এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • বাঙ্গালি পুরুষ বনাম বঙ্গনারী

    Parolin
    অন্যান্য | ২১ জুলাই ২০০৬ | ৯৯৯১ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • vikram | ২৫ জুলাই ২০০৬ ১৫:০০633056
  • J সবকটায় ডিটো দিলাম খাওয়া ছাড়া। খাওয়াটার সঙ্গে একটা আত্মিক ব্যাপার আছে। সফট কর্নার।

    বিক্রম
  • r | ২৫ জুলাই ২০০৬ ১৯:২৩633057
  • একটাই কথা বলা যায় এই সব পড়ে- ধুর বাল!

    না না! আরও একটা কথা মনে পড়ে গেল- ধোর বাঁড়া!

    :-)
  • J | ২৫ জুলাই ২০০৬ ১৯:৪৮633058
  • খচে গেলে হবে?
  • r | ২৫ জুলাই ২০০৬ ২০:০০633059
  • খচ্চা নেই।

    পেটের তলার সেই আড়াই ইঞ্চি জায়গা নিয়েই তো সব কাজ কারবার। কেউ ছেলে, কেউ মেয়ে। তা নিয়ে এতো বাওয়াল করে কি হবে? উপরে আড়াই, তলায় আড়াই/ তবুও আমরা প্যাঁচাল বাড়াই।
  • J | ২৫ জুলাই ২০০৬ ২০:১৬633060
  • অ্যাত্তো সোজা হিসেব যকন তকন আলোচনা হোক। ঝাঁট জ্বলছে ক্যানো?
  • dri | ২৫ জুলাই ২০০৬ ২৩:৩৯633061
  • ল্যাক অব কনফিডেন্স। যে উদাহরণগুলো দেওয়া হয়েছে সেগুলো ল্যাক অব কনফিডেন্সের নয়। সেগুলো ভারতে সারভাইভাল পলিসি। এক কথা বিভিন্ন লোককে জিজ্ঞেস করা, বা একই কথা একজনে দুবার জিজ্ঞেস করা একদম সিওর হয়ে নেবার জন্য। ভারতে অনেকেই আন্দাজে এটা সেটা বলে দেয়। বরং জিজ্ঞেস করলে জানিনা বলতে চায় না। প্রথম কথাটা বিশ্বাস না করাটা যারাই ভারতে রাস্তাঘাটে বেরোয়, ছেলে মেয়ে নির্বিশেষে করে। আমার মত দু চারজন আছে যারা প্রথম কথাটাই বিশ্বাস করে নি তারা বার বার ঠকি। ভারত কেন, ফ্রান্সে মেট্রো স্টেশান কোনদিকে জিগেস করায় একটা পুরো উল্টোদিক দেখিয়ে দিয়েছিল। ঘুরপাক খেয়ে আমার পাক্কা আধটি ঘন্টা নষ্ট হয়েছিল। এই তো সেদিন আমার বন্ধুর মা বাবা আমেরিকা বেড়াতে এসেছিলেন। বন্ধুটি তাদের নিউ ইয়র্কের টিকিট কেটে দিয়েছিল যাতে তারা নিজেরা বেড়িয়ে নিতে পারেন। বন্ধুর সময় হচ্ছিল না। বৃদ্ধ বৃদ্ধা নিউ ইয়র্কে গিয়ে যথারীতি মেট্রোতে উঠে খানিক হারিয়ে গিয়ে এক জনকে জিগ্গেস করেছিলেন আচ্ছা অমুক যায়গায় কিভাবে যাওয়া যাবে। বুঝিয়ে দেবার পর বাবা তো মহানন্দে সেইদিকে রওনা হয়েছিলেন। কিন্তু মা বললেন দাঁড়াও আরেকজনকে জিগেস করে কনফার্ম করি! ভাগ্যিস বলেছিলেন। আরেকজনকে জিগেস করায় সম্পুর্ণ একটা অন্য ডিরেকশন তারা পেলেন। এবং শেষমেশ আর মেট্রোতে ভরসা না করে ট্যাক্সি নিয়ে হোটেলে ফিরলেন।

    তবে এটা ঠিক ভারতীয়রা (শুধু ছেলেরা নয় মেয়েরাও) আমেরিকানদের তুলনায় কম কনফিডেন্ট। একটা ব্যাপার সম্মন্ধে পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়া সত্বেও কথাটা জোরগলায় বলতে পারে না। মিনমিন করে। অথচ এদেশের লোক, হয়ত কিছুই জানে না তবু কথায় তার কনফিডেন্স ঝরে পড়ে। এসবের কারণ বোধ হয় আমাদের গ্রুমিং এর তফাত। আমাদের স্কুলে কখনো ডিবেট, প্রশ্ন করা এগুলো এনকারেজ্‌ড হত না। ইভেন প্রশ্নের উত্তর দেবার সময় ও লোকে হাত তুলতে চাইত না। কারণ হাত তুলে ভুল উত্তর দেওয়া ছিল একটা খুব লজ্জার ব্যাপার। এদেশে তা নয়। হাত তুলে কেউ বলেছে সেটাই বড় কথা। ভুল বললে কেউ হাসে না। হ্যাটা দেয় না।

    পরে অন্যান্য বিষয় নিয়েও বলব।
  • Samik | ২৬ জুলাই ২০০৬ ০০:২৪633062
  • খাওয়ার ব্যাপারেও যো কে ডিটো দিলাম। উদা: আমার বউ।

    ভিকি, বিয়ে করে ফ্যাল, তাপ্পরে দেখবি তুই অন্য মেয়েকে ঝারি মেরে বউকে জম্পেশ করে জানালেও বউ মহানন্দে খাওয়াতে বলবে।
  • dri | ২৬ জুলাই ২০০৬ ০১:০১633063
  • আচ্ছা বেশ। এবার ভারতীয় পুরুষরা টেন্সু এই নিয়ে একটু হোক। যে উদাহরণটা দেওয়া হয়েছে সেই প্রসঙ্গ ধরে। ভারতে যেভাবে বেড়াতে বেরোয়, এদেশে ঠিক সেভাবে কম লোকই বেরোয়। হয় একা, নয়তো বর বউ, নয়তো বর বউ, ছোট বাচ্চা। বাচ্চা ষোল ছাড়িয়ে গেলে আর মা বাবার সাথে বেরোতে চায় না। অন্য গ্রুপে বেরোয়। আমাদের দেশে লোকে বেড়াতে বেরোয় বাবা, মা, কাকু, কাকিমা, পিসি, জেঠতুতো, খুড়্‌তুতো, পুরো গুষ্ঠি। এই দলের মেল লীডার থাকে। যার থাকে দায়িত্ব। পুরো গ্রুপটাকে একসাথে রাখা। এতগুলো লোকের ডাইভার্স ইনটারেস্টগুলো স্ট্রীমলাইন করা। এদের মধ্যে কেউ দলছুট হলে, হারিয়ে গেলে রেসপন্সিব্‌ল হয় লীডার এবং সব্বার থেকে বকুনি খায়। এদেশে সেরকম নয়। কোন অ্যাডাল্ট দল থেকে দলছুট হলে সেটা তার রেসপন্সিবিলিটি। আর ভারতে অনেকেই ডিপেন্ডেন্ট থাকতে পছন্দ করে। কোন ভাবনা চিন্তা নেই। চিন্তা করবে অন্যলোকে। আমি শুধু বেড়াব আর গজগজ করব যে আমায় এই করতে দিচ্ছে না সেই করতে দিচ্ছে না, দোকানে ঢুকতে দিচ্ছে না হ্যানা ত্যানা।
  • tan | ২৬ জুলাই ২০০৬ ০১:৪১633064
  • দ্রি,আপনার চিঠিতে দলের "মেল লিডার" শুনে সেই ডকুর জঙ্গলের মারকুটে শিপাঞ্জীদের লিডারের কথা মনে পড়ে গেলো।:-)))
    আসলে সে বেচারারও কিছু বলার ছিলো,কিন্তু কথা বলতে পারে না তো! মানে বল্লেও ডকুর ডাকুরা বোঝে না!:-((
  • dri | ২৬ জুলাই ২০০৬ ০১:৪৭632921
  • সেই। এভ্রিবডি হ্যাজ আ রিজ্‌ন।

    আমি যে গোরিলার গ্রুপটা দেখেছিলাম তার লীডার ছিল দশাসই চেহারার এক মহিলা গোরিলা। বিরাট একটা পাথরের ওপর বদে সবকিছু পর্যবেক্ষন করছিল।
  • tan | ২৬ জুলাই ২০০৬ ০২:০৫632922
  • আমাদের দেশে আর পশ্চিমেও মা বলতে যেমন রেনেঁসাসের ছবির মা মেরির মতন শুদ্ধ শান্ত শিশুকোলে এক মাতৃমূর্তির আদর্শ দেখে এসেছি, ফর্সা সুন্দর বড়ো টিপ কপালে রাঙামুখ মা,এইটেই অ্যাক্সেপ্টেড বলে মেনে নিয়েছিলাম।
    ভয়ংকরী মা কালি সাইড ট্র্যাক বা দুর্বোধ্য কিছু বলে টেকেন ফর গ্রান্টেড ছিলো।
    প্রথম এদেশের দশাসই আর প্রচন্ড এক্সপ্রেসিভ কৃষ্ণাঙ্গিনীদের দেখে প্রথম ধারণাটা টাল খেলো।
    তাও প্রথম দিকে শক লাগতো,মানুষের বাইরেটা ভেদ করে মন দেখা সহজ ব্যাপার তো না।তারপরে দিনের পর দিন বাস্তবে ও টিভিতে নানা প্রোগ্রামে দেখতে দেখতে ধাতস্থ হই।
    এক দশাসই মহিলা যেমন রেগে গেলেই কবিতা বলেন,'ইউ বেটার চেক ইয়োরসেল্ফ/বিফোর ইউ রে্‌রক ইয়োরসেল্ফ!"
    এদের দেখে অনেক অনেক কনফি পাই।
    তবে মা কালিকে বুঝতে এখনো অনেক বাকী। :-)))
  • dri | ২৬ জুলাই ২০০৬ ০২:২৮632923
  • ন্যাকা মেয়েদের নিয়ে যোর বক্তব্যর সাথে একমত। অনেক ছেলেই ন্যাকা মেয়ে পছন্দ করে। ডিম্যান্ড না থাকলে সাপ্লাই থাকে না।

    সিমিলারলি, অনেক মেয়েই একটু ডমিনিয়ারিং ছেলে পছন্দ করে। যারা বাইরে বেরোলে বাইরের ব্যাপার সামলাবে। ডিম্যান্ড আছে বলেই না সাপ্লাই।

    ছেলেরাও ন্যাকামি করে। রান্নাবান্নার ব্যাপার এলেই পারিনা, কোনোদিনও করিনি, তুমি তো কত ভালো কর হ্যান ত্যান বলে। অন দ্য আদার হ্যান্ড, অনেক মেয়েই আবার রান্নাঘরটা নিজের টেরিটরি মনে করে, এবং সেটা নিজে শক্ত হাতে চালনা করতে পছন্দ করে।

    রান্নাবান্না মেয়েরা করবে এটা যেমন স্টিরিওটাইপ, বাইরে বেরোলেই মেয়েদের বাসে চড়াতে হবে, খাওয়াতে হবে এগুলো ও স্টিরিওটাইপ। এই স্টিরিওটাইপগুলো আছে এবং যে যার নিজের মত করে এগুলোর থেকে সুবিধে আদায় করে নেয়। ছেলে মেয়েরা গ্রুপে বেরোলে মেয়েরা তো কক্ষনো পার্স বার করত না। কিছু ছেলে আবার চাইত না যে মেয়েরা খরচ করুক। বরং এই ব্যাপারটাকে ইউজ করে মেয়েদের ইমপ্রেস করতে চাইত।

    কে কি পছন্দ করে তার সোশাল ডাইনামিক্স আছে। আর সমাজ বদলানো সোজা নয়। প্রতি পদে পদে সবাই সমান এটা একটা আইডিয়াল। এই আইডিয়াল বাস্তবে রিয়েলাইজ করান সহজ নয়।
  • tan | ২৬ জুলাই ২০০৬ ০২:৫০632924
  • তাইলে শেষ অব্ধি দাঁড়ালো কি?
    তালগাছে তাল বা জটা যাই থাকুক, থাকুক। যে যার মতন কাজে লাগিয়ে যাবে। শিকপোড়া দিয়ে কোনো লাভ নেই।:-)))

    কাজের জগতে পার্টনার হলে কিন্তু সমান মেনে নিতে হবে,নইলে কাজটা চৌপাট হয়ে যাবে। পরে বাড়ী গিয়ে যখন ধরাচূড়া খুলে পার্সোনাল হবে,তখন যে যার মত। পরস্পরের ক্ষতি না করে বা কষ্ট না দিয়ে কার্যোদ্ধার হয়ে গেলে মন্দ কি?
  • dri | ২৬ জুলাই ২০০৬ ০৩:৫৯632925
  • এবং ফাইনালি, খোলামেলা পোশাকের কথা। খোলামেলা পোশাক, প্রকাশ্যে মদ খাওয়া এগুলো পুরুষদের মতো অনেক ভারতীয় মহিলারাও ভালো চোখে দেখেন না। বিশেষ করে যারা পোশাকের ব্যাপারে রক্ষণশীল, বা মদ টদ পছন্দ করেন না। ইন ফ্যাক্ট, অন্যের ড্রেসিং স্টাইল, ড্রিঙ্কিং হ্যাবিট, লাইফস্টাইল এইসব নিয়ে অনেক বেশী মাথা ঘামান এবং পিএনপিসি করেন মহিলারা। জাজমেন্টাল হবার সুযোগ কেউ ছাড়ে না। বিভিন্ন মানুষ বিভিন্ন পোশাকে শক্‌ড হন। আমি যদি কোন পার্টিতে গেঞ্জি আর লুঙ্গি পরে যাই, অনেক আমেরিকানও শক্‌ড হবেন হয়ত। সব কিছুরই লাইন টানা থাকে। একটা পার্টিতে পেটখোলা ড্রেস পরা কোন মহিলা দেখে একজন আমেরিকান শক্‌ড হবেন না। কিন্তু সেই আমেরিকানই হয়ত শক্‌ড হবেন যদি ঐ পেটখোলা ড্রেসে একজন নিউজ রিডার নিউজ পড়েন। সব জায়গায় সব কিছু চলে না। বিকিনি পরে সমুদ্রের তীরে বসে থাকা যায়। কিন্তু এয়ারপোর্টে এয়ারলাইন্সের কাউন্টারে বসে থাকা যায় না।
  • dri | ২৬ জুলাই ২০০৬ ০৪:০৬632926
  • শেষ অব্দি কি দাঁড়াল তা তো জানি না। তবে এই অব্দি দাঁড়াল যে কেউই holier than thou নয়।

    আর তালগাছে কত তাল আর কত জটা থাকবে সেটা সময় বলবে কিছুটা। কিছু পরিবর্তন আস্তে আস্তে হচ্ছে। মাঝে মাঝে বড় বড় ধাক্কায় জোর পরিবর্তনও হয়। তবে রাতারাতি কিছুই বদলায় না।
  • J | ২৬ জুলাই ২০০৬ ১২:৫০632927
  • dri এর লেখা পার্টিতে গেঞ্জি-লুঙ্গি এখানে অবান্তর। লিখেছিলাম, একই পার্টিতে এক ভারতীয় মেয়ের খোলা মেলা পোশাক আর ওয়েস্টার্ণ মহিলার খোলা পোশাক, এদুটোয় ভারতীয় ব্যাটাছেলে কীভাবে রিয়াক্ট করে থাকে, কোথায় সে শক্তের ভক্ত আর কোথায় নরমের যম। যাগ্গে।
    আর এক কথা চোদ্দোবার জিগ্যেস ক্যানো অন্যেরা করে না? তারাও তো সেই একই ইস্টিশানে যায়, সেই একই ট্রেনে ওঠে, তবে কি তারা একটু মন দিয়ে টিকিটটা পড়ে নেয়, এবং টিকিটের টেক্সটগুলোকে বিশ্বাস করতে পারে বলেই? আর মেট্রো স্‌ট্‌শনের ভেতরের প্ল্যাটফর্মে স অ ব কিছুই পোষ্কার করে লেখা থকে, ম্যায় ডিরেকশানের অ্যারো অব্দি। তবে? আমি নিজেই সম্মুখীন হয়েছি এরম প্রশ্নের বারবার। ক্যানো এরম হবে? শুধরে নেয়া যায় না কি নিজেদের? ভুল স্বীকার করতে এত বাধা ক্যানো আমাদের? অথচ ভুল কে জাস্টিফাই করতে তো বাধা নেই। তাই কি আমাদের ভুল আর শোধরানোই হয়ে ওঠে না? শুধু নিজেদের আড়াল করতে থাকি আর বলতে থাকি-ঐ দ্যাখো ঐদ্যখো ওরা ওভার স্মার্ট, ওরা মুখ্যু, ওরা ওপরচালাক। এতে ক্ষতিটা কার হচ্ছে?
  • J | ২৬ জুলাই ২০০৬ ১২:৫৯632928
  • ইন্ডিয়ান পুরুষরা কোনো দায়িত্ব ঘাড়ে এলেই টেনসায়। ঐ টুরিস্ট গ্রুপের কথায় dri এর কমেন্ট পরলাম। বৌ বাচ্চা নিয়ে বেরোলেও তারা টেনশানে ফুলে থাকে। লিডার ভাবে ক্যানো নিজেকে? বাচ্চা একটু পিছিয়ে পড়েছে, অমনি টেনশান। বৌ বেড়ানোর সব দায়িত্ব ব্যাটাছেলের হাতে সঁপে নিশ্চিত? dri এর কথা মতো ধরে নিচ্ছি তাই। সেই সঙ্গে বৌ এর ও মনে মনে ভয়, দলছাড়া না হয়ে পড়ে। সেটা দুজনের দল হলেও ভয়। একটা শপিং সেন্টারের এক জায়গায়, বা চিড়িয়াখানার একটা মোড়ে, বা কোনো ত্যুরিস্ট স্পটের একটা কোনো জায়গায় ল্যান্ডমার্ক রেখে বর আর বৌ এর সেই টিম কি ভাগ হয়ে যে যার মতো ঘুরে আসতে পারে না? সময় ঠিক করা রইল দুঘন্টা পরে এখানে মিট করব, ব্যাস। ইন্ডিয়ানরা এরম কত্তে পারে না। যখন বর বৌ দুজনেই ইন্ডিয়ান তখন এরক ঘটা খুব খুব রেয়ার, কোটিতে এক।
  • J | ২৬ জুলাই ২০০৬ ১৩:০৮632929
  • ইন্ডিয়ান মেয়েদের ন্যাকামি কিনা জানি না, তবে ইন জেনেরাল ভারতীয় মেয়েদের কাছে, প্রেগন্যান্সি হচ্ছে একটা লজ্জা লজ্জা ব্যাপার প্লাস অসুস্থতা।
    প্রেগন্যান্সি ক্যানো লজ্জার ব্যাপার? হুঁ হুঁ হুঁ হুঁ .. তারপরে একটু ক্যামোন ক্যামোন হাসি।
    প্রেগন্যান্সি ক্যানো অসুস্থতা? মর্নিং সিকনেস হয় বলে? বমি পায় বলে? পায়ের পাতা ফুলে যাচ্ছে বলে? না। যাদের এহুলো হচ্ছে না, তাদের ক্ষেত্রেও এটা একটা অসুখ।
    অনেক লেখাপড়া জানা মহিলাদের বলতে শুনেছি, - দেখেছেন তো আমার এরম অবস্থা, অসুস্থ শরীর, হ্যানো ত্যানো।
    তখন যদি শুধোই (মানে সত্যিই বোকার মতো শুধিয়েছি বুঝতে না পেরে)- তাই? অসুখ নাকি আপনার? কি হয়েছে? ডাক্তার দেখিয়েছেন?
    তখন একটু অপ্রতিভ হয়ে সেই মহিলা, স্লাইট লজ্জা পাবেন ( মরে যাই একি লজ্জা!) তারপরে মৃদু মৃদু দুষ্টু হেসে বলবেন - না মানে ইয়ে, এটসেটরা এটসেটরা।
    মোটকথা প্রেগন্যান্সি একটা রোগ। আর পেটে বাচ্চা এসে যাওয়াটা খুব ইয়ে মানে লজ্জা লজ্জা ব্যাপার, যতটা ঢেকে ডুহুকে রাখা যায়।
    এটা বেশ ন্যাকামি।
  • J | ২৬ জুলাই ২০০৬ ১৩:২০632930
  • আরেকটা খেলা গত দশ পনেরো বছর ধরে খুব চালু হয়েছে। ছেলেদের বেশি মেয়েদের এক্টু কম, কারণ খেলাটা এক্সপেনসিভ। এটা এক্সক্লুসিভলি হিন্দু ভারতীয়দের খেলা। হাতে গাদাগাদা আঙি্‌ট। অর্নামেন্টাল ইউসেজ নয়, মেন্টাল ইউসেজ মনে হয় আমার। বিভিন্ন ওজনের চুনি পান্না নীলা মুক্তো এমেথিস্ট গোমেদ পোখরাজ সোনায় বা রূপোয় মুড়ে মুড়ে কুদর্শন কিছু আংটি। সেগুলো আবার পাথর স্পেসিফিক, আঙ্গুল স্পেসিফিক, ডান হাত না বাঁ হাত, কত রতি, এটসেটরা। কিছু বললেই ধর্ম বিশ্বাসে আঘাত লেগে যাবে। ঐ রক্তমুখী নীলা এই ভদ্রলোককে চাগ্রীতে উন্নতি করাচ্ছে, ঐ মুক্তোর আঙি্‌ট ঐ মহিলাকে হিস্টিরিয়া থেকে বাঁচাচ্ছে। এর সব লেখাপড়া জানা লোকজন। পচুর সায়েন্সের ছাত্র। অথচ হাতের আঙ্গুলে বয়ে বেড়াচ্ছে বিচ্ছিরি দেখতে কিছু আংটি। ঐ আঙি্‌টগুলোই যদি একটু গুছিয়ে সুন্দর ডিজাইন করে বানানো হতো দেখতে কতো সুন্দর লাগতো। কিন্তু না, ক্লামজিনেসই আমাদের চরিত্রে ভরসা এনে দেয়।
  • J | ২৬ জুলাই ২০০৬ ১৩:২১632932
  • আঙটি।
  • J | ২৬ জুলাই ২০০৬ ১৩:২৯632933
  • আরেকটা স্বভাব ইন্ডিয়ান পুরুষদের মধ্যে খুব লক্ষ্য করা যায়। এই সেম স্বভাব "গোরিলা" বলে একটি গানের গ্রুপের মিউজিক অ্যালবামে হলোগ্রাম করা একটা কম্পুটারাইজ্‌ড গোরিলাকে করতে দেখেছিলাম ফর কমিক রিলিফ।
    সেটা হচ্ছে বারবার অন্যমন্‌স্‌কভাবে সর্বসমক্ষে প্যান্টের ওপর দিয়েই নিজের শুক্রস্থলীর ব্যালেন্স ঠিক করা এবং মাঝে মাঝেই হাত লাগিয়ে দেখে নেয়া ওগুলো স্বস্থানেই আছে কিনা। হারিয়ে গেলো নতো? পড়ে যায় নি তো?
    এগুলোকে বিচি চুলকোনো হ্যাবিট অনেকে বলে থাকে। কিন্তু বস্তুত: এখানেও ল্যাক অফ কনফিডেন্স। একটা ভয়, সেই ভয় থেকে অভ্যাস, দনসম্পত্তি সব ঠিকঠাক আছে কিনা বারবার চেক করে নেওয়া।
  • vikram | ২৬ জুলাই ২০০৬ ১৪:৪১632934
  • এমিনেমও বিচি হাতে ঘুরে বেরায়। এমনকি লন্ডনে ঐ পোজে এমিনেমের পোর্ট্রেট অবধি আছে।
    আর ঐভাবে ঘুরে বেরায় ডাবলিনে একটু ওয়ার্কিং ক্লাস এরিয়ায় গেলে তারা যাদের গালাগালি দিয়ে বলা হয় স্ক্যাঙ্গার্স।

    বিক্রম
  • a x | ২৬ জুলাই ২০০৬ ২০:১৫632935
  • হে হে কেউ কি ফাসবিন্দরের জার্মানী ইন অগস্ট (Deutschland im Herbst) দেখেছেন? তাতে fassbinder সম্পূর্ণ উলঙ্গ, দুলিয়ে দুলিয়ে সামনে দিয়ে বহুবার হেঁটে শেষে থেবরে বসে খানিকটা চুলকেও নেয়। ভাবুন তো আমাদের সত্যজিত যদি ...
  • tan | ২৬ জুলাই ২০০৬ ২০:১৯632936
  • আগস্ট মাসের জার্মানীতে খুব গরম,এইটুকু বোঝা গেলো!
  • J | ২৬ জুলাই ২০০৬ ২০:২৮632937
  • সিনেমায় আর নতুন কি? আমরা তো চাদ্দিকে এসব এম্নি এম্নি দেখেই বড়ো হলুম।
  • dri | ২৬ জুলাই ২০০৬ ২৩:৩৩632938
  • তারমানে সব কিছুর মুলেই রয়েছে কনফিডেন্সের অভাব। :-)। আমার এক বান্ধবী পুরুষের যেকোন বৈশিষ্টের মধ্যেই 'ইনসিকিওরিটি' দেখতে পেত। অবার অনেক ছেলেদের দেখেছি মেয়েরা যা করে সবকিছুতেই 'ন্যাকামো' দেখে। আঁখে আপনা আপনা।

    কান চুলকানো ও কি তবে কনফিডেন্সের অভাব? কানটা হারিয়ে গেল কিনা চেক করে নেওয়া? এমন কি হতে পারে না যে সত্যিই বিচি চুলকেছিল? বা জাঙ্গিয়ার থেকে অস্বস্তিকর ভাবে বেরিয়ে গেছিল? ফ্রেঞ্চি টাইপের জাঙ্গিয়ায় এই সমস্যা খুবই হয়। খুব ফালতু ডিজাইন এইসব জাঙ্গিয়ার। শুধু অ্যাডেই সেক্সি দেখায়। গরমকালে একটু কমফর্টেব্‌ল, এই যা। আমি তো দেখেছি আন্‌কমফর্টেব্‌ল ভাবে ব্রা পরা হলে মেয়েরা ও মাঝেমাঝেই ব্রায়ের স্ট্র্যাপ অ্যাডজাস্ট করে যায়। বিচি কি শরীরের পার্ট নয়? কেন চুলকানো যাবে না যখন চুলকোবে? আমি বরং সমস্যাটাকে অন্যভাবে দেখি। সবারই সবকিছু ফ্রিলি চুলকোতে পারা উচিত। মেয়েরা কেন পারে না সেই নিয়ে আলোচনা হতে পারে। আমি একজন মেয়েকে দেখেছিলাম ক্রচ চুলকোতে। চুলকোলে কি করবে? সবাই পারে না অবশ্য।
  • dri | ২৭ জুলাই ২০০৬ ০০:৩৭632939
  • ভারতীয় ব্যাটাছেলেদের একাংশ কিভাবে ভারতীয় নারী এবং বিদেশিনির স্বল্পবাসে ভিন্নভাবে রিয়াক্ট করেন সেটা আমি অস্বীকার করিনি। শুধু বলেছি এই রিয়্যাকশান ভারতীয় ছেলেদের একচেটিয়া নয়। বহু ভারতীয় মহিলারাও এই ব্যাপারটাকে ভালো ভাবে নেন না। এবং দু নম্বর হিসেবে এটাও বলেছি পোশাক আসাকের ব্যাপারে প্যাখনা সব জাতিরই বিভিন্ন ফর্মে আছে। সেই জন্যেই বিকিনি পরা নিউজ রিডার আমরা দেখিনা। সেই জন্যেই লুঙ্গি আর গামছার মত খোলামেলা পোশাক পরে হিলটনে ঢোকা যায় না।
  • J | ২৭ জুলাই ২০০৬ ০১:১১632940
  • এবার কোশ্চেন হচ্ছে যে, এই মানসিকতা বা অভ্যেসগুলো কি আমাদের পাল্টে ফ্যালা উচিৎ?
  • dri | ২৭ জুলাই ২০০৬ ০২:০৮632941
  • ডিপেন্ড করছে কোন অভ্যেস বা মানসিকতা।

    আমার মতে ভারতীয় পুরুষ ও নারীর অন্যের স্বল্পবাস মেনে নেওয়া উচিত। লুঙ্গি পরে হিলটনে ঢুকলে মিষ্টি হেসে ক্রেডিট কার্ড দেখতে চাওয়া উচিত। ছেলে মেয়ে নির্বিশেষে ক্রচ চুলকোতে দেওয়া উচিত। এমনকি নাকে সুড়সুড় করলে নিউজ রিডারকে নিউজ পড়া থামিয়ে নাক খুঁটতেও দেওয়া উচিত। তবে বাচ্চা ছেলে ভারতের রাস্তায় পেছন পেছন হাঁটলে লক্ষ্য করা উচিত। তবে আমেরিকার মত দেশে অধিকাংশ যায়গায় যেখানে রাস্তাঘাট অনেক সেফ সেখানে অত খেয়াল না করলেও চলে। পরিস্কার করে বড় বড় করে ডিরেকশান লেখা আছে সেখানে সাক্ষর লোকের জিগ্গেস করা উচিত না। নিরক্ষর হলে আলাদা কথা। কিন্তু যেখানে প্রশ্নের উত্তর পরিস্কার করে কোথাও লেখা নেই সেখানে অন্তত দুজনকে জিগ্গেস করে ইন্ডিপেন্ডেন্টলি ভেরিফাই করা উচিত। প্যারিসের রাস্তায় হলে তো অতি অবশ্যই।

    তবে মতামত আপনা আপনা।
  • tan | ২৭ জুলাই ২০০৬ ০৫:২৪632943
  • পরে হাত ধোবার জন্য প্রত্যেকের কাছে জলের কম্পালসারি বোতল ও পোর্টেবল পাতা সাবান রাখতে হবে।
    ছি ছি ছি,মানুষে কি বাঁদর? :-)))
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা মনে চায় মতামত দিন