এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • h | ১১ আগস্ট ২০১৩ ০৭:৪৭158400
  • কেউ নিজের কাজের জগতের কথা লিখলে আমার খুব ভালো লাগে। থ্যাংক্স লামা।
  • সায়ন | ১১ আগস্ট ২০১৩ ০৫:৪০158399
  • শ্রাবণীদি লামাদাকে অনেক অভিনন্দন। নির্ভীক সৈনিকেরা, লড়তে থাকো।
  • Lama | ১১ আগস্ট ২০১৩ ০২:০৯158398
  • পুনশ্চঃ কে কোন পরীক্ষা পাশ করেছে সেটাও সবাই জানতে পারে, কারণ চোখের সামনেই দেখা যায় অমুকের অমুক পদে প্রমোশন হল আর তমুকের হল না।

    তবে এত সব বলার পরেও মানছি, জালি সব সিস্টেমেই আছে, বিশেষতঃ আমাদের দেশে। কিন্তু লিখিতপড়িত সিস্টেম হিসেবে মাইনিং ইন্ডাস্ট্রিতে এই যোগ্যতা নির্ধারণের ব্যাপারটা যথাসম্ভব ফুলপ্রুফ।

    কিন্তু যেটুকু জালি এই সিস্টেমে হওয়া সম্ভব সেটাকে ডিপ্লোমা হোল্ডারদের পিছিয়ে থাকার কারণ হিসেবে যথেষ্ট বলে ভাবা যাচ্ছে না। বিশেষ করে ওই পরীক্ষাটা একটা গাঁট- ওটাতে জালি হয় এরকম আজ পর্যন্ত শুনিনি। ঐ পরীক্ষায় যে পাশ করবে সে প্রমোশন পাবে, বাকিরা পাবে না- ব্যস
  • Lama | ১১ আগস্ট ২০১৩ ০২:০২158397
  • শিবুদা, যেহেতু কয়লা বা আকরিক উৎপাদনের পরিমানটা লুকনো থাকে না বরং যে খনিতে বেশি উৎপাদন হয় তার কর্মী ও ম্যানেজাররা ফলাও করে সেটা প্রচার করে সেহেতু লোকজন আউটপুটের মূল ফ্যাক্টরটা জেনেই যায়। দুর্ঘটনা ইত্যাদির খবরও চাপা থাকে না।

    আকরের কোয়ালিটিটা হিসেবে ধরা হয়। যন্ত্রপাতির সুযোগসুবিধাও। ইঞ্জিনিয়ার বা বা ফোরম্যান ছাড়া শ্রমিকদের ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতার পার্থক্য খুব একটা ম্যাটার করে না (যদিও বছরের পর বছর দেখতে দেখতে এঁরা অনেক কিছু শিখে যান কিন্তু পুঁথিগত বিদ্যা না থাকায় সেই শিক্ষা কাজে লাগানোর সুযোগ সিস্টেম এঁদের দেয় না), তবে শারীরিক সক্ষমতা ম্যাটার করে কারণ এঁদের প্রধান কাজ ভারি জিনিস বওয়া বা ওয়াগনে মাল লোড করা। সেটা অবশ্য মাপার তেমন উপায় নেই। কিন্তু সেটা একজন ডিপ্লোমাধারীর ক্ষোভ জন্মাবার কারণ হিসেবে যথেষ্ট দুর্বল যুক্তি নয় কি?
  • a x | ১১ আগস্ট ২০১৩ ০১:৫৯158396
  • Sibu | ১১ আগস্ট ২০১৩ ০১:৫২158395
  • যদি আউটপুট/ইউনিট ইনপুট পারফরমেন্সের মেজারমেন্ট হয় তাহলে মানতেই হবে প্রসেস ট্রান্সপারেন্ট। সেক্ষেত্রে অ্যাপ্রাইজাল নিয়ে কমপ্লেন করার কারণ দেখি না।

    তবু দু-একটা কৌতুহল।

    ১। সব ইঞ্জিনীয়ারের আউটপুট কি বাকীরা জানতে পায়?

    ২। ইনট্যানজিবল কিভাবে ইনপুটে ঢোকানো হয়? কারো খাদানে হয়তো জাস্ট বেশী/ভাল আকর আছে। বা কারো লেবারেরা বেশী এক্ষপিরিয়েন্সড।
  • ম্যাক্সিমিন | ১১ আগস্ট ২০১৩ ০১:৫১158394
  • ফাইল নতুন করে ঘাঁটতে গিয়ে কী দেখেছিলাম সেটা আন্দাজ করার ভার অঙ্কের লোকেদের ওপর ছেড়ে দিলাম।
  • Lama | ১১ আগস্ট ২০১৩ ০১:৫০158393
  • বয়স্ক ডিগ্রি হোল্ডার আর মাঝবয়েসী ডিগ্রি হোল্ডারের তুলনা? এদের দুজনের মধ্যে একমাত্র পার্থক্য কার তত্ত্বাবধানে কত টন কয়লা বা পাথর বেরিয়ে আসছে সেই সংখ্যাটা। সেটা দিয়েই হয়। তাছাড়া পরিবেশ সুরক্ষায় কে কটা পুরস্কার পেয়েছে, কার এলাকায় কত বছরে কটা দুর্ঘটনা ঘটেছে এইগুলো থাকে।
  • Lama | ১১ আগস্ট ২০১৩ ০১:৪৬158392
  • মাইনিং ইন্ডাস্ট্রিতে কিন্তু ইভ্যালুয়েশন খুব স্বচ্ছ এবং অবজেক্টিভ। আমার তত্ত্বাবধানে থাকা এলাকা থেকে কত টন কয়লা উৎপাদন হয়েছে (আমার লোকলস্কর এবং যন্ত্রপাতির অনুপাতে) সেটা আমার আউটপুট। আর তাছাড়া কিছু লিখিত পরীক্ষায় পাশ করার ব্যাপার থাকে যেটাতে ডিপ্লোমা হোল্ডাররা সাধারণতঃ প্রথমদিকে ডাহা ফেল করে। তাছাড়া কলেজে থাকাকালীন প্রতি বছর দু তিনবার করে একমাসের ট্রেনিংএ যেতে হয় যেটা চাকরিজীবনের অভিজ্ঞতায় বছরের সংখ্যার সঙ্গে যোগ হয়। ডিগ্রি কলেজে এটা বাধ্যতামূলক কিন্তু সব ডিপ্লোমা কোর্সে নয়। এবারে, ছাত্রজীবনে, ছুটিতে টেনিং করার চাইতে বাড়ি যাবার ইচ্ছেটাই জোরদার হওয়া স্বাভাবিক। তাই ডিগ্রির ছাত্রদের নাম কা ওয়াস্তে হলেও অন্ততঃ মাস ছয়েকের অভিজ্ঞতা বাধ্য হয়েই করে নিতে হয়। সেখানেও সে এগিয়ে থাকে।
  • Blank | ১১ আগস্ট ২০১৩ ০১:৪৫158391
  • আমাদের আইটি কনসাল্টেন্সি বেঁচে থাক। এমনি আল বাল অ্যাবিউজ হয় না। লোকে ভালো ফান্ডু রিসোর্স পেলে বেঁচে যায়।
  • Blank | ১১ আগস্ট ২০১৩ ০১:৪৩158390
  • লামাদা আর শ্রাবনীদি কে কনগ্র্যা (কেন !!)
  • Sibu | ১১ আগস্ট ২০১৩ ০১:৪০158388
  • বয়স্ক ডিগ্রীহোল্ডার আর মাঝবয়েসী ডিগ্রীহোল্ডারের তুলনা কেমন হয়?
  • maximin | ১১ আগস্ট ২০১৩ ০১:৪০158389
  • লামা ও শ্রাবনীকে অভিনন্দন।
  • Lama | ১১ আগস্ট ২০১৩ ০১:৩৮158387
  • আর শিবুদার 'লামা যে কথা বলল সেটা কিন্তু ডিপ্লোমা এবং ডিগ্রী হোল্ডার সকলের জন্যই চলে। ' প্রসঙ্গেঃ

    ডিগ্রী ও ডিপ্লোমা হোল্ডার সকলের জন্য চলে না। একজন বয়েস বেড়ে যাওয়া ডিগ্রি হোল্ডার একজন বয়েস বেড়ে যাওয়া ডিপ্লোমাধারীর চেয়ে বেশি আউটপুট দেয়, অন্ততঃ মাইনিঙে। এমনকি, একজন কমবয়েসী ডিগ্রী হোল্ডারও একটা সময়ের পর একজন বয়স বেড়ে যাওয়া ডিপ্লোমার চেয়ে বেশি আউটপুট দেওয়া সত্ত্বেও ডিপ্লোমাওয়ালার চেয়ে কম বেতন পায় তথাকথিত 'অনভিজ্ঞতা'র কারণে। কিন্তু একটা সময়ের পর পরিসংখ্যান কথা বলতে থাকে। ফলে পাঁচ বছর না হলেও পঁচিশ বছর পর ডিগ্রিধারীর পাল্লা ডিপ্লোমাধারীর চেয়ে বেশি হয়ে থাকে, কারণ অভিজ্ঞতাজনিত অ্যাডভান্টেজ দুজনেরই সমান, বরং ডিগ্রিধারীর কিছু বাড়তি মূল্য আছে তার ফর্মাল পড়াশোনা এবং বলিয়ে কইয়ে হবার কারণে। ফলে শেষ হাসিটা সে-ই হাসে।

    এই দশ বছর পর প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ার ভয় থেকেই শুরু হয় নতুন ছেলেদের র‌্যাগ করা।
  • Sibu | ১১ আগস্ট ২০১৩ ০১:৩৫158385
  • সেটা তো থাকেই। কেউই নিজের পজিশন হারানোর সম্ভাবনা পছন্দ করে না। একটা সমস্যা হল আউটপুট অবজেক্টিভলি মাপা খুব সহজ নয়। বেশীরভাগ কোম্পানীতেই ইভ্যালুয়েশন খুব ওপেক প্রসেস। অনেকটাই সাবজেকটিভ। কাজেই ডিপ্লোমা হোল্ডারেরা আউটপুট মেজারমেন্টের কথাটা সবসময় বিশ্বাস করে না। রেইজ ইঃ সম্বন্ধেও একথা খাটে।

    ডিঃ আমি ডিগ্রীধারী, ডিপ্লোমাওলা না।
  • কালপুরুষ | ১১ আগস্ট ২০১৩ ০১:৩৫158386
  • ধন্যবাদ।আমি হাতে সময় পেলেই টই খুলবো।তবে,আপনারা যেহেতু সামাজিক অবস্থানে সুপ্রতিষ্ঠিত এবং ইন্টারনেট আপনারাই বেশি ব্যবহার করেন।সেক্ষেত্রে আপনাদের কাছ থেকে প্রতিবাদটা হওয়া জরুরী।আমি সময় পেলে জানাবো কিভাবে সি আই এ এর লোকাল ফিল্ড অপারেটিভরা তাবৎ দুনিয়া নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।আমাদের কেন্দ্রীয় সরকার আমেরিকার ক্রীড়নক।আমরাও কি তাই?
  • maximin | ১১ আগস্ট ২০১৩ ০১:৩২158384
  • প্যাকেজ চালানো নিয়ে একটা গল্প মনে পড়ল। এক সিনিয়র কলীগ ধরাকরা করে আমাদের বিভাগের সঙ্গে নিউক্যাসল ইউনিভের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এর ফ্যাকালটি এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম জোগাড় করেছেন, বিষয় ট্র্যান্সপোর্ট। বা ট্র্যান্সপোর্টেশন। প্রথমে যিনি এলেন তিনি রোড সেইফটি বিষয়ে লেকচার দিলেন, এবার আমাদের বিভাগ থেকে এক জন যাবে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে রোড সেইফটি নিয়ে বলতে। সরকারি অফিসে যাওয়ার অভ্যেস ছিল, লালবাজার আমিই গেলাম। কলকাতার রাস্তায় কোন ভেহিকল কটা অ্যাকসিডেন্ট করেছে, বেশ কয়েকবছরের মান্থলি ডেটা সম্বলিত যাবতীয় ফাইল দিয়ে দিল। প্রিলিমিনারি এক্সারসাইজ হিসেবে কী একটা মালটিপল রিগ্রেশনের প্যাকেজ চালানো হল, প্যাকেজ ফেল মারলো। বিভাগে একজন প্রোগ্রামার ছিলেন, তিনিও ফেইল। তারপর ফাইল আবার ঘাঁটতে গিয়ে দেখি কী ...
  • Lama | ১১ আগস্ট ২০১৩ ০১:২৯158383
  • কালপুরুষকে এই নজরদারির ব্যাপারটা নিয়ে একটা টই খোলার অনুরোধ রইল। খুব দরকারী বিষয়।
  • Lama | ১১ আগস্ট ২০১৩ ০১:২৮158382
  • শিবুদা, বয়েস বাড়লে মাইনে কমা কাম্য নয়। কিন্তু বয়েস বাড়লে মাইনে বাড়াও কাম্য নয়।

    মাইনিং ইন্ডাস্ট্রিতে এটা প্রমাণিত সত্য যে প্রথম কয়েক বছর অভিজ্ঞতার পর একজন গ্র্যাজুয়েট একজন ডিপ্লোমা হোল্ডারের চেয়ে বেশি আউটপুট দেন। বিশেষত, খনিতে ম্যানেজার হতে গেলে 'ফার্স্ট ক্লাস সার্টিফিকেট' বলে একটা লিখিত পরীক্ষা দিতে হয় যেটা গ্র্যাজুয়েটদের বেশিরভাগ একবার বা দুবারের চেষ্টায় পাশ করে যেখানে ডিপ্লোমা হোল্ডারদের দেখা যায় দশ পনেরোবার দিয়েও পাশ করছেন না।

    যেখানে একটা নির্দিষ্ট উচ্চপদের জন্য এরকম পরীক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে, সেখানে যে যোগ্যতামান অতিক্রম করবে সেই সেই পদে বসবে সেটাই স্বাভাবিক নয় কি? তাই প্রায়ই দেখা যায় একজন পঞ্চাশ বছর বয়স্ক ডিপ্লোমাধারী একজন তিরিশের ডিগ্রিধারীর অধস্তন।

    এই কয়েক বছর পর অধস্তন হয়ে পড়ার ইনসিকিওরিটিটাই এঁদের প্ররোচিত করে নতুনদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করতে।
  • Sibu | ১১ আগস্ট ২০১৩ ০১:১৮158381
  • সদা যেটা বলল সেটা ঠিক কথা। কোথাও কোথাও ফর্ম্যাল লেখাপড়া কাজে লাগে। আমি যে কাজটা করি এখন সেটায় ফর্ম্যাল লেখাপড়া খুবই কাজের। এই কদিন আগে একটা ইভেন্ট ড্রিভেন সিস্টেম বানালাম যেটা ফাইনাইট স্টেট অটোম্যাটা দিয়ে হবে না, একটা স্ট্যাক মেশিন লাগবে। সেরকম সদার কাজেও তাই। আমি বেশীরভাগ জায়গার কথা বলছি।

    আউটপুট নিয়ে লামা যে কথা বলল সেটা কিন্তু ডিপ্লোমা এবং ডিগ্রী হোল্ডার সকলের জন্যই চলে। অর্থাৎ বয়েস বাড়লে একটা থ্রেশোল্ডের পর আউটপুট কমে যায়। সেক্ষেত্রে বয়েস বাড়লে মাইনে কমার একটা অপশন থাকা উচিত। কিন্তু সমাজের দিক দিয়ে সেটা কি অ্যাকসেপ্টেবল হবে? এমনকি লামার কাছেও?
  • কালপুরুষ | ১১ আগস্ট ২০১৩ ০১:১৭158380
  • গোটা টা লিখতে গেলে আরেকটা টই খুলতে হয়।সংক্ষেপে বলার চেষ্টা করছি।২০০৭ সালে জর্জ বুশের জমানায় PRISM নামে একটি নজরদারি প্রোগ্রাম চালু হয়।যদিও ইলেক্ট্রনিক সার্ভেলান্স এর ইতিহাস অনেক পুরোনো।সেই সত্তরের দশক থেকেই।এডোয়ার্ড স্নোডেন জুন মাসের ৬ তারিখে দ্য গার্ডিয়ান আর ওয়াশিংটন পোস্টে এই নজরদারি'র খবরটা ফাঁস করেন।আমাদের সাধের ফেসবুকও ২০০৯ সাল থেকে এই প্রোগ্রামের আওতায়।যেকোনো ইলেকট্রনিক ডেটা সি আই এ অ্যাকসেস করতে পারে বিনা অনুমতিতে।যদিও ফাঁস হওয়ার পর আমেরিকা বলছে যে ওয়ারেন্ট ছাড়া তারা ডোমেস্টিক সার্কেলে এ প্রযুক্তি ব্যবহার করেনা,কিন্তু,তাদের দাবী কতটা বিশ্বাসযোগ্য তা নিয়ে সন্দেহ থেকেই যায়।
    দুনিয়ার ১৫০ টি জায়গায় ৭০০ টি সার্ভার বসানো আছে।গার্ডিয়ান পত্রিকাতে নজরদারি সার্ভার গুলির অবস্থান সংক্রান্ত যে ম্যাপ প্রকাশিত হয়েছে তাতে দিল্লীর কাছাকাছি স্থানে একটি সার্ভারের অবস্থান দেখানো হয়েছে।বর্তমানে প্রোগ্রামটির নাম এক্সকিস্কোর
  • Lama | ১১ আগস্ট ২০১৩ ০১:১০158379
  • আরেকটা ব্যাপার, এমন নয় যে এই ডিপ্লোমা হোল্ডাররা মাইনে বা অন্যান্য সুযোগ সুবিধা এইসব নতুন ছেলেদের চেয়ে কম পান, বরং অনেকই বেশি পান। তাহলে ঈর্ষা বা ক্ষোভ থাকার কোন কারণ নেই। তবু গ্র্যাজুয়েটদের সম্পর্কে এঁদের একটা জাতক্রোধ থাকে সেটা নিম্নলিখিত কারণে।

    ধরুন আজ আমি ট্রেনি। আমার জন্মের আগে থেকে ইন্ডাস্ট্রিতে আছেন এমন একজন ডিপ্লোমা হোল্ডার আমার চেয়ে অনেক ভাল কাজ জানেন এবং আমার চেয়ে কোম্পানীর কাছে বেশি মূল্যবান। সেই জন্য তিনি আমার চেয়ে বেশি মাইনে পান। তাহলে তাঁর রাগ কেন?

    তাহলে পাঁচ বছর পরের কথা ভাবুন, এই ডিপ্লোমা হোল্ডারটি তাঁর কর্মজীবনের প্রথম পাঁচ বছরে যা শিখেছেন পরবর্তী পঁচিশ বছরে তাঁর বেশি কিছু শেখেন নি (কারণ এই কাজে তেমন কিছু টেকনিক্যাল চ্যালেঞ্জ নেই তাই ব্যবহারিক কিছু শেখারও নেই)। মানে অভিজ্ঞতার নিরিখে আমার চাইতে পঁচিশটি বেশি বছর তাঁর কর্মক্ষমতায় বিশেষ 'ভ্যালু অ্যাড' করে নি (এটা তাঁর দোষ নয়, তাঁর জায়গায় আমি থাকলেও একই হত)। তাহলে যথেষ্ট সম্ভাবনা রইল যে, পাঁচ বছর পর আমার ও সেই লোকটির মধ্যে আউটপুটের কোন পার্থক্য রইল না। বরং বয়েস কম হবার কারণে আমার শরীর মন তাঁর চেয়ে বেশি কর্মক্ষম বলে আমার আউটপুট তাঁর চেয়ে বেশিই। তাছাড়া শিবুদা যেমন বলেছেন, আমার কিছু বাড়তি চেনাশোনা আছে বলে কোম্পানীর কাছে কিছু কদর থাকলেও থাকতে পারে। তারপর ধরুন ইংরেজি বলতে পারা ইত্যাদির কারণে (যেহেতু ডিগ্রি কলেজগুলোতে বলিয়ে কইয়ে হবার ওপর কিছুটা জোর দেওয়া হয়) বাইরের লোকের কাছে 'কোম্পানীর মুখ' হিসেবে ডিপ্লোমা হোল্ডারটির চেয়ে আমি বেশি কাম্য।

    তাহলে, শুধুমাত্র বয়েস বেশি হবার কারণে ঐ লোকটি চিরকাল আমার চাইতে বেশি বেতন পেতে থাকবেন কেন? বেশিরভাগ জায়গায় ডিপ্লোমা হোল্ডাররা প্রফেশনাল ক্ষেত্রে বয়েসটাকে একটা অ্যাডভান্টেজ হিসেবে দেখতে চান এবং সেটা পান না বলেই এই অ্যাবিউজগুলো করেন।
  • শ্রী সদা | ১১ আগস্ট ২০১৩ ০১:০০158378
  • শিবুদার পোস্টে মোটামুটি ক। শুধু আইটি নয়, কোর ইন্ডাস্ট্রিতেও বেশীরভাগ কাজ এমনকিছু রকেট সায়েন্স হয়না যে পার্টিকুলার কিছু অ্যাকাডেমিক কোয়ালিফিকেশন ছাড়া হবেনা।
    গোলমালটা বাধে যখন এক্সপিরিয়েন্সড অথচ ততটা অ্যাকাডেমিক্যালি সাউন্ড নয় টাইপ লোকজন ভাবে যে এক্সপিরিয়েন্সটাই আসল - ওসব থিওরি-টিওরি গপ্পো। কোলকাতার ইলেকট্রনিক্স/এমবেডেড সিস্টেমস সেক্টরের খবর কিছুটা রাখি - এই টাইপের লোকজনে ভর্তি। কুড়ি বছরের নাকি প্রোগ্রামিং এক্সপিরিয়েন্স এদিকে ফাইনাইট স্টেট মেশিন কাকে বলে জানেনা, ফটাফট সার্কিট বানাচ্ছে এদিকে বেসিক ইলেকট্রনিক্সের ফান্ডা দেখলে হাসি পায়, ক্যালকুলাস দূরে থাক বেসিক অ্যালজেব্রাও জানে না - এইসব লোকজন হচ্ছে সিনিয়র ইঞ্জিনিয়ার। তো নতুন পড়াশোনা জানা লোকজন ঢুকলে এদের তো প্রবলেম হবেই। আমার পুরোনো কোং এ এরকম একটি চিজ ছিল, প্যাঁচে পড়লে - একসময় কত কি বানিয়েছি, তোমরা তো এখন ইঞ্জিনিয়ার হয়ে ঢুকছো, আমাদের তো কেউ আর দাম দেয় না - করে কাঁদুনি গাইতো।
  • Sibu | ১১ আগস্ট ২০১৩ ০০:৫৭158377
  • লামার সাথে পুরোপুরি একমত। নতুন ছেলেদের (বা কাউকেই) হ্যারাস করা একেবারেই সমর্থন করা যায় না। এরকম একটা সিচুয়েশন যে হয় তার জন্য সিনিয়র ম্যানেজমেন্টই দায়ী।
  • Lama | ১১ আগস্ট ২০১৩ ০০:৫৩158376
  • ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি থাকাটা বিশাল বাহাদুরি কিছু নয়। অনেক 'অশিক্ষিত' শ্রমিকও মাইনিংটা আমার চেয়ে অনেক ভাল জানেন এবং এঁদের অনেককে আমি বিশেষ শ্রদ্ধা করে থাকি। অনভিজ্ঞ লোকদের বেশি সুযোগসুবিধা পেতে দেখে ক্ষোভ হওয়াও অত্যন্ত স্বাভাবিক। কিন্তু অনভিজ্ঞতার সুযোগ নিয়ে মা বোন তুলে গালি দেওয়াটা সেই সমস্যার সমাধান নয়। আপত্তির জায়গাটা সেখানেই।
  • siki | ১১ আগস্ট ২০১৩ ০০:৫১158375
  • কালপুরুষের বক্তব্যের সপক্ষে কোনও তথ্য আছে? ঠোস সাবুদ যাঅকে বলে?
  • Sibu | ১১ আগস্ট ২০১৩ ০০:৪০158374
  • বেশীরভাগ কাজেই ইঞ্জিনীয়ারিং ডিগ্রীটা টোটালি অদরকারী। অন্ততঃ আইটি বেশীরভাগ লোক কোন একটা প্যাকেজ চালায়, কনফিগার করে, অল্প-বিস্তর কোডায়। তার জন্য একটা বিএসসি পর্য্যন্ত পড়াশুনো, একটা বছর-খানেকের ডিপ্লোমাই কাফি হ্যায়। তবে অ্যাপটিচুড চাই।

    কোম্পানিগুলো দুটো কারনে বিটেক নেয়, এক হল জয়েন্টের র‌্যাঙ্ক ইত্যাদি দিয়ে ঐ অ্যাপটিচুডের বাছাই খানিক হয়ে যায়। আর একটা কারন হল ম্যানেজমেন্টের রিস্ক অ্যাভারসন। কোন কিছুতে গন্ডগোল হলে বলতে পারবে আমরা তো ঠিক কোয়ালিফিসনের লোকই নিয়েছিলাম। আর একটা কারনও কখনো কখনো থাকে। এছাড়া আইআইটি ইত্যাদি এলিট জায়গা থেকে লোক নিলে তাদের একটা কানেকশনের ব্যাপার থাকে। এই যেমন লামাকে (ও লামার থ্রু দিয়ে সিনিয়রকে) নতুন ইঞ্জিনীয়ারেরা চিনত। এই চেনাটা কখনো কখনো কোম্পানীর স্বার্থে কাজ করে যায়।

    এই সিস্টেমে অভিজ্ঞ ও যোগ্য ডিপ্লোমাধারীদের রাগ হওয়া স্বাভাবিক, এমনকি উচিত। কিন্তু তাই বলে বাচ্চাদের হ্যারাস করাটা মানা যায় না।
  • কালপুরুষ | ১১ আগস্ট ২০১৩ ০০:৩৩158373
  • দিল্লীতে আমেরিকার গুপ্তচর এজেন্সি সি আই এ একটা সার্ভার বসিয়েছে যার মাধ্যমে ভারতের যেকোন নাগরিকের উপর তারা খবরদারি চালাতে পারবে।মনে রাখা দরকার যে আধার কার্ড আদতে আমাদের যাবতীয় তথ্য সম্বলিত একটি ডেটাবেস যাকিনা নেটে আপলোড হবে এবং হচ্ছে।সুতরাং সি আই এ এর পক্ষে যে কাউকে অ্যাকসেস করা খুব সহজ হয়ে যাবে।এরা কিভাবে কাজ করে তার একটা উদাহরণ দিই।আপনি হয়ত নেটে ইয়ার্কি মেরেই হোক বা সিরিয়াসলি কোন আমেরিকা বিরোধী মন্তব্য করলেন।ভাগ্যক্রমে আপনার নাম যদি উর্দু বা আরবি শব্দ দিয়ে হয়,তাহলে মণিকাঞ্চন যোগে আপনি পর্যবেক্ষণের আওতায় চলে এলেন।এদের লোকাল ফিল্ড অপারেটিভ থাকে।বিভিন্ন দেশে এদের কুকীর্তির অনেক নজির আছে।মুশকিল হচ্ছে ভারতের নাগরিক সমাজ এর বিরুদ্ধে জোরালো প্রতিবাদ করছেনা।

    এই অবৈধ নজরদারি কি তাহলে আমরা মেনে নিচ্ছি?
  • শ্রী সদা | ১১ আগস্ট ২০১৩ ০০:২০158372
  • হনুদা, ইঞ্জিনিয়ারের মাইনের স্কেল টেকনিশিয়ানের চেয়ে ভালো না হলে খেটেখুটে ইঞ্জিনিয়ারিং কে পড়বে ! যখন টেকনিশিয়ানের স্কেলে স্যালারি দিয়ে ইঞ্জিনিয়ার পাওয়া যাবে (স্রেফ কয়েক বছর লাগবে আর) তখন এই ডিসক্রিমিনেশন থাকবে না। চাহিদা আর যোগানের গপ্পো আর কি।
  • siki | ১১ আগস্ট ২০১৩ ০০:১৪158371
  • জিও লামা।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত