এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • আমেরিকান প্রেশিডেনশিয়াল ইলেকশান ২০১৬

    Abhyu
    অন্যান্য | ১০ মার্চ ২০১৬ | ১০৩৮০০ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • ঈশান | ০২ এপ্রিল ২০১৬ ০০:৫৩699522
  • আগেরটা নবনীতার পোস্টের পরিপ্রেক্ষিতে।

    আর এস যে কটা কথা বলছেন, অল্প যে কজন ডেমোক্র্যাটের সঙ্গে কথা হয়, সবাই এই লাইনেই বলছেন। তার মধ্যে ওই 'ওয়ান পয়েন্ট অ্যাজেন্ডা' কথাটা অবশ্যই ঠিক না। কিন্তু বাকি আশঙ্কাগুলো একদম অমূলক, তা নয়। মোদ্দা বক্তব্য হল, বার্নি খুবই ভালো লোক, কিন্তু ও টেড ক্রুজের সঙ্গে পারবেনা।

    কিন্তু কেস হল, এই স্টিরিওটাইপগুলোর বিরুদ্ধেই তো গলা তোলা দরকার। ওগুলো যে ভাঙছে সে তো দেখাই যাচ্ছে। না ভাঙলে বারাক ওবামা(কালো) হিলারি ক্লিন্টন(মহিলা) কেউ এতটা এগোতেই পারতেন না। এবং মজা হচ্ছে, 'পারবেনা' ভয়টা জেনারাল ইলেক্টোরেটের নেই কিন্তু। যারা এই স্টিরিওটপগুলো ভাঙতে চান, তাঁরাই ভয় পাচ্ছেন। কেন জানিনা।

    অবশ্য এসবই খুব কম স্যাম্পল সাইজে ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণ। খুব বেশি গুরুত্ব নাও থাকতে পারে।
  • S | ০২ এপ্রিল ২০১৬ ০১:০৫699533
  • ঈশান বাবু, অবশ্যই স্টিরিওটাইপ ভাঙ্গতে হবে। সেইজন্যেই এইবারের মতন হিলারিকেই চাইছি হোয়াইট হাউসে। কারণ বার্ণী ক্যান্ডিডেট হলে অন্যদিক অর্ধ্য সত্য দিয়ে দেশ ভরিয়ে দেবে। প্রচন্ড নোংরা প্রচার চলবে। আপনি ভালৈ জানেন, কি কি করা হবে বাঅ মিডিয়া কি কি বলবে। হিলারির সাথে এইগুলো করতে ওরা একটু হলেও ভয় পাবে। আর হিলারি/বার্ণী যদি জেনারাল ইলেকশন হেরে যায় - তাহলে ভাবুন কে যাবে হোয়াইট হাউসে।

    আর ওয়ান পয়েন্ট অ্যাজেন্ডা বলতে উনার বেশ কিছু ব্যাপারে কোনই এক্সপি নেই (পিলিজ ট্রাম্পের কথা আনবেন না এখানে)। তাছাড়া উনার ৪২ টি বিলের একটাও পাস হয়নি এই কথাটা কিন্তু উঠে আসবেই।
  • SS | ০২ এপ্রিল ২০১৬ ০১:১২699544
  • বার্ণির আর একটা প্রবলেম আছে যেটা সাধারনত চোখে পড়ে না। সেটা হচ্ছে ওবামা কোয়ালিশন এখনো পর্যন্ত বার্ণির পুরোপুরি বার্ণির পিছনে নেই। এর আগে লিখেছিলাম একবার, ভদ্রলোক নিজের অ্যাজেন্ডা আনতে গিয়ে ওবামাকে অনেকবার কটুকথা বলেছেন। এমন নয় যে ওবামা সেটা করতে পারেন। যখন সেনেট আর হাউস রিপাবলিকান কব্জায়, তখন প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা যে সীমীত সেটা বোঝার জন্যে রকেট সায়েন্টিস্ট হতে হয় না। সেই জন্যে ডাই হার্ড ওবামা সাপোর্টার্রা বার্নি সম্পর্কে শীতল। আর দেশের প্রথম আফ্রিকান আমেরিকান প্রেসিডেন্টকে গাল দিলে সেটায় খানিক রেসিয়াল অ্যাঙ্গেল চলে আসে। বার্নি না চাইলেও।
    আর একটা খামতি হচ্ছে ল্যাক অফ নেগোশিয়েশন পাওয়ার। ২০১৬ ইলেক্শনেও হাউস রিপাব্লিকান থাকবে। তাই মাই ওয়ে অর হাইওয়ে অ্যাপ্রোচ দিয়ে দেশ চলবে না। বার্নি প্রেসিডেন্ট হলেও নিজের অ্যাজেন্ডা ইম্প্লিমেন্ত করবেন কি করে? আইন পাশ করতে হলে তো রিপাব্লিকানদের লাগবেই। সে ফ্রি কলেজ হোক কি সিঙ্গল পেয়ার হেলথ সিস্টেম। পার্স স্ট্রিং তো রিপাব্লিকান্দের হাতে। অ্যাপ্রোপ্রিয়েশন কি করে হবে? কাজেই বার্ণি এখন যা বলছেন, কিচুই হবে না আর হলেও হেভিলি মডারেটেড ভার্শন পাওয়া যাবে। তাই বার্ণি যতটা রোসি পিকচার আঁকছেন, বাস্তব অনেকটাই অলাদা। আবেগ ছাড়া যুক্তি দিয়ে ভেবে দেখলে বার্ণির প্ল্যানে অনেক ফাঁক পাওয়া যাবে।
  • Du | ০২ এপ্রিল ২০১৬ ০১:১৬699555
  • বার্নি পারবেন কি না পারবেন জানিনা - কিন্তু মানুষটাকে দেখলে ভরসা হয় - যে একটা মানুষ একলা দাড়াতে পারে- একটা মানুষ দেশের মানুষের জন্যই প্রেসিডেন্ট ইলেকশনে লড়ছে। কমবয়সীরা তো একটা মানুষকে দেখতে পাচ্ছে বিশ্বাস করবার মতো।
  • nabanita | ০২ এপ্রিল ২০১৬ ০১:১৭699566
  • ঈশান,
    বার্নি টেড কুজের সঙ্গে পারবেনা - একটু ডিটেইলস দিলে ভাল হয়, কেন মনে হল এমনি।
    হিলারীর বিরুদ্ধে রিপাবলিকানদের অনেক পয়েন্ট আছে, কিন্তু লোকাল ক্যালিফোর্নিয়ার যা সার্ভে তাতে বার্নিকে নিয়ে রিপাবলিকানরা এখনো অত্যন্ত কনফিউজড। হিলারীর স্ট্রঙ ভোটার - কনজারভেটিভ ডেমোক্রাটরা - কিন্তু তাঁদের এক অংশও মহিলা বলে ওঁকে তেতো গেলার মত করে মানছেন। কালোরা এখনো কনফিউজড - বারাক ওবামার সময়ে ব্যাপারটা ওঁদের জন্যে অনেক সোজা সাপটা ছিল। কিন্তু ব্যাক্তিগত ভাবে মনে করি কালো বলেই কালোকে ভোট ব্যাপারটা কেকেকে র মতই বিপদজনক। আমার শহরের কালো দের কিন্তু বার্নির দিকে ঝুঁকতে দেখছি অনেকটাই - তাঁদের যে যে ব্যাপারে sufferring সেই ইস্যু গুলো বার্নি তুলেছেন দেখে - যেমন পুলিশকে তার কমিউনিটি রিপ্রেজেন্ট করতে হবে, মারিজুয়ানা লিগালাইজেশান করে লিগাল লিমিট ঠিক করা, শুধু ড্রাগের ছুতোয় কালোদের জেলে পোরা বন্ধ করা ইত্যাদি।
    অল্পবয়সী ভোটাররা বার্নির পক্ষে - অনেকে বলছেন যে ভোটের বয়স ১৬ হলে বার্নি landslide এ জিততেন।
    খীস্টান নয় - এ কথা উঠবেই জানি যদি বার্নি জেতেন, এখনো যে ওঠেনি এতেই আমি অবাক। জিউদের সাপোর্টও উনি কতটা পাবেন জানিনা, এখন পর্যন্ত ধর্মকে প্রচারে আনতে দেখিনি বার্নিকে - আমার আরেকটা পছন্দের কারণ। তবে টি পার্টি ছাড়া অন্য অল্পবয়সীরা ধর্ম নিয়ে অত মুগ্ধ নয়- বরং বেশ বিরক্ত।
    সবচাইতে মুস্কিল হয়েছে আমার মত ডেমোক্রাট মহিলাদের, হিলারি মহিলা, হিলারি অভিজ্ঞ সব জানি, প্রথম থেকেই জানতাম প্রাইমারিতে যদি ভোট দিতে হয় তবে হিলারি কেই দেব - এতো piece of cake কিন্তু এই ভদ্রলোক নিজের vision আর honesty দিয়ে রীতিমত ধর্মসংকটে ফেলে দিয়েছেন। এত emotional ভোট এর আগে কোনো দিন দিয়েছি বলে মনে হয় না।
  • S | ০২ এপ্রিল ২০১৬ ০১:২৪699577
  • হ্যাঁ ভদ্রলোকের অনেস্টি আর ইন্টিগ্রিটি নিয়ে কোনো কথা হবেনা। আর ঐজন্যেই ভয় লাগে। উনি যেমন হিলারির ইমেল নিয়ে কোনো কোস্নো করলেন না, তেমন করে যদি ট্রাম্প/ক্রুজের কোনো কিছু নিয়ে ছেড়ে দেন তাইলে মুসকিল। কারণ অন্যদিক কিন্তু কিচ্ছুটি ছাড়বে না। কারণ তাদের কাছে উইনিঙ্গ ইজ এভরিথিঙ্গ।

    SS কলেজ হয়তো ফ্রি করা যাবে। ওখানে কেউ হয়তো আপত্তি করে লোক চটাবেনা। কিন্তু ওবামা কেয়ার নিয়ে অনেক সাধারণ লোকেরই আপত্তি আছে। এইবারে নাকি ট্যাক্স বেশি দিতে হয়েছে/ প্রিমিয়াম বেড়ে গেছে - এইসব শোনা যাচ্ছে। তাই হেল্থকেয়ার নিয়ে লোকে এখানে কনফিউজড। অনেকেই আসল প্রবলেমটাই বোঝেনা। আর বাইপার্টিশান নিয়ে হিলারি যতটা সরগর, বার্ণী অবশ্যই ততটা নয়।
  • S | ০২ এপ্রিল ২০১৬ ০১:৩০699588
  • অ্যাফ্রিকান আমেরিকানদের মধ্যে হিলারি খুবই জনপ্রিয় - এই নিয়ে সন্দেহই নেই। এটা বিশেষ করে বিলের জন্য হয়েছে। আর এই দুজনের মধ্যে ওবামা হিলারিকে যত খোলা মনে এন্ডর্স করবে, বার্ণীর ক্ষেত্রে অনেকটাই হয়তো কাজ সারার মতন হতেই পারে। সেইজন্যেই অ্যাফ্রিকান আমেরিকানদের ভোটের জন্য হিলারি ইজ বেটার। ক্যালিফোর্নিয়া, টেক্সাস, আর ফ্লোরিডা তিনটেই বড় স্টেট - আর হিস্প্যানিক ভোট আছে। এই স্টেট তিনটের একটু অ্যানালিসিস হোক।
  • SS | ০২ এপ্রিল ২০১৬ ০১:৩২699599
  • কলেজ ফ্রি করা হোক কি হেলথকেয়ার, ট্যাক্স বাড়াতে হবে। আর এই রিপাব্লিকান কংগ্রেস নিয়ে ট্যাক্স বাড়াবেন? গুড লাক।
    আমার অবশ্য মনে হয় বার্নি একবার প্রেসিডেন্ট হয়ে অবস্থাটা বুঝে দেখুন। সেনেটে দাঁড়িয়ে প্রেসেডেন্টের কি করা উচিৎ তাই নিয়ে লেকচার দেওয়া আর হোস্টাইল কংগ্রেস নিয়ে দেশ চালানোর তফাৎ হাতে নাতে টের পাবেন।
  • S | ০২ এপ্রিল ২০১৬ ০১:৩৫699610
  • হিলারিরি প্ল্যান তো দশ বছরে ৩৫০ বিলিয়নের। মানে বছরে ৩৫ বিলিয়ন। একটু হাই ইনকামদের ট্যাক্স বাড়ালে, বা কিছু ছাড় কমিয়ে দিলেই (বা একসপায়ার করতে দিলেই) হবে। সেখানেও আমার মনে হয় তাও চান্স আছে। কিন্তু হেলথকেয়ার নিয়ে আপত্তিটা ট্যাক্স বাড়া ছাড়াও রিপাব্লিকানদের অন্য একটা ইন্টারেস্ট আছে।
  • SS | ০২ এপ্রিল ২০১৬ ০১:৪২699622
  • হুম, ট্যাক্স বাড়ানো, ছাড় কমানো - স্মেলস লাইক গভর্ন্মেন্ট শাট্ডাউন।
    কিন্তু হায়, আগের বার আমার ফার্লো হয় নি। রোজ যেতে হয়েছে। যাদের হয়েছে তাদের আল্টিমেটলি সবেতন ছুটি।
  • ঈশান | ০২ এপ্রিল ২০১৬ ০১:৪৭699633
  • ওই তো এস আর এসেস যে কারণগুলো লিখছেন, ওই গুলোই বেশ কিছু লোকে বলছেন(পলিটিক্স নিয়ে এত কথা ২০১১ র পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচন ছাড়া চতুর্দশপুরুষে শুনিনি, এমনকি আমার ১১ বছরের ছেলেও একটি এক্সেল লিস্টি বানিয়েছে প্রাইমারির ক্যান্ডিডেট বন্টন নিয়ে :-))। যার মোদ্দা কথা হল পলিটিক্স একটি ট্রিকি জায়গা, সেজন্যই বার্নি পারবেন না।

    বলাবাহুল্য, সেগুলো আমার মত না। (লক্ষ্য করুন, পাল্টা যুক্তি দিচ্ছি না। শুধু মত জানাচ্ছি। কারণ, সবটাই সবাই জানেন।) আমার মত হল, আমেরিকার সামনে এরকম সুযোগ শেষ এসেছিল, ১৯৬৮ টে। যেবার রবার্ট কেনেডি খুন হন। তিনি জিতলে ভিয়েতনাম যুদ্ধ এতদূর গড়াতনা। সেবারও রিস্ক ছিল, স্রেফ তরুণরাই ওনার পিছনে ছিল। অনেক সংশয় ছিল। কিন্তু এস্টাবলিশমেন্ট শেষ পর্যন্ত কেনেডিকেই ভয় পেয়েছিল। এবারও একই রকম সিনারিও। বার্নি তো স্রেফ বার্নি না, বৃহত্তর অকুপাই এর প্রার্থী। এবারও মধ্যপ্রাচ্য জ্বলছে। হিলারি স্পষ্টতই কী করবেন জানেন না। আর বার্নি পরিষ্কার 'রেজিম চেঞ্জ আমাদের কাজ নয়' এর পক্ষে। অকুপাই একদিনে উবে যাবেনা। কিন্তু এই সুযোগ বারবার আসবেনা। দ্বিধাদ্বন্দ্ব ঝেড়ে ফেলে এইটুকু রিস্ক নেওয়াই উচিত।

    বলাবাহুল্য, এগুলো ঠিক যুক্তি না। আগেও লিখলাম, যুক্তি, পাল্টা যুক্তি সবাই জানেন। বাকিটা জাজমেন্ট। (সমসাময়িক কোনো নির্বাচনে কারো পক্ষে এত স্পষ্ট করে কিছু বলিনি। সেশে আমেরিকার ইলেকশন নিয়ে বললাম, আমার কী হবে)।
  • SS | ০২ এপ্রিল ২০১৬ ০১:৫৩699644
  • রেজিম চেঞ্জ আমাদের কাজ নয়, এই পর্যন্ত ঠিক আছে। কিন্তু প্যারিস বা বেলজিয়ামের মত একটা ঘটনা যদি ঘটে, তাহলে যারা আজ বার্ণিকে ভোট দিচ্ছে, তারই কাল বার্নিকে ছিঁড়ে খাবে কিছু না করলে। তখন বার্নি কি করবেন? চুপচাপ বসে থাকার রিস্ক নিতে পারবেন?
  • ঈশান | ০২ এপ্রিল ২০১৬ ০২:০৫699655
  • প্যারিস বা বেলজিয়াম নিয়ে এক্স্যাক্টলি কি করণীয় আছে? মানে, ধরা যাক, বুশ ক্ষমতায় আছেন, তিনি কী করতেন? ট্রাম্পের মতানুসার মুসলিম দের আটকে দেওয়া? করা যেতনা। ক্রুজের মতানুসারে মুসলিম পট্টিতে টহল দেওয়া? করা যেতনা। বেলজিয়ামে গিয়ে সন্ত্রাসবাদীদের মেরে আসা? করা যেতনা।

    ইনটেলিজেন্স বাড়ানো, বিভিন্ন কমিউনিটির মধ্যে বিশ্বাস ফিরিয়ে আনা, যাতে এ ধরণের ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা থাকলে রিপোর্টেড হয়, সেটাই করা যেত। কেসিক এই লাইনেই বলছেন, যে কোনো রিজনেবল লোকই তাই করবেন। বার্নিও তাই। হিলারিও তাই।

    অবশ্য অ্যাডিশনালি, বুশ যেটা করতেন, লোকের নজর ঘোরানোর জন্য মধ্যপ্রাচ্যে বন্দুক নিয়ে চাট্টি লোক নামিয়ে দিতেন। তেলের ইন্টারেস্টও সার্ভড হত, লোকের নজরও ঘুরত। কিন্তু আরেকটা চিরস্থায়ী ক্ষত তৈরি হত লং টার্মে, যেটা আরও গাদা সন্ত্রাসবাদীর জন্ম দিত। আফগানিস্তান তালিবানের জন্ম দিয়েছে, ইরাক আইসিসের, পরের আক্রমনটা অন্য কিছুর। বেলজিয়াম আর প্যারিসের বিপদ তাতে বাড়ত বই কমতনা।

    ওবামাকে নিয়ে আর কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু এই স্পষ্ট কথাটা কিছুতেই তিনি স্পষ্ট করে বলবেন না। হিলারিও না। যে, চিরতরে একটা পলিসি রিভার্সালের দরকার আছে।

    পুঃ ওবামা বেলজিয়াম অ্যাতাকের সময় কিউবা গিয়ে খেলা দেখছিলেন, এই নিয়েও তো রিপাবলিকানদের বক্তব্যের শেষ নেই। কিন্তু উনি এক্স্যাক্টলি কী করতে পারতেন, সে ব্যাপারে কবিরা নীরব। ওনারা বলছেন, ওয়াশিংটন ফিরে এসে মিটিন করা উচিত ছিল। যেন ফোনে মিটিন করা যায়না। :-)
  • bhaagidaar | ০২ এপ্রিল ২০১৬ ০৩:২৫699666
  • এখোনো বুঝিনি। কিন্তু তক্কো ও তো করিনি! কিন্তু সে যাগ্গে আমি না বুঝলেও চলবে।
  • S | ০২ এপ্রিল ২০১৬ ০৪:০৮699677
  • ক্কী চ্চাপ ঃ)
  • Bhagidaar | ০২ এপ্রিল ২০১৬ ০৫:৩৯699688
  • না না চাপ না বুঝেছি আমি লেখা পড়েছি তো টোনটা একজায়গায় মিস হয়ে গেছে
  • S | ০২ এপ্রিল ২০১৬ ০৫:৫৮699699
  • আজ ওবামা গুছিয়ে ঝেড়েছেন। প্রেসিডেনশিয়াল কাকে বলে দেখিয়ে দিয়েছেন। শুধু লম্ফ ঝম্ফ দেওয়া আর অন্যকে গালিগালাজ করাই যে পলিসি বা দারুন ক্যাম্পেনিঙ্গ নয় সেইটা আজ অনেক দিন পরে দেখা গেলো। থ্যান্ক্স টু ওবামা।
  • aranya | ০২ এপ্রিল ২০১৬ ০৯:৩৪699710
  • ঈশেন, টিনটিনের এক্সেল লিস্টিটা ওর অনুমতি নিয়ে এখানে তুলে দাও:-)
    অত কম বয়েসী বাচ্চারাও নির্বাচন নিয়ে ভাবছে, ইন্টারেস্টিং
  • aranya | ০২ এপ্রিল ২০১৬ ০৯:৩৯699721
  • ওয়ান পেয়ার হেলথ ইন্স্যুরেন্স পলিসি-তে মধ্যবিত্ত-দের কিছু ঝাড় হবে - ডাক্তার/হাসপাতাল ইঃ-র ক্ষেত্রে কোন চয়েস থাকবে না। আমি যেমন একটা ব্যাক সার্জারি করাব ভাবছি, নিউ ইয়র্কে 'হসপিটাল অব স্পেশাল সার্জারি'-তে।
    ওয়ান পেয়ার হলে কোন চয়েস নেই, নিজের অঞ্চলের হাসপাতালেই যেতে হবে।
    তবে লো ইনকাম গ্রুপের মানুষদের জন্য অবশ্যই ভাল।
  • S | ০২ এপ্রিল ২০১৬ ১২:৪৪699734


  • ঃ))
  • lcm | ০২ এপ্রিল ২০১৬ ১৪:১৬699745
  • বার্নি, বার্নি - একটাই তো ক্যান্ডিডেট, বাকীরা শতযোজন দূরে।
  • aranya | ০২ এপ্রিল ২০১৬ ২২:৩২699756
  • ট্রাম্প জঘন্য, ক্রুজ পিওর ইভিল। ডেমোক্র্যাট প্রেসিডেন্ট চাই।
    এখনও অব্দি বার্ণি-কেই সাপোর্টাচ্চি, তবে ট্রাম্প/ক্রুজ-এর বিরুদ্ধে লড়ার জন্য বার্ণি-র চেয়ে হিলারি বেটার হতে পরে, যেটা এখানেও কেউ কেউ লিখেছেন।
    সেশে না লেসার ইভিল হিসাবে করাপ্ট হিলার-কেই সাপোট করতে হয় - কনফিউজড
  • bip | ০৩ এপ্রিল ২০১৬ ০০:৫১699767
  • পশ্চিম বঙ্গে যেভাবে বামপন্থার সুগারকোট প্রতিশ্রুতিতে ধ্বংস হয়ছে, বার্নি এলেও তাই হবে।

    যারা বার্নির পক্ষে লিখেছেন, তারা ওয়ান টু ওয়ান ডিবেটে বার্নি বনাম হিলারীর ভিডিও গুলো দেখে দিন

    (১) ওবামা ছোট এবং মাঝারি ব্যবসার বাড়াতে যত বিল এনেছেন-সব বিলে বার্নি বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছেন।
    বার্নি ব্যবসা বিরোধি। ও আসলে এবং যদি ডেমোক্রাটিক কংগ্রেস বা সেনেট থাকে -তাহলে আমেরিকার অর্থনীতি লাটে উঠবে। যেসব এন আর আই রা বার্নির পক্ষে লিখছেন, তারাই চাকরি হারাবেন আগে

    (২) বার্নি অটো বেইল আউটের বিরদ্ধে ভোট দিয়েছিলেন। আজ ঐ বেইল আউট না হলে আমেরিকার
    অটো শিল্প এত ভাল করছে-সেটাই সম্ভব হত না। সব ছাড়খার হয়ে যেত।

    (৩) হিলারী মধ্যবিত্ত ফ্যামিলির মেয়ে। বার্নির সাথে ফ্যামিলি ব্যাকগ্রাউন্ডে খুব বেশী তফাত নেই

    (৪) বার্নির পক্ষে প্রথমে কিছু হাওয়া ছিল। এখন পল ক্রুগম্যান থেকে প্রায় প্রতিষ্ঠিত অর্থনীতিবিদই বলেছেন বার্নির প্ল্যানিং সম্পূর্ন ভুঁয়ো-কোন মাথামুন্ডু নেই। কদ্দিন আর এইসব ঢপ লোকে নেবে।

    (৫) শুধু মাত্র নিউয়ার্ক, পেনস্টেট এবং মেরীল্যান্ডে বার্নি যত ডেলিগেট হারাতে, তাতেই ফাইনাল সিদ্ধান্ত হয়েই যাবে

    (৬) ওয়াল স্ট্রীটের কুৎসার জবাব হিলারী দিয়েছেন। আপনারা হিলারি বনাম বার্নির ডিবেট গুলোর ভিডিও দেখলেই বার্নি যে পাতি ঢপ সেতা বূঝবেন। উত্তরটা সিম্পল। ওবামাকে সুপারপ্যাক টাকা দিয়েছিল যার অনেকটাই ওয়াল স্ট্রিটের। কিন্ত তাতে কি তারা ডড ফ্রাঙ্ক রেগুলেশন আটকাতে পেরেছে ? টাকা যে কেউ দিতে পারে। প্রেসিডেন্ট কি করছে সেটাই আসল।

    পুরো টইটাতে যারা বার্নির পক্ষে লিখেছেন কেউ বার্নি বনাম হিলারি ডিবেট দেখেন নি, ভিডিও গুলোও
    দেখেন নি। ভিডিও গুলো দেখলেই বোঝা যায় কার মাথায় বুদ্ধি আছে আর কে লোককে বুদ্ধু বানানোর চেষ্টা করছে।

    তবে হেডলেস চিকেনের অভাব আমেরিকা বা ভারতে হয় নি। সিপিএম কিছু বাঙালী পেয়েছিল-যাদের ব্যবসা বুদ্ধি না থাকার কারনে জবাই করতে সুবিধা হয়েছিল। আমেরিকাতেও একটা বিশাল লিব্যারাল ক্লাস হয়েছে যারা ওই সব সিঙ্গল যুবক যুবতী-বাস্তব জীবনের কোন অভিজ্ঞতা নেই। এরাই সবার আগে এইসব ঢপগুলো খায়।

    তবে চিন্তা নেই। ডেমোক্রাটিক পার্টির কার্ড হোল্ডারদের মধ্যে বার্নি অনেক পিছিয়ে। আর ক্লোজড প্রাইমারিগুলোতে কার্ড হোল্ডারদের কাছেই যেতে হবে। পরশুদিন আমাদের হিলারী ভল্যুউন্টিয়ারদের প্রথম মিটিং আছে ২৬ এর ইলেকশনের জন্য।
  • lcm | ০৩ এপ্রিল ২০১৬ ০১:৩৬699778
  • ১) বার্নি এলে নতুন চাকরি হবে।
    ২) অটো শিল্প কাম ব্যাক করেছে, আর মিশিগান/ডেট্রয়েট ব্যাংকরাপ্টসি ডিক্লেয়ার করেছে, এখন তো পানীয় জল টুকুও দেবে না বলছে। সব টাকা সি-লেভেলের লোক্র পকেটে আর আমজনতার চাকরিও নেই, জলও নেই - বার্নি এই জায়গাটাই অ্যাড্রেস করছে।
    ৩) হিলারি বড়লোক। বার্নি-ই বরং এদের মধ্যে সবথ্কে ক্লোজ টু মিড্‌ল ক্লাস ফ্যামিলি লিভিং।
    ৪) পল ক্রুগম্যান পন্ডিত মানুষ, কিন্তু এদের কথা শুনে কেউ ভোট এয় না
    ৫) ঠিক। বার্নি হেরে যেতে পারে।
    ৬) বার্নি-র একটি প্রধান স্ট্রেন্থ হল - কোশ্চেনিং কন্ট্রোল অফ বিগ মানি
  • S | ০৩ এপ্রিল ২০১৬ ০২:২১699789
  • ১) বার্ণী ইন্টারন্যাশনাল ট্রেডের বিরুদ্ধে। সে এখন আমেরিকার একটা বড়্সড় জনগন। ট্রাম্পও। রাইট উইঙ্গেও এমন লোক কম নয়। কিন্তু বার্ণীর পলিসি অনুযায়ী সোশাল সেক্টরে আর আমেরিকাতে চাকরি বাড়ার কথা। ম্যানুফ্যাকচারিঙ্গের আউটসোর্সিঙ্গ কমবে। এইটা মনে হয় এমনিও হবে - যেই হোয়াইট হাউসে আসুক না কেন - হাউস রিপাব্লিকানদের থাকলেও। পিপল আর নট হ্যাপি উইথ গ্লোবালাইজেশন।
    ২) হাউ অ্যাবাউট ওয়াল স্ট্রিট বেইলাউট? আর উনি তো বলছেন যে এখন আমেরিকার সাধারণ লোকেরা ঝামেলায়, অতেব বড় কর্পোরেটরা বেশি ট্যাক্সো দিয়ে শোধ করুক। সেইটা অন্য কেউ বলছে না কেন?
    ৩) হিলারীর বিগত কয়েক দশকের ইকোনমিক স্ট্যাটাস কী? বার্ণী স্যান্ডার্সের নেট ওয়ার্থ হাফ মিলিয়নের আসে পাসে। কম্পেয়ার করে নিন।
    ৪) বার্ণীর প্ল্যানে কোনো মাথামুন্ডু নেই - যদি মেনেও নিই - তাইলে হিলারি ক্রমশ বার্ণীর মতন কথা বলছেন কেন?
    ৫) নট ইম্পর্ট্যান্ট।
    ৬) আমি সবকটা ডিবেটই দেখেছি প্রায় (দুপক্ষের)। তাতে আপনি যেরকম বলছেন সেরকম কিছুই মনে হয়নি।

    এলিজাবেথ ওয়ারেন তো দুজনের দিকেই সাপোর্ট জানালেন। কোনো ডেমোক্র্যাটকেই (লীডার) এখনো অবধি আপনার মতন করে বার্ণীর নিন্দা করতে দেখিনি। হিলারিকেও না। ফেসবুক, টুইটারে লোকে যে গালিগালাজ লেখে তার কোনো দাম নেই, সারাদিনের ফ্রাস্ট্রেশন ওখানে ঝাড়ে। এই নিয়ে বিল মাহেরের একটা ভিডিও দেখে নেবেন - ইউটিউবে আছে। আমার তো মনে হলো এখানে যারা পুরো ব্যাপারটা ফলো করেন তারাই লিখেছেন। আপনি একাই ফলো করছেন এমন না। আমি ইলেকশনের দিনগুলোতে ঘন্টার পর ঘন্টা বসে সিএনেনের এনালিসিস শুনি। অতেব একটু গ্যান আছে, হয়তো অনেকের থেকে বেশিই আছে।
  • S | ০৩ এপ্রিল ২০১৬ ০২:৩১699800
  • আমি হিলারীকে চাইছি অন্য কারণে। নইলে ক্রুজ বা ট্রাম্প মসনদে বসবে। হিলারি ইলেক্টিবিলিটি, এক্সপিরিয়েন্স, আর পলিসি আর্টিকুলেশনের দিক থেকে অনেক এগিয়ে। এবং সঙ্গে আরেকটা দারুন ফ্যাক্টর আছেঃ বিল।
  • ঈশান | ০৩ এপ্রিল ২০১৬ ০৩:৪০699811
  • আচ্ছা বিপ, মনে করার কোনো কারণ আছে, কেউ ডিবেট টিবেট দেখেনা? :-)

    বিপের হার্টবিট বাড়ানোর জন্য আরও বলা যাক। কাল উইসকনসিনে ১৮০০০ লোকের র‌্যালি করেছেন বার্নি। উইসকনসিন হিলারির হাত থেকে বেরোচ্ছে প্রায় নিশ্চিত। লিড তার মানে কমে দেড়শো থেকে দুশোর মধ্যে। হিলারি মেজাজ হারাচ্ছেন। প্রাইমারি মার্চের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে ভেবেছিলেন, কিন্তু এপ্রিলেও ব্যাপারটা ক্রমশ টাইট হচ্ছে।
  • S | ০৩ এপ্রিল ২০১৬ ০৩:৫২699822
  • হিলারি জিতবে। কিন্তু এখনো সেখানে পৌঁছতে দেরি আছে। বার্ণী ১৪০ মিলিয়ন তুলেছেন, অতেব আরো বেশ কয়েকদিন চালাতে পারবেন। আর দারুন ক্যাম্পেন ম্যানেজমেন্ট করছেন।
  • bip | ০৩ এপ্রিল ২০১৬ ০৪:৪৮699833
  • ১) বার্ণী ইন্টারন্যাশনাল ট্রেডের বিরুদ্ধে।

    >>
    শুধু ইন্টারন্যাশানাল ট্রেডের বিরুদ্ধে? ওটা পরে আসছি।
    উনি বেশ ডোমেস্টিক বুস্টিং এর বিরুদ্ধেও ভোট দিয়েছেন। যেখানে বাইপার্টিশান সাপোর্ট ছিল বিলে। শুধু ন্যফটাতে না। লোকটা পাতি সিপিএম। ১৯৬০ সালের জ্যোতিবোস।

    ঊনি আউটসোর্সিং, এইচ ওয়ান বি ভিসার বিরুদ্ধে। আউটসোর্সিং এইচ ওয়ান বি ভিসা লিমিট বিল ক্লিনটন না বাড়ালে,
    আমরা কি আমেরিকাতে থাকতাম?

    বার্নি আসলে ব্যাঙ্গালোরে কান্নাকাটি শুরু হয়ে যেতে পারে। ভারতের সব আউটসোর্সিং ব্যবসায় আঘাত আসবে। কারনটা লিখি।

    এখন ট্যাক্স ক্রেডিটের আইন হচ্ছে -ধরুন কোন কোম্পানী ১০০ হাজার ডলার ভারতে আউটসোর্স করল। তাহলে তারা ষাট হাজার ডলারের ট্যাক্স ক্রেডিট পাচ্ছে। বার্নি এসব তুলে দেবে বলছে। সুতরাং ইনফি, টিসিএসের পেছন মারা যাবে। আমার ব্যবসার ও যাবে। ভারতে আই টি শিল্পে হাহাকার আসবে।

    এতে আমেরিকা বা ভারত কারুর লাভ নেই ভাই। এগুলো হচ্ছে সিপিএমের ১৯৭৭-১৯৯০। শিল্প খেদানোর জন্য বামপন্থী স্বমেহন।

    (২)
    বার্নির স্টুডেন্ট লাইফের সাথে হিলারির তুলনা হয় না। হিলারী ইয়েল ল স্কুলের গ্রাড। একজন সফল আইনজীবি ছিলেন। এটা কেন লিখছেন না? যেখানে বার্নি একজন ব্যর্থ ছুতোর মিস্ত্রি এবং ব্যার্থ সাংবাদিক।

    হিলারীর বাবা ছোটখাট ব্যবসায়ী ছিলেন। হিলারী ফ্যামিলি সূত্রে ১৯৬৯ পর্যন্ত রিপাবলিকান ছিলেন। সিভিল রাইট মুভমেন্টে জড়িয়ে উনি ডেমোক্রাট হন। ১৯৬৯ সালেই তিনি কলেজে ছাত্র ইউনিয়ানের প্রেসিডেন্ট থাকার সুবাদে কালো ছাত্রদের কোটা দ্বিগুন করার সফল নেতৃত্ব দেন। হিলারী আইনজীবি থাকার সময় কালোদের অধিকার এবং সিভিল রাইটের জন্য অনেক কেস লড়েছেন। নো ওয়ান্ডার কালোদের সব ভোট উনিই পাচ্ছেন এবং বার্নি সমর্থক সাদারা হিলারীর সিভিল আইট ইতিহাসকে হয়ত অত মনে রাখে নি।

    একজন পাতি বাঙালী মার্কা বামপন্থী ধাপ্পাবাজির সাথে হিলারির সুচিন্তিত এবং সূদূর প্রসারী পলিসির অনেক পার্থক্য আছে। হিলারি এলে ওবামা এডমিনিস্ট্রেশবের লেগাসিই চলতে থাকবে। যা খুব বাজে কিছু কি? বুশের আমল মনে নেই?
  • bip | ০৩ এপ্রিল ২০১৬ ০৪:৫২699845
  • যেখানে বার্নি আসলে সব ব্যবসা গুটিয়ে লোকে পালাবে-সেখানে যারা লিখেছেন বার্নি আসলে চাকরি বাড়বে-এবার ক্ষমা করুন ভাই। সেই ১৯৭৭-৮০ সালের সিপিএম - ছোটবেলার কথা মনে পড়ছে। কৃষ্ণনগর থেকে করিমপুরে বাসে করে ফিরছি-পাশের সিটে এক সিপিএমের দাদা। তখন সিপিএম সদ্য ক্ষমতায়। কি দারুন উত্তেজনা-"জনগণের সরকার" ক্ষমতায় এসেছে। সব বেকারদের চাকরি হবে। সব একে একে সরকারি উদ্যোগে কিছু ব্যবসা খোলা হচ্ছিল। যা বছর ঘুরতেই মুখ থুবরে পড়বে। শেষ একজনকেও পাওয়া যাচ্ছিল না যে পশ্চিম বঙ্গের বিদ্যুৎ শিল্পে বিনিয়োগ করবে-লোকের ব্রেইন ওয়াশ করতে শুরু হল রক্ত বেচে বক্রেশর বিদ্যুৎ প্রকল্প হবে।

    পশ্চিম বঙ্গের মানুষেরা বার্নিকে সমর্থন করায় আশ্চর্য্য হচ্ছি না। ভারতে হেডলেস চিকেন সব থেকে বেশী এই রাজ্যেই।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ঝপাঝপ প্রতিক্রিয়া দিন