এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • de | ১৪ জুন ২০১২ ১৬:৩৩14220
  • অপ্পন,

    সবকিছু ছেড়ে চলে আসার ধাক্কাটা অনেকেই মানসিক ভাবে নিতে পারেন নি সেই সময়। মানসিক অবসাদ এক বিষম বস্তু, শারিরীক অক্ষমতার চেয়েও বেশী শক্তিশালী!
  • de | ১৪ জুন ২০১২ ১৬:১৯14219
  • হরিহর পুরুতমশাইয়ের কাজও করতেন আবার লেখালেখিও করতেন বোধহয় --
  • প্পন | ১৪ জুন ২০১২ ১৬:১১14218
  • হরিহর তো কথকঠাকুর ছিলেন।
  • প্পন | ১৪ জুন ২০১২ ১৬:১০14217
  • দে'কে ক।

    এই দেশভাগের গল্প আমাদের ফ্যামিলিতেও আছে। দাদুর নাকি ব্যবসা ছিল। এপারে এসে ভ্গ্নচিত্তে ভগ্নস্বাস্থ্যে তিনি এসে সেই যে বসে পড়লেন আর কুটোটি নাড়লেন না। এদিক বাবা বাধ্য হয়ে সেই হাপ পেন্টুল পরার বয়স থেকে রেশনের দোকানে লাইন দেওয়া থেকে শুরু করে আর্ট কলেজে ছবি আঁকা শেখা তারই ফাঁকে চাকরি করা এই করে নিজের পরিবার ও জ্ঞাতিগুষ্ঠির (দেশোয়ালি ভাইবেরাদর সব) মুখে অন্ন জুগিয়েছেন।
  • kumu | ১৪ জুন ২০১২ ১৬:০৯14216
  • খুব দুঃখিত, মনে নেই,হরিহর কী করতেন?কোন স্থায়ী কাজ ছিল কি?মনে হয় না।
  • প্পন | ১৪ জুন ২০১২ ১৬:০৫14214
  • কিকি ঃ)))
  • kumu | ১৪ জুন ২০১২ ১৬:০৫14215
  • রোজগার দিয়ে মাপা?না,কখনোই না।সাধ্যানুযায়ী কাজ করার ইচ্ছে,উদ্যোগ এবং আউটপুট। এক রিক্সাওয়ালা যে দিনের শেষে পরিবার নিয়ে পরিশ্রমের অন্ন খায় তাকে আমি শ্রদ্ধা করি।
  • kiki | ১৪ জুন ২০১২ ১৫:৫৮14213
  • ও অপ্পন! থেঙ্কু, তবে কিনা আমি তো তুমি যেমন কইলে তেমন ভাবেই সেরে দিলুম, উত্তর তো দেখা হলো নি। ক্ষেলো! আজ ই করালাম। ইদিকে দেখি আমি ট্রিগো ও ভুলে মেরে দিয়েচি। আবার পড়াশুনা করতে হবে যা বুঝলাম। ঃ)

    পুরো নাভিশ্বাস না ক্ষি বলে তাই উঠে যাচ্ছে। চাদ্দিকে এত কাজ। বাপরে! এখন ঢুলতে ঢুলতে মামাবাড়ী আর মাসী বাড়ী করছি, কতক্ষন চোখ খোলা থাকবে কেজানে! এদিকে বিকেলে একপাল বন্ধু আসবে। স্বাভাবিক! মানকে যাবার আগে এসব হয়। তাই এগ্গাদা লেপ বেরিয়েছে, কেবল মাত্র তারা তোষকের উপরে ছিলো বলে। লেপের উপর চাদর পেতে নাকি বিছানা হবে। এটা শোনা ইস্তক আমার আবার মাইগ্রেন শুরু হয়েছে।
  • dukhe | ১৪ জুন ২০১২ ১৫:৫৬14212
  • রোজগার দিয়ে মানুষকে মাপার অঙ্কটা কতদিন শুরু হয়েছে বলেন দিকি? খুব বেশি দিন না বোধহয়। আমার ছোটবেলায় তো হরিহরকেও বেশ লাগত।
  • de | ১৪ জুন ২০১২ ১৫:৪৫14211
  • কুমুদি,

    যখন ছোট ছিলাম, ঠাকুমার এই লড়াইয়ের গল্প শুনে কোথাও ঠাকুদ্দাকে খারাপই ভাবতাম। আজ যখন তলিয়ে ভালো করে ভাবি ঠাকুদ্দাকেও যেন জাস্টিফাই করতে পারি। জীবন কি একরঙা হয়?

    ওপার বাংলায় আমার বড়- ঠাকুদ্দা ছিলেন কোন এক ছোটখাটো জমিদারের নায়েব। ঠাকুদ্দা বাড়ির ছোট ছেলে, সন্তানহীন দাদা-বৌদির সংসারে পুত্রস্নেহে পালিত, অনেক ছোট বেলাতেই ওনাদের মা মারা গেছিলেন। বেশ সচ্ছল অবস্থা থাকার দরুণ পড়াশোনায় খুব ভালো হওয়া সত্ত্বেও চাকরি করে খাওয়ার কথা ওঠেইনি। বিয়ে-থা হওয়ার পরেও বড়-ঠাকুদ্দা আর বড়-ঠাকুমাই সংসার চালাতেন। ঠাকুদ্দা কবিতা লিখতেন, গান বাঁধতেন, পালাও লিখতেন ভালো! এগুলির কোনটাও তেমন অর্থকরী ছিলো না সেই দিনকালে, বা অর্থ-উপার্জনের মাধ্যম হিসাবে এগুলিকে কাজে লাগানোর কথাও ওনার কখনো মনেও হয়নি।

    গোল বেঁধেছিলো দেশভাগের পরেই। একেবারে এক কাপড়ে দেশ ছেড়ে চলে আসার পথে আমার দুই পিসী (দেড় আর আড়াই বছরের) খুবই অসুস্থ হয়ে এক সপ্তাহের মধ্যে মারা যান। ঠাকুমাদের চাইতেও এতে বেশী মানসিক ভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন আমার দুই ঠাকুদ্দা, বিশেষতঃ বড় ঠাকুদ্দা। এই দুই পিসী ওনার খুবই প্রিয় ছিলেন। এরপর আরো কিছু ঘটনা-পরম্পরার অভিঘাতে বড়-ঠাকুদ্দা যেন একটা ডরম্যান্ট (ঠিক ঠাক বাংলা পেলাম না) স্টেটে চলে গেলেন। এতো কর্মক্ষম মানুষ একেবারেই অন্যরকম হয়ে গেছিলেন। ঠাকুদ্দা বরবরই সাংসারিক ঝামেলা থেকে দূরেই থাকতেন, বুঝতেনও না এইসব! সুতরাং ঠাকুমাই হাল ধরলেন। কি মনে হলো এতোগুলো কথা লিখলাম -- কোন মানেই হয় না!
  • dukhe | ১৪ জুন ২০১২ ১৫:৩৯14210
  • যে রান্না করতে পারে না, দুমুঠো ভাতের জন্য তাকে সারাজীবন পরনির্ভর হয়েই থাকতে হয়। কর্মচারীই হোক কি কর্মহীন। শুধু ফল খেয়ে আর কদিন চলে?
  • kumu | ১৪ জুন ২০১২ ১৫:১৯14209
  • যাতে যাতে-
    মনোজ বসুর লেখায় পড়েছিলাম,কাঠবেকার স্বামীর জন্য বউ ও ছেলেকে উঠতে বসতে পরিবারের সকলের কথা শুনতে হয়,অবজ্ঞা সহ্য করতে হয়,কিন্তু স্বামীটির কোন হেলদোল নেই।একদিন দেবতাটির অর্ডার হল মুগডাল রান্না করার,কিন্তু স্বামীর ওপর রাগে,অভিমানে বউটি অন্য ডাল রান্না করে রাখে।এই সামান্য কারণে তেলে বেগুনে জ্বলে স্বামীটি গৃহত্যাগ বা আত্মহত্যা কিছু একটা করে।বউটি সারা জীবন অনুতাপ করে ঐ ডাল রান্না নিয়ে এবং লেখকও প্রচ্ছন্নভাবে সমর্থন করেন এই অনুতাপকে।
  • ডিডি | ১৪ জুন ২০১২ ১৫:০৮14208
  • এই ধরনের একটা সোস্যাল সাপোর্ট ছিলো বলেই আগেকার দিনে অমন ন্যালাক্ষ্যাপারা ছিলো। জানতো, আস্তানা একটা জুটবেই।

    আমাদের হেইচ আরের মেয়েটি আমায় কইলো মান্দ্রাজে ঘোর তামিল বামুন পরিবারের মেয়েরাও চাকুরীর জন্য তৈরী হয়। সে কয় "ভালো চাকরী করলে ভালো বয় ফ্রেন্ড জোটে বা ভালো পাত্র"। "নট অ্যান অপশন" সে আঙুল নেড়ে আমায় জানায় "চাগরী না করাটাটা আর অপশন নয়। মাস্ট, ওটা মাস্ট"।

    ঠাকুরও বলতেন "ওরে, এটা অপ্রাইজালের টেইম। গোল করিস না। একটু নরম সুরে কেত্তন গাস"। পোদো ও বিনয়ে গলে যায়, ফিস ফিস করে কয় "ইয়েস স্যার।'
  • প্পন | ১৪ জুন ২০১২ ১৫:০৪14207
  • অথচ একান্নবর্তী পরিবার, বেকার দেওর, সুখেন দাস সুলভ কর্মচারী এদের নিয়ে আজকের লোকের আদিখ্যেতার অন্ত নেই, বাংলা হিন্দি পার্সি গুরুমুখী সব চ্যানেলে এদের নিয়ে সিরিয়ালের পর সিরিয়াল।
  • kumu | ১৪ জুন ২০১২ ১৫:০৩14206
  • ল্যাবে গেলাম,এমন চমৎকার টপিক,বিশেষতঃ ঐ হা-ও আলাদা শহরে থাকা,তার উপ/অপকারিতা কিন্তু টায়েম নাই।
  • কোয়ার্ক | ১৪ জুন ২০১২ ১৪:৫৫14205
  • নিউক্লিয়ার নয়, একেবারে এলিমেন্টারি পার্টিকল লেভেলে পৌঁছে গেছে। খালি ডিকনফাইনমেন্ট বাকি।
  • kumu | ১৪ জুন ২০১২ ১৪:৫৪14204
  • সিম্পুল,বিশাল পরিবার,কিন্তু উপার্জনশীল মানুষ অত্যন্ত কম,ভেঙে পড়তে বাধ্য।
    পাঞ্জাবীদের মধ্যে এখনো একান্নবর্তী পরিবার অনেক আছে।
    দুখে,কর্মচারী হলে আবার পরনির্ভর হল ক্যামনে?
  • dukhe | ১৪ জুন ২০১২ ১৪:৪৬14203
  • কিন্তু পরনির্ভর, অনিচ্ছায় কর্মচারী পুরুষেরা কি একটু সহানুভূতি পেতে পারে না?
    মানুষ মানুষের জন্য।
  • ডিডি | ১৪ জুন ২০১২ ১৪:৪৫14202
  • কিন্তু টিঁকলো না। ঐ অগুন্তি লোক আর হাপ লোকের বড়ো সংসার এক জেনারেশনেই টুকরো টুকরো হয়ে গেলো। ঠাকুর চাকরেরাও বিলুপ্ত হোলো।

    তায় এদানী আবার কুমুর বা আমার মতন ফেমিলিও অহরহ দেখি। হাজব্যান্ড এক শহরে, ওয়াইফ অনত্র। ছেলে মে বড়ো হলেই আরেক শহরে। উইকেন্ডে মাসান্তে একসাথে হয়।

    আর কতো নিউক্লিয়ার হবে হে ফেমিলি?
  • kumu | ১৪ জুন ২০১২ ১৪:৪২14200
  • দে,একদম ঠিক।সামান্য/স্বাদহীন উপকরণকে স্বাদু করে তুলতে হলে বিভিন্ন উপকরণের তারতম্য নিয়ে রীতিমত গবেষণার প্রয়োজন হয়।

    আর পরের কথাটাও একদম ঠিক,এইসব মহিলাদের সংগ্রাম এককথায় অসামান্য,আজকের দিনে জন্মালে উনি হয়তো একজন বিরাট সিইও বা সায়েন্টিস্ট হতেন।
    আমার মনে হয়,সমাজের এক বিরাট অংশকে বালবিধবা বলে দেগে দিয়ে তাদের বর্ণ ও কর্মহীন,নির্লিপ্ত জীবন যাপন করতে বাধ্য করাতে ম্যানপাওয়ারের সুবিশাল অপচয় হয়েছে।

    আর ডিডিদা উল্লেখিত ঐ ন্যালাক্ষ্যাপা পরনির্ভর,স্বেচ্ছায় কর্মহীন পুরুষদের জন্য আমার কোন সহানুভূতি নেই,সাহিত্যে যদিও এদের গ্লোরিফাই করা হয়।
  • sinfaut | ১৪ জুন ২০১২ ১৪:৪২14201
  • আমি আজকাল আবার gameknot এ দাবা খেলা শুরু করেছি। উৎসাহী জেনেগেন খেলতে পারেন।
  • kc | ১৪ জুন ২০১২ ১৪:৩৩14199
  • বেঙি, আজকাল টইগুলো বড়ই বোদামার্কা হয়ে গেছে। দিনে দুএকবার যাই। রাত্তিরে যাব।
  • প্পন | ১৪ জুন ২০১২ ১৪:৩২14198
  • আগেকার দিনে হলে গুরুতে পোস্ট পড়ত - দিদি কোন ব্যক্তিবিশেষের নাম নয়, দিদি একটি অবস্থান।
  • de | ১৪ জুন ২০১২ ১৪:৩১14197
  • ডিডিদা,

    আমার ছোটবেলাতে আমি বহুদিন অব্দি নিজের কাকা-মামারা আর ঐরকম গ্রামতুতো সম্পর্কের ফারাকই বুঝতে পারতাম না। আমি বড় পরিবারেই বড়ো হয়েছি -- কে যে আমার কিভাবে আত্মীয় বুঝতেই পারতাম না! আমার মামাবাড়িতে আবার এর সাথে যোগ হয়েছিলো ঠাকুর-চাকরদের পরিবারের এক্সটেনশন --

    আজকালকার বাচ্চাদের বানিয়ে তোলা দুঃখবিলাস থেকে মুক্ত ছিলো আমাদের ছোটবেলা --
  • প্পন | ১৪ জুন ২০১২ ১৪:৩০14196
  • কবি লিখে খালাস, পাঠক যেভাবে বোঝেন।
  • ব্যাং | ১৪ জুন ২০১২ ১৪:২৯14195
  • কেসি, হেমলকের টইতে যা, গান নিয়ে আলোচনা হচ্ছে, এলসিএম, শিবাংশুস্যার আর দুখের মধ্যে। তোর আসার অপেক্ষা শুধু।
  • গান্ধী | ১৪ জুন ২০১২ ১৪:২৮14194
  • সদা

    এক্দম হবে।
  • শ্রী সদা | ১৪ জুন ২০১২ ১৪:২৭14193
  • গান্ধীদা, ২০ তারিখ কেজিপি যাচ্ছি। দেখা হওয়ার চান্স আছে ?
  • kc | ১৪ জুন ২০১২ ১৪:২৫14191
  • দেদি, এই দেখুন, মস্করা কত্তে গিয়ে আঘাত করে বসেছি। সেটা উদ্দেশ্য ছিল না এক্কেরেই।

    বেঙি, পিড়িং শাক খেয়েছি তো। বেশ সুন্দর খেতে। আমার কাছে সব্থেকে ভাল লাগে মটর শাক।
  • গান্ধী | ১৪ জুন ২০১২ ১৪:২৫14192
  • "দিদির কাজ হাসিমুখে করবে, নাওয়া খাওয়া ফেলে, তবে না"

    এখানে "দিদি" বলতে কবি কি বুঝিয়েছেন??
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত