা বলে জড় করা হয়েছে।
    আমি অনেকের সাথে কথা বলে দেখেছি এরা কেও পাকিস্তানি সমর্থক নয়, এরা জামাতের ও সমর্থক নয়। এরা শুধু মাত্র ইসলাম রক্ষার জন্য রাস্তায় নেমেছে। অথচ জানেও না এরা কোন ইসলাম ঊদ্ধার করলো!!!
    এরা ব্লগে রাজীব হায়দার ওরফে থাবা বাবা কি লিখেছে তা কোন দিন পড়েও দেখেনি, এরা পড়বে কিভাবে? এরা তো পড়তেই জানেনা। এরা কতটা মূর্খ, যে ভাবে শুধু কোরান পড়লেই, তাও বাংলা অনুবাদ নয়, আরবী পড়েই মনে করে যে তার আর কোন গ্যান লাভের দরকার নাই।
    এদের নিয়ে ইস্লামি দলের কিছু গ্যানপাপী ভালই রাজনিতি করতে পারে। কিন্তু আজ যদি এই ইসলামী দল গুলো কে নিষিদ্ধ করে দেওয়া যায় তবে তাদের এই ধর্ম কে পুজি করে যে রাজনিতি র ব্যবসা তা বন্ধ হয়ে যাবে তাই তারা আজ হরতাল ডেকেছে। আর বাংলাদেশের বেশির ভাগ মুস্লিম না বুঝেই ভাবছে এই সব ইস্লামিক দল বুঝি ইস্লামকে রক্ষা করছে।
  • কল্লোল | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ১৫:১১583603
  • শিমূল।
    আপনার লেখা পড়ে দুশ্চিন্তায় আছি। এক হিসাবে তসলিমা ঠিকই বলেছেন। বাংলাদেশের জামাতীরা শাহবাগ জমায়েৎএর চাইতে অনেক বড় জমায়েৎ করার ক্ষমতা রাখে। আপনার লেখাতেও সেটা পরিষ্কার। একমাত্র ভরসা সরকার এই আন্দোলনের সাথে। কিন্তু কতোদিন? যেদিন এই সরকার বুঝবে "বাংলাদেশের মুসলমান দের ৯৫%" এতে সরকার বিরোধী হয়ে যাচ্ছে, তখন ভোটের অঙ্ক মাথায় রেখে এই হাসিনা সরকারই উল্টো সুর গাইবে।
    জামাত না হয় বেআইনী হয়ে যাবে। কিন্তু বিএনপি?
  • চান্দু মিঁঞা | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ১৬:৩৫583604
  • এই ভয়ের কথা শুরু থেকে বলছিলাম। ধর্ম ফালতু কারণ সেটি খাবার দেয় না, এই সত্য না বুঝিয়ে ধর্ম উৎক্ষাত করতে গেলে এই সমস্যাই হওয়ার কথা।

    যে সব নিম্নশ্রেণীর হিন্দু ধর্মান্তরিত হয়ে মুসলমান হয়েছিল তাদের যে ওতে বিশেষ লাভ হয় নাই এই সরল সত্যের প্রচার হচ্ছেনা এটাই দুঃখ। আর এ কথাটি না বুঝিয়ে ঐ বিপুল জনঘনত্বের দেশে আন্দোলনের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে চিন্তা হয়।
  • h | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ১৮:৪৯583605
  • এখন একটা দেশে অসংখ্য ধর্মবিশ্বাসী মানুষ থাকলেই, রাষ্ট্রের ভাগ্য থিওক্রাসির হাতে চলে গেলে চাপ। সব দেশে কনজারভেটিভ সেকুলার আর কনজারভেটিভ রিলিজিয়াস দের মধ্যে অ্যাডজাস্টমেন্ট হয়ে গেল, বাংলা দেশে এত টাইম নিচ্ছে কেন?

    ;-)
  • h | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ১৮:৫০583606
  • চান্দু বাবুর পোস্ট পড়ে মনে হছে, সেই চক্রের কথা, অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট আগে না বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র আগে ;-)
  • দেব | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ১৮:৫২583607
  • দেখা যাক জল কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়।

    জামাত নিষিদ্ধ হলে সমস্যা আছে। এই আন্দোলনের প্রতি সম্পূর্ণ শ্রদ্ধাবান থেকেই বলছি, সেই রকম রাজনৈতিক ক্ষমতা এর নেই। সংগঠিত রাজনৈতিক দল ছাড়া কিছু আদায় করা সম্ভব নয়। যদি আওয়ামী লিগ সরকার এত দুর্নীতিগ্রস্ত না হত তাহলে একটা আশা ছিল। লিগের রাজনৈতিক ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে এগানো যেত। আওয়ামী লিগের ঘনিষ্ঠ হওয়া এই আন্দোলনকারীদের পক্ষে সম্ভব নয় এবং এরা দূরত্ব বজায়ও রাখছেন। তাতেও রাজনৈতিক রঙ এই আন্দোলনের গায়ে লাগছেই। সরকার এক ধাক্কায় যুদ্ধাপরাধীদের বিচার (এই প্রসঙ্গে পরে আসছি), জামাত এ ইসলামী নিষিদ্ধকরণ এবং দেশকে ধর্মনিরপেক্ষ ঘোষণা করার ঝুঁকি নেবে বলে মনেও হয়না। নিলে খুবই ভালো।

    আন্দোলনের মূল দাবীটা একটা গণতান্ত্রিক দেশে হাসিল করাটাও সম্ভব কিনা আমি জানি না। এভাবে আদালতের রায়কে জোর করে বদলানো যায় কিভাবে? দেশের সংবিধানকে ধর্মনিরপেক্ষ করার আন্দোলন তাও একটা জায়গায় দাঁড়ায়। কিন্তু সেখানেও সংগঠিত রাজনৈতিক দল ছাড়া কিছু আদায় করা সম্ভব নয়। এই আন্দোলনকারীরা নিজেদের দল গঠন করুন। আওয়ামী লিগের ভরসায় হবে না। ভোটের সময় দেশের মানুষ ৫ বছরের কাজ দেখেই ভোট দেবেন, এই বিচার দেখে নয়।
  • তাপস | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ১৯:৪৫583608
  • কল্লোল দা আপনি হয়ত জানেননা আমি আপনার লেখা খুব মন দিয়ে পড়ি, সেটা যেকোন টই এ লেখা হোক, বা বইমেলা থেকে কেনা চটি হোক। কিন্তু সত্যি করে বলুন তো, যে আপনি বিশ্বাস করেন আজকের শাহবাগ জমায়েত "জামাত" কে বাংলাদেশ থেকে উচ্ছেদ করতে পারবে। একটা জনজাগরন হয়ত হচ্ছে, একটু একটু করে কোথাও কোন স্ফুলিঙ্গরা জ্বলে উঠছে আর অপেক্ষা করছে দাবানল হবার। তবে শেষ অবধি হবে কিনা জানিনা। অনেক পথ, অনেক কঠিন পথ চলতে হবে ... কিন্তু শেষটা এখনই বলার মত যোগ্যতা তো আমার নেই ... আপনার মত মানুষেরা যদি কিছু বলেন তবে তাকে একটু বেশি গুরুত্ব দিতে পারি ... তবে এটাও ঠিক যে আমার গুরুত্ব দেওয়া না দেওয়ায় শেষ অবধি আন্দোলনটির বিশেষ কিছু যাবে আসবেনা।
  • কুলদা রায় | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ০৫:২৯583609
  • কল্লোলদা
    তসলিমা ঠিক বলেননি। বাংলাদেশের জামাতীরা শাহবাগ জমায়েৎএর চাইতে অনেক বড় জমায়েৎ করার ক্ষমতা রাখে না।
    জামায়াত কোটি কোটি টাকা-অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে নেমেছে। কিন্তু শাহবাগের গণজাগরণ অহিংসভাবে নেমেছে। এদেরকে কেউ টাকা দিচ্ছে না। সারাদেশেই স্বতঃস্ফুর্তভাবে জামায়াত-বিরোধীতার নেমেছে আপামর জনতা।
    বাংলাদেশে জামায়েতের ভোট মাত্র ৫%।
  • siki | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ০৯:১৭583611
  • কাল নাকি বইমেলায় আগুন ধরানো হয়েছে?
  • কল্লোল | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ১০:০৮583613
  • কুলদা ও তাপস।
    শিমূলের Date:24 Feb 2013 -- 01:50 PM পোস্ট দেখুন।
    এটা যদি সত্যি হয় তো চিন্তার কথা। শিমূলের নাম শুনে মনে হয় সে বাংলাদেশের মানুষ। সে যা তথ্য দিয়েছে -

    "বাংলাদেশের মুসলমান দের ৯৫% ই স্বল্প শিক্ষিত। যা অন্যান্য ধর্মগোষ্ঠীর ঠিক উল্টো। মুস্লিম দের একটা বিসয় আছে এরা স্বল্প শিক্ষিত বিধায় এরা খুব ই মাথা মোটা। সামান্য কারনে অনেক বর গন্ডগোল পাকিয়ে দেয়। আল্লা কিনবা মুহাম্মদ এর নামে কিছু বললেই এরা খেপে যায়, অথচ একটু যাচাই করেও দেখেনা, কোন দাড়িওয়ালা মাওলানা বললেই কুরুক্ষেত্র দার করিয়ে দেয়। তাই দেখা যায় উচ্চ শিক্ষিত মুস্লিম রা সাধারণত অতটা ধর্মানুরাগী নয়। কারন তারা ধর্মের ফাকি বাজিটা ধরতে পারে।
    আমি বলছিলাম কারা আজকের এই হরতাল ডেকেছে? তারা হোল ওইসব মাথা মোটা স্বল্প শিক্ষিত মুস্লিম। ভিডিও ক্লিপ্স নিলে দেখা যাবে বেসির ভাগ মানুষ ১৬- ২২ বছরের মাদ্রাসা পড়ুয়া তরুণ। এদের কোন ভবিষ্যৎ নেই কারন এরা যে শিক্ষায় শিক্ষিত তা দিয়ে ইহ জগতে কোন আয় সম্ভব নয়। আর ইস্লামিক আইন অনুযায়ী ইস্লামের কোন বিষয়ে কোন প্রস্ন করা জাবেনা। যেহেতু মাওলানা রা কোরান হাদিসের কথা বলেন, তাই তাদের কথাতেও কোন প্রস্ন না করে মেনে চলাই সবচেয়ে পুন্নের কাজ মনে করা হয় ইসলামে। এখানেই অন্য ধ্রমের সাথে ইস্লামের তফাৎ। আর মুস্লিমদের সাথে অন্য ধ্রমের মানুষ দের। ইসলাম ধরমে আছে মুস্লিম ছাড়া আর সবাই কাফের। কাফের দের সাথে ইস্লামের নিরন্তর জিহাদ ( যুদ্ধ )। ইসলাম চায় সারা বিশ্বে ইসলাম কায়েম। ইসলাম কায়েম মানে হলও ইসলাম ছাড়া আর কোন ধর্ম বা আইন থাকবে না। সব জায়গায় এক আল্লার আইন প্রতিষ্ঠিত হবে। এখানেই আর সবার সাথে ইস্লামের যুদ্ধ। বাংলাদেশ কে ইস্লামি দল গুলো পূরনাংগ ইস্লামি রাষ্ট্র বানাতে চায়। তারা গণতন্ত্রের সুজগ কে কাজে লাগিয়ে ক্ষমতায় জেতে চায়, কিন্তু ক্ষমতায় যেয়ে গণতন্ত্রকে নস্যাৎ করে, ইস্লামি শাসন ব্যবস্থা কায়েম করবে।"

    এই যদি সামগ্রিক চিত্র হয় তবে বড়জোর শাহবাগ আন্দোলন কিছু যুদ্ধপরাধীর ফাঁসী ও জামাতকে নিষিদ্ধ করতে সফল হয়্তো হবে। কিন্তু তারপর ভবিষ্যত কি? নিষিদ্ধ জামাত ও "প্রসিদ্ধ" বিএনপি তো এদের ইসলামের শহীদ বানিয়ে ফয়দা লুটবে পরের নির্বাচনে।
  • dd | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ১০:৫২583614
  • এঃ হে।

    টেরও পেলো না কিন্তু কল্লোল প্রকাশ্যেই মানুষের উপোর বিশ্বাস হারিয়ে ফেললো।
  • কল্লোল | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ১১:১৩583615
  • ডিডি ঃ-০। তাই তো।
  • aranya | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ২২:০৪583616
  • 'আর ইস্লামিক আইন অনুযায়ী ইস্লামের কোন বিষয়ে কোন প্রস্ন করা জাবেনা। ..ইসলাম ধরমে আছে মুস্লিম ছাড়া আর সবাই কাফের। কাফের দের সাথে ইস্লামের নিরন্তর জিহাদ ( যুদ্ধ )। ইসলাম চায় সারা বিশ্বে ইসলাম কায়েম। ইসলাম কায়েম মানে হলও ইসলাম ছাড়া আর কোন ধর্ম বা আইন থাকবে না। সব জায়গায় এক আল্লার আইন প্রতিষ্ঠিত হবে।'

    মাঝে মাঝে এধরনের কথা চোখে পড়ে, তসলিমা লিখেছেন, আর ও কেউ কেউ। কোরান লেখা হয়েছে পুরনো আরবী-তে। তাতে কি খুব পরিস্কার করে এই মেসেজ-গুলো দেওয়া আছে নাকি এমন কিছু শ্লোক কোরানে আছে যার বিভিন্ন অর্থ হতে পারে, লোকে নিজের মন মত ইণ্টারপ্রিট করে?

    মহঃ জাফর ইকবাল বাংলায় অনূদিত দুটি কোরানের নাম করেছিলেন, খুবই উঁচু মনের অনুবাদ হিসাবে, যাতে পরধর্ম-বিদ্বেষী এরকম কোন বক্তব্য নেই।
  • aranya | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ২২:১৮583617
  • * উঁচু মানের
  • কল্লোল | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ২২:২২583618
  • কিন্তু আমার মনে হচ্ছে, কোরানে আসলে কি লেখা আছে সেটা বড় কথা নয়। লোকে মনে করে কোরানে এসব লেখা আছে। তাতেই তো গন্ডোগোল।
  • aranya | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ২২:৫১583619
  • কল্লোল-দা,এগ্রিড। কিন্তু যদি কোরানে সত্যিই বিধর্মীর সাথে নিরন্তর যুদ্ধ চালিয়ে যেতে বলা হয় আর তার সাথে এটাও বলা হয় যে কোরানের একটি শব্দও পাল্টানো যাবে না, তাহলে একটা ডেডলক টাইপের অবস্থা হয়। সত্য-টা জানা দরকার, বিশেষতঃ য্খন পৃথিবীর ২৩% মানুষ ইসলাম ধর্মাবলম্বী।
  • কুলদা রায় | ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ০৩:৫৬583620
  • পশ্চিম বঙ্গের কবি গৌতম চৌধুরী পশ্চিম বঙ্গের কবি লেখক ও মানুষজনদের প্রতি একটা আকুল আহবান জানিয়েছেন। তিনি লিখেছেন ফেসবুকে--
    'শাহবাগ নিয়ে যাঁরা কলকাতায় সভা করতে চান, তাঁরা বরং বাংলাদেশকে তিস্তার জলের ন্যায্য ভাগ দেওয়ার দাবিটি তুলুন। তাহলেই মনে হয় সেদেশের গণতান্ত্রিক শক্তির পাশে দাঁড়ানো হবে।'

    গৌতম চৌধুরীর আহবানের উত্তরে Sandipan চক্রবর্তী লিখেছেন--
    Sandipan Chakrabarty 100 bar sei dabi tulbo...kintu seta korar ortho ki ei andolon-ke protyakhyan kara? ta to noy. Fole ei sabha-y apotti-ta kothay? Amonki ei sabha-te kauke kono boktobyo pesh-o korte deya hobe na...Bhasha upolokhye shudhu kobita poRa ar gaan -- ei niye amra protibadi manush-guli-r pashe na dnaRale itihas amader kshoma korbe না.

    Sabyasachi Deb লিখেছেন--
    গৌতম চৌধুরীর মন্তব্য পড়ে খুব বিস্মিত হলাম। 'তাঁরা বরং...' এই শব্দগুচ্ছ ব্যবহার করে তিনি যে ইঙ্গিত দিতে চেয়েছেন তার অর্থ দাঁড়ায় শাহবাগের আন্দোলনের পাশে দাঁড়ানো ততটা জরুরি নয়। তিস্তার জল নিয়ে বাংলাদেশের দাবি সম্পূর্ণ ন্যায়সংগত, সে দাবি আমরা সমর্থন করে আসছি বরাবরই। কিন্তু এই মুহূর্তে বাংলাদেশের মানুষ চাইছেন যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, সেটাই তাঁদের কাছে সবথেকে বড়ো প্রয়োজন এখন।তিস্তার জল নিয়ে বাংলাদেশের সমর্থনে কোথাও কোনো কথা বলা হচ্ছে কিনা সেটাও কি গৌতম খোঁজ করেছেন? আর আমার বিনীত প্রশ্ন তাঁর কাছে সেই দাবি করা হলে আর শাহবাগ নিয়ে কোনো সমর্থনের কথা বলা যাবে না! তাই কি তিনি বলতে চাইছেন! দুঃখিত গৌতম, আপনার রায় মেনে নিতে পারলাম না। শাহবাগের পাশে দাঁড়ানো সময়ের দাবি, বাংলাদেশের মানুষ চাইছেন গোটা পৃথিবীর সমর্থন, আমরা আমাদের সাধ্যমতো সে সমর্থনটুকু জানাতে চাইছি। এই সমাবেশে কোনো বক্তৃতা হবে না, শুধু যে যার মতো গান গাইবেন কবিতা পড়বেন, শুধু জানিয়ে দেওয়া আমরা শাহবাগের পাশে আছি। এই প্রয়াস কেউ যদি তাচ্ছিল্য করতে চান সেটা তাঁর রুচি ও পছন্দের ব্যাপার, তবে তিনি যে স্বেচ্ছায় ইতিহাসের বিরুদ্ধে যেতে চাইছেন তাতে সন্দেহ থাকবে না।' আর একটি কথা--বাংলাদেশের আবেগ সম্পর্কে যে কথা লিখলাম তা আমার মনগড়া নয়, সে দেশের মানুষজনের কাছ থেকেই জানা, সাম্প্রতিক জানাটা নানা জনের কাছ থেকে পাওয়া নানা খবর ও কথার ভিত্তিতে, সেই নানা জনের একজন নিশাত জাহান রানা। তাঁকে কি আপনি চেনেন গৌতম! সন্দেহ হচ্ছে একাত্তরের যুদ্ধাপরাধটা আপনার কাছে তেমন কোনো অপরাধ নয়।

    Sushanta Kar লিখেছেন--
    বাংলাদেশের আভ্যন্তরীণ বিষয়ে যারা ভারতে নড়ে চড়ে বসতে চাইছেন তাঁরা হয়তো ভালো ভাবছেন। কিন্তু সেতো ওদের সরকারের ভুল বিচারের বিরুদ্ধে লড়াই। এই মুহূর্তে তেমন কোন মানবিক কিম্বা আন্তর্জাতিক সমস্যা তৈরি হয় নি। কই আমাদের দেশে সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে যখন লড়াইতে ওরা পথে নামবেন তখন যে খুব সুনজরে দেখব তাওতো মনে হয় না। সুতরাং শাহাবাগের লড়াই নিয়ে ভারতীয় বাঙালির আবেগ সবটা নির্ভেজাল নয়। একে অধ্যয়ন করা আর সমর্থনে ভারতের পথে নেমে পড়া দুই ভিন্ন কাজ। কিন্তু সেই একই বাঙালি মায়ান্মারে লাখ লাখো সামান্য নাগরিক অধিকার বঞ্চিত রোহিঙ্গিয়া ( যাদের মায়ান্মারে বলা হচ্ছে বাঙালি এবং বাংলাদেশী) রা মার খাচ্ছেন, খুন হচ্ছেন, ধর্ষিতা হচ্ছেন কথা বলতে দেখিনি তো। দেখিনি তো কাউকে গণ সঙ্গীত লিখে সেদেশে পাঠিয়ে দিয়ে 'বাঙালিয়ানা' জাহির করতে! এমন কি সেই বিপর্যস্ত মানুষগুলো যখন প্রান বাঁচাতে বাংলাদেশে আসতে চাইছিল আর বিডি আর রাইফেল দাগাচ্ছিল তখনো দুনিয়ার প্রায় সমস্ত 'বাঙালি' বিবেক ছিল নীরব নিথর!

    Asoke দেব লিখেছেন
    ত্রিপুরার ভারত-বাংলা সীমান্তে যে সংহতিজ্ঞাপক অনুষ্ঠানটি হয়েছে। তাতে অংশ নিয়েছিলাম। দুএকটি কথাও বলেছি। আমার বক্তব্য ছিল, যে তারুণ্যকে আত্মসর্বস্ব বলে গাল পাড়া হচ্ছিল, তারা যে দেশপ্রেমকে আবার পুনঃসংজ্ঞায়িত করেছেন, বিপুলভাবে করেছেন, তাকে শংসা করে। একটি ভিন্ন দেশের জুডিসিয়াল ক্রাইসিসে আমাদের কিছু বলার নেই। সমীচীনও নয়...

    কিন্তু একটি প্রশ্ন জাগে। একটি শুভউদ্যোগকে সাপোর্ট করার কি কোনও পূর্বশর্ত থাকে? ভ্রমণে গিয়ে কোনও দুঃস্থকে সহায়তা করার আগে কি পাড়ার দুঃস্থকে মানি অর্ডার পাঠাতে হবে?

    বরং ভারতে থেকে আমাদের একটি বিদেশের বিবদমান রাজনীতির কোনও একটিতে যুতে যাওয়া ঠিক হবে না, কিংবা যুতে গেছি এমন প্রতীত হয়-- এমন মন্তব্য করা ঠিক হবে না।

    Sandipan Chakrabarty লিখেছেন--
    Shahbag-er ei somabesh-er songe bhasha-r prosno-ta otoproto-vabe joRito...ebong sei bhasha holo Bangla-bhasha...fole akjon Bangali hisebe nijer matri-bhasha somporke akta alada abeg thakbei...sei thaka-ta ki bhul? Ar amra kono antorjatik somosya-r samadhan korte asi ni, ta korte chaichhio na...fole rajakar-der sasti debe ki debe na -- seta Bangladesh-er nijoswo byapar...kintu bhasha-prem o desho-prem-er theke je torun projonmo evabe uttal hoye uthechhe, nije sei bhasha-r manush hoye sei abeg-ke salute janabo na? amonki oi abeg-tuku-ke samorthon kore pashe-o dnaRate parbo na? ete aporadh-ta kothay hochchhe, seta thik bujhte parchhi na...

    Mukte মণ্ডল--
    কলকাতার যাঁরা শাহবাগ জাগরণ কে সমর্থন করার প্রত্যয় নিয়ে সভা করতে চাচ্ছেন তাঁরা শাহবাগকে নিয়েই প্রথমে করুক সভা - তারপর না হয় বাংলাদেশের তিস্তার জলের ন্যায্য ভাগ নিয়েও করবে, কলকাতারও অনেক সমস্যা আছে, সেগুলো নিয়েও শুরু করুক। শাহবাগ জাগরণের দাবি যুদ্ধাপরাধীর বিচার নিয়ে, আপনি তো গুলিয়ে ফেলতেছেন মশাই!
  • aranya | ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ০৫:৩৩583622
  • শাহবাগ আন্দোলন শেষ পর্যন্ত কোথায় পৌঁছবে জানি না, তবে একটা আশা আছে যে এর ফলে আগামী দিনে সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচার কমতে পারে - ধর্মীয় বা এথনিক সংখ্যালঘু - প্রত্যন্ত গ্রামের হিন্দু, পার্বত্য চট্টগ্রামের চাকমা - সবার ওপরেই, কারণ একটা লিবারাল মানসিকতা দেশময় ছড়াতে পারে এই মুভমেন্ট থেকে, বিশেষতঃ তরুণ প্রজন্মের মধ্যে। বহু বছরের মধ্যে উপমহাদেশে এমন একটা ঘটনা ঘটছে, যার প্রভাব হতে পারে সুদূরপ্রসারী। অনেক সম্ভাবনা। এই আন্দোলনকে সমর্থন জানাতেই হয়।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। খারাপ-ভাল প্রতিক্রিয়া দিন