এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Sumit | ০৫ মার্চ ২০১৫ ০০:২৩668609
  • "ভালবাসার" না হলে,
    দেশ এর আইন এর ওপর আমার অগাধ বিশ্বাস।
    আইন বদলানোর আলাদা আন্দোলন হওয়া দরকার, যাতে এই কাটাকাটি ব্যাপার টা আসে। না হলে রেপ করলো, নৃসংশ ভাবে খুন করলো, তারপর ২ মিনিটের ফাঁসি? তাও আবার কিছু ছাগল মোমবাতি নিয়ে মিছিল করবে। পাগল নাকি?
  • koutuhol | ০৫ মার্চ ২০১৫ ০০:৩৫668610
  • " ভারতে ডেথ পেনাল্টি কারা পায়? দেখা যাবে প্রায় সব ক্ষেত্রেই হয় দলিত নয় রিলিজিয়াস মাইনরিটি। " - এটা কি ধারণা না ফ্যাক্ট এর ভিত্তি তে ?
    একটা executed লিস্ট পেলাম
    http://en.wikipedia.org/wiki/List_of_offenders_executed_in_India
    নাম গুলোতে চোখ বোলালাম - দেখলাম ওতে এগুলো ও আছে - সিং, রেড্ডি,ঘোষ, বোস, সরকার, দত্ত, শুক্লা, দেশপান্ডে, পাতিল, পাল, চ্যাটার্জি, গুপ্ত, ভাট, শীল, লাল, কুমার, প্রসাদ। সিং সবচেয়ে বেশি - মানে হয় শিখ নয় জাঠ / ক্ষত্রিয / রাজপূত /ভূমিহার। মুসলিম ৯ জন।
  • বোঝো | ০৫ মার্চ ২০১৫ ০০:৪১668611
  • না হলে সুমিত নিজে ঐ খরচাপাতিটুকু করবেন না। এ আর না বোঝার কি আছে? ট্রল করার জন্য এই টই টা না বেছে নিলেই ভালো হয়।

    অবশ্য সবার আবার সব রচনা পড়া থাকে না। যার যেটা পড়া সেটাই তো লিখবেন !! যেমন কল্লোলবাবু ফারাবীর ব্যাপারে এখনো সুনির্দিষ্ট কিছু বলেন নি (মৃত্যুদন্ড নিয়ে অবশ্যই বলেছেন), বললে শাক্যজিতের সঙ্গে খুব বেশি মতপার্থক্য থাকবে না বলেই মনে হয়। এখন সময়টাই এমন, ফারাবীর মানবাধিকার নিয়ে কথা বলতে গেলে গণরোষের মুখে পড়ার সম্ভাবনা বেশি, তাই শাক্যজিতের মতো, সময় নিয়ে ব্রেকের পরে ফিরে আসার নীতিই অনেক সঠিক।
  • sm | ০৫ মার্চ ২০১৫ ০১:০৩668612
  • কৌতুহল কে ধন্যবাদ। যারা এমন লেখে, একটু কষ্ট করে উইকি দেখে নিতে পারেন তো। একটি বাক্য তে পুরো বক্তব্যের মানে বদলে যায়।কিছু ইনফারেন্স মনের মধ্যে রেখে দিয়ে বক্তব্য রাখলে, বড্ড একপেশে লাগে,
  • a x | ০৫ মার্চ ২০১৫ ০১:৩২668613
  • বেশ কিছুদিন আগে পড়া একটা রিপোর্ট থেকে - মোস্ট প্রব্যাবলি PUCL'এর রিপোর্ট। খুঁজে পেলে দিচ্ছি।
  • a x | ০৫ মার্চ ২০১৫ ০১:৩৩668614
  • ইয়ে, আমি খুব কম সময়ই উইকি দেখে লিখি। নিজগুণে ক্ষমা করবেন, কি আর বলব।
  • ranjan roy | ০৫ মার্চ ২০১৫ ০১:৩৪668615
  • মনে হয় সবটা বোঝেন নি। প্রশ্নটা গণরোষের নয়, বরং কনসিস্টেন্সির ও ক্ল্যারিটির।
    ফারাবির মানবাধিকার বলতে তাকে দেশের আইন অনুযায়ী প্রকাশ্যে বিচার করে আজীবন কারাবাসের সাজা দেওয়া হোক।।
    তারচেয়েও বড় কথা-- ফারাবি একলা নয়, দেশের জনসংখ্যার বেশ বড় অংশ মনে করেন যে আল্লা কে নিয়ে কোন প্রশ্ন, ক্রিটিক্যাল রিভিউ কোন সন্দেহ প্রকাশ করা--ব্লাসফেমি! আর শাস্তি মেরে ফেলা।
    দরকার তার প্রতিরোধ, বিরুদ্ধ প্রচার। সভ্যসমাজে অপছন্দের মতপ্রকশের ও সহাবস্থানের অধিকারই গনতন্ত্র। দরকার মুক্তমনা চালিয়ে যাওয়া; এদেশেও, দরকার হলে অন্যনামে।
    তবেই অভিজিত রায়ের শুরু করা লড়াই সার্থক হবে। শুধু ফারাবি-বধে নয়।
  • a x | ০৫ মার্চ ২০১৫ ০৪:২০668616
  • http://www.deathpenaltyindia.com/homepageslider/most-death-row-convicts-are-poor/

    It has taken 16 months, 400 interviews and over Rs 30 lakh for the ‘Death Penalty Research Project’ to see the light of day. Project head Anup Surendranath, an assistant professor at National Law University, Delhi, speaks to Uttam Sengupta

    What are the major findings of the study?

    I would not like to divulge all the details till we actually publish the report. But clearly an overwhelming majority of the convicts on death row are from backward castes, dalits and minorities. Most of them are actually first-time offenders and not habitual offenders as is widely believed. Most of them were convicted on the basis of recoveries arising out of confessions in a police station (such confessions are inadmissible as evidence in a court of law). Over 80 per cent of them, I would say, were tortured. And of course virtually all of them are poor. We knew it intuitively but for the first time in this country we are crunching numbers and actual case studies to show the reality on the ground. We also have interesting findings on the categories of crimes for which individuals are sentenced to death, the quality of evidence used, the nature of legal assistance, treatment in prisons etc.

    http://www.deathpenaltyindia.com/wp-content/uploads/2014/12/PrisonersExecutedinIndiasince-1947.pdf

    এবং এটা একেবারেই পার্শিয়াল লিস্ট। বিহার - এক্সেকিউশনের রেকর্ড রাখেনা (রাখলে এবং দেখলে কোন বর্গের লোক বেশি হত তা গেস করার জন্য নো ব্রাউনি পয়েন্টস); উই-এ খেয়ে গেছে - কেরালা; রেডটেপিসম - তামিলনাডু।
  • | ০৫ মার্চ ২০১৫ ০৮:৩২668617
  • রঞ্জনদা (1:34),

