এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • আজাদ কাশ্মীর : আপনার কী মত

    pi
    অন্যান্য | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১০ | ২৩৭৫৮ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Ishan | ০১ অক্টোবর ২০১০ ১৬:১৭459761
  • আর হ্যাঁ, যদি পঁচিশ/তিরিশ শতাংশ কাশ্মিরী ভরতে থাকতে চান, সেটা একটা জটিল পরিস্থিতি তো বটেই। কিন্তু প্রক্রিয়াটা তো আগে শুরু করুন। হয়তো দেখবেন শতকরা ষাটজন কাশ্মীরিই ভারতে থাকতে চায়। কে বলতে পারে।
  • aka | ০৩ অক্টোবর ২০১০ ০৪:৩০459762
  • আপত্তি আছে,

    এক, 'ভারত রাষ্ট্র কাশ্মীরিদের চিহ্নিত করেছে, সেটাই অনেক নষ্টের গোড়া' - এটা মানিনা। আংশিক সত্যতা অবশ্যই আছে কিন্তু তারসাথে পাকিস্তানের কলকাঠি নাড়া রয়েছে। নইলে ল্যাদোষ-দা বলল না যে হায়দ্রাবাদকে তাহলে ভারত রাষ্ট্র চিহ্নিত করল না কেন?

    দুই, এই দেশে থাকতে চাই কিনা ভোটের দাবী সম্পূর্ণ থিওরেটিকাল কচকচি। এরকম ভোটের কি কোনরকম ইতিহাস আছে? আর একটা ডাইমেনশন রয়েছে যেটা ভেবে দেখার। এরকম কোন ভোট তো ভারতীয় সংবিধান অনুযায়ী হতে পারে বলে মনে হয় না। সেক্ষেত্রে এই ভোট হবে কি হবে না সেটা সংসদে ভোটাভুটি হয়ে আসতে হবে। সেক্ষেত্রে কি মনে হয়?

    আরও একটা দিক আছে, তাহল ধরা যাক এরকম ভোটের বন্দোবস্ত করা গেল, সেক্ষেত্রে আগামীকাল দাউদ কিছুটা দখল করে নিজের দেশ বানিয়ে নিতে পারে, সেই কথা ভেবে দেখতে অনুরোধ করব।

    তা আমার মত হল, এসব ছেড়ে এই কাশ্মীর, গোর্খাল্যান্ড, মণিপুর সমস্ত নিয়েই সরকারের গঠনমূলক চিন্তাভাবনা শুরু করা উচিত। দেশের উন্মূক্ত অর্থনীতি, বাজাইর‌্যা নীতির সাথে তার কোন মতাদর্শগত বিরোধ আছে বলে মনে হয় না। বরং উল্টোটা, ভারতীয় অর্থনীতি একটা ইনফ্লেকশন পয়েন্টে দাঁড়িয়ে রয়েছে, এখান থেকে সঠিক পলিসি ভারতকে অন্য জায়গায় তুলতে পারে, আবার ভুলভাল পলিসি ঠিক উল্টোদিকে ঠেলে দিতে পারে। শুধুমাত্র নীতিগত 'র‌্যাশনাল' অ্যাপ্রোচ নয়, পরিস্থিতিকে বাস্তবের (যা ইতিহাস ও কন্টেম্পোরারি ইতিহাস থেকে ডিরাইভড) নিরিখে ভাবা উচিত এবং সেই অনুযায়ী সলিউশনে পৌঁছন উচিত বলেই মনে হয়।
  • kallol | ০৩ অক্টোবর ২০১০ ০৮:১১459763
  • হায়দ্রাবাদে ভারত যা করেছিলো, ঠিক সেটাই পাকিস্তান কাশ্মীরে করতে গেছিলো, পারে নি - সেনাবাহিনী পাঠিয়ে দখল করে নেওয়া। তাহলে পাকিস্তানের কাশ্মীর আক্রমনকেও ন্যায্য বলতে হয়। রাজি আছেন তো আকা?
    গণভোট নেহেরুর প্রতিশ্রুতি। রাখা-না রাখা, আইনসম্মত কি নয় তার দায়িত্ব ভারত রাষ্টের।
    তবে সংবিধানে না থাকলেও করা যায়। এই প:ব:তেই বিহার-বাংলা সংযুক্তি নিয়ে বিধান রায়ের আমলে, একটা উপনির্বাচনকে বাছা হয়েছিলো গণভোট হিসাবে। তাতে কংগ্রেস হেরে যায়। বাংলা-বিহার সংযুক্তি বাতিল করে দেন বিধানবাবু। কোন যুক্তি নেই, কিন্তু সততা আছে।
    আর বাকি রইলো দাউদ। মহান ভারতের রাষ্ট্র বম্বেতে তিনি তার রাজ্যপাট বানিয়েছিলেন যখন, তখন কি বম্বে ভারত থেকে আলাদা ছিলো? আমার তো মনে পড়ছে না। এই যে করাচী দাউদ বসে আছে, নাকি দুবাইতে, তাতে আকাবাবুর কি বক্তব্য? ও দুটো শহরও ভারতে নিয়ে নিলেই দাউদ সমস্যা মিটে যায়? যে দেশের সমস্যা তাকেই মেটাতে দিন না।
  • debottam | ০৩ অক্টোবর ২০১০ ০৮:১৫459764
  • quote কল্লোল

    "সেই সহজ কথাটাই অনেকে বুঝছে না যে, কাশ্মীর, নাগাল্যান্ড, মনিপুর, মিজোরাম আরো উন্নতির জন্য আলাদা হতে চাইছে না। উন্নতি ওদের বিষ য় ই না। ওরা নিজেদের স্বতন্ত্র পরিচয় চাইছে।"

    একদম সঠিক।

    "ভারত রাস্ট্র ওদের উপর যে ভয়াবহ নিপীড়নের রথ ৬০ বছর ধরে চালিয়ে আস ছে..."

    না, ৭১ এর খান সেনার অত্যাচারের সঙ্গে কোনো তুলনাই হয় না।

    আফস্পা বাতিল করা দরকার এবং এই রাজ্যকটিকে স্বায়ত্তশাসন দেয়াই সবচেয়ে ভালো মধ্যপন্থা। তবে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি আনতে গেলে এবং এই রাজ্যগুলিকে মুল স্রোতে ফেরাতে গেলে অর্থনৈতিক বিকাশ প্রয়োজন।
  • debottam | ০৩ অক্টোবর ২০১০ ০৮:২৮459765
  • quote tatin

    "গুহামানবদের আয়ু কুড়ি বছর ছিলো কিন্তু তাদের প্রজন্ম লক্ষ বছর টিকে গেছে..."

    চলো সবাই সেই সময়ে ফিরে যাই :)
  • aka | ০৩ অক্টোবর ২০১০ ০৮:৩৮459766
  • এক, হায়দ্রাবাদের সাম্প্রতিক ইতিহাস দেখলে কি মনে হয় হায়দ্রাবাদীরা ভারতের অন্য কোন অঞ্চলের লোকেদের থেকে খারাপ আছে? যদি আরও পিছিয়ে দেখতে হয়, তাহলে হায়দ্রাবাদে মুসলিমরা ইনভেড করেছিল ইত্যাদি। সেই পিছিয়ে যাওয়া খুব একটা সুবিধের কাজ হবে না।

    দুই, নেহরু কবে বলেছিলেন তারপর তো জল অনেক গড়িয়ে গেছে। পাকিস্তান থেকে কতশত লোক এসেছে, পাকিস্তান কতটা দখল করে রয়েছে ইত্যাদি ইত্যাদি। তা যতটা না কাশ্মীরিদের আত্মনিয়ন্ত্রনের প্রশ্ন তার থেকেও বেশি ইন্টারন্যাশনাল পলিটিক্স হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    তিন, দাউদের ব্যপারটা আর একবার পড়ে দেখতে অনুরোধ করব। গুণ্ডারাজকে লেজিটিমাইজ করা, আর গুণ্ডারাজের প্রেজেন্স দুই এক ব্যপার নয়।
  • aka | ০৩ অক্টোবর ২০১০ ০৮:৫২459767
  • ইতিহাসে কতদূর পেছনে যাব তা নিজ নিজ রাজনৈতিক বিশ্বাসের ওপর ডিপেন্ড করে, যেমন বিজেপিরা মুসলিমরা ভারত আক্রমণের আগে কি ছিল তাই নিয়ে ভাবে।
  • kallol | ০৩ অক্টোবর ২০১০ ০৯:২৬459768
  • নিজামের হায়দ্রাবাদ মানে আজকের অন্ধ্রপ্রদেশের বেশীরভাগটাই। তারা যে কি ভীষণ ভালো আছে, তা সকলেই জানে!!
    নেহেরু প্রতিশ্রুতি পালন করেন নি, সেই থেকে ঝামেলা। তাই দায়িত্ব বর্তায়, অতীত বলে দায়িত্ব ঝেড়ে ফেলা যায় না।
    আত্মনিয়ত্রনের প্রশ্ন কিন্তু বাংলাদেশের বেলায়ও আন্তর্জাতিক রাজনীতির রং নিয়েছিলো, তাতে আত্মনিয়ত্রনের দাবীটা নস্যাত হয়ে যায় নি, তাই না?
    কে কবে গুন্ডারাজকে মান্যতা দিয়েছে? না আরব না পাকিস্তান। সব দেশের মতো গুন্ডারাজ সব জায়গাতেই আছে, অনেক জায়গাতে গুন্ডারাজ রাজনীতিকে নিয়ন্ত্রনও করে, যেমন মহারাষ্ট্র। সেটা নিয়ে আমাদেরই সমাধান বার করতে হবে। অন্য কোন রাষ্ট্র করে দেবে না। দিলে ইরাক-আফগানিস্তান হয়।
    তাই আজাদ কাশ্মীরেও তাই হতে হবে, না হলে - সমস্যাকন্টকিত কাশ্মীর হয়েই থাকবে।
    ইতিহাস ব্যাপারটাই অতীতের। এগোনো-পিছানো তো দৃষ্টিভঙ্গী সাপেক্ষ। ইতিহাসের শেষ কেউ কেউ বলেছিলেন-কিন্তু সেটা বোধ হয় আপনার মতও নয়, তাই কি?
    আর বার বার করে বলছি, কাশ্মীর, উ:পূ:-এর আলাদা হবার প্রশ্ন অর্থনৈতিক প্রশ্ন নয়, বরং তা পরিচয়ের প্রশ্ন, আত্মসম্মানের প্রশ্ন, ঠিক যেমন বাংলাদেশের বেলায় ছিলো। বাংলাদেশকে মেনে নেওয়া গেলে, এব্যাপারে অন্য মত কেন?
  • aka | ০৩ অক্টোবর ২০১০ ১০:১৪459769
  • প:ব:য়েও শালবনী ঘটেছে। তো?

    হ্যাঁ তা অবশ্য ঠিক, আমরা বাঙালী, রাজ ঠাকরে থেকে ওসামা বিন লাদেন ঠিক এই কথাই বলেন। আর একথা অস্বীকার করার তো নয় যে মহারাষ্ট্র মারাঠীদের, বাংলা বাঙালীদের।

    শুধু জানার ইচ্ছে রইল বিজেপি যদি বলে ভারতবর্ষ হিন্দু রাষ্ট্র তাহলে তাতে ভুল কিসের?
  • debottam | ০৩ অক্টোবর ২০১০ ১০:২৯459771
  • কল্লোল, তুমি দেশের যে কোনো অংশে যে কোনো রকম বিক্ষোভ দেখা দিলে তার একমাত্র সমাধান হিসেবে দেশভাগটাকেই ধরে নিচ্ছো কেন? কাশ্মীর হোক বা উত্তর পুর্ব, দেশভাগটা একদম অন্তিম সমাধান। তার আগে আরো অনেক রাস্তা খোলা আছে। আলোচনা করে ব্যাপারটা মেটানই অনেক বাঞ্ছনীয়। তাতে কাজ না হলে আংশিক স্বায়ত্বশাসন বা এমনকি পুর্ণ স্বায়ত্বশাসনেরও রাস্তা খোলা আছে আমাদের সংবিধানে। দেশভাগ পৃথিবীর সর্বত্রই যেখানেই হয়েছে একটা রক্তক্ষয়ী চেহারা নিয়েছে। সবসময়েই চেষ্টা থাকা উচিত সেটা আটকানোর তা সে অর্থনৈতিক কারণেই শুরু হোক বা রাজনৈতিক।

    নেহেরু ষাট বছর আগে একটা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন এবং আমাদের তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে হবে এটা খুব আইডিয়াল শোনাতে পারে, বুদ্ধিমানের মতন নয়। পৃথিবী রিয়েলপলিটিক দিয়ে চলে, আইডিয়াল দিয়ে নয়। কাশ্মীরকে যদি আজ ভারত স্বাধীনতাও দেয় সেই সিদ্ধান্তটাও আজকের বাস্তবের কথা মাথায় রেখেই নিতে হবে। কিন্তু নেহেরু প্রমিস করেছিলেন আর আমাদের সেটা ফুলফিল করতেই হবে এটা হাস্যকর যুক্তি।

    তবে আমার মনে হচ্ছে ৪৭ এর দেশভাগটা নিয়ে তোমার মনে যে প্রচন্ড ক্ষোভটা রয়েছে (অত্যন্ত যৌক্তিক স্বীকার করি) সেটার থেকেই তুমি চাও যে এই দেশের অন্যান্য অংশগুলিও সেভাবেই টুকরো হোক।
  • debottam | ০৩ অক্টোবর ২০১০ ১০:৪৬459772
  • quote pi

    "আকাদা, তাহলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, খেতে না পাওয়া এসব সূচক ছেড়ে ফরেন ডাইরেক্ট ইনভেস্টমেন্ট দিয়ে "উন্নতি" মাপতে হবে?"

    তুমি যে কটা ক্ষেত্রের নাম করলে সেই প্রত্যেকটা ক্ষেত্রেই যবে থেকে আমরা উদার অর্থনীতির পথে হেঁটেছি (১৯৯১) এবং ফরেন ডাইরেক্ট ইনভেস্টমেন্ট কে উৎসাহ দিয়েছি, ভারত লক্ষনীয় ভাবে উন্নতি করেছে। কোনো OECD দেশের সাথে তুলনা করলে আমরা এখনো অনেক পিছিয়ে। কিন্তু ভারতের নিজের সাথে তুলনা করলে ১৯৪৭ থেকে ১৯৯১ সালের মধ্যে আমরা যা করেছি, তার তিনগুণ উন্নতি হয়েছে মাত্র গত উনিশ বছরে। আমার কথা বিশ্বাস করার কোন দরকার নেই। নেট এ একটু সার্চ করে দেখো। বা তারও দরকার নেই, একটু ভেবে দেখো যে ঝাঁ চকচকে দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়েটা আজ অসংখ্য ট্রাক ড্রাইভারের সময় এবং জ্বালানি বাঁচাচ্ছে সেরকম কটা রাস্তা আমাদের আগের জেনারেশন দেখেছে? কি করে তৈরী হলো এটা? দেশী-বিদেশী বিনিয়োগে।

    শুধু তাই নয়, যে যে রাজ্যগুলি বাজার অর্থনীতিকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে, তারা প্রত্যেকে আজকে যারা দেয়নি তাদের থেকে উপরোক্ত সামাজিক বিকাশের সূচকগুলির কোনোটিতে দেড়গুন, কোনোটিতে দুগুন এগিয়ে। গোটা পুর্ব ভারত, এবং পশ্চিমবঙ্গও অনেক পেছোনে। এবং আমাদের নিজেদের বামফ্রন্ট সরকারের ক্যাল্যাসনেস ছাড়া এর আর কোনো ব্যাখ্যা নেই।

    তুমি যদি সত্যি সত্যি ভারতের উন্নতি চাও তাহলে এই মুহূর্তে আমাদের একমাত্র কাজ হওয়া উচিত যেকোন দেশী-বিদেশী বিনিয়োগকে রাস্তা করে দেওয়া যেটা আমাদের ১৯৪৭ থেকে করা উচিত ছিলো। ১৯৫০ এর দশক থেকে সাউথ কোরিয়া বা তাইওয়ান (বা ১৭৭৬ থেকে আমেরিকা বা ১৮৬১ থেকে জাপান) সেটাই করেছে। যে সাউথ কোরিয়া ১৯৫০ এর দশকে আমাদের থেকেও খারাপ অবস্থায় ছিলো (বিশ্বাস নাহলে যাচাই করে নাও) তারা আজ মাথাপিছু আয়ে আমাদের থেকে দশগুণ আগে। পরিকল্পিত অর্থনীতির চক্করে পরে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত আমরা সাল পর্যন্ত সময় নষ্ট করেছি বাজারকে অচ্ছুৎ করে রেখে। অবশেষে রাশিয়ার পতনের পরে আমাদের চোখ খুলেছে তাও দেশের লোক এখোনো সন্দিহান।
  • kallol | ০৪ অক্টোবর ২০১০ ০৭:৪৫459773
  • আকা -
    ১) প:ব:তে শালবনী, জঙ্গলমহল, কেশপুর, নন্দীগ্রাম, সিঙ্গুর, মরিচঝাঁপি, নকশালবাড়ি অনেক কিছুই ঘটেছে। তার সমাধনের জন্য কেউ কোথাও আলাদা হয়ে যাবার কথা বলেনি। সেটা ঐ সমস্যাগুলোর কারন বা সমাধান কোনটাই নয়। কিন্তু গোর্খাল্যান্ড সমস্যার কারন ও সমাধান সেটাই। যদিও তারা ভারত থেকে আলাদা হতে চাইছে না। প:ব: থেকে আলাদা হতে চাইছে।
    ২) মহারাষ্ট্র মারাঠীদের নয়, বাংলাও বাঙ্গালীদের নয়, কাশ্মীরও কাশ্মীরীদের নয়। মহারাষ্ট্র বা বাংলা বা কাশ্মীর তার অধিবাসীদের। তারা যদি আলাদা হতে চায় তো ঠিকই আছে। কিন্তু ঘটনা হলো, কাশ্মীর ও উ:পূ: ছাড়া কেউই আলাদা হতে চায় নি।
    ৩) ভারত হিন্দুদের কি না, প্রশ্নটাই অবান্তর। হিন্দু বা মুসলমান বা খ্রীষ্টান কোন জাতির নাম নয়। একটা ছোট্ট প্রশ্ন - হিন্দু কে বা কারা?

    দেবোত্তম -
    ১) আকাকে দেওয়া ১ নং উত্তরে আপনার প্রথম জিজ্ঞাসার উত্তর রয়েছে। যেকোন সমস্যার/বিক্ষোভের সমাধান দেশভাগ নয়।
    ২) নেহেরুর প্রতিশ্রুতি পালনের দায়িত্ব ভারত রাষ্ট্রের। তা না করলে ভারত সরকার বিবৃতি দিক - নেহেরুর প্রতিশ্রুতি ভুল বা ভাঁওতা বা হাস্যকর ছিলো। তবেই ভারত রাষ্ট্র তার থেকে সরে আসতে পারে। নইলে নয়।
    ৩) আমার দেশ ভাগ হয়েছে বলে সবার দেশ ভাগ হোক - এরকম অদ্ভুতুরে চিন্তা আমার মাথায় নেই।
    আমি ভারতভাগ সমর্থন করি না, কারন তা ধর্মের ভিত্তিতে ভাগ হয়েছিলো। ধর্ম আর জাতি এক নয়। যদিও তখনকার সিপিআই-এর বক্তব্য ছিলো 'মুসলমান জাতির আত্মনিয়ন্ত্রনের অধিকার আছে' - তাই পাকিস্তান। এরকম একটা মূর্খামী শুধু কম্যুনিষ্টরাই করতে পারে।
    ৪) যেকোন দাবী আদায়েই রক্তক্ষরণের ইতিহাস খুব স্পষ্ট। তা বলে দাবীটা নস্যাৎ হয়ে যাবে? এটা খুব একটা ঠিকঠাক লাগলো না। যে রাস্তাগুলো খোলা আছে বলে আপনি দাবী করেছেন, সেই রাস্তাগুলোর একটাও রাষ্ট্র প্রথম থেকে গ্রহন করে নি। করলে আজ সমস্যা এখানে পৌঁছাতো না। বরং রাষ্ট্রই হিংসা চাপিয়ে দিয়েছে, বিক্ষুদ্ধদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করে, চালাকি করে, মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে সমস্যাটিকে আরও জটিল করে দিয়েছে।
    তাই আজ কাশ্মীর অর উ:পূ:র সমাধান ঐ আলাদা হওয়াতেই পৌঁছ গেছে।
  • aka | ০৪ অক্টোবর ২০১০ ০৮:৫৭459774
  • এক। গোর্খাল্যান্ড সমস্যার সমাধান হল প:ব: থেকে আলাদা হওয়া এ যদি ব্যক্তিগত মতামত হয় তাহলে বলার কিছু নেই। যদি তা না হয়, তাহলে আরও ব্যাখ্যার দাবী করে। তেমনই কাশ্মীরের ক্ষেত্রেও।

    দুই। নন্দীগ্রাম, কেশপুর, শালবনী ইত্যাদি জায়গায় কেউ আলাদা হবার কথা বলে নি, বললেই তাকে সাপোর্ট করার জন্য বিভিন্ন গোষ্ঠী তৈরি হয়ে যেত।

    তিন। হিন্দু ধর্মে যারা বিশ্বাস করে তাদের হিন্দু বলে, যেমন ইসলাম ধর্মে বিশ্বাসীদের মুসলিম বলে, ক্রিশ্চান ধর্মাম্বলম্বীদের খ্রীশ্চান বলে। এবারে প্রশ্ন হল জাতি কি?
  • kallol | ০৪ অক্টোবর ২০১০ ১২:০৪459775
  • আকার জন্য - হিন্দু কারে কয়?
    http://www.guruchandali.com/guruchandali.Controller?portletId=1&pid=jcr://content/guruchandali/guruchandali9/1188426664032
    আমি যখন লিখছি, তখন আমার ব্যক্তিগত মত নিশ্চই।
    তবু ব্যাখ্যা -
    ১) দার্জিলিং সিকিমের রাজার থেকে ব্রিটিশরা কিনে নেয়, চায়ের জন্য। তারপর চা শ্রমিক হিসাবে প্রচুর নেপালী মানুষ আসেন ও স্থানীয় অধিবাসী/আদিবাসি লেপচা ও ভূটিয়াদের থেকে সংখ্যায় অনেক বেশী হয়ে যান। এই নতুন বাসিন্দাদের সাথে লেপচা আর ভূটিয়াদের কিছু ঝামেলা থাকলেও এরা মিলে মিশেই থেকেছে এতোকাল। সকলেই পাহাড়ী মানুষ বলে সংষ্কৃতিও মিলে মিশে গেছে অনেকটাই। যদিও নেপালীরা মূলত: হিন্দু আর ভূটিয়া ও লেপচারা ওদের মতো বৌদ্ধ। এরা বাঙ্গালীদের চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা জাতি ও সাংস্কৃতিক গোষ্ঠী। তাই এরা যদি আলাদা হতে চায় তা যৌক্তিক। তাছাড়া বাঙ্গালীরা তো চিরকাল দার্জিলিংকে বেড়ানোর জায়গা, চায়ের জায়গা আর দারোয়ান যোগানের জায়গা হিসাবেই দেখে এসেছে।
    ২) কাশ্মীর নিয়ে আলাদা করে ব্যাখ্যা দিলাম না - সেটা নিয়েই তো চলছে আলোচনা। অনেকবারই লিখেছি কেন কাশ্মীর আলাদা হোক - চাই।
  • kallol | ০৪ অক্টোবর ২০১০ ১২:১৩459776
  • জাতি -
    যে মানব গোষ্ঠী
    ১) এক ভাষায় কথা বলে (ডায়লেক্ট (ডায়লেক্টের বাংলা কি?) আলাদা হতেই পারে।
    ২) একই ভূখন্ডে বাস করে।
    ৩) মোটামুটি একই সংষ্কৃতিক ঐতিহ্যের অন্তর্গত।
    তারা একটা জাতি।
    হয়তো একটু সরলীকরণ হলো। তবু মোদ্দা এটাই।
  • kallol | ০৪ অক্টোবর ২০১০ ১২:২১459777
  • নন্দীগ্রাম, শালবনী, কেশপুরে জেন কেউ আলাদা হবার কথা বলে নি? যখন তারা এই দাবী তুললেই নাকি ""তাকে সাপোর্ট করার জন্য বিভিন্ন গোষ্ঠী তৈরী হয়ে যেত""।
    না, যেতো না। কারন ঐ সব সমস্যাগুলোর সমাধান আলাদা হওয়া নয়। তাই দাবী ও ওঠে নি।
    আমার কেমন মনে হচ্ছে - কেউ কেউ ধরেই নিচ্ছেন বিভিন্ন সমস্যাগুলো নিয়ে যে সব দাবী উঠেছে ও তাই নিয়ে মানুষ যে লড়াই করছে, সেগুলো কিছু লোক স্রেফ মজা করার জন্য তুলে দিয়ে তামাশা দেখছে। এরকমটা নয়। একেবারেই নয়।
  • kallol | ০৪ অক্টোবর ২০১০ ১২:২২459778
  • * কেন কেউ আলাদা হবার কথা বলেনি।
  • aka | ০৪ অক্টোবর ২০১০ ১৮:৩৫459779
  • ভাষা, ভৌগলিক অঞ্চল, সংস্কৃতি এবং তার সাথে ধর্ম মিশেই পৃথিবীতে বিভিন্ন সভ্যতা তৈরি হয়েছে। যেমন আফ্রিকান, হিন্দু, পশ্চিমি সভ্যতা, জাপানীজ সভ্যতা, ইসলাম যারা ভাষা, ধর্মে, সংস্কৃতিতে স্বতন্ত্র। ঠিক তেমনই যেকোন সভ্যতার একটি ছোট অংশে বিশেষ একটি জাতির মধ্যেও অনেক পার্থক্য যেমন ধরা যাক পুরুলিয়া আর বাঁকড়োর ভাষার সাথে কলকাতার ভাষার কতটাই বা মিল? নদীয়া আর চব্বিশ পরগণার সংস্কৃতিতে কতটাই বা মিল? আছে আবার নেইও। যাইহোক বিভিন্ন কারণে বিভিন্ন সভ্যতার মধ্যে কনফ্লিক্ট আছে, তার কারণ কখনো ধর্ম, কখনো রাজনীতি, কখনো সভ্যতা।

    কথা হল সেই কনফ্লিক্টকে প্রশ্রয় দেব? না, দুই জাতিসঙ্কÄ¡র মধ্যে সংহতির চেষ্টা করব। সে হিন্দু হয়ে মুসলিমদের অগ্রাধিকার দিন, বা কলকাতাবাসী হয়ে গোর্খাল্যান্ডের বাসিন্দাদের অগ্রাধিকার দিন, দিনান্তে আপনি কনফ্লিক্টকে লেজিটিমাইজ করলেন। একদিকে 'ওরা' অন্যদিকে 'আমরা' অথচ ইতিহাস আমাদের শিখিয়েছে মাল্টিকালচারাল কোএক্সিটেন্স। আমার দাবী সরকারী নিস্পৃহতার বিরুদ্ধে সঠিক বিরোধীতা গড়ে তোলা, শান্তিপূর্ণ সমাধানের প্রচেষ্টা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, দেখাই যাক না 'চিহ্নিতকরণের' প্রক্রিয়া দুর হলেও জাতিসঙ্কÄ¡র আত্মনিয়ন্ত্রনের দাবী প্রখর থাকে কিনা।
  • kallol | ০৫ অক্টোবর ২০১০ ০৭:৫১459780
  • আকা - আপনার সাথে একমত। সরকারী নিষ্পৃহতার বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন গড়ে তোলাই রাস্তা। কিন্তু তার উত্তর যদি লাঠি-গুলি-মানুষ হারিয়ে যাওয়া হয় তো সে আন্দোলন যে খুব শান্তিপূর্ণ থাকবে না, সেটা বুঝতে সমাজ বিজ্ঞানী হতে হয় না।
    আজ যেখানে এসে দাঁড়িয়েছে পরিস্থিতি তাতে অন্য যে কোন সমাধানই অস্থায়ী সমাধান।
    "ভাষা, ভৌগলিক অঞ্চল, সংষ্কৃতি এবং তার সাথে ধর্ম মিশেই, পৃথিবীর বিভিন্ন সভ্যতা তৈরী হয়েছে।" এখানে আপনার সাথে পুরোপুরি একমত নই। সভ্যতা তৈরীর সময়, প্রায় ব্যতিক্রমহীনভাবে সংষ্কৃতি ও ধর্ম এক ও অবিচ্ছিন্ন ছিলো। কিন্তু পরে একাধিক ধর্মের উপস্থিতির ফলে ধর্ম একটা আলাদা বর্গ হয়ে যায়। সেখানে সংষ্কৃতি ধর্মকে প্রভাবিত করে।
    হিধু ধর্ম বলে কোন একটা ধর্ম নেই। পূবের ব্রাহ্মণেরা মাছ খায়, মাংস খায়, এটা অন্য অঞ্চলের ব্রাহ্মণদের কাছ বিবমিষার উদ্রেক করে। নেপালের ব্রাহ্মণেরা মোষের মাংস খায়। এগুলো কয়েকটা মোটা দাগের উদাহরণ। আগের পোস্টে যে লেখাটার উল্লেখ করেছিলাম, তাতে ব্রিটিশদের হিন্দু বর্গ নির্মানের গপ্পোটাও এরকমই বিভ্রান্তিকর।
    এমনকি মুসলমান বা খ্রীস্টান ধর্মও কি একটা? আজও পীরের দরগায় বাতি দেওয়া, মানত করা, ভারতের মুসলমানদের মধ্যে খুব সাধারন ব্যাপার। আজমীরের দরগায় চাদর চড়াতে পাকিস্তান থেকে মুসলমানেরা আসেন। এই গোটা কাজকম্মোই মুসলমান ধর্ম বিরোধী - হারাম বলে চিহ্নিত। আবার সেই উত্তরের মুসলমানেরাই পূবের মুসলমানদের ""কম"" মুসলমান বলে মনে করেন। খ্রীস্টান হয়ে যাওয়া হিন্দু পরিবারের পূজার আসনে লক্ষী, কালী ও যিশুর সহবস্থান আজও বিরল নয়।
    তাই ধর্ম দিয়ে আজ আর জাতি চিহ্নিত করা যায় না। বিশেষ করে হিন্দু ধর্মে কোন কালেই যায় না।
  • aka | ০৫ অক্টোবর ২০১০ ০৮:২৫459782
  • তাহলে ভাষা দিয়েও যায় না। পুরুলিয়া, বাঁকড়োর ভাষা একবর্ণও বুঝি না। এমনকি সংস্কৃতি দিয়েও যায় না, নদীয়ার প্রতি বাড়িতে কোজাগরী লক্ষী পুজো হয় যদিও নদীয়া এদেশীয়।

    যাইহোক, আর খুব নতুন কিছু বলার নেই। ফাণ্ডামেন্টালি ক্ষণ্ডীকরণে বিশ্বাস করি না। জাতিসঙ্কÄ¡র আত্মনিয়ন্ত্রনের থেকেও কো-এক্সিটেন্স কম 'লাঠি-গুলি মানুষ' হারানো। তাই থিওরেটিকালি যেকোন জাতি, দেশে, রাজ্য, জেলা পাড়া নিজের ইচ্ছে অনুযায়ী আলাদা হতে পারে এবং এতে 'লাঠি, গুলি, মানুষ হারানো' কম হবে এ হতে পারে না। বিরোধীতার অন্য লাইন ভাবলে ঠিক আছে, নইলে বিরোধীতার এই লাইনটি ভয়ংকর। ভেবে দেখলে পৃথিবীর সমস্ত টেরর অ্যাটাককে এই লাইন দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায়। মুসলিমদের জিহাদ এবং আমেরিকার ওয়ার অন টেররও একই রকম যুক্তিতে চলছে। তাই যদি কারুর বিশ্বাস হয়, হোক, শুধু কনসিস্টেন্ট থাকতে পারলেই হল।
  • kallol | ০৫ অক্টোবর ২০১০ ০৯:৩৮459783
  • ভাষা প্রশ্নে - একটা ভৌগলিক সীমানার প্রান্তের ভাষা ধরলে সে ভাষা বোঝা কষ্ট। চট্টগ্রাম আর পশ্চিম মেদিনীপুরের মানুষের কথ্য ভাষার ফারাকটা অনেকই, কিন্তু পশ্চিম মেদিনীপুরের আর আরাকুর ভাষার চেয়ে অনেক অনেক কম। ঢাকার লোকে দরজায় দাঁড়ানো অতিথিকে বলে - আহেন, বাঁকুড়ার দিকে - আস্তেআজ্ঞাহোকবটে, আরাকুতে - রেন্ডি রেন্ডি।
    থিওরিটিকালিও যেকোন রাজ্য, পাড়া, জেলা আলাদা হবার যুক্তি থাকে না। ওটা একটা তঙ্কÄকে চরম টেনেবাড়ানো।
    আমার পাড়ায় কেন জল জমে তার জন্য আলাদা হওয়াটা সমাধান নয়। বা আমাদের জেলায় কেন সেচের বন্দোবস্তো ভালো নয়, সেটাও আলাদা হয়ে সমাধান হয় না। কিন্তু একটা জেলার আলাদা ভাষা, সংষ্কৃতি (কোজাগরী আর অমাবষ্যায় লক্ষী পূজোর মতো নয়) এবং জাতি হিসাবে তারা অবহেলিত ও অসম্মানিত বলে অনুভব করে, তবে আলাদা হওয়াই সমাধান।
    আলাদা হলেই - এপাড়ায় এলে ঠ্যাঙ্গ ভেঙ্গে দেবো - এমনটা নাও হতে পারে।
    খন্ডিত হওয়া আর সদ্ভাব বজায় রাখার মধ্যে কোন বৈরীতা নাই। বরং বহু ক্ষেত্রে খন্ডিত হওয়া সদ্ভাবের পূর্ব শর্তও হতে পারে।
    আপনার শেষ বক্তব্যটি ঠিক বুঝতে পারলাম না। ঐ টেররের যুক্তি। একটু বিশদ হওয়া যাবে কি?
  • bastu | ০৫ অক্টোবর ২০১০ ১০:২২459784
  • জাতিসঙ্কÄ¡র সিসেশনের অধিকার স্বীকার করে নিলে ধর্মের ভিত্তিতে দেশভাগের অধিকার স্বীকার করা যাবে না কেন?
  • lcm | ০৫ অক্টোবর ২০১০ ১১:১০459785
  • তেলের শিশি ভাঙ্গল বলে খুকুর ওপর রাগ করো.... :-)
  • pi | ০৫ অক্টোবর ২০১০ ১১:৩১459786
  • একটা খুব বোকা বোকা প্রশ্ন করি। বেশি দেশ মানেই কি বেশি বেশি যুদ্ধ হতে হবে ? প্রতিবেশী হলেই কি অসদ্ভাব থাকতে হবে নাকি ?
  • dukhe | ০৫ অক্টোবর ২০১০ ১১:৩৩459787
  • 'আস্তে আজ্ঞা হোক বটে' স্যাম্পলটা ঠিক না। কলকাত্তাই ভাষার ল্যাজে একটা 'বটে' লাগালেই বাঁকুড়া পুরুলিয়ার ভাষা হয় - এটা আকাশবাণী প্রচারিত ভুল ধারণা। 'বটে' আদতে is এর বাংলা। উদাহরণ - 'ছাড়ে দেন - ছোটো ছেল্যা বটে'।
  • kallol | ০৫ অক্টোবর ২০১০ ১১:৫৮459788
  • দুখে - একদম ঠিক। তবে আমি যেটা বলতে চেয়েছিলাম সেটা যে বাঁকুড়ার ভাষা চট্টগ্রামের চেয়ে ততোটা আলাদা নয় যতোটা বাঁকুড়া থেকে আরাকুর ভাষা।
  • dukhe | ০৫ অক্টোবর ২০১০ ১২:১০459789
  • একমত। বক্তব্যের স্পিরিট নিয়ে কুনো কোচ্চেন নাই।
  • kallol | ০৫ অক্টোবর ২০১০ ১২:৩৩459790
  • জাতিসত্তার আলাদা হবার অধিকার থাকলে ধর্মের ভিত্তিতে দেশভাগের অধিকার স্বীকার করা যাবে না কেন ? - কারন ইলিশ মাছের পাতুরী হলেও পাঁঠার মাংসের পাতুরী হয় না, যদিও রাঁধাই যায়।
  • lcm | ০৫ অক্টোবর ২০১০ ১২:৫৫459791
  • সে যাই বলুন, কাশ্মীর আলাদা দেশ হলে ওখানকার লোকেদের খুব একটা সুবিধে হবে না - এটা আমার মত। একান্তই আমার। ওদের জায়গা ওরাই ঠিক করবে, তবু, আমি মত পেশ করবই।

    একা দেশ হওয়ার চেয়ে হয় ভারতের সঙ্গে থাকুক, নইলে চীন-এ চলে যাক। পাকিস্তানের হাল এখন ভাল নয়, নইলে পাকিস্তানে যেতে পারত। তিব্বত-এ চীন ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইত্যাদিতে খরচ করছে, কাশ্মীর গেলে চিনারা ওদের জন্যেও করবে।

    কাশ্মিরীদের গ্যান আমি দেবোই, আমার গ্যানোগর্বো সাজেশন-এর অর্ডার
    ১) চীন
    ২) ভারত
    ৩) পাকিস্তান
    ৪) আলাদা দেশ কাশ্মীর (আমার লাস্ট অপশন)
  • aka | ০৫ অক্টোবর ২০১০ ১৭:৫২459793
  • দুটি প্রশ্ন রেখে যাই,

    ১। আল কায়দা কি পাঁঠার পাতুরী না ইলিশ পাতুরী? বুঝতে পারছি না।

    ২। তাইলে বাঁকড়ো আরাকুর মধ্যে না হয়ে বাংলার মধ্যে হল কেন?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। চটপট মতামত দিন