এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Ishan | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২২:০৩165479
  • এইখানেই প্রশ্ন। শুধু কাউন্সেলিং? জেল নয় কেন? ডাক্তারের দোষ প্রমাণ হলে জেল হবে, এদের কেন নয়? ছোটো বলে?

    জেল হতে হবে, এমন দাবী করছিনা। কিন্তু আবার বলছি, ষোলকে প্রাপ্তবয়স্কতার সীমা হিসেবে চাইবেন কিনা ভেবে দেখুন। চাইলে কিন্তু জেলই হবে।
  • | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২২:০৩165480
  • ও আকা জিগ্যেস করছিলে না গার্ডিয়ানের লেখাটা এত ভাল লেগেছে কেন সবার? আমারটা বলতে পারি, এই দিল্লীর অপরাধীদের পুয়্রো আর্থ সামাজিক প্রেক্ষাপট বেশ খেটেখুটে তুলে ধরা।
  • cm | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২২:০২165478
  • এই যে কিকি একদম খাঁটি কথা বলেছেন আদর ভালবাসা এক জিনিস আর তার বদলে আস্কারা আরেক জিনিস। যে নিজে ভালবাসা পেয়েছে সে কখনো কাউকে আহত করবেনা, তার পক্ষে তা সম্ভব নয়।
  • Ishan | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২২:০১165477
  • উন্মত্ত জনতার হাতে তুলে দিতে হবে? মাথা খারাপ নাকি? স্রেফ মেরে ফেলবে তো। মব যে কী বস্তু। সবাই এক ঘা করে দেবে। তারপর কেউ একটা কেরোসিন ঢেলে আগুন দিয়ে দেবে হয়তো। ন্যায়বিচার খতম।
  • kiki | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২১:৫৯165475
  • আর এই অত্যাচার করে যে বাচ্চারা তাদের বেশিরভাগ ই বাড়ীতে প্রচন্ড একা। তাদের বাড়ীতে ভালোবাসা আদর(যাতে ননীগোপাল, বা নেকুপুষ হয়ে যায় ছেলেপিলে) নেই। কিন্তু যা চাইবে তা পেয়ে যাবার আর যা খুশী করবার অগাধ লাইসেন্স দেওয়া হয়। বা গরীব মানুষদের ক্ষেত্রে বাচ্চার দিকে তাকাবার সময় ই নেই। কিন্তু নজরের বালাই নেই। আমার যেটা দেখা। জানিনা এই ভালোবাসা দেবার আর সেটা অন্যদের ও ফিরিয়ে দেবার যে শিক্ষা আমাদের ছোটবেলায় স্বাভাবিক ছিলো সেটা হারিয়ে গেলো কেন। এই টিনেজারদের তো আমাদের জেনেরেশান রাই আনলাম। আমরা তো এত গরীব ছিলাম না মনের দিক দিয়ে।
  • hu | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২১:৫৯165476
  • তবু ভালো। অভিযোগ প্রমাণ হলে মেয়েগুলোর তো অতি অবশ্যই কাউন্সেলিং হওয়া উচিত।
  • | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২১:৫৬165472
  • উন্মত্ত জনতার হাতে আবার কে তুলে দিল? আবাপ আনন্দ? মনে হল না কেউ মেয়েগুলোকে খুঁজছে বলে, যতটুকু দেখলাম।
  • cm | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২১:৫৬165473
  • মেয়েগুলোকে ইমিডিয়েটলি কাউন্সেলিং-এর জন্য পাঠাতে হবে। অন্যকে কষ্ট দেওয়া যায়না এ বোধ সবার আগে দরকার।
  • pragati | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২১:৫৬165474
  • এই স্কুলে, এক বছর পড়েছি, ক্লাস ওয়ানে। টুকরো টুকরো কিছু ছবি মনের মধ্যে এখনো রয়েছে। একবার সামনের হলে দিদিমনিরা ঘুম পাড়িয়ে রেখে ছিলেন। বাড়ি ফেরার বাস মিস করেছিলাম।
    ইন্দ্রাণীর মত আমার ও ভীষণ অস্বস্তি হচ্ছে, অদ্ভুত খারাপ লাগছে এই তাণ্ডব দেখে। খুব অন্ধকার, নির্মম হয়ে যাচ্ছে সবকিছু হয়তো।
  • cm | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২১:৫৫165471
  • এই হচ্ছে সমস্যা। মডারেট বজ্জাতি চলতে পারে হ্যাঁ কি বলেন? না টয়লেটে বন্ধ করাও সমান বজ্জাতি। আজ যে ওটি করছে কাল তার আরেক ধাপ এগুতে ইচ্ছে হবে। আর এর শেষ নেই। মজা মানে কাউকে খোঁচানো নয়।
  • hu | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২১:৫৪165470
  • মেয়েগুলোকে ছোট হিসেবে ট্রিট না করলেই কি তাদের উন্মত্ত জনতার হাতে তুলে দিতে হবে?
  • Tim | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২১:৫১165469
  • সোসেন ঠিক কি বলতে চাইলো বুঝলাম না।
  • Ishan | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২১:৪৯165467
  • যৌনাঙ্গে রড ঢোকানো অনেক বড়ো অপরাধ। বাথরুমে ক্লাস ফাইভের মেয়েকে আটকে রাখা অনেক কম অপরাধ। এ নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই।

    কিন্তু ষোলকে প্রাপ্তবয়স্কতার সীমা হিসেবে মেনে নিলে, এই মেয়েগুলিকেও "ছোটো" হিসেবে ট্রিট করা যাবেনা। এই হল কথা। বয়সের আইন হলে তা দুজনের জন্য দুরকম হয়না।
  • sosen | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২১:৪৯165468
  • আশা করা যায় একটু চাপ দিলেই বেরিয়ে পড়বে ওই মেয়ে তিনটি-ও যৌনাঙ্গে রড ঢুকিয়ে ঘুরিয়েছিল।
  • kiki | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২১:৪৮165465
  • এছাড়া মার ধোর তো ছিলোই চরম। বেচারী দেখতাম ওর স্কুল ডায়েরিতেও কিছুতেই আমাদের নাম লিখতে দিতো না।

    এই বুলিং এর নানান ধরন হয়। মোট কথা দুর্বল দিক টা জেনে গেলে তারপর নিত্য নতুন অতাচার আবিস্কার। ঋভুর সব জিনিস হারিয়ে যেত। স্কুল থেকে, হস্টেল থেকে। একবার গিয়ে দেখি একই স্কুল ড্রেস আর একই ক্যাজুয়াল ড্রেসে সে একমাস কাটিয়ে দিয়েছে। স্কুল লন্ড্রিতে দিলে সে আর ফেরত পাবে না। প্রতিবার ই তাকে হস্টেল থেকে আমরা ডিরেক্ট ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেতাম। সেবার ওর সারা গায়ে এক জঘন্ন্য বাজে চর্মরোগ। প্রসঙ্গত সেই সময় আমরা স্কুলকে মাসে মাসে ক্লাস থ্রীর বাচ্চার জন্য ষোলো হাজার টাকা দিতাম, যে টাকায় একটা মধ্যবিত্ত ফ্যামিলির অনায়াসে চলে যেত।

    মাঝে মাঝে ঋভুকে একা বসে থাকতে দেখে কেউ হয়তো একটা খাতা বা কিছু ওর থেকে চাইতো( এগুলো ওর ক্লাসে ছেলেদের থেকেই শোনা, ও ও প্রচন্ড ইন্ট্রোভার্ট, এখন বেশী বাচ্চায় তাই) ও জানতো এটা কেন হচ্ছে, আঁকরে বসে থাকতো জিনিস টা। ওর থেকে কেড়ে নিয়ে লোফালুফি করতো ওর বন্ধুরা, তারাও ওর ই বয়সী, কতই বা বয়স তখন ওদের, আট, নয়। তারপর ও যেই একটা কথা বলতো, মাঝে মাঝে মুখ ই খুলতো বেচারা, এরম করো না বলে। তখন শুরু হত উত্তাল মার।

    এরপর স্কুলের টিচার রা আমায় ডে স্কলার দের মাদের মাধ্যমে খবর পাঠায় আমি যেন অবশ্য ওকে হস্টেল থেকে তুলে নি। কারন নইলে ও মরে যাবে। আমি ফিরে আসি। সেও লম্বা গল্প। চিরকাল চলে আসার প্রায়শ্চিত্ত করে কাটাতে হবে আমায়। যেমন আমাকে বাচ্চা হবার সময় বেড রেষ্টে থাকতে হবে বলে( আমার স্বাস্থের কারনে, যেটা আমার শশুর বাড়ীর দান) আমায় বাড়ী পাঠিয়ে দেওয়া হলো এক বছরের জন্য, আর পরে শুনতে হলো আমার কর্তব্য ছিলো সেসময় ও সবার সেবা করাই ছিলো আমার কর্তব্য।আমাদের সমাজ।ঃ)

    এগুলো কিছু উদাহরন, কি ঘটে স্কুলে, আমরা ও মজা করে এই করেছি, ঐ করেছি গল্প করি মাঝে সাঝেই আমোদ ভরে। ভেবে দেখি না যে মুর্গিটার উপর এগুলো হয়, তার কি অবস্থা হয়।

    অবস্থা এই হয়, যে আমার ছেলেটা কথা বলতে ভুলে গেছিলো। সব সময় ফিস ফিস করে কথা বলতো। দশ, এগারো বছরেই সে আত্মহত্যার কথা ভেবেছিলো। সে যে কিছু পারে না, এটা তার মাথায় গেঁথে গেছিলো।

    এমনকি আমি আসার পর বার বার স্কুলে গেছি। তাতে আমায় নানা রকম বাজে জিনিস এর মুখোমুখি হতে হত। আর অদ্ভুত সব কথা, এত বাচ্চা রয়েছে, আপনার বাচ্চার ই সাথে হয় কেন? রিটেন দিন। এমনকি বাচ্চাকে দিয়েও লিখিয়ে নেওয়া হত কি হয়েছে। ফলাফল শুন্য। ওকে স্কুলের কাউন্সেলরের কাছে পাঠানো হলো। তিনি নিদান দিলেন রাগ হলে এক থেকে দশ কাউন্ট করবে। এত রেগে গেলো ছেলে যে কাউন্সেলরের কাছে যেতে হলেই গুম হয়ে যেত। ব্যাপারটা এমন দাঁড়ায় যে শাস্তি টা ওকেই পেতে হত।শেষে ও একেবারে বাড়ীতেও কিছু বলা বন্ধ করে দিল। কারন বললেই আমি স্কুল কে জানাবো আর ওর ও ভোগান্তি। কিচ্ছু বলা হত না সেসব বাচ্চাদের। আর বলবেই বা কি, বাড়ীতে এতটা এই বাঁদরেরা সাপোর্ট পায় যে স্কুলে টিচার দের দিকে আঙুল তুলে বসে আট নয় বছরের বাচ্চারা, দেখ লুঙ্গা তুঝে, কেস পে ফাঁসায়েঙ্গে।
  • cm | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২১:৪৮165466
  • ঐ বয়সেই অপরকে খোঁচাবার হাতে খড়ি হয় যা অনেকে বাকি জীবন জুড়ে দায়িত্বের সাথে করে যায়। তাদের ননীগোপাল আর যাই বলুন বা না বলুন তখনি থামানো দরকার। ঐ মডারেট লেভেলে অ্যালাউ করব বললেই সমস্যা। ক্রিটিকাল পয়েন্ট কে ডিসাইড করবে?
  • | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২১:৪৬165463
  • হ্যাঁ ঈশান, যাদের মায়েরা ঠাকুমারা তারা এগুলো করতেই পারে না, বলে কাগজে পত্রে কান্নাকাটি করে চলেছে তাদের বলা হয়েছে তো।

    আমার তো ধারণা এক্ষেত্রেও ঐ মেয়ে তিনটির বাবা মা প্রাণপণে ব্যপারটাকে চাপা দিয়ে দিতে চাইবে। মোটেও কাউন্সেলিং ইত্যাদি করাবে না। 'অপরাধ' বলে মেনে নিলে, স্বীকার করলে তবে তো কাউন্সেলিঙের প্রশ্ন
  • Tim | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২১:৪৬165464
  • বিটিডব্লু, এই স্কুলটায় আমার পিসতুতো দিদি বা তার বন্ধুরা মনে হয় পড়তো। ঐ এলাকাতেই পিসির বাড়ি, আমি ওখানে থাকার সময় দেখেছি। খামোখা স্কুল ভাঙছে দেখে অবশ্য অবাক হইনি। এই তো কদিন আগেই উৎকর্ষের প্রেসিডেন্সিতেই ভাংচুর হলো।
  • hu | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২১:৪৩165460
  • যৌনাঙ্গে রড ঢোকানোটা এভাবে ট্রিভিয়ালাইজ করা যায় ঈশানদা? রেয়ারেস্ট অফ দ্য রেয়ার ক্রাইম?
  • Tim | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২১:৪৩165461
  • ঈশানদা কি ইচ্ছে করে ভুলে যেতে চাইছে যে আদরের ননীগোপাল আঠেরোর অল্প নিচের ধর্ষণ ও খুনের অপরাধীদের বলা হয়েছিলো? এই টার্মটা নিয়ে দেখলাম এর আগেও ফালতু জলঘোলা হলো, অ্যাজ ইফ সমস্ত টিনেজারদেরই এটা বলা হয়েছে।
  • | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২১:৪৩165462
  • বাথরুমের দরজা ভেঙে লোপাট করে দিলে প্রমাণও লোপাট।

    যে মেয়েগুলো করেছে, তাদের নাম নাকি একবার টিভিতে বলেছিল। আমি শুনি নি।
  • hu | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২১:৪০165459
  • আমার মনে পড়ছে একবার পাশ করিয়ে দেওয়ার দাবীতে ঘেরাও হয়েছিল মায়েদের স্কুলে। হেডমিস্ট্রেস শেষ পর্যন্ত বলেছিলেন, ঘরে ছেলে-মেয়ে আছে, দাবী অন্যায় হলেও চলো মেনে নিই, আমাদের তো বাড়ি ফিরতে হবে। এখনও স্কুলে ভাঙচুর, অধ্যাপকদের গায়ে হাত তোলা এই সব দেখলেই সেদিনের ভয়টা ফিরে আসে।
  • Ishan | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২১:৩৮165458
  • যে মেয়েগুলি ঘটিয়েছে, তাদেরও কিন্তু পনেরো-ষোল বছরই বয়স। কদিন আগেই আমরা এই বয়সের অপরাধীদের আদরের ননীগোপাল বলে ব্যঙ্গাত্মক সম্বোধন করেছি, এই পাতাতেই।
  • de | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২১:৩৪165457
  • ওই মেয়েগুলির জন্য ভয় হচ্ছে -- এতো পুরো উন্মত্ত জনতা!! এই মেয়েগুলিও তো ছোটই -- তারাও কিন্তু ভুলই করেছে।
    স্কুলে এই ধরণের ভাঙ্গচুর চালায় যারা তারা কি মানুষ? আমি অবাক হয়ে যাচ্ছি বাড়ি ফিরে টিভি দেখে --

    একটা কনডোলেন্স মিটিং আর তারপরে শিক্ষিকা এবং অভিভাবকদের মুখোমুখি আলোচনা -- এটাই তো হওয়া উচিত ছিলো।
  • pi | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২১:৩১165456
  • কেউ একটু ঐ লোকজনকে গিয়ে জিজ্ঞাসা করুক, এই ভাংচুরটা করে ঠিক কী অ্যাচিভ করা গেলো ? কিছু হলে বাস পুড়িয়ে দেওয়া, গণক্যালানি দেওয়া, ভাঙচুর .... তাৎক্ষণিক রাগের উন্মাদ বহিঃপ্রকাশ আর মূল সমস্যাগুলো অধরা থেকে যাওয়া ... সেই ট্র্যাডিশন সমানে চলিতেছে।
  • hu | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২১:৩০165454
  • নাম বলেছে? কাগজে দেখিনি তো! এই রকম উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে সেটা বলা উচিত নয় কখনই।

    কি হয়েছে ঘটনা তা তো এভাবে বোঝা যাবে না। আকাদা যেটা বলল, কেন মৃত্যু হল সেটা ক্লিয়ারলি জানা দরকার।
  • hu | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২১:৩০165455
  • নাম বলেছে? কাগজে দেখিনি তো! এই রকম উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে সেটা বলা উচিত নয় কখনই।

    কি হয়েছে ঘটনা তা তো এভাবে বোঝা যাবে না। আকাদা যেটা বলল, কেন মৃত্যু হল সেটা ক্লিয়ারলি জানা দরকার।
  • sosen | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২১:২১165452
  • আকা দা, অনেক টা-ই ভেঙ্গে ফেলেছে। যে দরজা নিয়ে অত গন্ডগোল, বাথরুমের সেই দরজা গুলো আর নেই। সমাধান হয়ে গেল তো?
  • kiki | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২১:২১165453
  • আমি ছেলেকে পৈলান ওয়ার্ল্ডে ভর্তি করি ক্লাস টু তে।তার আগের বছর ই স্কুলটা শুরু হয়েছিলো। একদম অন্যরকম ভাবনা থেকে। আমার ছেলের তার আগের স্কুল গুলোর অভিজ্ঞতা খুব খারাপ। আর সেও বড় ভদ্র আর নরম ছেলে। মারপিট করে নিজের টা বুঝে নেবার মত শক্তপোক্ত নয়। ফলে নিজেদের ক্ষমতার বাইরে গিয়েই ওর জন্য এই ব্যবস্থা। আরো একটা কারন ছিলো ওকে হোস্টেলে দেবর ছিলো। দিয়ে আমি আমার বরের কাছে চলে যাবো। আমার মায়েরা (ওঁদের বাড়ী যথেষ্ট কাছে এই স্কুল থেকে) ওর লোকাল গার্জেন হিসেবে থাকবে। প্রথম বছর দুই স্কুলটা সুন্দর শুরু হয়। তারপর ই ঝামেলা শুরু হয়।(অত্যন্ত জঘন্ন্য অ্যাডমিন আর অত্যন্ত পয়সা আর ক্ষমতায়ালা কিছু মানুষ যারা স্কুল পড়ুয়া কিছু বাচ্চার প্যারেন্টস) স্কুলে টিচারদের কোন রকম সন্মান বা ক্ষমতা দেওয়া হত না যে তারা বাচ্চাকে কিছু বলতে পারে। না শাসনের একটা চরম দিক।

    যাগ্গে, আসল প্রসঙ্গে আসি। আমার ছেলের উপর বুলিং শুরু হয়। এবং এই ব্যাপারটা এরকম হয়( এটা মনুষ্য ধর্ম) যে যাকে দেখা দুর্বল, ইচ্ছে হলে, ফ্রাস্টু এলেই তাকে খানিক খুঁচিয়ে নেওয়া যায়। এবার এই সফট টার্গেট কে অপেক্ষাকৃত একটু বেশী সবল কিন্তু তারাও আরো সবলদের কাছে রীতিমত অত্যাচারিত হচ্ছে, তারাও টার্গেট করে নেয়। তো এই বুলিং টা এমন পর্যায়ে চলে গেলো যে আমি যখন ফোনে ওর সাথে কথা বলতাম, শেষে দেখতাম ও ফিস ফিস করে কথা বলছে। কেমন যেন একটা বন্দী আর খুব অত্যাচারিত বড় মানুষদের মত।

    আসলে সহ্য হক্তি সবার সমান হয় না। আমার ছেলেকে একটা কথা বলা হত, তমাল ব্যানার্জি, মেন পয়েন্ট অ্যালার্জি। ভীষন রিয়্যাক্ট করত বেচারা। আমরা ওকে বলি, তুমি এত রিয়্যাক্ট করো না। তখন ওকে আরো তাতানোর জন্য বলা হয় ওর বাবা বা আমার নাম নিয়ে। এমনকি আমার মা দেখে এসেছিলো বেঞ্চে ধারালো কিছু দিয়ে এগুলো লিখে রাখা আছে। কিন্তু বললেও স্কুল কঋপক্ষ কোন স্টেপ নিতো না।
  • sosen | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২১:২০165451
  • যে তিনজন করেছিল, হুচি, তাদের নাম নাকি এ বি পি বলে দিয়েছে।
    তবে আরো তিনটি প্রাণের জন্য প্রস্তুত হই?
    আমার স্কুল তিন মানুষ উঁচু পাঁচিলে ঘেরা। সেই পাঁচিল পেরিয়ে, একশ বছর পুরনো ঘরদোর ছবি, জানলা ফার্নিচার সব ভেঙ্গে ফেলতে অভ্যস্ত হাত-ই দরকার।
    দুখানা বাথরুম আমাদের স্কুলে, তা কিউবিকল টাইপ। দরজাগুলোর ওপর নিচ খোলা, আগে বাইরে থেকে হুড়ক দেওয়া যেতনা, আজকাল নাকি ভেতর থেকে দেওয়া যায়না। বেশিক্ষণ আটকে থাকা অসম্ভব, ডাকলে কেউ না কেউ শুনতে পাবে, দুই ক্লাস অন্তর একটি করে টিফিন পিরিয়ড।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত