এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • কমিউনিস্ট রাশিয়া তে একচুয়ালি কী হত ?

    একক
    অন্যান্য | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ | ৩৩৬৮২ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • রোবু | 213.*.*.* | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১৮:৪০627010
  • "প্রকান্ড ট্রাক চালাচ্ছে তাতে পাওয়ার স্টিয়ারিং নেই।" - এটা প্রশংসাসূচক লাইন ছিল। এইটা বোঝাতে, যে মেয়েরা সমানে সমানে কাজ করত।
  • ম্যামি | 69.*.*.* | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১৮:৪৯627011
  • আর অবাজারু প্রেশার কুকারের কী হাল?
  • সে | 203.*.*.* | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১৮:৫২627012
  • পূর্ব জার্মানিতে স্টাজি ছিলো এই বছর চব্বিশ আগেও। এদের অনেকেই এখন পশ্চিমে চলে গেছে। দুই জার্মানী এক হয়ে গেছে। এখন তো সিস্টেমই পাল্টে গেছে। ১৯৮৯ এর মাঝামাঝি দুই জার্মানী এক হয়ে যাওয়ায় স্টাজিদের প্রয়োজনীয়তা অপ্রাসঙ্গিক হয়ে গেছে।
    হ্যাঁ পূর্ব্ব জার্মানীকে দেখিয়ে সেই সোশ্যালিস্ট জমানায় (ইউ এস এস আর এ) বলা হত উন্নতির শ্রেষ্ট শিখরে।
    সেই স্টাজি আমলে আমি পূর্ব্ব জার্মানীতে কাটিয়েছি কিছু সময়। দুই জার্মানীতেই কাটিয়েছি। পার্থক্য তো আঁখো দেখি অভিজ্ঞতা।
    অনেক কিছু ভালো জিনিসও ছিলো কিন্তু একটা আতঙ্কও থাকত সঙ্গে।

    যাইহোক। যেকথা হচ্ছিলো। সোভিয়েত ইউনিয়ন।
    যতগুলো ডিভোর্স হওয়া দরকার তার চেয়ে অনেক কম ডিভোর্স হতো। কেন? না ডিভোর্স হয়ে গেলে পরিবার ভেঙ্গে দুটুকরো হয়ে যাবে। এরা যাবে কোথায়? তখন দুটো আলাদা অ্যাপার্টমেন্ট লাগবে। সরকারের চুনা লেগে যাবে। তাই ভাই তোমরা একটু মানিয়ে নিয়ে থাকো। ঐ একই অ্যাপার্টমেন্টে "সেপারেশন" অবস্থায় দশ মাস থেকে ফের আবার এসো, - এই রকম ডেট দেন প্রোকুকর (জজ)। দশমাস পরে তিতিবিরক্ত কাপল শুনানিতে এলো। জিজ্ঞাসা করা হয়- লাস্ট কবে সেক্স করেছো। ভুল করে হয়ত বলে ফ্যালে ঠিক ডেট, অর্থাৎ দশ মাসের ভেতরেই কোনো ডেট। ব্যাস, ডিভোর্স খারিজ হয়ে যায়। এইভাবে "ফামিলি" বাঁচানো হতো।
    অবশ্য দুজনের একজন যদি তাদের অন্য আত্মীয়ের বাড়ী গিয়ে থাকতে পারে, তবে সমস্যা কম।

    বিয়ে খুব অল্প বয়সেই হয়ে যেত। বিনোদনের উপায় খুব কম, সীমিত। তাই অল্প বয়সেই সংসার। সন্তান তারো আগে। ১৮ হলেই রেজিস্ট্রি। মুসলমান অধ্যুষিত রিপাবলিকগুলোতে ১৬-১৭। আইন শিথিল। কবছরের মধ্যেই একাধিক সন্তান।
    বিয়ের খরচ খুব কম। দুটো সোনার আংটি প্রায় নামমাত্র দামে রেশনিং সিস্টেমে কেনা। বিয়ের পোশাক কিনতেও হতো না। ভাড়া পাওয়া যেত ঐ রেশনিং সিস্টেমেই। প্রায় বিনামূল্যে। আরো কিছু টুকিটাকি রেশনের দোকান থেকে বিশেষ স্বল্পমূলে - কেবলমাত্র বিয়ের অনুমোদিত দরখাস্ত দেখালে তবেই। যে কেও গেলে দেবে না।
    হৈ হুল্লোড় তাও হতো। খানা এবং যথেচ্ছ পিনা। সংসার বসে গেল। সরকার থেকে দেবে একটা অ্যাপার্টমেন্ট। বিয়ের যৌতুক। দু তিনটে বাচ্চা হলে তবে আরেকটু বড়ো অ্যাপার্টমেন্টের দরখাস্ত করা যায়। সেখানে বিরাট লাইন। "চেনা" থাকলে সুবিধে।
    তবে ম্যাটারনিটি লীভ বি রা আ ট। কয়েক বছর অবধি টানা যেত। সঙ্গে নতুন শিশুর আগমনের কারণে মাস মাস ভাতা। কোনো হেল্থ্‌ ইন্‌শিওরেন্সের ফান্ডা ছিলো না।
    হেল্থ্‌ ইন্‌শিওরেন্সের ফান্ডা চালু হলো ১৯৯৩-৯৪ এর দিকে। কুপাৎ হোলিম নামক বিদেশি (ইজরায়েলি) হেল্থ্‌ ইন্‌শিওরেন্সের কোম্পানী খুব চেষ্টা করেছিলো মার্কেটে ঢোকার। তারপরে সিস্টেম পাল্টায়।
    ছিলো পেনশন। পেনশনে যাবার পরেও, পেনশন পেতে পেতেও চাকরি করা যেত। পুরো মাইনে এবং পেনশন। আমৃত্যু বা যতক্ষণ কর্মক্ষম আছে মানুষটা। স্বেচ্ছায়।
    আবার কিছু দিনমজুরও ছিলো। কম। কিন্তু ছিলো।
    তারা ভোরের দিকে নির্দিষ্ট জায়গায় জমায়েত হতো। কেউ কলের কাজ করে, কেউ রং করে, কেউ ছুতোর, এইরকম। যাদের দরকার তারা এসে এদের নিয়ে যাবে কাজ দেবে। সঙ্গে এক বেলার খাবার ও ১০০ গ্রাম অ্যাল্‌কোহল।
    কিন্তু সকলে কাজ পেত না। এরা ডেস্‌পারেট্‌ তবু কাজ পাচ্ছে না। কেন? এদের সকলেরই কি ক্রিমিনাল রেকর্ড আছে? জানি না।
    আর ছিলো মাফিয়া। ভয়ঙ্কর মাফিয়া। তাদের সঙ্গে প্রোফেশনাল খুনীরা।
  • PT | 213.*.*.* | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১৮:৫৪627014
  • যদি পাওয়ার স্টিয়ারিং তখনও আবিষ্কৃত না হয়ে থাকে তাহলে এই প্রশংসা কি অহেতুক নয়? তাতে কি প্রমাণিত হয় রাশিয়ান সিস্টেম খুব ভাল ছিল?
  • সে | 203.*.*.* | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১৮:৫৪627013
  • প্রোকুরর (জজ)*
  • সে | 203.*.*.* | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১৯:০৯627015
  • বিয়ে না করেও সন্তান আনতে কোনো বাধা বিপত্তি ছিলো না। সরকার তো চায় জনসংখ্যা বাড়ুক। দশটি সন্তানের মা হলে সে হবে "হিরো মাদার" (মাচ্‌ গেরৈনা)। তার স্টেটাস তখন আলাদা। অনেক বিশেষ সুবিধা। যেমন সুবিধে পায় ওয়ার ভেটেরান রা। তারা সংখ্যায় কমে আসছে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ভেটেরানরা প্রায় অনেকেই মৃত। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ও অনেকেই পা বাড়িয়ে। আর ছিলো সমাজতান্ত্রিক শ্রমের হিরোরা (গেরৈ সোৎসিয়ালিস্তিচেস্‌কভোত্রুদা)- এটার মাপকাঠি জটিল।
    কোনো ভোটাভুটি নেই দেশে। কোনো মিছিল নেই। কোনো প্রতিবাদ, জমায়েত, সভা হতো না। শবযাত্রা নেই, ভাসান নেই। তবে বাজি ফোটায় বিশেষ বিশেষ দিনে। ৬-৭ নভেম্বর (অক্টোবর বিপ্লবের দিনে), ১ মে (শ্রমদিবস), ৯মে(বিজয় দিবস ১৯৪১)।
    ঐ দিনগুলোয় বা তার নিকটতম শনিবারে (ছুটি থাকলেও) বিনামূল্যে শ্রম দিতে হয়। কায়িক শ্রম। তারে কয় "সুবোৎনিক"। ভোরের দিকে কুচ্‌কাওয়াজ থাকে। সেখানে প্রীতিবিনিময় সেরে (সেদিন যদি শনিবার হয়) সুবোৎনিক-এ শ্রমদান নাগরিক কর্তব্য।
    তারপরে যতখুশি মদ খাও কেও বকবে না।
  • সে | 203.*.*.* | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১৯:১১627016
  • আরে নারে বাবা। বলতে চেয়েছি মেয়েরাও তাগড়া কাজকর্ম করত। হেফ্‌টি হেফ্‌টি ব্যাপার। সমানে সমানে। ব্যাপক মাস্‌ল্‌ পাওয়ার।
  • ম্যামি | 69.*.*.* | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১৯:১২627017
  • 06:52 PM বর্ণিত সিস্টেমটিকে ভালোই লাগল। মিষ্টি সিস্টেম।
  • সে | 203.*.*.* | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১৯:২৫627018
  • ফ্রীড্‌ম্‌ অফ্‌ স্পীচ্‌ নিয়ে এট্টু লিখেই এখন কাটবো।
    এই যেমন আমরা পোলিটিশিয়ানদের নিয়ে জোক্‌ করি, কার্টুন আঁকি (সবসময় কি পুলিশে ধরে নিয়ে হাজতে পুরে রাখে? রাখে না তো) সেটা সম্ভব ছিলো না। আর ছিলো না সংবাদপত্রের স্বাধীনতা।
    গোটা দেশে দুটো নিউজপেপার।
    ১। গাজিয়েতা(সংবাদপত্র) প্রাভ্‌দা(সত্য)
    ২। গাজিয়েতা(সংবাদপত্র) ইজ্‌ভেস্তিয়া - এটা আবার সেই বিপ্লবের সময় থেকেই ১৯১৭ থেকেই ছাপা হয়ে চলেছে।
    কাকে ফেলে কাকে রাখি? কোথায় লাগে আমাদের গণশক্তি? পু উ রো প্রোপাগান্ডা কাগজ। বাইরের দুনিয়ায় কোথায় কী হচ্ছে তার কিছুই ঢুকত না সেথায়। ইস্পাতের পর্দা কি আর সাধে বলে?
    টিভিতেও তাই। গোটা দিয়েক চ্যানেল রাশিয়ানে ও স্থানীয় ভাষায় আরো গোটা এক বা দুই করে। অধিকাংশই নিউজ (নভস্তি) বা গান, ক্বচিৎ নাটক, সিনেমা, ডকুমেন্টারী; ও হ্যাঁ এটা না বললে পাপ হবে - শিশুদের জন্যে যত্ন করে ঘন্টা দুই তিনের প্রোগ্রাম। রোজ। ভালো ভালো কার্টুন। কোনো রাজনৈতিক রং নেই তাতে। অসম্ভব ভালো কোয়ালিটির শিশু প্রোগ্রাম।
    নিউজে শুরু করে স্‌শা (ইউএসে) কে গালি দিতে দিতে, শেষ করে গালি দিতে দিতে। ১৯৮৯ এর পরে গালি কমালো। শুধু তাই নয় ১৯৯০ থেকে MTV দেখানো শুরু করে দিলো।

    তাই বলে লোকে কি জোক্‌ করত না? বিলক্ষণ করত। এক রসিক খুনী বলেছিলো - আমাদের এদেশে মুখের ব্যবহার একটাই। হয় খাও/ নয় কথা বলো।
  • cm | 127.*.*.* | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১৯:৪৬627020
  • মনে হচ্ছে একদম আঁখো দেখা হাল লিখছেন, তা ঠিক কোন সময়ের কথা বলছেন? ঠিক কোন কোন জায়গায় দেখে লিখেছেন তা জানতে পারলে ভাল হত। তবে এ টই-এর উদ্দেশ্য মনে হয় তথ্যভিত্তিক আলোচনা।
  • bratin | 122.*.*.* | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১৯:৫৭627021
  • সে দারুন লাগছে।
    USSR
    আমার কাছে খুব পছন্দের অন্য কারনে। ফিশার পল মরফি ছাড়া বিশ্বের বেশীর ভাগ সবাই রাশিয়ার।
  • tatin | 132.*.*.* | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ২০:০০627022
  • ১)
    "বিদেশে যাবার ক্ষেত্রে বাধা। চুড়ান্ত বাধা। ট্র্যাভেল ডকুমেন্ট (পাসপোর্ট) জোগাড় করা দুষ্কর তার পরে বিদেশ থেকে ফিরে এসেই সেটা সরকারকে ফিরিয়ে দিতে হতো। কঠিনতম বর্ডার সিকিওরিটি কন্ট্রোল। কাস্টম্‌স্‌ কন্ট্রোল। দেশটাকেই তখন একটা জেলখানা মনে হতে পারে। বেরোনোর পথ নেই।"

    কোনও দেশের কত % লোক বিদেশে যেতে চান?

    ২)
    গুলাগকে খারাপ মনে করা হয় কেন? অপরাধীর কাছ থেকে সমাজের ক্ষতিপূরণ নেওয়ার বেস্ট উপায় তো গুলাগ
  • সংগঠক | 69.*.*.* | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ২০:০৭627023
  • অস্থানে কুস্থানে হলেও, আমার যেমন অভ্যাস, বলেই রাখি, সে র চেনা জনতার কাছে সোভিয়েত দেশের বাংলায় প্রকাশিত বইপত্র এখনও কিছু থাকতে পারে কি? জানাবেন। শিশু সাহিত্য, গল্প উপন্যাস, যেকোনো কিছু, যদি থাকে।
  • PT | 213.*.*.* | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ২০:১৩627024
  • আগে জানতাম নাঃ

    Until a decision by the Indian Supreme Court in 1966, the issuance of passports was considered a discretionary instrument of the Indian government to conduct its foreign relations

    By the mid-1960s, most Indians coming to the United Kingdom were dependents according to government statistics; dependents made up 75 percent of all Indians entering in 1965 and 80 percent in 1966. Flows peaked in 1968, at just over 23,000. Between 1970 and 1996, an average of 5,800 Indian immigrants landed every year in the United Kingdom.
    http://www.migrationinformation.org/Profiles/display.cfm?ID=745

    রাশিয়া থেকে ইমিগ্রেশনের কোন সংখ্যা দিলে তারা আমাদের থেকে বেশী খারাপ না ভাল ছিল বোঝা যেত।
  • hu | 12.*.*.* | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ২০:২৪627026
  • সে লিখলেন হেল্থ ইন্সিওরেন্স ছিল না। চিকিৎসা কি তাহলে ফ্রি ছিল?

    কাজাখস্তানের কথা লিখি। এখনও এখানে ম্যাটার্নিটি লিভ বিরাট। তিন বছরের ছুটি নেওয়া যায়। তার মধ্যে প্রথম বছর পুরো মাইনে। পরের দুইবছর মাইনের একটা অংশ। সেটাও খুব একটা মন্দ নয়।
  • ?? | 69.*.*.* | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ২০:২৪627025
  • রাশিয়া থেকে শুধু ইউকে তে ইমিগ্রেশনের ডেটা?
  • সে | 203.*.*.* | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ২০:২৫627027
  • বই পত্র কিছুই নেই। আমি ঝাড়া হাত পা। প্রেশার কুকারও নেই। তবে অসম্ভব ভালো কোয়ালিটি।

    বিদেশে যাবার ব্যাপারে পিটির সঙ্গে একমত। বাকিটা ঘন্টা চারেক পরে বলছি। এখন একটা জরুরী কাজ আছে।
  • সে | 203.*.*.* | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ২০:২৬627028
  • চিকিৎসা পুরো ফ্রি। অ্যাবর্শানও ফ্রি। লিখলাম যে। তখন ম্যাটারনিটি লীভ ছিলো এইরকমঃ যতদিন না বাচ্চা স্কুলে যাচ্ছে।
  • PT | 213.*.*.* | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ২০:৩৩627029
  • রাশিয়া থেকে পাসপোর্ট পাওয়ার আর দেশ পরিত্যাগ করার ডেটা।

    যেমন ধরুন ১৯২০-র দশকে ১.২ মিলিয়ন সুইডিশ আমেরিকাতে চলে যায়। কেউ তাদের ধরে রাখার চেষ্টাও করেনি কেননা দেশবাসীর খাওয়া-থাকা বাঁচা-মরা ইত্যাদি নিয়ে সরকারের কোন মাথা ব্যথা ছিলনা।
  • bratin | 122.*.*.* | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ২০:৪৬627032
  • /বেশীর ভাগ শ্রেষ্ঠ দাবাড়ু
  • | 69.*.*.* | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ২০:৪৬627031
  • রাশিয়াতে তো এগজিট ভিসা বলে একটা ব্যাপার ছিল। ওটা না পেলে পাসপোর্ট-ভিসা ঠিক থাকলেও বেরোতে দিত না। আর ওই এগজিট ভিসা বা পারমিট দেয়া হতো খুব অল্প কিছু হাতে গোনা লোককে। সুতরাং একচুয়াল ইমিগ্রেশন ফিগার দিয়ে ইমিগ্রেশনে ইচ্ছুক এই বৃহত সেটটাকে ধরা যাবে না।
  • lcm | 74.*.*.* | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ২১:১৭627033
  • সে-র লেখা ভালো লাগছে।
  • lcm | 74.*.*.* | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ২১:২৬627034
  • একক-কে একটা কথা - ভলতেয়ার, রুশো, মন্টেস্কু --- এদেরকে নিয়ে ইয়ার্কি মেরো না বাপু - আধুনিক যে জুডিসিয়াল সিস্টেম, লিবার্টি বলতে আজ কি বোঝায় ... এসবের ফান্ডা তো এরাই... এদের প্রভাবেই ফ্রেঞ্চ রিভোলিউশন, তাই থেকে প্রভাবিত হয়ে মার্ক্স সাহেবের থিওরি...
  • ম্যামি | 69.*.*.* | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ২১:৪৩627035
  • টই এর নাম নিয়ে একটি বক্তব্য।

    ১৯৫৬ সালের পরে, কমিউনিস্ট পার্টির লোক ছাড়া আর কেউ বোধ হয় 'কমিউনিস্ট রাশিয়া' কথাটা ব্যবহার করে নি। পি সি যোশীকে আমরা ইন্টেলেকচুয়াল বলে থাকি। কিমাশ্চর্যমতঃপরম।
  • সে | 203.*.*.* | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ২৩:৩১627036
  • চোখ, দাঁত - এগুলোও ফ্রি।

    এগ্‌জিট ভিসা? সেতো ফরেনারদের।
    আমি সোভিয়েত নাগরিকদের কথা বলছি। তাদের ট্র্যাভেল ডকুমেন্ট (পাসপোর্ট) ইস্যু করা হোতো বিদেশে যাবার পার্মিশান থাকলে তবেই। ফিরে এলে সেটা তৎক্ষণাৎ ফিরিয়ে দিতে হতো।
    দেশের মধ্যেও তাদের একটা আইডন্টিটি বুকলেট থাকত সেটার নাম ছিলো "পাসপোরৎ" - আমাদের যেমন আধার কার্ড।
  • PT | 213.*.*.* | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ২৩:৩৯627037
  • অনেক তক্ক হয়েছে। এবার একটু গান-বাজনা হোক। US-USSR-এর সম্পর্ক নিয়ে একটি অসাধারণ মিউসিকাল হয়েছিল (CHESS)। যারা দেখেননি/শোনেননি তাদের জন্য লিংঃ

    Part I:


    Part II:
  • PT | 213.*.*.* | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ০০:০২627038
  • আর একবার বিরক্ত করব। এই গানটা শুধু কল্লোলদা আর RR-এর জন্য। না দিয়ে পারলাম না।
  • সে | 203.*.*.* | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ০০:২৪627039
  • দেশের নাগরিকদের ক্ষেত্রে ১৬ বছর বয়েস হয়ে গেলে ঐ "পাসপোরৎ" নামক লালরঙের বইটি দেওয়া হতো। সবাইকে। এটা থাকা বাধ্যতামূলক।
    এর আগে অবধি অর্থাৎ জন্ম থেকে ১৬ বছর বয়স অবধি বার্থ সার্টিফিকেট অর্থাৎ সবুজ রঙের বাঁধানো বুকলেট। বিয়ে হয়ে গেলে হলদে রঙের বাঁধানো বুকলেট। সেটা ম্যারেজ সার্টিফিকেট।
    এখন ঐ "পাসপোরৎ" নামক লালরঙের বইটি সাংঘাতিক জিনিস। পুলিশে ধরলে ওটায় কিছু যদি লিখে দেয় তবে চরিত্রে কালো ছাপ পড়ে গেল। জেল খেটে এলেও ওটায় সব লেখা থাকবে। ওটা যখন তখন রাস্তাঘাটে মিলিৎসিয়া (পুলিশ নয়) দেখতে চাইতে পারে। নাগরিকত্বের প্রমাণ হিসেবে। শুধু তাই ই নয়। কোনো ব্যক্তি কোথায় বসবাস করে তার খুঁটিনাটি ওখানে লেখা থাকত। এক শহর থেকে অন্য শহরে/গ্রামে বসবাস করতে গেলে সেইখানের স্থানীয় রেজিস্ট্রেশন অফিসে নিজেকে নথিভূক্ত করা বাধ্যতামূলক ছিলো। ট্রেনে চড়ে কোথাও গেলে বা এরোপ্লেনে চড়তে গেলেও ওটা দেখাতে হতো। দেশের ভেতরেই।
    মিলিৎসিয়ার অত্যাচারে ভুগত সাধারন মানুষেরা। কারণে অকারণে ঐ বুকলেটটি কেড়ে নিয়ে ব্ল্যাকমেলিং, বিশেষতঃ যেসব মেয়েরা বিদেশীদের সঙ্গে "মেশে" তাদের সঙ্গে এই ব্ল্যাকমেলিং এর অনেক নজির আছে। ফলে সেইসব মেয়েদের এর "দাম" দিয়ে বুকলেটটি ফেরৎ পেতে হতো। টাকা পয়সা নয় - দেহ।
    বিদেশে বেড়াতে যেতে চাওয়া বা দেশ দেখবার ইচ্ছে - এগুলো মানুষের স্বাভাবিক ইচ্ছের মধ্যেই পড়ে। এতে কোনো দোষ নেই। এমনকি বিদেশে মাইগ্রেট করবার ইচ্ছেও কোনো অস্বাভাবিক কিছু নয়। তাতে বাধা দেবে কেন দেশ? যত বেশি বাধা পায়, তত ইচ্ছে বেড়ে ওঠে। তারা জানেওনা বিদেশে কী আছে, সেখানে কেমন ব্যবস্থা, ভাষা জানে না, তবু বেরিয়ে যেতে চাইত। খুব যেতে চাইত অ্যামেরিকায়। বা অন্য কোনো দেশে। হয়ত আফ্রিকার কোনো গরীব দেশ। ঠিক টাকার লোভ নয়। খানিকটা মুক্তির লোভ। মেয়েদের পক্ষে সহজ ছিলো কোনো বিদেশিকে ভালোবেসে বিয়ে করে বিদেশে পাড়ি জমানো। ছেলেদের পক্ষে ব্যাপারটা কঠিন হয়ে পড়তো।
    নারীপুরুষ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করলেও সমাজব্যবস্থা ছিলো প্রচন্ড পুরুষতান্ত্রিক। ম্যাচো ব্যাপারটা খুবই ছিলো। বাড়ীর রান্নাবান্না সংসারের কাজ মেয়েদেরই করতে হতো। সন্তানপালন। পুরুষ হয়ত ভারী একটা বস্তা তুলে দেবে, বাজারের ভারী ব্যাগ বইবে, কিন্তু ঘরের কাজে হাত দেবে না। বিয়ার খাবে, ভোদ্‌কা খাবে, সিগারেট, ফুটবল ম্যাচ দেখবে টিভিতে।
    সেটা বদলেছে কিনা বলা শক্ত।
    একটা সময়ে প্রচুর য়িহুদী ইজ্‌রায়েল ও অ্যামেরিকায় মাইগ্রেট করে। অনেকে চলে যায় পশ্চিম জার্মানীতে। পশ্চিম জার্মানীতে রিয়েল এস্টেটের ব্যবসায় প্রচুর সাফল্য পায়। সকলে অবশ্য য়িহুদী নয়। এরা পুরো পরিবার মিলে মাইগ্রেট করত। অসম্ভব জটিল সেই প্রসেস।
    ১৯৯৩ নাগাদ নিয়ম পাশ হয় যে ট্র্যাভেল ডকুমেন্ট (পাসপোর্ট) একবার ইস্যু হয়ে গেলে আর সেটা ফেরৎ দেবার দরকার নেই, সেটা নিজের কাছেই রেখে দেওয়া যাবে। সেই সময়ে অদ্ভুতভাবে চীনের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো হয়ে যায়। প্রচুর ভেঙ্গে যাওয়া সোভিয়েত রিপাবলিকের মানুষ হুড়্‌মুড়িয়ে চীনে বেড়াতে যায়। তাদের মধ্যে চুড়ান্ত দেশপ্রেমী কট্টর অ্যাথেইস্ট কমুনিস্টরাও ছিলো। চীন থেকে আমদানী হয় সুটকেস বোঝাই করা রং বেরঙের জামা কাপড়, হাল্কা হাল ফ্যাশানের ইলেক্‌ট্রনিক্স্‌, এমনকি কোকোনাট মিল্ক।
    যারা শপিং এর উদ্দেশ্যে জার্মানী যেত, তাদের সঙ্গে বিদেশী মূদ্রা তো বিশেষ থাকত না। তবে উপায়? যাবার পথে ছোটো ছোটো কচ্ছপের ছানা স্মাগল করে নিয়ে যেত। সেগুলো চড়া দামে বিক্রি হতো জার্মানীতে বা পোল্যান্ডে। বিনিময়ে বিদেশি মূদ্রা।
  • সে | 203.*.*.* | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ০০:২৯627040
  • এই দুটো সিনেমা সম্ভব হলে দেখে নেবেন।
    Ironiya sudby, ili S legkim parom! 1975
    Little Vera 1988
    দুটোই অসম্ভব স্বাভাবিক ছবি একেবারে তুলে ধরেছে তখনকার সময়কে।
  • সে | 203.*.*.* | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ০০:৩৩627042
  • এবং লাস্ট বাট নট দ্য লিস্ট
    Intergirl 1989
    Intergirl is a 1989 Soviet drama film. Set in Leningrad in the time of perestroika during the 1980s, it was the first piece of the popular culture portraying prostitution in the USSR.
    Initial release: 1989
    Director: Pyotr Todorovsky
    Running time: 143 minutes
    Awards: Nika Award for Best Actress
    Genres: Romance Film, Drama
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লড়াকু মতামত দিন