এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • তুঘলকি শাসন

    mila
    অন্যান্য | ০৮ নভেম্বর ২০১৬ | ১১৭০৫১ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • সিংগল k | ২৭ নভেম্বর ২০১৬ ১৯:৩৪724248
  • 'আপনি কি ডাইরেক্ট এবং ইনডাইরেক্ট ট্যাক্স দুটোই ধরে বলছেন যে সাগরদ্বীপের লোকেরা ট্যাক্স দেয়না ?' ( Name: shibir Date:26 Nov 2016 -- 11:50 PM)

    ইনডাইরেক্ট ট্যাক্স তো শুনেছি সোঁদরবনের রয়েল বেঙ্গলরাও দিয়ে থাকে। আমি ডাইরেক্ট ট্যাক্সের কথাই বলেছি। আমি কিন্তু আপামর সাগরদ্বীপবাসীকে ট্যাক্স-চোর বলি নি। একটি কংক্রীট উদাহরন তুলে দেখিয়েছিলাম কিভাবে সাগরদ্বীপেরই একটি বিখ্যাত সংস্থা তিরিশ বছরেরও বেশী ট্যাক্স না দিয়েই চালিয়ে গিয়েছেন। সেই সংস্থাটির গভর্নিং বডির সমস্ত মেম্বার স্বক্ষেত্রে বিখ্যাত লোক। ওনারা, এবং ওখানকার যেসব বড় ব্যবসায়ী ট্যাক্স দেন না, তাঁরা ট্যাক্স দিলে সেনা, পুলিশ, মঙ্গলযান, ত্রিফলা র সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় অন্যান্য ইনফ্রাস্ট্রাকচারেরও উন্নতি হত নিশ্চয়ই। না হলে উন্নতি করানোটাও (চাপ দিয়ে) তাঁদেরই দায়িত্ব।
    সেনা, পুলিশ, মঙ্গলযান, ত্রিফলা থেকে যাঁদের লাভ/স্বার্থ তাঁরা ট্যাক্স দিন বা না দিন এগুলো ঠিকই তদ্বির করে হাসিল করিয়ে নেন।

    'সরকার যদি ট্যাক্স তুলে দে তবে সেনা, পুলিশ, মঙ্গোলযান, ত্রিফলা এসবের খরচ কোথেকে আসবে?'
    ( Name: shibir Date:26 Nov 2016 -- 11:50 PM)

    সেনা, পুলিশের দরকার তো শুধু প্রতিরোধ প্রতিবাদ ভাঙ্গার জন্য, তা সে খরচ আদানীরা বেদান্তরাই দেবে।
    মঙ্গোলযান তো ভবিষ্যতে হবে অন্তরীক্ষ কর্পোরেশনের -
    http://www.antrix.gov.in/
    যার বোর্ড মেম্বার হয়ে থাকেন টাটাবাবুরা, তার খরচা টাটাবাবু, গোদরেজবাবুরাই দেবেন।
    The board would continue to have a mix of members drawn from ISRO, industry and academia but the private sector directors would have fixed tenures, he said. The board has Mr Ratan Tata of Tata Sons; Mr Jamshyd Godrej, MD of Godrej & Boyce Ltd; and Mr P. Ravindra Reddy, MD of MTAR Technologies Ltd, as industry representatives. Their companies also supply hardware for ISRO's satellite and launcher programmes.
    ...................................Business line.
    ...................................(This article was published on July 10, 2011)
    http://www.thehindubusinessline.com/economy/isros-commercial-arm-antrix-gets-new-chief/article2214210.ece
    আর ত্রিফলা?? ও আর জিজ্ঞেস করে লজ্জা দেবেন না। ও টুম্পাই, সুদীপ্তবাবুরা পুষিয়ে দেবেন।
    তাহলে আর গরীব মানুষের ওপর ট্যাক্সো চাপিয়ে অত্যাচার কেন বাপু!! ;)

    কেন্দ্রের বর্তমান সরকার ট্যাক্স তুলে ইনডাইরেক্ট ট্যাক্স থেকে আয় বাড়াতে চান বলে মনে হচ্ছে। (যা এড়ানো কিনা সোঁদরবনের বাঘেদেরও অসাধ্য)। আমি পরমপূজ্য রামদেবজী বা অনিলজীর কথা শুনে একথা বলছি না। কেন্দ্রীয় সরকারের মাননীয় বিত্তমন্ত্রী জেটলিজী, মাননীয় সাংসদ ও প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ স্বামীজী এবং অবশ্যই মাননীয় মোদিজীর আট নভেম্বরের পরে রাখা বক্তব্যের নির্য্যাস থেকে আমি একথা বলছি। প্রতিটি বক্তব্যের লিঙ্ক দিতে পারব না, কিন্তু এইটি দিলাম। খবর্দার পুরোটা দেখতে যাবেন না, (সহ্য করতে পারবেন না)। ৩৯:২৫ থেকে দেখুন- (৪২:২৭ অব্দি দেখলেই চলবে)

    এতে তো আমার এবং মউলেদের কারোরই সরাসরি ক্ষতির আশঙ্কা দেখছি না। যদি আশঙ্কা থাকে তবে সেটা কিভাবে, সেটা একটু বুঝিয়ে দেবেন দয়া করে।
    এখনই সমস্ত টাকাকে প্লাস্টিক করে ফেলার কথা এঁঁদের কেউ বলেন নি। (ইনক্লুডিং পরমপূজ্য রামদেবজী ও অনিলজী)। নিচের দিকের টাকা, মানে পঞ্চাশ বা একশ পর্যন্ত টাকাতে যদি হাত না পড়ে তবে আমার মনে হয় না সুন্দরবনের প্রত্যন্ত অঞ্চলের সাধারন মানুষের সরাসরি কোন অসুবিধা হবে। ব্যবসায়ীরা বড় নোটে বা প্লাস্টিকে ব্যবসা চালাতে পারবেন বলে তাঁদেরও অসুবিধা হবার কথা নয়। অসুবিধা টা হল, নগদ এবং কালোটাকার হেজিমনিটা এই মুহুর্তে তছনছ হয়ে যাওয়ায়। বহু ব্যবসায়ী হয়ত আর এই সেটব্যাক থেকে রিকভার করতেই পারবেন না। তাদের সঙ্গে যুক্ত পুরো চেনটায় সেই প্রভাব পড়বে। দিদি সহ যাঁরাই 'সাধারন মানুষ' কথাটা বলছেন তাঁরা কেউই ঠিক এই জায়গাটা থেকে বলছেন না।

    এইভাবে জিরো (ডাইরেক্ট) ট্যাক্স রেজিমের অসুবিধা কিকি সেটা নিয়ে আমি বড় বড় অর্থনীতিবিদের বক্তব্য শুনতে চাইছি। এই টইয়ের প্রথমেই মানে আট তারিখ রাত্রেই ঐ আরেসেসের, অর্থ ক্রান্তি এনজিওর লিঙ্ক দিয়ে রঞ্জনদার এ বিষয়ে মতামত চেয়েছিলাম। আরেসেসের ব্যাপার নিয়ে কেউ মাথা ঘামাতে রাজি নয় বলেই হয়ত এ বিষয়ে বলার অধিকারী কেউ আমার কথার জবাব দেন নি। গুরুতে তো এত অর্থনীতিবিদের আনাগোনা। তাই এখান থেকে অনেক কিছু জানতে পারার আশা করেছিলাম, সেটা না পেয়ে, 'এই গুরু আমার অচেনা' বলে আক্ষেপও করেছি। উল্টে গুরতে উপদেশ পেয়েছি -
    "অফিস কাছাড়িতে ভকত দেখলেই খিস্তি মারুন - মা মাসি তুলে - যত নোংরা খিস্তি পারেন - এদের বেঁদে থাকাটা কঠিন করে দিন।"
    মুস্কিল হল কারো 'লাইফ হেল' করে দেবার রাস্তায় আমি কিছুতেই হাঁটতে রাজি নই, এমনকি সে আমার চরম শত্রু হলেও। শত্রুরও মঙ্গলকামনা করলে সে তো আর ততটা শত্রু থাকে না। শত্রুতা বোধহয় আমাদের কোথাও পৌঁছে দেয় না। সুস্থ প্রতিযোগিতা দিলেও দিতে পারে। বোধহয় কল্লোলদা আমার সঙ্গে একমত হবেন, আরো অনেকেই হয়ত হবেন, কিন্তু জোরগলায় তো কেউ সেকথা বলছেন না। আগেরবার 'লাইফ হেল' করার আহ্বানের পরেও বলেছিলাম, এখনও বলছি।

    অমর্ত্যবাবুর কাছ থেকে খুব আশা করেছিলাম একটা ভাল কিছু বক্তব্য পাব, কিন্তু উনিও ওই রাজনৈতিক মার্কা স্টেটমেন্টে আমাকে হতাশ করেছেন। এ বিষয়ে আমার বোঝার মত করে জিরো ট্যাক্স রেজিমের সুবিধে অসুবিধেগুলো নিয়ে বলার লোকের কি নিতান্তই অভাব? যদি তাই হয় তবে কেউ প্রিপেয়ার্ড ছিলেন না সেটা স্বীকার করে নিন। খিস্তি দিয়ে কি হবে!!
  • সিংগল k | ২৭ নভেম্বর ২০১৬ ১৯:৪৩724249
  • গেল বিষ্যুদবার থেকে (২৪/১১/২০১৬) কলেজস্ট্রীটের ইন্ডিয়ান কফি হাউস, সিসিটিভি সার্ভেল্যান্সের আওতায় এসে পড়েছে-








    সাবধানে খিস্তি মারবেন!
  • | ২৭ নভেম্বর ২০১৬ ১৯:৫৩724250
  • অনিল বকিলকে আমাদের আপিসে আমন্ত্রণ জানান হচ্ছে। তিনি জানিয়েছেন তাঁকে ডাকলে ন্যুনতম ২ঘন্টা বরাদ্দ রাখতে হবে। ওইটে একটা দিনে ফিট করিয়ে জানুয়ারীর মধ্যেই ডাকার প্ল্যান। আমি শুনে এসে লিখে দেব এখানে অঁ্র বক্তব্য।
  • k | ২৭ নভেম্বর ২০১৬ ২০:০৪724251
  • দমদি যে কি বলেন!
    মাননীয় অনিলজীর বক্তব্য তো পাড়ার তেলেভাজাওলার কাছেও শুনতে পাওয়া যাচ্ছে, একটু উস্কে দিলে দু ঘন্টা কেন, তিন ঘন্টাও শোনা যাচ্ছে। আমি তো Date:09 Nov 2016 -- 03:40 AM তেই এই টইয়ে ওনার পুরো বক্তব্য তুলে দিয়ে রঞ্জনদার মতামত জানতে চেয়েছিলাম। তা হনুভ্ক্তদের মতবাদ রঞ্জনদা পাত্তাই দিলেন না। (দেখেন নি এটাও হতে পারে) ;)

    কিন্তু দেশের মাননীয় বিত্তমন্ত্রী, সাংসদ বা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কথা আপনি আরেসেসের বৈদিক ইকোনমি বলে উড়িয়ে দিতে পারেন না। গুরুত্ব দিতেই হবে।
  • | ২৭ নভেম্বর ২০১৬ ২০:১১724252
  • না উনি অনার কনসেপ্ট ব্যাখ্যা করবেন। প্রশ্নএর উত্তর দেবেন।
  • k | ২৭ নভেম্বর ২০১৬ ২০:১৮724253

  • এইটাই ওনার কনসেপ্ট নয়?
  • k | ২৭ নভেম্বর ২০১৬ ২০:২৫724254
  • বরং অনিলজীকে হাতের কাছে পেলে কি কি প্রশ্ন করা যেতে পারে তার একটা বাছা বাছা প্রশ্নের প্রশ্নমালা তৈরি করে নিয়ে যান দমদি। সাধারন মানুষের এই অসুবিধা হচ্ছে ঐ অসুবিধা হচ্ছে এসব ওনাকে বলে কোন লাভ নেই। বরং আগেই ওনার বক্তব্য ইউটিউবে দেখে নিয়ে কনসেপ্টটার ওপর নানা প্রশ্ন করুন, যেগুলো অলরেডী করা হয় নি। গুরুর জনগনের কাছে প্রশ্নের তালিকা আহ্বান করুন।
  • কিক্কড় সিং | ২৭ নভেম্বর ২০১৬ ২০:৩২724255
  • সাধারণ মানুষের অসুবিধের দায় তো অনিল বোকিল ঝেড়ে ফেলেছেন। ওনার বক্তব্য হল এরকম স্টেপের কথা ওনারা বলেননি, লং টার্ম প্ল্যান দিয়েছিলেন। মোদীবাবু অ্যানেস্থেশিয়া না দিয়েই অপারেশন শুরু করেছেন। - একদম এই শব্দবন্ধ ব্যবহার করেছেন।
  • | ২৭ নভেম্বর ২০১৬ ২০:৩৪724256
  • আমআর ওনার কাছে ডিমনি নিয়ে প্রশ্ন নাই। ট্যাক্স ওথানো নিয়ে আছে। সুযোগ তো পাব বড়জর দুটো প্রশ্ন করার।

    ভিডিওটা দেখব কাল
  • | ২৭ নভেম্বর ২০১৬ ২০:৩৬724259
  • হুঁ ওইজন্যই ডিমনি নিয়ে মানুষের অসুবিধে নিয়ে ওনার কাছে প্রশ্ন নাই।
  • k | ২৭ নভেম্বর ২০১৬ ২০:৪৪724260
  • দমদি কি ভিডিওটা এতদিন দেখেন নি? আমি তো সেই আট তারিখে রাতেরবেলাতেই তুলে দিয়েছিলাম। ওনাকে একটা বা দুটো প্রশ্ন করারই সুযোগ পাবেন নিশ্চয়, তার বেশী না। কিন্তু কোন দুটো প্রশ্ন করবেন সেটা ওঁর বক্তব্য আগেভাগে শুনে ঠিক করে যান। প্রশ্ন আর ওনার উত্তর আমাদেরও জানিয়ে দেবেন নাহয়। আমি অবশ্য বড় বড় অর্থনীতিবিদের মতামত এবিষয়ে শোনার অপেক্ষায় আছি। সবাই এ বিষয়টা উপেক্ষা করে যাচ্ছে। হঠাত তুঘলকী সিদ্ধান্ত নেওয়ায় কতটা ক্ষতি হল বা হবে সবাই তার প্রেডিকশনে ব্যস্ত, সেটা বেশী দরকারী মানছি, কিন্তু যে কারনে এটা করল সেটারও কি বিন্দুমাত্র আলোচনা হওয়া দরকার ছিল না?

    কিক্কড়দা, ঐ দায় ঝেড়ে ফেলার ভিডিওটিও আমি ইউটিউবে দেখেছি, মারাঠিতে।
  • কি আপদ | ২৭ নভেম্বর ২০১৬ ২০:৪৬724261
  • অনিল বকিল প্রথমে প্রচুর ফুটেজ খেয়েছে। নোটবন্দি হবার পর বড় বড় সেমিনার করেছে, "দ্যাখ আমি কি হনু, আমার প্রস্তাবে মোদী কি বড় স্টেপ নিল। হু হু বাওয়া। দশ মিনিট মিটিং-এর সময় দিয়ে আমার গ্যানে (ধুস শালা কি করে বানানটা লেখে) মুগ্ধ হয়ে ২ ঘণ্টা শুনেছে"। তারপর যেই দেখছে পাব্লিকের অসুবিধা হচ্ছে প্রচুর, ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে এখন নাকিকান্না শুরু করেছে, আমি তো এরকম বলিনি স্যার।
  • k | ২৭ নভেম্বর ২০১৬ ২০:৫৩724263
  • ঠিকই প্রথম ফুটেজ খেয়েছে এবং ক্রেডিট নিয়েছে। কিন্তু ও বা অর্থক্রান্তি যে এরকম বলে নি সেটাও কিন্তু ডিমনির আগে থেকেই ডকুমেন্টেড। এটা কোন তুঘলকের আইডিয়া সেটা খুঁজে তাকে চেপে ধরুন বরং। ওই দলে তো তুঘলকের অভাব নেই!

    আমার প্রশ্ন যে পথেই ওই জিরো ট্যাক্সে পৌঁছনো হোক না কেন, তার পরে মূলত কি কি অসুবিধা হতে পারে সে সম্পর্কে।
  • আক্ষেপ | ২৭ নভেম্বর ২০১৬ ২১:১৮724264
  • সিঙ্গেল k কে,
    "তাই এখান থেকে অনেক কিছু জানতে পারার আশা করেছিলাম, সেটা না পেয়ে, 'এই গুরু আমার অচেনা' বলে আক্ষেপও করেছি। উল্টে গুরতে উপদেশ পেয়েছি -
    "অফিস কাছাড়িতে ভকত দেখলেই খিস্তি মারুন - মা মাসি তুলে - যত নোংরা খিস্তি পারেন - এদের বেঁদে থাকাটা কঠিন করে দিন।"
    মুস্কিল হল কারো 'লাইফ হেল' করে দেবার রাস্তায় আমি কিছুতেই হাঁটতে রাজি নই, এমনকি সে আমার চরম শত্রু হলেও। " -
    শুধু খিস্তি না গুরুতে বলা হয়েছে ডায়লগে যাবার দরকার নেই , মব লিনচিং এর ফেক ভিডিও শেয়ার করে "চাড্ডি দেখিলে পথে ক্যালাইবে বিধিমতে" নিদান দেয়া হয়। নিজের মত্ প্রকাশ করলেই ডানপক্ষ তকমা দেয 'আন্টি ন্যাশনাল' এদিকে বামপক্ষ তকমা দেয 'ভকত চাড্ডি ' :-(
  • k | ২৭ নভেম্বর ২০১৬ ২১:২৪724265
  • :)
  • pi | ২৭ নভেম্বর ২০১৬ ২১:২৫724266
  • তাই ? ডায়লগে যাবার কথা কেউ বলে নাই ?
  • সিকি | ২৭ নভেম্বর ২০১৬ ২১:২৬724267
  • ও। ওগুলো "নিজের মত্‌ প্রকাশ" ছিল?

    আচ্ছা।
  • alpha | ২৭ নভেম্বর ২০১৬ ২২:০৮724268
  • করের সাপেক্ষে দুটো কথা আছে। এক, সেই করের আওতায় কে কে পড়ছেন। যে বুড়ি মাসি নিজের বাড়ির চাট্টী মুরগির ডিম পাড়া প্রতিবেশীকে বিক্রি করছেন আর বাকি কয়টা নিজে খাবেন বলে রেখে দিচ্ছেন।, তিনি আয়করের আওতায় পড়েন না। শুধু তাই নয়, "আয়" কথাটাই এনার ব্যাপারে বেশ গোলমেলে।

    আবার যিনি আয় ডিক্লেয়ার করছেন, তিনি ঠিকঠাক দিচ্ছেন কিনা, তার জন্যে ভিজিল্যান্স, তার জন্যে সি বি আই, ইত্যাদি দরকার। ঢাকের দায়ে মনসা বিক্রির যোগাড়।

    সেজন্যে অনুন্নত দেশগুলির টাকা তোলার একটা বড় উপায় হল পরোক্ষ কর। মাসি বাজার থেকে একটা দশ টাকা দামের মোমবাতি কিনলেও সেই করের আওতায় পড়ে যাবেন। ঐ যেমন আপনি রয়াল বেঙ্গল টাইগারের কথা বললেন। এখন সেই কর দোকানদার দেবে কি না, সেটাও একটা প্রশ্ন। সেই জন্যেই লোকজন পয়সা খরচ করে সেলস ট্যাক্স ডিপার্টমেন্ট পোষে। তবু, যেহেতু অনেক লোক...প্রায় সবাই সেলস ট্যাক্সের আওতায় পড়ে যায়, সেজন্যে এখানে ঢাকের দায়ে মনসা ততটা বিকায় না।

    তাছাড়া প্রত্যক্ষ করের বিপক্ষে আরেকটা এথিক্যাল পয়েন্ট হল, আপনি আপনার ব্যক্তিগত তথ্য অন্যজনকে (পড়ুন সরকার)জানিয়ে দিচ্ছেন। সে যে আপনাকে ফান্দে ফেলবে না, তার গ্যারান্টী কি? আম্রিকাতে এরকম একটা মনোভাব আছে, আমাদের একক-ও মাঝে মধ্যেই এ কথা বলে থাকেন।

    কিন্তু সব কর পরোক্ষ করলে অসুবিধা কি? মানে ধরুন বুড়ি মাসি আর আম্বানিবাবু দুজনেই সেলস ট্যাক্স দিচ্ছেন। কিন্তু, সমানুপাতিক হারে না। মাসির দিনে রোজগার তিরিশ টাকা, সেখান থেকে সে ২ টাকা ট্যাক্স দিচ্ছে একটা মোমবাতি কিনতে। আম্বানিবাবুর এক ন্যানোসেকেন্ডে রোজগার ৩০ টাকা, তিনিও ঐ একই পরিমাণ দিচ্ছেন। অর্থনীতির পরিভাষায় একে পশ্চান্মুখী কর (হিনী দিতেই পারেন, কারণ বাংলাভাষার দায়িত্ব আমার নয়) বা আরো সহজে রিগ্রেসিভ ট্যাক্স বলা হয়।
  • k | ২৭ নভেম্বর ২০১৬ ২৩:৫২724270
  • অর্থক্রান্তির পরিকল্পনা হল ট্রানজ্যাকশনের ওপর কর কেটে নেওয়া। যার একাউন্ট থেকে টাকা বেরোলো তার কিছু কাটবে না, কিন্তু যাঁর একাউন্টে টাকা ঢুকবে তার ঐ ঢোকা টাকার ২% (বা আরও কম) ট্যাক্স বাবদ কেটে নেওয়া হবে। এটা তো একরকম ইনকাম ট্যাক্সই হল। এবং ডাইরেক্ট ট্যাক্সও হল।

    এটায় আম্বানিবাবুর ন্যানোসেকেন্ডে কাটা যাবে ষাট পয়সা অথচ বুড়ি মাসির যাবে সারাদিনে ষাট পয়সা।

    ইনফ্যাক্ট মাননীয় তুঘলকজী যদি এযাত্রা মাননীয় বোকিলসাহেবের সব উপদেশ অক্ষরে অক্ষরে মেনে চলেন তবে বুড়িমাসীর কোন করই লাগার কথা না, কারন বুড়িমাসী ডিজিটাল টাকায় ট্রানজাকশন করছেন না, অথচ আম্বানীজির ডিজিটাল টাকায় ট্রানজ্যাকশন না করে উপায় নেই, নাহলে ন্যানোসেকেন্ডে ন্যানোসেকেন্ডে অত কয়েন গুনবে কে! অর্থক্রান্তি/বোকিলজী দের পরিকল্পনা অনুসারে ডিজিটাল টাকাতেই শুধু কর, পঞ্চাশ টাকার নোটে বা তার কম টাকার নোট/কয়েনের বানিজ্যে কোন কর নেই।

    এক্ষেত্রে তো কেবল সুবিধাই সুবিধা দেখা যাচ্ছে। সত্যিই কি কোন অসুবিধা নেই?
  • shibir | ২৭ নভেম্বর ২০১৬ ২৩:৫৮724271
  • সিঙ্গল k - ইনডাইরেক্ট ট্যাক্স সোঁদরবনের রয়েল বেঙ্গল এর সাথে সেখানকার সাধারণ লোকেরাও দিয়ে থাকে তাহলে তারা কেন সরকারের থেকে ইনফ্রাস্ট্রাকচার দাবি করবেনা? খালি ডাইরেক্ট ট্যাক্স যেটা ওই ব্যাবসায়ী সংস্থা ৩০ বছর ফাঁকি দিচ্ছে তাই দিয়েই ইনফ্রাস্ট্রাকচার করতে হবে?

    "কেন্দ্রের বর্তমান সরকার ট্যাক্স তুলে ইনডাইরেক্ট ট্যাক্স থেকে আয় বাড়াতে চান বলে মনে হচ্ছে।" ইনডাইরেক্ট ট্যাক্স এর বার্ডেনটা সবার ওপর সমান ভাবে পরে। ইনডাইরেক্ট ট্যাক্স এবিলিটি টু পে এর ওপর ডিপেন্ড করেন না তাই একটা কোলগেট টুথপেস্ট কিনলে আদানি, আপনি আর bpl তালিকা ভুক্ত রা একই ট্যাক্স বার্ডেন নিজেরদের ঘাড়ে নেবেন। এখন সরকার ডাইরেক্ট ট্যাক্স তুলে দিলে পুরো ট্যাক্স বার্ডেনটাই ইনডাইরেক্ট ট্যাক্স থেকে নিতে হবে ফলে দাম খুব বাড়বে আর এই ইনফ্লেশনারি ফাইন্যান্সিং টা গরিবদের ঘাড়ে পড়বে কিন্তু ফল খাবে আদানি আর আমি আপনি .("সেনা, পুলিশের দরকার তো শুধু প্রতিরোধ প্রতিবাদ ভাঙ্গার জন্য")। এমনিতেই দেশেএর লোক ঠিক করে খেতে পায়না(হাঙ্গার ইনডেক্স ইন্ডিয়া এর র্যাংক ৯৭/১১৮) তার ওপর আপনি কি চান খাদ্য দ্রব্যের দাম আরো বেশি হোক?

    একজন "সুন্দরবনের প্রত্যন্ত অঞ্চলের সাধারন" লোক যে মাসে ২ হাজার টাকা পায় এবং সংসারে ৫ টা পেট আছে সে ভীষণই গরিব এবার তাকে মালিক যদি ১ হাজার এর ২টো বা ৫০০ এর ৪তে নোট ধরিয়ে দে তখন তার অসুবিধে হবেনা বলছেন যখন তার ব্যাঙ্ক 20 km দূরে কারণ তারা ডাইরেক্ট ট্যাক্স দেয়না বলে ইনফ্রাস্ট্রাকচার নেই ?

    "বহু ব্যবসায়ী হয়ত আর এই সেটব্যাক থেকে রিকভার করতেই পারবেন না। তাদের সঙ্গে যুক্ত পুরো চেনটায় সেই প্রভাব পড়বে।"
    ধরুন একজন ইট ভাঁটার মালিক পুরো লেনদেনই করে কালো টাকায় এবার তার ব্যবসা লাটে উঠলে তার "সঙ্গে যুক্ত পুরো চেনটায়" যত শ্রমিক আছে তারাওতো বাঁশ খাবে। এবার বলুনতো একটা ফিনান্সিয়াল সেটব্যাক হলে তার সাথে যুক্ত বড়োলোক আর গরিবদের মধ্যে কার বেশি চান্স তাড়াতাড়ি রিকভার করার ?

    "এইভাবে জিরো (ডাইরেক্ট) ট্যাক্স রেজিমের অসুবিধা কিকি "
    ইন্ডিয়া তে এখন গ্রোথ ভালোই আছে চিন্তা করার কারণ নেই কিন্তু উন্নয়নের(HDI ), সামাজিক ক্ষেত্রে খুবই খারাপ হাল। সেক্ষেত্রে সরকারের উচিত অনেক উন্নয়ন মূলক prog নেওয়া যেমন mnrega। যার জন্য টাকা চাই আর সে টাকা ট্যাক্স দিয়েই তুলতে hobe

    "Direct tax can help in reducing inflation, whereas indirect tax may enhance inflation.

    Direct taxes help in reducing inequalities and are considered to be progressive while indirect taxes enhance inequalities and are considered to be regressive.

    Indirect taxes are oriented more towards growth as they discourage consumption and help enhance savings. Direct taxes, on the other hand, reduce savings and discourage investments."

    বাকিটা এখানে "https://www.bankbazaar.com/tax/difference-between-direct-tax-and-indirect-tax.html"

    কি মনে হয় ডাইরেক্ট ট্যাক্স তুলে দেওয়া উচিত ?

    এবার আপনার জন্য একটা খুশির খবর -
    "http://thewire.in/32648/new-data-indicates-that-direct-tax-share-in-economy-is-at-decade-low/"
  • k | ২৮ নভেম্বর ২০১৬ ০১:৪০724272
  • "ইনডাইরেক্ট ট্যাক্স সোঁদরবনের রয়েল বেঙ্গল এর সাথে সেখানকার সাধারণ লোকেরাও দিয়ে থাকে তাহলে তারা কেন সরকারের থেকে ইনফ্রাস্ট্রাকচার দাবি করবেনা? খালি ডাইরেক্ট ট্যাক্স যেটা ওই ব্যাবসায়ী সংস্থা ৩০ বছর ফাঁকি দিচ্ছে তাই দিয়েই ইনফ্রাস্ট্রাকচার করতে হবে?"

    ইনডাইরেক্ট ট্যাক্সের টাকায় একটা এটিএম তো হয়েছে। একটা কোম্পানীর মোবাইল সার্ভিসও পাওয়া যাচ্ছে। ডাইরেক্ট ট্যাক্সের টাকাগুলো ৩০ বছর ধরে পেলে আরও একটু ভাল হত আর কি!

    "এমনিতেই দেশেএর লোক ঠিক করে খেতে পায়না(হাঙ্গার ইনডেক্স ইন্ডিয়া এর র্যাংক ৯৭/১১৮) তার ওপর আপনি কি চান খাদ্য দ্রব্যের দাম আরো বেশি হোক?"

    না তা চাই না। তবে যদি অর্থক্রান্তির প্রস্তাবমত ডিজিটাল আয়ের ওপর ট্যাক্স বসান যায় তাহলে তো আদানি আর বিপিএল একদর হবে না। আমার Date:27 Nov 2016 -- 11:52 PM এর পোস্টে যে কথাটা বলেছি। এখন প্রশ্ন হল ডিজিটাল আয়ের ওপর ট্যাক্সটা ডাইরেক্ট না ইনডাইরেক্ট? যদি ডাইরেক্ট হয়, তবে মাননীয় স্বামীজীর বক্তৃতাটির সঙ্গে মেলে না। ওখানে উনি ইনডাইরেক্ট ট্যাক্স ও প্রাকৃতিক সম্পদের নিলাম (রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি ইত্যাদি) থেকে টাকা বাজাটের টাকা তোলার কথা বলেছেন। যদি ইনডাইরেক্ট হয়, তবে অর্থক্রান্তি প্রস্তাবের সঙ্গে মেলে কিন্তু তাতে প্রাকৃতিক সম্পদের নিলামটা গৌন হয়ে যায় (বা দরকারই পড়ে না)। অর্থাত মাননীয় স্বামীজীর পরিকল্পনার সঙ্গে মেলে না।

    "মালিক যদি ১ হাজার এর ২টো বা ৫০০ এর ৪তে নোট ধরিয়ে দে তখন তার অসুবিধে হবেনা বলছেন যখন তার ব্যাঙ্ক 20 km দূরে কারণ তারা ডাইরেক্ট ট্যাক্স দেয়না বলে ইনফ্রাস্ট্রাকচার নেই ?"

    সেই কুড়ি কিলোমিটারও আবার খালবিল নদীনালা। সেখানে রয়েলবেঙ্গলের সঙ্গে চাট্টি কুমিরও আছে। অসুবিধা হবে বৈকি। কিন্তু এতদিন মালিক যখন ৫০০ র নোট ধরাত না এখনও ধরাবে না। কারন নিচের দিকের টাকায় তো হাত পড়ে নি। ওপরের দিকের ৭টি এটিএম ওয়ালা গঞ্জের লোক যখন কিছুটা ডিজিটাল ট্রানজ্যাকশন করবে তখন নিচের দিকের নোটের এত অভাব থাকবে না তো। উল্টে দোকানের POS থেকেও ক্যাশ পাওয়া যাবে।

    "এবার বলুনতো একটা ফিনান্সিয়াল সেটব্যাক হলে তার সাথে যুক্ত বড়োলোক আর গরিবদের মধ্যে কার বেশি চান্স তাড়াতাড়ি রিকভার করার ?"

    গরীবলোকের চান্স বেশী। তারা যদি ঐ একই মালিকের ক্রীতদাস না হয়। দিনমজুর পরের দিনই অন্য কাজ খুঁজে নেবে। যেরকম কিছু লোক ব্যাঙ্কে লাইন দিয়ে বারে বারে টাকা বদলানোর কাজ খুঁজে নিয়েছিল। মালিকের বরং খুব অ্যাগ্রেসিভ না হলে আগের অবস্থায় ফিরতে সময় লাগবে।

    "কি মনে হয় ডাইরেক্ট ট্যাক্স তুলে দেওয়া উচিত ?"

    ট্যাক্স তুলেই দেওয়া উচিত। এ ব্যাপারে আমি কট্টর কিশোর কুমার পন্থী। কিন্তু ঐ ইনকামিং ট্রানজ্যাকশনে যদি চার্জ লাগানো যায় তবে কি ধরনের অসুবিধা হতে পারে?? ওতে তো ইনইকুয়ালিটি বাড়বে না। অথচ বেশী নজরদারী না করেই সরকারের ঘরে বেশী টাকা আসবে। তারপর সেটা সরকার জনকল্যানমূলক প্রজেক্টে খরচ করুক না বেশী করে।
  • ভবানী চাটুজ্যে | ২৮ নভেম্বর ২০১৬ ০৭:২৮724273
  • ইনকামিং ট্রানস্যাকশনে চার্জ অর্থাৎ মাস মাইনের সাথে সাথে ইনকাম ট্যাক্স কাটা কেবল নামটি আলাদা।
  • Atoz | ২৮ নভেম্বর ২০১৬ ০৭:৩৭724274
  • এটাই তো ভালো। ট্যাক্স কেটে রেখে তারপরে বাকীটুকু মাইনে দেওয়া। বেশি কেটে রাখলে নাহয় রিটার্ন করবে বা পরেরবারে অ্যাডজাস্ট করে নেবে। ঃ-)
  • ভবানী চাটুজ্যে | ২৮ নভেম্বর ২০১৬ ০৭:৪৩724275
  • তা ঠিক, নিশ্চিন্তে খরচ করা যাবে।
  • কিক্কড় সিং | ২৮ নভেম্বর ২০১৬ ০৮:০৮724276
  • ইনকামিং না আউটগোয়িং? খরচের ওপর ট্যাক্স বসানোর একটা কনসেপ্টের কথা আগে শুনেছিলাম।
  • ভবানী চাটুজ্যে | ২৮ নভেম্বর ২০১৬ ০৮:৪৬724277
  • প্রথম টাকাটা আর লক্ষতম টাকার জন্য রেট এক না আলাদা? এটা একটা উদাহরণ এরকম আরো বহু হতে পারে। প্রচুর ডিটেল চাই।
  • alpha | ২৮ নভেম্বর ২০১৬ ০৯:০১724278
  • খরচের উপর ট্যাক্সো? মানে কনজাম্পনশন ট্যাক্সো? ও তো আমরা দিয়েই থাকি।
    প্রত্যেকটা পরোক্ষ করই তাই।
  • সিংগল k | ২৮ নভেম্বর ২০১৬ ০৯:৩৬724279
  • আপনারা সত্যি কিচ্ছু দেখেন না। বিরুদ্ধমতের লোক জানলেই কেবল খিস্তি আর ক্যালানোর দিকে নজর।

    যাঁরা যাঁরা ব্যাপারটা এখনো ঠিক ধরতে পারেন নি, তাঁদের জন্য একটা সামারি করে দিলাম-

    - এমাসের গত আট তারিখ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ৫০০ ও হাজার টাকা ব্যান করেন কালোধন, আতঙ্কবাদ ও ভ্রষ্টাচার ঠেকাতে। ঠিক কি করে ১০০০ এর বদলে ২০০০ চালু করে এগুলো আটকানো যাবে সেটা উনি ক্লীয়ার করেন নি। তবে হঠাত করে ৫০০-১০০০ অচল করে দেওয়ায় এবং পুরোনো টাকা পরিবর্তন করা/তোলায় ঊর্ধসীমা বেঁধে দেওয়ায় কালোধনী, আতঙ্কবাদী ও ভ্রষ্টাচারীদের হাতে জমা বস্তাভরা ৫০০-১০০০ ফেরত পাওয়া মুস্কিল হয়ে যায়। এভাবে সাধারন মানুষকে হয়রানির মধ্যে ফেলে কতটা সুফল পাওয়া যাবে তা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়।

    - যেটা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ক্লিয়ার করেন নি সেটা হল ১০০০ এর বদলে ২০০০ চালু করে এবং ৫০০ আবার ফিরিয়ে আনা সত্বেও কিকরে কালোধন, আতঙ্কবাদ ও ভ্রষ্টাচার আটকে যাবে। সাধারন মানুষের হয়রানির সঙ্গে সঙ্গে এটাও একটা প্রশ্ন হওয়া উচিত। এর উত্তর খুঁজতে গিয়ে পাওয়া গেল অর্থক্রান্তি বলে একটি এনজিওর নাম, তার মুখপাত্র মাননীয় শ্রী অনিল বোকিলের নাম, পূজনীয় রামদেবজীর সঙ্গে এবং সঙ্ঘ পরিবারের সঙ্গে তার যোগাযোগ। কিভাবে মাননীয় গুজরাটের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন অনিলজীর বক্তৃতায় প্রভাবিত হন ও এই নোটব্যান তাঁরই চিন্তার ফসল সে নিয়ে দিস্তা দিস্তা নিউজপ্রিন্ট এবং ফুটেজ খরচ হয়েছে। তাই বিস্তারিত বলার দরকার নেই।

    -মিডিয়ায় অনিল বোকিল হাইপ শুরু হওয়ার আগে নভেম্বর আটে রাতেই এঁদের পুরো প্ল্যানটা গুরুতে দিয়ে গুরুর অর্থনীতি বিশারদদের মত জানতে চেয়েছিলাম। কারন আমি নিজে এর কিছু বুঝি না (আমার মত অনেকেই বোঝেন না সেটা শিওর)। এই হল এনাদের প্ল্যান এর ওপর একটা প্রেজেন্টেশন -


    -ভিডিওটির শেষ কয়েকমিনিটে এই প্রস্তাব ইম্প্লিমেন্ট করার স্টেপগুলি পরপর বলা আছে। তাতে রাতারাতি নোট ব্যান করার কথা নেই। সেখানে হাই ডিনমিনেশন নোট তুলে নেওয়াটা চতুর্থ ধাপ।

    চতুর্থ ধাপটি হল - उच्च मूल्योंवाले नोट, जैसे १००,५०० एवंं १०००अर्तव्यवस्था से निकाल दे। (योग्य समय़सीमा मेँ)।
    প্রেজেন্টেশনের ভিডিওটি যেহেতু ২০১৪ সালে আপলোড করা, তাই এঁরা জনরোষের ফলে নিজেদের অবস্থান বদলাচ্ছেন একথা বলা ঠিক নয়। এঁদের প্রস্তাব সরকার হুবহু ফলে করেন নি সেটা দেখাই যাচ্ছে। সরকার এদের কথামতই যদি নোট বাতিল করে থাকেন তবে 'योग्य समय़सीमा मेँ' করলে জনসাধারনের এতটা ভোগান্তি হয়ত হত না।

    - সরকার যদি হুবহু অর্থক্রান্তি প্রস্তাবটি ফলো না করে থাকেন তো কালোধন, আতঙ্কবাদ ও ভ্রষ্টাচার ঠেকাতে সরকারের এর পরের স্টেপগুলি কি কি? এবং এই আরেসেস মার্কা বৈদিক ইকোনমি ছাড়া সরকারের অফিশিয়াল স্ট্যান্ড কি? এটা খুঁজতে গিয়ে এই কদিনে মাননীয় বিত্তমন্ত্রী, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, এবং কিছু সাংসদ ও সরকারী আমলার বক্তব্য পেয়েছি। তারই একটা হল মাননীয় সাংসদ শ্রী সুব্রমন্যম স্বামীর ঐ ওপরে দেওয়া বক্তৃতার অংশবিশেষ -

    মাননীয় বিত্তমন্ত্রী এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এতটা পরিস্কারভাবে এখনও ভবিষ্যত পরিকল্পনা জানান নি। সেই পরিকল্পনা অর্থক্রান্তি প্রস্তাবের সঙ্গে কতটা মেলে বা আদৌ মেলে কিনা সেটা জানা প্রয়োজন। তাতে আমাদের আর কত ভোগান্তি আছে কপালে তার একটা আন্দাজ পাওয়া যাবে।

    - নীতি আয়োগ মেম্বার বিবেক দেবরায় কিন্তু সরকারকে বোকা না ভাবতে অনুরোধ/(হুমকি) করেছিলেন। এবং ২০০০ টাকায় কি করে কালোধন ও ভ্রষ্টাচার ঠেকানো যাবে তার পুরো ব্লুপ্রিন্ট তৈরি বলে জানিয়েছিলেন এবং সেটা জানার জন্য ধৈর্য ধরতে বলেছিলেন, যা কিনা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীরও বক্তব্য (৫০ দিন সময় ইত্যাদি)।

    এরকম সরকারী জনপ্রতিনিধি ও আমলাদের বেশ কিছু ফুটেজ আছে, যা আবার অনেক সময় পরস্পরবিরোধী।

    ১) সরকারের এবং মাননীয় জনপ্রতিনিধিদের বক্তব্য থেকে এটুকু ক্লীয়ার যে সরকারের উদ্দেশ্য হল বেশী টাকার ট্রানজ্যাকশন ক্রমে ক্রমে পুরোপুরি ব্যাঙ্কের মাধ্যমে করা। (এতে দ্বিধা/সন্দেহ নেই)
    ২) টাকার ডিজিটাইজেশন কিছুটা হওয়ার পর সরকারে বর্তমান ট্যাক্স স্ট্রাকচার আমূল পাল্টানোর পরিকল্পনা আছে। (সেটা বৈদিক মতে হবে কি বাজার-অর্থনৈতিক মতে হবে সেটাও জিজ্ঞাস্য)
    ৩) সরকারের কালোধন ও ভ্রষ্টাচার ঠেকানোর পুরো ব্লুপ্রিন্ট তৈরি আছে। (সেটাও এই নোটব্যানের মত ভোগান্তিমূলক কিনা সেটাও জিজ্ঞাস্য)

    এই হল সামারি।
  • k | ২৮ নভেম্বর ২০১৬ ০৯:৪৪724281
  • বৈদিক মত হল -
    ১) কাস্টমস ডিউটি ছাড়া সব ট্যাক্স তুলে দেওয়া।
    ২) ইনকামিং ট্রানজাকশন এর ওপর সর্বাধিক ২% ট্যাক্স নেওয়া।
    ৩) ৫০ টাকার ওপর নোট বন্ধ করা।

    এঁদের প্রস্তাবটি পাওয়া যাচ্ছে -


    এঁদের মুখপাত্র অনিলজীর বক্তৃতা/ব্যাখ্যা -


    এঁদের ওয়েবসাইট হল -
    http://www.arthakranti.org/

    এ সবই আমি গত Date:09 Nov 2016 -- 03:40 AM তারিখে এই টইয়ে দিয়ে আপনাদের মতামত ও খিস্তি চেয়েছিলাম। আজও আপনারা এটুকু দেখে উঠতে পারেন নি।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা মনে চায় প্রতিক্রিয়া দিন