এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • গোর্খাল্যান্ড ???

    Ananyo
    অন্যান্য | ০৪ আগস্ট ২০১৩ | ৪০৪৮৮ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • T | ০৬ আগস্ট ২০১৩ ২৩:৩৭616109
  • আলাদা রাজ্য হোক বা না হোক ভারতীয়ত্ব তো আর ঘুচে যাচ্ছে না। রাজ্য পাহাড়ে উন্নয়ন করে নি এটা তো অনেক দাবীর মধ্যে একটা ছিল। তো কেন্দ্রও তো উন্নয়ন করেনি। তাহলে ভারতে থেকেই বা কী লাভ। আর ভারত রাষ্ট্রের দেওয়া নিরাপত্তা সুযোগ সুবিধে এসব পেতে চাইলে তুচ্ছ একটা রাজ্যস্তরের বাউন্ডারীতে কি আসে যায়? আলাদা করে গন্ডি কাটলে ঠিক কি একস্ট্রা উন্নয়ন সম্ভব যা জিটিএ র মধ্যে থেকে করা যেত না। নাকি এখন উন্নয়ন আর ইস্যু নয়, স্রেফ আলাদা রাজ্যই ইস্যু? তাছাড়া স্বাধীনতার সময়ে জাতিভিত্তিক রাজ্যগঠন হয়েছিল বলে এখনও তা করতে হবে কেন? উল্টে এটাতো প্রাদেশিকতায় ইন্ধন দেবে। প্রশাসনিক সুযোগ সুবিধে থাকলে তবেই তো রাজ্য ভাগ ইত্যাদির প্রসঙ্গ আসবে।
    'আমাদের হাতে ছেড়ে দিন আমরা যা করার করে নেব' বলে এতই যদি দম তো আলাদা দেশের দাবী করে স্বাধীন হয়ে উন্নতি করে দেখালেই তো হয়। আর যদি দাবীটা হয় কেন্দ্রের টাকা আমাদের হাতে সরাসরি দিন, খরচ করব, তো জিটিএর বিভিন্ন চুক্তিকে এক্সটেন্ডেড করেই তো করা যেতে পারে।

    এমনিতে জিটিএ হয়ে অর্থনৈতিক লাভ কিছু হল, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের? গত একবছরে জিটি এ কৃত উন্নয়নের বহরটাই বা কি?
  • pi | ০৬ আগস্ট ২০১৩ ২৩:৪৬616110
  • উন্নয়ন মূল ইস্যু কখনোই ছিলনা।
  • T | ০৬ আগস্ট ২০১৩ ২৩:৫৩616111
  • উন্নয়ন মূল ইস্যু ছিল না? পাহাড়ে প্রতিপক্ষ মার্কা আবাপীয় অনুষ্টানে রোশন গিরি বা ওই স্তরের কেউ উন্নয়ন নিয়েই তো অনেক কিছু বলছিলেন। যদ্দুর মনে পড়ছে যে দাবী করছিলেন, রাজ্য কিস্যু করেনি, আমাদের হাতে ছেড়ে দাও আমরা করে দেখাবো। উন্নয়ন মূল ইস্যু না হলে এই আন্দোলনকে গুরুত্ব দেওয়ার দরকার আছে বলে মনে করি না। না হলে এরপর কোনকালে কলকাতার পাব্লিক চার্ণকল্যান্ড দাবী করে বসবে।
    চান্দু স্যারের সাথে একমত।
  • Ishan | ০৭ আগস্ট ২০১৩ ০০:৫৩616112
  • ধুর এইটা কোনো কথা হলনা। প্রথ্মতঃ ওমুক মুখ্যমন্ত্রী হবেন অতএব উনি ধান্দাবাজ, বলা যায়না। ওভাবে হিসেব করলে জ্যোতি বসু ভারতের সবচেয়ে বড়ো ধান্দাবাজ। দ্বিতীয়তঃ নেতারা ধান্দাবাজ হোক বা না হোক, এতগুলো লোক যখন আন্দোলন করছে, একটা দাবীতে মুখর, তাদের বক্তব্য শোনার দরকার আছে। "উন্নয়নই একমাত্র ইস্যু" -- এটা এক ধরণের মৌলবাদ। ফেডারাল স্ট্রাকচারের পক্ষে এটা খুবই ক্ষতিকারক।
  • pinaki | ০৭ আগস্ট ২০১৩ ০১:০৩616113
  • এইটাই সবচেয়ে ইম্পর্ট্যান্ট কথা বলে আমার মনে হয়। যেখানে এত এত লোক একটা দাবীতে র‌্যালি করছে সেখানে নেতৃত্বে যদি ধান্দাবাজ লোকও থেকে থাকেন, তবু সেই দাবীকে গুরুত্ব দিয়ে দেখার প্রয়োজন আছে।
  • pi | ০৭ আগস্ট ২০১৩ ০১:১০616114
  • চান্দুসাহেবের এর ১১ঃ২৬ পড়ে মনে হয় যেনো ঐ দুটি লোক ছাড়া আন্দোলনে আর কেউ নাই ! আন্দোলনের এই এতো এতো লোকের 'ধান্দা' সম্বন্ধে জানতে আগ্রহী।
  • Sibu | ০৭ আগস্ট ২০১৩ ০১:১৩616115
  • এসব পড়ে আমি বিকেলে বিজেপির বক্তব্য শুনতে যাচ্ছি। তাদের দিকে আরো অনেক বেশী লোক।
  • pinaki | ০৭ আগস্ট ২০১৩ ০১:১৭616116
  • আর অনুন্নয়নটা ইস্যু এই অর্থে যে যদি পঃবঙ্গের মধ্যে থাকা অবস্থায় উন্নয়ন যথাযথ না হয়, বঞ্চনা থাকে, তখন লোকের মনে এই ধারণাটা আরও পাকাপোক্ত হয় যে আমরা আলাদা রাজ্য নই বলে আমাদের দাবিয়ে রাখা হচ্ছে। তখন জাতিসত্ত্বার আলাদা রাজ্যের দাবীর সাথে উন্নয়নের ইস্যুটা জড়িয়ে পেঁচিয়ে যায়।
  • pinaki | ০৭ আগস্ট ২০১৩ ০১:১৯616117
  • উফ শিবুদা, এখন বিরিয়ানি মোডে আছি। প্লিজ আমাকে পিছু টেনোনা। ;-)
  • Ishan | ০৭ আগস্ট ২০১৩ ০১:৩৮616119
  • তেলেঙ্গানা হলে গোর্খাল্যান্ড রাজ্য চাইবে, গোর্খাল্যান্ড হলে চার্নকল্যান্ড -- এইটা শুনে শুনে বোর হয়ে গেছি। এর এক্সটেনশন হল, এরপরে সব শহর আলাদা রাজ্য হবে, তারপর প্রতিটা বাড়ি একটা ...

    তো মশাইরা, একটু স্মরণ করিয়ে দিই, এই যুক্তিতে চললে জন্মনিয়ন্ত্রণেরও বিরোধিতা করতে হয়। একটা লোক জন্মনিয়ন্ত্রণ করলে আরেকজন করবে। সেই দেখে আরেকজন। শেষে গোটা দুনিয়া জনশূন্য হয়ে যাবে। তখন, হায়, মানবসভ্যতার কি হাল হবে।

    একটু যুক্তিটুক্তি খাটান। দেখবেন অতো সোজা না।
  • kc | ০৭ আগস্ট ২০১৩ ০১:৪৬616120
  • সুইট্জারল্যান্ড নামটা কিন্তু গোর্খাল্যান্ড নামের থেকে ভাল। এইজন্য আমি গোর্খাল্যান্ড চাইনা।
  • Sibu | ০৭ আগস্ট ২০১৩ ০১:৫০616121
  • নাম ভালই হোক আর খারাপ, লংডং কিন্তু চাইতেই হবে। ;-)
  • Ishan | ০৭ আগস্ট ২০১৩ ০২:০১616122
  • উফ আবার ডিম্পাউরুটি সিরিজ চালু।
  • T | ০৭ আগস্ট ২০১৩ ০৪:০০616123
  • থামলেন কেন, স্যার ইশান!
    'এই যুক্তিতে চললে কৃষিজমি অধিগ্রহণের বিরোধীতাও করতে হয়। একবার কৃষিজমি অধিগ্রহণ হলে আরেকবারও হবে। এবং এইভাবে পৃথিবীর সব কৃষিজমি দখল হয়ে যাবে। চাষাবাদ হবে না, তখন হায় মানব সভ্যতার কি হাল হবে।'
    এই ভাবে, স্যার ইশান আরো অনেক কিছুই খাপে খাপ বসিয়ে নিতে পারেন।

    এটা নিদারুণ পরিচিত ট্রেন্ড। প্রথমে একটা সটান মোটা দাগের কোরিলেশন। যেন মাঝখানে কিস্যু আর নেই। এবং তারপর অনিবার্য ভাবে 'যুক্তি খাটান, যুক্তি খাটান' বলে চেঁচামেচি। মতে না মিললেই অন্যেরা যুক্তি দিয়ে ভাবছে না এরকম তত্ত্ব। যুক্তি কি আপনার স্বকোল্পিত হাইওয়ে তে চলা গাড়ি বিশেষ যে অ্যানোম্যালি দেখলেই ওটা যুক্তি নয় বলে দাগাচ্ছেন! পাল্টা চেপে ধরলে সামলাতে পারবেন তো!

    একটা ক্লাসিফিকেশনের অর্থ এই নয় যে অন্য ক্লাসিফিকেশন অবসোলিট হয়ে গেল। একটা সেটের মধ্যে প্রচুর ভিন্ন রকম মার্কড সাবসেট থাকতে পারে। আপনি যে অ্যানালজি টেনেছেন সেটাকে বলে গ্যালটন ওয়াটসন প্রসেস। ইংলন্ডের রাণীর খেয়াল হয়েছিল যে ভবিষ্যতে তাঁর পরিবারের উত্তরাধিকার কেউ আদপেই বহন করবে কিনা। আবদার মেটাতে গিয়ে দুই ইংরেজ গণিতবিদ হিসেব করে দেখিয়েছিলেন, একটি নির্দিষ্ট প্যারামিটারের ভ্যালু তার থ্রেশোল্ডের নিচে বা উপরে হলে তার উপর নির্ভর করবে গোটা প্রজাতি অবলুপ্ত হবে কি হবে না। মজার ব্যাপার যেটা সেটা হল, এই প্যারামিটারের ভ্যালু প্রত্যেক জেনারেশনের নাম্বার অব চাইল্ডের এক্সপেক্টেশনের উপর দাঁড়িয়ে। ইন্ডিভিড্যুয়াল প্রবাবিলিটি বা চয়েসের উপর দাঁড়িয়ে নেই। এই সোজা অংক থেকে, হ্যাঁ স্যার, এটা বলে দেওয়া যায় যে একজন জন্মনিয়ন্ত্রণ করলে আরেকজনও তা দেখে শিখবে ফলে একসময় পৃথিবী থেকে মানবসভ্যতা অবলুপ্ত হবে এটা ভুল। লক্ষ্য করবেন জন্মনিয়ন্ত্রণ মানে কিন্তু একেবারে ছেলেমেয়ে না পয়দা করা নয়। এখন, এর দরুণ এই অ্যানালজি মাঠে মারা গেল, কারণ প্রেমিস ও কনক্লুশন কনসিস্টেন্ট নয়। আবার আপনার দুটো উদাহরণের যে লজিক্যাল প্রেমিস সেটাও কোহেরেন্ট নয়। সিম্পল আপেল ও কমলালেবু স্যার। তো, এবার আপনার এই দামী বক্তব্য নন রিপিটেটিভ ডিম পাঁউরুটি স্তরের মধ্যে পড়ছে না কি পড়ছে না সেটার উত্তর আপনি বা আপনার ডিম পাঁউরুটি বিশারদরা একটু দেবেন আশা করি।

    এবং স্যার ইশান আপনার বেসিক্যালি বক্তব্যটা কি? 'ওদের কথা শুনতে হবে' না কি 'ওদের গোর্খাল্যান্ড দিতে হবে'? 'ওদের কথা শুনতে হবে' এটাতো একটা গোলগোল সাবজেক্টিভ ভাঁওতাবিশেষ। এদের দাবীতো একটাই যেনতেন প্রকারেণ গোর্খাল্যান্ড চাই। সেটা 'শোনার' মানে যদি 'মেনে' নেওয়া হয় তাহলে পরিষ্কার করে এই যে একবার বলেছেন ওদের গোর্খাল্যান্ড দিয়ে দিন, সেটাই আমি চাই, সেই স্ট্যান্সটাই ধরে থাকুন। 'এত লোক আন্দোলন করছে, তাদের কথা শুনতে হবে' এই ধরণের বাক্যবন্ধ আওড়ানোর মধ্যে যে প্রচ্ছন্ন 'রাষ্ট্র ওদের কথা শুনছে না, কি বাজে রাষ্ট্র', ফলে এইখানে আমার মানবতা ফলানোর জায়গা আছে, অতএব সেটাকেও ফাউ হিসেবে নেব, এই একস্ট্রা জিনিসটির চেষ্টা আপনি বা বিরিয়ানী কোম্পানীর মালিকেরা নাই বা করলেন। কারণ আর কিছুই না, চার্ণকল্যান্ডের লোকেরাও 'আমাদের কথা শুনতে হবে' বললে, মহান 'ইস্মার্ট' যুক্তি ব্যুমেরাং হয়ে আসবে।

    এগজ্যাক্টলি এই 'ওদের কথা শুনতে হবে' কথাটা দিয়ে ধরি মাছ না ছুই পানি স্ট্যান্স দেখে বোর হয়ে যাচ্ছি। (হ্যাঁ, শুধু আপনি নন অন্যরাও বোর হয়)। সরকার গাদাগুচ্ছের মিটিং করেছে এদের সাথে। আলাপ আলোচনা ইত্যাদি চালানোর পর উভয়পক্ষের কম্প্রোমাইজে একটা অবস্থায় পৌঁছনো গেছিল। এখন যদি জিটিএর বিরুদ্ধে এত ক্ষোভ, তাহলে তখন এরা এটা মেনেছিল কেন? প্রশাসনিক ক্ষমতার রদবদল হতে সময় লাগে, তবু যতটুকু ক্ষমতা এঁরা পেয়েছেন সেটা কি কাজে লাগিয়েছেন? মোর্চা নেতারা নিশ্চয়ই গাড়ল বা গাম্বাট নন, তাহলে জিটিএ মানে যে গোর্খাল্যান্ড বা আলাদা রাজ্য নয়, ফলে জাতিসত্ত্বার দাবী যে ডিমপাঁউরুটি ভেলিগুড়ের তলায় চাপা পড়ে যাচ্ছে সেটা বোঝেননি! এতই যদি জাতিসত্ত্বার অভিমান তো তাহলে আলাদা দেশ গড়লেই তো হয়। জাতিসত্ত্বার মইটি স্রেফ আলাদা রাজ্য অবধি পৌঁছচ্ছে, কিন্তু আলাদা দেশ অবধি পৌঁচচ্ছে না কেন? আফটার অল পৃথিবীর শুরু থেকে তো আর 'ভারতীয়' কনসেপ্টের আমদানী হয় নি। প্রতিটি ঐতিহাসিক ভারতীয়ত্ব স্ট্যাম্প মারা মাইলফলকের আগে নিশ্চয়ই আরেকটি থাকবে যেটি স্ট্যাম্প বিহীন। সেটা ধরে নিয়ে এগোন হবে না কেন? নাকি আসল উদ্দেশ্য কেন্দ্রের কাছ থেকে কলাটা মুলোটা পাওয়া (নতুন রাজ্য তৈরী হলে তা যখন হবেই), যা আলাদা দেশ হলে মিলবে না। কেউ বিমল গুরুং কে জিগায় নি আলাদা দেশ চান না কেন?

    পাহাড়ের মানুষজনের দৈনন্দিন জীবনের উন্নতি ঠিক কিভাবে আলাদা ভাবে ঘটবে যদি আলাদা রাজ্য পাওয়া যায়। গুরুর টঙের ঘরের মাথাদের কাছে কি আছে সেই সমস্যার সমাধান? হ্যাঁ, সেই মহান উন্নতির রূপরেখার কথাই বলছি, যা জিটিএর প্রস্তাবিত চুক্তির পরিসরে থেকে করা যেত না। নিদেনপক্ষে খসড়া আকারের কিছু হলেও চলবে। এবং একই সাথে একটু এটাও পরিষ্কার করা দরকার যে বর্তমান আন্দোলনকে মহান 'মানুষ কথা বলছে' এই ভাবে, নাকি জঙ্গি একগুঁয়েমি হিসেবে দেখা হচ্ছে। জনগণতান্ত্রিক বিপ্লবের মহান প্লেসিওসরাস কি হঠাৎ করে নতুন ভাবে পাহাড়ী সিলাকান্থের গা ঘেঁষাঘেঁষি করতে ছুটেই এল শেষমেশ! বিরিয়ানী সাহেব এটার একটু হদিস দেবেন।

    আর এই 'লোকের কথা শুনতে হবে' এর মানে যদি একতরফা দাবী দাওয়া মেনে নেওয়া হয় তাহলে তো চার্ণকল্যান্ড হতেই পারে স্যার। প্রবলেম তো কিছু দেখছি না। তেলেঙ্গানা ঘোষনার পরের দিনই বিমল গুরুঙের হঠাত আকাশ থেকে পড়া, যে, তাইতো গোর্খাল্যান্ড তো দিল না, এটা কি ইঙ্গিত করে? কী সেই মহান দিনের তাৎপর্য যা থেকে হঠাৎ ফের গোর্খা জনসত্ত্বা জেগে উঠল। কামতাপুর মতুয়াল্যান্ড সাঁওতাল পরগণা ইত্যাদি ক্রমে ক্রমে হতে আর বাধা কি! আফটার অল লোকের কথা তো শুনতে হবেই। ঠিক যেমন যশবন্ত সিনহা লোকের কথা শুনে একটি লোকসভা সিট হাতিয়েছেন।

    বক্তব্য শেষ, কাজ করতে যাই। কাউকে ব্যাক্তিগত খোঁচা দিলে দুঃখিত, কিন্তু ঐ যে গুরুর ডিম পাঁউরুটি ট্রেন্ড! পোস্টের শেষে বাংলা সিরিয়ালের ক্লাইম্যাক্সের মত ঝ্যাং ঝ্যাং করে একটি মুখরোচক খোঁচা অথবা 'স্মাইলি'। ভেসে পড়লুম আর কি!
  • aranya | ০৭ আগস্ট ২০১৩ ০৪:৪৪616124
  • টি ভাল লেখেন।
  • Ishan | ০৭ আগস্ট ২০১৩ ০৭:৪১616125
  • ভালই লিখেছেন। ইন্টারেস্টিং। একেবারেই বোর হইনি।

    এক এক করে উত্তর দিই। আপনার মোদ্দা বক্তব্য পড়ে বুঝলাম, যে, জন্মনিয়ন্ত্রণের ফলে গোটা প্রজাতি অবলুপ্ত হবে কিনা সেটা একটা প্যারামিটারের উপর দাঁড়িয়ে। যেরকম চেন রিঅ্যাকশনের ফলে পরমানুবোমা ফাটবে কিনা সেটা ক্রিটিকাল মাস বা এই জাতীয় কিছু প্যারামিটারের উপর দাঁড়িয়ে থাকে (এটা আমার অ্যানালজি, ঠিক বুঝলাম কিনা জানিয়ে দেবেন)। তা, এটা যদি সত্যি হয়, তাহলে গোর্খাল্যান্ড হলে চার্নকল্যান্ড হবে কিনা, সেটাও নিশ্চয়ই কিছু প্যারামিটারের উপর দাঁড়িয়ে। সেটা কিছু একটার নিচে (বা উপরে) থাকলে গোর্খাল্যান্ড চেন রিঅ্যাকশনের মতো এক এবং অনেক চার্নকল্যান্ড তৈরি করবে, আর উপরে (বা নিচে) থাকলে গোর্খাল্যান্ড একটি একক বা বিচ্ছিন্ন উদাহরণ হয়ে দাঁড়িয়ে থাকবে।

    আমি জানিনা, তবে আন্দাজ করছি, যে, ইংরেজ গণিতজ্ঞরা গোর্খাল্যান্ডের ব্যাপারে কিছু বলে যাননি। কোনো প্যারামিটারও তৈরি করেননি (ভুল বললে অবশ্যই জানাবেন)। কিন্তু আপনি যখন গোর্খাল্যান্ড ও চার্নকল্যান্ডের কো-রিলেশন খুঁজে পেয়েছেন, তখন আশা (বা আশঙ্কা) করছি, যে, প্যারামিটারগুলি কি এবং তার থ্রেশোল্ডভ্যালু কি সে ব্যাপারে আপনি সম্যক ওয়াকিবহাল। তা, গোর্খায়ান্ড হলে চার্নকল্যান্ড হবে, এর গাণিতিক প্যারামিটার ও সেই ভ্যালুটি থ্রেশোল্ড অতিক্রম করেছে কিনা যদি একটু দেখান নিশ্চয়ই মেনে নেব। চার্নকাল্যান্ডের দাবীও বাস্তবসম্মত সেটাও মেনে নেব। না দেখাতে পারলে বলাবাহুল্য মানবনা।

    আর আমার বুঝতে কিছু ভুল হলে নিশ্চয়ই জানাতে দ্বিধা করবেন না।

    পুঃ খেয়ে উঠে বাকি পয়েনগুলোরও উত্তর দিচ্ছি। সঙ্গে থাকুন।
  • Ishan | ০৭ আগস্ট ২০১৩ ০৮:৩৯616126
  • দুই। "এবং স্যার ইশান আপনার বেসিক্যালি বক্তব্যটা কি? 'ওদের কথা শুনতে হবে' না কি 'ওদের গোর্খাল্যান্ড দিতে হবে'? 'ওদের কথা শুনতে হবে' এটাতো একটা গোলগোল সাবজেক্টিভ ভাঁওতাবিশেষ।"

    সাবজেক্টিভ ভাঁওতা ব্যাপারটা বুঝিনি। ভাঁওতা তো অবজেক্টিভই হবার কথা, নাকি? মানে, যদি আমি এবং আপনি দুজনেই জানি পৃথিবী গোল (অবজেক্টিভলি) আর আমি আপনাকে "পৃথিবী কিন্তু রুটির মতো চ্যাপ্টা" বলে টুপি দিই, তাহলে সেটা ভাঁওতা হতে পারে। কিন্তু আমি যদি সাবজেক্টিভলি জানিই যে পৃথিবী চ্যাপ্টা, তাহলে বড়জোর (অবজেক্টিভলি) "ভুল" বলতে পারি। ভাঁওতাটা কিকরে দেব?
    যদিও "সাবজেক্টিভ ভাঁওতা", কথাটা অনস্বীকার্য, শুনতে ভালই, কিন্তু শুনতে ভাল বলেই তো টিকে টিক্কামসালা বা চেরাপুঞ্জিকে চলচিত্তচঞ্চরি কিংবা বেগুনকে প্রাণনাথ বলতে পারিনা। মানে বলতে নিশ্চয়ই পারি, কিন্তু সেটা একটু হাস্যকর(সাবজেক্টিভলি) হবে, এই আরকি।

    তো, শব্দের প্রেমে পড়বেন না। বিষয়টা দেখুন। দেখলেই বুঝবেন, "ওদের কথা শুনতে হবে" টা একেবারেই "ধরি মাছ না ছুঁই পানি" স্ট্যান্ড নয়। বরং আদর্শ যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর হৃদপিন্ড। আদর্শগতভাবে পৃথিবীর দুই প্রান্তের দুটি সমাজব্যবস্থার উদাহরণ যদি নেন তাহলেই সেটা বুঝতে পারবেন। হ্যাঁ আমি সোভিয়েত রাশিয়া এবং আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের কথা বলছি। এই দুটি রাষ্ট্রেই "আত্মনিয়ন্ত্রণ" এবং প্রয়োজনে "বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবার অধিকার" স্বীকৃত। কারণ, যুক্তরাষ্ট্র বলতে আমরা আদর্শগতভাবে একটি মনোলিথিক "রাষ্ট্র" বুঝিনা। বরং সেটা একাধিক রাষ্ট্রের "স্বইচ্ছায় সংযুক্ত জোট" কে বুঝি (আন্ডারলাইনের বদলে কোটেশন বসালাম)। এই "স্বইচ্ছা" এবং "আত্মনিয়ন্ত্রণ" শব্দদুটি যদি অনুধাবন করার চেষ্টা করবেন, তাহলেই দেখবেন, যে, "জনতার ইচ্ছা" বা "ওদের কথা" "ওদের নিয়ন্ত্রণ"এর জন্য অপরিহার্য। থাম্বরুলটা হল এই, যে, "ওদের ইচ্ছামতো ওরা থাকবে, বা থাকবেনা"।

    কাজেই এখানে স্ট্যান্ডটা হল, আমি ঈশান শর্মা, কি ভাবছি সেটা গোর্খাল্যান্ডের প্রশ্নে একেবারেই জরুরি নয়। জরুরি হল "ওরা কি ভাবছে"। সেটা আমি, বা মমতা বা বিমল গুরুং কেউই ঠিক করে দিতে পারেন্না। "ওরা" মানে "দার্জিলিং এর জনতা"। আর শোনা মানে জিটিএ নিয়ে দিল্লীতে বসে ঘিসিং বা গুরুং এর সঙ্গে রুদ্ধদ্বার আমড়াগাছি নয়। প্রয়োজনে গণভোট করে শোনা।

    হ্যাঁ, গণভোট, জনতার ইচ্ছা জানার একটি স্বীকৃত ব্যবস্থা। আমেরিকা বা রাশিয়ায় বিচ্ছিন্ন হবার প্রশ্নে সাম্প্রতিক কালে এর ব্যবহার না হলেও, হাতে গরম উদাহরণ আছে কানাডার। কানাডার দুটি অঞ্চল ভেঙে দুটি আলাদা রাষ্ট্র হবে কিনা সেই নিয়ে গণভোট হয়ে গেল এই কদিন আগে। গণভোটে বিচ্ছিন্নতাবাদীরা হেরে গেছেন। নইলে কানাডা অ্যাদ্দিনে দুটুকরো হয়ে যেত। সেখানে কেউ "এই রেটে চললে এবার তো টরেন্টোল্যান্ড হয়ে যাবে" বলেননি, বা তার সমর্থনে স্মার্ট গাণিতিক মডেল উপস্থাপন করেননি। মানে, করেছেন বলে পড়িনি আর কি।

    তাহলে স্ট্যান্ডটা আশা করি বুঝতে পারলেন। কোনো সমস্যা থাকলে বলবেন, আরেকবার বুঝিয়ে দেব। ওহো আরেকটা পয়েন বাদ গেছে। "ওরা" আলাদা রাষ্ট্র না চেয়ে "রাজ্য" চাইছে কেন। সেটা সত্যি বলতে কি আমার ঠিক জানা নেই। তবে মনে হয়। আদর্শ যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থায় সেরকমটাও হতেই পারে। "আমরা এই যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোয় থাকবো কিন্তু আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার সহ" -- এতে কোনো লজিকাল সমস্যা তো দেখতে পাচ্ছিনা। কোনো গাণিতিক সমস্যা দেখতে পেলে জানাবেন।

    ব্যস।
  • pi | ০৭ আগস্ট ২০১৩ ০৯:৩৪616127
  • Due to historical linkage and cultural and linguistic resemblance of the people of Darjeeling with the people of Nepal, they are often alleged as foreigners in their own country. This is the primary reason why people of Darjeeling are wish to identify themselves as Gorkhas and not Nepalis though both imply the same.

    ওঁরা তো ভারতীয় আইডেন্টিটিটাও রাখতে ইচ্ছুক। ভারত যুক্তরাষ্ট্রে থাকলে সুবিধে পেতে পারেন, সেটা ভাবা ছাড়াও।
  • khilli | ০৭ আগস্ট ২০১৩ ১০:৪১616128
  • ওখানে রবি বাবুর গান শুনে লোকে বিগলিত হয় না, ওখানে বাংলা থিয়েটার চলে না, ওখানে cpm tmc তেমন প্রভাব নেই বাকি বাংলার মত। অথচ ওদের জায়গায় গিয়ে ছড়ি ঘোরায় বাঙালি হোটেল মালিক ; ওদের রেল রাস্তা ডেভেলপমেন্ট প্লান ঠিক করে কলকাতার লোক। রাগ হওয়ায় স্বাভাবিক। ভারতের আরেকটা রাজ্য হলে ক্ষতি কি? পর্যটন প্রধান স্টেট তো ভারতেই আরো আছে, তারা যথেষ্ট সফল -যেমন হিমাচল উত্তরাখন্ড।
  • aka | ০৭ আগস্ট ২০১৩ ১০:৫২616131
  • হোক মেমোরেন্ডাম ভারত হিন্দু রাষ্ট্র হবে কিনা, সমস্ত মোল্লাদের পাকিস্তানে পাঠানো হবে কিনা। হোক।
  • siki | ০৭ আগস্ট ২০১৩ ১০:৫৪616132
  • সে তো ঠিকই আছে। এই সব সমস্যাগুলো কিন্তু পুরীতেও আছে আবহমান কাল ধরে। ওড়িয়া ভাষা ওখানে প্রায় অবলুপ্ত। সমস্ত হোটেল মালিক বাংলাভাষী, লোকাল পুলিশকে বাংলা জানতে হয়, অধিকাংশ দোকানদার বাংলাভাষী, লোকাল দোকানদারদেরও বাংলা জানতে হয়, ইত্যাদি।

    মুম্বইতেও একই সমস্যা, শোভা দে সম্প্রতি এই নিয়ে খানিক খাপ খুলেছেন।

    আলাদা রাজ্য হলে কি এই সমস্যাগুলো মিটবে?
  • lcm | ০৭ আগস্ট ২০১৩ ১২:০৩616133
  • খিল্লি,
    হিমাচল প্রদেশ কিন্তু পর্যটন প্রধান স্টেট নয় -
    Himachal Pradesh - Agriculture contributes over 45% to the net state domestic product. It is the main source of income and employment in Himachal. Over 93% of the population in Himachal depends directly upon agriculture which provides direct employment to 71% of its people.

    একই কথা উত্তরাখন্ড-এর ক্ষেত্রেও -
    Agriculure in terms of net area sown occupied only about 13% of the reported area, but, gave employment to amlmost 80% of the people in rural areas... Apat from crop production there is farm income through livestock or dairy development....
  • pinaki | ০৭ আগস্ট ২০১৩ ১২:০৫616134
  • টি বড় হয়ে বড় তাত্ত্বিক হবে। মানসচক্ষে দেখতে পাচ্ছি। ঃ-)
  • pinaki | ০৭ আগস্ট ২০১৩ ১২:১৩616135
  • আর কমরেড আকা কি আজকাল উত্তেজনা হলে মোল্লা টোল্লাও বলতে লেগেছেন? 'কাটা' ইত্যাদি অব্দি পৌঁছে গেছেন কি?
  • aka | ০৭ আগস্ট ২০১৩ ১২:১৮616136
  • ডিন্পা ও বিরিয়ানিতে সবই চলে, মানিয়ে নিন। ঃ) (স্মাইলি ভুললে চলবে না, উহা আমাদে ইউএসপি)
  • pinaki | ০৭ আগস্ট ২০১৩ ১২:৪৬616137
  • হুম্ম। শুনলাম। কতটা বুঝলাম জানি না।
  • PT | ০৭ আগস্ট ২০১৩ ১৩:১৫616138
  • "অথচ ওদের জায়গায় গিয়ে ছড়ি ঘোরায় বাঙালি হোটেল মালিক ; ওদের রেল রাস্তা ডেভেলপমেন্ট প্লান ঠিক করে কলকাতার লোক"

    গোর্খাদের এইসব করতে কে মানা করেছিল? সেতো প্রপার কলকাতার ৬০% অধিবাসী এখন অবাঙালী। আর ব্যবসা-পত্তর বহুদিন ধরেই মারোয়ারী-গুজরাটীদের দখলে রয়েছে। তাই নিয়ে আবাপ ছাড়া বাঙালীরা বিশেষ দুঃখিত বলে তো মনে হয়না।
  • PT | ০৭ আগস্ট ২০১৩ ১৩:৩১616139
  • জনতা সত্যি ভাবে না ভাবানো হয় সেটাই তো পরিষ্কার নয়।

    ঘিসিং "গোর্খাল্যান্ড চাইনা" বলে সই করল ১৯৮৮-তে আর জনতাও গোর্খাল্যান্ড চাওয়া বন্ধ করে দিল প্রায় দু দশক ধরে। তারপরে বিমল গুরুঙ্গ ঘিসিং-এর সঙ্গ ছেড়ে ২০০৮ থেকে গোর্খাল্যান্ড চাইতে শুরু করল আর জনতাও গোর্খাল্যান্ড চাইতে শুরু করল। কি আশ্চর্য সমাপতন!!
  • Blank | ০৭ আগস্ট ২০১৩ ১৩:৩২616140
  • ওদিকে বাঙালী হোটেল মালিক খুব ই কম। ম্যাক্সিমাম হোটেলের মালিক লোকাল লোকজন অথবা কোন বড় চেন। প্রতি বছর লীজ দেওয়া হয় সেই হোটেলের আর সেই লীজ নেয় ম্যাক্সিমাম বাঙালীরা। ৪/৫ কামরার বছরে লীজ ৩/৪ লাখ মতন অন অ্যাভারেজ।
    তো আমার মনে হয় না এইসব কেসে ছড়ি ঘোড়াবার কোনো জায়গা আছে।
  • b | ০৭ আগস্ট ২০১৩ ১৩:৩৭616142
  • তেলেঙ্গানা, বোড়োল্যান্ড, কামতাপুর, কার্বি স্টেট এই দাবী উঠেছে মমতার ধোঁয়া ছাড়াই।এটাও আশ্চর্যতর অসমাপতন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আদরবাসামূলক মতামত দিন