এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • cm | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৯:৩৬165420
  • বাচ্চার সাথে দূরত্ব কে দূর করবে বাচ্চা না কি মা বাবা? সে কি মা বাবার পায়ে ধরে ধরায় অবতীর্ণ হওয়ার জন্য সাধছিল? উল্টোপিঠও আছে বুড়ো বয়সে মা বাবার খোঁজ রাখবে সন্তান। যখন যে তুলনামূলক ভাবে দুর্বল সবলে তার খবর রাখবে। এ নীতি ব্যাপকতর অর্থে প্রযোজ্য।
  • pi | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৯:৩৪165419
  • এই আপডেটটা পেলামঃ 'ছাত্রীর অস্বাভাবিক মৃত্যু কে ঘীরে দমদমের ক্রাইস্ট চার্চ স্কুলে অভিভাবকের লাগাতার ৮ ঘন্টার বিক্ষোভ চলছে। দুপুরবেলা ওই স্কুলটি রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়। এখন অভিভাবকদের দাবী প্রিন্সিপাল কে স্কুলের লেটার হেডে পদত্যাগ পত্র দিতে হবে। প্রিন্সিপাল সহ স্কুলের বাকী শিক্ষিকারাও স্কুলে বন্দী হয়ে আছেন।'

    ঐ মেয়েগুলির কোন শাস্তি বা কাউন্সেলিং হল কিনা সে বিষয়ে কোন আপডেট পেলামনা।
  • a x | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৯:৩১165418
  • বাচ্চারা দিনের পর দিন সেক্সুয়ালি অ্যাবিউসড হয়েও বাবা-মা কে বলেনা, এত হামেশা হচ্ছে। আশেপাশেও তো দেখছি। সেখানেও তাহলে বাবা-মার'ই দোষ বলতে হবে?
  • a x | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৯:২৭165417
  • লোকে প্রায় কিছুই না জেনে কী অসম্ভব জাজমেন্টাল হয়ে যাচ্ছেন দেখে অবাক লাগছে। বাবা-মাকে বাচ্চারা অনেক সময়ই কিছু বলেনা। দূরত্ব, ভয় এসব থেকে হয় নিশ্চয়ই, অনেক সময় বুঝতে পারেনা নিজের দোষ নয় কিন্তু ম্যানিপুলেট করে বোঝানো হচ্ছে যে নিজের দোষ। এই বাচ্চাটির ক্ষেত্রে হয়ত এমন হয়েছিল - বড় মেয়েরা এমন কিছু ভয় দেখিয়েছিল হয়ত। নিজেদের বাবা-মা'র সাথে এখানে কারো দূরত্ব নেই? ছোটবেলায় ছিলনা?
  • সে | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৯:১২165416
  • টিসির ভয় আমার নিজেরো ছিলো। শুধু তাই নয় বাবা টিবিরুগি ছিলো বলে বোর্ডিং থেকে তাড়িয়ে দিয়েছিলো। যেকোনোদিন ইচ্ছে হলে স্কুল থেকেও কোনো ক্ষুদ্র অজুহাতে তাড়িয়ে দিতে পারত। হয়ত রেজাল্ট ভালো করতাম বলে স্কুল নিজের স্বার্থেই তাড়ায় নি।
    আমার বোনের ঘটনাটায়ও অনুভাতি প্রথমে টিসি ফিসি কীসব বলতে গিয়েছিলো। তখন উল্টে আমাদের তরফ থেকে মেন্টাল টর্চারের গ্রাউন্ডে পুলিশ/মামলা/খবরেরকাগজে ফ্ল্যাশ করে দেওয়া এসবের ভয় দেখানো হয়। এতটা সম্ভব হয়েছিলো কারন আমরা জানতাম ম্যাক্সিমাম টিসি দিয়ে দেবে এবং তখন অন্যস্কুলে কষ্ট করে অ্যাডমিশনের ব্যবস্থা করতে হবে কিন্তু অন্যায়ের সঙ্গে আর আপোষ নয়।
    আসলে ভূতের ছায়াটা ভূতের চেয়েও কয়েকগুণ লম্বা। টিসি ফিসির ভয় তাই যত কম করা যায় ততই ভালো। আমার ছোটো মেয়েকে ক্লাস টেন এ (হ্যাঁ ঠিক দেখছেন - ক্লাস টেন এ) স্কুল বদলে অন্য স্কুলে ভর্তি করানো হয়েছিলো। আগের স্কুলে টিচারের বুলিইং চুড়ান্ত মাত্রা নিয়েছিলো। স্কুল টিসির ভয় দেখায় নি। টিসি আমরাই নিয়েছিলাম। বরং স্কুলই অনেক ক্ষমা টমা চেয়েছিলো।
  • potke | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৯:০১165415
  • শালা, পচে গলে যাচ্ছে আমার দেশ !
  • de | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৮:৫৭165414
  • টিসি ধরানোর ভয় আমাদেরো দেখাতো --
  • cm | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৮:৫০165413
  • স্কুলে যে টীজ করার কালচারের বিরুদ্ধে আমরা কেউ মুখটি খুলছিনা তারই বিকশিত রূপ হইল মেয়েদের পিছনে লাগা। ছেলেদের পিছনেও কি লাগে না কিন্তু সে নিয়ে কোন কথা হয়না।
  • cm | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৮:৪৫165412
  • তখন জানতামনা অটিজম কি। এখন জানি যে আমাদের ক্লাসে একটি অটিস্টিক ছেলে পড়ত আর একজন বিশেষ শিক্ষক রোজ তাকে পড়া ধরার নামে টর্চার করতেন।
  • | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৮:৪২165411
  • হ্যাঁ টিসি ধরানোর ভয় তো আকছার দেখানো হয়। ব্যাঙই তো কতবার লিখেছে কতরকম ঘটনা।
  • pi | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৮:২৮165409
  • দমদির ঘটনাটা কী সাঙ্ঘাতিক !
  • সে | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৮:২৮165410
  • হ্যাঁ সুষেণের স্কুল। যেখানে বাসের মাইনে না দিতে পারলে টিচার বাচ্চা মেয়ের গালে চড় মারে। ১৫-২০ বছর আগেও অত্যাচার হয়েছে।
  • সে | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৮:২৬165408
  • আজকাল স্কুল অথরিটির কাছে কম্প্লেইন নিয়ে যেতে ভয় পায় পেরেন্ট/গার্জেন। কিছু হলেই "মাই ডোর ইজ ওপেন"* স্টাইলে ট্রান্সফার সার্টিফিকেট হাতে ধরিয়ে দেবার ভয় দেখায় স্কুল অথরিটি।
    এই বাচ্চামেয়েটা তো ১০০ টাকার জন্যে বাড়িতে চুরিও করতে পারত মা বাবার মানিব্যাগ থেকে। কিন্তু সেতো তা করেনি। উঁচু ক্লাসের যে মেয়েগুলো এই বদমাইসি করেছে তাদের কোনো শাস্তি হচ্ছে না কেন? জুভেনাইল হলেও এই ধরণের অপরাধ তো শাস্তিযোগ্য বলেই মনে হয়।

    *অনুবর্তন(বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়)
  • sosen | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৮:২৪165407
  • এটা আমার স্কুল।
  • aka | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৮:২২165406
  • http://www.theguardian.com/world/2013/sep/10/delhi-gang-rape-india-women

    অনেকেই বলেছেন এই আর্টিকলটা ভালো লেগেছে। কেন একটু বলবেন কেউ?

    আমার একটুও ভালো লাগে নি। লেখাটার একটা চেনা গত আছে অবশ্যই। তাই জানতে চাইছিলাম কার কেন ভালো লাগল।
  • সে | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৮:১০165405
  • আমার ছোটোবোন ক্লাস সিক্সে পড়বার সময় এপ্রিল মাস নাগাদ প্রতি মঙ্গল ও বেস্পতিবার পেটকামড়ানোর অজুহাত করে কামাই করতে চাইত। ওর তখন নয় পেরিয়ে দশ বছর শুরু হয়েছে। প্রথমবার ওকে পেটখারাপের ওষুধ খাইয়ে স্কুলে যেতে দেওয়া হয় নি। পরের দিন (মঙ্গল অথবা বেস্পতিবারে) ফের একই অজুহাত দেখে মায়ের সন্দেহ হয়। ওষুধ না দিয়ে বাড়িতে রেখে দেওয়া হয়। ও কিছুক্ষন পরেই স্বাভাবিক হয়ে দিব্যি খেলাধুলো করতে থাকে। এর পরের বার আবার স্কুলে যেতে চায় না। তখন রুটিন দেখে বোঝা যায় ঐ দুদিন বিজ্ঞানের ক্লাস, অথচ জানুয়ারী থেকে মার্চ অবধি ও বিজ্ঞান ক্লাসে ভালোই পড়া করেছে, পড়া পারেও। খোঁজ নিয়ে জানা যায় এপ্রিল থেকে বিজ্ঞানের টিচার পাল্টিয়েছে। আগের মধ্যবয়্সী টিচার অসুস্থ তাই লীভ ভেকেন্সী তে এসেছেন নতুন দিদিমনি নাম অনুভাতি-দি। বোনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা যায় তিনি বোনকে কথার খোঁচা দেন ক্লাসে। ও খুবই চুপচাপ ও ইন্ট্রোভার্ট প্রকৃতির তাই কষ্ট পেলেও প্রতিবাদ তো করেই না, বাড়িতেও বলে নি। কিন্তু ভয় বাড়তে থাকে ওর মঙ্গল বেস্পতিবার এলেই। অপমানিত হবার ভয়ে স্কুলে যেতে চায় না। আরো জানা গেছল গেল যে ক্লাসের অনেক বাচ্চাই এই ব্যাপারটা এনজয় করে। খানিকটা মজা পায়। তখনকারদিনে এই ধরণের ব্যাপারের জন্যে লোকে বাচ্চার সাইকিয়াট্রিক ট্রিটমেন্টের কথা ভাবত না। তার বদলে যেটা করা হয়েছিলো সেটা হচ্ছে সোজা বোনকে নিয়ে টিচারের সঙ্গে দেখা করা হয়েছিলো। কোনো অ্যাপয়েন্টমেন্ট না করেই। অনুভাতি প্রথমে তেড়ে এসেছিলেন তারপরে ভয় পেয়ে যান ও আমতা আমতা করতে থাকেন। এরপরে বাকি যে দুতিন সপ্তাহ তিনি ক্লাস নিয়েছিলেন বোনের সঙ্গে কোনো বেচাল করেন নি। গরমের ছুটির পরে পুরোনো দিদিমনি ফিরে আসায় আমার বোন হাঁফ ছেড়ে বেঁচেছিলো।
    হঠাৎ সুকুমার রায়ের ইস্কুলের গল্পের সেই নতুন পন্ডিত মনে পড়ে গেল।
    কিন্তু টাকা চাইবার ব্যাপারটা খুবই শকিং। কিন্তু এরকম ব্যাপার নাকি ছেলেদের স্কুলগুলোতেও ইদানীং ঘটছে সেটা সম্প্রতি জানলাম। ওরা ছোটো ক্লাসের ছেলেদের ব্ল্যাকমেইল করে। ভয় দেখায় যে প্রিন্সিপালকে বলে দেবে মার খাওয়াবে বা একা পেলে মারবে। টাকা নিয়ে আসবি নইলে স্কুলে ঢুকতে দেবো না। টাকা আনতে না পেরে কোনো বাচ্চা ছেলে মাসের পর মাস স্কুলে যায় নি। বাড়িতে লুকিয়ে গেছে। পরে বাড়িতে হেডমাস্টারের চিঠি আসে বা হয়ত পরীক্ষার দিনে পরীক্ষা দিতেও যায় নি। বাড়ি ফিরে বাবা মা কে কোয়েশ্চেন পেপার দেখাতে পারে নি। গার্জেনের সন্দেহ হয়েছে। জেরা করতে সব বলে দিয়েছে। এসব ক্ষেত্রে স্কুলের হেডমাস্টার/প্রিন্সিপাল সব সময় ভিক্টিম ছেলেটির পক্ষে থাকতে চায় না। বরং ছেলেটিকেই শাসায়।
  • cm | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৭:৫৬165404
  • বাচ্চাটি কয়েক দিন ধরে ঠিক করে খাচ্ছিলনা সে খবর কি স্কুলের দিদিমণিরা রাখবেন? মা বাবা দায় নেবেননা কেন? আর পোস্টমর্টেম ছাড়া ডাক্তারের ঘাড়ে দোষ দেওয়া হবে কেন যেখানে উনি কি ইঞ্জেকশন কি ডোজ সব খোলাখুলি বলছেন।
  • Kaju | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৭:৪৮165403
  • সে তো আছেই। স্কুলের সাফাইওলাই তো বোধায় ওকে উদ্ধার করে। সে যদি গিয়ে এই নিয়ে রিপোর্ট করে থাকে এবং তাতেও স্কুল অথরিটি কর্ণপাত না করে, সে তো ক্ষমাহীন অপরাধ। আর স্কুলে সেটা করেও বেশি সময়েই। প্রথমে ইগনোর করে করে 'ও বাচ্চারা ওরম করেই থাকে, এত চিন্তার কিছু নয়' টাইপের অ্যাটিচুড দেখায়, পরে কিছু হলে যেন আকাশ থেকে পড়ে। সব জায়গাতেই এ জিনিস আছে ও ছিল।
  • aka | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৭:৪৭165402
  • স্কুলে ছোটখাটো বুলিং হয় চলে, মারামারি হয়। ছেলেদের স্কুলে তো প্রচূর হয়। মৃত্যুর আসল কারণ চিকিৎসা বিভ্রাট। এমন নয় যে বুলিয়িং চলতে দেওয়া উচিত। কিন্তু এক্ষেত্রে ফোকাসটা ঠিক রাখা উচিত, ঐ ডাক্তারের শাস্তি হওয়া দরকার।
  • de | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৭:৪২165401
  • স্কুলের নেগলিজেন্স অবশ্যই আছে এই কেসে --

    বাবা, মা -- ডাক্তার, এরাও হিসেবের বাইরে নয় --
  • cm | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৭:৪০165399
  • আমার ধারণা বয়স আর ওজন ওষুধের মাত্রা নির্ধারণ করে। তাই ওতে গোলমাল হলে সহজেই ডিটেক্টেড হবে।
  • san | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৭:৪০165400
  • আমার তো কোনো গল্প নেই ? আমি ঐন্দ্রিলার মা বাবার জন্যই মায়া হচ্ছে বললাম।
  • Kaju | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৭:৩৮165397
  • তবে মৃত্যুর জন্যে দোষ যদি সত্যিই কাউকে দিতে হয়, সে হল ডাক্তার। ওইটুকু একটা বাচ্চাকে ওরম একটা স্ট্রং ইনজেকশন দেবার আগে তার ধাত কী রকম, কতটা তার শরীরে সইবে, সেসব চেক করবেন না তিনি? এখনকার ডাক্তারদের যা ধরণ আমি নিজে দেখেছি আমাদের তল্লাটেই, সরি টু সে, টুকে পাশ বলে মনে হয় কখনো কখনো।
  • cm | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৭:৩৮165398
  • san এর পুরো গপ্পো না শুনে বলা যাবেনা তবে একটা জিনিস পরিষ্কার যে ওনার মা বাবার ভীষণ সজাগ দৃষ্টি ছিল যেটা এক্ষেত্রে একেবারেই মিসিং।
  • san | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৭:৩৭165396
  • একটা মেয়েকে স্কুলে টয়লেটে আটকে রাখা হল, কেউ জানল না, এটা স্কুলের নেগলিজেন্স না ? বাকিটা না বললে আর কিকরে জানবে ঃ-(
  • cm | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৭:৩৫165394
  • সেটাই আমার মূল প্রশ্ন এই বড় হওয়ার পদ্ধতিটা কি এমন হতেই হবে? এ যেন পোকিং আর প্রোবিং এর লিমিট বের করা হচ্ছে। যাতে সে বাচ্চা বড় হয়ে সুযোগ পেলেই অন্যদের জ্বালাতে পারে।
  • san | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৭:৩৫165395
  • কি জানি আমার বাবামায়ের জন্য মায়া হচ্ছে। ওঁরা তো ডাক্তার আর সাইকায়াট্রিস্টের কাছে নিয়ে গেছিলেন নিজেরা বুঝতে না পারায় ঃ-(
  • Kaju | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৭:৩৩165392
  • স্কুলের নেগলিজেন্স হতেই পারে, কিন্তু স্কুলের টিচারের কাছে বা হেডমস্টারের কাছে পুরো ব্যাপারটা খুলে না বললে কেউ জানবেই বা কী করে? আমি তাড়াহুড়োয় পুরো খবরটা এত চুলচেরা পড়িনি, ও কি স্কুলেও জানিয়েছিল? যদি জানিয়ে থাকে এবং তাতেও এরম একটা ঘটনা ক্যাজুয়ালি নিয়ে থাকে স্কুল অথরিটি, তাহলেই শুধু তাদের নেগলিজেন্সের অভিযোগ যুক্তিযুক্ত।
  • | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৭:৩৩165393
  • নাঃ আমিও কাউকে বলি নি। তখন কেন যেন নিজের চোখের জন্য নিজেই ভারী সঙ্কুচিত হয়ে থাকতাম। কেউ কিছু বলবে বা আলোচনা করবে এই সম্ভাবনাতেই কুঁকড়ে যেতাম।
  • kumu | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৭:৩১165390
  • হুমকি? আথরুমে আটকানো পর্যন্ত আমারো ঘটেছে।দাঁড়ান লিখচি।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত