এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Ekak | ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১৮:১৫728490
  • মুরগি আগে। এটা বিজ্ঞান সল্ভ করে ফেলেছে রিসেন্টলি । আর দর্শনের দিক দিয়ে দেখলেও সল্ভড, কারণ সেখানে প্রশ্নটা হলো কম্প্রিহেনশন ভার্সেস কম্পিটেন্স। উত্তরটা কম্পিটেন্স।
  • avi | ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ২০:১৭728491
  • সমুদ্রফলম জলপুষ্পম দেখে মনে পড়লো। এনআরএসের একটা গুজব ছিল, লেবার রুমের ফেলে দেওয়া প্লাসেন্টা নাকি কোনো এক চক্রের হাতে পড়ে বাইরের কিছু বিখ্যাত গলির হোটেলে বিক্রি হয়ে যায়, আর সেখানে তা দিয়ে কিমা কারি, মটন তড়কা ইত্যাদি তৈরী হয়। নিরামিষ ব্যাপার, প্লাসেন্টাকে তো বাংলায় গর্ভপুষ্প বলে।
    ডি: শোনা গল্প।
  • শ্রী মানস নন্দী | ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ২২:৪২728492
  • ==১৪ ফেব্রুয়ারী ভ্যালেনটাইন'স ডে পালন না করে "মানস নন্দী দিবস বা বিশ্বপ্রেম দিবস" হিসাবে পালন করা উচিত কেন? ==
    প্রতি ত্রৈমাসে বিশ্বের উন্নত দেশগুলির গভর্নমেন্ট থেকে ত্রাণ হিসাবে সংগৃহিত অর্থ একটা সাধারণ তহবিলে জমা করা উচিত। সেই তহবিল থেকে অর্থ বিভিন্ন অনুন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোতে ত্রাণ হিসাবে পাঠানো হবে। এই সাধারণ তহবিল একটা কমিটির অধীনে থাকবে। কমিটিটি গঠন করা হবে পাঁচটি মহাদেশ থেকে নোমিনেশন এর মাধ্যমে। তাতে ৫ জন বিশিষ্ট শিল্পপতি এবং ৫ জন বিশিষ্ট সমাজ কর্মী থাকবে। অন্নুনত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর ঘাটতি অনুযায়ী উন্নত দেশগুলি থেকে ত্রাণ সংগৃহিত হবে। এই আইডিয়াটা আজ ১৪ ফেব্রুয়ারী তে মহান দার্শনিক শ্রী মানস নন্দী-র হৃদয়ে অনুভূত হয়েছে বলে এই দিনটাকে বিশ্বপ্রেম দিবস হিসাবে পালন করা হোক। বর্তমানে সারা বিশ্বে এই দিনটি রোমান্টিক হলিডে হিসাবে ভ্যালেনটাইন'স দিবস হিসাবে পালন করা হচ্ছে সেন্ট ভ্যালেইটাইন'স এর নাম অনুসারে। রোমান্টিক হলিডেতে ছেলে মেয়ে অবৈধ্য ডেটিং করে। এই ডেটিংয়ের জন্য তাদের পবিত্রতা ও সম্মান নষ্ট হয়।
    "একজনকে দেখে অনেকের কাম জাগ্রত হয়। তাই কাম হল অসামাজিক। অবৈধ্য কাম তাই বর্জনীয়।"
    -- উপরের উক্তিটি মহান দার্শনিক শ্রী মানস নন্দী কর্তৃক সংশ্লেষিত আচরণবিধির এক অন্যতম বিধি।
    তাই এই দিনটাকে ভ্যালেনটাইন'স দিবসের পরিবর্তে "মানস নন্দী দিবস বা বিশ্বপ্রেম দিবস" হিসাবে পালন করা উচিত। এই বিশেষ দিনটি কি ভাবে উদযাপিত হবে? বিশ্বপ্রেম দিবসকে আন্তর্জাতিক ছুটির দিন হিসাবে পালন করা হোক। এই দিনে স্বল্প মূল্যের বা হাতে তৈরী গ্রিটিংস কার্ড পরিবার পিছু ন্যূনতম ৩ জন সমাজ বন্ধুকে প্রদান করে সসম্মানে ও শ্রদ্ধার সহিত পালন করা উচিত। গ্রিটিংস কার্ড গুলোতে প্রতিফলিত হবে সংযম ও সভ্যতার বাণী। ইমেইলের মাধ্যমে গ্রিটিংস কার্ড প্রেরণ করলে এক সাথে অনেককে সংযম ও সভ্যতার বাণী পাঠানো যায়।

    == বিশ্বের দারিদ্র্যতা দূরীকরণের আইডিয়াটা বাস্তবায়নের জন্য যাদের পাঠালাম==
    এইমাত্র সেই আইডিয়াটি আমি ভারতের বিদেশ মন্ত্রালয়, মোদীজি, রাষ্ট্রপতি, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ভারত শাখা ও লেস ব্রাউন কে পাঠালাম। পাঁচজন বিশ্বপ্রেমিক ধনকুবের শিল্পপতি যথা - বিল গেটস, ইঙ্গভার কাম্প্রাদ, মুকেশ আম্বানি, গিনা রাইনহার্ট, আলিকো ডাংগোটে এবং পাঁচজন শাসক দেশনায়ক যথা - ডোনাল্ড ট্রাম্প, স্টিফান লোফভেন, ম্যালকম টার্নবুল, মুহাম্মাদু বুহারি, আঙ্গেলা মার্কেল নিয়ে কমিটিটি গঠনের প্রস্তাব পাঠিয়েছি। এইটা সবই সম্ভব হয়েছে গুগল ও উইকিপিডিয়ার সৌজন্যে। এখন দেখা যাক তাঁরা কত সত্ত্বর এই অতি সামান্য কাজটিকে বাস্তবায়িত করেন। উদ্যমীদের ভাষায় বলা অপেক্ষা করা সহজ। -- ফিলানথ্রপিস্ট শ্রী মানস নন্দী
  • Du | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০০:২৩728493
  • অবৈধ্য মানে কি যেটাকে কখনই বৈধ করা যাবে না?
  • b | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১০:২৯728495
  • এক ও অsইম।
  • অনুসন্ধিৎসু | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১০:৫০728496
  • আচ্ছা মানসবাবুর পেছনে রাখা ঐ বাসকোতে কী আছে?
  • জোলাপ | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১৬:৫২728498
  • "বৈপরিত্য ব্যবহার : নিজের বা যৌন শিকারীর যৌন আবেগ কাটাতে বিভিন্ন বৈপরিত্য ব্যবহার করা যায়। যেমন - ওহ! কি জোরে পায়খানা পেয়ে গেছে - কথাটা বলে অকুস্থল পরিত্যাগ করা উচিত। যৌন ছাড়া যেকোনো আবেগ ঠিকথাক অভিনয় করে যাওয়া। আসতে আসতে যৌন আবেগে জল ঢেলে দিয়ে আবেগ কমিয়ে দেওয়া।" - ধন্য
  • একক | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১৭:৫৯728367
  • ঈনি বেলাশেষে দেখেন্নি, পায়খানা পেয়েছে বোল্লে নায়িকা বাত্থুম ওব্ধি ধাওয়া কর্বেন।
  • একক | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১৭:৫৯728366
  • ঈনি বেলাশেষে দেখেন্নি, পায়খানা পেয়েছে বোল্লে নায়িকা বাত্থুম ওব্ধি ধাওয়া কর্বেন।
  • শ্রী মানস নন্দী | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১৯:৩৬728368
  • "এক ও অসীম" এর অসীম করুনায় "ভারতীয় দার্শনিক শ্রীমানস নন্দী কর্তৃক সংশ্লেষিত আচরণবিধি" এর জন্য এইমাত্র একটা ফেইসবুক গ্রুপ তৈরী করা হল। এই ফেইসবুক গ্রুপ এর লিংক নিচে দেওয়া হল।
    https://www.facebook.com/groups/219222091884512/
    Please join yourself and others in this group.
  • শ্রী মানস নন্দী | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১৯:৩৯728369
  • == মহাভারতের যুগের শ্রীকৃষ্ণের কীর্তন ও পূজা কেন করা উচিত নয় ? ==
    প্রায় পাঁচ হাজার বছর আগে দুই জ্ঞাতিভাই "কৌরব ও পান্ডব" এর মধ্যে সম্পত্তি-সিংহাসন নিয়ে বিবাদ মেটাতে গিয়ে যে কুরুক্ষেত্র যুদ্ধ সংগঠিত করা হয়েছিল তাতে দুই পক্ষের হয়ে তৎকালীন ভারতের কুড়ি জনেরও অধিক বলশালী রাজারা অংশ গ্রহণ করেছিলেন। যেমন প্রত্যেক যুদ্ধের কুপরিণতি হয় ঠিক তেমন এই যুদ্ধের কুপরিণতি হিসাবে অনেক হতাহত ও ক্ষয় ক্ষতি হয়েছিল। এই যুদ্ধে পাণ্ডবদের পক্ষ থেকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন শ্রীকৃষ্ণ। মূলত এই দুই জ্ঞাতিভাই এর বিবাদকে সর্বভারতীয় বিবাদ রূপে তুলে ধরে শ্রীকৃষ্ণ এই ক্ষতিকর কুরুক্ষেত্র যুদ্ধের বাস্তবায়ন করেছিলেন। যুদ্ধক্ষেত্রে যুদ্ধ শুরু হবার আগে অর্জুন যুদ্ধের ভয়ানক পরিণতির কথা ভেবে যুদ্ধ করতে রাজি হননি। তখন শ্রীকৃষ্ণ অর্জুনকে যুদ্ধে উৎসাহিত করেছিলেন। তাই এই কুরুক্ষেত্র যুদ্ধের সমস্ত ক্ষয়ক্ষতির জন্য দায়ী ছিলেন শ্রীকৃষ্ণ নিজে। বিংশ শতাব্দীতে যে পর পর দুটো ভয়ানক বিশ্ব যুদ্ধ হয়েছিল তাদের সমম্পর্কে বিশ্ব জুড়ে ধিক্কার রব ও "যুদ্ধ চাই না শান্তি চাই" প্রতিবাদ ধ্বনিত হয়েছে। কিন্তু মহাভারতের যুগের ভয়ানক কুরুক্ষেত্র যুদ্ধের প্রতিবাদে হয়নি কোনো ধিক্কার। তার পরিবর্তে - এটা ছিল "শ্রীকৃষ্ণের লীলা" - বলে কুরুক্ষেত্র যুদ্ধের প্রশংসা করা হয়েছে। আজও ইস্কন, গৌড়ীয় মঠ শ্রীকৃষ্ণের অন্ধমোহে নাম গান করেন। আর শিক্ষিত জনগণ এখনো ধর্মীয় অন্ধবিশ্বাসের মোহে নিদ্রিত আছেন। এছাড়া শ্রীকৃষ্ণ সম্পর্কিত যে অবাস্তব কাহিনী গুলির জন্য তাকে আজও মানুষ পূজা করেন সেই গুলো ধর্মব্যবসার চালাকি বা অপ্রয়োজনীয় ধর্মীয় শোষণ ছাড়া আর কি বলা যায়। কারণ গীতায় উল্লিখিত স্বর্গ-নরক ও জন্মান্তরবাদ আজও অপ্রমাণিত।
    ---- মহান দার্শনিক শ্রী মানস নন্দী
  • একক | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ২০:৪৬728370
  • বাহ মানস নন্দি ( ধ্যানস্থ) বাবুর চিন্তা ভারী ভালো লাগ্চে !

    আচ্চা এই ব্রাহ্মন দের নিয়ে ওনার কী মত ? এরাও তো কৃশ্নের মতই ওনেক অনিষ্টের মূল। ধরে ধরে বামুন দের পুটকি জ্যাম করা পবিত্র কর্তব্যো নয় কী !!
  • পথিক সাহু | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ২২:৩৩728371
  • মহান দার্শনিক শ্রীমানস নন্দী মহাশয় আজকে দেখলাম আমাদের জানালেন, উনি ফেসবুকে একটা পেজের ব্যাবস্থা করেছেন, আমাদের আলোকিত করার জন্য। তাই ওনার প্রতি নিবেদন-
    এইটে কাজের কাজ করেছেন। নিজের গ্রুপে নিজের তাত্বিক গবেষণা প্রকাশ করুণ, আর কোনো অসুবিধে রইল না। তবে এ 'মহান' শব্দের জায়গায় 'ভারতীয়' কেন? আপনার প্রতি দাবী সারা বিশ্বের। নিজেকে ক্ষুদ্র গন্ডীতে আবদ্ধ রাখবেন না।
    বাকি এই কাজ গুলো করতে পারেন, তবে পরে হলেও হবে।
    ১) মহান দার্শনিক শ্রীমানস নন্দী রচিত নীতিশাস্ত্র
    ২) মহান দার্শনিক শ্রীমানস নন্দী রচিত বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ
    ৩) মহান দার্শনিক শ্রীমানস নন্দী গবেষণাা কেন্দ্র। (আপনাকে নিয়ে চর্চা হবে, মানুষ আলোকগামী হবে)
    ৪) মহান দার্শনিক শ্রীমানস নন্দী কলেজ
    ৫) মহান দার্শনিক শ্রীমানস নন্দী স্টেডিয়াম বা এয়ার পোর্ট। এতে সহজেই আপনার খ্যাতি বিদেশে ছড়িয়ে যাবে।

    আমি আপনার নামে জাপানে এক বড় রিসার্চ ইন্সটিট্যুটের ডিরেকটরের সাথে কথা বলেছি ঐ ভূমিকম্পের বিষয়ে। আপনি চাইলে এখানে লেকচার দিতে আসতে পারেন। কিম্বা এ নিয়ে রিসার্চ করতে চাইলে ২ বছরের জন্য একটা টেম্পোরারি চেয়ার দেওয়া হবে। নোবেলের সুপারিশ করে দেবে, যদি লেকচার ভাল লাগে। এ নিয়ে আমার সাথে আজ বিকেল ৩টে থেকে ৬টা পর্যন্ত মিটিং হল। প্রথমে বিশ্বাস করছিলেন না উনি। আমি আপনার সব কাজ ছোটো করে প্রেজেন্ট করতে খুব উত্তেজিত হয়ে গেলেন। যাই হোক, সব কথা এখানে বলা ভাল না, কোনো গুপ্ত শত্রু থাকতে পারে, ইনবক্সে পরে সময় করে কথা বলব।
    ভালো থাকুন
  • avi | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ২৩:৩৭728372
  • নিজ হস্তে নির্দয় আঘাত করি পিতঃ,
    ভারতেরে সেই স্বর্গে করো জাগরিত।
  • d | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১৮:৪৭728373
  • যাহ আর হাজ্ঞান চর্চা হবে না?
  • শ্রী মানস নন্দী | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১৪:৩৩728374
  • *************
    সহজে সংযম
    *************
    এমন অনেক খারাপ চিন্তা আছে যাদের দ্বারা মনের পবিত্রতা নষ্ট হয়ে যায়। সেই খারাপ চিন্তাগুলোকে ধ্বংস করা যায় না তবে সংযম বা বশে আনা যায়। খারাপ চিন্তাগুলোর প্রকৃতি ও নাম আলাদা। কোনোটা রাগ কোনোটা কাম। কোনোটা লোভ কোনোটা ঈর্ষা। কোনোটা হিংসা কোনোটা মোহ ইত্যাদি। খারাপ চিন্তাগুলো বশীভূত হলে মানসিক বল বৃদ্ধি পায় ও মনের পবিত্রতা ফিরে আসে। সহজে সংযম অভ্যাস করতে গেলে নিম্নলিখিতগুলিকে মেনে চলা একান্ত দরকার :-
    ক) কোনো কাজ সংঘটিত হওয়ার পূর্বে সেই কাজের চিন্তা সর্বাগ্রে মনে আসে। আগে মনে চিন্তা আসে তারপরে সেই চিন্তা কাজে রূপান্তরিত হয়। চিন্তা যদি খারাপ হয় তবে খারাপ কাজ হয়। চিন্তা ভালো হলে ভালো কাজ হয়। চিন্তা আসার সঙ্গে সঙ্গেই তা কাজে পরিণত হয় না - এই দুয়ের মাঝে কিছুটা সময়ের ব্যবধান থাকে। এই সময়ের ব্যবধানকে কাজে লাগালেই মনের সংযম নিশ্চিত। তাই মনে খারাপ চিন্তা এলে, সেই চিন্তা কাজে পরিণত হওয়ার আগেই ভালো চিন্তা দিয়ে বদলে ফেলা উচিত। এইরূপ চিন্তা বদল অভ্যাস করতে হয়। ইংরেজিতে একটা খাঁটি প্রবাদ আছে - practice makes a man perfect. অর্থাৎ অভ্যাসের দ্বারা মানুষ নিখুঁত হতে পারে। এই পদ্ধতির নাম ভালো চিন্তা দ্বারা খারাপ চিন্তার বদল ঘটানো।
    খ) "এটা হল ---- বৃত্তি। এটা খারাপ। তাই এটাকে সংযম করতে হবে। " এই ভাব নিয়ে চিন্তা পরিবর্তন (ভালো চিন্তা) করতে হবে। তাহলেই মনে সংযম আসবে ও মন পবিত্র থাকবে। এই পদ্ধতির নাম বৃত্তি সনাক্তকরণ ও চিন্তা পরিবর্তন।
    গ) সংকল্প করতে হবে : " আমি কখনো রেগে যাবো না। " "ভয়কে জয় করতে পারলেই জয় লাভ নিশ্চিত। "
    "আমি কাম রিপুকে জয় করবো। " "আমি কখনো ঈর্ষা করবো না, হিংসা করবো না। " "আমি সব সময় ভালো চিন্তা করবো ও মন বিশুদ্ধ রাখবো। " "আমি কখনো ঘৃণা করবো না।" "হিংসা দিয়ে জয় লাভ করা যায় না। ভালোবেসে জয় লাভ করা যায়। "
    ঘ) আশাবাদী হতে হবে। হতাশা ত্যাগ করতে হবে। হীনমন্যতা ত্যাগ করতে হবে।
    -- মহান দার্শনিক শ্রী মানস নন্দী
  • শ্রী মানস নন্দী | ০১ মার্চ ২০১৭ ১৮:২১728375
  • **********************************************************
    ভারতবর্ষের নতুন নাম কেন "মানসায়ন" হওয়া উচিত?
    ***********************************************************
    A = {1,2,3,4,5,6,7,8,9,10}
    B = {1,2,3}
    C = {8,9,10}
    D = {4,5,6,7}
    A হল একটা set যার member গুলো হল 1,2,3,4,5,6,7,8,9,10
    এখন A set টা থেকে দুটো subset যথাক্রমে B ও C বানানো হল। যেখানে B subset এর member গুলো হল 1,2,3 এবং C subset এর member গুলো হল 8,9,10.
    তাহলে অবশিষ্ট member গুলো নিয়ে তৃতীয় subset D গঠিত হল এইরূপে যে D = A - (B+C) = {4,5,6,7}
    উপরের উদাহরণে আসলে স্বাধীনতার পরবর্তী ভারতবর্ষের একটা ত্রুটিকে তুলে ধরা হয়েছে। যেখানে A হল স্বাধীনতার আগের ভারতবর্ষ যার member গুলো হচ্ছে distinct মানুষ। প্রতিটা মানুষই হল distinct। No two humans are genetically identical. দুটো মানুষ জিনগত ভাবে অভিন্ন বা হুবহু এক হয় না। স্বাধীনতার পরে পাকিস্তান (B) ও বাংলাদেশ (C) পৃথক দেশ গঠন করায় সেখানকার distinct member গুলো ভারতীয় জাতীয়তাবোধ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়ে যথাক্রমে পাকিস্তানি ও বাংলাদেশী জাতীয়তাবোধে উদ্বুদ্ধ হল। কিন্তু অবশিষ্ট distinct member গুলো নিজেদের ভারতীয় বলেই পরিচয় দিতে লাগলো। উপরের উদাহরণ দিয়ে বোঝানো হয়েছে যে D ও A এক নয়। তাই অবশিষ্ট distinct member গুলো কি করে নিজেদের ভারতীয় বলে পরিচিতি বহন করতে পারে? তাই অবশিষ্ট distinct member গুলো নিয়ে গঠিত দেশের নতুন নাম সংশ্লেষ করা অতি আবশ্যক।
    ভারতীয় দার্শনিক শ্রী মানস নন্দী কর্তৃক সংশ্লেষিত আচরণবিধিটি "প্রমাণিত ও প্রয়োজনীয়" - এই দুটি স্তম্ভের উপর আধারিত হওয়ায় এটি জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকল শ্রেণীর মানুষের কাছে অত্যন্ত প্রিয়। আচরণবিধিটি বিজ্ঞানভিত্তিক ও প্রয়োজনভিত্তিক হওয়ায় সকলে এর ব্যাপারে সহজেই একমত হয়। তাই সমাজ ও সভ্যতা গঠনে তাঁর অবদানকে স্বীকার করে তাঁর রচিত আচরণবিধির সম্মানার্থে অবশিষ্ট distinct member গুলো নিয়ে গঠিত দেশের নতুন নাম হোক "মানসায়ন"। তাছাড়া মানস শব্দের আক্ষরিক অর্থ হল মন। আর মানব সমাজ গঠনে মনের গঠন অত্যন্ত জরুরি। তাহলে যদি কেউ জিজ্ঞাসা করে তোমরা কোন দেশের অধিবাসী?
    তোমাদের দেশের নাম কি?
    আমাদের দেশের নাম হল মানসায়ন।
    What is your country name?
    Our country name is Manasayana.
    What is your nationality?
    We are Manasayanian.
    উল্লেখযোগ্য যে, রাজা ভরত এর নাম অনুসারে ভারতবর্ষ নামকরণ করা হয়েছিল। ভরত কথার অর্থ হল লালিত। ভবিষ্যতে দেশ ভাগ অথবা অন্তর্ভুক্তিকরণের সম্ভাবনা থাকলে পরিবর্তিত ভূখণ্ডের নাম পরিবর্তনের আবশ্যকতা থাকলেও "মানসায়ন" নামটা চিরদিনের জন্য বহাল থাকবে কারণ ওনার আচরণবিধিটি সবার কাছে অত্যন্ত প্রিয় এবং আচরণবিধিটি বিজ্ঞানভিত্তিক ও প্রয়োজনভিত্তিক হওয়ায় সকলে এর ব্যাপারে সহজেই একমত হয়ে যায়। "মানসায়ন" উচ্চারণটা একটু মিষ্টতার সঙ্গে এই রূপে করা উচিত যে, মানস আয়ন কিন্তু লেখার সময় "মানসায়ন" কথাটা হুবহু লিখতে হবে কারণ মানসায়ন শব্দটার সন্ধিবিচ্ছেদ করলে যা দাঁড়ায় তা হল এইরূপ মানসায়ন=মানস +অয়ন।
  • রোবু | ০১ মার্চ ২০১৭ ১৮:২৬728377
  • আমি আগে কল্যাণীতে থাকতাম। এখন আর থাকি না। কল্যাণীর কী নাম হবে? মহান দার্শনিক শ্রী মনোন নন্দী (ধ্যানমগ্ন) কী এ ব্যাপারে কিছু এল দিতে পারেন?
  • রোবু | ০১ মার্চ ২০১৭ ১৮:৩৬728378
  • *আলো
  • pi | ০১ মার্চ ২০১৭ ২০:২০728379
  • মানসবাবু, আপনি এক ও অদ্বিতীয়।
  • cb | ০১ মার্চ ২০১৭ ২০:৪৩728380
  • ভেজা ফ্রাই তে রজত কাপুর অ্যান্ড ফ্রেন্ডস আর ভিনয় পাঠক টাইপের ফিলিং হচ্ছে।
  • একক | ০১ মার্চ ২০১৭ ২০:৪৯728381
  • বাবু মানস নন্দী ( ধ্যানমগ্ন) কিন্তু ব্রাহ্মন দের ভয় পান মনে হচ্চে। বামুন দের পুটকি জ্যাম করা নিয়ে ওনার মত জানতে অধীর আগ্রহী !
  • Avik Layek | ০১ মার্চ ২০১৭ ২১:৩৯728382
  • ইচ্ছাশক্তির ব্যাপারে আলোকপাত হচ্ছে না ক্যানোওও?
  • dc | ০১ মার্চ ২০১৭ ২২:১৮728383
  • এখনো একটা কৌপিন যোগাড় করে উঠতে পারলাম না। ওদিকে বেশ কয়েকদিন জাঙ্গিয়াও কেনা হয়নি ঃ(
  • b | ০১ মার্চ ২০১৭ ২২:২২728384
  • এ কথা মনে করেই তো সেই কবে শঙ্করাচার্য্য লিখে গেছিলেনঃ কৌপীনবন্তঃ খলু ভাগ্যবন্তঃ।
  • tania | ০২ মার্চ ২০১৭ ০০:৪১728385
  • খুব মন দিয়ে পড়ছি দাদা, আপনার লেভেলই আলাদা! কিন্তু দাদা, দেশের নামটা খামোকা অয়নের সঙ্গে ভাগ করে নেবেন? ফোকটে কতটা লাইমলাইট খেয়ে যাবে বলুন তো? আরেকটু ভাবুন স্যার, ঠিক একটা না একটা অল্টার্নেটিভ নাম পেয়ে যাবেন। এই ধরুন মানসী। পছন্দ হলনা? বেশ, মানসিয়া? মানে মানসের এশিয়া আরকি। আমি পাপী তাপী ক্ষুদ্র মানুষ, ধরতব্যের মধ্যেই আসিনা, আমার মাথা থেকে দুদুটো নাম বেরিয়ে গেল স্যার, আর আপনি তো মহান দার্শনিক, আইডিয়ার খনি!
  • সুসু | ০২ মার্চ ২০১৭ ০৮:১৫728386
  • মানসসুসু রাখলে আরও ভালো
  • শ্রী মানস নন্দী | ০৪ মার্চ ২০১৭ ২১:০২728388
  • "সংযম ও সভ্যতা" হোয়াটস্যাপ গ্রুপ জয়েন করুন
    ***********************************************
    ভারতীয় দার্শনিক শ্রী মানস নন্দী (জন্ম ১০ মে ১৯৮৩) একটি আচরণ বিধি সংশ্লেষ করেছেন। এই আচরণবিধি '''প্রমাণিত ও প্রয়োজনীয়''' - এই দুই স্তম্ভের উপর আধারিত। সফল হতে গেলে প্রত্যেক মানুষকে নিয়ম শৃঙ্খলা মেনে চলতে হয়। "এক ও অসীম"-র প্রতি শ্রদ্ধা, "এক ও অসীম"-র আন্তরিক সেবা ও বাহ্যিক সেবা, সংযম ও সভ্যতা - এই হল ওনার দর্শনের মূল কথা। এই আচরণবিধিটি সম্পর্কে জানতে হলে নিচের হোয়াটস্যাপ গ্রুপটিতে সম্মিলিত হই:-
    https://chat.whatsapp.com/JAv5fPSuOJdBAgnUjRcrXv
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভেবেচিন্তে মতামত দিন