এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • ঊমেশ | ২৬ নভেম্বর ২০১৩ ১২:৫৭607202
  • ফুটবল ছেড়ে ক্রিকেট/টেনিস খেলছে, তাও কি সত্যি?
    কটা ভালো ক্রিকেটার/টেনিস প্লেয়ার বাংলা থেকে উঠে আসছে?
    আজকের দিনে যা পড়াশুনার চাপ, আর ইঁদুর দৌড়, তাতে আর কিছু ভাবা বেশ কঠিন।

    তাছাড়া আর একটা জিনিস আমার বেশ চোখে পড়ে, খেলার মাঠের অভাব। আমাদের ছোটোবেলাতেও তাও কিছু খোলা মাঠ থাকতো ছেলেদের খেলার জন্যে, কিন্তু তাও যেন কিভাবে ফুরিয়ে যাচ্ছে।
    আমাদের ছেলেবেলাতে আমাদের মেমারী তেও যেসব মাঠে খেলে বেড়িয়েছি, সেগুলো আজ আর মাঠ নেই, কবে যেন পাড়া হয়ে গেছে।
    রিষড়া, একটা সময় অনেক ভালো ফুটবলার দিয়েছে, কিন্তু আমার মনে পড়ছে না, এখন তেমন ভালো খোলা জায়্গা আছে, যেখানে ছেলেরা একটু খেলতে পারবে।
    আজকালকার বাবা-মা রাও চাইছে না খোলা মাঠ বেঁচে থাকুক, না থাকলেই ভালো, খেলতে যেতে পারবে না, ঘরে বসে পড়ার বই পড়বে।
  • Tim | ২৬ নভেম্বর ২০১৩ ১৩:১৮607203
  • মাঠ নেই সত্যি। থাকলেও সেখানে হয় ক্রিকেট প্র্যাক্টিস নয়ত প্রোমোটারি হচ্ছে।
    পড়াশুনোর চাপ সেই সময়েও কি ছিলোনা উমেশদা? আমাদের বয়স যখন সাত থেকে সতেরোর মধ্যে, তখন চতূর্দিকে বেকার মানুষ, একের পর এক কল কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়া এইসব ছিলো এবং কোন বিকল্প ছিলোনা। এখন বিকল্প আছে, পড়াশুনোয় যারা ভালো তারা কেন ফুটবল খেলে সময় নষ্ট করবে? ভালোবেসে যারা খেলে তারা অ্যামেচার লেভেলে খেলবে সেটাকে রুজিরুটি করবেনা।
  • + | ২৬ নভেম্বর ২০১৩ ১৩:২৪607204
  • আমার হাউসিং-এ দুটো বড় খেলার মাঠ। আমরা সেখানেই খেলতাম, এখন ছেলেরা খেলার থেকে বেশি অন্য কাজে ব্যস্ত বেশি, ক্লাশ ৭-৮এর ছেলেরা এখন খেলার সময় হাতে মোবাইল নিয়ে ঐ সমায় গান-ভিডিও ট্রান্সফার করতে ব্যস্ত থাকে। খেলে সুস্থ শরীরকে ব্যস্ত করতে রাজি নয়।
  • + | ২৬ নভেম্বর ২০১৩ ১৩:২৫607205
  • পড়াশুনায় যারা খারাপ তারাও খেলছেনা।
  • Tim | ২৬ নভেম্বর ২০১৩ ১৩:৩০607206
  • ঠিক, ভেবে দেখলাম।
    মনে হয় এটা লাস্ট দশ-পনেরো বছরের আমদানি। অথচ, খেলা ভালোবাসেনা তা তো নয়। সবাই ইপিএল লালিগা করে চেল্লাচ্ছে। এদিকে খেলতে নামবেনা। এরকম অদ্ভুৎ দেশ কমই আছে।
  • ঊমেশ | ২৬ নভেম্বর ২০১৩ ১৩:৫৯607207
  • আমি ছোটো টাউনে বড়ো হয়েছি, আমাদের ছেলেবেলাতে কিন্তু বাবা-মা দের চাপ অনেক কম ছিল, অন্তত আমি বা আমাদের বন্ধুরা বিকেলে ২-৪ ঘন্টা সময় পেতাম।
    সেই সময়ের (১৯৮০-৯০) কলকাতা বা তার আশপাশের কথা জানি না।
    কিন্তু এখন যা শুনি বা দেখি, তাতে ছোটো টাউনে গুলোতেও বাবা-মা দের চাপ বেশ বেড়েছে। "বিকেল" বলে আলাদা করে ওদের কাছে কিছু আছে বলে মনে হয় না।
  • Tim | ২৬ নভেম্বর ২০১৩ ১৪:১১607209
  • উমেশদা, দঃ কলকাতার কথা বলছি। সকালে দেড় দুঘন্টা (খুব ভোরে উঠে) আর বিকেলে দু আড়াই ঘন্টা অনায়াসে পাওয়া জেত খেলাধুলোর জন্য। ১৯৯৬ সাল অবধি অন্তত।
  • ঊমেশ | ২৬ নভেম্বর ২০১৩ ১৪:৫৩607210
  • টিম, তুমি এখন খোঁজ নিয়ে দেখো অন্য চিত্র পাবে।

    আমি যতো জন বাবা-মা দের চিনি, সবাই শুনি সারা বছর বাচ্চাদের স্কুল, হোমওয়ার্ক, পরীক্ষা, পরীক্ষার রেজাল্ট নিয়ে ব্যস্ত। খেলাধুলো সব মাথায় উঠেছে। ওসব সময় নষ্ট। বড়োজোর কিছুটা সময় টিভি বা কম্পিউটার।

    আর কিছু আছে, জোর করে ক্রিকেট কোচিং ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়ার গল্প, সেটা ছেলের ইচ্ছে তে নয়, বাবা-মায়ের ইচ্ছে তে। এভাবে আর যায় হোক খেলোয়াড় তৈরী হয় না।
  • + | ২৬ নভেম্বর ২০১৩ ১৫:০৬607211
  • নর্থে এখনো খেলার চল আছে, পাড়ায় পাড়ায় ম্যাচ খেলা, সেসবও আছে, কিন্তু সংখ্যায় কমে গেছে।

    আর পড়ুয়া ছেলেপিলে আর এরকম খেলা ধুলা কাটিয়েই দিয়েছে, ওসব বাজে ছেলেরা খেলে এখন। এটা আমার কথা নয়, পাড়ার লোকজনের কথা। একমাত্র পরীক্ষার পর খেলাধুলা একটু অধটু হয়
  • h | ২৬ নভেম্বর ২০১৩ ১৫:২৯607212
  • একদা আমি একটি ফুটবল সংক্রান্ত বইয়ের রিভিউ লিখেছিলাম। সকার অ্যান্ড সোসাইটি নামক একটি পত্রিকায় সেটি পাবলিশড হয়েছিল। এটা লেখার একমাত্র কারণ ছিল, যাকে লিখতে দেওয়া হয়েছিল, সে ল্যাদ খেয়েছিল, কিন্তু বইটা পড়ে রিভিউ লিখতে গিয়ে আমার বেশ ফুর্তি হয়েছিল। দিলাম। সম্ভবত এর আগে এটা এগারোবার দিয়েছি। কিন্তু মনে পড়ছে না বলে আবার দিলাম। এতে আমার খেলা দেখার অভিজ্ঞতার কথা আছে, যেটা অরিজিত, অর্পণ দের সাথে মেলে।

    The global game: writers on soccer, edited by John Turnbull, Thom Shatterlee and

    Alan Raab, Lincoln, NE and London: Nebraska University Press, 2008, xvii + 296

    This book, whilst somewhat unimaginatively titled, floods the reader with a number of fine anecdotes as well as the realities of the most global sport of all – soccer. It contains pieces written by some of the truly great minds and talents of our times including Eduardo Galeano, Gunter Grass, Vargas Llosa, Charles Simic, Ted Hughes,Ian Jack, Elvis Costello and Sir Stanley Matthews. However, it is the works by Simic,Grass and Zupan which assume the quality of magical pieces. Take, for example,Zupan’s effusive words: ‘But no doubt what lends Cruyff his magnificence, his allencompassing quality, is the time of life when I encountered him – childhood’ (p.185).Simic’s short work on a little boy desperately holding a dead radio against his ear and having his heart broken by a negative result for his team Yugoslavia (playing against Brazil in the 1954 World Cup) is an unforgettable piece of writing (p.109). It reminds us that the life of a fan is not easy and to have sympathy for the next poor supporter who gets singled out by a TV camera when crying like a child after his or her dreams are dashed by the cruelty of the final whistle.

    Some sections of this collection are just wonderful. Andrew Marshall’s work on the oddly permissible public pleasure of abusing military officials from the cheap stands during drab matches in Myanmar is brilliant. Philippe Dubath’s eulogy to Zidane quietly transforms itself to an erudite and poignant perspective on life. The piece by Lawrence Cann, based on extracts from his tour diary to The Homeless World Cup, is also worthy of special mention. He coached a team from Charlotte, North Carolina. They did not do well in the tournament but the preparation and participation of the team became a wonderful and probably much more significant journey for the coach and each of the players. The stories from cheap stands in South and Central America (‘Atiguibas’) and the tale of the frightening Hungarian coach Gica (‘End of the World’) are excellent too. If the most agonising tale is of the longest penalty ever, the sharpest piece is by the satirist Ephraim Kishon, a Holocaust survivor. The story is about petty political squabbles between two groups of elders around a proposed football match which ultimately gets cancelled. Any Indian Football fan can immediately see the connection with the situation in the game’s administration in India. It is comic at times.

    Football evokes such a range of emotions: it is such a big sport, and it is almost impossible to put together every aspect of the beautiful game and its charged history during the twentieth century into one volume. It must be said, however, that the editors have almost done that. There are of course certain significant omissions. I would have liked to have seen a piece on Brian Clough, the legendary Derby County and Nottingham Forest manager. He was a heady mixture of English eccentricity, Labour egalitarianism and football passion and is one of the most accomplished and colourful characters that the game ever had. As a person living in Bengal, I was also personally disappointed that no writings from South Asia were included, particularly from the great soccer rivalries of Kolkata. Finally, the rivalries between cities in Italy are part of their tradition and their histories of mass mobilization for and against Fascism must be a great source of rich football stories. The editors could have picked a few more of these in addition to Umberto Saba’s collection of fine poems.

    Another important omission is a serious article on the economics of football. The business of football can be viewed as one of the least inspiring aspects of the game, but capital’s relation with the sport cannot be overlooked in the modern era. Football today is hardly a Bakhtinian carnival, and while it can be viewed as an arena of resistance as depicted in some revealing pieces in this book, the dynamics of social class is almost absent here. The transformations in priorities and probably nature of capitalism, from industrial to financial services, have ushered in changes in the way the game is played, administered and supported in Britain. Social history of English and Scottish Football is incomplete without some consideration of the major problems in British manufacturing. And the matter of social acceptance of the immigrant as a footballer, Zidane, Vieira or lbrahimovic´ for instance, cannot be ignored as well. Football is probably one of the few means of social mobility in more than a few city districts across Europe. Despite the omissions, however, this is ultimately a book of discovery packed full with interesting pieces of information and genuine revelations.

    Whilst going through it, one is assured, with a little help from Grass, Zupan, Galeano and Jack, that the true fan of the beautiful game is ultimately a child and there is no shame in it.
  • Tim | ২৬ নভেম্বর ২০১৩ ১৫:৩০607213
  • উমেশদা, হ্যাঁ জানি। আমার ভাইপোকেই তো দেখি। বিন্দুমাত্র খেলাধুলো নেই স্রেফ পড়া। বললাম তো, এটা লাস্ট দহ্স-পনেরো বছরে আস্তে আস্তে হয়েছে।

    গান্ধি, হ্যাঁ আর কলকাতার বাইরে কিছু জায়গায়। আর বাজে ছেলেরা খেলে এটাও মোটামুটি পরিচিত মিথ। ঃ-)
  • রোবু | ২৬ নভেম্বর ২০১৩ ১৫:৪৯607214
  • বাহ বাহ, রিভ্যু পড়ে বইটা পড়তে ইচ্ছে হচ্ছে।
  • + | ২৬ নভেম্বর ২০১৩ ১৬:৩৯607215
  • বই টা কি ফ্রিতে পড়তে দেওয়া যাবে?
  • cb | ২৬ নভেম্বর ২০১৩ ১৭:২২607216
  • রিভিউয়ার তো একটা কপি পায় :P
  • ঊমেশ | ২৬ নভেম্বর ২০১৩ ২১:৩০607217
  • মনে হয় ধীরে ধীরে স্পষ্ট হচ্ছে কেন ফালোপা আমাদের ক্লাবে চললো না।

    এতো দেশে কোচিং করিয়েছে, তার উপর ব্রাজিলে জন্ম, তার উপর আবার এমন সময় জন্মেছে (উইকি থেকে ১৯৪৯) যখন ব্রাজিলের জলে, বাতাসে, আকাশে, মাটিতে ফুটবলের জার্ম ছড়িয়ে ছিল। তাই ফালোপা'র জন্মগত অধিকার ফুটবল নিয়ে বড়ো কথা বলার। কিন্তু..................

    যে ভুলটা করলো, প্রথম দিনেই বেড়াল মারার মতো শুরুতেই মর্গ্যান নামটা ইবের পাতা, ইবের খেলোয়াড় দের মন থেকে মুছে দিতে গেলো। ডিকা এতো দিন পরেও একটা ভালো গোল করে সেটা মর্গ্যান কে উৎসর্গ করা দেখে বোঝা যায়, ওদের মনে মর্গ্যান কতোটা জায়গা নিয়ে আছে। তাই শুরুতেই মর্গ্যান কে অদৃশ্য শত্রু বানিয়ে প্লেয়ারদের মন জিততে পারেনি। আলভিটো'র মতো কিছু প্লেয়ার (যারা মর্গ্যান খুব কাছের ছিল না) ছাড়া বাকিরা তাই ফালোপা কে খুশী মনে নিতে পারেনি। সেনাপতি যদি সৈন্যদের মনের মানুষ না হতে পারে, তাহলে যুদ্ধে জেতা মুস্কিল হয়।

    আর্মান্দো কিন্তু সেই ভুল পথে যাচ্ছে না, প্রথম থেকে মর্গ্যান কে বন্ধু হিসাবে নিয়ে চলেছে।
  • Arpan | ২৬ নভেম্বর ২০১৩ ২২:০৭607218
  • এই আপিস থেকে বেরুলাম। আজ কোন চ্যানেলে খেলা দেখাবে?
  • + | ২৬ নভেম্বর ২০১৩ ২২:৫৭607220
  • টেন অ্যাকশন
  • রোবু | ২৬ নভেম্বর ২০১৩ ২৩:০৮607221
  • আজকেরটা খুব ভয়ের ম্যাচ আমাদের জন্য। শুরুতেই গোল দিয়ে নার্ভ সেটল করতে হবে। জিতে গেলে গোল ডিফারেন্স যা আছে, উঠে যাবো আশা করছি।
  • ন্যাড়া | ২৬ নভেম্বর ২০১৩ ২৩:১৭607222
  • আজকালকার স্ট্যান্ডার্ডে আমি এবং আমার বন্ধুসকল বখা ছেলে ছিলাম। সম্বৎসর খেলা। কখনও কখনও তিন দফায়। ভোরে আর বিকেলে পাড়ায়, দুপুরে - স্কুলে বা কলেজে।

    তবে মাঝের কবছর পাড়ায় দেখলাম খেলা-টেলা উঠে গেছে। শেষ দুবছর দেখছি মাঠ পরিস্কার হয়েছে, নতুন গোলপোস্ট বসেছে, ছেলেরা বল পেটাচ্ছে। গুড প্রগ্রেস।
  • ঊমেশ | ২৭ নভেম্বর ২০১৩ ১২:৫১607224
  • ১০০ মিলিয়ন খরচা করে, ১২ ম্যাচ খেলে মাত্র ৯টা গোল করেছে। চাপে তো থাকবেই।
  • ঊমেশ | ২৭ নভেম্বর ২০১৩ ১২:৫৮607225
  • এদিকে চ্যাঃ লিঃ আমাদের অবস্থা তেমন ভালো নয়।
    লাস্ট ১৬ তে যাচ্ছি তাতে সন্দেহ নেই। কিন্তু লাস্ট ম্যাচে নাপোলি'র সাথে ড্র বা জিততে না পারলে গ্রুপ রানার্স হয়ে যেতে হবে।
    গ্রুপ রানার্স হলে আবার লাস্ট ১৬ তে খেলতে হতে পারে রিয়েল, পি-এস-জি, বার্সা, বেয়ার্ন বা অ্যাঃ মাদ্রিদের সাথে।

    বরং গ্রুপ টপ হতে পারলে অনেক সহজ টিম পাওয়া যাবে।
  • mati nandee | ২৭ নভেম্বর ২০১৩ ১৩:৩৯607226
  • +
    আপনার কোনো প্রশ্নে বা তথ্যে নস্টালজিয়ায় আঘাত লাগবার মতো কিছু দেখলাম না। নাকি, আরো কিছু বলার ছিলো বা আছে? এটা অবশ্যই আমার দেখতে ভালো লাগে যে এখনও কলকাতার ফুটবল নিয়ে আপনারা মাঝে মধ্যে আলাপ আলোচনা করেন। যদিও তা খুব বেশী করে মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গল কেন্দ্রিক। এদের কেউ ছোট টিমের কাছে হারলে তবেই ছোট টিমের খেলোয়াড়েরা কিছুটা পাত পায়। তাও মোহনবাগান হারলে ইস্টবেঙ্গলের সমর্থকরা ছোট প্লেয়ারের প্রতিভা খুঁজে পায়, উল্টো ঘটলে মোহনবাগান সমর্থকেরা।
    ফুটবল তো মূলতঃ বডি কন্ট্যাক্ট গেম। এই ধরণের চোট প্রবন খেলায় এক বা দুই সন্তানের বাবা মা আজ কি কারণে ঝুঁকি নেবেন? যেখানে আত্মীয় স্বজন, বন্ধু বান্ধব, পাড়া প্রতিবেশী প্রত্যেকের প্রথম প্রশ্ন, "ছেলে বা মেয়ে কি করছে? কোথায় আছে?" .... "কেমন আছে?" নয়। বাঙালী প্লেয়ারদের থেকেও দুরবস্থা অনেক গুন বেশী অন্ধ্র- হায়দ্রাবাদের। আমার এক বন্ধুর ছেলেকে দক্ষিণের একটি ছেলে বলেছিল, I can never think of an 'Aandhraa' boy playing football. They have never. Football is not our cup of tea. It's not in our blood." সে গড়গড় করে ভি ভি এস লক্ষন, বেঙ্কটপতি রাজু, প্রভৃতির নাম বলতে পারে, অথচ ভারতের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ হাফ ইউসুফ খানের নাম, কোচ রহিমসাহেবের নাম অথবা নইম, হাবিব, আলতাফ, লতিফ, লতিফুদ্দীনের নাম জানেই না।
    ফুটবলের প্রতি অবজ্ঞা সারা ভারতে সর্বত্র আরও প্রকট। জিয়াউদ্দীন বা অশোক ঘোষ এ আই এফ এফ-এর সভাপতি থাকাকালীন যে অবস্থা ছিল, তা কোনভাবেই নেই। ক্রীড়া মন্ত্রকও তাই। স্থানীয় বডিগুলো আরও ভয়ঙ্কর। পাঞ্জাবের জে সি টি, লীডার্স ক্লাব, বম্বের মফতলাল, অন্ধ্রের অন্ধ্র পুলিশ, কেরালার বিজয়নের ক্লাবগুলোর কোনো অস্তিত্বাই নেই প্রায়। এই সেদিন মাহিন্দ্রাও টিম তুলে দিলো। কলকাতায় ইস্টার্ণ রেল, বি এন আর(এখন এস ই আর), পোর্ট ট্রাস্ট, এস বি আই, ইউকো ব্যাঙ্ক আজকাল আর ফুটবলার কোটাতে চাকরী দেয় না মনে হয়। অর্থনৈতিক নিরাপদ ভবিষ্যতের সন্ধান স্বভাবতঃ শিফ্‌ট্‌ করেছে। কদিন আগেও যাদবপুরের ইঞ্জিনীয়ার প্রদীপ দত্ত এস বি আই-এর জি এম হয়ে সমকালীন খেলোয়াড়দের কাছ থেকে সম্বর্ধনা পেলো। যে কিনা ইস্টবেঙ্গলের নিয়মিত খেলোয়াড় ছিলো। চুনী, সুরজিত, শান্ত মিত্র, অনেকেই এস বি আইয়ে, কার্তিক শেঠ, মিহির বসু ইউকো ব্যাঙ্কে, পি কে, কাজল মুখার্জী ইস্টার্ণ রেলে ছিলেন। সুকুমার সমাজপতি তো রাগপ্রধান অনুষ্ঠানেও অংশ নিতেন। তিনি তাঁর ছেলে সন্দীপনকে খেলায় আনেন নি, গানবাজনার লাইনে ঠেলেছেন, এযুগে তরুণ দেও তাই। বাবলু ভট্‌চায্যি তো সারাদিন কোন কোচ খারাপ, কার স্ট্রাটেজি কতটা ভুল বলছে। অ্যাকাডেমি-র দরকার দরকার বলে বড় বড় লেখা কাগজে ছাপাচ্ছে। কিন্তু তাঁর ছেলে বেশ কিছুদিন টিভিতে খেলার প্রোগ্রামে সঞ্চালক থেকে এখন সিনেমায়। কেন? ভালো খেলতে পারে না বলেন যদি, তো অন্য কোনো কাজের মাধ্যমে মাঠের সাথে তো যুক্ত রাখতে পারতেন। ফালোপার ওই কুমড়োপটাশ ছেলে আমেরিকো ওরফে বাবাইদা যদি ফিজিও হতে পারে, আমাদের প্রাক্তন বোদ্ধা ও কৃতী খেলোয়াড়দের ছেলেরা নয় কেন?
    আর মাথার লোকগুলো? প্রফুল্ল প্যাটেল(ক্রীড়া মন্ত্রক), সুব্রত দত্ত (এ আই এফ এফ), উৎপল (আই এফ এ) কি করছেন আপনার দেখছেন না? এ আলোচনা অনেক লম্বা হয়ে গেছে। আর নয়। পরে সময় পেলে বলব।
  • sch | ২৭ নভেম্বর ২০১৩ ১৩:৫৩607227
  • " ভালো খেলতে পারে না বলেন যদি, তো অন্য কোনো কাজের মাধ্যমে মাঠের সাথে তো যুক্ত রাখতে পারতেন। " -- এটা আবার কি কথা। আজকে যদি কোনো ফুটবলারের সন্তান অন্য কোনো পেশায় আনন্দ পান বা তাতে উন্নতি করতে পারেন তাহলেও তাকে ফুটবলের কাজের সাথে যুক্ত হতে হবে?? তার তো ইন্টারেস্ট না-ই থাকতে পারে
  • Arpan | ২৭ নভেম্বর ২০১৩ ১৩:৫৮607228
  • ফুটবল পণ্ডিতেরা এইবারো আমাদের পাঁচে আর বলাই বাহুল্য স্পার্সকে আমাদের ওপরে দেখতে পেয়েছিলেন। বেশ কয়েক বছর ধরেই পাচ্ছেন। অসীম প্রজ্ঞার জোর!

    নাপোলির সাথে ড্র করলে গ্রুপ টপ করব না কেন!! এনিওয়ে ওয়ালকট আর ফ্ল্যামিনি এসে গেছে, পোডোলস্কিও এলোই বলে, মনে তো হয় জিতেই ফিরব।
  • + | ২৭ নভেম্বর ২০১৩ ১৩:৫৯607229
  • মতী দাঃ)

    আরে না না, ব্যক্তিগত নয়, এমনিই। আগেকার প্লেয়ারদের কোয়ালিটি অনেক ভালো ছিল। কিন্তু তারা মানে শৈলেন মান্না-চুনী গোস্বামী জেনারেশনের পর, ৭০এর দশক থেকে শুরু করে ৮০র দশকের সবাই পরবর্তী জেনারেশনের জন্য কি সেরকম কিছু করেছেন? খেলা খারাপ হলেই, আমাদের সময় আমরা হেন করেছি-তেন করেছি। কিন্তু তুমি পরের প্রজন্মের জন্য কি করেছ?

    মোবায় একসময় কর্তা ছিলেন শৈলেন মান্না, চুনী গোস্বামীরা দল বানাতে সাহায্য করতেন (আমার জন্মের আগে, শোনা কথা, ভুল হলে ধরিয়ে দেবেন)। কিন্তু আজ কোনো ফুটবলার কেন দায়িত্ব নিতে ভয় পায়? খালি কোচ হয়ে কোনো ক্লাবের বা অঞ্চলের ভালো করা যাবেনা, নিজেকে প্রতিষ্ঠানের মধ্যে নিয়ে যেতে হবে। আজ যদি এই প্রক্তন ফুটবলাররা ক্লাবগুলোর ইলেকশনে লড়। একবার-দুবার হারলেও, তারপর একটা গ্রাউন্ড পাবে। কিন্তু ইনাদের সেই ইচ্ছাটাই নেই। বাইরে থেকে বলে বেড়াবেন, "আমাদের সময় আমরা এই খেলেছি", কোচ করা হলে কাঁদুনী গাইবেন, "বাঙালী ছেলের অভাব, ক্লাব খোলা মনে কাজ করতে দেয়না"। তোমাকে ক্লাবের কর্তা হতে কে বাধা দিয়েছে?

    আজ থেকে ৪-৫ বছর আগে প্রায় সব ম্যাচে মাঠে যেতাম, একটা সমর্থকদের ক্লাবও খুলেছিলাম আমরা। ভোটে যাতে কোনো প্রাক্তন প্লেয়ার দাঁড়ায় সেই চেষ্টায় আন-অফিসিয়ালি অনেক প্রাক্তনদের সাথে কথাও বলেছিলাম আমরা। একজন ছাড়া (নামগুলো বলছিনা ) সবারই কেউই রাজি হয়নি, সবাই আমাদের পিছনে কোন পার্টি আছে তার খোঁজ খবরেই ব্যস্ত ছিল

    কোচ হয়ে হঠাৎ হঠাৎ কয়েকটা ভালো প্লেয়ারকে গাইড করা যায়, কিন্তু ৬০-৭০এর দশকে শৈলেন মান্না না থাকলে এত প্লেয়ার উঠত? (পল্টু দাস ব্যতিক্রম)

    এই মুহূর্তের বাঙলা ফুটবলকে দাঁড় করাতে গেলে প্রাক্তন প্লেয়ারদের কিছু করতে হবে। অন্তত ক্লাবগুলো দখল করতে হবে।
  • + | ২৭ নভেম্বর ২০১৩ ১৪:০৩607231
  • @অর্পণদা

    দিল্লী এখনো অনেক দুর।
  • ঊমেশ | ২৭ নভেম্বর ২০১৩ ১৪:০৬607232
  • আমি তো তাই বললাম, নাপোলির সাথে ড্র বা জিত চাই। কারন ডর্টমুন্ড তো মার্সেই কে হারাবেই এটা নিশ্চিত।

    কাল কিছু বেশী গোল করা থাকলে ভালো হতো।
  • Arpan | ২৭ নভেম্বর ২০১৩ ১৪:০৮607233
  • ও আমি ঐ জায়গাটা বুঝতে ভুল করেছিলাম।
  • Arpan | ২৭ নভেম্বর ২০১৩ ১৪:১০607234
  • আর কাল বেশি গোল করে লাভ হত না। তিনটে টিমের পয়েন্ট সমান হয়ে গেলে আগে হেড টু হেড তারপরে নিজেদের মধ্যে গোলের হিসেব দেখবে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ঠিক অথবা ভুল মতামত দিন