এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Nina | ১০ আগস্ট ২০১৩ ২১:৫৮158340
  • শ্রাবণী
    খুব ভাল লাগছে। অন্ধকার টানেলের মধ্যে দিয়ে যেতে যেতে আলোর আভাষ----
    লাউ ভাজা রেসিপিও খাসা--যাই ভাজি গে--সত্যি তোমার একই অঙ্গে কত গুণ---
  • | ১০ আগস্ট ২০১৩ ২১:৫৬158339
  • *এগোয়।

    কালপুরুষের লেখাটা পড়ে, কি আর বলব! :-(
  • dd | ১০ আগস্ট ২০১৩ ২১:৫৫158337
  • @ ছাবোনী। আমি চতুদ্দিকেই প্রগ্রেস দেখি। স্বভাবদোষ।

    লোকে জানছে,বুঝছে। মোমবাত্তি জ্বলছে। বাড়ীর লোকে, বউ ছেলে মে' নিয়ে রাস্তায় হাঁটছে। আগে ভাবতেও পাত্তাম না। সিংগুর নিয়ে রেপ নিয়ে। প্রতিবাদ শুধু বোমাবাহিনী ছাত্রোসমাজের মোনোপলি নয়। সবাই সামিল।

    তুমি ভাম হলে টের পেতে কতোটা এগিয়েছে সমাজ। নাঃ। ভাম হবার দরকারো নেই। এই গতো দশ বারো বছোরে লাফিয়ে লাফিয়ে এগিয়েছে। তুমি টের পাও না?

    প্লাস নতুন নতুন খাবার দাবারো প্রচুর এসেছে। পিৎজা,পাস্তা, বুরিটো এসব ছিলো না কি আগে?
  • | ১০ আগস্ট ২০১৩ ২১:৫৫158338
  • শ্রাবণীর খবরটা দারুণ। এভাবেই ইঞ্চি ইঞ্চি করে গোয়।

    ডিডি, আপনের থিওরি আর নতুন কী? এই যে আপনেরা আইটিরে এমন হেলাছেদ্দা করেন, তা এই আইটি এসে যে আমার মত কতজনের কাছে দরজা খুলে দিয়েছে সে আর কী বলব! এই আইটি এসেছিল বলেই খারাপ বস দেখলেই ছোটবেলায় ঘ্যাঁচ করে চাকরি বদলে নিতাম আর এখন বড় হয়েছি তো। গম্ভীরমুখে গিয়ে বস বদলে অন্য প্রোজেক্টে চলে যাই।
  • I | ১০ আগস্ট ২০১৩ ২১:৫০158335
  • হ্যা! সাত পাচ ভেবে ছেড়েই দিলাম অ্যাকেবারে। উৎপাত-অশান্তি- পড়শীর সাথে মনোমালিন্য এইসব কোনো কাজের কথা না।
  • a x | ১০ আগস্ট ২০১৩ ২১:৫০158336
  • খুব ভালো লাগল শ্রাবণী।
  • শ্রাবণী | ১০ আগস্ট ২০১৩ ২১:৪৮158333
  • কিন্তু ডিডিদা, ঐ এইচ আর অফিসার দুজনের কথা ভাবুন, এরকম মানসিকতা, এত টিভি দেখছে কাগজ পড়ছে তবুও, তাহলে এতসব লিখেজোখে কী হল!

    আরে ভালো খবর কী জানিনা, আমাদের গ্রুপটাকে অফিশিয়াল করতে এইচ আরের হার্ডলটাই পেরোতে পারছিনা। মাঝে মাঝেই ফেসবুকের গ্রুপে মেয়েদের রিয়্যাকশন বা পোস্ট দেখে তাদের ডেকে ডেকে ভদ্রভাষায় হুমকি দিচ্ছে..........আমাকে প্রায় দিন তাদের নানা কথা বলে ভয় কাটাতে হয়। সিনিয়ররা কেউ এসব ঝামেলি চায়না!

