এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • T | ২২ এপ্রিল ২০১৬ ১৬:১১701258
  • হ্যাঁ, কিন্তু দুহাজার এগারোর পর প্রচুর গ্রাম মুলোদের দখলে চলে যায়। ব্যালেন্স ঐ তিনশ ভোটের চাইতে অনেক বেশীই হয়ে দাঁড়ায়। দুহাজার তেরোর পঞ্চায়েত ভোটের রেজাল্ট দেখুন। ভাতার ব্লকের ১৯৯ টি গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যে মুলোদের দখলে ছিল ১৫২। সেই অবস্থা থেকে ঘুরে দাঁড়ানো গ্যাছে তাই বলল।
  • PT | ২২ এপ্রিল ২০১৬ ১৬:২৩701259
  • "অতীতেও ইন্দিরাকে হারাতে সিপিএম বিজেপির হাত ধরেছিল।"
    তথ্য বিকৃতি। তখন বিজেপি ছিল না।
  • PM | ২২ এপ্রিল ২০১৬ ১৬:২৪701260
  • সংখ্যালঘু ভোট নিয়ে কোনো আইডিয়া ? এই ৪ দফার ট্রেন্ড কি বলছে? এটা সাংঘতিক জরুরী KVD। ২০১১ তে মুলতঃ এর জন্যেই লাল পার্টি ভুমী চুম্বন করেছিলো ঃ)
  • de | ২২ এপ্রিল ২০১৬ ১৬:২৭701262
  • হ্যাঁ - এ পাতায় কেরালার রুটি রঞ্জনদার, নোটা কল্লোলদার আর ছাগল পিটিদার -

    এইসব কপিরাইটে ভুলেও হাত্দেবেন্না কমরেড!! ঃ))

    প্পন - মেরা নাম করেগা রোশন জগমে মেরা মদন দুলারা ঃ)) এটাও দিদি গাইবে কদ্দিন পর -
  • S | ২২ এপ্রিল ২০১৬ ১৬:২৭701261
  • হুম, সেটা ঠিকই। তা আমি একটা হিসাব করেছি বুঝলেন।

    ভাতার যে লোকসভার ভিতরে (বর্ধমান-দুর্গাপুর) সেখানে গতবার (২০১৪) ভোট পরেছিলো ১৩ লক্ষ ৩১ হাজার। তিনোরা পেয়েছিলো আড়ে পাচ লাখ, বাম পোনে পাচ লাখ, বিজেপি প্রায় ২ লক্ষ ৪০ হাজার (!!!), আর কঙ্গ ৪৪,০০০। অতেব সেই হিসবেও জোট পিছিয়ে ছিলো ৭০,০০০ মতন। ধরে নিচ্ছি বিজেপি আগেরবার দুইতরফেই সমান ভোট কেটেছিলো আর ২০১৪ তে তিনোদের যা দখল নেওয়ার নিয়ে নিয়েছিলো।

    এর মধ্যে ভাতার বিধানসভাতে ২০১১ তে ভোট পরেছিলো ১৮০০০০ এর একটু কম। তা পপুলেশন গ্রোথ আর ডিলিমিটেশন ইত্যাদি ধরেও বলা যায় যে ভাতার পুরো লোকসভার ১৪-১৫% মতন। সেক্ষেত্রে তিনোরা ২০১৪ র হিসেবেও এগিয়ে আছে ১০,০০০ মতন। এইবারে আরেকটা ফ্যাক্টর হলো ভাতার অন্য বিধানসভার থেকে বেটার - অতেব আসল আসল ব্যালেন্স হয়তো আরো অনেক কম। আগের্বারে অ্যান্টি ইনকাম্বেন্সির দিক বদলে গেছে ইত্যাদি। এইবারে একটু ঠিক ঠাক ভোট হলে জেতার কথা। এসব হলো ঘরে বসে হিসাব - বেশিরভাগ সময়েই ভুল হয়। তাই দেখা যাক।
  • S | ২২ এপ্রিল ২০১৬ ১৬:৩৩701263
  • দুই পরগনার পুলিশ সুপার চেন্জ করা হলো?

    আর জোট বেশ কিছু জায়্গায় রিপোলিঙ্গ দাবী করেছে।
  • S | ২২ এপ্রিল ২০১৬ ১৬:৩৭701265
  • দঃপঃ র জেলা শাসক।
  • ranjan roy | ২২ এপ্রিল ২০১৬ ১৬:৩৭701264
  • পিটি,
    ছেলেমানুষি ছাড়ুন। জনসংঘ বিজেপি হয়েছিল সবাই জানে। এটা টেকনিক্যালি ভুল, বিকৃতি নয়। বিজেপি ও জনসংঘ যে একই ইডিওলজির বা সংঘপরিবারের অর্গ্যানিক অংশ এ নিয়ে কোন বিরোধ আছে? জনসংঘের হাত ধরা ও বিজেপির হাত ধরার মধ্যে কোন কৌশলগত বা আদর্শগত ফারাক আছে?

    de,
    একদম কপিরাইট কেড়ে নেবেন না কমরেড! ঃ)))
  • S | ২২ এপ্রিল ২০১৬ ১৬:৪১701266
  • দুয়ের বেশি দল থাকলে এইসব হাত ধরাধরি থাকবেই। সবসময় প্রায় সবদেশেই দেখা গেছে।
  • PT | ২২ এপ্রিল ২০১৬ ১৬:৪৯701268
  • " জনসংঘ বিজেপি হয়েছিল সবাই জানে।"
    তাতে কিছু আসে যায় না। জয়প্রকাশের নেতৃত্বে জনসন্ঘীরা হিন্দুত্বের এজেন্ডা বাদ দিয়ে ইন্দিরা-বিরোধী ছাতার তলায় এসেছিল।
    জোর করে বিকৃত ইতিহাস গলাধঃকরণের দরকার কি?
  • T | ২২ এপ্রিল ২০১৬ ১৬:৫৯701269
  • ইন্টারেস্টিং কেস হচ্ছে গলসি। গলসি বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে পড়ছে গলসি -১ কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট ব্লক, কাঁকসা, ত্রিলোকচন্দ্রপুর, বাঁকাটি ইত্যাদি গ্রাম পঞ্চায়েত। দুহাজার তেরো সালের পঞ্চায়েত ইলেকশন অনুযায়ী গলসি-১ এর নব্বই শতাংশ গ্রাম পঞ্চায়েতই তৃণমূলের হাতে। কাঁকসা সিডি ব্লকের কিছু গ্রাম পঞ্চায়েতে বিরোধীরা রয়েছে। এবং এই গোটা ব্যাপারে বিজেপি পেয়েছে তিনটে না চারটে গ্রাম পঞ্চায়েত সিট। ঘটনা হচ্ছে একটা গ্রাম পঞ্চায়েতের সিটে ম্যাক্স হাজার থেকে দেড়হাজার ভোটার থাকে। সেই হিসেবে বিজেপির ভোট ঐ ছ হাজার মতন, এবং এই সংখ্যাটা বিশ্বাসযোগ্য কারণ দুহাজার এগারোতেও এরা পেয়েছিল হাজার আটেক মতো ভোট।

    খেলা ঘুরছে এরপরেই। দুহাজার চোদ্দর গলসি বিধানসভার বাই ইলেকশনে এই বিজেপিই পেয়ে যাচ্ছে সাঁইত্রিশ হাজার মতো ভোট। মাত্র একবছরের মধ্যে মুলোদের নজর এড়িয়ে বিজেপি সংগঠন হু হু বাড়িয়ে ফেলল এটা সম্ভব নয়। তো, আইদার এটা বিক্ষুব্ধ মুলো, অথবা সাইডলাইন হয়ে যাওয়া বাম বিরোধীদের একাংশ। খুব সম্ভবতঃ দ্বিতীয়টা এবং কারণটা গোষ্টীদ্বন্দ্ব। দেখাও যাচ্ছে যে গতবারের জয়ী বিধায়ককে টিকিট দেয়নি তৃণমূল।
  • আজ | ২২ এপ্রিল ২০১৬ ১৭:০৬701270
  • খণ্ডঘোষে আরও দুই সিপিএম কর্মীকে ঘর থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে খুন করা হয়েছে।
  • S | ২২ এপ্রিল ২০১৬ ১৭:০৮701271
  • দেখলাম, ২০১১ তে বামেরা জিতেছিলো। কিন্তু বাই ইলেকশনে তিনোরা যেতে। ৯০০০ মতন মার্জিন। কিন্তু কঙ্গের ভোট ছিলো ৩৫০০০। এর মধ্যে কতটা ভোট ট্রান্সফার হয় আর কতটা তিনোদের দিকে যায় দেখার। আর বামেরা প্রার্থি সেম রেকেছে।
  • quark | ২২ এপ্রিল ২০১৬ ১৭:২৩701272
  • এই রুটি পাল্টানো কেরালা তত্ত্ব (কপিরাইট - রর) নিয়ে একটা উল্টো থিয়োরি সেদিন শুনলাম। ইউপিতে নাকি লোকে পাঁচ বছরে যথেচ্ছ কামায়, কারণ তারা জানে মেয়াদ পাঁচ বছরই, তারপরে সরকার (পড়ুন রুটি) পাল্টাবে।
  • T | ২২ এপ্রিল ২০১৬ ১৭:২৯701273
  • কাটোয়া জোটের হাতে আসা উচিত। কাটোয়া পৌরসভায় দুহাজার পনেরোর ইলেকশনে কংগ্রেস তৃণমূল সমানে সমানে। দাঁইহাট পৌরসভা (ইলেকশন ইয়ার ২০১৫) জোটের হাতে বেশ বড় ব্যবধানে। তারমানে রবিবাবু দলবদলালেও কংগ্রেস এখনো লড়াইয়ের জায়গায় আছে। এছাড়া কাটোয়া ১ এর নব্বই শতাংশ গ্রাম পঞ্চায়েত এবং কাটোয়া ২ এর আশি শতাংশ গ্রাম পঞ্চায়েত জোটের দখলে। এখানে প্রার্থী দিয়েছে কংগ্রেস। নিজেদের ভোট ধরে রাখতে পারলে শিওর জোটের হাতে। বিজেপি কোনো ফ্যাক্টর নয়।
  • T | ২২ এপ্রিল ২০১৬ ১৭:৪৪701274
  • মঙ্গলকোট শিওর তৃণমূল পাবে, কিন্তু মমতা কেন সিদিকুল্লাকে দাঁড় করালো ওখান থেকে বুঝলাম না। গোষ্টীদ্বন্দ্ব থাকতে পারে কিংবা অন্য কোনো প্ল্যান। কিন্তু জোটের কোনো চান্স নেই।
  • ranjan roy | ২২ এপ্রিল ২০১৬ ১৮:২০701275
  • পিটি,
    অন্য টইয়ে ইমার্জেন্সি চর্চার সময়েই দেখা গেছে কার সেই সময়ের ইতিহাস চর্চা বিকৃত। এই টইয়ে এসব অপ্রাসঙ্গিক।
    তবে জনসন্ঘ হিন্দুত্বের এজেন্ডা বাদ দিয়ে ( মানে আর এস এস মূল এজেন্ডা বাদ দিতে দেয়?) শুনলে ঘুড়ায়ও হাসব।
    কাটলাম।
  • pi | ২২ এপ্রিল ২০১৬ ১৮:৩৬701276
  • পরিমল ভট্টাচার্যের একটা পোস্ট শেয়ার করতে ইচ্ছে হল,

    'অনেক খুঁজছি, পাচ্ছি না। রূপা গঙ্গোপাধ্যায় সম্পর্কে রেজ্জাক মোল্লার অত্যন্ত কুরুচিকর মন্তব্য তাঁর নিজের ভোটভাগ্যে কতখানি প্রভাব ফেলবে? এই নিয়ে কোথাও কোনও কথা হল কী? গত পরশু থেকে ঘরে বাইরে মিডিয়ায়, সোশ্যাল মিডিয়ায় সঙ্গতভাবেই যে ছিছিক্কারের ঢেউ উঠেছে সেটা কিন্তু সম্পূর্ণ শিক্ষিত নাগরিক সমাজের বৃত্তে। কিন্তু ভাঙড়ের মানুষজনের এব্যাপারে প্রতিক্রিয়া কী? সেখানকার নারীরা কী ভাবছেন? কদিন বাদে ভোটযন্ত্রে আঙুল টেপার সময় তাঁদের ওই নারীবিদ্বেষী মন্তব্য মনে পড়বে কি?
    আবদুল রেজ্জাক মোল্লার বিধানসভা এলাকা যদি হত, ধরা যাক, যাদবপুর বালিগঞ্জ কিম্বা বেহালা, তাহলে নিঃসন্দেহে বলা যায় তাঁর ভোটভাগ্যে এর প্রভাব পড়ত। ভোটের মুখে, তার আগেও, আলটপকা কথার মোটা খেসারত চোকাতে হয় অনেক সময়েই। একজন মুখ্যমন্ত্রীকেই হয়েছে, ‘দে ওয়্যার পেইড ব্যাক ইন দেয়ার ওন কয়েন’ মন্তব্যের জন্য।
    এক্ষেত্রে কী হবে সেটা অনুমেয়। হাজী রেজ্জাক মোল্লা কাঁচা রাজনীতিক নন। তাঁর এই মন্তব্যের কোনও প্রভাব তো ভোটযন্ত্রে পড়বেই না, বরং কট্টর পুরুষতান্ত্রিকতার ঝোল কিছুটা টানা যেতে পারে। এক ‘লম্বা সিগারেট খাওয়া, ঠিকানা বদলানো’ নাগরিক অভিনেত্রীকে ‘ওরা’ বানিয়ে দিয়ে ‘আমি চাষার পো তোমাদের ঘরের লোক’ হিসেবে নিজের গ্রহণযোগ্যতা আরেকটু বাড়িয়ে নেওয়াও যেতে পারে।
    এটা ভাবলে সত্যিই বড় অসহায় লাগে। যেখানে গ্রামের মানুষের হাতে নির্ধারিত হয় গণতন্ত্রের ভাগ্য, সেখানে আমাদের মতো শিক্ষিত নাগরিক সমাজের এত বিতর্ক বিশ্লেষণ প্রতিবাদ ছিছিক্কারের প্রাসঙ্গিকতা তাহলে কী?
    অসহায় লাগে, কারণ ৩০ তারিখ ভাঙড়ের বুথে বুথে ঠা ঠা রোদে লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকবেন যে নারীরা, খালি পা কিম্বা প্লাস্টিকের চটি, মাথায় আঁচল কিম্বা হিজাবে সম্পূর্ণ ঢাকা, তাঁরা কী ভাববেন, কী ভাবেন এক সক্ষম নাগরিক নারীর স্বাধীনতার প্রসঙ্গে, আমরা কিন্তু সত্যিই জানি না। তাঁরা কীভাবে দিন কাটান, ঘরে মাঠে কতক্ষণ কী কী কাজ করেন, রেশনের চাল কেরোসিন ইত্যাদি সরকারি পরিষেবা পাবার জন্য কতটা সময় ব্যয় করেন, ঘরের ছাগল-হাসমুরগি সন্তান ও অথর্বের জন্য কতটা সময় ব্যয় করেন, কী কী ধরণের অসুখ আর অপুষ্টিতে ভোগেন, অসুস্থতার মাত্রা ঠিক কতটা হলে চিকিৎসা করান, কী ধরণের স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহার করেন, সকালে কী জলখাবার খান, কীভাবে ভ্যানোয় ট্রেকারে ঝুলতে ঝুলতে গঞ্জে শহরে যান, যাত্রাপথে কী কী বাচিক পুরুষালি অশ্লীলতা গা-সয়ে চলেন, সেসব কিছুই যে জানি না ...
    বড় অসহায় লাগে পাঁচবছর অন্তর এই একটি-দুটি দিন।'
  • ranjan roy | ২২ এপ্রিল ২০১৬ ১৯:০৬701277
  • নিদারুণ সত্যি! স্বঘোষিত চাষার ব্যাটা কথাটা আদৌ মুখ ফস্কে বলেন নি। বরং ক্যালকুলেটেড রিস্ক নিয়েছেন ফায়দা তোলার জন্যে।
  • PT | ২২ এপ্রিল ২০১৬ ১৯:২৭701279
  • রেজ্জাক বহুদিনই নিজের জিভের সংযম হারিয়েছেন। শেষের দিকে সিপিএমের নেতাদের সম্পর্কে যা বলতেন তা শুনে অনেকেরই বৈপ্লবিক মনে হত সেই সময়ে-প্রচুর হাততালিও কুড়িয়েছেন সেই সময়ে বাম বিরোধীদের কাছ থেকে।

    এখনও সেই সংযমহীনতা জারী আছে। এই আলোচনাটা দেব ও মুনমুন সম্পর্কে যা বলেছেন সেগুলো বাদ দিয়ে শুধু রূপার কথাটা নিয়ে আলোচনা করলে "ক্যালকুলেটেড" শোনায়। কিন্তু তিনি নির্বোধের মত নেত্রীর স্ট্র্যাটেজি নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন। নেহাৎ ভোটের মুখে তাই, নাহলে ওসব বলার সাথে সাথেই গলাধাক্কা খেতেন। আর যদি ভোটে না জেতেন তাহলে অবশ্যই গলাধাক্কা খাবেন।

    রেজ্জাককে নিয়ে এখনো অনেকে অনেক রকমের স্বপ্ন দেখেন বোঝা যাচ্ছে।
  • কল্লোল | ২২ এপ্রিল ২০১৬ ২২:০০701280
  • পিএম।
    ১। আমি প্যাথোলজিকাল বাম বিরোধী (অতীতের নানা কারনে----- চাওয়া, পাওয়া, না পাওয়া ইত্যাদি), কোনোমতে চাই না বামেরা ফিরে আসুক।
    - এই যুক্তি অনুযায়ী আমি ভোট দিলে তিনোকেই দিতাম।

    ২। এখন বর্তমান পরিস্থিতিতে সরাসরি তিনোকে সমর্থ্ন করতে বাঁধছে বিবেকে ( এটা আমার আছে)। "যে যায় যাক---তিনো থাকুক" --এটা ঠিক বলতে পারছি না। তাছাড়া নিজের ভাবমূর্ত্তী বলেও একটা ব্যাপার আছে নাকি ঃ)
    - আমার ভাবমুর্তি (প্যাথলজিকাল বাম বিরোধী) বজায় রাখতে তিনো থাকুক বলতে পারছি না!!! কেন? তাতে আমার বাম বিরোধী ভাবমূর্তির ক্ষতি হবে বলে???

    ৩। এবার সলুসান হিসেবে আমি ঠিক করলাম নোটা পন্থী হব। এতে সাপ-ও মরবে লাঠিও ভাঙবে না। মানে আমার বিবেক এক্কেবারে সার্ফে ক্লীন রইলো----- কিন্তু সাথে দিদিও ও রইলো ঃ) ( স্থিতাবস্থা বিরোধী পাবলিক ভোট বিজেপীতে গেলে যেমন দিদির সুবিধা, ঠিক তেমন সেটা নোটায় তে গেলেও একই সুবিধা)। নোটা মনে বর্ত্তমান সরকারের অত্যাচারের বিরুদ্ধে যে ভোট তা ভাগ করা।
    - "স্থিতাবস্থা বিরোধী পাবলিক ভোট বিজেপীতে গেলে যেমন দিদির সুবিধা, ঠিক তেমন সেটা নোটায় তে গেলেও একই সুবিধা) "
    - আমি তবে স্থিতাবস্থা বিরোধী। ধন্যবাদ। মানে আমি চাই না তিনোরা থাকুক। ভোট দিলে বামেদের দিতাম।

    অর্থাৎ আমি একই সাথে "কোনোমতে চাই না বামেরা ফিরে আসুক" আবার আমি স্থিতাবস্থা বিরোধী পাবলিক ভোট।
    যুক্তির তো সাড়ে চোদ্দটা বেজে গেছে।
  • sm | ২৩ এপ্রিল ২০১৬ ০১:০৮701282
  • ওর চেয়ে সৎ রাজনীতিক আর ভু ভারতে নেই।আই দার মডার্ন গান্ধী কে প্রধান মন্ত্রী করে দেওয়া হোক নতুবা বলাহোক রাজনীতির কাদা ছেড়ে;জনসেবা করতে।হাজার হোক মমতা না থাকলে, রেল মন্ত্রী হতে পারতেন?
  • T | ২৩ এপ্রিল ২০১৬ ২১:২৫701284
  • নাহ্‌, ডেরেক ও ব্রায়েনের ঘটে যে কিছু নেই তা একেবারে নিদের মতো রপিষ্কার হয়ে গেল। মুলোদের আকুলি বিকুলি পুরো নির্মল হয়ে যাচ্ছে।
  • PT | ২৩ এপ্রিল ২০১৬ ২১:৩০701285
  • দলটা শুধু ঢপবাজ নয় চিটিংবাজও বটে!!

    "....ঘটা করে সাংবাদিকদের ডেকে বামপন্থীদের সঙ্গে বিজেপি-র ‘পিরিত’ বোঝাতে তৎপর হয়ে উঠেছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের ডেরেক ও’ব্রায়েন। দেখিয়েছিলেন, সিপিএমের প্রাক্তন সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ কারাটকে মিষ্টি মুখ করাচ্ছেন বিজেপি নেতা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংহ। আর সেই ছবি ফেসবুকের মতো সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা হয়েছিল ‘অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস অফিসিয়াল’-এর ফেসবুক অ্যাকউন্ট থেকে।

    কিন্তু, বিজেপি শনিবার সাফ জানিয়ে দিল, গোটা ছবিটাই জাল।........প্রধানমন্ত্রীর মুখের জায়গায় বসিয়ে দেওয়া হয়েছে কারাটের মুখ।

    ওই ঘটনা নিয়ে তুমুল হই চই শুরু হয়ে যাওয়ার পর তৃণমূল সংশ্লিষ্ট ছবিটি সরিয়ে ফেলেছে।"

    http://www.anandabazar.com/elections/west-bengal/election-news/after-narada-tmc-faces-fake-photo-scam-dgtl-1.367802#
  • S | ২৩ এপ্রিল ২০১৬ ২৩:১৬701286
  • এটা ৩৪ বছর দিয়ে ঢাকা যাচ্ছে না?
  • করঞ্জাক্ষ | ২৩ এপ্রিল ২০১৬ ২৩:৪৪701287
  • হ্যাঁ কেন ঢাকা যাবেনা! বামেরাই তো দায়ী, ত্যাকোন যদি কম্পুটার আসতো তাহলে কি আর এসব কাঁচা ভুল হতো। গরুর রচনা এই ক বছর কিছু কম দেখলাম নাকি?
  • S | ২৩ এপ্রিল ২০১৬ ২৩:৪৭701288
  • আর ডেরেকের এতো কুইজ করতে করতে নিজের মাথাটাই খুইয়েছে। নাহলে এইসব কেউ করতে যায়। বিজেপির তো ২ মিনিটও লাগবেনা আসল ছবি বেড় করতে।
  • করঞ্জাক্ষ | ২৪ এপ্রিল ২০১৬ ০০:০৫701290
  • এত ছাগল বানালে একটু আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায়।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লড়াকু মতামত দিন