    "ফারাবির মানবাধিকার বলতে তাকে দেশের আইন অনুযায়ী প্রকাশ্যে বিচার করে আজীবন কারাবাসের সাজা দেওয়া হোক।।"
    যাবজ্জীবন কিনা, এই শাস্তিটা আপনি ডিকটেট করতে চাইছেন কেন? মা-মু (মাহবুব মুর্শেদ) এর প্রবন্ধে একদম ধারা তুলে তুলে দেওয়া আছে ফারাবী কোথায় কোথায় বাংলাদেশের আইন ভঙ্গ করেছে এখনও পর্যন্ত। এর পরে খুনীদের সাথে তার সংশ্লিষ্টতা যদি প্রমাণ হয়, তাহলে আরও কিছু ধারা জুড়বে নিশ্চিত। যদি প্রমাণ নাও হয় তাহলেও এই পর্যন্ত ভঙ্গ করা আইনেও তার শাস্তি প্রাপ্য হয়। সেটা কম ও হতে পারে, বেশীও হতে পারে। কিন্তু যেটা জরুরী সেটা হল দ্রুত তদন্ত শেষ করে বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী শাস্তি হওয়া।

    যারা এক্ষুণি ফাঁসি চান আর যাঁরা তার বদলে কিছু চান দুপক্ষই আসলে নিজেদের জাজমেন্ট সরকারের হাতে এক্সিকিউটেড হতে দেখতে চান। এই প্রবণতা বিপজ্জনক।
  • | ০৫ মার্চ ২০১৫ ০৮:৩৩668211
  • এঅবং আপত্তিকর
  • dc | ০৫ মার্চ ২০১৫ ০৮:৪৬668212
  • a x এর রিপোর্টের কনক্লুশন খুবই ডিস্টার্বিং, মানে বেশীরভাগ যাদের ফাঁসি দেওয়া হয়েছে তারা গরীব আর পিছড়েবর্গ। যদিও পুরো ডেটাসেটটা যদি পাবলিশ করা হয় তো এই কনক্লুশনটা আরো ঠিক করে বোঝা যাবে।

    তবে একটা জিনিষ দেখলাম, বেশীরভাগ রাজ্যেই (অন্ধ্র ধরছি না) দেখলাম ইদানিংকালে খুব বেশী ফাঁসি হয়নি। অন্তত লাস্ট দশ-পনেরো বছরে। তাহলে কি ফাঁসি দেওয়ার প্রবনতটা কমছে? তাই যদি হয় তাহলে তো ভালোই।
  • ranjan roy | ০৫ মার্চ ২০১৫ ০৯:০৪668213
  • দ,
    অ্যাক্সেপ্টেড।
    আমি আসলে "ফাঁসি হোক" বা "হাত-পা কেটে ফেলা হোক" গোছের নী-জার্ক রি-অ্যাকশনের বিরুদ্ধে বলতে চাইছিলাম। তাই আমার স্কেলে মৃত্যুদন্ডের অল্টারনেটিভ আজীবন কারাবাস।
    বলতে চাইছি তোমার ওই বক্তব্যটাই-- নির্দিষ্ট দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী বিচার।
    আর আমার মতে কাসভ ও ফারাবির সমস্ত বিচারাধীন বন্দীর মত কিছু অধিকার আছে -- তা হল বিচারপ্রক্রিয়ায় ন্যাচারাল জাস্টিসের ক্যাননটি।
    No one should be punished without being heard.।
    কেননা আমরা মানুষ। আমরা কাসভ বা ফারাবি নই।
  • ranjan roy | ০৫ মার্চ ২০১৫ ০৯:১৭668214
  • হ্যাঁ ডিসি।
    তবে প্রণব মুখুজ্জে রাষ্ট্রপতি হয়েই একগাদা ফাঁসির আদেশে শিলমোহর দিয়েছিলেন। আগের দুয়েকজন পেন্ডিং রেখেছিলেন।

    আর "রেয়রেস্ট অফ রেয়ার কেস" না হলে প্রাণদন্ড হয় না আজকাল। সশ্রম কারাদন্ড, ১৪ বা আজীবন।
  • LB | ০৫ মার্চ ২০১৫ ০৯:৪৮668215
  • রঞ্জনদা ১২:০৯ এ ক। গায়ের কালি লোকে দেখে ফেললো বলে গেলো গেলো করছে সব। "মেক ইন ইন্ডিয়া" তে মুকেশের মত লোকজন "মেক" হয় সেটা মানা যাচ্ছে না। ভারত মানে ত্যাগ/তিতিক্ষা/অমরপ্রেম - সেখানে এই ধ্যানধারণার লোক, আরে রামোঃ
  • ranjan roy | ০৫ মার্চ ২০১৫ ০৯:৫৮668216
  • এগজ্যাক্টলি!
  • Arpan | ০৫ মার্চ ২০১৫ ১০:০৭668217
  • একমত।

    ওবামাকাকু যখন ইন্ডিয়ার রিলিজিয়াস ইনটলারেন্স নিয়ে বাণী দিয়েছিলেন তখন এই অর্ণব চেঁচাচ্ছিল ফার্গুসন নিয়ে। আশ্চর্য যুক্তি।
  • qq | ০৫ মার্চ ২০১৫ ১১:৫৭668218
  • উইকি রিপোর্ট এর বেস People's Union for Democratic Rights (PUDR) এর ডাটা, নাম সহ রয়েছে। ওই রিসার্চ পেপার টিতেও এক ই নামের তালিকা। নাম গুলো দেখে কিন্তু কৌতুহলের IP Address : 24.99.77.184 (*) Date:05 Mar 2015 -- 12:35 AM প্রশ্ন গুলো থেকেই গেল। পেপার লেখক কি বেসিসে এই সিদ্ধান্তে এলেন ? গরিব এমনেই দলিত নয় কিন্তু, যেমন হেতাল পারেখ মামলার ধনঞ্জয় চ্যাটার্জি
  • সিকি | ০৫ মার্চ ২০১৫ ১২:৪৪668219
  • কাল অন্য একটা ফেবু গ্রুপে তানিমের সঙ্গে কথা হচ্ছিল। তানিম নামে নয়, "এক আফঘান মুসাফির"। জানা গেল, ফারাবীর অনুগামীরা (যার মধ্যে তানিম নিজেও আছে) ফারাবীর মুক্তির দাবিতে কাল ঢাকায় মানবশৃঙ্খল তৈরি করতে চেয়েছিল। পুলিশ অনুমতি দেয় নি - বলেছে আগামী ১৩ ১৪ দিন ফারাবীর সমস্থনে কোনও জমায়েত করা যাবে না। তাইতে তানিম খুব দুঃখ পেয়ে লিখেছে - সরকার আমাদের অহিংস সলিডারিটি মুভমেন্টে অনুমতি না দিলে এর পরে আমাদের অহিংস হওয়া ছাড়া আর কোনও রাস্তা থাকবে না ইসলামের সম্মান রক্ষার্থে।

    ও হ্যাঁ, আরও জানা গেছে ক্রিশ্চান মেয়েরা তাদের জামার মাধ্যমে বুকের এবং হিন্দু ছেলেরা ধুতির মাধ্যমে পাছার ভাঁজ দেখাতে অভ্যস্ত। একমাত্র মুসলমানরাই সঠিক সোবার জামাকাপড় পরে।

    আরও জানা গেছে, ইসলাম অনুযায়ী হিন্দু বা যে কোনও প্যাগান ধর্মের দেবদেবীকে অপমান করা, গালিগালাজ করা জায়েজ, সেটা নাকি ফরজ (acceptable / permissible)।

    এগুলো কি নির্মল আনন্দে যাবে?
  • a | ০৫ মার্চ ২০১৫ ১৫:৫৮668222
  • ফরজ মানে কি acceptable? আমার ধারণা ছিল ফরজ মানে কর্তব্য, দায়িত্ব। হিন্দি ফর্জ বলতে যা বোঝায় আর কি
  • সিকি | ০৫ মার্চ ২০১৫ ১৬:০৪668223
  • হ্যাঁ, ফর্জ / ফরজ মানে ডিউটি - কর্তব্য।
  • sm | ০৫ মার্চ ২০১৫ ১৬:১৭668224
  • শুধু পব র লিস্টেই দুজন চ্যাটার্জি সহ, ঘোষ, বোস,দত্ত এদের নাম পেলাম।এরা মনে হয় ব্যাকওয়ার্ড কাস্ট বা দলিত নয়। রিলিজিয়াস মাইনরিটির সংখ্যাও ওভারহেলমিং নয়। ফলে মেলানো অসম্ভব হয়ে পড়ছে।
    অক্ষ, ধন্যবাদ আপনি একটি রেফারেস এর সাপেক্ষে বলেছিলেন।
  • বুড়া | ০৫ মার্চ ২০১৫ ১৬:৪৮668225
  • আভিধানিক অর্থে ফরজ নিশ্চয়ই কর্তব্য, কিন্তু ইসলাম ধর্মের অনুষঙ্গে যখন শব্দটা আসে,তখন তা অবশ্যকর্তব্য অর্থে।
    ইসলাম ধর্মে কর্তব্য প্রসঙ্গে দুটি শব্দ বারবার আসে, ‘সুন্নত’ ও ‘ফরজ’।সুন্নত করতে পারলে ভালো,যেমন,বস্ত্রের প্রান্ত গোড়ালির নিচে না নামা,খাওয়ার পর কাঠি দিয়ে খুঁচিয়ে দাঁত পরিষ্কার (খিলাল),দাড়ি রাখা ও গোঁফ ছাঁটা (খাদ্যবস্তু যেন গোঁফে কোনমতেই না লাগে)ইত্যাদি।এই অভ্যাসগুলি হজরত মোহাম্মদের ছিল বিধায় তা অনুসরণ করা হয়।
    ফরজ কিন্তু অবশ্যপালনীয়।যথা,কলমা,নামাজ,রোজা,হজ ইত্যাদি।যিনি পালন করেন না,তিনি কাফের।
  • সিকি | ০৫ মার্চ ২০১৫ ১৬:৪৯668226
  • পড়ুন। ছাগলদের প্রোগা।

    https://www.facebook.com/islamicmovementbd/posts/386726971508170

    অভিজিৎ রায়ের হত্যার আসল রহস্য এবং সবচেয়ে বড় একটি চ্যালেঞ্জ।
    @@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@

    লেখাটি শুরু করার আগে কিছু তথ্যের দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ

    •অভিজিৎ রায়কে তার বাবা দেশে আসতে নিষেধ করেছিলেন

    •এবার বইমেলায় ৪০টি সিসিটিভি ক্যামেরা ছিল

    •যেখানে হত্যা হয়েছিল সেটি ছিল একটি জনবহুন স্থান

    •ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আশে পাশে কোনো প্রকাশ্যে সরকার বিরোধী যেতে পারে না

    •হত্যার সময় পুলিশ এমনকি আন্সার সদস্যও আশে পাশে ছিল

    •হত্যার মূহুর্তের মধ্যে মিডিয়ায় খবরটি প্রকাশ হয়ে যায়

    •খুনিকে পালাতে হলে অবশ্যই একটি পুলিশ চেকপোস্ট/চেকপয়েণ্ট পার হতে হবে।

    •খুনের সময় লাইট বন্ধ করে দেয়া হয়

    •খুনের সময় ফারাবী ফেসবুকে ছিল

    •ফারাবীকে বইমেলার কোনো ফুটেজে পাওয়া যায় নি

    •খুনের সময় ফারাবীর মন্তব্য পর্যন্ত ফেসবুকে দেখা গেছে।তার গ্রেফতার হবার শেষ স্ট্যাটাসে ওভে যিহদ নিয়ে হিন্দুদের জবাব দিচ্ছিল

    •ফারাবী যদি আসলেই খুনি হতো তবে সে কি আর ঢাকায় থাকত? মোটেই না।বরং সে সন্দেহ এড়ানোর জন্য ঢাকা থেকে চলে যেত(তবুও ফারাবীর পক্ষে এটাই শুধু আমার যুক্তি না।আরও আছে।সেগুলো পোস্টে জানবেন ইনশাল্লাহ!)

    যেভাবে হত্যা করা হলো অভিজিতকেঃ

    বাবা অজয় রায়ের নিষেধ সত্ত্বেও ফেব্রুয়ারির ১৫ তারিখ ব্লগার অভিজিৎ ও তার স্ত্রী বন্যা আমেরিকা থেকে দেশে আসেন। বিদেশ থেকে আসার পর থেকে নিয়মিত বইমেলায় আসতেন এ দম্পতি। ঢাবির অধ্যাপক মেজবাহ কামালের সাথে অভিজিতের বাবা ঢাবির অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক অজয় রায়ের বিরোধ চলছিল। মেজবাহ অজয় রায়কে বিভিন্ন সময় হুমকিও দিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন অজয় রায়ের সহকর্মীরা। সে কারণে অজয় রায় অভিজিতকে দেশে আসতে নিষেধও করেছেন।
    বাংলা একাডেমির সিসিটিভি ফুটেজ থেকে র্যাবের ভাষ্য অনুযায়ি, অভিজিত যখন বইমেলাতে ছিল তখন তার সাথে ২ জন ঘোড়াঘুড়ি করেছে। একসাথে চাও খেয়েছে। অভিজিত যখন বইমেলা থেকে চলে যেতে উদ্ধত হয় তার আগে কেটে পরে সে ২ জন। তারাই কিলারদের অভিজিতের অবস্থান জানায়। হত্যাকান্ডের সময় লাইট বন্ধ করে দেয়া হয়। অভিজিতের সাথে ২ জন কে ছিল সেটাও সনাক্ত করেছে র্যাব। তারা হলেন আরিফ জেবতিক ও অমি রহমান পিয়াল। ঘটনার দিন বইমেলায় যতক্ষণ অভিজিত ছিলেন ততক্ষণ নজরদারি করছিলেন আরিফ জেবতিক। আরিফ জেবতিক অভিজিতের সাথেই ছিল বলে জানিয়েছে র্যাব। বাংলা একাডেমির সিসিটিভি ফুটেজ দেখে র্যাবের এক সদস্য নাম না প্রকাশের শর্তে জানায়, আরিফ জেবতিক ও পিয়াল অভিজিতের সাথে ছিল। তারা একসাথে বইমেলায় ঘুড়েছে এবং চা ও খেয়েছে। অভিজিত যখন বইমেলা থেকে বের
    হবে তার আগে আরিফ ও পিয়াল সরে যায়। আরিফ জেবতিকের সাথে অভিজিতের অনলাইনে দীর্ঘদিনের বিরোধ চলছিল। মেলা থেকে বের হওয়ার পর ফোনে খুনিদের অভিজিতের অবস্থান জানায় অমি রহমান পিয়াল। সুপরিকল্পিতভাবে খুনিদের একটি গ্রুপ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ভেতর ছিল। অন্য একটি গ্রুপ মোটরসাইকেলে অপেক্ষমাণ ছিল ঘটনাস্থল ঢাবির টিএসসির রাজু ভাস্কর্যের অদূরেই ‘জামাল স্টোর’ নামে একটি চা দোকানের (রাস্তার) উল্টো পাশে। ঘটনার সময় সাদা শার্ট ও কোর্ট পরা দুজন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ভেতর থেকে স্কুলব্যাগে বহন করে চাপাতি নিয়ে এসে প্রথমে ব্লগার অভিজিৎকে আঘাত করে। বাঁচাতে এলে তার স্ত্রী বন্যাকেও কোপায় তারা। সে সময় লাইট বন্ধ করে রাখা হয়। যাতে সিসিটিভিতে দেখা না যায়। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছ থেকে জানা গেছে, তাদের বয়স ৩০ থেকে ৩৫ বছর হবে। অত্যন্ত ক্ষীপ্রতার সঙ্গে অভিজিৎকে কুপিয়ে ৫ মিনিটের মধ্যেই তারা স্থান ত্যাগ করে। প্রত্যক্ষদর্শী সেলিম চিৎকার করলে সে সময় ঘটনার পাশে অবস্থান করা বাপ্পাদিত্য বসুর গ্রুপটি তার দিকে তেড়ে গেলে তিনি ভয়ে পালিয়ে যান। ঘটনা সম্পন্ন করে খুনিরা রাস্তার উল্টো পাশে দাঁড়ানো মোটরসাইকেলে করে পালিয়ে যায়। আর ঘটনার সময় যাতে কেউ বাধা না দেয় এবং হত্যা করে নিরাপদে পালিয়ে যেতে পারে সে কারণে আশাপাশে ছিলো বাপ্পাদিত্য বসু, শামসুল ইসলাম সুমন, জয়দেব নন্দী, এরশাদুর রহমান চৌধুরী ও ওমর শরীফ। তারা ৫ টি গ্রুপে কমপক্ষে ১০ জন কর্মীকে নিয়ে অবস্থান
    করছিল। ঘটনাস্থল থেকে দুটি চাপাতি ও একটি ঘাড়ের ব্যাগ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

    অভিজিতের ময়নাতদন্ত ও সুরতহাল রিপোর্ট পযালোচনা করলে দেখা যায়, যেভাবে অভিজিতকে কোপানো হয়েছে ঠিক একইভাবে কোপানো হয়েছিল বিশ্বজিতকে। ঢাকা মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা। সোহেল মাহমুদ বলেন, দক্ষ কিলার ছাড়া এভাবে মানুষ হত্যা করা সম্ভব নয়। বিশ্বজিতের সুরতহাল রিপোর্টের সাথে অনেকাংশে মিলেছে অভিজিতের রিপোর্টটি। ঘটনাস্থলের অদূরে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের পাশের ফুটপাতের বই বিক্রেতা শাজাহান বলেন, বাঁচাও বাঁচাও শব্দে একটি নারী কন্ঠ শুনতে পাই। আমি ভেবেছিলাম ছিনতাইকারী ধরেছে। এরপরই ছাত্রলীগের কয়েকজন এসে আমাকে বলে, লাইট বন্ধ করে দে। কিছু দেখলেও চুপ করে থাকবি। এরপরই আমরা লাইট বন্ধ করে দেই।’ বই বিক্রেতা শাহিদা বলেন, ছাত্রলীগের লোকজন এসে আমাদের ভয় দেখিয়ে বলে লাইট বন্ধ কর। বাঁশি বিক্রেতা মো। লাল মিয়া বলেন, শুধু চিৎকার চেঁচামেঁচি শুনেছি। গণজাগরণ মঞ্চের কয়েকজনকে জিজ্ঞেস করলে তারা বলেন, যা করছেন সেটা করেন। এরবেশি বুঝতে চাইয়েন না। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ফুটপাতে বইয়ের দোকানের এক কর্মচারী জানান, ঘটনাস্থল থেকে দু’জনকে পালিয়ে যেতে দেখেছেন তিনি। পালানোর সময় আশেপাশে ছাত্রলীগ ও কয়েকটি বামদলের নেতারা ছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শী সানা মিয়া জানান, অভিজিতকে কোপানোর সময় ৩/৪ গজের মধ্যে অসংখ্য মানুষ ছিল। কিন্তু কেউ ঠেকানোর সাহস করিনি। কারণ সবাই ভেবেছে এটা ছাত্রলীগের দুগ্রুপের মারামারি। আর এ ঘটনার সময় ছাত্রলীগের অনেক নেতাকর্মী ঘটনাস্থলের অদূরে বটগাছটার নিচে ছিল। প্রত্যক্ষদর্শী গোলাম হোসেন জানান, ঘটনাস্থলের পাশে ছাত্রলীগ ও পুলিশ থাকায় প্রকাশ্যে হত্যা করলেও কেউ ঠেকানোর সাহস করেনি। অভিজিতকে ২ জন কুপিয়েছে। তাদেরকে কখনও দেখিনি। তবে ২ জনের সাথে আরও কয়েকজন ছিল তাদেরকে আমি চিনি। তাদের কেউ কেউ ছাত্রলীগ করে। অনেককে গণজাগরণ মঞ্চেও দেখেছি।

    বিরোধীদলের বা সরকারের সমর্থনহীন কোন দল বা সংগঠনের পক্ষে এরকম একটি এলাকায় লাইট বন্ধ করে এভাবে প্রকাশ্যে হত্যাকান্ড চালানোর রূপকথা কোন বিবেকবানরা বিশ্বাস করবেন? নিরাপত্তা বেষ্টনীতে অভিজিৎ খুন নিয়ে কয়েকটি প্রশ্নঃ

    অভিজিতকে তথ্যমন্ত্রীর নির্দেশে কিভাবে, কখন, কারা হত্যা করেছে তার প্রমাণ পাঠক পেয়েছেন। কিন্তু সরকার দলীয় মিডিয়াগুলোকে দিয়ে প্রমাণ করার চেষ্টা করছে এ হত্যাকান্ডটি বিএনপি- জামায়াত করেছে। কেউ কেউতো বেগম জিয়া বা মান্নাকেও জড়িয়ে দিয়েছেন এ ঘটনার সাথে। লবাদী বা জঙিগ হামলার মোড়কে মূলত এ হত্যাকান্ডকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ট্রামকার্ড হিসেবে ব্যবহার করছে। নিউজবিডি৭ এর অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের বাইরেও যদি সাদা চোখে ঘটনাটি বিশ্লেষণ করে দেখেন তাহলে কী দাঁড়ায়? শাহবাগ থানা থেকে ঘটনাটির দুরত্ব ২০০ গজ। ঘটনাস্থলের
    কাছেই ছিল পুলিশের নিরাপত্তা টহল দল। গ্রন্থমেলার ফটক ঘিরে আরও কয়েক স্থানে ছিল পুলিশের অবস্থান। সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় পুলিশের নিয়মিত টহল দলের অবস্থানও ছিল আশপাশের সড়কে। প্রত্যক্ষদর্শী, নিহতের স্বজন, ব্লগার ও বিভিন্ন সংঠনের পক্ষ থেকে অভিযোগ উঠেছে, ঘটনাস্থলের ৫০ গজ দূরেই দায়িত্ব পালন করছিল পুলিশ। সেখানে ছিল পুলিশের একটি পিকআপ ভ্যান। হামলার শিকার হয়ে অভিজিৎ ও তার স্ত্রী বন্যা ‘বাঁচাও বাঁচাও’ বলে চিৎকার করলেও কোন পুলিশ কেন এগিয়ে যাননি?

    ঘটনাস্থলটি রাজু ভাস্কর্য
    থেকে ২৫ গজ দূরে উত্তর
    দিকে সোহ্রাওয়ার্দী উদ্যান
    সংলগ্ন ফুটপাত। ঘটনাস্থলের
    পাশেই
    গ্রন্থমেলা উপলক্ষে পুলিশের
    ব্যারিকেড।
    পুরো ফেব্রুয়ারি মাসব্যাপী সেখানে প্রহরায়
    রয়েছে পুলিশ। একাধিক
    সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার সময়
    চিৎকার করে লোকজনের
    সাহায্য চান অভিজিতের
    স্ত্রী বন্যা। কিন্তু
    পাশে দায়িত্ব পালনরত পুলিশ
    বন্যার চিৎকারে সাড়া দেয়নি।
    গ্রন্থমেলার তখন
    টিএসসি ব্যারিকেডের
    দায়িত্ব পালন করছিলেন
    পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই)
    ওয়াহিদুজ্জামান।
    ওয়াহিদুজ্জামান বলেন,
    আমরা (পুলিশ সদস্যরা) তখন
    গ্রন্থমেলার দায়িত্ব পালন
    করছিলাম। আমাদের অবস্থান
    ছিল গ্রন্থমেলার
    টিএসসি ব্যারিকেডে।
    ঘটনাস্থলের খুব কাছে।
    অমর একুশে গ্রন্থমেলার
    নিরাপত্তার জন্য
    বাংলা একাডেমি ৪০টি সিসিটিভি ক্যামেরা লাগিয়েছে।
    এছাড়া ওই এলাকার
    ছয়টি মোড়ে রয়েছে পুলিশ
    চেকপোস্ট।
    চারিদিকে র্যাব, পুলিশ ও
    বিজিবির নিশ্ছিদ্র
    নিরাপত্তা।
    সাথে আছে সিভিল
    পোষাকে গোয়েন্দা কর্মকর্তা।
    শাহাবাগ থেকে প্রথম
    চেকিং শুরু, দ্বিতীয়
    চেকিং হয় টি এস সির মোড়ে,
    তৃতীয় চেকিং বইমেলার
    গেইটে। অন্যদিকে জাতীয়
    ঈদগাহের সামনে প্রথম চেকিং,
    দ্বিতীয়টা দোয়েল চত্তরের
    মোড়ে তৃতীয় চেকিং বইমেলার
    গেইটে। এই
    রাস্তা গুলোতে প্রতি ২ হাত
    অন্তর অন্তর প্রায় ১০-১২ জন
    করে পুলিশ, র্যাব ও বিজিবির
    সদস্য মোতায়েন করা।
    দর্শনার্থীদের হাতে ব্যাগ
    থাকলেই সেই ব্যাগ চেকিং হয়
    কমপক্ষে দুই জায়গায়। এরকম
    একটা নিরাপত্তাবহুল জায়গায়
    দুজন নর নারীকে ৫ মিনিট সময়
    ধরে কুপিয়ে একজন হত্যা ও
    আরেকজন কে জখম
    করে চলে গেলো কিন্তু পুলিশ
    টের ই পেল না ? টি এস
    সি থেকে খুন
    করে খুনি নিশ্চয়ই তিন
    জায়গা ছাড়া অন্য কোন
    জায়গা দিয়ে পালাতে পারবে না।
    একদিকে কলাভবনের দিকের
    রাস্তা তাও পুলিশ বেষ্টনী,
    অন্যদিকে শাহাবাগের
    রাস্তা তাও পুলিশের
    কড়া নিরাপত্তা,
    অন্যদিকে দোয়েল চত্তরের
    দিকের রাস্তা। আর
    রমনা তে ঢুকার প্রশ্নই
    আসে না।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান,
    হামলাকারীরা দুই
    দিকে পালিয়ে যায়। একজন
    সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের
    দিকে এবং অন্যজন মিলন
    চত্বরের দিকে পালায়।
    হামলাস্থলের মাত্র ২৫ গজ
    দূরেই পুলিশ ব্যারিকেড ও
    সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রবেশ
    পথে সাতজন পুলিশ
    ডিউটিতে ছিল ওই সময়। এর মধ্যেই
    হত্যকাণ্ডটি ঘটে। অভিজিৎ ও
    তার স্ত্রী রাফিদা আহমেদ
    বন্যা বই মেলা থেকে ৯ টার
    দিকে ফিরছিলেন। এসময়
    একটি সিএনজিচালিত
    অটোরিকসা থেকে তিন যুবক
    নেমে টিএসসি মোড়ের
    বটতলায় চাপাতি দিয়ে তাদের
    কোপায়।
    তবে এতো নিরাপত্তার
    মধ্যদিয়ে খুনি পালালো কিভাবে?

    আর বইমেলার সিসিটিভির
    ফুটেজ দেখে পুলিশ কেন
    খুনিদের চিহ্নিত করছে না?

    খুনিদের পোশাকে রক্তের
    দাগ ছিল। তাহলে সে দাগ
    নিয়ে এতো আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর
    মধ্যদিয়ে খুনিরা পালালো কিভাবে?
    ৬ টি চেক পয়েন্ট থাকার পরও
    কিভাবে স্কুল
    ব্যাগে করে চাপাতি নিয়ে আসলো খুনিরা?

    এসব প্রশ্নের কোন উত্তর
    কী সরকারের
    কাছে জানতে চেয়েছে মিডিয়াগুলো?

    আকরাম হোসেন নামে এক
    প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, 'পুলিশ
    ব্যারিকেডের কাছেই
    হামলাটি হয়।'
    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক
    হত্যাকা-ের এক
    প্রত্যক্ষদর্শী বলেন,
    ঘটনাস্থলের ৫০ কদম সামনে ছিল
    পুলিশের বড় একটি ভ্যান।
    সেখানে অন্তত ১৫ জন পুলিশ
    ছিল। এর (রাস্তার)
    উল্টো পাশের
    যাত্রীছাউনিতে ছিল ১০
    থেকে ১৫ পুলিশ। টহলে ছিল
    আনসার সদস্যরাও।
    ঘটনাস্থল থেকে শাহবাগ থানার
    দূরত্ব ২৫০ গজ।
    পশ্চিমে নীলক্ষেত পুলিশ
    ফাঁড়ি আর
    পূর্বে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান।
    রয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশের
    সবগুলো পথে পুলিশ
    চেকপোস্ট। তারওপর,
    সাড়ে আটটার দিকে বই
    মেলা বন্ধ হয়ে যাওয়ায়
    ফিরছিল প্রচুর লোক।
    প্রতিদিনের
    মতো বৃহস্পতিবারও কয়েক
    হাজার লোক মেলায় এসেছিল।
    অনেকেই জানান,
    তারা মনে করছিলেন
    ছাত্রলীগের দু'গ্রপের
    মধ্যে বিরোধের জেরে এই
    হামলা হচ্ছে। তাই
    তারা অভিজিৎ
    দম্পতিকে বাঁচাতে এগিয়ে যাননি।
    ক্যাম্পাসের ভেতরে প্রায়ই
    ছাত্রলীগের অভ্যন্তরীণ
    সংঘর্ষ ঘটে বলেও জানান
    তারা। টিএসসির ব্যস্ত
    মোড়ে কিভাবে হত্যকাণ্ডটি ঘটল
    এ বিষয়ে পুলিশেরও কোন
    সদুত্তর নেই।
    পুলিশ কমিশনার
    আছাদুজ্জামান বলেন,
    'বৃহস্পতিবার
    থানা এবং মেলার প্রবেশ
    মুখে পুলিশ অবস্থান করছিল।
    ক্যাম্পাসের
    সবগুলো প্রবেশ পথেই ছিল
    পুলিশ।'
    অভিজিতের বাবা অজয় রায়
    বলেন, এই ঘটনায় যারা জড়িত,
    পুলিশের কাছে সব তথ্য
    রয়েছে। তাদের ধরতে ২৪ ঘণ্টার
    বেশি সময় লাগার কথা নয়। এ জন্য
    প্রয়োজন সরকারের ইচ্ছা।
    অভিজিৎকে দেশে আসতে নিষেধ
    করা হয়েছিল
    জানিয়ে শিক্ষাবিদ অজয় রায়
    বলেন, তাকে বলেছিলাম
    বাংলাদেশে এসো না। মেজবাহ
    কামাল বেশ ঝামেলা করছে।
    কিন্তু সে তার
    মাকে দেখতে এবং এবারের
    বইমেলায় তার দুটো বই
    প্রকাশিত হওয়ায় দেশে আসে।

    প্রশ্ন হলো সরকার
    যদি হত্যাকান্ডটি না চালাবে তাহলে এতো নিরাপত্তার
    মধ্যদিয়ে কিভাবে হত্যা করা হলো?

    আর
    অভিজিতকে নিরাপত্তা দিতে না পারার
    দায় কী সরকারের
    না বিরোধীজোটের?

    আনসারউল্লাহ বাংলা টিম
    নাটকঃ

    হত্যাকাণ্ডের দুই ঘণ্টার
    মধ্যেই আনসার বাংলা-৭ নামের
    একটি সংগঠন টুইটারে দায়
    স্বীকার করে। তবে এই সংগঠনের
    আদৌ কোন অস্তিত্ব
    আছে কীনা সেটাই ভাবার বিষয়।

    কতিপয় ভাববার বিষয়ঃ

    ১। সরকার যখন চরমভভাবে ইমেজ
    সঙ্কটে ভোগে অথবা কোন
    রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের
    প্রয়োজন হয় তখনই কেন এসব
    হত্যাকান্ড ঘটে? রাজিব
    হত্যা বা মাওলানা ফারুকী হত্যার
    মতো। আর এসব হত্যার পর
    আলাদীনের চেরাগের আশ্চর্য
    দৈত্যের মতো এসে হাজির হয়
    আনসারুল্লাহ বাংলা টিম।
    হাসিনা ঘষা দিতেই
    সংগঠনটি হাজির হয় দায়
    স্বীকার করার জন্য।

    ২। বিরোধীদলের অব্যাহত
    আন্দোলন ও আন্তর্জাতিক
    বিশ্বের চাপে সরকার যখন
    খাদের কিনারে ঠিক তখনই
    জঙ্গি নাটক নিয়ে হাজির
    হলো সরকার। আর বারবার
    সরকারকে উদ্ধার করার জন্য
    বাংলা টিম এগিয়ে আসে যেন।
    সরকার জঙ্গি নাটক করার জন্য
    নাস্তিক লতিফ
    সিদ্দীকিকে দিয়ে চেষ্টা করে যখন
    সফল হয়নি তখন নিজেদের
    মনা লোকদের
    হত্যা করে জঙ্গি নাটক
    সাজানোর এ অপকৌশল হাসিনার
    নতুন নয়।
    জঙ্গি ইস্যুগুলো বা হত্যাকান্ডগুলো তখনই
    ঘটে যখন সরকার খাদের
    কিনারে থাকে।

    ৩। ৪ দলীয় জোটের আমলে যখন
    জিএমবি নামের
    জঙ্গি সংগঠনের উদ্ভব হয়েছিল
    তার দায় যদি নিতে হয় ততকালীর
    সরকারের
    তাহলে আজকে যে আনসারুল্লাহ
    বাংলা টিমের উদ্ভব এই
    সরকারের আমলে হয়েছে তার দায়
    কেন বিরোধীদল নিবে? কেন
    সরকারি দল নিবে না?

    ৪। আনসারুল্লাহ
    বাংলা টিমের উদ্ভব হওয়ার
    পরপরই র্যাব ও ডিবির
    সহযোগিতায় তাদের মূল
    নেতা সহ প্রায় সবাইকেই
    নাকি গ্রেফতার
    করেছে বলে বিবৃতি দিয়েছে।
    এমনকি এখনও পর্যন্ত
    তারা কারাগারেই আছে।
    তাহলে এসব কর্মকান্ড
    পরিচালনা করছে কারা? সরকার
    কেন তাদের ধরতে পারছে না?

    এতো নিরাপত্তার
    মধ্যদিয়ে খুনি পালালো কিভাবে?
    আর বইমেলার সিসিটিভির
    ফুটেজ দেখে পুলিশ কেন
    খুনিদের চিহ্নিত করছে না?
    খুনিদের পোশাকে রক্তের
    দাগ ছিল। তাহলে সে দাগ
    নিয়ে এতো আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর
    মধ্যদিয়ে খুনিরা পালালো কিভাবে?

    ৫। বিএনপি-জামায়াত
    যেখানে ঢাকা শহরের কোথাও
    একটি মিছিল পর্যন্ত বের
    করতে পারে না সেখানে টিএসসির
    মত সুরক্ষিত জায়গায় এই ধরনের
    কাজ কোন বিরোধী শক্তির
    পক্ষে করা কিভাবে সম্ভব?
    বিরোধীদলের বা সরকারের
    সমর্থনহীন কোন দল বা সংগঠনের
    পক্ষে এরকম একটি এলাকায় লাইট
    বন্ধ
    করে এভাবে প্রকাশ্যে হত্যাকান্ড
    চালানোর রূপকথা কোন
    বিবেকবানরা বিশ্বাস করবেন?

    ৬। আরো আশ্চযের কথা হলো,
    আওয়ামী লীগের জন্যে যখনই এই
    ধরনের জঙ্গী প্রচারনা দরকার
    পড়ে, তখনই কিছু
    জঙ্গী গোষ্ঠী বেরিয়ে আসে।
    ফেইসবুকে বা টুইটারের
    একটি একাউন্ট থেকে এই হত্যার
    দায় স্বীকার
    করে জঙ্গীরা বিবৃতি দেয়!
    সেই বিবৃতিকে ফলাও করে এমন
    ভঙ্গিতে প্রচার
    করে মোজাম্মেল বাবুদের
    টিভি চ্যানেল ও
    পত্রিকা যে এর
    চেয়ে খাটি কথা ও প্রমাণ আর
    হতে পারে না।

    ৭। কোন ঘটনার মিডিয়ার
    গুরুত্বই প্রমাণ করে ঘটনাটির
    সাথে কারা জড়িত। যে ঘটনায়
    সরকারের লাভ
    সে ঘটনাগুলোকে মিডিয়া সর্বোচ্চ
    গুরুত্ব দেয়। কোন ঘটনার জন্য
    কে দায়ী সেটা বুঝতে হয়
    সে ঘটনার
    বেনিফিশিয়ারি কারা তাদেরকে দিয়ে।
    এ ঘটনার সরাসরি সরকার লাভবান
    হতে চেষ্টা করেছে।
    তারমানে নিশ্চিতভাবে সরকারই
    এ হত্যাকান্ড চালিয়েছে।
    অভিজিত হত্যার
    সাথে সাথে টিভিগুলো লাইভ
    সম্প্রচার শুরু হয়। পরিকল্পিত
    না হলে কিভাবে এতোদ্রুত
    লাইভ করলো টিভিগুলো? তারপর
    কোন তদন্ত ছাড়াই
    বলে দেয়া হলো এ কাজ বিএনপি-
    জামায়াত বা অন্যান্য
    ইসলামি সংগঠনগুলোর।
    তারমানে সরকার
    ঘটনাটিকে ঘটিয়ে পরিকল্পিতভাবে দোষটা অন্যের
    ঘাড়ে চাপিয়ে দেয়া হলো।
    ইমরান এইচ সরকারতো হত্যার
    আগেই বুকে কালো ব্যাচ
    পরেছিল আর
    ফেসবুকে প্রতিবাদ
    আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছিল।
    ইমরান যদি এই
    হত্যাকান্ডটি সম্বন্ধে আগে থেকে অবগত
    না থাকতেন
    তাহলে কিভাবে তিনি ঘটনাটির
    আগেই প্রতিবাদ সমাবেশ
    ঘোষণা করলো।

    অভিজিৎকে যে কারণে বাছাই
    করা হয়েছেঃ

    ১। হিন্দু ও মুক্তমনা এই
    ব্লগার নাস্তিক হলেও তার
    হিন্দু নামটি বিজেপির
    হিন্দুত্বকে উস্কে দেওয়ার
    জন্যে খুবই কাজে দিবে। কারন
    বিজেপির সাম্প্রতিক
    মতিগতি নিয়ে সরকার খুব
    দুশ্চিন্তায় পড়ে গেছে।
    ভারতের নতুন স্বরাষ্ট্র
    সচিবের সফরের আগে আগে এই
    হত্যাকান্ডটি অন্য ধরনের
    ফলাফল এনে দিবে।

    ২। তিনি আমেরিকারও নাগরিক।
    তার
    হত্যাকান্ডে জঙ্গীবাদের
    কার্ডটি জমবে ভালো।
    পশ্চিমা বিশ্বের
    একটি অপশক্তির করুণা পেতে এই
    হত্যাকান্ডটা সরকারকে সহায়তা করবে।
    জঙ্গীদের দমনে এই সরকারই
    পশ্চিমাদের দরকার
    বলে তীক্ষ্ণভাবে অনুভূত
    হবে।

    ৩। তিনি মুক্তমনা ব্লগার। এই
    ধরনের ব্লগার নিহত
    হলে তা সহজেই ইসলামপন্থীদের
    ঘাড়ে দোষটি দিয়ে দেয়া যায়।
    জনগণের চিন্তা এর
    বাইরে যাবে না।
    অভিজিতকে হত্যা করে জঙ্গিবাদের
    শেষ
    কার্ডটি কী খেললো আওয়ামী লীগ
    সরকার? নাকি এরকম আরও কার্ড
    খেলবে দলটি? তাহলে কিন্তু
    যারা আজকে সত্য জেনেও
    গোপন রেখে সুবিধার জন্য
    হাসিনার সাথে রয়েছেন
    তারাও কিন্তু অভিজিতের
    মতো নিজস্ব মানুষদের হাতেই
    কোনদিন নিহত হবেন। আসল থুনির
    নাম জেনেও কোনদিন
    বলতে পযন্ত পারবেন না।
    হাসিনা তার অবৈধ
    গদি রক্ষা করতে নিজের
    সন্তানকেও হত্যা করতে পারে।

    ব্লগার শফিউর রহমান ফারাবী সম্পর্কে বিস্তারিত https://m.facebook.com/vince.neras.7/posts/1599220083647038

    আরও দেখুন

    http://www.newsbd7.com/main/detail/2217

    আমাকে মুহাম্মদ মুহাম্মদ নামক একটি ফেসবুক আইডি থেকে একটি ম্যাসেজ আসে।আল্লাহ তাকে উত্তম প্রতিদান দান করুক।দেখে নিন

    প্রমাণ পাওয়া গেছে।
    অভিজিৎকে আসলে কারা হত্যা করেছে?
    তাকে হত্যা করার আড়াই ঘন্টা আগে মুক্তমনা ব্লগ বন্ধ করে দেয়া হয়।
    অভিজিৎ এর বাবা অজয় রায় তখন শাহরিয়ার কবীরকে ফোনে জিজ্ঞেস করেছিল মুক্তমনা কেন বন্ধ করে দেয়া হল?
    একথা শাহরিয়ার কবীর নিজেই স্বীকার করেছে। বিশ্বাস না হলে ভিডিও লিংক দিলাম দেখে নিন।
    https://www.youtube.com/watch…

    এখন কথা হচ্ছে ব্লগটি কেন বন্ধ করে দেয়া হল খুনের ২ ঘন্টা ৩০ মিনিট আগে থেকে ? থাবা বাবার মারা যাওয়ার পর যেটা ঘটেছিল সেটা যেন আর না ঘটে এজন্য?
    তার ঐ অপকর্মমূলক লেখা গুলো যেন প্রকাশ হয়ে না পড়ে এবং সরকার যেন বিপদে না পড়ে।

    বোঝাই যাচ্ছে ঐ সময় যে খুন হবে এটা আগে থেকেই জানা ছিল বলেই ব্লগটি অভিজিৎ হত্যার আড়াই ঘন্টা আগে থেকে বন্ধ করে দেয়া হয়।

    ইমরান এইচ সরকার হত্যার পরেই হাসপাতালে যায় কাল ব্যাজ পরে।এরপর আবার কথিত গণজাগরন মঞ্চ চালু করে।আগে থেকে প্রস্তুতি না থাকলে এত তাড়াতাড়ি কি এসব করা সম্ভব?

    তাছাড়া খুন হয়েছে কোথায়? দেশের অন্যতম একটা নিরাপদ যায়গা যার চারদিকে নিরপত্তা বেষ্টনীতে ভরপুর। তাছাড়া ঐ এলাকা ছাত্রলীগের নিয়ন্ত্রিন।খুনের সময় আশে পাশেই পুলিশ ছিল। এত কিছুর মধ্যে বাইরে থেকে কেউ কি এসে খুন করে পালিয়ে যেতে পারবে?

    মাঝখান দিয়ে বলির পাঠা হল ফারাবি শফিউর রহমান। তাকে এখন খুনের সাথে সম্পৃক্ত করার চেষ্টা চলছে।আমি তার অনেক বিষয়ের সাথে একমত না কিন্তু একজন নিরপরাধ মানুষকে খুনের সাথে জড়ানোর চেষ্টা করবে এটার প্রতিবাদ করা আবশ্যক মনে করছি একজন মুসলিম হিসেবে।কোথাও কোন নাস্তিকের পেটে ব্যাথ্যা হইলেও সেটা ফারাবির দোষ।ফারাবি গ্রেপতার।

    নাস্তিকদের দাবী অনুযায়ী সে নাকি অনেকের কাছে মেসেজে মোবাইলের জন্য ২০ টাকা লোডও চাইত। ডাক্তারি রিপোর্ট মতে খুন হয়েছে দক্ষ হাতে। আচ্ছা যার মোবাইলের জন্য ২০/৩০ টাকাও মানুষের কাছে চাওয়া লাগে সে কিভাবে এই দক্ষ খুনে জড়িত থাকতে পারে?

    হাম্বালীগ সরকার সম্ভবত আসল খুনিকে গোপন করতে চায় তাই তাকে খুনের সাথে জড়াতে চাচ্ছে। আমি তার নিঃশর্ত মুক্তি কামনা করছি।

    ‪#‎FreeFarabi‬
  • @  | ০৫ মার্চ ২০১৫ ১৯:৩৩668227
  • আমি সিরিয়াসলি বুঝতে পারছি না, যখন অভিযোগ উঠছে গুরুকে মৌলবাদী, ধর্মান্ধ ও ক্রিমিনালরা নিজেদের প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ব্যবহার করছে, যখন অ্যাডমিনের তরফ থেকে বলা হচ্ছে মত প্রকাশের স্বাধীনতার কথা, এবং যখন কোনো মৌলবাদী বা ক্রিমিনাল নিজের কথা গুরুতে লিখছেন তখন সেটা শুধুমাত্র মতপ্রকাশের স্বাধীনতার দায়েই গুরু থেকে মোছা হবে না এইরকম স্ট্যান্ড নেওয়া হচ্ছে এবং সেই স্ট্যান্ড নিয়ে বিতর্ক আহ্বান করা হচ্ছে, তখন সিকি এই পোস্টটা এখানে করে কি প্রমাণ করল? নির্মল আনন্দের আলাদা টই আছে, এবং, এমনকি, পোস্ট করতে চাইলে সিকি ফারাবির অ্যাকাউন্ট ও ব্লগ/পেজ থেকে সমস্ত পোস্ট ই গুরুতে তুলে আনতে পারে। ফারাবি ও তার সমর্থকেদের জন্যে গুরুর মাইক ব্যবহার করতে দিতে সিকির এইযে নির্মল দায়বদ্ধতা, নিজেই তাদের হয়ে তাদের বক্তব্য বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে পোস্ট করে দেওয়ার শরীর পাতন, এতে ষড়যন্ত্রকারী ও ক্রিমিনালদের বক্তব্যের গুগুলসার্চ রেজাল্ট বাড়ানো ছাড়া ঠিক কী উদ্দেশ্যের সাধন হচ্ছে?
  • dd | ০৫ মার্চ ২০১৫ ১৯:৩৫668228
  • এটা ছাগোলদের প্রোপাগান্ডা হবে ক্যানো সিকি? হোয়াই?

    যখন খাগড়াগড় নিয়ে আউট্লুক /কবীর সুমন প্রশ্নো তোলে তখোন কি সেটা প্রোপাগান্ডা হয় ?

    যখন ২০০৮ সালের ২৬/১১ মুম্বাইএর ম্যাসাকারকে হিন্দু সংগঘটনের ষড়যন্ত্র বলা হয় কেনোনা হেমন্ত কারকারে নিহত হন - এবং সেটার এখনো পর্যন্ত্য লিং দেওয়া নেওয়া চলে নিরপেক্ষতার প্রতি দায়বদ্ধতায় - সেটাকেও তো ছাগুবাজী বলা হয় না।

    এটাকেও আমি আমার নিরপেক্ষাতাবাজীর জন্য আমার মহানতার জন্য তুলে দিলাম। আমাকে দ্যাখেন আমাকে দ্যাখেন।
  • a x | ০৫ মার্চ ২০১৫ ২০:৩৬668229
  • qq কি আমার পরের পোস্ট নির্বিঘ্নে ইগনোর করে ওপরের কমেন্টটা করলেন?
  • a x | ০৫ মার্চ ২০১৫ ২০:৩৮668230
  • এই গামা সাইজের পোস্ট পড়া তো বহুত ঝামেলার! সিকি কি একটা সামারি দেবে?
  • | ০৫ মার্চ ২০১৫ ২০:৪২668231
  • সিকির এই 4:49 এর পোস্টটা কেন? মানে কেন পড়ব? এরকম জিনিষ এত আদর করে প্রোগা করছেই বা কেন সিকি??
  • ই না সি | ০৫ মার্চ ২০১৫ ২২:৩৮668233
  • "এই খুনের পর তার কি বক্তব্য ছিল, আমরা জানব না, তার ভয়েস আমাদের কাছে পৌঁছবে না"

    শাক্যজিতের এই আক্ষেপ ঘোচানোর একটা তাগিদ অনুভব করছি।

    খবরটা পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমি ফারাবির ফেবু ভিজিট করি। সেখানে প্রবল উল্লাস চলছিল এবং মহান ফারাবিও অত্যন্ত উল্লসিত ছিলেন। প্রকৃত ইসলামের এই ফরিস্তা পরোক্ষে কৃতিত্বও দাবি করছিলেন। তখন কেউ একজন তার অতীত পোস্ট-এর স্ক্রীনশট দেখায়, যেখানে সে জানিয়েছিল অভিজিত দেশে ফিরলে তাকে হত্যা করা হবে। মহান ফারাবি ততক্ষণাৎ ডিগিবাজি ভক্ষণ করেন এবং জানান যে এই হত্যাকান্ডে তিনি কোনোভাবেই যুক্ত নন।

    হতেই পারে যে আমি একজন ইসলামোফবিক এবং মিথ্যাচারী, অন্য যারা এই লেখা পড়ছেন তাঁদের মধ্যে যদি কেউ ফারাবির দেয়াল লিখন দেখেছেন তাঁরা যদি আমার হয়ে সাক্ষ্য দেন তাহলে আমার বয়ান কিছুটা গ্রহণযোগ্যতা পাবে আশা রাখি।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা খুশি মতামত দিন