    তবে সিলভার লাইনিং হল আমরা এই সুযোগে ঐ ওয়ান টু ওয়ান মিটিংয়ে আমাদের গ্রুপের কথা, অ্যাক্রস কম্পানি মেয়েরা কী কী প্রবলেম নিয়ে আসছে আমাদের কাছে, কিভাবে তারা অফিশিয়াল দের কাছে এসব নিয়ে বলতে গেলে হেনস্থা হয়, এসব আমার ঐ দিদি বলবে। কাল থেকে আজ অবধি বসে পিপিটি বানিয়ে তাকে সব ডেটা দিয়ে ফোনে তৈরী করছি। যদি ভদ্রলোক সব শুনে কনভিন্স হন আমরা এইচ আরকে বাইপাস করেই অফিশিয়াল হতে পারি। জানিনা তবে একধাক্কায় সব না হলেও কিছুটা এগোবে। আমার চেনা কিছু সাহসী মেয়ে কিন্তু নিজেদের প্ল্যান্টে এগোচ্ছে, সুযোগ পেলে মুখ খুলছে। এই এগিয়ে আসা, মুখ খোলা এটাই আপাতত, আমার লক্ষ্য!
  • dd | ১০ আগস্ট ২০১৩ ২১:৪৮158334
  • কিন্তু ঐ গানটার কি হবে? ঐ নইহার আমায় নাহি সাজে? তারই বা অর্থো?

    আপুনি কিছু জানো?

    আর আরেকটা কথা।হ্যাঁরে ইন্দোদা, তুই কি ল্যাখা ছেড়ে দিছিস অ্যাকেবারেই? ভলান্টিয়ারী রিটায়ারমেন্ট নিয়ে নিলি?
  • I | ১০ আগস্ট ২০১৩ ২১:৪৪158332
  • থালে? কী দাঁড়ালো? মৎকৃত অবজারভেশন আপনেরা মেনে নিলেন তো?যে নাইওর এসেছে নইহার থেকে।
    তাও তো এসব মণিমুক্তা আমি বাত্তুমে বসে বসে ভেবে বার কল্লেম। যদি একটা ভাবনাঘর পেতেম তালে আর কথাই ছিল না। কিন্তু সরকারের তো আর ইদিকে মন নেই !
  • কালপুরুষ | ১০ আগস্ট ২০১৩ ২১:৪১158331
  • নিয়ামত শেখ-এর বাড়িতে ঈদ-এর নিমন্ত্রন ছিল।পেশায় দিনমজুর এই ভদ্রলোক আমাকে এক মাঝরাতে প্রাণে বাঁচিয়েছিলেন।তার কাছে আমি চির কৃতজ্ঞ।মাটির বাড়ি।সাকুল্যে দুখানা ঘর।তাঁতির বেড়া দেওয়া শৌচাগার।নিজের কল নেই।পাশের পুকুর ভরসা।তার গ্রামে ঢুকতে সরকারী প্রকল্পের পিচ রাস্তা শুরু হয়েছে।শুনলাম এটা নাকি গতবছর তৈরী হয়েছিল।তা এবছর যা দেখলাম তা হল অসংখ্য ছোট বড় গর্ত,কোথাও কোথাও হাল্কা পিচের দেখা।কতটাকা মারা হয়েছে তার আনুমানিক হিসেব করছিলাম।পশ্চিমবঙ্গের সর্বত্র একই নিদর্শন।সরকারী প্রকল্পের টাকা কিভাবে নয়ছয় হয়,তা দেখে খুব খারাপ লাগে।যেকোনো রাস্তা বা অন্য কোন নির্মাণে ১০% কন্ট্রাকটরের প্রফিট হিসেব করে রেখে টাকা বরাদ্দ করা হয়।এক জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার বলছিলেন যে বরাদ্দ টাকার ৭৫% যদি ঠিকমত ব্যয় করা যায়,তাতেই নির্মাণ খুব মজবুত হওয়া উচিত।কিন্তু,আদতে কাজ হয় ৬০-৬৫% টাকার।কোনো ক্ষেত্রে তার থেকেও কম।বাকিটা ভাগ হয়ে যায় অসাধু ইঞ্জিনিয়ার,রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে।
    নিয়ামত শেখের মেয়ে রুবিনা ক্লাস সিক্সে পড়ে।তার সাথে আড্ডা হচ্ছিল।ঈদের ছুটি মাত্র দুদিন বলে স্কুল মাস্টারদের উপর তার খুব রাগ হয়েছে।তার বক্তব্য পাঁচদিনের দূর্গা পূজোতে যদি একমাস ছুটি দেওয়া যায়,তাহলে ঈদে তো পাঁচদিন ছুটি দেওয়া যেতই।বক্তব্যটা আমার কাছে খুব একটা অযৌক্তিক লাগেনি।রুবিনা’র আরো অভিযোগ স্কুলের দিদিমণি’দের প্রতি।তারা নাকি ক্লাসে ঠিক করে পড়ান না।শুধু বকেন আর বলেন তোদের দ্বারা কিস্যু হবেনা।গ্রামের শিক্ষা ব্যবস্থা অবহেলিত হওয়ার পিছনে এটা একটা বড় কারণ।এক শ্রেণি’র শহুরে শিক্ষক আছেন,যারা এই দরিদ্র অশিক্ষিত গ্রামবাসীদের খুব অবজ্ঞা করেন।এক বয়স্ক শিক্ষক আমাকে বলেছিলেন যে “ক্লাসে গিয়ে কি পড়াবো?কেউ কিচ্ছু শিখে আসেনি।কমা,সেমিকোলন কি জিনিস তা জানেনা।আসলে বুঝলেন তো গার্জেন সচেতন না হলে কিছু হয়না”।
    আমি বললাম, “যার বাবা ১৩০ টাকার দিনমজুর,তার গার্জেন সচেতন হবে কি করে?তার তো দিন চালানোই দায়।আর মেনে নিলাম যে সে হয়ত প্রাইমারী থেকে কিছু শিখে আসেনি।কিন্তু সরকার থেকে তো আপনাকে মাসকাবারি তিরিশ চল্লিশ হাজার বেতন মুখ দেখে দেওয়া হয়না।আপনি এদেরকে ধরে শেখান।সব স্তরেই যদি আগের দোষ ধরে কাটিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হয় তাহলে কি করে হবে?”
    শিক্ষকটি আমার সাথে আর বাক্যালাপ করেন নি।প্রান্তিক মানুষদের প্রতি একশ্রেণি’র শিক্ষিত সচ্ছলদের এই অবজ্ঞামূলক দৃষ্টিভঙ্গি বরাবর দেখে আসছি।
    দাওয়াতে মাদুর পেতে বসে ‘সিমাই’ খাচ্ছিলাম।স্বর্গীয় স্বাদ।নিয়ামত দা’র কাছে এলাকার রাজনৈতিক বর্ণনা শুনছিলাম।সিপিএম কংগ্রেস হানাহানিতে নাকি এলাকায় চায়ের দোকান,মাচা সব ভাগভাগি হয়ে গেছে।লাস্ট পঞ্চায়েত ভোটে সতেরো জন আহত,একজনের হাত কাটা গেছে।সাহিনা বৌদি দুপুরের ভাত খেয়ে যাওয়ার জন্য খুব চাপাচাপি করছিলেন।কিন্তু,কলকাতা ফেরার তাড়া ছিল,তাই,পরের বার ভাত খেয়ে যাবো কথা দিয়ে ছাড়া পেলাম।রুবিনা’কে পুতুল দিয়ে এলাম।জল-কাদা ঠেলে ফেরার পথে চোখে পড়ল হাইরোডের কাছে বিশাল ইংরেজি মাধ্যম বেসরকারি স্কুল।নিয়ামত দা বলছিলেন যে তার মেয়ের এই স্কুলে পড়ার খুব সখ।গাড়িতে করে স্কুলে যাবে।জুতো পরবে।আমার দিকে তাকিয়ে ম্লান হাসলেন তিনি।দৈনিক ভ্যান চালিয়ে তার রোজগার খুব বেশী হলে দুশো টাকা।তাতে আর যাই হোক,স্বপ্ন দেখা চলেনা।
    নদীয়া’র এক ছোট্ট স্টেশনে বসে হেমন্তদা’র (নাম পরিবর্তিত) কথা হচ্ছিল।যেসব মানুষ অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রান্তিক মানুষদের সংগঠিত করে যাচ্ছেন,হেমন্তদা তাদের মধ্যে একজন।রোগা পাতলা মানুষটি একসময় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উজ্জ্বল ছাত্র ছিলেন।দামী কেরিয়ার হেলায় ছুঁড়ে ফেলে এক স্বপ্নের পিছনে ছুটে বেড়াচ্ছেন প্রায় আড়াই দশক হল।
    আচ্ছা,এমন একটা দিন আসতে পারেনা যেদিন রুবিনা’র মত সবাই জামা জুতো পরে একসাথে স্কুলে যাবে।সেখানে তাদের আর্থিক নিক্তিতে মেপে কেউ অবজ্ঞা করবেনা।সবার থালায় গরম ভাত থাকবে।কেউ অনাহারে,অপুষ্টিতে,বিনা চিকিৎসায় মারা যাবেনা।
    হেমন্তদা হাসলেন।স্থির চোখে আকাশের দিকে তাকিয়ে বললেন, “উত্তরটা আমিও খুঁজে ফিরছি *******”।
    আমি নিতান্তই মেঠো মানুষ।কোনো ইজম টিজমের ধার ধারিনা।ক্ষিদের কাছে কোনো ইজম চলেনা।বিহারে যারা রণবীর সেনার বিরুদ্ধে লড়েছিল,তারা বাঁচার তাগিদে অস্ত্র ধরেছিল। এই অসাম্যের দুনিয়াতে যখন কিছুতেই কিছু হয়না,তখন যুদ্ধে নামা ছাড়া আর কোনো উপায় থাকেনা।সে যুদ্ধ কারুর কাছে সন্ত্রাসবাদ,কারুর কাছে বাঁচার আর অধিকার রক্ষার লড়াই।একদল লোক খেয়ে পরে খুব আরামে সারাজীবন কাটিয়ে যাবে।পৃথিবী’র যাবতীয় সম্পদের ভোগের-নিয়ন্ত্রণের অধিকার থাকবে তাদের উপরেই।আর বেশিরভাগ মানুষ দরিদ্রসীমার নিচে অনাহারে অপুষ্টিতে কাটিয়ে যাবে। ভাগ্যের দোহাই দিয়ে তাদের বোকা বানিয়ে যাবে ক্ষমতাশালী স্বার্থান্বেষীরা।এই সরল সমীকরণটা কিছুতেই মেনে নিতে পারিনা।
    আমার ট্রেনের ঘোষণা হয়ে গিয়েছিল।আধ-সন্ধ্যায় মেঠো পথ ধরে হেমন্ত’দার আঁধারে হারিয়ে গেলেন।আমি চোখের সামনে শুধুই আঁধার দেখছিলাম।যদিও জানি,আগুন জ্বলছে।নিশ্চিতভাবে জ্বলছে।এই আপাত শান্ত মধ্যবিত্ত সুখের ক্ষয়াটে মায়াজালের নীচে ধিক ধিক করে জ্বলছে ক্ষোভের আগুন।
    জ্বলুক।সব পুড়ে খাক হয়ে যাক।ছাই থেকে জন্ম নিক নতুন পৃথিবী।
  • pi | ১০ আগস্ট ২০১৩ ২১:৩৩158330
  • শ্রাবণীদি, ভালো খবর !
  • siki | ১০ আগস্ট ২০১৩ ২১:২৯158329
  • শ্রাবণী, দারুণ খবর।
  • dd | ১০ আগস্ট ২০১৩ ২১:২৭158328
  • ছাবোনীকে

    এটাই তো বিশাল প্রগ্রেস। আগে ছিলো না।

    আমার আর্লি কৈশোরে এটা রেওয়াজ ছিলো - মে'দের উত্যক্ত করার। গুন্ডামী নয়। স্রেফ হর্মোনের অধিকার। গিল্টফ্রী সামাজিক অধিকার। চাকুরী জীবনে দেখেছি পষ্টোই - চাকুরী জীবনে সেক্ষুয়াল হ্যারাসমেন্টকে হয় মে'রা মেনে নিতো নয়তো চুপচাপ কেটে পরতো। এটা দস্তুর ছিলো।

    গতো দশ বারো বছোরে এই ব্যাপারে দেশ আর সমাজ লাফে লাফে এগিয়েছে। আমি বলি এটা হয়েছে ক্রমাগতো (বৃহৎ) মিডিয়ার জন্য আর নানন কিসিমের এম এন সির জাঁকিয়ে বসার জন্য। জেসিকা লালদের কোনো দাঁড়ানোর যায়গাই ছিলো না। এখোন আছে।

    কিন্তু মৎকৃতো কার্য্য কারন আপনেদার পসন্দো হবে না, আপনেরা নানান শেডের বামপন্থী। তো সে ঠিকাছে।
  • সায়ন | ১০ আগস্ট ২০১৩ ২১:২২158327
  • dap সার্ভারে jdk আপগ্রেড করতে গিয়ে .jar ফাইল ঠিকঠাক ওভাররাইট হয় না কেন ?!?! অমি একটু ঘুমোতে চাই ><
  • cb | ১০ আগস্ট ২০১৩ ২১:১০158326
  • মন খুশি করা খবর :)
  • শ্রাবণী | ১০ আগস্ট ২০১৩ ২১:০৪158325
  • আজ সময় আছে, এটা একটু লিখে যাই। এই যে নির্ভয়া, কলকাতার এতগুলো ঘটনা, দেশের আরো নানা জায়গার ঘটনা মিডিয়ার জন্যে সামনে আসছে................আমরা সবাই খুব চিন্তিত, পুলিশ প্রশাসন, রাজনীতিকদের ওপর মিডিয়ার জনগণের চাপ আছে, অন্তত আমরা সেরকম ভাবছি কিছুটা হলেও। দিল্লীতে ইন্ডিয়া এক এক দিন কত লোকে এসেছে। তারপর শাস্তির ব্যাপারটাও আছে, ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি। তাহলে তো মনে হতে পারে যাদের ভয় পাবার কথা ভয় পাচ্ছে বা সাধারণ লোকে সহানুভূতিশীল হচ্ছে, মানবিক হচ্ছে........................কিন্তু আদৌ কি কিছু বদলাচ্ছে? আমার তো কেমন মনে হচ্ছে মিডিয়ার টি আর পি ভাবনা ও কিছু সংবেদনশীল মানুষের সত্যিকারের কনসার্ন ছাড়া, এমনকি সাধারণ লোকও যে তিমিরে ছিল সেই তিমিরে আছে!

    গল্পটা হল, কিছুদিন আগে আমাদের একটি প্ল্যান্টে (বড় একটি শহর থেকে বেশী দুরে নয়) দুটি জুনিয়র মেয়ে অফসাইট এরিয়ায় কিছু সমস্যা অ্যাটেন্ড করতে গিয়েছিল, সেদিকটা লোকের চলাচল কম। দুটি ছেলে বাইকে করে এসে এদের একজনকে প্রায় মলেস্ট করে, দুজনে কোনোরকমে পালায় সেখান থেকে(খুব ডিটেল আমি এখনো জানিনা, ফোনে এর চেয়ে বেশী কথা হয়না)।
    মেয়েদুটি খুবই জুনিয়র, তবু ওরা এইচ আরের দুজন অফিসারের কাছে গিয়ে ঘটনাটা বলে। ভেবে দেখুন একটা প্ল্যান্ট প্রেমিসে এরকম ঘটনা, রাস্তায় নয়। সি আই এস এফ থাকা সত্বেও, এত টাইট সিকিউরিটিতে বাইক নিয়ে বাইরের ছেলে ঢুকল কী করে (আমার মনে হয় সম্ভবত এরা ভেতরের কনট্রাক্টরের লোক, বাইরের লোক ঢোকা সম্ভব নয়)।
    ঘটনাটা মারাত্মক, ওই প্ল্যান্টে অনেক মেয়ে আছে এখন, তবু দুই এইচ আর অফিসার (লক্ষ্য করুন পুরো পুলিশের মতই), মেয়েদুটির কথা তো শোনেই না উল্টে বলে, "মেয়েদের সঙ্গে এরকম একটু আধটু হতেই পারে, বাইরে ফিল্ডে কাজ করতে বেরিয়েছ, এরকম হবেই)।

    ব্যাপারটা ওখানেই ধামাচাপা পড়ে, এরপরে নাকি দু চারটি ইন্টারন্যাল সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্টের মত ব্যাপারেও জুনিয়র মেয়েরা আর সাহস করে কাউকে কিছু বলেনা। ওই প্ল্যান্টে একটি সিনিয়র মহিলা আছেন, বাঙালী আমার খুব ক্লোজ, মেন্টেনান্সে, কিন্তু তার কাছে যাওয়ার মত সাহস মেয়েগুলির হয়নি।
    মাসখানেক আগে আমার খুব ক্লোজ, বোনের মত একটি বাঙালী মেয়ে, এইচ আরের, ওখানে বদলি হয়ে গেছে। আমি এমনিতে সবজায়গায় খোঁচা দিই, সবাইকে বলি উইমেন সেল খুলতে, সেঃ হ্যাঃ নিয়ে অ্যাওয়ারনেস বাড়াতে বিশেষ করে জুনিয়রদের মধ্যে, সাহস করে যাতে ওরা এগিয়ে আসে, কমপ্লেন করে।
    তা এই মেয়েটিও আমাদের সঙ্গে আছে যদি এইচ আর বলে খুব সরাসরি থাকেনা (এইচ আরের কেউই আমাদের পছন্দ করেনা)। তা ও গিয়ে প্রথমেই সেক্সুয়্যাল হ্যারাসমেন্ট সেল গঠন করেছে, সিনিয়র মহিলাটিকে চেয়্যারম্যান করে। সেইসময় কথা বলতে গিয়ে অনেক চেষ্টা চরিত্রের পরে মেয়েরা মুখ খুলেছে, বিশেষ করে ওই দুটি মেয়ের ব্যাপারটা।
    এই দুজন মহিলা তখন হৈচৈ করেছে, এইচ আরের লোকেরা ওদের চুপ করাতে চেয়েছে, এবং এখনো বলে যাচ্ছে বাইরের ছেলে ছিল (সিকিউরিটি ল্যাপ্সের দায়িত্ব ওদের নয়)। শেষমেশ এরা ব্যাপারটাকে জি এমের কাছে নিয়ে যেতে পেরেছে, তখন রৈ রৈ কান্ড। আরো বড় অধিকারী ওই প্ল্যান্টের, তিনি এসে মেয়েদের সঙ্গে মিটিং করেছেন, এইচ আরের সেই মহান দুজনের সঙ্গে সঙ্গে ট্R্যান্সফার, এবং ওয়ার্নিং দেওয়া হয়েছে যে দরকার হলে স্পেশ্যাল কেস হিসেবে টার্মিনেট করা হবে।

    এবং ওই মিটিংয়ে মেয়েদের এত প্রবলেম, ডিস্ক্রিমিনেশন সামনে এসেছে যে বিগ বস ফাইন্যালি আমার ঐ দিদিকে ডেকে পাঠিয়েছে ওয়ান টু ওয়ান ডিসকাশনে।
    কিন্তু এখনো অনেকেরই ধারণা মেয়েরা এত হৈচৈ না করলেই পারত, এইচ আরের লোকদুটি ভিক্টিম এবং এই দুই সিনিয়র বাঙালী মেয়েই যত নষ্টের গোড়া!
  • kumu | ১০ আগস্ট ২০১৩ ২০:২১158323
  • সতীশ অতুলনীয়, কোন জবাব নাই।
  • শ্রাবণী | ১০ আগস্ট ২০১৩ ১৯:৫৬158322
  • অক্ষ, লাউয়ে কোনো পুর দিইনা। তবে ঐ সর্ষে পোস্তর পুর দিয়ে অনেককিছু ভাজা হয় তো, সেদিন কাঁকরোল ভাজা করলাম, দুভাগে কেটে সর্ষে পোস্তর পুর ভরে চালবাটা দিয়ে ভাজা।

