এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • সিঙ্গুর: কী ভাবছেন সবাই?

    Samik
    অন্যান্য | ০২ অক্টোবর ২০০৬ | ৮৫২৯২ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Ishan | ১১ অক্টোবর ২০০৬ ২১:২৭670554
  • আরেকটা ইন্টারেস্টিং জিনিস:

    http://timesofindia.indiatimes.com/articleshow/2143044.cms

    টাটার যে চিঠিটা ফাঁস হয়েছে, তাতে লেখা আছে, যে, জমির মূল্য বাবদ আপাতত: কিছু দেবেনা টাটা গোষ্ঠী। পাঁচ বছর পরে দেবে কুড়ি কোটি টাকা। ইন্টারেস্ট রেট দেবে ০.%। প্রসঙ্গত: সরকারী হিসেবে অধিগ্রহণে খরচ হয়েছে একশ চল্লিশ কোটি টাকা।

    নিরুপম সেন জানিয়েছেন, চিঠিটা পুরোনো। এখনও নেগোশিয়েশন চলছে। আমি আর অরিজিৎ, রঙ্গনও সরকারের নেগোশিয়েশনের উপর জোর দিচ্ছিলাম। যে, ব্যবসা, ব্যবসার ভাষায় হওয়া উচিত। এখানে নিরুপম সেন বলছেন, নেগোশিয়েশনের বেশি স্পেসই নেই। অনেকগুলো রাজ্যের সঙ্গে কমপিট করতে হচ্ছে টাটাকে আনার জন্য, অতএব, যতটা পারা যায় ততটা সুযোগ দিতেই হবে। নিরুপম সেন আরও জানিয়েছেন, যে, জমিটা বিক্রি নয়, লিজ দেওয়া হচ্ছে।

    এখানে একটা জিনিস কৌতুকজনক। টাটা মনে হচ্ছে জামাই। বা মাদার টেরিজা। যেকোনো মূল্যে আনতেই হবে। পোষালে বা না পোষালেও। প্রসঙ্গত: পূর্ণেন্দু চ্যাটার্জির সঙ্গে বিতর্কের সময় বুদ্ধদেববাবুর একটা মন্তব্য আমার মনে আছে। পূর্ণেন্দু কতটা খারাপ লোক বোঝাতে গিয়ে বুদ্ধদেববাবু বলেছিলেন, "আমার সামনে রতন টাটাকে কি অপমানই না করল'। যেন "আমার জামাইকে বাড়ি বয়ে এসে অপমান করে গেল' এই টাইপের ব্যাপার। আজকেও, নিরুপম সেন যখন বলছেন, জমিটা বিক্রি নয়, লিজ দেওয়া হচ্ছে, তখনও সেই একই ব্যাপার,মানে জামাইকে সেফগার্ড করার চেষ্টা। ৯৯ বা ৯৯৯ বছর, যাই হোক না কেন, লিজ দেওয়া জমি কখনও ফিরিয়ে নেওয়া হয়না। আর ফিরিয়ে নেবার হলে বিক্রি হওয়া জমিও ফিরিয়ে নেওয়া যায়, যেমন সিঙ্গুরের চাষীদের জমি।

    আসলে একটা খুব অস্বস্তিকর জিনিস এখানে চেপে যাওয়া হচ্ছে। যে, টাটা বা সালিমকে অনেক সুযোগসুবিধা দেওয়া হচ্ছে, সম্ভবত: জমিও দেওয়া হচ্ছে সস্তায়। এবং সরকার সেটা প্রকাশ করতে চায়না। সেজন্য সালিম কি বানাবে, কি চুক্তি হয়েছে, সেগুলো এখনও অন্ধকারে। টাটার ক্ষেত্রেও তাই। এবং সরকার প্র্যাকটিক্যালি নেগোশিয়েট করছেনা।

    এই কৌতুকময় জিনিসটা বাদ দিলে এখানে আরও একটা জিনিসও সত্যি, যে, প্র্যাকটিক্যালি, থার্ড ওয়ার্ল্ডে শিল্প আনতে গেলে নেগোশিয়েট করার খুব বেশি স্পেস নেই। অরিজিত যে উদাহরণটা দিয়েছে, যে, আগে রাস্তা বানিয়ে দাও, তবে সুপারমার্কেট করতে দেব, ওসব ইউরোপ আমেরিকায় হয়। পশ্চিমবঙ্গে অতো শর্ত দেখাতে গেলে টাটাবাবু জাস্ট টাটা করে চলে যাবেন অন্য কোনো রাজ্যে। ফলে টার্মটা এখানে ডিকটেট করছে এবং করবে টাটা বা সালিম। রাজ্য সরকার নয়।
  • Arjit | ১১ অক্টোবর ২০০৬ ২১:৫০670565
  • ইয়েস, এবং সেটা কখনোই ভালো সাইন নয়।
  • r | ১১ অক্টোবর ২০০৬ ২১:৫৩670576
  • ঈশেন একদম ঠিক। এই কৃষি কৃষি করে চীৎকারের ফলে লোকে যে ব্যাপারটা নিয়ে একেবারেই কথা বলছে না:

    একদিন বা দুইদিনে ক্লিয়ারেন্স পাওয়া টা, প্রেমজি বা নারায়ণমূর্তির পক্ষেই সম্ভব। আমাদের মতো পাতি লোকজনেরা ব্যবসা করতে চাইলে জুতোর শুকতলা ক্ষয়ে যাবে, কিস্যু হবে না। কারণ প্রশাসনিক সংস্কার পুরোটাই হয়েছে বৃহৎ শিল্পের জন্য। ক্ষুদ্র এবং মাঝারি শিল্পের জন্য লালফিতে এখনও আঁট হয়ে বসে। অথচ বৃহৎ শিল্পকে ঘিরে যে অজস্র ছোটো এবং মাঝারি শিল্প গড়ে ওঠে সেইখানেই কর্মসংস্থান সব থেকে বেশি।

    নেগোসিয়েশনের ব্যাপারে টাটাদের পাল্লা ভারি হওয়া স্বাভাবিক। কারন এই মূহুর্তে বৃহৎ পুঁজির চাহিদার থেকে যোগান কম। ছোটো পুঁজি বিনিয়োগের উপযোগী প্রশাসনিক সংস্কার হয় নি। তার উপরে রয়েছে রাজ্যে রাজ্যে পার্সেপশনের লড়াই। কিন্তু কৃষকদের নেগোসিয়েশনের জায়গাটা অনেকটা পাকা ছিল। কারণ টাটাদের নিশ্চয় কোনো ব্যবসায়িক কারণেই এই জায়গা পছন্দ। কাজেই খোলা দরাদরির প্রক্রিয়ায় দর বাড়ানোর যথেষ্ট সুযোগ ছিল। বাধ সাধল সরকারের প্রেস্টিজের ভয়।
  • Lyadosh Chandra Mitra | ১১ অক্টোবর ২০০৬ ২৩:২৮670587
  • ঠিক কথা।
    কিন্তু সরকার যদি প্রফেশনাল large corp স্টাইলে চলতে চায় তাতে ক্ষতি কিছু নেই। কিন্তু দায়বদ্ধতা থাকা উচিত - কারও প্রতি (বেসিক্যালি জনগন-এর প্রতি)। বড় কোম্পানীদের কিন্তু আরো বেশী থাকে, বোর্ড অফ ডিরেক্টর-দের প্রতি, শেয়ার হোল্ডার দের প্রতি।
    কিন্তু সরকার-এর গল্প সব জায়গাতে সমান, সে Halliburton-কে no-bid contract দেওয়াই হোক, বা সালিম গোষ্ঠীর সাথে চুক্তিই হোক। কেমন যেন ধোঁয়াশা।
  • Lyadosh Chandra Mitra | ১১ অক্টোবর ২০০৬ ২৩:৩৪670598
  • সরকার কি করে agriculture ব্যাপারটাকে profitable businesss করে তোলা যায় সেটা নিয়ে ভাবতে পারে। Tata Salt বা Tea এর মতন Tata Bengal Rice বা Tata Dal এর কথা ভাবতে পারে। তাহলে চাষীরা দুপয়সা পায়, আর টাটা-র লাভ হয়।
  • dri | ১১ অক্টোবর ২০০৬ ২৩:৩৮670609
  • সিঙ্গুরে ঠিক কি হচ্ছে আমার ভালো আইডিয়া নেই, তাই চুপ আছি। মানে আনন্দবাজার আর আজকাল পড়ে তো কোন সিরিয়াস আলোচনা করা যায় না।

    কিন্তু একটু জেনেরালভাবে বললে, প্রায় যেকোন 'উন্নয়নের' পেছনেই কিছু লোকের সাফারিং আছে। আমি এখানে একটি লোককে চিনি, তারা ইটালি থেকে ইমিগ্রেট করেছে, তিন পুরুষ আগে। পেশাগত ভাবে তাদের ফ্যামিলি ছিল জেলে। এবং তার ঠাকুর্দারা সমুদ্রের ধারে থাকত, মাছ ধরত। এবার সমুদ্রের পাশ দিয়ে যখন ফ্রিওয়ে হল, তখন তাদেরকে উঠে যেতে বলা হল পাতি। তো উন্নয়ন সবসময়ই এমন ভাবে হয় যাতে বড়লোক, ক্ষমতাবান লোকেদের গায়ে আঁচড় কম লাগে। এলেবেলেদের ঘাড়ে পা ফেলেই উন্নয়ন। ভারতে বড় বড় ড্যাম বানানোর ক্ষেত্রেও তাই। কিন্তু এই ক্ষেত্রে, এই ইটালিয়ান ফ্যামিলিদের জন্য সরকার ঐ এলাকার কাছাকাছি কতগুলো দোকান চালানোর ব্যবস্থা করে দেয়। তো এই ভাবে দু এক জেনেরেশানে জেলে পরিবার দোকানদারে পরিনত হয়। অঞ্চলটার নাম লিট্‌ল ইটালি। ঐ ফ্রিওয়ে দিয়ে রোজ যাতায়াত করি। ওটা না থাকলে কি হত সেটা ভাবলে শিউরে উঠি। কিন্তু আবার এটাও ঠিক ওটা বানাতে গিয়ে অনেক মানুষকে ঘরছাড়া হতে হয়েছিল অন্তত কিছুদিনের জন্য।

    এইবার সিঙ্গুর। এই যে এত উন্নয়ন হবে, ওখানে নিশ্চয় নানারকম ছোট ছোট কাজের সুযোগ তৈরি হবে। দোকান দেওয়া, এস টি ডি বুথ, অফিস ক্যান্টিন, মাল সাপ্লাই, এতবড় ইন্ডাস্ট্রির সিকিউরিটি গার্ড, রিকশ চালানো, অটো চালানো -- এসব ক্ষেত্রে আদি সিঙ্গুরবাসীদের কোন বিশেষ প্রেফারেন্স দেওয়া হবে কিনা এসব নিয়ে আদৌ কোন কথাবার্তা হচ্ছে?
  • Samik | ১১ অক্টোবর ২০০৬ ২৩:৪৯670620
  • দ্রি-এর লেখা পড়ে মনে পড়ল ডানলপের স্বর্ণযুগের কথা। ডানলপ কারখানা হুগলি চুঁচুড়া চন্দননগর বাঁশবেড়ে ত্রিবেণী ওপারে হালিশহর নৈহাটি ... পুরো এলাকাটার ইকোনমি ক®¾ট্রাল করত। ফল সব্জি মাছের আড়ত, ডানলপের হসপিটাল রিক্সাওলা ঠেলাওলা, দৈনিক লাখ লাখ টাকার ট্র্যানজ্যাকশন হত ডানলপ ফ্যাক্টরিকে ঘিরে। তখন চক্‌বাজারে মাছওলার সামনে একজন অ-ডানলপ খদ্দের আর একজন ডানলপ কর্মচারি এসে দাঁড়ালে মাছওলা অ-ডানলপের দিকে ফিরে তাকাতো না। ডানলপে যেহেতু প্রতি সপ্তাহে মাইনে দেবার ব্যবস্থা ছিল, কর্মচারীদের পকেট সবসময়ে ভারি থাকত।

    পুরো ইকোনমি ধসে গিয়ে বিশাল অঞ্চল এখন রিক্ত।

    অবশ্যই, একটা ইন্ডাস্ট্রি হলে তাকে কেন্দ্র করে আরও হাজারখানেক লোকের কর্মসংস্থান হয়, উন্নয়নও হয়। হয় তো সিঙ্গুরেও হবে। তবে সময় নেবে।
  • Samik | ১১ অক্টোবর ২০০৬ ২৩:৫৭670631
  • স্থানীয় লোককে কাজে লাগানো নিয়ে একটা গল্প। মানে সত্যি ঘটনা।

    তখন বাঁশবেড়িয়া আর কল্যাণীর মধ্যে কল্যাণী ব্রিজ বানানো হচ্ছে, যার নাম ঈশ্বর গুপ্ত সেতু। দিনরাত সাইটে পড়ে যে সব ইঞ্জিনীয়াররা কাজ করছে, আমার বাপ তাদের মধ্যে একজন।

    আমার বাবা তখন অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনীয়ার। কাজ চলাকালীন স্থানীয় নেতা এলেন। এসে দাবি, এখানে কাজ হচ্ছে, ভালো কথা, কিন্তু বাইরে থেকে সমস্ত লেবার আনা চলবে না। স্থানীয় ছেলেদেরও নিতে হবে। তারাও কাজ করবে।

    চীফ ইঞ্জিনীয়ারের অমত করার প্রশ্নই ওঠে না। তার কাজ হওয়া নিয়ে কথা।

    স্থানীয় ছেলেরা এল। তারা যে হেতু 'স্থানীয়' ছেলে, আর 'লেখাপড়া-জানা' 'পাটির লোক', তাই তারা মশলা মাখবে না, সিমেন্টের বস্তা বইবে না, স্টোন চিপ্‌সের লরি আনলোড করবে না। তারা আসবে, পকেটে হাত রেখে বসিং করবে, মজুরদের গালাগাল করবে, আর তাদের বিড়ির প্যাকেটে ভাগ বসাবে। লাঞ্চের পর তাস খেলবে, বিকেলে চলে যাবে।

    লাস্টে পোচুর বাওয়াল করে সে সব ছেলেদের ভাগানো হয়েছিল, পিডব্লিউডির মজুরদের দিয়েই পুরো কাজ করানো হয়েছিল।
  • dri | ১২ অক্টোবর ২০০৬ ০০:৪২670642
  • পার্টির ব্যাকিং থাকা এক জিনিষ। আর কোম্পানীর পলিসি অন্য জিনিষ। টাটা নিশ্চয়ই অকর্মণ্য কর্মীকে বেশীদিন রাখবে না। কিন্তু স্থানীয় লোককে একটা সুযোগ দেওয়া পলিসির মধ্যে থাকতে পারে। সুযোগের সৎ ব্যাবহার না করতে পারলে ছাঁটিয়ে দিক। যেখানের জব সিকিউরিটি আছে সেখানেই লোকে পকেটে হাত দিয়ে বিড়ি ফোঁকা মুর্তি ধারণ করে। ইভেন প্রাইভেট সেক্টরেও করে। ক্ষমতাবান লোকেদের প্রিয়পাত্র হয়ে বেশীকিছু না করে কাটিয়ে দেয় কত লোক, সে কি আর আমরা জানি না?
  • Ishan | ১২ অক্টোবর ২০০৬ ০৩:৫৩669609
  • দ্রি, সত্যি কথা। আবাপ আর আজকাল পড়ে এই বিষয়টা নিয়ে কোনো আলোচনাই করা যায়না। এরা জাস্ট ছাপছেইনা।

    আজকাল তো প্রথম থেকেই সেন্সর করছে।
    সেই প্রথম যেদিন টাটারা জমি দেখতে গেল, আর সিঙ্গুরের লোক ঝাঁটা নিয়ে তাড়া করল, বুদ্ধবাবু বললেন "সিঙ্গুরে কোনো বিক্ষোভ হয়নি', সেদিন আজকালও শুনে শুনে তাইইই লিখে দিল। সেই থেকে শুরু। আবাপ যথারীতি একটু "নিরপেক্ষ' খেলছিল, কিন্তু বিপজ্জনক হয়ে যাচ্ছে দেখে এখন জাস্ট চুপ।

    মিডিয়ার কাজই তো কারণে অকারণে ফালতু জিনিস নিয়ে খোঁচাখুঁচি করা। কিন্তু সব মিডিয়াই আপাতত: সব শান্তিকল্যাণ হয়ে আছের ঢক্কানিনাদ শুরু করলে তো কেলো।
  • santanu | ১২ অক্টোবর ২০০৬ ১১:৫৫669620
  • তাহলে কি মোদ্দা কথাটা এই হলো যে -

    টাটা বলেছে এই খানে, এই জমি গুলো ই চাই, পয়্‌সাকড়ি বিশেষ দিতে পারবনা, লোকে ঝাটা নিয়ে তেড়ে এলে আমাদের গার্ড চাই ইত্যাদি। তবে বানাতে দিলে হুগলীর ডানলপ বা তার চেও ভলো বানিয়ে দেব জায়গাটা। আর জমি না দিলে, দিও না। টা টা।

    আমরা ঠিক করেছি বুদ্ধবাবু আমাদের CM। আর বুদ্ধবাবু ঠিক করেছেন টাটা কে চাই। তবে জমির পয়সাটা যেহেতু সরকারী কোষাগার (যেটা প্রায় খালি মাইনে দিতে গিয়ে) থেকেই যাবে, তাই চারিদিক বাচিয়ে যতটা কম হয় দিলেই ভাল। কিছু টেটিয়া লোক আছে ঝামেলা করবে তাদের জন্য পার্টি আছে আর যারা অর্থনীতির অংক কষবে তারা ফালতু, কান না দিলেই হয়।

    তাতে না হয় পরের বার সিঙ্গুর এর লোকসভা বিধানসভা দুটো সীট ই যাবে, যাগ্গে, অনেক আছে।
  • Lyadosh Chandra Mitra | ১২ অক্টোবর ২০০৬ ১২:০২669631
  • ঐ জন্যেই তো গুরু।
    "পড়তে হয়, লিখতেও হয়, নইলে আবাপ/আজকাল/বর্তমান-এর চক্রবূহ্য-এ ফাঁসতে হয়"।
  • du | ১৩ অক্টোবর ২০০৬ ২০:২১669642
  • সিঙ্গুরের আগে বাঙ্গুর বলে একটি জায়গায় সালিমগোষ্ঠী আসছিলো।তখন শুনলাম প্রবল আন্দোলন হবে, নেত্রীর দেহের একবিন্দু রক্ত থাকতে ওখানের চাষের জমি অধিগ্রহন করা চলবে না। তা এখন সেখানকার কথা কিছুই শুনি না। হয়তো মাটিভর্তি ট্রাক আর ইনি্‌জনিয়াররা ঘোরাফেরা করছেন এখন সেখানে । তবে দেহে রক্তবিন্দু এখনো আছে এবং সংবাদমাধ্যমের সামনে কুমীরছানার মতো আবার তা প্রতিশ্রুত হয়ে গিয়েছে সিঙ্গুরের কৃষিজমির জন্যে। কদিন পরে সিঙ্গুর আর হেডলাইনে থাকবে না। তখন রক্ত ও আবার বোতলে ভর্তি হয়ে যাবে পরবর্তী হেডলাইনের জন্যে। এই আর কি।
  • Ishan | ১৫ অক্টোবর ২০০৬ ১০:৪৭669653
  • অধিগ্রহণ বিরোধীদের বক্তব্য। সিঙ্গুরের জমি নিয়ে একটি তথ্যচিত্র:

    http://video.google.com/videoplay?docid=3052261023426138538

    এছাড়াও অশোক মিত্রর দেশের লেখাটাও আছে। কারো দরকার থাকলে বোলো। আপলোড করে দেব।
  • Arjit | ১৫ অক্টোবর ২০০৬ ১৯:৩৮669661
  • চাই।
  • saa | ১৫ অক্টোবর ২০০৬ ২১:০১669662
  • তথ্যচিত্র টা খুব ভালো ! মন খারাপ হয়ে যায়! গরীব কৃষকের কান্না কি পৌঁছবে (সর্বহারার?) সরকারের কানে?
    হায়রে আজ দরকার কবি সুকান্তের!!!
    আর সত্যি ই তো হাজার হাজার রুগ্ন কারখানাগুলো কি টাটার হাতে তুলে দেওয়া যেতোনা? জমি ই দিতে হবে কেন?
  • Ishan | ১৫ অক্টোবর ২০০৬ ২৩:৫৩669663
  • অশোক মিত্রের লেখার লিংক : http://www.sendspace.com/file/36316y

    অনেকগুলো পত্রিকা মিলে "বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল' এবং অবশ্যই সিঙ্গুর নিয়ে অল্টারনেটিভ কিছু লেখা/ডকুমেন্ট করার চেষ্টা করছে। তার একটা লিফলেট:

  • ® | ১৫ অক্টোবর ২০০৬ ২৩:৫৫669664
  • মহাকরণে ভূমি ও ভূমি রাজস্ব দপ্তরে এক বন্ধু আছেন তার থেকে শুনলাম যে চাষের জমি কে বাস্তু/শিল্প জমির জন্যে অধিগ্রহণ করতে হলে যে পদ্ধতি আছে তা নাকি পাল্টানোর ভাবনা চলছে - রেজ্জাক মোল্লার দপ্তর কে বাইপাস করে শিল্প দপ্তর যাতে জমি নেবার প্রসেস টা হ্যান্ডেল করতে পারে সেরকম।এতে জ্যোতিবাবুর আপত্তি আছে।বুদ্ধ - নিরুপম এটায় কতটা এগোন দেখার।
    দূর্গাপুরের আশেপাশে ওয়ারিয়া,রাজবাঁধ,পান্ডবেশ্বর,আসানসোল,রাণীগঞ্জ এলাকা এসব এলাকায় প্রচুর জমি পড়ে যেখানে চাষ হয় না।সেখানে অলরেডি একটা পরিকাঠামো আছে ভারী শিল্পর জন্যে।কাঁচামালের অভাব নেই।দুর্গাপুর এক্সপ্রেস ওয়ে কে আরো ও উন্নত করে যোগাযোগ ও ভালো করা যায়।এখন তো জি টি রোড যথেষ্ট ভালো অবস্থায় আছে,মাঝারি ফ্রিওয়ের মত চওড়া ও মসৃণ করেছে (দুর্গাপুর থেকে আসানসোল নিজে গাড়ী চালিয়ে বলছি)। উপরন্তু ট্রেন তো আছেই।কাছকাছি পাণাগড়ের কাছে আর্মি এয়ার্বেসের পাশে আরেকটা ছোট এয়ারপোর্ট ও বানানো যায় সেখানে কেন জমি দেওয়া হবে না? রাণীগঞ্জ থেকে সিউড়ি অবধি একটি হাই ওয়ে করার পরিকল্পনা হয়েছিলো এখন ও হয় নি।ওটা হলে বীরভুমের বিস্তীর্ণ জমি যোগাযোগের মধ্যে চলে আসবে।এগুলো পিছিয়ে পড়া জায়গা।এখানে কমদামে জমি দিতেই পারে সরকার।এলাকার ও উন্নতি প্লাস লোকে কাজ ও পেল।আর বানিয়ারা পেল কমদামে জমি।বিদ্যুত,কাঁচামাল তো দূর্গাপুরের কাছে হওয়ায় সহজলোভ্য।আর এমন তো নয় এই জায়গা গুলো মাওবাদী এলাকা। বাঁকুড়া,পুরুলিয়া,পশ্চিম মেদিনীপুরে না হয় ঐ কারণে বানিয়া রা যেতে চাইবে না। মহারাষ্ট্রে বা মধ্যপ্রদেশে বা ইউপি তে তো পতিত জমি কেই অতি কম দামে দিয়ে দেওয়া হয়েছিলো শিল্প গড়তে।
    শিল্পর জন্যে একটা ল্যান্ড ব্যাংক গড়া দরকার খুব।
    (ডিসক্লেমার: আমি কিন্তু মোটেই দুর্গাপুর আসানসোল এরিয়ার ছেলে নই :))
  • dam | ১৬ অক্টোবর ২০০৬ ০৮:৫৮669665
  • লিফলেটের শুরুতেই "সহচর" বানানটা ভুল আছে। "সহোচর' নয় "সহচর'।
  • Arjit | ১৬ অক্টোবর ২০০৬ ১৪:৩০669667
  • ভিডিওটা শুধুই ইমোশনাল - অন্তত শুরুটা - ওটুকুই দেখেছি, সাতান্ন মিনিট, তাই বাকিটা পরে দেখবো।

    প্রাসঙ্গিক - http://pd.cpim.org/2006/1008/10082006_benoy%20konar.htm
  • Arjit | ১৬ অক্টোবর ২০০৬ ১৪:৪৩669669
  • অশোক মিত্রের লেখাটা নিয়ে একটু বক্তব্য - ভদ্রলোক সেই ইংরিজী শিক্ষা নিয়ে শুরু করেছেন। এদ্দিন তো সবাই মিলে গলা ফাটালো যে সিক্স থেকে ইংরিজী শেখানো ভুল ভুল - সুনন্দ সান্যাল হলেন গিয়ে মহাজ্ঞানী মহাপণ্ডিত - আজ হঠাৎ এখন অশোক মিত্রকে কোট করে উল্টো বলতে হচ্ছে কেন? সেই "দেখতে নারি, তাই চলন ব্যাঁকা"?
  • Arjit | ১৬ অক্টোবর ২০০৬ ১৪:৫৭669670
  • অশোক মিত্র অত্যন্ত সৎ, আদর্শবাদী - কিন্তু এখনো সেই আগের মতনই রক্ষণশীল - গোটা লেখাটা সেই রকমই। এবং অদ্ভুত ব্যাপার হল সত্তর-আশির দশকে বামপন্থীরা ঠিক এই কথাগুলো যখন বলতেন, তখন আর বাকি সবাই উল্টো গাইতো, আর এখন সেই অশোক মিত্রের লেখাকে পিতিবাদী পত্র হিসেবে চালাতে হচ্ছে। আগের ধারণাটাই (আগের পোস্টে লেখা) আরো পোক্ত হল।

    আসল প্রশ্নগুলো সেই "নিগোসিয়েশনের" - ব্যবসাটা ব্যবসার নিয়ম মেনে বা দর কষে হয়েছে কিনা...
  • b | ১৬ অক্টোবর ২০০৬ ১৭:২২669671
  • অরিজিত আমি তোমারে নীতিগত ভাবে সমর্থন করলাম, তবে সমস্যা অনেক অনেক বড়, অশোক মিত্র কোনো ফ্যাক্টর নন।

    ধর, দেশে অশোক মিত্র সিঙ্গুর নিয়ে অনেক সৎ কথা লিখলেন, তাইতে আর যাই হোক কিছু জিনিস জটিল
    থেকেই যায়:

    আবাপ/দেশ আর যাই হোক বড় busines group দের interest এর বিপক্ষে নয়। এটা আবাপ র সমস্ত সাড়ে বত্রিশ ভাজা প্রকাশনার সমস্ত outlet এ, এই editorial line এ স্পষ্ট।

    শুধু 'দেশ' অকারণে এই বিতর্কে আবার নোতুন করে inclusive forum হিসেবে legitimised হয়। that does not reflect an ounce of truth.

    1987 r haladiyaa bitarkera samay thekei shaktishaalee eba`m aamaara anyatama priya ei praabandhika
    tragic চরিত্র হতে পছন্দ করেন, কি আর করা যাবে।
  • b | ১৬ অক্টোবর ২০০৬ ১৭:৩৩669672
  • এবং ব্যাবসার আদৌ কোনো 'নিয়ম' আছে কিনা আমার বহুত সন্দেহ আছে? legal structure এর দিক থেকে দেখলেও মূলত contract based। এইটারে কি নিয়ম বলে?
  • r | ১৬ অক্টোবর ২০০৬ ১৭:৫৯669673
  • ছেলেবেলায় অশোকবাবুর লেখা ভালই লাগত। এখনও ভাল লাগে যখন কবিতা টবিতা নিয়ে লেখেন। এই সেইদিন শঙ্খ চৌধুরিকে নিয়ে একটা ভালো obituary লিখেছেন। কিন্তু বাকি ব্যাপারে আজকাল মনে হয় একেবারেই বাস্তবজ্ঞানরহিত মধ্যবিত্ত আদর্শের ফাঁপা বুলিতে রাজকীয় বাংলার কিংখাব পরানো হয়েছে। একসময় গণনাট্য সংঘের কিছু অতিরদ্দি নাটক চালু ছিল যাতে কৃষক, জোতদার, কৃষকের বউ টাইপের কিছু কার্ডবোর্ড চরিত্র খাড়া করা হত। এই সব নাটকে কাঁধে ঝোলা এক আদর্শবাদী মধ্যবিত্ত চরিত্র থাকতই থাকত। অশোক মিত্রের রাজনৈতিক বক্তব্য তার বাইরে বেরোতে পারে নি। তার থেকেও অসহ্য হল ভদ্রলোকের self-righteous হাবভাব। কবিতা ভবন, রাইটার্স বিল্ডিং, ওয়ার্ল্ড ব্যাঙ্ক আর কেন্দ্রীয় অর্থ দফতরের অলিন্দে ঘুরে ঘুরে জীবন কাটিয়ে দেওয়া বাবু ভদ্রলোক যতটা গরীবদরদী হতে পারেন উনি ততটাই গরীবদরদী। অন্যদিকে বড় তাঙ্কিÄক হলেও কথা ছিল। কিন্তু সেইদিকেও অশোকবাবুর খুব একটা নামডাক নেই। কাজেই...
  • Ishan | ১৬ অক্টোবর ২০০৬ ২১:১৪669674
  • b,

    আবাপ যখন বামফ্রন্ট বিরোধী মাল ছাপে, শুধু তখনই আবাপ কি বড়ো বিজনেসগ্রুপগুলোর পক্ষে? অন্য সময়গুলোয় নয়? অ্যাদ্দিন ধরে আবাপ তো বড়ো বিজনেসগ্রুপগুলোর কথাই বলে আসছে, শুধু অশোক মিত্রের লেখা ছাপার পরেই সেটা মনে পড়ল কেন? আমার পক্ষে লিখলে ভালো, আর বিপক্ষে লিখলেই বুর্জোয়া -- এটাও কিন্তু সেই পুরোনো লিগ্যাসি, অতএব বর্জনীয়।

    প্রকৃতপক্ষে, আবাপ এই প্রোজেক্টটা চায়, এবং সেটা বিভিন্নভাবেই পরিষ্কার করে দিয়েছে। আবাপর স্ট্যান্ড নিয়ে কোনো অস্বচ্ছতাই নেই। কিন্তু তার পরেও এই মালটা ছেপেছে, সে "নিরপেক্ষতা' দেখানোর জন্যই হোক, বাজার ধরার জন্যেই হোক, আর এই বিতর্কে "ইনক্লুসিভ' হয়ে ওঠার জন্যই হোক। এবং সেটা তুলনামূলকভাবে "গণতান্ত্রিক'। তুলনায় বাঁদিক ঘেঁষা আজকালকে দেখুন, সিপিআইএমের "অফিসিয়াল' বক্তব্যের বাইরে জাস্ট কিছু ছাপেইনি।

    মূল প্রশ্নটা আদর্শ-ফাদর্শ নিয়ে নয়ই, যেভাবে অশোক মিত্ররা প্রোজেক্ট করছেন। মূল প্রশ্নটা গণতন্ত্র নিয়ে। গণতন্ত্র, ভূমিপুত্রদের অধিকার, এবং উন্নয়নের মডেল। আমাদের পাড়ার লোকের, ধরা যাক, দশ একর জমি আছে। সরকার, অর্থাৎ নর্থ ব্লক, সাউথ ব্লক, বা মহাকরণের আমলারা বসে ঠিক করলেন, ঠিক এই জমিটাই আমার চাই শিল্পের জন্য। এবং আমাকে কিছু না বলেই টাটা-বিড়লা-মাইক্রোসফট কাউকে দশ কোটি টাকায় জমিটা বেচে দিলেন/লিজ দিয়ে দিলেন।

    এবার আমার জমি দিতে আমি রাজি নই। এটা কোনো রাস্তা/ফ্লাইওভার বানানোর প্রশ্ন নয়, যে, বলা হবে "জাতীয় স্বার্থে জমি অধিগ্রহণ করিলাম'। সোজা বাংলায় আমার জমি ব্যবসা করার জন্য অন্য আরেকজনকে দেওয়া হচ্ছে। আমি আর আমার পাড়ার লোকেরা বললাম, এই জমি আমরা বেচবনা/দেবনা। বা দিলেও মিনিমাম কুড়ি কোটি টাকা লাগবে। নইলে তোমরা বাবা রাস্তা দেখ।

    এবার প্রশ্নটা হল, এই পরিস্থিতিতে সরকার কি করবে? পুলিশ র‌্যাফ নামিয়ে "চল ফোট' বলে আমাকে ফুটিয়ে দেবে? দিলে সেটাকে গণতান্ত্রিক পদ্ধতি বলা হবে কি?

    b যখন বলছে, যে, এখানে ব্যবসার নিয়ম খাটেনা, লিগাল স্ট্রাকচারের দিক থেকে দেখলে মূলত: কনট্র্যাক্ট বেসড, তখন এই প্রশ্নটাকে এড়িয়ে যাচ্ছে। সরকারের সঙ্গে শিল্প-গোষ্ঠীর কনট্র্যাক্ট কি হচ্ছে, সেটা নিয়ে সাধারণভাবে কারো কিছু বলার নেই (আসলে সেটা নিয়েও বলার আছে, যেমন জর্জ ফার্নান্ডেজকে ধরা হচ্ছে এখন, কিন্তু সেটা এই আলোচনায় এড়িয়ে যাচ্ছি)। কিন্তু এখানে সরকার তার নিজের মাল নিয়ে কনট্র্যাক্ট করছেনা। সরকার বলছেনা, যে, এই নাও হাই রাইটার্স বিল্ডিং বেচে দিলাম, কুড়ি কোটি দাম। সরকার বেচছে আমার মাল। আমার জমি। আমার ব্যক্তিগত সম্পত্তি। এবং আমার বিন্দুমাত্র কনসেন্ট ছাড়া। ব্যাপারটা অনেকটা এরকম, যে, নিজের কেনা বাড়িতে বসে আমি ঝিমোচ্ছিলাম, একদিন সকালে পেয়াদারা এসে বলল ফোটো, তোমার বাড়ি জমিদার টাটাকে বেচে দিয়েছেন। আমি বললাম সেকি, আমার জমি অন্যে বেচে কিকরে? পেয়াদারা বলল, ওসব্ব জানিনা, হয় এখুনি ফোটো, নইলে ঘাড়ধাক্কা দিয়ে ফোটাবো।

    আইন বলছে এইভাবে জমি নেওয়া যায়। কিন্তু এটা আইনী বৈধতার প্রশ্ন নয়, প্রশ্নটা গণতান্ত্রিক দেশে ঐ আইনের বৈধতা নিয়েই। কিন্তু এই প্রশ্নটা পাবলিক স্ফিয়ারে কোত্থাও নেই। বুদ্ধবাবু, টাটা, মমতা, রাজনৈতিক লাভ-লোকসান, সব কিছু আছে, কিন্তু গণতন্ত্র, উন্নয়নের এই মডেল, ব্যক্তির অধিকার নিয়ে কোনো আলোচনা নেই। ভূমিপুত্ররা যেন নামহীন চাট্টি এনটিটি।
  • r | ১৬ অক্টোবর ২০০৬ ২১:৩৩669675
  • ব্যবসার "নিয়ম" আছে এবং সেই নিয়ম প্রতিদিন বাজারে আমরা নিজেরাই পালন করছি। মাছওয়ালা বলল যে আজ ইলিশ সাড়ে তিনশো টাকা কিলো। আমি বললাম "তিনশোয় হবে?" মাছওয়ালার পোষলে দিল। না পোষালে দরাদরি হল। দরাদরির পরেও না পোষালে বেচল না। পুরোটাই ব্যবসার নিয়মে চলছে। অর্থাৎ নিজের ইচ্ছা ও সামর্থ্য অনুসারে ক্রেতা ও বিক্রেতা একটা চুক্তিতে পৌঁছাল। এইবার যদি আমি গিয়ে বলি, "আমি ব্যবসায়ী সমিতির সেক্রেটারি। দিবি না মানে?" কিংবা বললাম "আজ পাড়ার পিকনিকের স্বার্থে দুশো টাকায় ছাড়। নইলে মাল তুলে নিয়ে যাব।" এইগুলো হল ব্যবসার নিয়মের বিরুদ্ধে। এই সব নিয়ম যে বিধিবদ্ধ আইনের আওতায় পড়ে তাও নয়। এই নিয়মগুলিকে টিঁকিয়ে রাখতে যে কোনো ধনতান্ত্রিক সমাজে কতগুলো institution তৈরি করে নিতে হয়। এই রকম একটি প্রাথমিক institution হল trust। ট্যাক্সি থেকে নামার পর আমরা আদৌ ট্যাক্সি ভাড়া দিই কেন? একটু কাটাছেঁড়া করলে দেখা যাবে যে না দিলে "আমার" উপর তার কুফল সেইরকম সাংঘাতিক কিছু নাও হতে পারে। অথচ আমরা সবাই ভাড়া মিটিয়ে দিই। এই "নিয়ম" কিন্তু সেইরকম কোনো আইনী কাঠামোর আওতায় পড়ে না। কিন্তু এই instituional structure না তৈরি হলে পুরো বাজারব্যবস্থাটাই ভেঙে পড়ে।

    রেফারেন্স: Kaushik Basu, "On Why We Do Not Try to Walk off without Paying after a Tax-Ride", Economic & Political Weekly, November 1983, Vol. 18, pp. 2011-2012.
  • dam | ১৭ অক্টোবর ২০০৬ ০০:১০669676
  • বাব্বা: অশোকবাবুর এখনও ইংরাজী ফেরানোয় কি রাগ!! ওঁর নিজের তো বোধহয় ছেলেপুলে, নাতিনাতনী নাই। ভাগ্যিস!! নাহলে তো আবার তাদের জন্য ইংলিশ মিডিয়াম খুঁজে, তারপর এইসব বক্তিমে মারতে হত।

    যাকগে, এই ভুমিপুত্ররা গিয়ে জনস্বার্থে মামলা ঠুকে দিতে পারে না? ঐ বরুণবাবু যেমনভাবে বলেছেন, সেইভাবে?
  • tan | ১৭ অক্টোবর ২০০৬ ০০:২৪669678
  • আহা,
    আমপাব্লিকের জন্য ব্যবস্থা আর রাজাগজার ব্যবস্থা কি এক হবে নাকি?
    মিত্রমশায়ের নাতিনাতনীর ব্যবস্থাও আলাদাই হতো!
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা মনে চায় প্রতিক্রিয়া দিন