এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • আজাদ কাশ্মীর : আপনার কী মত

    pi
    অন্যান্য | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১০ | ২৩৭৪১ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • bastu | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১০ ১৩:১৫459728
  • ভারত অনেক ভাগে ভাগ হয়ে গেলে তাতে পুঁজির বাজার বা কাঁচামাল পেতে অসুবিধা হবে ধরে নিচ্ছি কেন? পুঁজি ডিভাইড অ্যান্ড রুল পছন্দ করে - এমনটাই তো চিরকাল শুনে এলাম।
  • lcm | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১০ ১৩:২১459729
  • While we are free to choose our actions, we are not free to choose the consequences of our actions...
  • Ishan | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১০ ১৩:২৩459730
  • সেকি। পুঁজি আপাতত: এককেন্দ্রিক একটি ঐক্যবদ্ধ পৃথিবী বানাতে চাইছে। সে নিয়ে কোনো সন্দেহ আছে নাকি?
  • lcm | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১০ ১৩:৪২459731
  • সে তো ভালো লক্ষণ। ভালো তো। সব পুঁজি এক হোক, তারপরে না হয় সমবন্টন হবে ....
  • lcm | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১০ ১৩:৫৬459732
  • বড়লোকরা ভাগাভাগি করতে চায় না, গরীব দেশ গুলোই শুধু ভাগাভাগি করে যায়। গ্লোবাল পাই-এর ছোট্ট ছোট্ট স্লাইস, তাই নিয়ে ভাগাভাগি/কাটাকাটি। স্লাইস-এর সাইজ বাড়ে না, ছোট্ট টুকরো নিয়ে কতদিন আর খেয়োখেয়ি। একসাথে মিলেমিশে থাকলে স্লাইসটা বাড়তে পারে, এই আর কি। চায়না কে দ্যাখো, পাই-এর সাইজ বাড়ানোর দিকে কদম কদম ...
  • aka | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১০ ১৯:৪৮459733
  • ১। ভারত ভাগ হলে পুঁজির অসুবিধা হবে কেন? ঈশানের উদাহরণই দিই, মালয়েশিয়া থেকে সিঙ্গাপুর আলাদা হয়ে ছোট্ট একটা দ্বীপ হবার জন্য সেখানে কি পুঁজির রমরমা কমে গেছে? নাকি হংকং, তাইওয়ানে কমে গেছে? এক্ষেত্রে ঈশান নিজের যুক্তির অ্যাজাম্পশনকে নিজেই কাউন্টার করেছে?

    ২। 'পুঁজি আপাতত: এককেন্দ্রিক একটি ঐক্যবদ্ধ পৃথিবী বানাতে চাইছে' - একথা মার্ক্স, লেনিন বলেছিলেন আমরা এখনো আউড়ে চলি। একবারও ভেরিফাই করার চেষ্টা করি নি বেসিক রিয়ালিটি কি। আজকের দিনেও অ্যাভারেজ ফরেন ডাইরেক্ট ইনভেস্টমেন্ট ১০-১৫%। এই যে আমরা ইন্টারনেট এবং কানেক্টিভিটি নিয়ে এত কথা বলি - এই ব্যাঙ্গালোরে কোড লিখলাম আর দুই সেকেণ্ডের মধ্যে সেই কোড বোস্টনে পৌঁছে গেল - তাও ইন্টারনেটে মাত্র ১০% বাইট ইন্টারন্যাশনাল বাউন্ডারি ক্রস করে। তাই পুঁজির জন্য একটি অখণ্ড ভারত চাই একথা ফার ফেচেড। পুঁজি যা চায় তাহল স্টেবল পলিটিকাল সিস্টেম, বনধ হবে না, কার্গিল যুদ্ধ হবে না, মুম্বাইতে পাকিস্তান আক্রমণ করবে না ইত্যাদি ইত্যাদি। কাশ্মীর ছেড়ে দিলে, এমনকি মণিপুর, নাগাল্যান্ড, মিজোরাম, মাওবাদী অধ্যুষিত অঞ্চল ছেড়ে দিলেও পুঁজির কিছু যায় আসে না। কারণ এর বাইরে যা পড়ে থাকে পুঁজির দিক থেকে ভারতের সেই অংশই বেশি মুনাফা দেয়। এবং ঈশান যা বলল উন্নত অঞ্চলের ট্যাক্স পেয়ারদের টাকা সেই অঞ্চলেই থাকবে উন্নতিতে ফুলে ফেঁপে উঠবে - আখেরে পুঁজির লাভ হবে। আম্রিগার পুঁজিপতিরা প্রান্তিক জনতাকে নিয়ে আদৌ ইন্টারেস্টেড নয়, তাদের লক্ষ্যই হল এই আমাদের মতন প্রিভিলেজড মধ্যবিত্ত - যারা ম্যাকডোনাল্ডে ভেজ বার্গার খায়, বছরে একটা অ্যাডিডাস কেনে ইত্যাদি। এই প্রান্তিক জনগণ আলাদা হয়ে যদি স্টেবল পলিটিকাল সিস্টেম আসে তাতে পুঁজির লাভ বই ক্ষতি নেই।

    ৩। আজ কাশ্মীর, কাল মণিপুর, পরশু নাগাল্যান্ড এই ক্ষণ্ডীকরণের আপত্তিটা আসলে রাষ্ট্রের এবং এই রাষ্ট্রকে যাঁরা মনোনীত করেছেন তাঁদের মানে আমাদের মতন জনগণের। আজ ব্যাঙ্গালোর আলাদা হলে কমরেড অপ্পনকে পাসপোর্ট নিয়ে চাকরি করতে যেতে হবে। আমার ছোট কাকিমাকে পাসপোর্ট বানিয়ে দেশে ফিরতে হবে। আর মনোমোহন, চিদম্বরম, প্রণব তাঁদের আমরাই ইলেক্ট করেছি আমাদের জাতীয় স্বার্থ রক্ষার জন্য। এই হল আমাদের জাতীয় স্বার্থ।

    ৪। এবারে যাঁরা ক্ষণ্ডীকরণের স্বপক্ষে কথা বলছেন তাঁদের কাছে প্রশ্ন রইল, খণ্ড বিখণ্ড হবার পরেও আপনারা যা বলছেন তাহল রাষ্ট্র ব্যবস্থা। এক্ষেত্রে বাস্তু যে কথাটি বলেছে ধরা যাক কাশ্মীরের ৭০% চাইলেন আজাদ কাশ্মীর, আর ৩০% চাইলেন না, এই বাকি ৩০% এর কি হবে?

    আর আরও বেসিক প্রশ্ন একটি অখণ্ড রাষ্ট্রের থেকে ছোট ছোট রাষ্ট্রে শোষণ, বঞ্চনা কি কম হইবে?

    ৫। অভিজ্ঞতা থেকে শেখা নিয়ে কোন ক¾ট্রাডিকশন নেই। একটা ক®¾ট্রালড অ্যাণার্কি, সিস্টেমের মধ্যে থেকে শেখা, আর একটা অ্যানার্কি সিস্টেমকে চ্যালেঞ্জ করে শেখা। সেইজন্যই আইন কানুন ইত্যাদি।

    অমর্ত্য সেন ও তাঁর আইডেন্টিটি এবং কাশ্মীর সমস্যা নিয়ে দীপেশ বাবু/ঈশানের বক্তব্যের সাথে একেবারেই একমত নই, পরে বলছি কেন, মিটিং মিছিলে হেদিয়ে গেলাম।
  • aka | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১০ ২০:৫১459734
  • গুরুর সার্ভার বসে গিয়ে কোথাকার পোস্ট কি হইল কেজানে?

    রাষ্ট্র এবং পুঁজি নিয়ে মার্ক্স, লেনিনের থিওরি খুব একটা চলে না। পুঁজির স্বার্থ রক্ষার জন্যই রাষ্ট্র নামক এনটিটি টি এক্সজিস্ট করে। এও অবসলিট, তাই কাল লিখেছিলাম অনেকদিনের অভিজ্ঞতায় মানুষ শিখেছে পুঁজি এবং রাষ্ট্র কো-একজিস্ট করলেই সুবিধা। দুজনে দুজনের স্বার্থ রক্ষা করলে বা দরকার পরলে বাঁশ দিলে তবেই সাধারণ মানুষের ভালো।

    অমর্ত্য সেন কাশ্মীর সমস্যাকে কখনোই জেনেরিক আইডেন্টিটির সমস্যা বলেন নি। কখনোই বলেন নি এটা ওদের আভ্যন্তরীন ব্যপার। এই নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় উনি কথা বলেছেন তার কিছুটা তুলে দিই।

    "The case of Kashmir, is of course, different in several respects, including its seperate history and the peculiar politics of its accession to India and its aftermath. The evident disaffection of a substantial part of the Kashmiri Muslim population relates to the very special political circumstances obtaining there and the treatment they have received respectively from both India and Pakistan. The Kashmir issue certainly demands political attention of its own, but the special circumstances influencing the viewpoint of 4 million Kashmiri Muslims can scarcely be used to question the strong record of national loyalty and solidarity of more than 140 million Muslims in general.' এই জায়গাটা বোধহয় দীপেশবাবু/ঈশেনের চোখ এড়িয়ে গেছে।

    কাশ্মীর সমস্যা, কাশ্মীরিদের আইডেন্টিটি শুধুই এই তোমরা ভারতীয়, আমরা কাশ্মীরি, তোমরা হিন্দু, আমরা মুসলিম এতেই আটকে নেই। এই বিভিন্ন আইডেন্টিটির মধ্যে যে রাজনীতি রয়েছে সেটাও শুধুই আমার জমি আমার হক এই সেন্টিমেন্টের থেকে অনেক জটিল। সেখানেই আমার প্রশ্ন ছিল সেই রাজনীতির কতটা আমরা জানি বা বুঝি? জানতে চেয়েছিলাম, সদুদ্দেশ্যে উন্নয়নের, ক্ষোভ মেটানোর চেষ্টা করার দাবীর থেকে আজাদ কাশ্মীরের দাবী কেন বেশি গ্রহণযোগ্য, প্রামাণ্য সোর্স সহ জানতে চাই।
  • Ishan | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১০ ২৩:৫১459735
  • আকাকে। দুটো ভিন্ন পার্সপেক্টিভ আছে।

    এক। পুঁজি বিনিয়োগ। লক্ষ্য করলে দেখা যাবে, বিনিয়োগের জন্য পুঁজি খুদে খুদে "উন্নত' এলাকা পছন্দ করছে। শুধু সিঙ্গাপুর, তাইওয়ান নয়, এমনকি চিন বা ভারতের মতো গাম্বাট দেশেও পুঁজি বিনিয়োগের জন্য খুদে খুদে "উন্নত' পকেট চাইছে। যেগুলো ঐ আলাদা খুদে রাষ্ট্রের মতই প্রায় স্বয়ং সম্পূর্ণ দ্বীপের মতো হবে। আলাদা আইন-কানুন থাকবে। "উন্নত' হবে এবং ফুলে ফেঁপে উঠবে। এই জায়গায় পুঁজি অবশ্যই খন্ডীকরণ চায়।

    দুই। বাজারের প্রশ্নে। বাজার ধরার জন্য স্ট্র্যাটেজিটা আলাদা। সেখানে ইউনিফর্ম, সুষম অখন্ড বাজার হলেই ভালো। তাতে অনেক হ্যাপা বাঁচে। যেমন বিপনন। একটা ইউনিফর্ম সাংস্কৃতিক/মতাদর্শগত ঐক্য থাকলে বিপননের অনেক হ্যাপা বাঁচে। একটা পাতি উদাহরণ দিই। ধরুন, শচীনের মতো একটা জাতীয় আইকন থাকলে একটা অ্যাড বানালেই গোটা একশ কোটি লোককে টার্গেট করা যাবে। ইত্যাদি ইত্যাদি।

    ফলে খন্ডিকরণ এবং রপ্তানী -- এদুটো প্রয়োজন বিনিয়োগের জন্য। আর বাজারের জন্য ঐক্য। এদের মধ্যে কোথাও কোনো বিরোধ নেই।

    তবে এই দুইয়ের মধ্যে, ডেফিনিটলি অনেক ধূসর এলাকা আছে। পুরোটা সাদা-কালো নয়। যেমন ধরুন খনি-শিল্পে বা কৃষিতে বিনিয়োগ। কিংবা ইনসিওরেন্সের কারবার। এগুলো মাঝামাঝি এলাকায় পড়ে। কিন্তু পুঁজির চাওয়াটার মধ্যে কোনো সন্দেহ নেই।

    আর আরও একটা কথা বলে দিই। আকা কিন্তু মার্ক্ষ আতঙ্কে ভুগছে। আমি একবারও মার্ক্সের নাম নিইনি। ইন ফ্যাক্ট, পুঁজির এই চলন নিয়ে মার্ক্স খুঁজে কোনো লাভও নেই। মার্ক্স বা লেনিন কস্মিনকলেও বলেননি পুঁজি একটি এককেন্দ্রিক দুনিয়া বানাতে চাইছে। তাঁদের সময় এরকম ঘটেছে বলেও মনে হয়না। পুরোটাই চাদ্দিকের ঘটনার ধারাবিবরণী। মার্ক্স-লেনিন এখানে অপ্রাসঙ্গিক।

    আরও একটা কথা ইন্টারেস্টিং লাগল। খন্ডীকরণে আপত্তি আসলে পাসপোর্টের সমস্যা। সমস্যাটা সেই সমস্ত লোকের, যাঁরা বেঙ্গালুরুতে চাকরি করতে যান। এবং আসল সমস্যা হল খন্ডীকরণ হলে এঁদের পাসপোর্ট লাগবে। এখানে আকার সঙ্গে আমি একমত, যে, এটা যে সেগমেন্টের সমস্যা, প্রণব-চিদাম্বরম তাঁদেরই রিপ্রেসেন্টেটিভ। এই সেগমেন্টের জাতীয়তার ভিশনই আমাদের "জাতীয়তার ভিশন'। বেঙ্গালুরুতে অবাধে যাতায়াতের জন্য যদি কাশ্মীরে-নাগাল্যান্ডে বছরের পর বছর সেনাবাহিনী মোতায়েন করতে হয় তো হোকনা। মনিপুরের মা-রা নগ্ন হয়ে বিক্ষোভ দেখাতে বাধ্য হোন তো হোন না। আমাদের বেঙ্গালুরুর সেফ প্যাসেজ থাকলেই চলবে। কারণ ইহাই প্রণব-চিদাম্বরমের জাতীয়তা। মিলে সুর মেরা তুমহারা।
  • ranjan roy | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১০ ২৩:৫৯459736
  • এইকথাটাই ইনিয়ে বিনিয়ে বলতে চাইছিলাম।
    আমরা আসলে কাশ্মীরিদের সমস্যা বা উন্নয়নের সার্বিক সমস্যানিয়ে যত না চিন্তিত, তার চেয়ে বেশি, চেতনে বা অবচেতনে, নিজেদের স্থিতাবস্থা-সুরক্ষা ইত্যাদি নিয়ে।
  • Ishan | ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০০:০১459738
  • অমর্ত্য সেন প্রসঙ্গে। অমর্ত্য সেনের যে বইটি নিয়ে কথা হচ্ছিল, সেই বইটির তত্বচিন্তাটির সমালোচনা করেছি। সেটা বাস্তব, এ নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই।

    তবে এ কথাও ঠিক, অমর্ত্য সেন অন্যত্র (এমনকি ঐ বইয়েও) অন্য নানা কথা বলেছেন। শুধু কাশ্মীর নিয়ে নয়। এখনই হাতের কাছে রেফারেন্স নেই, কিন্তু অন্যান্য বিষয় নিয়েও অনেক কিছু বলেছেন, যা ঐ বইটির প্রতিপাদ্যের বিরুদ্ধে যাবে। কিন্তু সেটা আমার আর্গুমেন্টের সমস্যা নয়। অমর্ত্য সেনের আর্গুমেন্টের সমস্যা। ভদ্রলোক অনেকটা রবীন্দ্রনাথের ঢঙে নানা জায়গায় না ভালো-ভালো কথা বলেছেন, সন্দেহ নেই, কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই সেগুলো উপর উপর শুনতে ভালোই লাগে, কিন্তু একসঙ্গে মিলিয়ে দেখার চেষ্টা করলে কোহেরেন্ট একটি চিন্তাপদ্ধতির অভাব নজরে পড়ে।

    এগুলো অবশ্যই ওনার নিজের বিষয় অর্থনীতি বাদ দিয়ে অন্যান্য বিষয় সম্পর্কে বলছি। (অর্থনীতির ব্যাপারটা খুঁত ধরার মতো বুঝিনা। :)) কিন্তু বাকি বেশ কিছু জিনিসে সেটা প্রকট। এটা অবশ্য খুব দোষের কিছু না। উনি তো থিয়োরি করার জন্য লেখেননি, যখন যা মনে হয়েছে লিখেছেন। সমস্যাটা আসলে পাঠকের। যারা অমর্ত্য সেনকে ইতিহাস বা অন্যান্য ব্যাপারে পথপ্রদর্শক ঠাউরেছেন, তাঁদের। আকাকে সেই জন্য, অমর্ত্য সেনের পথে চিন্তাভাবনা করার আগে এই পরস্পর-বিরোধিতাটা নিয়ে একটু ভেবে দেখতে বলছি। সতর্ক থাকতেও বলছি।
  • Arpan | ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০০:১০459739
  • না, লাস্ট প্যারায় পুরোপুরি একমত নই। লুরু বা দিল্লিতে বাংলার প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে কত লোক কাজের সন্ধানে গেছে সেই নিয়ে ধারণা আছে? কমনওয়েলথ গেমসের জন্য কত লোককে ফেরত পাঠানো হল সেই হিসেবটা একটু হয়ে যাক। প্রণব-চিদম্বরম এদের প্রতিনিধি?

    ইন ফ্যাক্ট, উ:পূর্বের কত লোক এই লুরুতে তাদের জীবিকা খুঁজে নিয়েছেন বা নিচ্ছেন তা একটু চোখ খোলা রাখলেই দেখা যায়। পাসপোর্ট ভিসার দরকার পড়লে এদেরও অসুবিধা হবে বৈকি। কমরেড অপ্পনের কোন গায়ে লাগবে না।

    খন্ডীকরণের আপত্তি আসলে পাসপোর্টের সমস্যা না। যে সেগমেন্টটা শাইনিং ইন্ডিয়ায় বাস করে তারা ভারত শিগ্গিরি সুপার পাওয়ার হয়ে যাবে বা হয়ে গেছে এই ধারণা নিয়ে বাস করে। চেতনে বা অবচেতনে। খন্ডীকরণের সম্ভাবনা সেই স্বপ্নে জল ঢেলে দেয়। এইটা শুধু ভারতের জন্য নয়। প্রতিবেশী যে দেশটি সুপার পাওয়ার হয়েই গেছে বলে ধরা হয় সেইখানেও এই একই মানসিকতা কাজ করে। অন্তত তাদের সাম্প্রতিক কাজেকর্মে তাই প্রমাণ হয়।
  • Arpan | ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০০:১১459740
  • আমার বক্তব্য ঈশানের ১১:৫১তে করা পোস্টের জবাবে পড়তে হবে।
  • ranjan roy | ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০০:১৪459741
  • অপ্পনের লাস্ট প্যারা সম্বন্ধে ক'।
  • aka | ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০০:৫২459742
  • খণ্ডিত পাসপোর্টের সমস্যা শুধুই কিছু মেটিরিয়ালিস্টিক মোহর কথা নয়, যদিও সেটা দেখাতে পারলে তক্কটাকে একটা বিশেষ জায়গায় এনে ফেলা যায়, যেমন শাইনিং ইন্ডিয়া ভার্সেস তার তলায় থাকা অন্ধকার। তাই হয়ত, ছোট কাকিমার পাসপোর্ট করে নিজের বাড়ি যাওয়াটা চোখ এড়িয়ে গেছে। পাকিস্তান-ভারত ভাগ বা প:ব: এবং পূ:ব: ভাগের মতই জটিল সমস্যাকে তুলে ধরাই উদ্দেশ্য ছিল। যে জায়গা থেকে রঞ্জনদা বাঙাল বাড়ির কিসসা পর্বে পর্বে লেখেন সেই মানবিক জায়গাটা তুলে ধরাই ছিল।

    বাস্তু যে কাল্পনিক ভোটের রেজাল্ট দিয়ে বলেছিল ৩০ শতাংশ লোক যারা আজাদ কাশ্মীরের বিপক্ষে ভোট দেবে তাদের কি হবে?

    দীপেশ বাবু- অমর্ত্য সেন নিয়ে অনেক কথা বলার আছে। এখন সময় নেই।
  • aka | ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০০:৫৯459743
  • যদি ভাগাভাগি আদৌ হয় তাহলে উন্নত ভারত নিজের লাভের জন্যই এক জায়গায় থাকবে। আর অনুন্নত ভারত আলাদা হবে। তাতে অবশ্য ঈশানের ট্যাক্সো ঠিকঠাক জায়গায় কাজে লাগবে। 'শাইনিং ইন্ডিয়া'স বার্ডেন' কমবে। এই ভাগাভাগির কাল্পনিক মানচিত্রটি পার্সেপশন যার অবশ্যই একটা ইনটিউশন রয়েছে এবং সেই ইনটিউশন/পার্সেপশন ক্ষণ্ডিকরণই একমাত্র সলিউশন এর থেকে একটুও বেশি ওয়াইল্ড নয়।

    ফির মিলেঙ্গে ব্রেক কে বাদ। জয় হিন্দ।
  • saikat | ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১০ ১১:০৩459744
  • এটাও থাকুক। বড়দা যা চাইছেন।

    http://timesofindia.indiatimes.com/india/Obamas-pitch-Fix-Kashmir-for-UN-Security-Council-seat/articleshow/6647486.cms

    অর্পণ যেমন বলেছে, খন্ডীকরণের সমস্যাটা ভারতের সুপার পাওয়ারত্বে বিশ্বাসীদের সমস্যা, ওবামাদার ইচ্ছেটা সফল হলে সেই সমস্যাটা থাকে না, ভারত তখন জগতসভায় একটা ভাল সীট তো পাবে !

    আর এ ক্ষেত্রে মনে হয় কাশ্মীর সম্পূর্ণ স্বাধীন হয়ে যাচ্ছে না, ঠিক কী রকম হবে বোঝা যাচ্ছে না যদিও।

    আর কাশ্মীরের লোকেরা ঠিক কী চায় সেটা এই হিসেবের মধ্যে কীভাবে আসবে তাও জানা নেই। দাবার বোড়ে হয়ে দাঁড়াবে কী?
  • aka | ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১০ ১৮:৪২459745
  • অমর্ত্য সেনের 'আইডেন্টিটি অ্যান্ড ভায়োলেন্স: দা ইলিউশন অফ ডেস্টিনি' নামক বই এবং সে সম্বন্ধে দীপেশ চক্রবর্তীর ক্রিটিক এবং কাশ্মীর সমস্যায় তার প্রভাব কতটা তাই নিয়ে দুটি কথা বলার।

    অমর্ত্য সেন বলেছেন একটি মানুষের বিভিন্ন আইডেন্টিটি রয়েছে এবং ভায়োলেন্সের সময় মানুষ তার একটি আইডেন্টিটি নিয়েই বেশি চিন্তিত হয় ভুলে যায় তার অন্য আইডেন্টিটির কথা। এর স্বপক্ষে উনি অনেক উদাহরণ দিয়েছেন। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ অ্যানালিসিস। দীপেশ চক্রবর্তীর মূল আপত্তিটা এই অ্যানালিসিস নিয়ে নয়। পড়ে যা মনে হয়েছে, ওনার আপত্তি দুটো বক্তব্য নিয়ে এক, কি কারণে ভায়োলেন্সের সময় মানুষ তার বিশেষ একটি আইডেন্টিটি বেছে নেয়, দুই, এই সমস্যার সমাধান হিসেবে অমর্ত্য সেন যা বলেছেন তাই নিয়ে।

    দীপেশ চক্রবর্তী একটি উদাহরণ দিয়েছেন গুজরাতে দাঙ্গার সময় একটি আহত মুসলিম ছেলে কেন নিজের মুসলিম আইডেন্টিটি সরিয়ে রেখে হিন্দু হিসেবে পরিচয় দিয়েছিল। কারণ ভয়, মুসলিম হিসেবে চিহ্নিত হবার ভয়, যার ওপর ছেলেটির খুব একটা হাত ছিল না। অতএব আমার আইডেন্টিটি শুধু আমার নিজস্ব চিন্তার পদ্ধতির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বাকি সবাই আমাকে কিভাবে দেখছে তার ওপরেও নির্ভর করে। ঠিক কোথায় গিয়ে আমার নিজস্ব আইডেন্টিটি আমার নিজের চিন্তা এবং কোথায় তা আমার ওপর সোশ্যাল কনস্ট্রেইন্ট সেই জায়গাটা খুব স্বচ্ছ নয়। অবশ্যই সঠিক অবজারভেশন।

    অমর্ত্য সেন বলেছেন, "‘violence is fomented by the imposition of singular and belligerent identities on gullible people, championed by proficient artisans of terror’। উদাহরণ হিসেবে যদি গুজরাত দাঙ্গায় মোদীর ভূমিকা দেখি তাহলে কি অমর্ত্য সেন ভুল বলেছেন? না। অমর্ত্য সেনের অ্যানালিসিসে একটি জায়গা অনুপস্থিত তা হল সাধারণ লোক যাদের উনি 'গালেবল' বলে মনে করেন তারা কি আসলে সত্যিই ততটা বোকা। আসলে নয়, যে কাদের মিঞার উদাহরণ তিনি দিয়েছেন সেখানে যে হিন্দুরা কাদের মিঞাকে মেরেছে তাদের এবং অন্যদিকে গুজরাতের যে মুসলিম ছেলেটি নিজের মুসলিম আইডেন্টিটি গোপন করেছিল, এই দুই পক্ষই নিজের নিজের জায়গা থেকে ঠিক, কারণ দাঙ্গার সময়ে যে ভয় এবং উত্তেজনা থাকে তা মানুষকে নিজের আইডেন্টিটি বদলে নিতে বাধ্য করে তার বহুবিধ কারণের একটি হতে পারে ভয়। তো, আমার মনে হল, অমর্ত্য সেন এবং দীপেশ বাবুর ক্রিটিক অনেকটা পরিপূরক। অমর্ত্য সেন যেখানে শেষ করেছেন দীপেশ বাবু সেখানে ধরেছেন। অবশ্য খানিকটা নুনের ছিটে দিতে ছাড়েন নি। সে অন্যকথা, অ্যাকাডেমিক রাইভালরি ইত্যাদি।

    সে যাইহোক, অমর্ত্য সেনের বইটির উদ্দেশ্য কাশ্মীর সমস্যা সমাধান করা নয়। হান্টিংটনের 'দা ক্ল্যাশ অফ সিভিলাইজেশন' কে কাউণ্টার করা ছিল। বইটির পাতা দশেক আমার পড়ার সৌভাগ্য হয়েছিল। তা সেই বইটির পরিপ্রেক্ষিতে অমর্ত্য সেনের এই বইটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। কাশ্মীর, ভায়োলেন্স এবং সেখানে ক্ল্যাশ অফ আইডেন্টিটির জন্যই অমর্ত্য সেনের রেফারেন্স টানা।
  • aka | ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১০ ১৯:০৩459746
  • সেটাকেই অমর্ত্য সেনের কাশ্মীর সম্বন্ধে স্টান্স ধরে নিলে খুব ভুল ভাবা হবে। সেইজন্যই কাল টুকে দিয়েছিলাম এবং আবার দিই - 'The case of Kashmir, is of course, different in several respects, including its seperate history and the peculiar politics of its accession to India and its aftermath. The evident disaffection of a substantial part of the Kashmiri Muslim population relates to the very special political circumstances obtaining there and the treatment they have received respectively from both India and Pakistan. The Kashmir issue certainly demands political attention of its own, but the special circumstances influencing the viewpoint of 4 million Kashmiri Muslims can scarcely be used to question the strong record of national loyalty and solidarity of more than 140 million Muslims in general'.

    একটি বিশেষ ঘটনা সম্বন্ধে কোন এক পণ্ডিতের চিন্তা ভাবনা ধরতে হলে শুধু দু পাতার রিভিউ পড়লে হয় না। বিভিন্ন জায়গায় সেই সম্বন্ধে উনি কি বলতে চেয়েছেন তা বোঝার চেষ্টা করা উচিত।

    তো, কাশ্মীর সমস্যার সাথে অমর্ত্য সেন, দীপেশ চক্রবর্তী খুব ট্যানজেনশিয়ালি রিলেটেড। বহুসঙ্কÄ¡ এবং তাদের মধ্যে ক্ল্যাশ যেকোন ভায়োলেন্সে থাকে, কিন্তু কারণ কি সেটা জানাই এখানে মূল কথা। তো, আকা/অমর্ত্য সেন কেউই বলে নি কাশ্মীরি দের আজাদ কাশ্মীরের দাবী এবং তাদের কাশ্মীরি সঙ্কÄ¡ শুধুই তাদের নিজস্ব সেখানে কেন্দ্রীয় সরকারের পলিসি গত কোন ভুল নেই বা সেনাবাহিনীর গ্রামের পর গ্রামে পাশবিক অত্যাচার নেই। কিন্তু যদি ধরে নিই শুধু এইটুকুই তাদের আইডেন্টিটিকে প্রভাবিত করছে, তাহলে ভুল হল। এটা ঠিক ঈশান বর্ণিত আমি 'ক্ষুধার্ত' এবং আমি 'ভারতীয়' দুয়ের মধ্যে কনফ্লিক্ট হলে সব সময়ে ক্ষুধার্তের প্রায়োরিটি বেশি। এটা খুব সরলীকরণ, মানুষের আইডেন্টিটি আরও জটিল। যাস্ট অ্যাকাডেমিক অ্যানালিসিস পারপস ঐ দুটি সঙ্কÄ¡র মধ্যে আর একটি সঙ্কÄ¡ জুড়ে দিলাম, আমি ভারতীয়, আমি ক্ষুধার্ত, আমি মা। কোনটি প্রায়োরিটি পাবে? আসলে কোনটি প্রায়োরিটি পাবে সেটি আমার নিজস্ব চয়েজ হিসেবে ঈশান বলতে চেয়েছে, আর দীপেশ বাবু বলেছেন আসলে সেটি আরও কমপ্লেক্স ব্যাপার, ডিপেন্ডস আমি কিভাবে আইন্ডেটিফায়েড হচ্ছি, ইত্যাদি।

    তা, কাশ্মীরের ক্ষেত্রেও কেন্দ্রীয় বঞ্চনা, অনুন্নয়ন, সেনা অত্যাচার ইত্যাদির বাইরেও আন্তর্জাতিক পলিটিক্সের অস্তিত্ব যারা অস্বীকার করছেন তাঁরা সমস্ত কমপ্লেক্সিটি থেকে একটি প্যারামিটার বাদ দিচ্ছেন। সেখানেই দাবী হল এটা বোঝার চেষ্টা করা হোক। নইলে কাশ্মীরিদের জাতিসঙ্কÄ¡ শুধুই তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার বললে দীপেশ বাবু বর্ণিত 'আইডেন্টিফিকেশন' প্রসেসের যে ঐতিহাসিক প্রেক্ষিত আছে তাকে অস্বীকার করা হয়।
  • aka | ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১০ ১৯:২৭459747
  • আর ভাগাভাগি হলে কার সবথেকে অসুবিধা হবে?

    আমরা ইতিহাস থেকে শেখার কথা বারবার বলছি তো এই টইতে, তাহলে প্রশ্ন রইল ভারতের ইতিহাসে ক্ষণ্ডীকরণ কম হয় নাই, সেখান থেকে আমাদের হাতে কি শুধুই মেট্রো সিরিয়াল 'বুনিয়াদ' আর 'পর্বে পর্বে বাঙাল বাড়ির কিসসা'?

    পুঁজি তার নিজের জায়গা খুঁজে নেবে। আজ ভারত থাকলে ভাল, নইলে কাল সাউথ আফ্রিকা, ব্রাজিল, রাশিয়া রয়েইছে। বিল গেটসের ভাঁড়ারে এক বিলিয়ন কম যাবে। মেধাবী ভারতীয় এসব কাটিয়ে বিভিন্ন জায়গায় মাইগ্রেট করবে। আছোলা বাঁশ প্রান্তিক জনগণেরই। সেরকম সোশাল আনরেস্ট তৈরি হলে, মনোমোহন ইংলণ্ডে যাবে, চিদাম্বরম মনে হয় অধ্যাপক হবে, সনিয়া ইতালিতে ফিরে যাবে, রাহুল গান্ধী বসেই খেতে পারে।

    আর আমি যে দেশে ফেরার একটা সৎ চিন্তা মাথায় রাখি, সেটা একেবারে কাটিয়ে দেব, ন্যাড়াদারা সপরিবারে ফেরত আসবে, ঈশানও আসতে পারে (ভিসা স্ট্যাটাসটা জানি না, নইলে অন্য দেশে যাবে), কিন্তু আমার ছোড়দা পারবে না, মামাতো ভাই পারবে না ইত্যাদি ইত্যাদি। এই আমাদের জাতীয় স্বার্থ, বিশদে বলতে হবে ভাবি নি।
  • stoic | ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১০ ২০:০০459749
  • লাস্ট প্যারাতে পুরো ঘেঁটে গেলাম। 'সৎ চিন্তা' আর 'এই আমাদের জাতীয় স্বার্থ' এই দুটোর মানে ক্লিয়ার হল না। তবে এগুলো বোধহয় এই টই এর আওতায় পড়বে না। নয়তো আবার টই হাইজ্যাক হয়ে 'দেশে ফেরা' টাইপের টই হয়ে যাবে। :)
  • aka | ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১০ ২০:৩৭459750
  • আরে ২০ টা রসগোল্লার পরে ২ টো এক্সট্রা পড়েছে। :))

    মানে বক্তব্য ছিল এই তোমার- আমার মতন প্রিভিলেজড জনগণের খুব কিছু অসুবিধা নেই। কিন্তু আমাদের নিজেদের পরিবার, আত্মীয় স্বজনের মধ্যেই বহু লোককে খুঁজে পাবে যাদের অসুবিধা প্রচূর, বেশিদুরে যেতে হবে না।
  • ranjan roy | ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০০:০৭459751
  • বিতর্কটি অসম্ভব ভালো হচ্ছে। ঈশেন, কল্লোল, অর্পণ এবং আকা--- প্রত্যেকের বক্তব্যই আমাকে নতুন করে সব জানা axiom গুলোকে নতুন করে দেখতে ভাধ্য করছে। চমৎকার!
  • Ishan | ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০৯:১৪459752
  • আকা। পয়েন্টটা আরেকবার বলি। "কাশ্মিরিরা অনেক অবিচারের স্বীকার, কাশ্মীর সমস্যার বিচার সহানুভূতি সহকারে করতে হবে", বা "নরেন মোদি বদ লোক', এসব কথা যেকোনো বোধবুদ্ধিসম্পন্ন লোকই বলবে। তার মানে এই নয়, যে, তিনি আইডেন্টিটি পলিটিক্স সম্পর্কে যা বলছেন, সেই বোঝাপড়াটা ক্লিয়ার আছে।

    এটা যেকোনো আইডেন্টিটি পলিটিক্সেরই সমস্যা। কাশ্মীর-টশ্মীর ছাড়ুন। অন্য একটা উদাহরণ দিই। সম্পূর্ণ অন্য প্রান্তের। যাতে করে এই রিয়েলপলিটিক থেকে দূরে থাকা যায়। কাশ্মীর প্রসঙ্গে আমাদের সবারই তো আলাদা আলাদা অবস্থান আছে, সেগুলো থেকে এই বিতর্কে যতটা দূরে থাকা যায় আর কি। :)

    ধরুন "মেয়েলি পুরুষ' (কথাটা হ্যাঁ, ঋতুপর্ন ঘোষের কাছ থেকে শেখা), এবং রূপান্তরকামীদের আইডেন্টিটি। এদের আইডেন্টিটি নিয়ে আমরা যারা "স্বাভাবিক', তারা নানা ক্ষেত্রে নানারকম সমস্যায় পড়ি। সমস্যাটা মূলত এই গোষ্ঠীর "লাউডনেস' নিয়ে। সর্বত্রই এঁরা নিজেদের সেক্সুয়াল আইডেন্টিটি নিয়ে "বাড়াবাড়ি' করেন এবং এটা নিয়ে নানাবিধ "প্র্যাকটিকাল' সমস্যা হয়। ধরুন, কথার কথা কইছি, গ্রিন-হান্ট বিরোধী একটি গম্ভীর সমাবেশ। সেখানে নানাবিধ সংগঠনের সঙ্গে রূপান্তরকামীরাও হাজির হয়েছেন। তাঁরা শরীরের গঠনে পুরুষ। কিন্তু প্রকৃতি ও পোশাকে মহিলা। সেই ব্যাপারটা তাঁরা সোচ্চারে ঘোষনাও করে চলেছেন। রাস্তার লোকে মজা দেখতে জমা হয়েছে। এই অবস্থায়, আপনি যদি সভার সংগঠক হন, তাহলে কী ভাববেন? অবশ্যই ভাববেন সভার গাম্ভীর্য নষ্ট হচ্ছে। এও ভাবতে পারেন, যে, এরা, আজকের দিনে অন্তত নিজেদের সেক্সুয়াল আইডেন্টিটিটা নিয়ে এত সোচ্চার না হলেই পারতনা? এতটা বাড়াবাড়ি না করলেই পারতনা? আইডেন্টিটির তো অনেক দিক আছে। তার একটা হল যৌনতা। অন্যটা গ্রিন-হান্ট বিরোধিতা। ইত্যাদি প্রভৃতি। বাকি সব আইডেন্টিটি ছেড়ে দিয়ে সব জায়গায় শুধু একমাত্রিক যৌন-জীব হয়ে থাকলেই হবে?

    লক্ষ্য করুন, আইডেন্টিটি পলিটিক্স নিয়ে আকা/অমর্ত্য সেনের বক্তব্যের সঙ্গে ব্যাপারটা কিন্তু খাপে খাপ পঞ্চার বাপ। এর জবাবে "অন্য যৌনতা'র লোকেদেরও একটা আর্গুমেন্ট থাকে। সেটা এখানে অপ্রাসঙ্গিক বলে আর বললাম না। এখানে আমরা শুধু ঐ কল্পিত সংগঠকের দৃষ্টিভঙ্গীটা নিয়ে কথা বলব। সভার সংগঠক কল্পিত, কিন্তু আসলে অবাস্তব নয়। আমরা সবাই, যারা "স্বাভবিক' তারা এরকম অবস্থায় মাঝে-মাঝেই পড়ি। টিভিতে ঋতুপর্ণ ঘোষকে দেখে "বাড়াবাড়ি' নিয়ে কথা বলি। মেয়েলি পুরুষদের দেখে "অ্যাই গরু যা:' বলে ঠাট্টা করি। ইত্যাদি-প্রভৃতি।

    এবার প্রশ্নটা হচ্ছে, ঐ সভার কল্পিত আয়োজক, যে আর্গুমেন্টটা দিচ্ছেন, সেটা কি "ভুল?' খুব খোলা চোখে দেখুন। এতে "ভুল'এর কিছু নেই। ভদ্রলোক/মহিলা, একটি "মহান' উদ্দেশ্যে, জনতাকে একটি গম্ভীর, সিরিয়াস মেসেজ দেবেন বলে একটি সভার আয়োজন করেছিলেন। একদল "হিজড়ে'র উপদ্রবে পুরো উদ্দেশ্যটাই পন্ড হতে বসেছে। গাম্ভীর্যের বদলে, জিনিসটা জাস্ট খোরাকে পরিণত হয়েছে। এখানে তিনি যদি বলেন, যে, বন্ধুগণ, আপনাদের আইডেন্টিটি তো বহুমাত্রিক, সব জায়গায় একমাত্রিক ভাবে না দেখে অন্য আইডেন্টিটি গুলো নিয়েও একটু ভাবুন না, তাহলে তাঁর প্র্যাগম্যাটিক দৃষ্টিভঙ্গীতে কি কোনো ভুল আছে? আমি অন্তত দেখতে পাচ্ছিনা।

    (এখানে আমি "অন্য যৌনতা'র আর্গুমেন্টটা সম্পূর্ণ এড়িয়ে গেলাম। কিন্তু বলে রাখা ভালো, তাঁদেরও একটা সম্পূর্ণ ভ্যালিড আর্গুমেন্ট আছে)।

    তাহলে সমস্যাটা কোথায়? সেইটা পরে লিখব। এখন মিটিন করি।
  • bastu | ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১০ ১০:৩৩459753
  • রূপান্তরকামীদের কোন পাবলিক মিটিং-এ ক্লাউন ইউনিয়নের লোকজন যদি তাঁদের পেশাগত পোষাকে গিয়ে উপস্থিত হন, এবং বিভিন্ন ক্লাউনিশ ব্যাপার করে সমর্থন জানাতে থাকেন - তাহলে কি হবে?
  • kallol | ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১০ ১১:২৫459754
  • রূপান্তরকামী বা তৃতীয় লিঙ্গের সমস্যা অন্য যায়গায়। তাঁদের পরিচয় এতোকাল রাষ্ট্র, সাধারণ মানুষ এতো প্রকট ভাবে অস্বীকার করে এসেছে, যে তারা উচ্চগ্রামে নিজেদের পরিচয় জাহির করায় অভ্যস্ত হয়ে গেছে। ঐ ধরনের আচরনকে ওঁরা ওঁদের 'স্বাভাবিক' আচরন বানিয়ে ফেলেছেন। আস্তে আস্তে এঁদের সম্পর্কে রাষ্ট্র ও সাধারণ মানুষের দৃষ্টিভঙ্গী পাল্টাচ্ছে। এঁরাও আস্তে আস্তে নিজেদের পাল্টাবেন।
  • Ishan | ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১০ ১৫:৪৫459755
  • হ্যাঁ, যা বলছিলাম। সভার সংগঠকের এই আর্গুমেন্টটা হল "প্র্যাগম্যাটিক', "র‌্যাশনাল' অ্যাপ্রোচ। যে, বাপু তোমার তো অ্যাত্তোরকমের আইডেন্টিটি আছে, সরকারবিরোধী বিক্ষোভের সময়, যেখানে ফোকাসটা আলাদা, সেখানে নিজের যৌন আইডেন্টিটিটা একটু পিছনে সরিয়ে রাখলে হয়না? লক্ষ্য করবেন, আমরা নানা সময়ে ব্যবহারিক এই ধরনের প্র্যাগম্যাটিক অ্যাপ্রোচ অনুসরণ করি। একজন হিন্দু বা একজন মুসলিম, যদি খোলা রাস্তায় একজন আরেকজনকে ধর্মীয় কারণে মারতে উদ্যত হয়, তাহলে আইডেন্টিটি পলিটিক্সের ভিতরে না ঢুকে সোজা বাংলায় আমরা বোঝানোর চেষ্টা করি, যে, বাপু ঠান্ডা মাথায় ভাবো। হিন্দু বা মুসলিম ছাড়াও তোমার আরও নানারকম পরিচয় আছে। শুধু একটাই পরিচয়কে টেনে এনে খুনোখুনি কোরোনা। এইটা দাঙ্গা-টাঙ্গার সময় হয়তো বলার মতো অবস্থা থাকেনা, কিন্তু চান্স পেলে নিশ্চয়ই আমরা এইটাই বলতাম।

    তা, এইটা হচ্ছে প্র্যাগম্যাটিক দৃষ্টিভঙ্গী। র‌্যাশনালও বলতে পারি। উপর-উপর দেখলে এটাতে এমনিতে কোনো সমস্যা নেই, বা থাকার কথা নয়। কিন্তু সমস্যাটা হয়, যখন এটাকে একটা ঐতিহাইক দৃষ্টিভঙ্গী, বা পলিসি-নির্ধারণের জন্য প্রয়োজনীয় দৃষ্টিভঙ্গী হিসেবে দেখা হয়।

    আসুন, আমরা এবার প্রতিদিনের "র‌্যাশনাল' দৃষ্টিভঙ্গী ছেড়ে দিয়ে ঐতিহাসিক বা সমাজবিজ্ঞানীর টুপিটা পরি। তাহলে সমস্যাটা পরিষ্কার হবে।

    এটা করতে হলে আমাদের "দেখা'র ভঙ্গীটা পাল্টে ফেলতে হবে। কিরকম? প্রথমে রূপান্তরকামীদের সমস্যাটা নিয়েই দেখা যাক। সমস্যাটা একই, শুধু দেখার ভঙ্গীটা আমরা পাল্টে ফেলব এখানে। আগেরবার আমাদের সমস্যা ছিল রূপান্তরকামীদের "লাউডনেস'। তার একটা প্র্যাগম্যাটিক সমাধান আমরা বার করছিলাম। সেটাই ছিল লক্ষ্য। কিন্তু দৃষ্টিভঙ্গীতে যেটা ছিলনা, সেটা হল কেন এই লাউডনেস, সেই প্রশ্নটির অনুসন্ধান। এবার, টুপি বদলানোর পর, আমাদের লক্ষ্য হবে, কেন খোঁজা, এবং, যদি পলিসি নির্ধারণের গাইডলাইন বানাতে যাই, তাহলে দূরপাল্লার একটা সমাধান খোঁজা। মানে, ব্যাপারটাকে এভাবেও বলা যায়, যে, আগেরবার আমরা শর্ট টার্মে ভেবেছি, এবার ভাবব লং টার্মে।

    তা, কারণটা খুঁজতে গেলে আমরা দুভাবে ভাবতে পারি।

    এক। রূপান্তরকামীরা প্রকৃতিগতভাবেই লাউড। কিংবা একদিন সকালে উঠে স্বত:স্ফূর্তভাবে তারা ঠিক করল, যে, এসো বন্ধুগণ আমরা বাকিদের অসুবিধেয় ফেলার জন্য পুং শরীরে মেয়েদের পোশাক পরে ঘুরি। সোজা ভাষায়, রূপান্তরকামীদের এই তথাকথিত "অস্বাভাবিক' আচরণ, তাদের কমিউনিটিরে "স্বতস্ফূর্ত' সিদ্ধান্ত। বাহ্যিক প্রভাব থাকলেও সেটা এখানে মূল কারণ নয়।

    দুই। রূপান্তরকামীদের আচরণ মূলত: বাইরের পৃথিবী দ্বারা নির্মিত। "স্বাধীন', বা "স্বতস্ফূর্ত' কিছু নয়। (এ কথার এই মানে নয়, যে, রূপান্তরকামীদের গায়ের জোরে কেউ কিছু করতে বাধ্য করছে। বরং তাদের যা সিদ্ধান্ত নেবার সেটা তারা নিজেরাই নিচ্ছে। কিন্তু এই "স্বাধীন' প্রক্রিয়াটি আসলে বাইরের দ্বারা নির্মিত। মানে ধরুন, আপনি লোকের হাতে ঠ্যাঙানি খেয়ে বাড়িতে এসে কাঁদলেন। এবার এই কান্না-র সিদ্ধান্ত আসলে আপনার স্বাধীন, কিন্তু স্বাধীন নয়)।

    সামাজিক স্তরে রূপান্তরকামীদের আচরণ যদি খুঁটিয়ে দেখেন, দেখবেন, তা আসলে বাইরের পৃথিবীর নির্মান। বাইরের "স্বাভাবিক' লোকেরা তাদের এতদিন "অ্যাই গরু যা:' বলে ঠাট্টা করে এসেছে। তার জবাবে দুটো জিনিস হয়েছে। ক। তারা গুটিয়ে গেছে। নিজেদের রূপান্তরকামী পরিচয়টি সযত্নে গোপন করেছে। খ। সময়-সুযোগ পারমিট করলে ঠাট্টার বিরুদ্ধে একটা বিস্ফোরণ ঘটেছে। আর, বিস্ফোরণ মাত্রেই, কে না জানে, তাতে "বাড়াবাড়ি' থাকবে।

    যদি লক্ষ্য করে দেখেন, তাহলে দেখবেন, আমাদের আগের পোস্টের যে প্র্যাগম্যাটিক অ্যাপ্রোচ, সেটার পিছনের স্বত:সিদ্ধান্ত হল ঐ এক নম্বর কারণটিই "আসল' কারণ। অ্যাজ ইফ, রূপান্তরকামীরা একদিন নিজে-নিজেই ঠিক করেছে, যে, তারা "লাউড' হবে। এবং তাই তাদের বলা হচ্ছে এই "লাউডনেস' পরিত্যাগ করতে। আইডেন্টিটির নানা ডাইমেনশনগুলিকে খুঁটিয়ে দেখতে। যেন এর আগেও কিছু নেই, পরেও কিছু নেই। এটা নানা টোনে বলা যেতে পারে। ঐ ব্যাটা একটু স্বাভাবিক হ -- বলা যেতে পারে। বা, আমরা বস তোমাদের সমস্যাটা বুঝি, কিন্তু কি করা যাবে, এবার তো একটু "স্বাভাবিক' হও -- বলা যেতে পারে। কিন্তু এসেন্সটা একই। যে, দ্বিতীয় পয়েন্টটা এখানে কনসিডার করাই হলনা।

    অন্যদিকে, দ্বিতীয় পয়েন্টটাই হল "আসল' পয়েন্ট, যেটা রূপান্তরকামীদের "লাউড' করে তুলেছে। তারা যে হয় নীরব, নয় লাউড, তার কারণ একটাই। চিহ্নিতকরণ। এই কারণটা কনসিডার না করলে প্র্যাগম্যাটিজমের বাইরে এক পাও এগোনো সম্ভব নয়। একজন মানুষ যখন "বাড়াবাড়ি' করে তখন শর্ট টার্মে তাকে র‌্যাশানাল হতে বলা যায়। কিন্তু লং টার্মে চিহ্নিতকরণ প্রক্রিয়াটিকেই উপড়ে না ফেললে, এই "ইরর‌্যাশনালিটি' বারবার সিমটমের মতো ফুটে উঠে আমাদের ব্যাকফুটে ঠেলে দেবে।

    যতদিন "রুপান্তরকামী'দের "অ্যাই গরু যা:' বা "ছক্কা' বলে চিহ্নিতকরণ চলবে, ততদিন এই লাউডনেস থাকবেই, যার উল্টো পিঠে থাকবে নীরবতা। সেটা স্রেফ প্র্যাগম্যাটিজম দিয়ে ঢেকে দেওয়া যাবেনা। একই ভাবে দাঙ্গার মুহূর্তে লোককে র‌্যাশানাল হতে বলা ঠিকই আছে, কিন্তু তার আড়ালের চিহ্নিতকরণ প্রক্রিয়াটিকে যদি চিহ্নিত না করি, তা হলে সমাধানের দিকে এগোনো দূর অস্ত। গুজরাতের একজন মুসলিমকে আমি বলতে পারি র‌্যাশানাল হও, কিন্তু সে কখনই র‌্যাশনাল হবে, যতদিন নরেন মোদি ক্ষমতায়? একজন কাশ্মীরিকে আমরা র‌্যাশনাল হতে বলতেই পারি, আমাদের যাবতীয় মমত্ব নিয়েই বলতে পারি, যেমন অমর্ত্য বলেছেন, কিন্তু যতদিন ভারত রাষ্ট্র একই চেহারায় দাঁত নখ উঁচিয়ে দাঁড়িয়ে আছে, ততদিন কি সত্যি কাশ্মীরের পক্ষে র‌্যাশনাল হওয়া সম্ভব?

    স্‌সমস্ত মমতা সত্বেও অমর্ত্য কেবলই প্র্যাগম্যাটিক। ইতিহাসে প্রক্রিয়াতিতে তিনি ঢোকেননি। যেটা ছাড়া কাশ্মীর নিয়ে সমাধানের পথে এক পাও এগোনো যাবেনা।
  • aka | ০১ অক্টোবর ২০১০ ০৬:২২459756
  • আরে বাবা, এই কথাই তো এই টইয়ের ছোটবেলা থেকে বলে আসছি।

    জাতিসঙ্কÄ¡র আত্মনিয়ন্ত্রনে (এখানে কাশ্মীরি/নাগা/মণিপুরী ইত্যাদি) যদি ইতিহাস ও কন্টেম্পোরারি ইতিহাস (ভারত-পাক/প:ব:-পূ:ব: ভাগ) এসব কনসিডার না করেন তাহলে কাশ্মীরি, মিজোরামি, নাগাদের প্রতি যাবতীয় মমত্ববোধ এবং 'লিবারাল' থিংকিং সঙ্কেÄও তা 'প্র্যাগম্যাটিক' এবং 'র‌্যাশনাল' যাকিনা ইতিহাসের 'মেসিয়ার' (দীপেশ বাবু থেকে কোট করা) রিয়ালিটিকে গুরুত্ব দেয় না।

    না, এত টার্মিনোলজি দিয়ে কখনোই বলি নি, এবারে সেটা বলার জন্য আমি বড় হয়ে দীপেশ চক্রবর্তী হব না ঈশান বড় হয়ে অমর্ত্য সেন হবে সেটা পরে ঠিক করে নেব। ;)
  • bastu | ০১ অক্টোবর ২০১০ ০৯:৫১459757
  • চিহ্নিতকরণের কথাই যদি বলতে হয় তো যে সব কাশ্মীরিরা ভারতে থাকতে চাইবেন তাদের কথাও তো বলতে হবে। নাকি সিসেশনিস্টদের ন্যুইসেন্স ভ্যালু বেশী বলে শুধু তাদের কথাই গুরুত্ব পাবে! নাকি হাঙ্গামা মাচাতে না পারায় তাঁরা একটু কম কাশ্মীরি?
  • lcm | ০১ অক্টোবর ২০১০ ১৪:৪৫459758
  • দেখো বাপু, ইতিহাস-টাস এখন রাখো।
    জম্মু/কাশ্মীর-এ আধ কোটি মুসলিম পপুলেশন, আর সারা ভারতে ১৬ কোটি।
    এই আধ কোটি মানুষ সারা দেশের বাকী সাড়ে পোনেরো কোটি মুসলিম, তথা ১০০ কোটি মানুষের স্রোতে মিশে যেতে পারে নি, এর অনেকটাই সরকারের ব্যর্থতা। ঠিক। কিন্তু, অন্য ফ্যাক্টর-ও আছে। পাকিস্তান ফ্যাক্টর না থাকলে, কাশ্মীর ও হায়দ্রাবাদের মতন দেশের অঙ্গ হয়েই থাকতে পারত।
  • Ishan | ০১ অক্টোবর ২০১০ ১৬:১০459760
  • না। আমি এই কথা বলি নাই। পয়েন্টটা হল, ভারত রাষ্ট্র কাশ্মীরিদের "চিহ্নিত' করেছে। সেটাই অনেক নষ্টের গোড়া। ভারত রাষ্ট্রের যে মতাদর্শগত আকার এবং প্রকার, তাকে অক্ষুণ্ন রেখে, এই চিহ্নিতকরণকে বদলানো/ওল্টানো অসম্ভব।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। খেলতে খেলতে মতামত দিন