এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • ranjan roy | ২৩ নভেম্বর ২০১৪ ০৬:২৩70552
  • পিএম,
    আমার আবার উল্টো কেস। কলেজে ভীষণ ভাবে ক্লাস বাংক করেছি। কোলকাতায় ও ছত্তিশগড়ে। কোলকাতায় ইচ্ছে করে। আজ আফশোস হয় ( অমিয় বাগচী ওএর বিষ্ণু দে'র ক্লাস!!!)।
    ্ছত্তিশগড়ে বাধ্য হয়ে। সেইসব দিনে আর্টস এর ছাত্তরদের ছত্তিশগড়ে অংক নেবার চল ছিল না। ফলে আমার আর্টস সাবজেক্ট গুলো সকাল সাড়ে সাতটা থেকে সাড়ে দশটা, কিন্তু অংক সায়েন্সের ছেলেদের সঙ্গে দুপুর আড়াইটে থেকে সাড়ে তিনটে।
    ফলে ওই একটা সাবজেক্টে অ্যাটেন্ডেন্স বিচ্ছিরি ভাবে কম হওয়ায় আমাকে ফাইনাল ইয়ারে প্রাইভেটে পরীক্ষা দিতে বাধ্য করা হয়। এইচ ও ডি রেগে গিয়ে এটাকে প্রেস্টিজ ইস্যু বানিয়েছিলেন আর আমি ভুল সময়ে দাঁত বের করে হেসেছিলাম। ফাইন দিয়েও পার পেলাম না।
    কিন্তু আমার মনে হয় রেগুলার ভরা ক্লাস এর আবহাওয়াই আলাদা। কেউ কেউ একটু আধটু বাংক করতেই পারে। কিন্তু প্রেসির ছাত্রদের ৫০% অ্যাটেন্ডেন্স কে নিয়ম করার দাবী ঠিক হজম হচ্ছে না।
    পিনাকী একটু ভেবে বলুন-- যে অধিকাংশ গেইন আপনি ক্লাসের বাইরে করেছেন ( আমরাও অনেকে তাই, ফলে বুঝতে অসুবিধে হচ্ছে না) তার জন্যে কি ক্লাসে না যাওয়া জরুরী ছিল? অর্থাঅৎ ক্লাস করেও এই সঙ্গ/সুযোগ পাওয়া যেত কি না? আমি বুঝতে আগ্রহী।

    [ এখানে আমার পিটির ও ড্যাশের কি মিল! রোমাঞ্চ হচ্ছেঃ))]
  • S | ২৩ নভেম্বর ২০১৪ ০৭:১১70553
  • ক্লাস কি শুধু ছাত্র আর শিক্ষকের মধ্যে সীমাবদ্ধ? ইউনিভার্সিটির অ্যাডমিনের কোনো ভূমিকা নেই ? প্রতিটা ক্লাস অফার করার আগে রিসোর্স ঠিক করতে হয়,তার পর ক্লাস সাইজ, কোর্স ফি ইত্যাদি ঠিক করতে হয়। একটা ক্লাসের সাইজ যদি কুড়ি হয় তাহলে কুড়িজন রেজিস্টার করার পর বাকিরা ওয়েটিং লিস্টে থাকে। এখন এই কুড়িজনের মধ্যে যদি কেউ দিনের পর দিন ক্লাস না করে তাহলে সে ওয়েটিং লিস্টে থাকা ছাত্রদের প্রতিবন্ধক। শুধুশুধু একটা জায়্গা আটকে রেখেছে, যেখানে কোনো ইন্টারেস্টেড ছাত্র সুযোগ পেত। এই রকম চলতে থাকলে অ্যাডমিনের পক্ষে কোনো রিসোর্স ঠিক করে অ্যালোকেট করা সম্ভব হবে না।
    এই সিনারিও আমেরিকার স্কুল কলেজের ব্যাবস্থা মাথায় রেখে বলা। ভারতে তো নিয়মটা আরো কঠোর করা উচিৎ। ছাত্রদের মনে রাখা উচিৎ যে সে ক্লাস না করে যে রিসোর্স মিসইউস করছে সেই যায়গয় কমকরে হলেও অরো দশজন দাবীদার ছিল/আছে। ক্লাস করতে ভাল না লাগলে কলেজ ছেড়ে দিক, সেই যায়গয় অন্য আর একজন আসবে।
  • Abhyu | ২৩ নভেম্বর ২০১৪ ০৭:১৬70554
  • S বলাতে মনে পড়ল। এক্সাক্টলি এই পয়েন্ট নিয়ে আলোচনা হয়েছিল একবার ফ্যাকাল্টিদের মধ্যে, যে আমরা ক্লাসে ত্রিশটা কম্পুউটার আছে বলে একত্রিশ জনকে রেজিস্টার করতে দিই না, ওদিকে কেউ যদি রোজ রোজ ক্লাসে না আসে তো কি করা উচিত?
  • potke | ২৩ নভেম্বর ২০১৪ ০৭:১৯70555
  • তাকে ড্রপ করিয়ে দেয়া উচিৎ।
  • Abhyu | ২৩ নভেম্বর ২০১৪ ০৭:২২70556
  • পোটকেদা তোমার ডেটা রিপ্রেজেনটেশেনটা অন্য রকম হতে পারে। ডিনোমিনটরটা সব জায়গায় ৮৬০ না হয়ে সেই ক্লাসইন্টারভ্যালে ক-জন ছাত্র সেই সংখ্যা হওয়া উচিত। তারপর টেস্ট করে দেখতে হবে পাশ করার প্রোব্যাবিলিটি সব গ্রুপে সমান কি না।
  • Arpan | ২৩ নভেম্বর ২০১৪ ০৭:২৯70557
  • S-এ কথাটাই আমি বলতে চাইছিলাম। রিসোর্স অপ্টিমাইজেশনের বিরাট প্রয়োজন আছে, ভারতের মত দেশে আরো বেশি।
  • potke | ২৩ নভেম্বর ২০১৪ ০৭:৪০70558
  • জানি,অভ্যু, আমি একি হোমোজিনিয়াস গ্রুপকে টেস্ট করব, কোর্স টু কোর্স। ধরা যাক, থার্ড সেম কম্প সায়েন্স সেকসান A, ৬ টা কোর্স, আলাদা ফ্যাকাল্টি। সেই
    ফ্যাকাল্টির পাস্ট রেপুটেশন, ইন টার্ম্স অফ ফিডব্যাক ফ্যাক্টর হিসেবে রাখব ভেবেছি। এরাই যখন পরের সেমে যাবে তখন আবার, এভাবে আপ টু সিক্ষ্থ সেম।
  • potke | ২৩ নভেম্বর ২০১৪ ০৭:৪১70559
  • একক এখুনি অপ্টিমাইজেশন মডেল আনল বলে ঃ)
  • Abhyu | ২৩ নভেম্বর ২০১৪ ০৮:০২70560
  • মানে আমি বলতে চাইছিলাম, লেস দ্যান ৪০%-এ কজন ছাত্র ছিল, তাদের কজন পাশ করেছে। যদি ত্রিশ জন ছাত্র থাকে আর তাদের সবাই ফেল করে, তাহলে এস্টিমেটরটা স্টেবল। কিন্তু যদি ২ জন ছাত্র থাকে আর দুজনই গাড্ডু খায়, তাহলে এস্টিমেটরটা স্টেবল না। এইটা খেয়াল রাখতে হবে।
  • potke | ২৩ নভেম্বর ২০১৪ ০৮:১৭70561
  • oke, baaT inTaarbhyaal to sem saaij er naa, seTaa to aamaar haateo nei. JeTaa karate paari, ekras semesTaar, chhaatras`mkhyaa Jog kare taarapar esTimeshan and percentage wise class realignment i.e less than 60 % raakhalaam, sample size baarhala.
  • pinaki | ২৩ নভেম্বর ২০১৪ ০৮:২৬70562
  • রঞ্জনদা, আমার অভিজ্ঞতা অনুযায়ী ছিটেফোঁটাও ক্লাস না করার জন্য মিস করি নি। পড়াশোনো না করার জন্য পরে কষ্ট করতে হয়েছে - সে অন্য কথা। যাদবপুরে আমি যেসময় পড়াশুনো করেছি ইলেক্ট্রিকালে ৫০% এর উপর ক্লাস জাস্ট করা যায় না। এত খারাপ পড়ানোর স্ট্যান্ডার্ড। এখন সেটা ৮০% হবে।

    আর রিসোর্স এলোকেশনের যুক্তিটা ঠিক বুঝছি না। ধরা যাক একটা কোর্সে আমি হাই এক্সপেক্টেশন নিয়ে ভর্তি হলাম। দুটো ক্লাস করে বুঝলাম অত্যন্ত ধুর টিচার। এবং বুঝলাম বাকিটা নিজে পড়েই বা বন্ধুদের থেকে হেল্প নিয়ে ম্যানেজ করে নিতে পারব। এবার কোর্সটা ছেড়ে বেরিয়ে অসতেও চাই না। পরীক্ষা দিয়ে পাশ করতে চাই। তা ইউনিভার্সিটি যদি এটা আমার সাথে আলোচনা করে আর আমার জায়গায় আর একটা ছত্রকে ক্লাস করার সুযোগ দেয়, আবার আমাকেও ক্লাস না করে পরীক্ষায় বসতে দেয় - তাহলে আমার অসুবিধে থাকবে কেন? এবার খারাপ টিচারের সমস্যাটাও ইউনিভার্সিটির তৈরী করা, সিস্টেমে ফ্লেক্সিবিলিটি না থাকাটাও ইউনিভার্সিটির সমস্যা। এর জন্য আমি ভুগবো কেন? আর যদি বলা হয় যে পরীক্ষা দেওয়াটাও এক ধরণের রিসোর্স ব্লক করা - তাহলে অমি তো সেই রিসোর্স ইউটিলাইজ করতে চাইছি। পরীক্ষা তো দিতে চাইছি। আমি ক্লাসে না আসার জন্য কারুর তো কোনো ক্ষতি হচ্ছে না।

    এখানে যে যুক্তিগুলো আসছে সেখানে প্রেমিসটা হল ছাত্ররা দুষ্টু বলে বা ইনডিসিপ্লিনড বলে ক্লাসে আসে না। এটা সমস্যার একটা দিক। অন্য দিকটা হল ক্লাসগুলো যথেষ্ট আকর্ষণীয় নয়। তার দায় কে নেবে বা সেটা কোন ডিসিপ্লিন দিয়ে এনসিওর করা যাবে কেউ বলছে না।
  • Abhyu | ২৩ নভেম্বর ২০১৪ ০৮:২৮70563
  • ইন্টার্ভ্যাল তো সেম সাইজ হবার দরকার নেই, তুমি যেটা করতে চাইছো সেটা অনেকগুলো গ্রুপের তুলনা, প্রতিটা গ্রুপে সাকসেস প্রোব্যাবিলিটি সেম কিনা চেক করা। এই প্রোব্যাবিলিটি তুলনাটা তখনই করা যাবে যখন প্রতিটা গ্রুপের ক'শতাংশ লোক ফেল করেছে জানা থাকবে।
  • potke | ২৩ নভেম্বর ২০১৪ ০৮:৩২70564
  • বুয়েছি, কেউ যদি কম্প্লেন করে স্যাম্পেল সাইজ খুব ছোট সেজন্য বলছিলাম।
  • হোক আপডেট কলকাতা থেকে | ২৩ নভেম্বর ২০১৪ ০৯:২৭70501
  • সরবোনের ছাত্র আন্দোলনের কোন আপডেট নেই? ফেসবুক সর্বস্ব আন্দোলন নিয়েও আর কেউ কিছু বলছেনা? হোক কলরবের লেটেস্ট আন্দোলনঃ

    http://www.anandabazar.com/state/%E0%A6%B9-%E0%A6%B8%E0%A6%AA-%E0%A6%A4-%E0%A6%B2-%E0%A6%AA-%E0%A6%9F-%E0%A7%9F-%E0%A6%96-%E0%A6%A8-%E0%A6%95%E0%A6%B2%E0%A6%B0%E0%A6%AC-%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%B0-%E0%A6%A3-%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%B0-1.89488

    এনআরএস হাসপাতালের ছাত্রাবাসে কোরপান (কুরবান) শাহ-কে পিটিয়ে মেরে ফেলার প্রতিবাদে ডাকা মিছিলে ভিড় হলো না মোটে। ‘ছাত্র সমাজ এবং নাগরিক সমাজ’ নামে একটি সংস্থা ডাক দিয়েছিল এই মিছিলের। যাদবপুর-কাণ্ডের প্রতিবাদে শহরের বুকে একের পর এক মিছিলে যেমন ছাত্রছাত্রী এবং বিশিষ্ট লোকেদের ভিড় ভেঙে পড়েছিল তার শতকরা এক ভাগকেও শনিবার পাশে পেলেন না মিছিলের উদ্যোক্তারা।
    ফেসবুকের মাধ্যমে ছাত্রছাত্রী ও সাধারণ নাগরিকদের এই প্রতিবাদ মিছিলে অংশ নিতে আহ্বান জানিয়েছিলেন উদ্যোক্তারা। তাঁদের দাবি ফেসবুকে অন্তত ৫০০ জন জানিয়েছিলেন, তাঁরা আসবেন। কিন্তু এলেন মাত্র জনা তরিশ। শুক্রবার একটি চিকিৎসক সংগঠনের ডাকা প্রতিবাদ সভাতেও সদস্যদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো কম।
    ফেসবুকে ঘোষণামতো ঠিক ছিল এ দিন বেলা ১টায় কলেজ স্কোয়ারে জমায়েত হয়ে মিছিল যাবে এনআরএস পর্যন্ত। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ে সেখানে গিয়ে দেখা গেল কোথায় প্রতিবাদীরা? আর পাঁচ দিন যেমন থাকে এ দিনের কলেজ স্কোয়ারও তেমনই। শেষমেশ ৩টে নাগাদ টেনেটুনে জনা তিরিশকে এক জায়গায় দেখা গেল। কিন্তু সেখানে ছাত্র সমাজের প্রতিনিধিরা কোথায়? ছাত্র বলতে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা বিভাগের ৪ জন পড়ুয়া, আর কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ৬-৭ জন। এই মিছিল যাবে এনআরএস পর্যন্ত! বাতিল হল গন্তব্য। কলেজ স্কোয়ার থেকে বেরিয়ে মহাত্মা গাঁধী রোড ঘুরে ফের কলেজ স্কোয়ারেই ফরল নামকেওয়াস্তে সেই মিছিল।
    হতাশ উদ্যোক্তাদের এক জন বললেন, “যাদবপুর-কাণ্ডে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় এবং অন্য কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা যেমন প্রতিবাদে পথে নেমেছিলেন, আমরা ভেবেছিলাম, এই ক্ষেত্রেও সে রকম ফুঁসে উঠবে ছাত্র সমাজ।” এ দিনের মিছিলে অংশ নেওয়া যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী অরুমিতা মিত্রের যুক্তি, “প্রেসিডেন্সিতে একটা আন্দোলন চলছে। আমরা অনেকেই সেখানে ছিলাম। তাই এই মিছিলে আমরা সে ভাবে যোগ দিতে পারিনি।” যদিও প্রেসিডেন্সিতেও এ দিন যাদবপুরের ছেলেমেয়েদের দেখা যায়নি। মিছিলে যোগ দেওয়া কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীর খেদোক্তি, “আমরা যতই প্রতিবাদী হই না কেন, নিচুতলার মানুষের প্রতি এটাই আমাদের দৃষ্টভঙ্গি।”
  • হোক আপডেট কলকাতা থেকে | ২৩ নভেম্বর ২০১৪ ০৯:৩৪70502
  • তবে যাদবপুরের ছাত্রছাত্রীদের মাবাবারা জেনে আশ্বস্ত হবেন যে ছেলেমেয়েরা ক্রোনিইজম ভালোই রপ্ত করেছে। আর কে না জানে ক্রোনিইজম কর্পোরেট লাইফের প্রাথমিক শর্ত। ছাত্ররা একজনকে পিটিয়ে মেরে ফেলেছে, তাই অন্য ছাত্ররা তার প্রতিবাদ করবেনা। অফিসে সবাই মিলে যখন একজনের পেছনে লাগবে বা কোন মহিলাকে হ্যারাসমেন্টের শিকার করবে তখন বাকিরা এরকমই শীতল উপেক্ষা উপহার দেবে। বাহবা কলরব।
  • PT | ২৩ নভেম্বর ২০১৪ ০৯:৫০70503
  • মৃতদেহ, মৃতদেহ, তোমার কি শ্রেণীবিভাগ নাই?
  • হোক আপডেট কলকাতা থেকে | ২৩ নভেম্বর ২০১৪ ১০:১০70504
  • হুঁ ফেসবুক আর টুইটারে যারা কলরব করে বেড়ায় তারা তাদের শ্রেনীচরিত্র ঠিকই বজায় রেখেছে।
  • lcm | ২৪ নভেম্বর ২০১৪ ০১:২৫70566
  • প্রবাসে ব্যাপারটা হল, টিউশন ফি দেবে যখন, তখন ক্লাস হবে না কেন। নিজেরা পড়েই (বা প্রাইভেট টিউটরের কাছে) পরীক্ষা দেবে য্খন, তখন অধ্যাপকদের ফুল টাইম চাকরির কী দরকার। পরিকাঠামোরই বা বিশেষ প্রয়োজন কি, একটি পরীক্ষা নিয়ামক সংস্থাই তো যথেষ্ট। যার জন্যে বিদেশে ক্লাসে না গিয়ে পাশ করা টাফ্‌। হবে না তা নয় তবে চার বছরের স্নাতক ডিগ্রী ঝামেলা আছে।

    সব অধ্যাপক খারাপ পড়ান না (সব দেশেই), কিন্তু সেই সব বিষয়ের জন্য তো অন্য নিয়ম সম্ভব নয়।
    যারা ভালো পড়ান তাদের ক্লাসেও সব ছাত্র যায় না, কিন্তু সেইসব ছাত্রদের জন্যেও অন্য নিয়ম সম্ভব নয়।

    আর এই যে, ক্লাসে যাবার দরকার নেই নিজেরা পড়ে নেব - এটা কিন্তু অল্প হলেও আর্থ-সামাজিক ব্যাকগ্রাউন্ডের ওপর নির্ভর করছে। যে মেধাবী ছাত্র প্রত্যন্ত গ্রামের হতদরিদ্র পরিবার থেকে এসেছে তার কাছে খাজা অধ্যাপকের খাজা ক্লাসও একটা পাওনা। সেটা থেকে তাকে বঞ্চিত করা ঠিক না। তার সাপোর্ট সিস্টেম জোড়ালো নয়, দামী বইপত্র কেনার বা কপি করার টাকা পয়সায় বিশেষ নেই, তার কাছে ঐ ক্লাসের নোট্‌স বা লেকচার একটি ইনপুট।

    কোনো সিস্টেম পার্ফেক্ট নয়, কিন্তু ঐ ওরই মধ্যে থেকে।
  • S | ২৪ নভেম্বর ২০১৪ ০৩:০৯70567
  • প্রবাস বলতে কোন কোন দেশের কথা বলা হচ্ছে জানি না কিন্তু আমেরিকান সিস্টেমে ক্লাস করা বা না করা প্রফেসরের উপর ডিপেন্ড করছে। প্রফেসর যদি মনে করেন স্টুডেন্টদের ক্লাসে আসতে হবে তাহলে সেটা কারিকুলামে পরিষ্কার করে বলা থাকে। এই সব কেসে কোনো ভ্যালিড রিজন ছাড়া তিন বা তার বেশি ক্লাস কামাই করলে F গ্রেড দেওয়া হয়।
    এবার ইউনিভার্সিটির ফ্লেক্সিবিলিটি ব্যাপারটা একটু দেখা যাক। ইউনিভার্সিটি কতটা ফ্লেক্সিবল হবে ? আমার দেখা দুটো ঘটনা- একটিতে এক স্টুডেন্ট বলেছিল যে সে শুক্রবার দুপুর বারোটার ক্লাসে আসতে পারবে না কারণ তাকে প্রেয়ারে যেতে হবে। অর একটি কেসে এক স্টুডেন্ট (সিঙ্গল পেরেন্ট) বলেছিল সন্ধ্যে ছটার ল্যাব ক্লাসে সে আসতে পারবে না কারণ তার ছোটো বাচ্চা আছে। দুটির কোনোটিতেই ক্লাসের টাইম চেঞ্জ করা সম্ভব হয়নি। এবার কেউ বলতে পারে ইউনিভার্সিটিকে আরো ফ্লেক্সিবল হতে হবে যাতে ব্যাক্তিগত ধর্মাচরণ বা কোয়ালিটি ফ্যামিলি লাইফ লিড করা যয়। একটা ইউনিভার্সিটিতে যদি হাজার পাঁচেক আন্ডারগ্র্যাড থাকে আর যদি সবার ফ্লেক্সিবিলিটি দেখতে হয় তাহলে মনে হয়না এমন কোনো টাইম পাওয়া যাবে যখান সবার সুবিধা হবে।
    ইন ফ্যাক্ট, আমি যতটা দেখেছি, তার ভিত্তিতে বলতে পারি পড়ানো ভাল লাগছে না বলে স্টুডেন্টদের ক্লাসে না আসাটা খুব একটা বড় সমস্যা নয়। এখনে সেমেস্টারের শুরুতে দু তিনটে ক্লাস করা যায়, তারপর ক্লাস ড্রপ করলে কোর্স ফি প্রায় পুরোটাই ফেরৎ দেওয়া হয়।
    মানছি ভারতে সিস্টেমটা একেবারেই আলাদা। এখানে কোনো প্রফেসর যদি বছরের পর বছর খারাপ পড়িয়ে যান তাহলেও তাকে রিপ্লেস করা হয় না। সেখানে স্টুডেন্টর টিচারদের রিভিউ, রেটিঙ ইত্যাদি নিয়ে ভাবনা চিন্তা করলে কাজ দেবে। ব্লগ, ফেসবুক এইসব তো ব্যবহার করাই যায়। প্রফেসর নেহাৎ ই খারাপ পড়ালে রেকর্ড করে আপলোড করে দিতে পারে। এই আর কি। কিন্তু কলেজে একবার ভর্তি হওয়া মানে একটা কন্ট্র্যাক্ট সাইন করার মত। যতদিন সেই কলেজের ছাত্র থাকবে সেখানকার রুলস আর রেগুলেশনস মানতে হবে। ভাল না লাগলে কলেজ ছেড়ে দিতে তো আর কেউ আটকাচ্ছে না।
  • PT | ২৪ নভেম্বর ২০১৪ ০৩:১৪70568
  • আবার বলি।
    কোচিং ক্লাশ নিষিদ্ধ করে দেখুন-এটেন্ডেন্স নিয়ে বিপ্লব ও তাত্বিকতা বন্ধ হয়ে যাবে।
  • pi | ২৪ নভেম্বর ২০১৪ ০৩:৩১70569
  • ভাটে দিয়েছিলাম, এখানেও দিয়ে দি।

    কোরপান শাহের পরিবারের জন্য একটা অনলাইন ফাণ্ডরেইসিং চলছে। ফেসবুকে একটি উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই বুধবার অব্দি চলবে।

    We, a group of students and ex-students of Medical College, Kolkata are initiating a fundraising effort for the family of the person who was tortured and killed in NRS Medical College Hostel, allegedly by junior doctors. Korban Sha (34) was a trained zari worker and a resident of Shapara in Howrah's Uluberia. He used to work in the zari industry in Mumbai until his father's untimely death forced him to return to Howrah and take up odd jobs to take care of his family. He has left behind 4 children and his wife.

    This is not an 'event' as such but a one-time fundraising appeal. We want to do this fast.

    Money for Korpan Sha's family fundraising can be sent to this bank account.

    Name: GARGA CHATTERJEE
    Account number: 50208485023
    Allahabad Bank, Baranagar Branch
    IFSC Code: ALLA0210631
    Savings Bank Account

    Please Inbox me ( Garga Chatterjee) what amount you would like to give and your contact number. We plan to raise all we can by next Wednesday. All amounts that are donated will be fully disclosed here as a list with names and amounts (unless a donor doesnt want it disclosed). We, as physicians, are ashamed of this event. Please stand in support of this initiative. Please tell your friends and relatives. Those studying in Medical College, Kolkata at present should contact Bellal Ali or Avishek Mukherjee of MCDSA, living in Main Hostel - Room 104 (9038192740)

    আর টাকা দেওয়া প্রসঙ্গে,
    anyone is welcome to join the group that will go to Korpan Sha's family. As of now, Uttama Ray, Ratnaboli Ray and I plan to go.
    I talked to Korpan Sha's uncle (mama) and asked to make sure that there is a bank account in the single name of Korpan's wife. The plan is to hand over 10000 Takas in cash, put 10000 Takas in bank in her account and put the rest as a fixed deposit which will require 2 signatories - one Korpan Sha's wife and the other being one of us (not me) who agrees to be co-signatory. This is to ensure that most of the money is around when the children grow up a bit.

    যোগাযোগ করতে চাইলে এখানে দেখুন ঃ
    https://www.facebook.com/events/374962532681283/?pnref=story

    আর আজ বিকেলে যাদবপুরে একটি ফাণ্ডরেইজিং ইভেন্ট হচ্ছে।

    ----
    অন্যান্য আপডেটঃ
    এপিডিআর পিআইএল করছে।
    আজ বিকেলে এন আর এসের গেটের সামনে বিক্ষোভ।
    এই বৃহস্পতিবার একসাথে কোন সুনির্দিষ্ট আন্দোলন কর্মসূচী নেওয়ার জন্য মিটিং আছে।
  • d | ২৪ নভেম্বর ২০১৪ ০৪:৩৪70570
  • তা পিনাকী কথিত এইসব ইশটুডেনরা যারা বুঝে গেছে তৃতীয় ক্লাসেই যে শিক্ষকমশাই অতীব ধুর, তারা তক্ষুণি আন্দোলন ইত্যাদি করে না কেন?
    সবচে বড় কথা এক আধটা বছর নষ্ট করে এই অ্যাটেনড্যান্স প্রথা নামাক বস্তুটি তুলে দেবার জন্য আন্দোলনই বা করে না কেন?
    নাকি পরবর্তী জীবনে কর্পো লাইফে যেভাবে সিস্টেমকে নিজের মনোমত উপায়ে, নিজের এবং শুধুই নিজের অংশটুকু বুঝে নেবার জন্য ব্যবহার করার শিক্ষাটি এই কলেজ ইউনি থেকেই শুরু হয়?
  • lcm | ২৪ নভেম্বর ২০১৪ ০৫:০২70576
  • ও, এই হল কেস, এবার বুঝলাম। ৭৫% অ্যাটেন্ড্যান্স না থাকলে পরীক্ষায় বসতে দিচ্ছে না - এটা UGC-র নিয়ম। অসুখ/বিসুখ বা অন্য কারণ থাকলে এক্সেপশন আছে হয়ত।
    কিন্তু UGC-র নিয়ম পাল্টাতে গেলে অনেক হাঙ্গামা।
  • সে | ২৪ নভেম্বর ২০১৪ ০৫:১৭70577
  • কিছু প্রশ্ন রইল। অ্যামেরিকার ইউনিভার্সিটিতে ক্লাস করতে হয় না বুঝি? ক্লাস না করেই পরীক্ষা দিতে দেয়?
    ইয়োরোপে কিন্তু এরকম নয়। পিনাকিবাবু হয়ত জানবেন, কিন্তু বোলোনিয়া সিস্টেম তো এরকম নয়। ক্লাস করা ম্যান্ডেটরি। প্রতি সেমেস্টারে কোনো মডিউলে ২ বার এর বেশি অ্যাবসেন্ট থাকলে (এর মধ্যে অসুস্থতা জনিত অ্যাবসেন্টিস ও রয়েছে), পরীক্ষা তো ভুলে যান, মডিউল থেকে নাম কাটা যায়, তা যতই কুইজ, ক্লাস পারফরমেন্সে ফাটিয়ে দিক না কেন।
  • pi | ২৪ নভেম্বর ২০১৪ ০৫:৩৩70578
  • একটু আগে আবাপ আনন্দে বললো, কর্তৃপক্ষ পিছু হটেছে.., কারণ পরীক্ষার্থীদের অন্য একটা পরীক্ষায় বসতে দেওয়া হচ্ছে, বছর নষ্ট হবেনা। অনশন তুলে নিয়েছে।
  • pinaki | ২৪ নভেম্বর ২০১৪ ০৫:৩৫70579
  • আমেরিকাতে সব জায়গায় একরকম নয়। আমি যেখানে পড়েছি, প্লাস আরো কিছু জায়গায় শুনেছি/দেখেছি অ্যাটেন্ড্যান্স অপশনাল। টীচারের উপর নির্ভর করে। ইওরোপে পড়িনি, খোঁজ নিয়ে দেখব। কিন্তু ১) আমার বক্তব্যটা আগেই বলেছি নীতিগত। কাজেই ইওরোপে বা আমেরিকায় বা সৌদি আরবে আছে কি নেই সেটা নিরপেক্ষ। ২) ইওরোপ বা আমেরিকায় শিক্ষকের দায়বদ্ধতা সুনিশ্চিত করার যা ব্যবস্থা আছে ভারতে তা আছে কি? শুধু ছাত্রের দায়বদ্ধতাকে নিশ্চিত করার চেষ্টা করাটা সমস্যাটাকে একমাত্রিক ভাবে অ্যাড্রেস করা।
  • lcm | ২৪ নভেম্বর ২০১৪ ০৫:৫৩70580
  • ৭৫% অ্যাটেন্ড্যান্দ ম্যান্ডেটারি নইলে পরীক্ষায় বসতে দেবে না বা ডিগ্রি দেবে না - এমন নিয়ম আছে কি না জানি না। বোধহয় নেই।
  • pinaki | ২৪ নভেম্বর ২০১৪ ০৬:২২70582
  • অনেক জায়গায় আছে। যেমন এখানে সুইডেনে রয়্যাল ইনস্টিটিউট (স্টকহোম) এ ৭৫% এর রুল। আবার আমেরিকাতে অনেক জায়গায় ব্যাপরটা টিচারের হাতে ছাড়া। আমার মতে ঠিকঠাক কন্টিনুয়াস ইভ্যালুয়েশনের মডেল থাকলে 'অ্যাটেন্ড্যান্স না থাকলে পরীক্ষায় বসতে দেব না' এই নিয়মের দরকার পড়ে না। আর এটা কিছুটা কালচারাল ব্যাপার। কেন একটা ধেড়ে ছেলে বা মেয়ে নিজের ক্ষতি হবে জেনেও ক্লাস করবে না? কিছু ফাঁকিবাজ/ল্যাদখোর সর্বত্রই থাকবে। কিন্তু সেটা নিশ্চয়ই এত সংখ্যায় নয়। তার মানে নিশ্চয়ই তাদের এমন কোনো অপশন আছে যাতে ক্লাস না করলেও চলে। আমাদের বঙ্গে সেটা অনেক ক্ষেত্রেই প্রাইভেট টিউশন। এখন পয়সা খরচ করে প্রাইভেটে পড়তেই বা যাচ্ছে কেন লোকে? ঘুরে ফিরে কারণটা দেখা যাবে ক্লাসে নিষ্প্রাণ একঘেয়ে নোটভিত্তিক পড়ানো। সেগুলোকে আগে অ্যাটাক করা দরকার। স্টুডেন্টদের ফীডব্যাক মেকানিজম চালু হোক। অথরিটি টীচারদের ইভ্যালুয়েশনের জন্য সেগুলোকে গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করুক। কোনো ক্লাসে মিডটার্ম পর্যন্ত কিরকম অ্যাটেন্ড্যান্স আছে সেটা দেখে, যদি ৭৫% এর কম থাকছে লাগাতার এরকম দেখা যায় তাহলে অথরিটি টিচার, স্টুডেন্ট উভয়পক্ষের সাথে বসুক, তাদের থেকে ফীডব্যাক নিক। তাতে যদি টীচারের দিক থেকে দায়বদ্ধতায় কোনো সিরিয়াস সমস্যা না উঠে আসে, সমস্যাটা শুধু যদি ছাত্রদের দিক থেকে হয়, তাহলে তখন বাকি সেমেস্টারের জন্য ওয়ার্নিং দেওয়া হোক, ন্যূনতম অ্যাটেন্ড্যান্সের নির্দেশ দিয়ে দেওয়া হোক। এগুলো এক-দুবার করলেই টিচার স্টুডেন্ট উভয় পক্ষের দিক থেকেই একটা দায়বদ্ধতার পরিবেশ তৈরী হয়। এসব কোনো হ্যাপাই না নিয়ে কেবল ব্যাপারটাকে 'দুষ্টু ছেলেমেয়েদের নিয়ম চাপিয়ে সিধে করতে হবে' - এই এপ্রোচে দেখতে আমার আপত্তি আছে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। দ্বিধা না করে মতামত দিন