এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • cm | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৭:৩১165391
  • অমি ভারী বোকা কমুনিকেট করার কোন কৌশলই নিজে আবিষ্কার করিনাই। মানে বাকষ্ফূর্তির আগের দিনগুলো বাদ দিলে। তাই বাচ্চা কমুনিকেট না করলেও তা মা বাবারই দেখার কথা। পিঠোপিঠি ভাইবোন থাকলে তারা এসব খুব সহজেই ডিটেক্ট করে।
  • de | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৭:৩০165389
  • দমদি, এই কথাগুলো তুমি বাড়িতে বলেছিলে?
  • i | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৭:২৮165387
  • দ,
    এতো সাংঘাতিক।
  • Kaju | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৭:২৮165388
  • সিয়েম্বাবু,
    আমার পোস্টটা পুরোটা পড়ে এই ভুল ধারণা হলে কিছু বলার নেই আর। আপনি মনে হয় শেষ অব্দি পড়েন নি। বাচ্চারা এত দোষগুণের বিচারের মধ্যে পড়লে কি আর বাচ্চা থাকত? তার বাড়ির পরিবেশই তো তাকে এই মেন্টাল কন্ডিশনের দিকে নিয়ে গেছে, যে আমাকে ওদের হাত থেকে বাবা মা-ও বাঁচাতে পারবে না। ও তো সেই আস্থাটাই হারিয়ে ফেলেছে।
  • i | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৭:২৭165386
  • এইট নাইনের মেয়ে মানে আমার মেয়ের বয়সী। তারা স্কুলের মধ্যে একটি দশ বছরের মেয়েকে বাথরুমে আটকে রাখছে, হুমকি দিচ্ছে-স্কুলে কেউ কিছু জানে না-কি করে সম্ভব জানি না।
  • | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৭:২৪165385
  • টাকা চাওয়াটায় অবাক হলাম আমিও। কিন্তু হুমকীতে নয়। কেজি ট্যু থেকে ক্লাস ট্যু পর্যন্ত আমি কলকাতার একটা বেশ বিখ্যাত স্কুলে পড়তাম। স্কুলের বাসে করে যেতাম। কেজি ট্যু-তে আমি একটু দেরীতে ভর্তি হয়েছিলাম, স্কুলে যেতে শুরু করি প্রায় ফেব শেষ থেকে। আমরা তার আগে কটকে থাকতাম। তাই প্রথম প্রথম অনেকদিন আমার কথার মধ্যে দুই একটা উড়িয়া শব্দ মিশে যেত। আমরা থাকতাম ভবানীপুরের ইন্দ্র রায় রোডে। আমাকে দেওয়া হল গোপালদার বাসে। এই বাস দুইবার আমাদের বাড়ীর ধারকাছ দিয়ে যায়। একবার রমেশ মিত্র আর প্রিয়নাথ মল্লিক রোডের ক্রসিং দিয়ে সকাল আটটা পনেরো নাগাদ। তারপর সারা দক্ষিণ কলকাতা ঘুরে মেয়ে তুলে এনে আবার হাজরার পূর্ণ সিনেমার মোড়ে প্রায় সাড়ে নটা, পৌনে দশটা নাগাদ।

    তো, অত সকালে মা আমাকে পাঠাতে চাইত না আর তারপর বাসে বসে অতক্ষণ ঘুরতে হবে বলে ঐ দেড় ঘন্টা বাদে পূর্ণর মোড়ে গিয়ে তুলে দিয়ে আসত। এবার সকালে বাসে উঠলে সব সীট ফাঁকা, দিব্বি বেছেবুছে বসা যায়। কিন্তু বেলায় উঠলে বসার সীট প্রায় থাকেই না। দ্বিতীয় দিনই পেছনের সীট থেকে এক শাড়িপরা দিদি ডেকে নিল। তারপর এটা সেটা জিগ্যেস করেই তিন দিদিতে খিলখিলিয়ে হাসি। এই পর্যন্ত আমি ভ্যস্ত। তখন আমার কথা শুনে অনেকেই হাসে, ভ্যাঙ্চায়। আমিও হাসি, কহনো কখনো লজ্জাও পাই।

    তারপর কিছুদিন বাদে শুরু হল অন্য খেলা। এরা দরজার সামনের সব সীটে অন্য মেয়েদের আগে থেকে বসিয়ে রাখে (এটা আমাকে পরে সুলগ্না বলেছিল) আর পেছনে নিজেদের মাঝখানে একটা জায়গা খালি রাখে। যেহেত্যু বাসে দাঁড়াবার নিয়ম নেই, তাই বাদলদা (কন্ডাকটার টাইপের) বাসে উঠতেই ঠেলে পেছনে পাঠিয়ে দেয়।ওখানে বসতে গেলেই এরা সামনে এট্টুখানি জায়গা ফাঁক রেখে নিজেরা জুড়ে বসে। দাঁড়িয়ে পড়লেই বাদলদা বকে, নয়ত এরা বসছি না কেন বলে বকা খাওয়ায়। বসলে শুরু হয় আমার চোখ (বা তার সমস্যা নিয়ে) শুরু হয় নানা মন্তব্য। এদিকে তখন আমি নিজের শারিরীক খুঁত নিয়ে খুব লজ্জিত থাকতাম। ফলে আমার মুখচোখ দেখেই হো হো হাসি আর অনবরত এমন এমন সব কথা যাতে আমি আরো বেশী করে লজ্জা পেয়ে যেতাম সে এক ভয়ংকর যন্ত্রণাদায়ক সময়।

    এরপরে স্কুল থেকে জানাল আমি বোর্ডের লেখা দেখতে পাই না। চোখে চশমা উঠল। এইবার এরা আরো নতুন খোরাক পেল। চোখ থেকে চশমা খুলে বাসের জানলা দিয়ে বাইরে ঝুলিয়ে রাখত। আর বলত কাউকে বলে দিলেই আমাকে বাস থেকে ধাক্কা দিয়ে দোতলা বাসের সামনে ফেলে দেবে। সে কি ভয় আর খারাপ লাগা আমার!!!

    কালকের খবরটা দেখে এইগুলো আবার মনে পড়ে গেল।
  • kumu | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৭:২৩165383
  • এমন কি হতে পারে মেয়েটির হার্টের বা অন্য অন্য কোন অর্গ্যানের সমস্যা ছিল তাই ইনজেকশন সহ্য হয় নি।
  • i | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৭:২৩165384
  • হ্যাঁ কুমুদি। আমি নিজেও ভুগেছি ইন্ট্রোভার্ট হওয়ার কারণে। কিন্তু ঐ যে লিখলেন, মা মুখ দেখেই বুঝে যেত।
  • san | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৭:২২165382
  • অনেক বাচ্চাই তো ইন্ট্রোভার্ট হয়। ট্রমা বা ডিপ্রেশনের ক্ষেত্রে সে কমিউনিকেট না করলেই বাবামাকে দোষ দেওয়া যায় নাকি ? স্কুলের নেগলিজেন্স তো আছেই। ডাক্তার বা বাবামাকে আরেকটু বেশি না জেনে দোষ দেওয়া কি ঠিক ?
  • kumu | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৭:২০165381
  • ক্রাইষ্ট চার্চ নামকরা স্কুল ছিল, এখনকার কথা জানি না।
    আমি সিএমের সাথে একমত।এত ছোট মেয়ের মুখে তাকালেই মা বাবার বুঝ্স্তে পারা উচিত কোথাও সমস্যা হয়েছে।
  • de | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৭:১৮165380
  • পঃ বঃ র স্কুল গুলোতে প্রিন্সিপ্যালকে ভগবানের মতো ট্রীট করা হয় -- অন্যান্য প্রদেশে প্রিন্সিপ্যালরা অনেক বেশী অ্যাকসেসিবল। রেগুলার পিটিএমও হয়না পঃবঃ র স্কুলগুলোতে -- এগুলো স্কুলের খামতি!

    সব ছোট বাচ্চারা তো একছাঁচে ঢালা হয় না -- অনেকেই ইন্ট্রোভার্ট হয় -- আমি যেমন স্কুলের কোন কথা বাড়িতে শেয়ার করিনি, কোনদিনও নয়! কেউ জানতেও চায়নি অবিশ্যি -- তবে চাইলেও বলতাম বলে মনে হয় না!

    নিজের এই অভ্যাসটা ছিলো বলেই আমি মেয়ের ক্ষেত্রে চুড়ান্ত সতর্ক হবার চেষ্টা করেছি -- বাড়িতে বকা খাবার ভয়ে যেন কোন কথা চেপে না যায়!
  • I | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৭:১৬165379
  • গা গুলোচ্ছে। টিভি খুলবার সাহস পাচ্ছি না।
  • cm | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৭:১৩165378
  • আমরা সবাই কি সফ্ট টার্গেট খুঁজছি?
  • cm | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৭:১২165377
  • কাজুবাবু কি বাচ্চাটিকে দোষ দিলেন? এ আসলে মা বাবার চূড়ান্ত ব্যর্থতা। চিকিৎসা বিভ্রাট কিনা তা ডাক্তরেরা বলতে পারবেন তবে যে ইঞ্জেকশন দেওয়া হয়েছে তা কাগজে বের হয়েছে উনি টিভিতেও বলেছেন। মনে রাখতে হবে বাচ্চাটি কয়েক দিন ধরে মানসিক কষ্টে ভুগছিল। ওর মা বাবা কি করছিলেন? মা বাবা ও যদি বলে দায়িত্ব নেব না সে অতি ভয়ঙ্কর সময়।

    টিভিতে ঐন্দ্রিলার মা বিচার চাইছেন। ওনার নিজের বিচার করছেন কি?
  • i | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৭:০৫165376
  • জানি না রে কাজু।
  • Kaju | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৭:০০165375
  • আমি কালই এটা ভাবছিলাম ইন্দ্রানীদি। তুমি বলেছিলে ওখানে পড়তে। আমাদেরই পাড়ার প্রায়।

    সমস্যাটা হল, মেয়েটা বাবা মা-কে এসব কিছুই জানালো না কেন? ট্রমা হতেই পারে, কিন্তু তারপর বাড়ি ফিরে বাচ্চারা তো বাবা মা-র কাছেই আল্টিমেট শেল্টার খোঁজে, দরকার হলে নালিশ করুক যে এরা আমাকে এরম ভয় দেখিয়েছে, তারপর স্কুল তার ব্যবস্থা নেবে, কী কারণে নিজের মধ্যে গুমরে বসে রইল সেটাই তাজ্জব। আজকালকার বাচ্চারাও কী অদ্ভুত রকম একা। বাবা মা স্কুল কেউ ওকে বাঁচাতে পারবে এই বিশ্বাসটাই কি নেই? নইলে ঘটনাটা ঘটেছে বেশ কদিন আগে, এর মধ্যে একটিবারও তাকে মুখ ফুটে বলানো যায় নি। অবশ্য আদর দিয়ে, কায়দা করে বাড়িতে ভয়ের কোনো কারণ নেই এভাবে বলানোটাও আজকাল বাবা মায়েরা পারেন না? এতটাই ধৈর্যের অভাব? এতটাই দূরত্ব তৈরি হয়ে গেছে ছেলেমেয়ের সঙ্গে?

    আর ওই ডাক্তারকে তো অ্যারেস্ট করা উচিৎ। মৃত্যুর প্রত্যক্ষ কারণ তো ইনজেকশন।
  • i | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৬:৫৬165374
  • সে,
    আমার স্কুল। দমদম ক্লাইভ হাউজের ক্রাইস্ট চার্চ গার্লস হাই স্কুল। ১১ বছর কাটিয়েছি। আমার গর্বের জায়্গা। এখানেও লিখেছি স্কুল নিয়ে।
    কাগজ পড়ে যা মনে হল, চিকিৎসাবিভ্রাটই হয়তো মৃত্যুর প্রত্যক্ষ কারণ। কিন্তু ক্লাস এইট নাইনের মেয়েরা টাকা চাইছে, বাথরুমে আটকে রাখছে, হুমকি দিচ্ছে-এ আমার ভাবনার অতীত ছিল।
    শুনলাম এখন ভাঙচুর চলছে স্কুলে।
    খুব অস্থির লাগছে সব মিলিয়ে।
  • Blank | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৬:১০165373
  • এই প্রসঙ্গে বলে যাই যে ইস্কুলে মারামারি, নীচু ক্লাশ বা উঁচু ক্লাশের ছেলে পিলের সাথে - সে আমরা বহু করেছি। মাঠ দখল, জায়গা দখল এসব তো থাকেই।
    তারপর ল্যাবের বাইরে থেকে ছিটকিনি টেনে দিয়ে ফিউজ খুলে নিয়ে চলে আসা যাতে ভেতরে ফ্যান না চলে, সাইকেলের হ্যান্ডেলে বিচুটি ঘষে দেওয়া, নিয়মিত কারোর কারোর টিফিন ঝেড়ে দেওয়া এসব তো ছিলো ই। এগুলো একবার ও নৃশংস কাজ বলে তখন মনে হয় নি।
  • de | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৫:২৪165372
  • আমার মেয়ে ক্লাস এইটে ছিলো বারো বছরে -- ওই সময় ওদের ক্লাসের প্রায় প্রত্যেককে আমি চিনতাম -- এই বয়সী মেয়েরা এটা করেছে, এটা আমার অস্বাভাবিক নিষ্ঠুরতা বলে বোধ হয়েছে। ওদেরকে তো দেখতাম ছোট বাচ্চাদের প্রোটেক্ট করতে -- তাদের নিজেদের ক্লাসের কোন বাচ্চা হয়তো মারছে, এরা গিয়ে বাঁচাতো! অদ্ভুত ব্যাপার হোলো -- স্কুলে দিনের পর দিন এরকম হচ্ছে অথচ টীচাররা কিছু জানতেন না? এরা টীচার হওয়ারই অযোগ্য।

    আমার মেয়েদের স্কুলে একটা নিয়ম আছে, ক্লাস নাইন-টেনের দাদা-দিদিরা টিফিনের সময় ছোটদের ক্লাসে ডিউটি দেয় -- টিফিন ঠিকঠাক খাচ্ছে কিনা, জাঙ্ক ফুড আনছে কিনা বা মারামারি করছে কিনা, সেটা ক্লাস টীচারকে রিপোর্ট করা এদের দায়িত্ব।
  • siki | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৪:২৯165371
  • যে স্কুলই হোক, আসলে উঁচু ক্লাস মানে, ক্লাস এইটের মেয়েরা করেছে এটা। এইট মানে ১৪-১৫ বছর বয়স্ক। টিনএজার। তো, এই স্টেজের বাচ্চাদের নিষ্ঠুরতার সংজ্ঞা আলাদা হয়। প্রাপ্তমনস্ক লোকেদের কাছে সাংঘাতিক নিষ্ঠুর মনে হতে পারে এমন কোনও কাজ এদের কাছে নিতান্তই খেলা বা ঠাট্টা ইয়ার্কি বলে মনে হতে পারে। এই কেসটা বুলিং, কিন্তু ঠিক র‌্যাগিং নয়। র‌্যাগিং করার পক্ষে আমার মনে হয় মেয়েগুলো ছোট।

    আর সর্বোপরি, স্কুলকে দোষারোপ ইত্যাদি করার পরেও আমার মনে হচ্ছে বাচ্চাটার মৃত্যুর কারণ মেন্টাল ট্রমা নয়, চিকিৎসায় গাফিলতি। কী ইঞ্জেকশন দেওয়া হয়েছিল সেইটা নিয়ে এগনো উচিত। স্কুলকে যা শাস্তি দেবার সেটা দেওয়া হোক, কিন্তু মৃত্যুর জন্য স্কুল দায়ী বলে আমার মনে হচ্ছে না।

    ডিঃ, এখান ওখান থেকে যে টুকু পড়েছি, তার ভিত্তিতে অ্যানালিসিস। আমার মনে হওয়া ঠিক না-ও হতে পারে।
  • সে | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৪:২১165370
  • গার্ডিয়ানের আর্টিকলটা আগেই পড়েছিলাম। খুব খেটেখুটে তথ্য সংগ্রহ করে লেখা। সমস্যার সামগ্রিক একটা চিত্র দেখা যাচ্ছে যেটা আমাদের কাছে অজানা নয় কিন্তু উদ্বেগজনক কারন এই সমস্যা থেকে বেরোনোর উপায় জানা নেই।

    ঐন্দ্রিলা নামের মেয়েটি যে স্কুলে পড়ত সেখানে উঁচু ক্লাসের মেয়েরা র‌্যাগিং করছে, টাকা চাইছে, এটা কেমন ব্যবস্থা? ডাক্তার ভুল চিকিৎসা করেছে সেটা মেনে নিয়েও স্কুলের ছাত্রীদের এই অবস্থা কিছুতেই মানতে পারছি না। কোন স্কুল এটা?
  • kumu | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৪:০১165369
  • দিল্লী বাসী দের জন্য -ডেঙ্গু ও অন্য জ্বর খুব হচ্ছে, সাবধানে থেকো সবাই।
  • Blank | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৩:৫৪165368
  • গার্ডিয়ানের লেখাটা ভাল লেগেছে।
  • kumu | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৩:৪৪165367
  • গার্ডিয়ানের আর্টিকলটির লিং দেয়ার জ্স্ন্য পাইকে ধন্যবাদ।খুব পরিশ্রম করে তথ্য জোগাড় করা হয়েছে মনে হয়।খুব ভাল লেখা।
  • Tim | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৩:৩২165366
  • গার্ডিয়ানের আর্টিকলটা পড়লাম এখুনি। পাইকে ধন্যবাদ লিংকটা শেয়ার করার জন্যে।
  • cm | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১২:৫৪165365
  • ইস ঐ স্কুলে অভিভাবকেরা কী অসভ্যতাই করছেন, ছি ছি। কেউ ই আর দায়িত্ব নিতে চাইছেন না।
  • kc | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১২:৪২165364
  • বোঝাই যাচ্ছে সেদিন আমার দেওয়া লিংটা হানুদার হেব্বি ভাল লেগেছিল। হানুদা সেই আনন্দে পূজোর সময় বোলার্স ডেন এ খাওয়াতেও তো পারে।
  • kc | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১২:৩৫165363
  • কি সুন্দরভাবে এই ধর্ষণ, সামাজিক অত্যাচারের আড়ালে রাজনৈতিক নষ্টামিগুলো ঢেকে যাচ্ছে। আমার কেমন যেন মনে হচ্ছে লোককে অরাজনৈতিক করে দেওয়ারও কোনও একটা কল সাটলভাবে কাজ করছে।
  • h | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১২:২২165362
  • কিন্তু আমি প্রথমে কেসির কাছ থেকে আরেকটা পাল্টা বিদেশী কাগজের লিংক আশা করছি। সেটা এলে এটা পড়া শুরু করবো।
  • de | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১২:১৬165361
  • গার্ডিয়ানের আর্টিকলটা অসম্ভব ভালো -- সবাই পড়ুন অবশ্যই!
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত