এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • ব্যাং | ১৫ জুন ২০১২ ০৩:৩৫14520
  • আর নিশি, প্রবোধকে আমি খুব একটা দোষ দিই না। সেও তো ঐ সংসার্নামক অচলায়তনটির দ্বারা নিষ্পেষিত হয়েই চলেছিল। কোন ছোটবয়সে তাকেও তো বিয়ে করতে বাধ্য করা হয়েছিল। আর মুক্তকেষের সংসারের পুরো দায়টাই তো ছিল তার ঘাড়ে। বড়দা সুবোধের বিশাল পরিবার, উপার্জন কম, ওদিকে সেজভাই স্বার্থপরের বেহদ্দ উপার্জন বেশি হলেও সংসারে একটি পয়সাও ঠেকায় না। আর ছোট ভাইয়ের কথা তো ছেড়েই দাও। তার মধ্যেও তো প্রবোধ চেষ্টা করত তর নিজের ধারণা অনুজায়ী বৌকে সুখে রাখার, দক্ষিণের ঘর ছেড়ে ছোট বদ্ধ ঘর নেওয়ায় সে তো আপত্তি করেছিল, বৌয়ের গয়না বোনের বিয়েতে দেওয়াতেও তার আপত্তি ছিল। সে তার নিজের বৌ-সন্তানকে একা একা নিয়ে বাঁচতে চেয়েছিল। সুব্রণ একটু বুদ্ধি করে চললেই কিন্তু সত্যর মতন নিজের স্বাধীনতাটুকু নিজেই অর্জন করতে পারত। কিন্তু ঐ গোঁয়ার্তুমির স্বভাবের জন্যই সারাজীবন জ্বলেপুড়ে মরল।
  • ব্যাং | ১৫ জুন ২০১২ ০৩:৩০14519
  • মিঠু, তোমার কথা একশোবার সত্যিই। নিজের জন্য একটু সময় পেতে ছুটি তো চাইই আমরা, এখানে এটা সবচেয়ে বেশি দেখি। ছেলেপুলেদের স্কুলে লম্বা ছুটি থাকলে মায়েদের মাথায় হাত, ছেলেপুলেকে খালি এই ক্লাসে, ঐ ক্লাসে ভর্তি করে দিয়ে নিজের জন্য সময় কিনে নেওয়া। কিন্তু সত্য তো তার ছুটি নিজেই জোগাড় করে নিয়েছিল দুপুর্বেলায় বড়মেয়েদের লেখাপড়া শেখানোর কাজ খুঁজে নিয়ে। এই কোলকাতাতেই বসে তো। সেটাই তো ছিল তার সবচেয়ে কাম্য অবসর। এটুকুর জন্য তাকে কাশী ছুটতে হবে, মেয়ের অমন সংসারে বিয়ে হয়েছে ঐটুকু বয়সে, জেনেও!! এমনকি পরেও সে মেয়েকে চিঠি দিয়ে বন্ধনমুক্ত হওয়ার জন্য মনোবল দিতে পারত না?
  • xi | ১৫ জুন ২০১২ ০৩:২৭14518
  • অক্ষর সঙ্গে এতকাল বাদে একটি মিল পেলাম। ঃ-)
    অপুর সাথে রিলেট করি না একেবারেই, অপুর মতন হতে চাই না একদমই।
  • xi | ১৫ জুন ২০১২ ০৩:২১14517
  • নিশান্ত দেখতে দেখতে কালকে যে প্রশ্নটা বারে বারে মনে আসছিলো---একটা মেয়েকে জমিদারের গুন্ডা ছেলেরা ধরে নিয়ে গিয়ে অত্যাচার করলো, তারপরে সেই মেয়েকে আর ফিরে নেবে না সমাজ। এমনকি তার স্বামী নিজে যদি রাজী থাকেও, গোটা সমাজ থু থু করবে। এইভাবে ভিক্টিমকে শাস্তি দেবার যে ব্যাপার, তার মতন ভয়ানক অন্যায় ও আমাদের সমাজে কেমন যেন "এই তো হয়ে থাকে" টাইপের গা সহা। অবাক লাগে না কারুর, এখন অবস্থা বদলেছে কিন্তু খুব একটা না। এখনও মেয়েটাকেই দোষ দেয়।

    রামায়ণের ছক।
  • | ১৫ জুন ২০১২ ০৩:১৪14516
  • আর ব্যাং, ভেবে দেখো, এই যে আমরা সন্তান কে ভালোবাসি, প্রায় পক্ষীমাতার ভঙ্গীতে আগলাই- কোথাও কোনো ফাঁকফোকর দিয়ে নিজের জন্য কি ভাবনামুক্ত একটা সময় পেতে ইচ্ছে করে না? এই যে আমরা বলি ছেলেটা কলেজ চলে গেলেই ছুটি-সেও কি একটা বিশেষ ভাবনা থেকে নয়?
  • xi | ১৫ জুন ২০১২ ০৩:১১14515
  • হু, আমি দেখি।
  • hu | ১৫ জুন ২০১২ ০৩:১০14512
  • সুবর্ণলতা দেখো তোমরা? আমার বেশ ভালো লাগে।
  • xi | ১৫ জুন ২০১২ ০৩:১০14513
  • কলকাতায় সত্যবতীর সবচেয়ে বড় একটা কীর্তি মনে হয় সুহাস বলে মেয়েটাকে জীবনে প্রতিষ্ঠিত করে দেওয়া, সে লেখাপড়া শিখলো আর শিক্ষকতা করলো। এটা অবশ্য ব্রাহ্ম ভদ্রলোকের সাপোর্ট না থাকলে হোতো না।
  • | ১৫ জুন ২০১২ ০৩:১০14514
  • জানি না, মেয়েদের স্কুল খোলার মধ্যে হয়তো কেন নিশ্চয় ই কোথাও নিজের মেয়ের মুখ উঁকি মেরেছিলো।
    তবে মা হিসেবে যদি বলো,তাইলে সত্য র মেয়েকে ত্যাগ করা উচিত হয় নি।
    আর পাঠক হিসেবে যদি বলো তাইলে নিরাসক্তির দোহাই দিয়ে বলবো, সংসারে তো এমন লোক হয়। নিজের পুত্রকন্যা ত্যাগ করে হিমালয়ে গিয়ে অনাথ শিশুদের পড়ায়,তাদের যত্ন নেয়। মা করেছে বলে আমাদের মনে বেশি লাগছে তাও হতে পারে।
  • ব্যাং | ১৫ জুন ২০১২ ০৩:০৭14510
  • এঃ এরা তিনটে বাজিয়ে দিল আমাকে কথায় কথায়।
  • ব্যাং | ১৫ জুন ২০১২ ০৩:০৭14511
  • সদুদির কাছে যেত। ঃ-) পিসতুতো দিদি নবকুমারের। সংসারে ঐ একটিই লোকই যা সত্যকে একটু সহানুভূতি দিত।
  • xi | ১৫ জুন ২০১২ ০৩:০৪14508
  • সেটাই, সত্যবতীর সংসারে সেই ছিলো কর্তা, নবকুমার একটি লবকাত্তিক "খোকাবাবু" ছাড়া কিচ্ছু না, এ ছেলে তো কিছু হলেই দৌড়ে যেতো কোন এক পাতানো দিদি না কে ছিলো, তার কাছে যেতো যাতে সে নানা ভুজুং ভাজাং দিয়ে লবকাত্তিককে বাঁচায়। পরবর্তীতে সে সত্যবতীকেই সেই রক্ষাকর্ত্রীর পদে বসিয়েছিলো। সত্যর সংসারে ছেলেদের পড়াশুনো শুধু তাই বা কেন স্বামীর চাকরিটি পজ্জন্ত সত্যর নিজের প্ল্যানে।
    সুবর্ণর সংসার তো তা না, সে সেখানে বন্দিনী। ঐ বিশ্রী স্বামীর সঙ্গ তার কাছে প্রায় রেপতুল্য, আর সুবর্ণর কোনো ইচ্ছার কোনো দাম নেই কারুর কাছে। পেবো হতভাগা কোনোদিন বুঝতেই পারে নি সে দিনের পর দিন বিবাহিতা স্ত্রীকে রেপ করে গেছে। সে তো সুন্দরী বৌ পেয়ে ডগোমগো।
  • ব্যাং | ১৫ জুন ২০১২ ০৩:০৪14509
  • মিঠু, নিতে না পারা আর কচি মেয়েকে জন্মের শোধ নিজের থেকে সর্ব অর্থে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া এই দুটো কি এক হল? পারত না সত্য একবারের জন্যও কাশী থেকে এসে সুবর্ণকে টেনে তার নিজের কাছে নিয়ে যেতে? অথচ সত্য কাশীতে স্বাধীন উপার্জনে বাঁচত, মেয়েদের ইস্কুল করেছিল।
  • | ১৫ জুন ২০১২ ০৩:০১14506
  • আমার আবার এখন মনে হয়, সত্যও বোধহয় কোথাও ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলো। সারাজীবন যুদ্ধ করতে করতে আর এই আঘাতটা হয়তো নিতে পারে নি। মানুষ তো এভাবেই কখনো প্রিয়জন পরিজন ছেড়ে সন্ন্যাস নেয়।
    এখন আর সত্যবতীর প্রতি সত্যি ই ততটা রাগ হয় না।
  • ব্যাং | ১৫ জুন ২০১২ ০৩:০১14507
  • আর সত্য তো গাঁ ছেড়ে শহরে এসেইছিল যাতে তার সন্তানরা নতুন শিক্ষায় মানুষ হয়, তার শ্বশুর-শাশুড়ির ছায়া থেকে দূরে থাকে। সুবর্ণ তো পারে নি জিদ ধরে আলাদা হতে? প্রবোধই বরং তাকে মুক্তকেশীর সংসার থেকে টেনে বার করে আলাদা বাড়ি করে।
  • ব্যাং | ১৫ জুন ২০১২ ০২:৫৮14505
  • নিশি, সত্যর সংসারও কি একইরকম ছিল না? নবকুমারের সঙ্গে তার মনের কোনো মিল ছিল? সুবোধ আর সরল হয়েছিল তার মনের মতন? ছিল তাদের মধ্যে তাদের মায়ের মতন দৃঢ়তা? সরলের কিছুটা হলেও মায়ের সাথে একটু মিল ছিল, সুবোধ তো তার বাবার কার্বন কপি। তবু সত্যর সংসারটা আমাদের চোখে অন্যরকম লাগে, কারণ সে তার স্বভাবগুণে নিজের সংসারটার অমন একটা চেহারা দিতে পেরেছিল।
  • র২হ | ১৫ জুন ২০১২ ০২:৫৭14503
  • সেতো জানি, থাকবেই কাছে, তবুও
  • | ১৫ জুন ২০১২ ০২:৫৭14504
  • আবার এসে জুটলামঃ(
    এখন নর্তনকুর্দন চলছে। সামার ক্যাম্পে, ফান ফিজিক্স।কোনোদিন লেবু দিয়ে ইলেকট্রিসিটি,আবার কখনো হাতির টুথপেস্ট- রোজই জ্ঞানের ঝুলি বোঝাই হচ্ছে।সঙ্গে মা আছেন জুড়িদার।
    কাল আবার ছাদ থেকে ডিম ফেলা হবেঃ(
    হে ভগা!!
  • xi | ১৫ জুন ২০১২ ০২:৫৪14502
  • আর এই সুবর্ণলতা! সে সারাটা জীবন লড়ে এসে দেখলো তার গর্ভজাত পুরুষ সন্তান গুলো হয়ে গেছে তার চিরশত্রু সেজদ্যাওরের মতন! তার বড় মেয়ে হয়ে গেছে পরনিন্দাপরচর্চাপ্রবণ বিশ্রী, তার পারুল লেখাপড়া শিখতে পারলো না বাবা ও দাদাদের বাধায়, "এ যদি আমার অধিকার মা, তবে তার জন্য এত অশান্তি কেন?" সে বলেছিলো মা কে। শুধু বকুলকে সে স্কুলে পাঠাতে পেরেছিলো, কিন্তু তাকেও রক্ষা করতে পারে নি বাপ ও দাদাদের অপমান থেকে।
    সুবর্ণলতা আর হ্যা হ্যা করা প্রবোধের সংসারটাকে আমার কাছে সংসার-ব্যবসা মনে হয়, দুটো মানুষ যাদের মনের কোনো মিল নেই, একই খাঁচায় তারা দাম্পত্য পালন করে গেলো। এ যে কী ভয়ানক অন্যায়!
  • ব্যাং | ১৫ জুন ২০১২ ০২:৫৩14501
  • হুতো, অপরাজিতর পিডিএফ বা হার্ড্কপি কোনোটাই পাঠাতে হবে না ব্যাংদিকে। ব্যাংদির সঙ্গে সর্বক্ষণ ঐ তিনটে বই থাকে, পথের পাঁচালি, অপরাজিত আর কাজল। কে যেন ব্রেনে চিপ বসিয়ে দিয়েছে এই তিনটে বই ভরে।

    মেলগুলো এখনো ড্রাফ্ট ফোল্দারে থাকলে, মনে করে পাঠিয়ে দিস। অপেক্ষায় থাকব।
  • ব্যাং | ১৫ জুন ২০১২ ০২:৪৯14500
  • আমারও সুবর্ণকে একা ঐ শত্রুপূরীতে ফেলে রেখে নিজের বাপের কাছে কাশীতে সত্যিই বিয়েতে নারায়ণ এসে দাঁড়ান কিনা ঐ প্রশ্ন খুঁজতে চিরজন্মের শোধ চলে যাওয়াটা পোষায় নি। সত্যর যেমন তেজ ছিল, সে সহজেই পারত সুবর্ণর সিঁথির সিঁদুর ঘষে মুছে আবার নিয়ে এসে বেথুন স্কুলে ভর্তি করে দিতে। কিন্তু করল না। আমার কেন জানি না মনে হয়েছিলা আশাপূর্ণা ক্লান্ত হয়ে গিয়ে তাড়াতাড়ি দাঁড়ি টেনে দিতে চেয়েছিলেন উপন্যাসটায়। সুবর্ণর প্রতি ইনজাস্টিস করেছিল সত্য। এমনকি চিঠিটাও মরে যাওয়ার আগে সুবর্ণর হাতে পৌঁছাতে দেয় নি। খুব অদ্ভুত লেগেছিল সত্যর এই আচরণ।
  • pipi | ১৫ জুন ২০১২ ০২:৪৭14499
  • আহা ঝিমাচ্ছি বলেই তো জিমাতে যাচ্ছিঃ-)
  • র২হ | ১৫ জুন ২০১২ ০২:৪৫14497
  • পথের পাঁচালী নিয়ে অ্যানালিটিক আলোচনা দেখলে আমার কিরকম অস্বস্তি হয়। শিশুরা যেমন রূপকথার গল্পকে সত্যি ভাবে, অনেকটা ঐরকম বিশ্বাসে আমি পথের পাঁচালীকে ফিকশন হিসেবে মানতে পারিনা এখনো, না আত্মজৈবনিক টৈবনিক না, এমনিতেই সত্যি মনে হয়, এই মৃত্যু দুঃখ নিষ্ঠুরতা হতাশার মিছিল আর তারপরেও বেঁচে থাকা- এমনকি আমি অতীত বলেও ভাবতে পারিনা এই গল্পকে। বরং যত বয়স বাড়ছে ততই পথের পাঁচালীকে আরো বেশী তীব্র মনে হয়। হু'র Date:14 Jun 2012 -- 06:36 PM সংগে এতটাই একমত, যে ক কম পড়ছে। এমনকি, কিবোর্ড সংবরনের এই ঋতুতে পথের পাঁচালী নিয়ে কথা ওঠায় দুটো প্যাচাল না পেড়ে থাকা গেল না।

    এই দুখানি বই বড় ব্যক্তিগত আমার কাছে, প্রায় যেন আশ্রয়ের জায়গা, বিশ্বাসী মানুষ যেরকম বিপদের দিনে পূজা ইত্যাদি করেন।

    ব্যাংদির ক'দিন আগের নির্ঘুম ইত্যাদির বিবরন পড়ে কয়েকখানা ভাটের পোস্ট, কয়েকখানা মেল ইত্যাদি ড্রাফ্ট করে কাটিয়ে দিয়ে, আমি অপরাজিত'র পিডিএফ খুঁজতে শুরু করেছিলাম, পাঠানোর জন্যে। যেন অপরাজিত সর্বরোগহর।
  • xi | ১৫ জুন ২০১২ ০২:৪৫14498
  • কিন্তু সেই সত্যবতী ও শেষ অবধি বাঁচাতে পারে না সুবর্ণকে, জোর করে বিয়ে দেওয়া সুবর্ণকে তার শ্বশুরবাড়ীর জেলখাঁচায় ফেলে সত্যবতী রওনা দেয় কাশীতে, আর ফিরবে না বলে। কোন লাভটা হলো তাতে? কেন জানি এইখানে এসে আমার আশাপূর্ণার কাছে যে আশা করেছিলাম সেটায় চিড় ধরে, মনে হয় হোলো না, গল্পটা শেষ হোলো না, এখনো বাকী আছে, এখনো বাকী আছে।
    হয়তো বাস্তবতা এই তাই দেখাতে চেয়েছিলেন, একের পর এক কৌশল ব্যবহার করতে থাকে সমাজ, একটা মানুষ কত লড়বে? একসময় সে পালায় বা থেমে যায়।
  • ব্যাং | ১৫ জুন ২০১২ ০২:৪৩14496
  • আমিও ঘুমাতে যাই।
    হুতো, লামার কাছে রাখা থাকবে।
  • ব্যাং | ১৫ জুন ২০১২ ০২:৪২14495
  • পিপি তোর ব্যাপারখানা কী? এই ঝিমাস তো এই জিমাস!! একটা কোনো কনসিস্টেন্সি নেই!!!
  • pipi | ১৫ জুন ২০১২ ০২:৪১14494
  • যাই জিমাতে যাই।
  • xi | ১৫ জুন ২০১২ ০২:৪০14493
  • "মৌরীফুল" পড়ে আমার অ্যায়সান রাগ হয়েছিলো কী বলবো। অমন ভালো মেয়েটাকে প্রায় খুন করা হলো, সে মেয়ের দোষ কী? না সে তার থেকে দুর্বল ও দরিদ্রদের সাহায্য করতে চাইতো।
  • hu | ১৫ জুন ২০১২ ০২:৩৮14491
  • বিভূতিভূষন অনেক জায়গাতেই পলিটিক্যালি ইনকারেক্ট। অনেক গল্পই এমন - আপনি ব্রাহ্মণ? অনেক দূর থেকে হেঁটে আসছেন। আসুন বসুন জিরোন। সব ব্যবস্থা করাই আছে। স্বপাক করে নিন কৃপা করে।
    কিন্তু গল্প বলার ভঙ্গী এমন যে রাগ হয় না ঠিক। মানে আমার হয়না আর কি। শরদিন্দুর বেলায় কিন্তু তেমন না। বিরক্তি আসে মাঝে মাঝেই।
  • xi | ১৫ জুন ২০১২ ০২:৩৮14492
  • ভাবো তো কল্পনা চাওলা যদি আমাদের সমাজেই বাস করে এই কাজ করতে চাইতেন, সমাজ করতে দিতো তাকে? তাকেও তো শুনেছি বিরাট বাধা দেওয়া হয়েছিলো টেকনিকাল সাবজেক্ট পড়তে চেয়েছে বলে, সে কিন্তু উচ্চবিত্ত পরিবারের মেয়ে, টাকাপয়সার দিক দিয়ে তাদের অসুবিধে ছিলো না, কিন্তু তাও---
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত