এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • riddhi | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২৩:০৬166863
  • ইচ্ছের মা-এর কার্বন কপি একজন ছিলেন। এটা বাঙ্গালী মায়েদের স্পেশাল হাইলি। একটা মাড়োয়ারী ছেলে ছিল, মোটকু টা হেলেতে দুলতে পরীক্ষা হল থেকে বেরিয়ে, "মাম্মিইইই,বহুউউত হেডেকে আ গয়া, সো গয়া থা" মাম্মি বলছেন " কৈ নহি বেটা গাজর কা হালুয়া খা" ওরেবাব্বা তার পাশেই সন্দীপনের মা, ইয়া বড় টিপ দূর্গেশ্নন্দিনী মেজাজ, স্যান্ডিকে বেরোতেই কটমট করে বলছে "তুমি আবার ওরকম করোনি তো?" পুরো কন্ট্রাস্ট।
  • Atoz | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২৩:০৫166858
  • টিম,
    অন্য গ্রহে হয়তো আছে অন্য অর্গানিক কেমিস্ট্রি। কার্বনের চেইন বা রিং না হয়ে হয়তো অন্য কোনো এলিমেন্টের। ঃ-)
  • aka | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২৩:০৫166859
  • হানু, বুলিয়িং যদি ঐ স্কুলে কনসিস্টেন্টলি হয় তাহলে স্কুল কতৃর্পক্ষ দায় এড়াতে পারেন না। কিন্তু যদি একটা দুটো ঘটনা ঘটে, তাহলে সব সময়ে ধরা পড়ে না। ধরা যাক মেয়েটি তিন ঘন্টা মানে প্রায় চার পিরিয়ড ধরে আটকে ছিল। কখন থেকে কখন কেউ জানে না। আমাদের স্কুলে হলেই ধরা পড়ত না। আমাদের স্কুলের প্রথমে একবার রোল কল হত, ব্যাস। সেই সুযোগে বহু ছেলে টিফিনে কাটত। এখন মেয়েটির বিহেভিয়ার প্যাটার্ন থেকে বোঝা উচিত। কিন্তু আমাদের টিচাররাও কি এইসব হ্যান্ডেল করতে ট্রেইনড?
  • Atoz | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২৩:০৪166857
  • টিম, ঃ-)
  • Tim | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২৩:০৩166856
  • অন্য অর্গানিক কেমিস্ট্রি? তা হবে। জৈব রসায়নকে যদি অন্য বলো।
  • Blank | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২৩:০২166854
  • এইচ এসে আচানক আমার রেজাল্ট ভালো হয়ে যায়। হঠাৎ করে, কেউ কক্ষনো ভাবেনি। রেজাল্ট জেনে তখন খুব আনন্দ, উদুম তাস খেলা হবে পেছনে ট্যাঙ্কি তে বসে।
    স্কুল থেকে বেড়োতে যাবো, কয়েকজনের মা এসে ঘিরে ধরলো। তারপর একগাদা প্রশ্ন, কার কার কাছে পড়তে, কতক্ষন পড়তে এসব।
    আমিও বলে দিলুম যে খান ১০ টীচার ছিল, আর দিনে অন্তত ১৮ ঘন্টা পড়তেই হবে টেস্টের পর থেকে। অঙ্ক আর ফিজিক্সের আগের দিন গুলো তো ঘুমোই নি। একেবারে পরীক্ষা দিয়ে এসে ঘুমিয়েচি। সারা রাত পড়া।
    কাদের মা কে জানে, ছেলে পুলে গুলোর লাইফ কয়েক মাসের জন্য হেল হয়ে গেছিল সিওর।
    এটা কি বুলিং এ পরবে?
  • Ishan | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২৩:০২166855
  • ইচ্ছে সিনেমাটাই ভুলে গেলাম এদের পাল্লায় পড়ে। কি যেন হয়েছিল?
  • Atoz | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২২:৫৮166853
  • ফিনার। মনে পড়ে না।
    আচ্ছা বাংলা গার্লস/বয়েজ দের জন্য কি অন্য কোনো অর্গানিক কেমিস্ট্রি ছিল এর ইকুইভ্যালেন্ট?
  • সিদ্ধার্থ | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২২:৫৭166852
  • ইচ্ছের মত ঠিক ওরকম একটা মুটকি মা ছিল। তার ছেলেকে ক্লাস টেনেও হাফপ্যান্ট পড়িয়ে নিয়ে আসত। হাইলি সাসপিসাস!
  • Atoz | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২২:৫৫166850
  • সিদ্ধার্থর লেখাটা পড়ে "ইচ্ছে" সিনেমাটা মনে পড়ে গেল। ছেলেটাকে সঙ্গে নিয়ে নিয়ে মা স্কুলে দিয়ে আসতেন, নিয়ে আসতেন। পরীক্ষার পরে প্রশ্ন নিয়ে সে কী জেরা!
  • Tim | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২২:৫৫166851
  • অর্গানিক কেমিস্ট্রির বই। ঃ-)

    ঋদ্ধি হেবি ফর্মে আজ। অনেকইদ্ন পর, তাই টুকটাক বিলো দ্য বেল্ট গুলো মাফ করে দিলাম। ;-)
  • riddhi | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২২:৫৪166848
  • ঐ ১১-১২ এ একটা কেম্সিট্রির টেক্স্টবুক ছিল না? নাম টা হাইলি ভুল বলছি, তবে ঐরকম শুনতে।
  • সিদ্ধার্থ | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২২:৫৩166847
  • আহা যারা ঝাড়ি মারে তারা কেন ধর্ষক হবে? হবে তো তারা যাদের রিপ্রেসড চাইল্ডহুড। চোখের সামনে অন্যেরা বল পেটাচ্ছে পানু পড়ছে আর নিজের কানের কাছে সারাক্ষণ 'অ্যালজেব্রার হোমটাস্কগুলো দেখিয়ে এলি না কেন?' এ একটা জীবন হল?
  • Atoz | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২২:৫১166846
  • ফিনার?
  • h | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২২:৫০166845
  • কথা হচ্ছে, একটি মিশনারি স্কুল নিয়ে, পান না করেও বলা যায় এটি অষ্টাদশ ঊনবিংশ শতকের ধারণা, যখন পৃথিবীর উপকারে নেমেছিলেন যাজকেরা। তো সেখানে বাবা মা দের শুধু ট্র্যাডিঅশনাল ধারণার দোষ দিলেহবে আকা?
  • riddhi | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২২:৪৬166844
  • সিদ্ধার্থঃ মা তো বটেই, বাবাদেরো দেখেছি, অত্যধিক ভিজিলেন্স। রাজীবের(নাম চেন্জ্ড) বাবা নিয়ে একটা সিরিজ ওপ্ফ গল্প আছে। নিজের ছেলের তো লাইফ হেল, আমাদের্কেও ছাড়ত না। সারাক্ষন "কি, এম এল খান্না কম্প্লিট?" "কেম্সিট্রি পড়তে হলে ভাই ফিনার ছাড়া আর কোন পথ ই খোলা নেই" সারক্ষন সালা এই চলছে, খেলার মাঠে বাজারে। ওনার থেকে বাঁচতে আমরাও একটা স্ট্রাটেজি নিয়েছিলাম।

    তবে ১০ঃ৩২-এর সেকেন্ড বক্তব্য এক্দম ঙ। আমরা প্রাইমারি স্কুলের টিচার এবং ঐ এজ-গ্রুপের বাচ্ছাদের মায়েদের হুলিয়ে ঝাড়ি মারতাম আর নিজেদের মধ্যে রসালো গল্প করতাম।কিন্তু খুনী, ধর্ষক হয়ে উঠিনি কেউই।
  • Atoz | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২২:৪২166843
  • অবস্থা খুবই ঘোরালো দিকে যাচ্ছে।

    আচ্ছা, জয়া শুরা র গল্পটা কী? আগেও এখানের কেউ বলেছিলেন একবার। আবার বলবেন প্লীজ?
  • cm | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২২:৪১166841
  • আর সাধারণত মানে হল জেনেরিক পয়েন্ট নট আর্বিট্রারি পয়েন্ট। সাধারণত মেয়েদের নজর প্রখর হয়, কোন মতেই বলছিনা সব সময়। এটি অবসার্ভেশন মাত্র হতে হবে বলি নাই। যেমতি ছেলেরা অনুভূতির দিকে সাধারণত ভোঁতা, এ অবসার্ভেশন মাত্র হতে হবে বলি নাই।
  • সিদ্ধার্থ | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২২:৪১166842
  • ওসব পাতি ক্যালাকেলি হামেশাই হত। ওটা বুলি না।

    প্রবলেম হয় যখন অনেকে মিলে একজনকে বুলি করে। সেটা চাপের।
  • Atoz | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২২:৩৯166840
  • আগেকার দিনে এক এক জোড়া বাবামায়ের গড়ে ৬ থেকে ৮ টা সন্তান থাকতো। কাজকর্মও বেশ ছিল(আরে খেয়েপরে থাকতে হবে তো! কিছু তো করতে হবেই! )। কার দিকে যে কীভাবে নজর রাখতেন ওনারা কেজানে! মনে হয় অনেকটা সমাজতান্ত্রিক পদ্ধতি ছিল, যে যখন পারতো সেই নজর রাখতো।
  • aka | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২২:৩৭166839
  • আর একবার জয়ন্ত হাত দুটো ধরল, সোমনাথ নাকে ঘুষি মারল, নাকটা ফেটে গেল। জল দিয়ে ধুয়ে টুয়ে ক্লাসে গেলাম। সোমনাথকে একদিন আমবাগানে একা পেয়ে আমার ক্লাসের ছেলেরা কেলিয়ে দিল। এসব হামেশা হত। খুব বেশি ম্যাটার করে নি। কারণ বোধহয় এটাই নর্ম ছিল। পরবর্তীকালে সোমনাথ, জয়ন্ত কেউই এসব মনে রাখে নি, আমিও না। এখন সমস্যা অনেক জটিল।

    আর এদেশেও বুলি হয় কিন্তু বুলি নিয়ে স্কুলে স্কুলে অনেক প্রচার। সাম্পানকে কদিন আগে একটা ছেলে স্কুল বাসে বুলি করছিল, এমনিতে ঢ্যাঁটা ছেলে কিন্তু বুলিড হচ্ছিল। এমনকি অন্য ছেলেটি সাম্পানকে দিয়ে ব্যাগও বইয়েছে। সাম্পানের মামি একদিন ব্যবহারে তারতম্য লক্ষ্য করে খানিক কথা বলতে বলল। প্রথমদিকে বলছিল না। তারপরে সাম্পান সেই ছেলেকে বলেছে আবার যদি বুলি করো সবাইকে বলে দেব। তখন সেই ছেলে থেমেছে।

    এরপরেও এদেশে ভয়ংকর ঘটনা ঘটে। এখন সোশাল মিডিয়া হওয়ার পরে সেসব অনেক বেশি কমপ্লিকেটেড হয়ে গেছে। এই সেদিন একটি মেয়ে সুইসাইড করেছে।
  • cm | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২২:৩৫166838
  • আর ঐ বাক্যটির আগেই কি লিখেছি সেটিকে সিলেক্টিভলি বাদ দিলেন কেন? না এ তক্কো নারী পুরুষের তক্কে রিডিউস করে পুরুষতন্ত্রের কানাগলিতে চলে যাবে। গোটাটাই দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়ার খেলা মনে হলে স্পষ্ট হয়ে যাওয়া ভাল মা বাবার দায় সমান। আর কোন বিভ্রান্তি থাকলে বলবেন।

    আরো একটা জিনিসের ব্যাখ্যা দরকার মনে হয়। কদিন আগে অন্য টই-এ লিখেছি দৈহিক বিকাশের পূর্বশর্ত সিদ্ধ হলে মানসিক বিকাশ সম্ভব। এখন যদি মা বাবার দুজনই বাইরে খাটতে না বের হন এবং একজন (কে বললুম না কিন্তু ) দৈহিক বিকাশের জন্য প্রয়োজনীয় অন্নের ব্যবস্থায় ব্যস্ত থাকেন তাহলে আশা করব অন্য জন মানসিক বিকাশের দিকে লক্ষ্য রাখবেন। অভিব্যক্তি মানসিক বিকাশের অঙ্গ।

    যারে কয় Z/2Z অ্যাকশন তার সাহায্যে সব বক্তব্যই সিমেট্রাইজ করা সম্ভব কিন্তু তাহলে মনে হবে অঙ্কের পেপার পড়ছেন তাই সেটি করতে চাইনা।
  • সিদ্ধার্থ | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২২:৩২166837
  • তবে আমি স্কুলে পরার সময় কয়েকটা বিরক্তিকর মা-কে দেখেছি। শালা ছেলে ক্লাস নাইনে টেনে পড়ে, তাতেও প্রতিদিন স্কুলে দিতে আসে, সারাদিন থাকে, তারপর নিয়ে যায়। স্কুল ক্যাম্পসে জটলা করে বসে থাকে, টিফিনের সময় ছেলে নেমে আসলে এককোণে নিয়ে গিয়ে নোটস ক্লাস এসব নিয়ে গোয়েন্দার মত জেরা করে ১৫ মিনিট। তারপর টিফিন বাক্স বের হয়।

    ওই ছেলেগুলো স্বাভাবিকভাবেই খুব অস্বাভাবিক থাকত সারাদিন। তার মধ্যে একজন ছিল, তার পাশে কেউ বসলেই তার পকেটের ভেতর হাত ফাত ঢুকিয়ে পিনাস নিয়ে দলাই মলাই করত। আমার সাথে করার পরে আমি ঘাবড়ে গেছিলাম। পাগল না হোমো? তখন ভাবতাম হীট খেয়ে গেছে। এখন বুঝি সেসব না। মায়ের ওপর রাগে হাত নিশপিশ করছে, কিন্তু কিছু করতে পারছে না। সেই ফ্রাস্টু আমার ওপর দিয়ে মেটাচ্ছে।

    আর বাংলা মিডিয়ামের হারামী ছেলেদের সামনে সারাক্ষণ মহিলারা থাকলে যা হয়! হ্যা হ্যা, ওই দেখ ব্লাউজের ভেতর দিয়ে ইত্যাদি প্রভৃতি-সেগুলোকেও নিতে হচ্ছে কন্সটান্ট। এটা একটা লাইফ হল? এ তো পুরো লাথখোর চাইল্ডহুড!!!
    এই ছেলেগুলো বড় হয়ে এক আধটা খুন না করলেই অবাক লাগবে।
  • aka | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২২:৩১166836
  • আমি নিজেই বুলির শিকার হয়েছি, ক্লাস টুতে। ক্লাস সিক্সের সিংহ (ওর পদবী) এসে বেত দিয়ে কেলাত। আমি তখন সকাল সকাল স্কুলে যেতাম আর এক বন্ধুর সাথে একটি বিশেষ জায়গা দখলের কম্পিটিশনের জন্য। তখন বিশেষ কেউ থাকত না। সিংহ এসে বেত দিয়ে কেলিয়ে যেত আমাদের দু তিনজনকে। কাউকে বলতে পারি নি। লাগার থেকেও বড় কথা খুব হিউমিলিয়েটিং লাগত। আমার মা-বাবা যথেষ্ট নজর রাখতেন। মা বিশেষ করে, কিন্তু সাটল চেঞ্জ ইন বিহেভিয়ার ধরা পড়ে নি। একদিন সিংহর হাত থেকে বেত কেড়ে ধাঁইধপাধপ দিয়েছিলাম। তখন সদ্য বাঘা যতীন পড়েছি। সেই সিংহর শেষ অভিযান।
  • aka | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২২:২৭166835
  • সিএমের কনসার্নটা রাইট কিন্তু। বাচ্চার দিকে মা-বাবাকে ভিজিল্যান্ট থাকতে হয়। মুশকিল হল আমাদের দেশে মা-বাবার কাছে রিসোর্স খুব কম, অনেক সময়ে জানাই যায় না ঠিক কি করা উচিত। আর বাবা-মারা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই জীবন যুদ্ধে ব্যস্ত। অনেকটাই ট্র্যাডিশনাল উইজডমের ওপর নির্ভর করে, এদিকে বাচ্চাদের জীবন এখন অনেকটা কমপ্লেক্স, সমস্যার নেচারগুলোও আলাদা।
  • | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২২:২৪166834
  • আগেরটা সিএমকে।

    ঋদ্ধিকে থ্যাঙ্কু।
  • | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২২:২৩166833
  • অ। তা কালকেই তো লিখলেন দেখলাম আপনার মা'র কথা আর তার সাথে সাথেই লিখলেন ছেলেরা সাধারণত ভোঁদা হয় অনুভুতির ব্যপারে।
    তো, আপনার এই বক্তব্যটা তো বেশ পরিস্কার করেই মায়ের দিকে আঙুল তুলছে বলে আমার মনে হল। আর সবসময় মায়ের অনুভুতিই প্রখরতর হতে হবে --- এটাতেও আপত্তি আছে।
  • সিদ্ধার্থ | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২২:২২166832
  • মায়ের দিক থেকে কোল্ডনেসটা কি বাবাদের অভিযোগ?
  • aka | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২২:১৫166831
  • আরে বাচ্চা সুস্থ স্বাভাবিক হলেও মা বাবার অনেক রকম সাইকোলজিকাল সমস্যা হয়, তাকে বেবি ব্লু বলে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত