এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • Multibrand FDI 2

    h
    অন্যান্য | ০৩ ডিসেম্বর ২০১১ | ১২৯২৫ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • pi | 72.*.*.* | ০৬ ডিসেম্বর ২০১১ ১১:৪৫512405
  • এগুলো কি অর্গানাইজড রিটেইলে থাকে না !

    এই জালিগুলো লোক্যাল ব্র্যাণ্ড লেভেলে হয়ে থাকে, তো, যেকোন রিটেইলার রাখুক না কেন, থাকবে।
    লোকে রংচংএ সবজি দেখলে তাজা সব্জি ভাবে,ঝাঁঝ না হলে মনে করে তেল ভাল না, সেজন্যই এগুলো হয়ে থাকে। নইলে এসব করে তো আলাদা কোন লাভ নেই।

    আর দরকার হল, ক্ষতিকারক রঙগুলোকেই ব্যান করা। নইলে যেই আসবে, এগুলোই চলবে। আর নইলে বাইরের ম্যানিফ্যাকচারর। শুনলেই আকাদা খচে যাবে :)

    তবে আমাদের দেশে এখনো বাইরে ব্যান হওয়া অনেক ওষুধও চলে কিন্তু।

    আর হ্যাঁ, সবচে যেটা ক্ষতিকারক। পেস্টিসাইড। এক্ষেত্রেও বিদেশে ব্যান হয়ে যাওয়া জিনিসপত্তর বিনা বাধায় এখানে চলে। আর সেগুলোর পিছনে সবচে বড় অবদান বিদেশি কোম্পানীগুলোরই। আম্রিগা, ইউরোপে হুড়কো খেলে সেই ওষুধ, সেই কীটনাশক চালানির জায়গা হল থার্ড ওয়ার্ল্ড কাϾট্রগুলো।
  • dd | 124.*.*.* | ০৬ ডিসেম্বর ২০১১ ১১:৪৬512406
  • এবং ছোটো দোকানের কর্মচারীরা? তাদের ওয়ার্কিং কন্ডিশন? চাইল্ড লেবার বাদ দিয়েও। সেটা খ্যাল করেন নি?

    আমাদের দেশে খাবার দাবারে ভেজাল একেবারে অ্যালার্মিংলি বেশী। সেটার কনডুইট (স্বেচ্ছায় বা না জেনে) এই সব ছোটো দোকানেরা আর তাদের আন ব্র্যান্ডেড প্রোডাক্ট বা বড়ো ব্র্যান্ডের মোড়োকে চালান করা বেআইনী মাল।

    সেটার সোস্যাল কস্ট কেউ গুনেছেন ?
  • pi | 72.*.*.* | ০৬ ডিসেম্বর ২০১১ ১১:৫২512407
  • ওদিকে দিদি যে আজ স্লোগান তুল্লেন, সিণ্ডিকেট ভেঙে দাও, গুঁড়িয়ে দাও !

    সেদিন মামুর পোস্ট পড়ার পর একটা প্রশ্ন পেয়েছিল। করা হয়নি। যেসব পার্টিরা FDI এর বিরোধিতায় নেমেছে, তারা মূলত অসংগঠিত ক্ষেত্র থেকে তোলা ইত্যাদির ভাগ টাগ পায়, তাই তাদেরও এই ইস্যুতে নাড়াবাঁধা আছে। এরকম কিছু বলেছিলে কি ? তালে কংগ্রেসের ও তো থাকার কথা। সেটাকে অগ্রাহ্য করছে ? কংগ্রেসের অবশ্য মারি তো গণ্ডার, লুঠি তো... পলিসি আছেই।
  • pi | 72.*.*.* | ০৬ ডিসেম্বর ২০১১ ১১:৫৭512409
  • কিন্তু মামু যে তেলের ঝাঁঝের কথা বলেছে, সেটা তো ব্র্যাণ্ডের ই ইউএসপি।

    ছোট দোকানের কর্মচারীদের অবস্থা অনেকেরই খুব খারাপ। কিন্তু এগুলো উঠলে, বা এই ব্যবসা মার খেলে এঁরা কোথায় অ্যাবসর্বড হবেন ? সুপারমার্কেটে ? একেবারেই না। তার জবের ক্রাইটেরিয়াই এঁরা ফুলফিল করতে পারবেন না। আর তাছাড়া, সেই জবের সংখ্যা অনেক কম। বারেবারে যেজন্য জব ডিসপ্লেসমেন্টের প্রসঙ্গ আসছে।
  • dd | 124.*.*.* | ০৬ ডিসেম্বর ২০১১ ১১:৫৭512408
  • আর এইমাত্র NDTV'র সাইটে পড়লাম যে ওআলমার্ট নাকি ভারতীর হাত ধরে অলরেডী ভারতে এসেই গেছে - যদিও রেটেইলে এখনো স্বনামে আসে নি।

    ৪০০০ কর্মচারী আছে ওয়ালমার্ট ইন্ডিয়ার। ক্ষি ক্ষান্ডো !
  • pi | 72.*.*.* | ০৬ ডিসেম্বর ২০১১ ১২:০৭512410
  • যাই হোক, এই একটা সাইট। বাড়ির বাচ্চারাই এক্ষপেরিমেন্ট করে দেখতে পারে।
    মজারও, কাজেরও।

    http://www.cleanindia.org/resoucewatch/foodaduteration.htm
  • Ishan | 117.*.*.* | ০৬ ডিসেম্বর ২০১১ ১২:১৫512411
  • ছোটো করে লিখি। সিচুয়েশন যা তাতে কিস্যু ব্যান করে কোনো লাভ নেই। যে আইনগুলো আছে সেগুলোই কেউ মেনে চলেনা। সরকারি কোয়ালিটি ক®¾ট্রালের যে আপিস আছে, তারা জানেইনা কি করতে হয়। অবশ্য জানলেও যে করবেনা সে নিয়েও কোনো সন্দেহ নাই। :)

    লোকেও যে অগা তা নয়। লোকেও সবই জানে। নইলে আর আমি জানলাম কোত্থেকে? আমার হল পাবলিকের উইসডম। কিন্তু জেনেও কেনে। আম্মো কিনি। না কিনে যাব কোথায়?

    আনন্দের কথা হল এই, যে, শুধু আমি নই, পুলিশ, প্রশাসন, আমলা, ব্যবসায়ী, রাজনীতিক, সোসাল সায়েন্টিস্ট, পলিটিকাল অ্যাকটিভিস্ট, ইকনমিস্ট, পাতি পাবলিক -- সব্বাই জানেন। জেনে কেউ চোখ বুজে থাকেন। আর বাকিরা এমন একটা ভাব দেখান, যেন বাকি সব ঠিকই আছে। খালি কিচু দুষ্টু লোক এসে খাবার-দাবারে ভেজাল মিশিয়ে দিয়ে যাচ্ছে। আসলে তা তো নয়। এটা একটা আস্ত ইকনমি। তাতে স্বেচ্ছায় অংশগ্রহণ আছে। তার ডায়নামিক্সটা বোঝার দরকার আছে। স্রেফ ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও বললেই ওসব হয় নাকি?

    তো সে মরুগ্গে। কোচ্চেনটা হল, বিগ রিটেল এলেই এসব উঠে যাবে? আমি মোটেও অমৃতলাল নই, যে, বলে দেব উঠে যাবে কি যাবেনা। তবে আমার আন্দাজ টা শেয়ার করতে পারি। সেটা এট্টু বাদে করছি। সঙ্গে থাকুন। :)
  • h | 203.*.*.* | ০৬ ডিসেম্বর ২০১১ ১২:১৮512412
  • Iacceptproductqualitycontrolisaseriousissue.wehaveheardthoseDaldaandbabyfoodstories.andtheyhavenotgoneaway.afewthingstorememberare:

    1.ifyouhaveseenthebigmacdocumentary, youwillagree, terriblequalityconsciousnessisamythinorganisedretailaswell.
    2.qualitycontrolisessentiallyarightofrejectionforthebuyer.curiouslyenough, apartof 'buyers' exploitation' story/mythinthecurrentunorganisedsupplychainisthatitwillbecontrolledbybigretailerscominginwiththeirwelldocumentedqualitycontrolpolicies.documentationisanissue, butatleastletcongressadmit, rightofrejectionisstaying.thisactuallyimplieslossoffreedominselectionofseedwhichiswhatisimpliedinthetelegraphstoryaswell, itactuallydoessay, seedchoiceisinhandofbuyer.weknowitisaminefieldecologically, controlledentryisnotwhatwearediscussinginthatarea.andwhataboutourownseedtechnologies, whichhasn'tfaredbadlythoughfeedingabillion.

    lcm, forthesakeofliberalarguement, Iaccepttheblindnessblame.justletmeknowwhenarewegoingtoseethecongressconfessional.willyou.
  • pi | 72.*.*.* | ০৬ ডিসেম্বর ২০১১ ১২:২০512413
  • আর হ্যাঁ,হাইজিনের কথাই যখন উঠলো, রেস্তোরা গুলোর রান্নাঘর প্রসঙ্গের উল্লেখ না করে পারলুম না :)

    রাস্তার খাবার নিয়েও বলা যায়।
    তবে,এই সব দেখা ও এনফোর্স করা কিন্তু সরকারি দায়িত্বে পড়ে। ফুড ইনে্‌স্‌পক্টরদের কাজ ই তো নজর রাখা,সারপ্রাইজ ভিজিট দিয়ে এগুলো ধরা, শাস্তি দেওয়া ইত্যাদি।
    জনগণকে সচেতন করা।
    এগুলো পাবলিক হেলে্‌থর অঙ্গ। যা আমাদের দেশে ভীষণ ই নেগলেক্টেড। সেটা ঠিক না হলে যে যেখানে পারবে জ্ঞানত ভেজাল মেশাবে বা অজ্ঞানত: অস্বাস্থ্যকর ব্যাপার এন্ডোর্স করবে।

    ওয়ালমার্টের EDLP র তাড়নায় ম্যানুফ্যাকচারদের কম দামে জিনিস দেবার যা চাপ, তাতে তো ভারতের মত দেশে ম্যানুফ্যাকচররা আরো বেশি করে ভেজাল মেশাবে, দামে পোষানোর জন্য।
  • pi | 72.*.*.* | ০৬ ডিসেম্বর ২০১১ ১২:২২512415
  • না মামু, বল্লাম তো। পলিসি লেভেলেও গড়বড় আছে।
  • pi | 72.*.*.* | ০৬ ডিসেম্বর ২০১১ ১২:২৮512416
  • ডিডিদা, NDTV তে বলেছে রিটেইলে এসে গেছে ?
    ক্যাশ অন্ড ক্যারি তে তো অনেকদিন হল চলে এসেছে। best priceনামে মনে হয়। ওটার কথাই আগের পোস্টে লিখেছিলাম। ইন ফ্যাক্ট ওয়ালমার্ট ওটাতে এত ইনভেস্ট করেছে, রিটেইলে ঢোকার জন্যই। আর তাই ঢুকতে মরিয়াও।

    “Not having access to our own retail stores through our own investments is a serious impediment,” said Raj Jain, who heads Wal-Mart’s Indian operation. “How do you pay for that big back end if you are not going to have access to the front end?”

    Right now Wal-Mart operates in India through a 50-50 joint venture with Bharti Enterprises, an Indian conglomerate that also owns the country’s largest cellphone company. Their partnership, known as Bharti Wal-Mart, supplies retail stores that are fully owned by Bharti and runs a wholesale store that sells to shopkeepers, hotels and other businesses.

    Wal-Mart executives would not say how much money the company has invested in India, but its operation is at the forefront of a second big push into emerging markets. In the 1990s, Wal-Mart set up shop in China, Mexico and Brazil and now has hundreds of stores there. By comparison, Bharti Wal-Mart has just one wholesale store and will soon open two more. It employs 800 people in India, and hopes to have 5,000 in three year
  • Ishan | 117.*.*.* | ০৬ ডিসেম্বর ২০১১ ১২:৩০512417
  • বিগ ব্র্যান্ডের দুটো মজা আছে। প্রথমটা হল, ব্র্যান্ড তাদের জন্য অনেককিছু করে দেয়। মার্কেটিং করে দেয়। ক্রেতা তৈরি করে দেয়। ওয়ালমার্ট দোকান খোলার আগেই এই যে আমরা ফাটিয়ে আলোচনা করছি, তাতে ব্যাটাদের মার্কেতিং এর কাজ হচ্ছে। যেটা করার আমার কোনো ইচ্ছা নেই। কিন্তু তাও করছি। কি করব, ঠেলার নাম ওয়ালমার্ট। :)

    এইটা হল প্রথম মজা। আর দ্বিতীয়টা হল, বিগ ব্র্যান্ডের সুনামে একবার হাত লাগলে গোটা চেন জুড়েই ভূমিকম্প হয়। যেমন ব্যাঙ্কের একটা ব্রাঞ্চ ফেল করেছে বলে কিছু হয়না, ফেল করলে গোটাটাই করে -- সেরকম (এটা কিন্তু পাতি উদাহরণ, অর্থনৈতিক বিচারে দুটো এক জিনিস নয়, কেউ ধরার আগেই বলে রাখলাম :) )।

    এর ফল কোয়ালিটির ক্ষেত্রেও পড়ে। পড়তে বাধ্য। আজকের রিটেলে যদি টিভিতে দেখি, যে, "কিছু কিছু অসাধু ব্যবসায়ী খাবারে রঙ দিচ্ছেন', তাহলে মার্কেটে তার কোনো ইমপ্যাক্ট হয়না। কে কোথাকার অসাধু ব্যবসায়ী কোথায় রঙ দিচ্ছে, তার কারেক্টিভ মেজারই বা আর কি আমার তাতে করারই বা কি আছে? ফলে জিনিসটা একটু হইচই হয়েই থেমে যায়।

    কিন্তু এই একই অভিযোগ যদি বড়ো চেনের বিরুদ্ধে আসে, আমরা জানি কি স্টেপ নেওয়া যেতে পারে। আমরা মানে নিষ্ক্রিয় ভোক্তারা। এমনিতেই আমাদের বহিজাতিক বিরোধী সেন্টিমেন্ট একটু প্রবল। "অমুক কোম্পানি কিন্তু খাবারে ভেজাল দিচ্ছে' শুনলে হইচই হবেই। এবং হইচই হবার অবশ্যম্ভাবি ফল হল সেই চেন থেকে খদ্দের কমে যাওয়া। সেটা একদম চুপচাপ হয়। এবং চেনটি ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হয়। কারণ খদ্দেরের নাম ভগবান। :)

    তা, এতদ্বারা সব ঠিক হয়ে যাবে তা নয়। ওয়ালমার্টের কোয়ালিটি বিষয়ে সুনাম আছে তাও নয়। কিন্তু অন্তত: ওয়ালমার্ট নিজের ব্র্যান্ডে বিষ মেশায় বলে কখনও শুনিনি। শুনলে হট্টগোল হবে। ওয়ালমার্টে যাবনা। কিছু বছর আগে কোক নিয়ে এইরকম বিস্তর ঝামেলা হয়েছিল। কোককে কারেক্টিভ মেজার নিতে হয়েছে। তার পর থেকেই নাকি কোকের টেস্ট খারাপ হয়ে গেছে। :)

    এই আর কি।
  • pi | 72.*.*.* | ০৬ ডিসেম্বর ২০১১ ১২:৩২512418
  • ওয়ালমার্টের ব্র্যাণ্ডে বিস্তর পেস্টিসাইড পাওয়া গেছে।
  • bb | 122.*.*.* | ০৬ ডিসেম্বর ২০১১ ১২:৩৩512419
  • EDLP তো সঠিক নয়। এর ফলে হয় Qualityতে কম্প্রোমাইস করবে নয় চিটিং করবে বা unfair practice হবে।
    কিন্ত মার্জিন এর ডেটা সম্বন্ধে কোন মন্তব্য পেলাম না।
  • pi | 72.*.*.* | ০৬ ডিসেম্বর ২০১১ ১২:৪০512420
  • কিন্তু মামু যে উদা: গুলো দিয়ে শুরু করেছিল, যথা সবজিতে রং চং, বাঙালীর চোখে জল আনা সর্ষের তেল ইত্যাদি .. এগুলো নিয়ে কী হবে সেটাই বল্লে না তো ? পাব্লিক তো এগুলোই খেতে চায়।

    আর এগুলো থাকে, থাকবে .. আনর্গানাইজড হোক কি অরগানাইজড রিটেইলে।

    বল্লাম তো, এগুলো সমস্যা। কিন্তু তার সমাধানের জন্য কর্পোরেট রিটেইল চেন আনতে হবে, সরকারকে এগুলো এনফোর্স করার ব্যাপরে জোর না দিয়ে ... এটা মেনে নেওয়া একটু চাপ।
    ভেজাল বের হলে অসাধু ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে তো কোন আসল সুরাহা হবে না। লোকজন দাবীদাওয়া কিছু কম জানায় এমন ও না। সরাকারি দপ্তর গুলোর সামনে গিয়ে রেগুলার ইন্সপেকশনের দাবী কিন্তু কখনো জানাতে দেখিনি। আমাদের সব ই সিম্পটোম্যাটিক ট্রিটমেন্ট চাই, রোগের উপসর্গের চিকিৎসা চলছে সবসময়।

    শিশুমৃত্যু হল তো হাসপাতাল ভেঙ্গে দাও, ডাক্তারদের পিটাও। কারণগুলো দেখার দরকার নেই। সেই নিয়ে ঠিকঠাক দাবী তোলার দরকার নেই।
  • Ishan | 117.*.*.* | ০৬ ডিসেম্বর ২০১১ ১২:৪৫512421
  • ওয়ালমার্টের কোয়ালিটি ক®¾ট্রাল নিয়ে আমার কোনো উচ্চ ধারণা নেই। কিন্তু "ওয়ালমার্টের খাবারে পেস্টিসাইড থাকে' -- এটা ক্রেতা হিসেবে আমার কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ ইনফরমেশন। সেটা অ্যালার্মিং মনে করলে আমি আর ওয়ালমার্টে যাবনা। সিধে কথা।

    কিন্তু "একটি অসাধু চক্র খাবারে রঙ মেশাচ্ছে' -- এটা ক্রেতা হিসেবে আমার কাছে কোনো মিনিংফুল ইনফরমেশনই নয়। কারণ এতে আমার কোনো অ্যাকশন পয়েন্ট নেই (রাস্তায় নেমে মিছিল করার কথা ধরছিনা :) )।

    এখানে পয়েন্ট দুটো:

    ১। আমার রাইট টু চয়েস চাই। প্রত্যাখ্যানের অধিকার চাই। সেটা আমি প্রথম কেসে পাচ্ছি।
    ২। ওয়ালমার্টের EDLP র বিরুদ্ধে অর্গানাইজড স্ট্রিট ভেন্ডাররা এফেক্টিভলি every day farm fresh স্লোগান চালান না। সেটা পছন্দ হলে দু-পয়সা বেশি দিয়েও আমি ভালো মাল কিনব। অনেকেই কিনবে। অসুবিধে কোথায়?
  • pi | 72.*.*.* | ০৬ ডিসেম্বর ২০১১ ১২:৪৬512422
  • EDLP থেকেই আনফেয়ার প্র্যাকটিস হয় তো।
    সবচে ঝাড়টা যায় সাপ্লায়ারদের উপর।
    এই যারা বারবার বলছেন, ফড়ে গিয়ে ওয়ালমার্ট চলে আসবে প্রাইমারি প্রডিউসারদের ত্রাতার ভূমিকায়, তাঁদের আরেকটু ভাবতে বলবো। কারণ ম্যানুফ্যাকচরদের থেকে ফড়েরা যে দামে কিনতো, ওয়ালমার্ট তার থেকে কত বেশি দামে কিনবে সন্দেহ আছে ( এই নিয়ে আগেও লিখেছি, এখনো কেনে ৫-৭% বেশি দিয়ে)।ফড়েদের ইনকামের অনেকটাই হবে ওয়ালমার্টের লাভ। কম দামে জিনিস দিচ্ছে জিনিস প্রতি লাভের মার্জিন তো কিছু কম থাকে না। কারণ কেনে, বা বলা ভাল, ম্যানুফ্যাকচরদের দিতে বাধ্য করে, লিটারেলি বাধ্য করে, কম দামে দিতে।
  • pi | 72.*.*.* | ০৬ ডিসেম্বর ২০১১ ১২:৫৭512424
  • আর আরেকটা কূট প্রশ্ন করব। বারে বারে শুনছি, আমরা তো সুপারমার্কেটে প্রায় যাই ই না, যাবো ও না। আমরা পাড়ার দোকান থেকেই কিনি, কিনবো। ওখানে যাবে, অতি ক্ষুদ্র এক অংশ। তো, জিনিসপত্র ঠিকঠাক চলা দরকার কেবল ঐ ক্ষুদ্র অংশের জন্যই ? :)
  • pi | 72.*.*.* | ০৬ ডিসেম্বর ২০১১ ১২:৫৭512423
  • ওয়ালমার্টের অর্গানাইজেশন, তার টাকা, তার ক্ষমতার সাথে রাস্তার ভেন্ডরদের তুলনা চলে ? তা, বেশ।

    আর মামু তোমার উদা: টাই দ্যাখো। দেশে ওয়ালমার্টের খাবারে পেস্টিসাইড কি অন্য ভেজাল আছে কিনা সেটা জানার জন্য তো চেক করতে হবে, অর্থাৎ চেক করার সিস্টেম ও সঠিক ইলি্‌প্‌লমেন্টেশনের ব্যবস্থা থাকতে হবে,আর সেটাই যদি থাকে তাহলে সেটা আনারগানাইজড রিটেইলের জন্যও ইমপ্লিমেন্টেড হবে তো। বা, ভাইস ভার্সা। :)
    সেটাই তো মিসিং বলছি। আনা দরকার, সেইটা।
    সেটা নেই বলে ওয়ালমার্টকে আনতে হবে, এটা কোন সমাধান ই না।
    কদিন বাদে এখানেও যা ভেজাল, ওখানেও তাই।

    আর অভিযোগ তো সরকারি দপ্তরে করাই যায়। আবার বলছি, এগুলো দেখা সরকারের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে।

    অসাধু ব্যবসায়ী যখন ধরা পড়ে, তখন কোথাও একটা অভিযোগ হয় বলেই তো ধরা পড়ে :)

    কর্পো রিটেইলে grievance redressal সিস্টেম আছে, আনারগানাইজডে নেই। তাহলে দ্বিতীয়টা তে সেটা আনার দবী করতে হয়।
  • pi | 72.*.*.* | ০৬ ডিসেম্বর ২০১১ ১৩:০০512426
  • কোককে নিয়ে ঝামেলা হবার কারণ প্রচুর এনভারনমেন্টাল গ্রুপ ঝামেলা করেছিল। আর হ্যাঁ, কোক তা সহজে মানে নি। প্রায় ৫-৬ বছর মামলা হয়েছে ( একটু বেশি কম হতে পারে)। তা এই গ্রুপগুলি তো এমনি দোকানের খাবার পত্তর ও চেক করলে পারেন ! কে বারণ করেছে ? করা দরকার তো।
  • pi | 72.*.*.* | ০৬ ডিসেম্বর ২০১১ ১৩:০২512427
  • যাইহোক, মামু মেইল দেখো একটু।
  • Ishan | 117.*.*.* | ০৬ ডিসেম্বর ২০১১ ১৩:০৬512428
  • পাইকে: আমি কোনো সমাধান দেবার চেষ্টাই করছিনা। শুধু পরিস্থিতিটা বাতলাচ্ছি।

    ১। সরকার এফেক্টিভ কোয়ালিটি ক®¾ট্রাল করবে -- তার কোনো লক্ষণ কোথাও নেই। করবে ভাবাটা এই মুহূর্তে আকাশ কুসুম।

    ২। মিষ্টিতে/খাবারে বদ রং না দেওয়া -- এটা কিছু বিগ চেনের কিছু ব্র্যান্ড লাইনে ইতিমধ্যেই ঘোষিত। ফলে আমি কিছু গেস করে বলছি না। ফলে "এগুলো থাকে এবং থাকবেই' এটা জোর দিয়ে বলা যায়না। জিনিসটা ইতিমধ্যেই বদলেছে।
    অবশ্যই পাশাপাশি ওই ঝাঁঝালো তেলও পাওয়া যায়। সে যাক না। যার যা খুশি সে নেবে।

    ৩। সব লোকে রং করা মাল মোটেও খেতে চায়না। অন্য অপশন নেই তাই খায়। আমার অপশন চাই ব্যস। তারপরে যে যা খুশি খাক, সজ্ঞানে বিষপান করুক। করুক না।

    বিবিকে: লাভের মার্জিন নিয়ে পাই যা বলেছে মোটামুটি ক। শুধু একটাই কথা। ওয়ালমার্ট এলেই ফড়েরা সব উঠে যাবে তা নও হতে পারে। চাষীদের থেকে মাল কিনতে গেলে একটা বড়ো সিস্টেম দরকার। অনেক লোক দরকার। ওসব অনলাইন হয়না। সেক্ষেত্রে এক্সিস্টিং সিস্টেমটাকে রিইউজ না করার কোনো কারণ নেই। সেটা না করলেও ওয়ালমার্টের নিজস্ব "ফড়ে' লাগবে।
  • pi | 72.*.*.* | ০৬ ডিসেম্বর ২০১১ ১৩:০৯512431
  • অ্যাকচুয়ালি সারাতেও না। কমাতে।
  • pi | 72.*.*.* | ০৬ ডিসেম্বর ২০১১ ১৩:০৯512430
  • সমস্যাগুলো জেনুইন।

    কৃষক দাম পায়না।
    খাদ্যে ভেজাল আছে।

    কিন্তু তার সমাধান হিসেবে কৃষক সমবায় সমিতি করা হবেনা, সরকার তাদের থেকে সরাসরি কিনবে না, কোল্ড স্টোরেজ মালোকদের চাপ দেওয়া হবেনা, ফুড ইন্সপেকশন জোরদার, নিয়মিত, ঠিকঠাক করা হবেনা, সেগুলো করার জন্য চাপ দেওয়া হবেনা।
    ওয়ালমার্ট এসে গেলেই কিছু জনের জন্য তো সেগুলো ঠিক হয়ে যাবে ! অতএব এগুলো ঠিক করতে ওয়ালমার্টকে আনো !
    তাতে আরো অনেক কিছু বেঠিক হতে পারে। অনেক জব ডিসপ্লেইসমেন্ট থেকে ম্যানুফ্যাকচরদের সমস্যা এবং আরো অনেক কিছু, তাতে কি। আগে তো আসুক। সমস্যা হোক, তারপর দেখা যাবে।

    একটা রোগের উপসর্গ সারাতে আরেকটা রোগের জীবাণু ঢোকানো :)
  • Ishan | 117.*.*.* | ০৬ ডিসেম্বর ২০১১ ১৩:০৯512429
  • পাই। তোমার বক্তব্যগুলো ছড়িয়ে ছিটিয়ে যাচ্ছে। আমার গোটা বক্তব্যটার কাউন্টার করলে উত্তর দিতে পারি। কিন্তু এরকম খুচরো খুচরো পয়েন্টকে একসঙ্গে গেঁথে তোলা বেশ চাপ।
  • pi | 72.*.*.* | ০৬ ডিসেম্বর ২০১১ ১৩:১৪512432
  • আমার অপশন চাই। ব্যস।
    এটাই শেষ কথা হলে আর তর্ক কীসের ?
    অনেক কিছুর জন্যই অপশন চাই।
    শুধু রঙহীন খাদ্য কেন। আরো অনেক কিছু অপশনই বিদেশি সুপারমার্কেটই একমাত্র দিতে পারে। অবশ্যই। সেনিয়ে তর্কের কোন অবকাশই নেই :)
  • pi | 72.*.*.* | ০৬ ডিসেম্বর ২০১১ ১৩:৩৩512433
  • মিষ্টিতে রঙটা অতি অবশ্যই ক্রেতার জন্য। নইলে ওটা দিলে দুধে জল মেশানোর মত লাভ হবে এমন তো কিছু না। যে ক্রেতাদের আপত্তি আঅছে তাঁরা মিষ্টির দোকানে গিয়ে নিয়মিত সেটা বলতে শুরু করে দেখলেই পারেন।

    একটা প্রশ্ন। এটা জাস্ট কৌতূহল। জানা নেই বলে। পাড়ার দোকানের মত সন্দেশ রাজভোগ এইসবও রিলায়েন্স ইত্যাদিরা রাখে আজকাল ? রং ছাড়া মিষ্টি মানে কোনগুলো ? ওদের নিজেদের ব্র্যাণ্ডের মিষ্টি ?
  • pi | 72.*.*.* | ০৬ ডিসেম্বর ২০১১ ১৩:৫০512434
  • একটা উদা: হঠাৎ মনে পড়ে গেলো। আমাদের ছোটোবেলায়, কলেজবেলার গোড়ার দিন অব্দি দোলের রং নিয়ে একটা আতংক অনেকেরই ছিল। রং মাখা নিয়ে বলহি্‌চ না। তার থেকে রিঅ্যাকশন হওয়া, আবীরে কাঁচের গুঁড়ো থাকা এইসব। এই সব ভয় নিয়েই দোল খেলা হত। ল্কে তাই নিয়ে বলাবলিও করতো। মনে আচে, প্রতিবার রং কেনার সময় দোকানদারকে জিগানো হত, রং ঠিকঠাক জায়গা থেকে আছে তো। ঐ রং মেখে কারুর কিছু হলে সেটাও দোকানে বলা হত। পাড়ার চেনা দোকান ই তো। অনেকে এই জন্য কিনতো না, তাও দোকানীরা জানতেন।
    তো, কলেজের শেষদিকেই বোধহয় দেখলাম, হার্বাল রং চলে এসেছে। বহু লোকে, আগে যারা কিনতো না, কিনছে। তো, এটা হবার জন্য কি কোন সুপারমার্কেটকে আসতে হয়েছে ? এটা প্রায় বছর দশেক আগেই দেখেহি্‌চ, যদ্দুর মনে পড়ে। তখন কি সুপারমার্কেট ছিলো ?
  • Ishan | 117.*.*.* | ০৬ ডিসেম্বর ২০১১ ১৪:৪০512435
  • হ্যাঁ। রিলায়েন্স স্পেন্সার্স দুটো জায়গাতেই মিষ্টি রাখে। রীতিমতো আলাদা কাউন্টার করে। দাম একটু বেশি। কিন্তু "উন্নততর' মিষ্টি। :) রিলায়েন্স করেছে গাঙ্গুরামের সঙ্গে কোলাবোরেশনে। সেখানে একটা ঝক্কাস অমৃতি করে। কি খেতে। আর স্পেন্সার্সে একটা রাবড়ি পাওয়া যায়, পুরো মাখন।

    ইন্টারেস্টিং জিনিস হল, এদের ঠিক মাঝখানে নিউ টাউন বাসস্ট্যান্ডে একটা মিষ্টির দোকান করেছে, যারা রেগুলার পচা মিষ্টি দেয়। দামেও কম না। কিন্তু সেই দোকানটা ওঠেনি। কেন ওঠেনি কে জানে। আমি নৈতিক, অর্থনৈতিক কোনো যুক্তিই খুঁজে পাইনি। :)
  • Ishan | 117.*.*.* | ০৬ ডিসেম্বর ২০১১ ১৫:১০512437
  • আর পাই যেহেতু গুছিয়ে লেখেনি, তাই গুছিয়ে আমিই উত্তরটা দিই।

    আমার অ্যাপ্রোচ বুঝতে পাই যেটা ভুল করছে, সেইটা হল, পাই ভাবছে, আমি কোনো সমস্যার সমাধান দেবার চেষ্টা করছি। আগেও বলেছি, আবারও জানাই, আমি কিচ্ছু সমাধান দেবার চেষ্টা করিনি। বিগ রিটেল এলে জিনিসের কোয়ালিটিতে কি তফাত হতে পারে, বা ক্রেতার কি ধরণের এমপাওয়ারমেন্ট আসতে পারে, সেটা বোঝার চেষ্টা করেছি।

    বিগ চেনের অসুবিধে হল, যে, তারা একটা চেন। একটা স্বেচ্ছসেবী সংস্থা, বা একজন ব্যক্তি একটা প্রোডাক্টের গুণাবলী টেস্ট করে ইনফর্মার চ্যানেলে (যেমন ইউটিউব বা খবরের কাগজে চিঠি) একবার ছড়িয়ে দিলেই খেল খতম। পাবলিকের মনে যদি একবার পারসেপশনটা ছড়িয়ে পড়ে, তাহলেই পাবলিক বদলা নেবে ওই চেনে না গিয়ে।

    এটা একরকম এমপাওয়ারমেন্ট। এবং এই ফেনোমেননটা অটোমেটিক। যার জন্য সরকারি-বেসরকারি কোনো সিস্টেমেই বিশেষ কিছু রদবদল প্রয়োজন নেই।

    এবার এটা পড়ে পাইয়ের ধারণা হয়েছে, যে, জিনিসের কোয়ালিটি সমস্যা সমাধানের একমাত্র উপায় হল বিগ চেনের অনুপ্রবেশ -- এরকম একটা দাবী আমার আছে। একেবারেই নেই। একমাত্র তো নয়ই এমনকি এটা যে কোনো উপায় সেটাও আমার বক্তব্য নয়। আমি শুধু একটা সম্ভাব্য ফেনোমেননকে বিবৃত করছি মাত্র।

    একই সঙ্গে অমি আরও একটা জিনিস বোঝার চেষ্টা করছি, আজকের ছোটো রিটেলের সমস্যাগুলো কি। যারা ছোটো রিটেলের পক্ষে সওয়াল করেন, তাদের এটা বুঝে নেওয়া দরকার, যে, চালু ব্যবস্থাটি একটি বিদঘুটে ব্যবস্থা এবং তা মোটেও কোনো "সুস্থ' ব্যবস্থা নয়। রাজনৈতিক কারণে আমরা (আমিও) বড়োর বিরুদ্ধে ছোটোর পক্ষে বলে, যেকোনো পরিস্থিতিতেই "আমার ছোটো ব্যবসায়ী ভাই' বলতে হবে, একেবারেই তা নয়।

    এই দুটো ছাড়া আমার আর বিশেষ কোনো বক্তব্য ছিলনা। এটার বিরুদ্ধে বক্তব্য এলে নিশ্চয়ই কাউন্টার করব। কিন্তু এছাড়া বাকি প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবনা। কারণ আমার জানা নেই। :)
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ঝপাঝপ মতামত দিন