এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • আজাদ কাশ্মীর : আপনার কী মত

    pi
    অন্যান্য | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১০ | ২৩৭৫৭ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • kallol | ০৫ অক্টোবর ২০১০ ১৮:১১459794
  • আকা - প্রশ্ন দুটোরই প্রেক্ষিত ধরতে পারলাম না। একটু যদি বিশদ হন।
  • aka | ০৫ অক্টোবর ২০১০ ১৮:১৯459795
  • এক। আল কায়দা যে আম্রিগার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে সেটা কি ইলিশ পাতুরী না পাঁঠার পাতুরী? মানে সঠিক, বেঠিক।

    দুই। ভাষা যদি জাতির ডেফিনেশনের একটা হয় তাহলে প:মেদিনীপুর (বাঁকড়ো নয়) আর আরাকু এক জাতি অতএব একটি রাজ্য/রাষ্ট্র হওয়া উচিত নয় কি?
  • bastu | ০৫ অক্টোবর ২০১০ ১৯:৩১459796
  • ইলিশের পাতুরী পাঁঠার পাতুরীর চেয়ে খেতে ভাল বলে ধর্মের ভিত্তিতে দেশভাগ সমর্থন করা যাবে না!!!!!

    বুঝলাম না।
  • kallol | ০৬ অক্টোবর ২০১০ ০৭:৪০459797
  • আকা -
    ১) কোনটাই না।
    আমার বলার ছিলো জাতিসত্তার ভিত্তিতে আলাদা হওয়াকে মেনে নিলে ধর্মের ভিত্তিতে আলাদা হওয়াকে মানা হবে না কেন? এই প্রশ্নটা কে ঘিরে।
    ইলিশের পাতুরী হয়, তাই বলে কেউ যদি বলে তবে পাঁঠার পাতুরী হবে না কেন? প্রশ্নটা সেই রকম।

    ধর্ম কোন সাংষ্কৃতিক পরিচয় নয়। তা হলে একজন আমেরিকান খ্রীস্টান আর চীনা খ্রীস্টানের সংস্কৃতি এক হতো।
    বা
    একজন আরব মুসলমান ও ইন্দোনেশিয়ার মুসলমানের সংস্কৃতি এক হতো।
    বা
    একজন তিব্বতী বৌদ্ধ ও একজন মারাঠী বৌদ্ধর সংস্কৃতি এক হতো।
    বা একজন প:ব:র হিন্দু আর তামিল হিন্দুর সংষ্কৃতি এক হতো।
    কাজেই আকার প্রশ্নটা ভুল - এটুকুই বলতে পারি।

    আর আল কায়দার আমেরিকার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনার প্রেক্ষিতটাই আলাদা। আল কায়্‌দা তো আমেরিকার হাতেই গড়া। আফগানিস্তানে সোভিয়েৎ পুতুল সরকারকে উৎখাত করতে এদের মদত দিয়েছিলো আমেরিকা। এখন ইরাক নিয়ে আমেরিকার গুন্ডামীতে তারা ক্ষুব্ধ। হয়তো তেলের স্বার্থও আছে দুজনেরই। তাই অমেরিকা আজ আল কায়দার শত্রু।
    এর মধ্যে কোন জাতিসত্তার প্রশ্ন নেই তো।

    ২) বুঝলাম না। পশ্চিম মেদিনীপুরে দরজায় দাঁড়ানো অতিথি কে বলা হয় আসঅ, কলকাতায় বলে আসুন, ঢাকায় বলে আহেন, আর আরাকুতে বলা হয় রেন্ডি।
    কোন যুক্তিতে আপনি বলছেন তবে পশ্চিম মেদিনীপুর আরাকুর সাথে এক হবে?
    আরাকুর "আসুন" আর হিন্দির যৌনকর্মী (যা বাংলাতেও ব্যবহার হয়) শুনতে এক। এতোটাই ভাষার তফাৎ।

    বাস্তু - আপনার প্রশ্নের উত্তর আকাকে দেওয়া উত্তরের ১ম পয়েনে আছে।
  • bastu | ০৬ অক্টোবর ২০১০ ০৯:২৬459798
  • অর্থাৎ প্রশ্নটার উত্তর আপনার কাছে নেই। ঠিক আছে।
  • kallol | ০৬ অক্টোবর ২০১০ ০৯:৩৭459799
  • বাস্তু - সেটা আপনার মত। এই বয়সে আর এসব খোঁচার উত্তর দিতে ইচ্ছে করে না।
  • bastu | ০৬ অক্টোবর ২০১০ ০৯:৪৩459800
  • অজুহাতের দরকার নেই। সবাই সব কিছু জানে না। তাতে লজ্জা কি?
  • aka | ০৬ অক্টোবর ২০১০ ০৯:৪৭459801
  • ১। তারমানে জাতির ডেফিনিশান কি হবে সেটা জাতির হয়ে অন্য কেউ ঠিক করে দেবে। যদি কোন জাতি ধর্মের ভিত্তিতে একত্রিত হতে চায় তাহলে আপত্তি আছে। তার মানেই কোন একটি আইডিয়াল সিচুয়েশন কেউ ঠিক করে দিচ্ছে, বাইরে থেকে। এবং সেখানেই প্রচণ্ড একটা সমস্যা দেখা দেয়। ভাষা, ভূগোল ইত্যাদি দিয়ে জাতির ডেফিনিশন ভালো না ধর্ম দিয়ে ভালো এই নিয়ে তক্ক করাই যায়, কিন্তু ভালোর কি আর আইডিয়াল ডেফিনিশন হয়? কথায় আছে 'আপ রুচি খানা' তাই আমার যদি পাঁঠা পাতুরি ভালো লাগে আমি তাই খাব। নইলে কোন এক শক্তির পছন্দ মতন হলেই স্বাতন্ত্র্যের দাবী সঠিক আর সেই শক্তির পছন্দমতন না হলে সেই দাবী বেঠিক এ না ইতিহাস সাপোর্ট করে না বাস্তববোধকে।

    ২। ওসামা বিন লাদেনের ইন্টারভিউ ১৯৯৬ সনে। 1996 - Robert Fisk for The Independant

    In his last recorded interview, Usama bin Ladin tells Robert Fisk why he so despises America.

    When the American troops entered Saudi Arabia, the land of the two holy places [Mecca and Medina], there was a strong protest from the ulema [religious authorities] and from students of the sharia law all over the country against the interference of American troops. This big mistake by the Saudi regime of inviting the American troops revealed their deception. They had given their support to nations that were fighting against Muslims. They helped the Yemeni communists against the southern Yemeni Muslims and helping [Yasser] Arafat's regime fight Hamas [who opposed the peace process in the Middle East]. After it insulted and jailed the ulema 18 months ago, the Saudi regime lost its legitimacy ...

    The Saudi people have remembered now what the ulema told them and they realise America is the main reason for their problems. The ordinary man knows that his country is the largest oil producer in the world, yet at the same time he is suffering from taxes and bad services. Now the people understand the speeches of the ulemas in the mosques - that our country has become an American colony. They act decisively with every action to kick the Americans out of Saudi Arabia. What happened in Riyadh and Khobar [when 24 Americans were killed in two bombings] is clear evidence of the huge anger of Saudi people against America. The Saudis now know their real enemy is America.


    আবারও এক্ষেত্রে আমরা কি মনে করছি তার থেকেও বড় হয়ে দাঁড়ায় বিন লাদেন নিজে কি মনে করছে। তারও পরে কথা আছে, এর পিছনে যেমন আরও অনেক রাজনীতি আছে যেমন তেলের লাইন ইত্যাদি তেমনই কাশ্মীরেও পাকিস্তানের পলিটিক্স রয়েছে।

    তো, আমার পুরো আপত্তিটাই এই আইডিওলজি বেসড সমাধানে। দুই ধরণের আইডিওলজি বেসড সমাধানের কথা এই টইতে পড়েছি। এক, ঈশান বলেছে থিওরেটিকালি ক্ষণ্ডীকরণ ততক্ষণ সাপোর্ট করব যতক্ষণ জাতি নিজেই বুঝে নেয় কতটা ক্ষণ্ডীকরণ সঠিক। এই নিয়ে আপত্তির কথা আগেই বলেছি। দুই, কল্লোল-দা বলেছেন ভাষা, ভৌগলিক অবস্থান, সংস্কৃতি দিয়ে জাতি তৈরি হয় তো সেই সংজ্ঞার মধ্যে থেকে যদি কেউ আলাদা হতে চায় তাহলে আলাদা হবে। কিন্তু অন্য কোনরকম ডেফিনিশন মেনে নেব না যেমন ধর্মের ভিত্তিতে তৈরি হওয়া জাতি, কারণ আমার মতে ধর্ম জাতি নয়। মুশকিল হল দুটো আইডিওলজিকাল স্ট্যান্ডেই বহু বাস্তব ফাঁক ফোকড় আছে। তারমধ্যে একটা হল এরপরে কেউ ধর্মের ভিত্তিতে আলাদা হতে চাইলে সেখানেও এই মেজরিটি ভোটের দাবী মেনে নিতে হবে। নইলে সেটা আইনত ডিস্ক্রিমেনশন।
  • kallol | ০৬ অক্টোবর ২০১০ ০৯:৫৩459802
  • বাস্তু :-)))) ভালো থাকুন।
  • kallol | ০৬ অক্টোবর ২০১০ ১০:২৩459804
  • আকা - আপনার উক্তিতেই আমার উত্তর। ""যদি কোন জাতি ধর্মের ভিত্তিতে এক হতে চায়......"" অর্থাৎ জাতি আর ধর্ম এক নয়। তাই কোনো ""জাতি"", ""ধর্মের ভিত্তিতে"" এক হতে চাইতে পারে। কিন্তু তাহলে সেই জাতির সবাইকে একই ধর্মের হতে হবে। তা নইলে ব্যাপারটা দাঁড়ায় না।
    ধরা যাক বাঙ্গালী জাতি হিন্দু ধর্মের ভিত্তিতে এক হতে চাইলো। তাহলে বাঙ্গালী মুসলমান, বাঙ্গালী খ্রীস্টান, বাঙ্গালী বৌদ্ধ, বাঙ্গালী শিখ (তঙ্কÄগত ভাবে হতেই পারে) কোথায় যাবে? তাহলে যে ঝামেলাটা হয়, সেটাই এতো কাল (ইসলামী দেশ ঘোষনার পর) বাংলাদেশে হয়ে এসেছে।
    ধর্মের ভিত্তিতে কেউ এক হতে চাইতেই পারে। কিন্তু সেটা = জাতির ভিত্তিতে এক হওয়া নয়।

    আমি বাইরে থেকে কিছু চাপাচ্ছি না। কারন মানুষ হিসাবে আমিও একটা জাতির অন্তর্গত। কাজেই জাতি নিয়ে কথা বলার অধিকার আমার ভিতর থেকেই আছে।

    বিন লাদেন যা মনে করছে, সেটা ভুল মনে হলেও বলা যাবে না - এটা বেশ চাপের।
    বিন লাদেন স্পষ্টতই ইসলামের মসীহা হতে চায়। তাই অমেরিকার/পশ্চিমের বিরুদ্ধে তার জেহাদ, কিন্তু রিয়াধের বিরুদ্ধে শুধুই অসন্তোষ। ওখানে ৯/১১ ঘটানোর সাহস নেই। রিয়াধে, খোবারে শুধু আমেরিকানরা মারা যায়। রিয়াধের কোন মলেও বোম মারার সাহস নেই। এমনকি রিয়াধের রাজপ্রাসাদে গোঁত্তা মারার সাহসও নেই। তাহলে যে ইসলামের মসীহাগিরিতে দাগ লেগে যাবে।
    এর মানে এই নয় যে আমি আমেরিকার ঘৃণ্য ভূমিকার বিরুদ্ধে দাঁড়াচ্ছি না। লাদেন ও অমেরিকা ও তার বন্ধুরা গুয়ের এপিঠ-ওপিঠ।
  • kallol | ০৬ অক্টোবর ২০১০ ১০:৩১459805
  • সমাধান যদি শুধুই তঙ্কÄভিত্তিক হয়, তবে আমারও আপত্তি আছে।
    তঙ্কÄ একটা ভিত্তি হতে পারে কিন্তু তার আরও অন্যন্য ভিত্তিও আছে। সবচেয়ে বড় ভিত্তি মানুষের চাহিদা।
    ভারত রাষ্ট্র যদি চাইতো তবে কাশ্মীর ও উ:পূ:এর সমস্যার সমাধান হতেই পারতো। ভারতের কাঠামোর মধ্যে থেকেই হয়তো পারতো। কিন্তু ভারত রাষ্ট্র কোনদিনই তা চায় নি। ৬০ বছর উপর শুধু দমন ও বিভেদ দিয়ে সমস্যাগুলোকে এমন জায়গায় নিয়ে এসেছে যে আজ আর সামলাতে পারছে না।
  • aka | ০৬ অক্টোবর ২০১০ ১৭:৫৬459806
  • একটাই বক্তব্য তাহল অসংগতি। কাশ্মীরিদের আজাদী মেনে নিতে হলে, কাল বিজেপির ভারত রাষ্ট্র মেনে ভোট করতে হবে। জাতিসঙ্কÄ¡র আত্মনিয়ন্ত্রনে বিন লাদেনের জিহাদ মেনে নিতে হবে, তার উত্তরে আম্রিগার 'ওয়ার অন টেরর' মেনে নিতে হবে। তা, বিন লাদেন বনাম আম্রিগা না হয় বাদই দিলাম সেখানে আমাদের তাঙ্কিÄক ইন্টারেস্ট ছাড়া খুব কিছু বলার, করার নেই। কিন্তু ভারত রাষ্ট্র, সরকারকে যদি বলা হয় এই অসংগতি মেনে নিয়েও কাশ্মীরে ভোট কর, তাহলে সেই সমাধান বাস্তবের কাছাকাছি নয়। আমরা যত সহজে সমাধান দিয়ে দিতে পারি, সরকার, রাষ্ট্র তা দিতে পারে না। আজ কাশ্মীর নিয়ে ভোট করলে কাল বিজেপি ভারত রাষ্ট্র নিয়ে ভোট চাইবে। তখন আমরা মেনে নিতে পারব তো?

    বরং লাস্ট পোস্টটা নিয়ে বক্তব্য রাখা যায়, যদি ভারতীয় রাষ্ট্রের ঔদাসীন্যই আজকের কাশ্মীরের জন্ম দিয়ে থাকে তাহলে সেটা ঠিক করার চেষ্টা করা হোক না। বিরোধীতা যদি গড়েই তুলতে হয় এই লাইনের বিরোধীতা অনেক সদর্থক, কনফ্লিক্টকে প্রশ্রয় দেবার থেকে মাল্টিকালচারাল কো-এক্সিটেন্স অনেক বেশি মানবিক নয় কি?
  • X | ০৬ অক্টোবর ২০১০ ১৮:০৫459807
  • শুরুতেই একটা প্রশ্ন ছিলো না? Eventually the revolutionaries become the established culture, and then what will they do?
  • kallol | ০৬ অক্টোবর ২০১০ ১৮:৪৫459808
  • বিজেপির দাবী যদি জনতারও দাবী হয় তো মানতে হবে। রাষ্ট্র মানতে না চাইলে অশান্তি হবে। বিজেপি তো কবে থেকেই হিন্দু রাষ্ট্রের কথা বলছে। কোই তা নিয়ে আন্দোলন কোই? লাগাতার আন্দোলন?
    লাদেন আর অমেরিকা নিয়ে আমার অবস্থান আগের পোস্টে খুব স্পষ্ট। দুটোই বদমাশ ও ধান্দাবাজ। কেউই জিহাদ বা ওয়ার অন টেরর চালাচ্ছে না। জিহাদ চালালে আগে রিয়াধের রাজপ্রাসাদে বোম পড়তো। ওয়ার ওন টেরর চালালে ময়নামারেও আমেরিকা সৈন্য পাঠাতো।
    আরে, লাদেনরা না থাকলে আমেরিকার চলে না, লাদেনদেরও একটা আমেরিকা চাই।

    রোগ সারাবার মত সময়ে রোগ না সারালে তা সারানোর আর কোন চারা থাকে না। আলাপ আলোচনাও চলবে, আর্মড ফোর্স স্পেশাল অ্যাক্টও থাকবে - এটা চলে না।
    আর সহবস্থান? এতোকাল তো করেই আসছে কাশ্মীরীরা। ভর্তুকিতে চাল আর মুখ্যমন্ত্রীর পদটাকে প্রধানমন্ত্রী নামে (ওয়জিরে আজম) ডাকা ছাড়া আর কিছু করেছে এতোকাল? সেনাবাহিনীর ভয়ংকর অত্যাচার আর কাশ্মীরীদের মধ্যে বিভেদ তৈরী করে, প্রচুর মানুষকে পাকিস্তানের দিকে ঠেলে দেওয়া ছাড়া?
    একই কাজ করে গেছে উ:পূতেও। মনোরমার ঘটনা আর তার উলঙ্গ প্রতিবাদ ভুলে গেলেন? আর কতো?
  • bastu | ০৬ অক্টোবর ২০১০ ১৮:৫৭459809
  • এই অশান্তি দিয়ে জনগনের সমর্থন মাপাটা বেশ ইন্টারেস্টিং কনসেপ্ট। ন্যুইসেন্স ভ্যালু আর জনসমর্থন যদি একই হয়, তাহলে মেনে নিতে হয় তাহলে মেনে নিতে হয় দারিদ্র্য নিয়ে ভারতের জনতার কোন ক্ষোভ নেই। কেন না কোন লাগাতার আন্দোলন নেই।
  • I | ০৭ অক্টোবর ২০১০ ০০:২৫459810
  • বাস্তুকে ডিটো।
    আসলে তক্কের শেষদিকে এসে সকলেরি কথা কেমন এলিয়ে গেছে।
    আর গণভোট নিয়ে বোধ হয় একটা জটিল ঝামেলি আছে। ইউএন কী এমন কোনো শর্ত দিয়েছিল যে পাকিস্তানকে আগে আজাদ কাশ্মীর থেকে হাত গোটাতে হবে, তারপরে গণভোট হবে?
    আর ঐসব জায়গার কী হবে? বাল্টিস্তান, আকসাই-চীন ?
  • I | ০৭ অক্টোবর ২০১০ ০০:৩৩459811
  • তাছাড়া কতদিন ধরে আন্দোলন করলে তাকে লাগাতার আন্দোলন বলা হবে, সেটারও একটা ইয়ার্ডস্টিক চাই।
    তবে, হিন্দুরাষ্ট্র না হইলেও রামজন্মভূমি তো ভারতরাষ্ট্রের একখানি বড় পিলার কর্তৃক অর্ধস্বীকৃত ! সকলেই একই ঈশ্বরের সন্তান নহেন।
  • kallol | ০৭ অক্টোবর ২০১০ ১০:০৮459812
  • একটা দাবীর পেছনে ব্যাপক জনসমর্থন থাকলে, রাষ্ট্র তা মানতে না চাইলে অশান্তি হবে। যেমন হচ্ছে, কাশ্মীরে, উ:পূ: তে, মাওবাদী অধ্যুষিত অঞ্চলগুলোতে। সরকার তা থামাতে ব্যার্থ। জনসমর্থন না থাকলে যতোই অশান্তি তৈরী করা হোক, তা সরকার দমিয়ে দেবে। যেমন প:ব:তে নকশাল আন্দোলন। মাপটা অশান্তি নয়। মাপটা অশান্তি না থামাতে পারা।
    লাগাতার আন্দোলন মানে দাবী না মেটা পর্যন্ত আন্দোলন, যেমন চলছে কাশ্মীরে, উ:পূতে, যেমন চলেছিলো পূর্ব পাকিস্তানে।

    ক্ষোভ থাকা আর তাকে নিয়ে আন্দোলন থাকা বা না থাকা দুটো আলাদা বিষয়। বামেদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ ছিলো, কিন্তু আন্দোলন ছিলো না। নন্দীগ্রামের পর আন্দোলন শুরু হয়েছে। তার মানে এই নয় যে নন্দীগ্রামের আগে ক্ষোভ ছিলো না।
  • aka | ০৭ অক্টোবর ২০১০ ১৯:০২459813
  • আচ্ছা এটা কিরকম হল?

    গুজরাতে তো সাধারণ মানুষই সাধারণ মানুষকে মেরেছিল। প্রশাসন কিছু করতে পারে নি। প্রচ্ছন্ন মদত ছিল, কিন্তু অফিসিয়াল ভার্সন হচ্ছে কিছু করতে পারে নি, তারমানে গুজরাত দাঙ্গা ভ্যালিড হয়ে গেল?

    বাবরি মসজিদ ভাঙার সময়ে প্রশাসন কিছুই করতে পারে নি। তারমানে সেটা ঠিক হয়ে গেল?

    গণহত্যার সময়ে অধিকাংশ সময়ে পুলিশ কিছু করতে পারে না, তারমানে সেটা ভ্যালিড আন্দোলন?

    মাস হিস্টিরিয়া প্রবল হলেই আন্দোলন তার বৈধতা পেয়ে গেল? তাহলে আল কায়দার সুইসাইড স্কোয়াড নিয়ে কি বক্তব্য? সারা পৃথিবীর তাবড় তাবড় ইন্টেলিজেন্ট সিস্টেমকে ঘোল খাইয়ে দিয়ে চালিয়ে যাচ্ছে।

    বাংলা কথা, এই লাইনের স্টান্সটা স্লিপারি স্লোপ, থামার আগে বোঝা যায় না কোথায় চলেছি। আমার নিজের মনে হয়, এই নিয়ে ভাবনা চিন্তা করার অবকাশ রয়েছে। সমস্যার সমাধান চাইলে ভ্যালিড সলিউশন বের করতে হবে, সেই অনুযায়ী বিরোধীতা করতে হবে। নইলে খুব বেশি হলে টোকেন প্রতিবাদ ছাড়া খুব কিছু হয় না। খুব বেশি কিছু করতে হলে মাওবাদী হতে হবে।
  • I | ০৮ অক্টোবর ২০১০ ০০:১৪459816
  • উত্তর জানি না। পোশ্নগুলো সহজ বলেও মনে হয় না।

    জাতিসত্তার আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার শুনতে ভালো, থাকা উচিত বলেই মনে হয়। কিন্তু এর নাম নিয়ে কতদূর অবধি খণ্ড করা যেতে পারে।
    যেমন ধরুন গোর্খাল্যাণ্ড। কল্লোলদা বলেছেন নেপালী আর লেপচা /ভুটিয়ারা মোটামুটি মিলেমিশেই থেকেছে। হয়তো তাই। কিন্তু জাতিবিদ্বেষ যে তলায় তলায় ভালৈ আছে, একথা একটু কান পাতলেই জানা যায়। লেপচাদের সম্বন্ধে গড়পরতা নেপালীর খুব উঁচু ধারণা নেই। লেপচারা কুঁড়ে, কামচোর, পাঁড় মাতাল এরকম একটা ধারণা হাওয়ায় দিব্য ভাসে।লেপচাদেরো, কাজেই, নেপালীদের দেবাতাত্মা বলে ভাবার কোনো তেমন কারণ নেই। বিশেষ করে তারা যখন লেপচাভূমির দখলদার(অন্যতম তো বটে!) ও মূলস্রোত-অন্তত: সিকিম-দার্জিলিংয়ে!
    এখন এমত পরিস্থিতিতে যদি গোর্খাল্যাণ্ড ধরুন হাসিল হয়ে গেল এবং বদলতে হুয়ে মৌসমে দূর ভবিষ্যতে তার মধ্যে লেপচাল্যাণ্ডের দাবী উঠল-তখন কিংকর্তব্য? এমনটা যে হতে পারে না, তা তো নয়, উ: পূ: আগেও তা দেখিয়েছে।ভাঙতে ভাঙতে কোথায় গিয়ে ঠেকবে তবে?
    তাই বলে অবিশ্যি আকা-র মত বলতেও ব্যথা আছে, যে কাশ্মীরীরা আলেদা হবেক কিনা, সেব্যাপারে আমারো মত নিতে হবে।
  • I | ০৮ অক্টোবর ২০১০ ০০:১৬459817
  • একটু শয়তানের উকিলও সাজা যাক। জাতিসত্তা পবিত্র হলে ধর্মীয় আইডেন্টিটি অচ্ছ্যুত কেন?
  • kallol | ০৮ অক্টোবর ২০১০ ০৭:১০459818
  • আকা - প্রথম দুটো লাইনে ভাবের ঘরে চুরি। গুজরাট আর বাবরী দুটোই ইচ্ছে করে থামানো হয় নি। গুজরাটে মোদী সরকারের প্রত্যক্ষ মদত, বাবরীতেও কল্যান সিংহ সরকারের প্রচ্ছন্ন মদত ও নরসিমহা রাও সরকারের নিষ্কৃয়তা দায়ী।
    কাশ্মীর আর উ:পূ:তে সরকারকে আর যাই হোক, আন্দোলনে প্রত্যক্ষ, প্রচ্ছন্ন মদত বা আন্দোলন দমনে নিষ্কৃয়তার অভিযোগে অভিযুক্ত করা যায় না বোধহয়।
    আক্ষরিক অর্থ নিয়ে অনেক তর্ক করা যায়, এমনকি যেটা বলতে চেয়েছি তাকে এড়িয়েও যাওয়া যায়। ৬০ বছর ধরে যে দাবী নিয়ে আন্দোলন চলে চলতেই থাকে - সে দাবীর যৌক্তিকতা, সেই আন্দোলনে মানুষের সমর্থন নিয়ে প্রশ্ন তোলাটা কিঞ্চৎ কচকচি।
    আল কায়দার কার্যক্রম আর যাই হোক সাধারন মানুষের আন্দোলন নয়। ইরাকের মানুষ অমেরিকার বিরুদ্ধে লড়ছে। প্যালেস্তাইনের মানুষ ইজ্রায়েলের বিরুদ্ধে লড়ছে, আর আল কায়্‌দা অমেরিকার বিরুদ্ধে লড়ছে - বিষয়টা এক নয়।

    আই - প্রশ্নটা করতে শয়তানের উকিল সাজতে হলো যখন, তখন উত্তরটা সেখানেই আছে।
    তবু।
    ধর্মীয় পরিচয় অচ্ছুত এমন কথা কোথাও বলিনি। বলেছি ধর্মের নামে আলাদা হওয়ার সমস্যা আছে।
    কিছু আগের পোস্টে এটা নিয়ে বাংলাদেশের উদাহরণ দিয়ে লিখেছি।
  • aka | ০৮ অক্টোবর ২০১০ ০৮:৩৪459819
  • সে আপনার মনে হচ্ছে, আমার মনে হচ্ছে যে আন্দোলনে সারা পৃথিবীর হাজারে হাজারে মানুষ সুইসাইড স্কোয়াডে যাবার জন্য তৈরি হচ্ছে তাদের দাবীকে লাদেনের শয়তানি বলে ধরা কচকচি - বাই দা ওয়ে লাদেন আদৌ আর বেঁচে আছে কিনা কেউ জানে না, কিন্তু 'আন্দোলন' বেঁচে আছে।

    মূলত: আপনি যাকে ক্ল্যাশ অফ সিভিলাইজেশন(জাতি) আমি তাকে ক্ল্যাশ অফ ডেফিনিশন বলছি। কারণ ডেফিনিশনটা একটু বদলে নিলেই অন্য অনেক জিনিষ মেনে নিতে হয় যা মানার জন্য আমরা কেউই তৈরি নই। একদেশের টেররিস্ট অন্য দেশের জাতীয় বীর, এ উদাহরণ কম নেই। এবং বলার উদ্দেশ্য কেন ভারত সরকার কাশ্মীর ছেড়ে দিতে পারে না, ভোট করতে পারে না। এমনিতে কাশ্মীর ছাড়লে সীমানার সুরক্ষা ছাড়া আর খুব কিছু ক্ষতি নেই বোধহয়। আর পাকিস্তানকে আর একটু জমি ছেড়ে দেওয়াও হবে।

    কাশ্মীরের সমস্যা নিয়ে কোন প্রশ্নই তুলি নি, শুধু আপত্তি আছে সমাধান প্রক্রিয়া হিসেবে কাশ্মীর আলাদা করে দেবার টোটকায়। শব্দ, বাক্য নিয়ে কানামাছি খেলা আমার উদ্দেশ্য নয়। কেন আপত্তি তা অনেকবার বলেছি। সমস্যা আছে, কিন্তু সমস্যা থাকলে সমাধান হিসেবে শুধুই ক্ষণ্ডীকরণ এই থিওরি চলে না।

    এমনিতেও এই গুরুতে তক্কো বিতক্কো করে কিসুই হবার নয়। নেহাতই একটা গুড, অ্যাকাডেমিক স্পোর্ট। তাও জানার ইচ্ছে রইল যে যাঁরা রাজনীতির সাথে বা কোন সংগঠনের সাথে যুক্ত, যুক্তি হিসেবে মাল্টিকালচারাল কো-এক্সিটেন্স এবং সেই ডাইরেকশনে প্রোটেস্ট করা অসম্ভব বলে মনে হয় কেন?

    জাতিসঙ্কÄ¡র আত্মনিয়ন্ত্রনের সাথে অনেকের একসাথে মিলেমিশে থাকার কোন বিরোধ নেই বলেই মনে করি।
  • kallol | ০৮ অক্টোবর ২০১০ ০৯:০৬459820
  • মনে হচ্ছে আমরা সমান্তরাল চলছি। ফলে এ এখন মেটবার নয়। আমি বরং আরও ভাবি। হয়তো কাছাকাছি আসতেও পারি। নাও পারি।
  • pi | ০৮ অক্টোবর ২০১০ ১৪:২১459821
  • আমার উত্তরটা কেউ দিলো না। ভাব সাব রেকে্‌খ থাকতে গেলে এক দেহে্‌সই থাকতে হবে কেন ? প্রতিবেশীর সাথে মিলেমিশে থাকা যায় না ? অন্য দেশ মানেই যুযুধান দু পক্ষ হতে হবে নাকি ? 'Imagine' এর ঐ ঐ piece কি দেশবিহীন পৃথিবী ছাড়া imagine করা যায়না, lcm দা ?
  • kb | ০৯ অক্টোবর ২০১০ ২০:২৭459822
  • @ aka

    আপনার যুক্তিগুলো ভালো। বেশ গুলিয়ে দিয়েছে। তবে এই মুহুর্তে কাশ্মীর সমস্যার সমাধান আপনার মতে কি?
    military তো যা করার করে দিয়েছে। সামাল কিভাবে দেওয়া যাবে?
  • bastu | ১০ অক্টোবর ২০১০ ০১:২৬459823
  • এনি ওয়ে, এ নিয়ে পোচ্চুর কচকচি হল। এবারে ভারত ছেড়ে আম্রিকার কথা একটু হোক।

    আম্রিকাতে দক্ষিণপন্থীদের মধ্যে এই 'স্টেটস রাইট' কথাটা খুব পপুলার। এই কথাটা এরা ব্যবহার করে সব রকম রেসিস্ট ও রিঅ্যাকশনারী এজেন্ডার ইউফেমিসম হিসাবে। সিভিল রাইটস? তুমি ফেডারেল গভর্ণমেন্ট নাক গলানোর কে? গে ম্যারেজ? আমরা আমাদের স্টেটে ঠিক করব এখানে কি চলবে। ইউনিভার্সাল হেলথ কেয়ার? লেবারস রাইট টু অর্গানাইজ? সে সবই স্টেট ঠিক করবে।

    ভাগ্যে অ্যাবি লিংকন আর জেনারেল শারম্যান এদের একবার মেরে পাট করেছিলেন!! বেশ করেছিলেন।

    তো কাশ্মীর আলাদা হতে চাইলে সেখানে মাইনরিটি রাইটস-এর কি হবে? মানে যারা আলাদা হতে চাইবেন না তাদের কি হবে? আর কাশ্মীরে শরিয়া ল চালু করলেই বা কি হবে?
  • bastu | ১০ অক্টোবর ২০১০ ০১:২৯459824
  • উপ্‌স্‌। জেনারেল গ্র্যান্ট হবে। যদিও শারম্যানকে আমার বেশী পছন্দ (কেন সেটা আকা বলবে ;))।
  • pi | ১০ অক্টোবর ২০১০ ০১:৩২459825
  • *peace
    :((((
  • kallol | ১০ অক্টোবর ২০১০ ০৮:১৯459827
  • কাশ্মীর আলাদা হলে সেখনে সংখ্যালঘুদের অধিকার কি হবে, সেটা নিয়ে আমি আমার মত বলতে পারি। সেটাই যে কাশ্মীরের মত, তা কি করে বলবো!
    আমার কাশ্মীর বা উ:পূ: সমস্যার সমাধান নিয়ে মত - ওঁরা চাইছেন আলাদা হতে, তো, আলাদা হতে দাও। ৬০ বছরেও যখন ভারতে থেকে সমস্যার সমাধান হলো না, তখন আলাদা করে দেওয়াই ভালো।
    আলাদা হয়ে ওঁরা কি করবেন, সেটা ওঁদের বিষয়। সে নিয়ে আমি আপনি কথা বলার কে!
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ঠিক অথবা ভুল মতামত দিন