    কালকে তীজে হলদিরামে ঘেওর নিয়ে মারামারি। আমরা যেতে যেতে সব শেষ। শেষে একটা ছেলে আমার করুণ মুখ দেখে বলল, কালাকাঁদ ঘেওর নিলে আধকিলো দিতে পারে, আর কিছু নেই। তাই নিয়ে চলে এলাম, অত অল্পে ভাগে প্রায় কিছুই পড়েনি। তাই সতীশ এখন গাড়ি আনতে গিয়ে দুরকমের ঘেওর নিয়ে এল, দুটোই দারুণ খেতে, আজ নাকি কোনো মারামারিই ছিলনা!
  • a x | ১০ আগস্ট ২০১৩ ১৯:৪৩158321
  • শ্রাবণী যে লাউভাজার কথা বলল, ঐরকম চালকুমড়োতে মাঝে চিরে নারকেল সর্ষে/পোস্তো পুর দিয়ে চালবাটায় ডুবিয়ে ভাজা, আহা!
  • s | ১০ আগস্ট ২০১৩ ১৯:৩৮158320
  • কাজু,গাঠি কচু দিয়ে ভেটকির রেসিপি টা একটু লিখে দিও পারলে। শুনেই খুব জানতে ইচ্ছে করছে।
  • a x | ১০ আগস্ট ২০১৩ ১৯:২৯158319
  • বেশ তাহলে খোসা প্রোজেক্টে গ্রীন সিগন্যাল দিয়ে দেব।

    কাল সিঁফোর দেওয়া সিনেমাটা দেখে ঘুমোতে গিয়ে কতবার যে ঘুম ভেঙ্গে গেল!
  • kk | ১০ আগস্ট ২০১৩ ১৮:৪৯158318
  • অক্ষদা জিগ্যেস করছিলো কেউ তরমুজের খোসার তরকারি খেয়েছে কিনা। আমি তরমুজের খোসার আচার খেয়েছি। ভালো খেতে।
  • ladnohc | ১০ আগস্ট ২০১৩ ১৮:৪১158317
  • মাঝে মাঝে অন্নজল ত্যাগ করা/করানো তো বেশ ভালো ব্যাপার!
  • ম্যাক্সিমিন | ১০ আগস্ট ২০১৩ ১৮:১৪158316
  • এই তো নেমন্তন্ন পেয়েছি। কেয়া মস্তি।
  • শ্রাবণী | ১০ আগস্ট ২০১৩ ১৮:১০158315
  • আমার বাড়ি এসে শুধু আলুসেদ্ধ খেয়ে গেলে আমার বর নির্ঘাত দুঃখে অন্নজল ত্যাগ করবে!
    শুধু আলুই যদি খাবে তাহলে আলুসেদ্ধ কেন, আলু দিয়ে কত কী হয়!
  • Kaju | ১০ আগস্ট ২০১৩ ১৮:০৩158314
  • এঁটো হাত কড়কড়ে হয়ে গেলে বেশ সুবিধে, কারুর পিঠের ওপর হ্যা হ্যা করতে করতে ঝপাট করে ফেলে ঝেড়ে নিলেই আর ধোয়ার দরকার পড়ে না ! আর যার জামা, সে বাড়ি না যাওয়া অব্দি বুইদেও পারবে না।
  • ম্যাক্সিমিন | ১০ আগস্ট ২০১৩ ১৮:০০158313
  • আমিও যাব। শ্রাবনী আমার জন্যে আলুসেদ্ধ দেবে। তারপর এঁটোহাত কড়কড়ে হয়ে যাওয়া পর্যন্ত আড্ডা দেব।
  • Sibu | ১০ আগস্ট ২০১৩ ১৭:২৮158312
  • শ্রাবনীর আর দোষ কি? উডপুসীরা কি খোসা ছাড়িয়ে খায়?

    শ্রাবনীর রান্না খাবার জন্যেই দিল্লী যাব।

    মক্ষি কি আর করবে। নিয়ম না মেনে তো উপায় নেই।
  • ম্যাক্সিমিন | ১০ আগস্ট ২০১৩ ১৭:২৪158311
  • আবার দেখো, কলকাতার বাইরে গেলে ম্যাজিক। শুধু পুরী বাদ। পুরীর জল সহ্য হয়নি।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত