এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • এবারের পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রহসন

    পিনাকী
    অন্যান্য | ০৯ এপ্রিল ২০১৮ | ২০৮৮৮ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • PT | ২৩ এপ্রিল ২০১৮ ০৯:১৬374241
  • sm ও তিনোপন্থীরা জেনে খুশী হবেন যে "`ঠিক ঠাক ভোট, যাকে বলে" সেটা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করানোর জন্য ভাই-ভাইপোরা মুখে গামছা না জড়িয়েই লাঠি, ইঁট ইত্যাদি নিয়ে মনোনয়নপত্র পেশ করার লাইনে হাজির হয়ে গিয়েছে।
  • dc | ২৩ এপ্রিল ২০১৮ ০৯:২৫374242
  • কিন্তু এখানে sm আর পিটিদা ছাড়া তিনোপন্থী আর কে আছে?
  • dd | ২৩ এপ্রিল ২০১৮ ০৯:৩২374243
  • আমিও বড্ডো একাকী। লরেন পার্টীর সাপোর্টার বলতে কুল্লে আমি একজন।
  • PT | ২৩ এপ্রিল ২০১৮ ০৯:৩৯374244
  • সেকি! ডিডিদা যে সক্কাল বেলায় লিখে দিলঃ "`কল্লোল চলে গেলো মমতার ডাকে কলকেতায়।" আমিতো টিভি খুলে বসে আছি সেই থেকে যদি লাঠি হাতে কল্লোলদাকে দেখতে পাই!!
  • sm | ২৩ এপ্রিল ২০১৮ ০৯:৪৪374245
  • এই সেরেছে!এতজন তিনো থাগলে তো মাকু গুলো বামাশা তেই দিন কাটাবে!
  • PT | ২৩ এপ্রিল ২০১৮ ১৩:৫৩374246
  • sm এই খবরটা নোট করে রাখবেন। পরে "ঠিক ঠাক ভোট, যাকে বলে" নিয়ে তক্ক করার সময়ে কাজে লাগবে।
    "দিকে দিকে লাঠি-গুলি-বোমা। পড়ে রয়েছে রক্তাক্ত নিথর দেহ। আর শাসক সন্ত্রাসে ‘নিষ্ক্রিয় সমর্থন’ জোগাচ্ছে পুলিশ। সোমবার এখনও পর্যন্ত এটাই মনোনয়ন নেওয়ার ছবি।........
    .....পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোণাতে মারধর করা হয় আনন্দবাজার পত্রিকার সাংবাদিক সেবাব্রত মুখোপাধ্যায়। মেরে তাঁর মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয়। রামপুরহাটে মনোনয়নের ছবি তুলছিলেন আনন্দবাজার পত্রিকার চিত্র সাংবাদিক সব্যসাচী ইসলাম। তৃণমূলের গুন্ডাবাহিনী তাঁকে ঘিরে ধরে বেধড়ক মারধর করতে শুরু করে। মাথা ফেটে রক্তাক্ত হয়ে যান তিনিও। কোনওক্রমে তাঁকে উদ্ধার করা হয়।"
    http://www.anandabazar.com/state/bengal-panchayat-election-state-goes-for-additional-day-of-nomination-dgtl-1.790879?ref=hm-ft-stry-1
  • s | ২৪ এপ্রিল ২০১৮ ০৭:৩৫374247
  • ওরা বারবার জিজ্ঞাসা করছিল, কাগজ কই ?

    প্রজ্ঞা সাহা (আকাশ -৮ চ্যানেলের সাংবাদিক )আমার চ্যানেলের তরফ থেকে রিপোর্টিং করতে আলিপুর ডিএম অফিসে গিয়েছিলাম৷ আমার ক্যামেরা বাইরে ছিল৷ খালি হাতেই ভিতরে ঢুকেছিলাম মনোনয়ন প্রক্রিয়া ঠিকমতো চলছে কি না দেখার জন্য৷ হঠাত্ই কয়েক জন দুষ্কৃতী আমাকে ঘেরাও করে৷ ভিড়ের মধ্যে আমাকে হেনস্থা করা হয়৷ মারধরও করা হয়৷ ওরা বারবার বলছিল, আমি নাকি মোবাইলে ভিডিয়ো করেছি৷ তাই আমার মোবাইল ছিনিয়ে নেওয়া হয়৷ আমি বারবার বোঝানোর চেষ্টা করি যে, আমি কিচ্ছু করিনি৷ আপনারা মোবাইল চেক করুন৷ আমার মোবাইলটি ফেরত দিন৷ কিন্ত্ত ওরা কোনও কথাই শুনছিল না৷ প্রচণ্ড ধস্তাধস্তি করে প্রায় চার -পাঁচ জন মিলে আমাকে টানতে টানতে একটি ঘরে নিয়ে যায়৷ সেখানে আমাকে দীর্ঘক্ষণ বসিয়ে রাখা হয়৷ আমি জিজ্ঞাসা করি, আপনারা এতক্ষণ আমায় বসিয়ে রাখছেন কেন ? আমার মোবাইলটি খুলে দেখুন যদি কোনও ভিডিয়ো থাকে এবং মনে হয় তা আপত্তিজনক, আপনারা ডিলিট করে দিন৷ আমি কোনও ভিডিয়ো করিনি৷ তা হলে কেন আমাকে আটকে রেখেছেন এমন ভাবে ? আমার অফিসকে একবার ইনফর্ম করতে দিন, এতক্ষণ এখানে বসে আছি৷ কারও কাছে খবর নেই৷ ওরা আমার কোনও কথাই শোনেনি৷ অশ্রাব্য ভাষায় কথা বলছিল৷ মূলত মহিলারাই এ সব করছিল৷ তারা কারা আমি চিনি না৷ কয়েক জন ছেলেও ছিল ওদের সঙ্গে৷ তারপর আলিপুরের পিছনে কোনও একটা স্লাম কোয়ার্টারের মতো জায়গায় আমাকে নিয়ে গেল ওরা৷ আমাকে একটা ঘরে ঢুকতে বলায়, আমি আপত্তি করি৷ বলি, ঘরে আমি ঢুকব না৷ আপনারা আমাকে রাস্তায় দাঁড় করিয়ে রাখুন৷ কিন্ত্ত, ওরা আমাকে জবরদস্তি ঘরে ঢোকায়৷ বাড়ি বা অফিসের সঙ্গে কোনও রকম যোগাযোগ করতে দেয়নি৷ বারবার ওরা জিজ্ঞাসা করতে থাকে কাগজ কোথায় ? কী কাগজ জমা দিতে এসেছিস ? আমি বলি কী কাগজ জমা দেব ? আমি আমার আই কার্ড দেখাই৷ বারবার বলি, আমি আকাশ বাংলার রিপোর্টার৷ বাইরে বেরিয়ে যদি মুখ খুুলি, আমার পরিবারের ক্ষতি করে দেওয়া হবে এমন হুমকিও দেওয়া হয়৷ পুলিশের কোনও ভূমিকা ছিল না৷ আমাকে খোঁজার বিন্দুমাত্র চেষ্টা পুলিশ দেখায়নি৷ আমি আবার বলি, আমি কী করেছি ? আপনারা আমার গায়ে হাত দিচ্ছেন৷ আমার ফোনটা ফেরত দিন৷ কিন্ত্ত ওরা আমাকে টানা চার ঘণ্টা আটকে রাখে৷ বারবার বলে, জল খাও, এটা -সেটা খাও৷ আমি বলি, না আমি এ সব কিছু খাব না৷ কী মেশানো আছে না আছে ! তারপরে ওরাই আমাকে আলিপুরের পিছন দিয়ে নিয়ে গিয়ে জেলের কাছে একটি পুলিশ ভ্যানে তুলে দেয়৷ সেখানে পুলিশ অফিসাররা ছিলেন৷ তাঁরা আমাকে বললেন, ‘প্রজ্ঞা তুমি তো আমাদের চেনোই৷ কিছু হবে না গাড়িতে ওঠো৷ ’ আমি বলি আমার ফোনটা কোথায় ? তারা আমার ফোনটা দেয়৷ খুলে দেখি ফরম্যাট করা আছে৷ যা নম্বর, যা কনট্যাক্টস ছিল সব মুছে দিয়েছে৷ পু্লিশ ভবানীপুর থানায় নিয়ে যায়৷ তারপর আমি থানা থেকে অফিসে চলে আসি৷ আমি মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত৷ আমি তখন কোনও অভিযোগ না করেই অফিস চলে এসেছিলাম৷ কারণ কী লিখব বুঝতে পারছিলাম না৷ তখনও অফিসের সঙ্গে কথা বলা বাকি৷ আমার আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলা বাকি ...৷ (নিজের চ্যানেলকে দেওয়া ঘটনার বয়ান )
    -----------------------------------------------------------
    নিহত দিলদারের বাবারবয়ান বদল দু’ঘণ্টা পর

    এই সময়, সিউড়ি : দিলদার তুমি কার ? বিজেপির দাবি, দিলদার তাদের৷ অনুব্রত মণ্ডলের বক্তব্য, তাঁরও আগে থেকে দিলদারের পরিবার তৃণমূলের কর্মী৷ সিউড়িতে সংঘর্ষে নিহত শেখ দিলদারের রাজনৈতিক পরিচয় আর গুলিয়ে দিয়েছেন তাঁর বাবা৷ সিউড়ি ১ নম্বর বিডিও অফিসের পাশে বোমা -গুলির লড়াইয়ে ঘটনাস্থলে মৃত্যুর প্রায় সঙ্গে সঙ্গে দিলদারের বাবা তহিদ খানের বক্তব্য পাল্টে যায় দু’ঘণ্টার মধ্যে৷ ছেলের দেহ সিউড়ি হাসপাতালে আনার পর সংবাদ মাধ্যমের ক্যামেরার সামনে তাঁর বক্তব্য শুনেছে রাজ্যবাসী৷ তহিদ তখন কাঁদতে কাঁদতে বলেছিলেন, ‘আমার ছেলে বিজেপি করত৷ আমার আর এক ছেলের স্ত্রী বিজেপির প্রার্থী হয়েছে৷ সেই আক্রোশে তৃণমূলের গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান প্রবীর ধর দাঁড়িয়ে থেকে আমার ছেলেকে গুলি করালো৷ ’শুধু কি দিলদারের বাবা, তাঁর স্ত্রী লুত্ফর বিবিও তখন হাহাকার করতে করতে বলেন, ‘আমার স্বামী বিজেপি করত বলে তৃণমূলের লোকেরা ওকে খুন করে দিল৷ ’ সেই তহিদ খানের বক্তব্যই পাল্টে গেল বিকেলে৷ সিউড়িতে তিনি তখন তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের পাশে বসে৷ সেখানে দিলদারের বাবা বলেন, ‘আমরা তৃণমূলই৷ ’ তাহলে আগে কেন বললেন যে দিলদার বিজেপি করে বলেই খুন হলেন ? তহিদের জবাব, ‘মাথার ঠিক ছিল না৷ বিজেপি নেতারা কানে কানে এসে ছেলে বিজেপি করে বলতে বলেছিলেন৷ তাই বলেছি৷ আমরা আসলে তৃণমূল করি৷ আমার পুত্রবধূ তৃণমূলের হয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিতে যাচ্ছিল৷ ’দিলদারের কথায় সায় দিয়ে অনুব্রত বললেন, ‘তহিদ আর ওঁর বেয়াই আকবর শেখ আমার আগে থেকে তৃণমূল করেন৷ বিজেপি ছেলেটাকে খুন করালো ঝাড়খণ্ড থেকে দুষ্কৃতী এনে৷ ’ তৃণমূল শিবির সূত্রে খবর, হাসপাতালে থাকাকালীনই তহিদের পাশে বসা উজ্বল সিংয়ের কাছে একটি ফোন আসতেই পরিস্থিতি পাল্টাতে থাকে৷ একটি হলুদ -সাদা সুইফট গাড়িতে দিলদারের বাবা ও পরিবারের অন্যদের উঠতে দেখা যায়৷ গাড়িটি দাঁড়ায় তৃণমূলের সিউড়ি দন্তরে৷ উপস্থিত হন তৃণমূলের জেলা নেতারা৷ কথা বলেন দিলদারের পরিবারের সঙ্গে৷ এর পরেই বিপরীত কথা শোনা যায় দিলদারের বাবার মুখে৷ স্ত্রী লুত্ফরের জবানও বদলে যায়৷

    লুত্ফর বলেন, ‘আমরা তৃণমূল করি৷ ’ বিজেপির বীরভূম জেলা সভাপতি রামকৃষ্ণ রায় বলেন, ‘তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা ওঁদের হাসপাতাল থেকে ছিনিয়ে নিয়ে গেল৷ বন্দুক ঠেকিয়ে টাকার লোভ দেখিয়ে ওঁদের কিনে নিল তৃণমূল৷ দিলদার আজকের বিজেপি নন৷ ৫ বছর আগে থেকে উনি বিজেপি করেন৷ ’ বীরভূম৷

    ------------------------------------------
    ভাঙড়ের জমি বাঁচাও কমিটির পক্ষে শমিষ্ঠা চৌধুরী এদিন তাঁদের ১১ জন প্রার্থীর মনোনয়ন জমা দেওয়ার ব্যাপারে সওয়াল করেন বিচারপতি তালুকদারের এজলাসে৷ গত ৯ এপ্রিল বিরোধীদের মনোনয়ন জমা দিতে দেওয়া হচ্ছে না বলে দায়ের মামলায় হাইকোর্ট সকলের সুষ্ঠুভাবে মনোনয়ন জমার ব্যবস্থা করতে কমিশনকে নির্দেশ দিয়েছিল৷ এদিন শর্মিষ্ঠা চৌধুরীর মনোনয়ন জমা না দিতে পারার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কমিশনের কাছে আদালত জানতে চায়, ওই পঞ্চায়েতে আর কত মনোনয়ন জমা পড়েছে৷ কমিশন খোঁজ নিয়ে জানায়, সেখানকার ১৬টি আসনের প্রতিটিতে একটি করে মনোনয়ন জমা পড়েছে৷ ফলে শাসকদলের ছাড়া বিরোধীরা যে কোনও মনোনয়ন দিতে পারেনি তা বুঝেই আদালত ওই ১১ জনের মনোনয়ন জমার ব্যাপারটি নিশ্চিত করতে নির্দেশ দেয় কমিশনকে৷ আদালত থেকে বেরিয়ে ভাঙড়ের জমি কমিটি সমর্থিত নির্দল প্রার্থীরা যান আলিপুরে৷ অভিযোগ, জেলাশাসকের কার্যালয়ের মধ্যেই তাঁদের বেধড়ক মারতে মারতে পুলিশ কোর্টের পিছনে একটি বস্তিতে নিয়ে যায় শতাধিক লোক৷ তাঁদের মধ্যে মহিলাও ছিল৷ প্রত্যেকেই বেধড়ক মারা হয় এবং ব্যাগ, মোবাইল, কাগজপত্র সবই কেড়ে নেওয়া হয়৷ প্রথমে গ্রামবাসীদের ছেড়ে দেওয়া হলেও কমিটির নেত্রী শর্মিষ্ঠা চৌধুরীকে দীর্ঘক্ষণ আটকে রাখা হয়৷ পরে শর্মিষ্ঠা মুক্ত হয়ে আইনজীবী মারফত রাজ্য পুলিশের ডিজির কাছে অভিযোগ করেন৷ এদিন শর্মিষ্ঠা বলেন, ‘আলিপুরে অফিসে পৌঁছতেই শতাধিক গুন্ডা রে রে করে তেড়ে আসেন আমাদের দিকে৷ সবাইকে চ্যাংদোলা করে মারতে মারতে পিছনের বস্তিতে নিয়ে যাওয়া হয়৷ তারপর সেখানে অকথ্য অত্যাচার করে সব কিছু কেড়ে নেন৷ আমাদের মোবাইলের সিম খুলে নেয় ওরা৷ ’ জমি কমিটির সদস্যরা যাতে মনোনয়ন দিতে বাইরে বেরোতে না পারেন, সেজন্য গত কয়েকদিন ধরেই মাছিভাঙা, খামারআইটের রাস্তা অবরুদ্ধ করে রেখেছে আরাবুল বাহিনী৷ জমি কমিটির প্রার্থীরা আগে থেকেই সকলের অলক্ষ্যে গ্রাম থেকে বেরিয়ে বিভিন্ন আত্মীয়ের বাড়িতে গা ঢাকা দিয়েছিলেন৷ সোমবার সকালেই একে একে কলকাতায় মিলিত হয়ে শর্মিষ্ঠা চৌধুরীর নেতৃত্বে আলিপুর গিয়েছিলেন৷
    -------------------------------------
    বেধড়ক মারে পা ভাঙল প্রাক্তন সভাধিপতি অন্তরা ভট্টাচার্যের

    সমীর মণ্ডল ■ মেদিনীপুরবিরোধীশূন্য করতে মরিয়া শাসকদল৷ আর যেন তেন প্রকারেণ মনোনয়ন দিতে চেয়েছিল বিরোধীরা৷ গন্ডগোল -মারধরে উত্তন্ত হল পশ্চিম মেদিনীপুর৷ পিংলায় আক্রান্ত হলেন বিজেপি নেত্রী তথা প্রাক্তন সভাধিপতি অন্তরা ভট্টাচার্য৷ মেরে তাঁর পা ভেঙে দেওয়া হয়৷ মাথায় চোট লাগায় রাতে তাঁকে ডেবরা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল থেকে কলকাতায় স্থানান্তরিত করা হয়েছে৷ তিনি ছাড়াও ৬ বিজেপি কর্মীকে তৃণমূলের কর্মীরা অপহরণ করে বলে অভিযোগ৷ পুলিশের সাহায্যে দু’ঘণ্টা পর ৪ জনকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে ডেবরা হাসপাতালে ভতি র্‌করা হয়৷ রাত পর্যন্ত নিখোঁজ দুই বিজেপি কর্মী৷ এই ঘটনায় শাসকদলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ করেছে বিজেপি৷
    ---------------------------------------------
    কর্মীরা যথেষ্টই নিয়ন্ত্রণে, দাবি করলেন পার্থ

    এই সময় : শুধু পাশে দাঁড়ানোই নয়, রাজ্যজুড়ে তৃণমূল কর্মীদের সংযমের তারিফ করলেন দলের শীর্ষ নেতৃত্ব৷ তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় সোমবার দাবি করেন, মনোনয়ন পর্বে তাঁদের পাঁচজন সহকর্মী খুন হওয়ার পরও কর্মীরা যথেষ্ট নিয়ন্ত্রণ দেখিয়েছেন৷ গণতন্ত্র রক্ষা করতে গিয়েই তাঁদের কর্মীরা খুন হয়েছেন বলেও মন্তব্য করেছেন দলের প্রধান মুখপাত্র৷ দলকে ক্লিনচিট দেওয়ার পাশাপাশি বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষকে যাবতীয় অশান্তির জন্য কাঠগড়ায় তুলেছে শাসকদল৷ মনোনয়নের শেষ দিনের আগে রবিবার বনগাঁয় উস্কানিমূলক মন্তব্য করে দিলীপই হিংসার বাতাবরণ তৈরি করেছেন বলে অভিযোগ পার্থর৷ তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কমিশনে চিঠিও দিয়েছে শাসকদল৷ এ দিন তৃণমূল ভবনের সাংবাদিক বৈঠকে শীর্ষ নেতৃত্বকে প্রশ্ন করা হয়েছিল শেষ দিনেও দল কী কর্মীদের উপর রাশ টানতে পারল না ? দলের মহাসচিবের জবাব, ‘পার্টি কীসের রাশ টানবে ? পার্টিকর্মীরা খুন হচ্ছেন৷ তাঁরা মৃত্যুমুখে পতিত হচ্ছেন৷ তারপরও তাঁরা যথেষ্ট নিয়ন্ত্রণ দেখাচ্ছেন৷ ’
    ---------------------------------------------
    ekhan yo ki samai hay ni 356 jari karAr.
  • T | ২৪ এপ্রিল ২০১৮ ০৯:৫৯374248
  • ৩৫৬ দাবী করা বিরোধীদের কাছে চাপের, কারণ সেটা জারি হলেও রাণীমা হেসে খেলে জিতবেন। উলটে তখন আরো বাদ্যি বাজবে যে কিরে অ্যাত কিছু করেও তো পাল্লি না ইত্যাদি। মনে হয় রাণীমা সেটাই চান।
  • sm | ২৪ এপ্রিল ২০১৮ ১০:০৪374249
  • বামাশা, কি চেপে রাখা যায় রে, বাপ্পা! ওঠিক বেরিয়ে পড়তে চাই বেই।
  • PT | ২৪ এপ্রিল ২০১৮ ১০:১৪374251
  • ৩৫৬ এক্কেবারে নয়। প্রতি ভোটেই যেন এই রণক্ষেত্রের ছবি দেখতে পায় সারা দেশ। সেটা অনেক বেশী কাজের হবে। তবে বলা যায় না, শুধু তিনোদের বাঁচানোর জন্যেই দিল্লী ৩৫৬ জারী করলেও করতে পারে।
  • | ২৪ এপ্রিল ২০১৮ ১০:২১374252
  • ৩৫৬ নিয়ে তো মমব্যান ভ্যা ভ্যা করত।

    অqঅমার মতেই রক্তাক্ত ছবিগুলো এই চরম নোংরা হিন্স্র অরাজকতা সার্কুলেট হতে থাকুক। এ জিনিষ মানুষ বেশীদিন সহ্য করে না। হঠাৎই একদিন পায়ের নীচ থেকে মাটি সরে যায়।
  • sm | ২৪ এপ্রিল ২০১৮ ১০:৩৩374253
  • হিংসার রাজনীতি যে দল ই ফলো করবে;তার পরাজয় অনিবার্য।
    তিনো দের প্রথম কর্তব্য হওয়া উচিত শান্তি পূর্ণ ভাবে ভোট দান সম্পন্ন করা।
    বর্তমান সরকার পঞ্চায়েত লেভেল এ অনেক ভালো কাজ করেছে। সুতরাং এমনিতেই জিতবে। ফালতু হিংসার রাজনীতিতে যাবে কেন?
    রাম নবমীর অস্ত্র মিছিল অনেকেই ভাল চোখে দেখে নি। সুতরাং পাল্টা কিছু করতে যাওয়ার দরকার কি?
    বরঞ্চ বিরোধীদের বাজে কাজগুলোর বিরুদ্ধে জোরালো প্রচার করলেই, জয় অবশ্যম্ভাবী।
    আর একটা প্রয়োজনীয় কাজ হলো, শুদ্ধিকরণ। যারা আগের সরকারের আমলে দুষ্কৃতিকারী ছিল, তাদের চিনহিত করা ও দল থেকে বহিস্কার করা।
  • PT | ২৪ এপ্রিল ২০১৮ ১০:৪৪374254
  • "বর্তমান সরকার পঞ্চায়েত লেভেল এ অনেক ভালো কাজ করেছে। সুতরাং এমনিতেই জিতবে। ফালতু হিংসার রাজনীতিতে যাবে কেন?"
    তাহলে এত হিংসা কেন? কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যাবে?

    "যারা আগের সরকারের আমলে দুষ্কৃতিকারী ছিল, তাদের চিনহিত করা ও দল থেকে বহিস্কার করা।"
    কিন্তু এই আমলের দুষ্কৃতীরা? যারা ক্যামেরার সামনে টাকা নিচ্ছে, ঘরে ছেলে ঢুকিয়ে রেপ করিয়ে দেবে বলছে অথবা নিছক অক্সিজেনের অভাবে কি করছে নিজেও জানেনা-তাদের কি হবে?
  • sm | ২৪ এপ্রিল ২০১৮ ১১:২৭374255
  • আপনি কিছু নাম করলেন।এবার আমি যদি মজিদ মাস্টার, তপন শুকুর,লক্ষণ, সুশান্ত কিছু নাম করি কি হবে। লিস্টি বাড়তেই থাকবে।
    আর ঘটনার কথা যদি বলেন; হেঁ হেঁ..মরিচ ঝাঁপি থেকে শুরু করতে হয়।
  • PT | ২৪ এপ্রিল ২০১৮ ১১:৩৩374256
  • তা করতেই পারেন। কিন্তু ওখানে থামলেন কেন? পিছিয়ে ৭০-এর দশক, তার আগে ১৯৫৯-এ ৮০ জনের হত্যা কিংবা তারও আগে নোয়াখালীর দাঙ্গা ইত্যাদি পেড়িয়েও চলে যাওয়া যেতে পারে। তাতে হয়্ত যথেষ্ট শাক জোগাড় করা যাবে তিনোদের পচা মাছ ঢাকা দেওয়ার জন্য কিন্তু "তাহলে এত হিংসা কেন? কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যাবে?" এই সব প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যাবে না।
  • sm | ২৪ এপ্রিল ২০১৮ ১১:৪৩374257
  • দেখুন, আপনি তিনো দের জায়গায়, যেকোন দল কে ক্ষমতায় আনতে পারেন।
    আমার খালি বাম দল গুলোতে আপত্তি আছে। কারণ এদের অপকীর্তির গন্ধ এতই প্রবল, যে শাক দিয়েও, ঢাকা যাবে না।
    এবার আপনিই বলে ফেলুন, কাদের ক্ষমতায় আনবেন বা রাখবেন?
  • PT | ২৪ এপ্রিল ২০১৮ ১১:৪৯374258
  • তার আগে, দেখুন আপনার নিজের করা এই প্রশ্নটার উত্তর দিতে পারেন কিনাঃ
    "বর্তমান সরকার পঞ্চায়েত লেভেল এ অনেক ভালো কাজ করেছে। সুতরাং এমনিতেই জিতবে। ফালতু হিংসার রাজনীতিতে যাবে কেন?"
  • sm | ২৪ এপ্রিল ২০১৮ ১১:৫২374259
  • না, এটার উত্তর পাই নি। এক হতে পারে নিচু তলায় নিয়ন্ত্রণ কমেছে।
    দুই, আগের আমলের দুষ্কৃতী বেশি ঢুকেছে।
    তিন, অন্য কোন গভীর কারণ আছে।
  • lcm | ২৪ এপ্রিল ২০১৮ ১১:৫৫374260
  • সেদিন তিলেদা-র সঙ্গে হোয়াটস্‌অ্যাপ-এ কথা হল।
    তিলেদা বলল - দ্যাখ বিজেপি আসবেই, আজ না হলে কাল।
    আমি বললাম - সেকি ওস্তাদ, তুমি এত নিশ্চিতভাবে বলছ কি করে।
    তিলেদা বিশেষজ্ঞর মতন জবাব দিল - দ্যাখ, তিনো আর সিপিএম তো একই বিন্তে দুটি ফুল, ভাইভাই, মানে একই ফরমূলা আর কি। লোকে পোকিতো পরিবত্তন চায়, সে জন্নো বিজেপি আসবে মামা, কিছু করার নেই।
  • S | ২৪ এপ্রিল ২০১৮ ১২:৩৯374263
  • তিনো ম্যাডাম ভয় পেয়েছেন। উনি জানেন যে বিজেপির গুন্ডামির কাছে উনি খুকি। দাঙ্গা লাগাতে ওদের একবার হাত কাঁপে না। বিজেপি যদি একবার বোঝে যে জেতার সম্ভাবনা আছে তাহলে দিদির ঘুম কেড়ে নেবে। তাই যেন তেন প্রকরেণ ক্ষমতা ধরে রাখতে চাইছেন। দেখা যাক।
  • sm | ২৪ এপ্রিল ২০১৮ ১৩:০৭374264
  • রাজনীতি করতে এসে;এবং ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় কেউ ভয় পায়?বিজেপির সেই সংগঠন ই নেই।
    তিনো মুলের ভয়, বিক্ষুব্ধ তিনো।
    ঠিক যেমন সিপিএম এর সময় বিক্ষুব্ধ সিপিএমরা গন্ডগোল লাগাতো।
    এই বিক্ষুব্ধ জনতা ও বামেদের আমলে তৈরি হওয়া কিছু সুবিধাবাদী লোক বিজেপি কে মদত দেবে।
    তলে তলে, বামেরাও দেবে।
    এমতবস্থায়,নিজের দলের লোকজন কে কন্ট্রোল করাই প্রায়োরিটি।
  • S | ২৪ এপ্রিল ২০১৮ ১৩:০৮374265
  • বিজেপির হাতে কেন্দ্রিয় সরকার আছে। সিবিআই আছে। ঐটুকুই যথেষ্ট দিদি আর তার ভাইদের জন্য।
  • PM | ২৪ এপ্রিল ২০১৮ ১৩:২৫374266
  • পঃবঃ কবে বিহারের মোতো ভদ্র সভ্য হবে? হায়
  • h | ২৪ এপ্রিল ২০১৮ ১৩:৫১374267
  • বাসুদেব আচারিয়া বিক্ষুব্ধ তৃণমূল ঃ-)
  • h | ২৪ এপ্রিল ২০১৮ ১৩:৫৪374268
  • কেষ্ট আগের আমলের দুষ্কৃতি ঃ-))))))))
  • Ekak | ২৪ এপ্রিল ২০১৮ ১৪:২৬374269
  • (প্রত্যক্ষ প্রমান নেই, জাস্ট হিসেব থেকে বলছি)

    মমতার কাছে খবর অাচে যে সিপুএম ও ভাগ না পাওআ ত্রিনোমুলিরা পালে পালে বিজেপি তে ভোট দেওআর চক্কোরে আছে।

    সেটা সত্তি হলে বিপুল চাপ আছে তাই খাল খুলে ক্যালাচ্চে।

    এটা ফুল্লি এসাম্পশন ছাড়া কিস্যু না। তবে বেস টা হলো সিপুএম কখনো বিজেপিকে ভোট দিতে পারেনা এই বালের তাত্বিক অবোস্থানে সাব্সক্রাইব করিনা। ভোটার র মানুষ এবঙ্গ চুড়ান্ত হতাশ হয়ে ও মমতার সাম্নে দান্রাতে না পাড়ার গ্লানি থেকে শত্রুর বিরুদ্ধে শত্রুকে লেলিয়ে দেওআ অস্চোর্জ্যের কিছু নয়।
  • sm | ২৪ এপ্রিল ২০১৮ ১৪:২৭374270
  • কেন্দ্র সরকারের হাতে সি বি আই কাল ও ছিলো, আজ ও আছে, ভবিষ্যতেও থাকবে।কংগ্রেস আমলে এতো স্ক্যাম হয়েছে। মোদী সরকার কিছু করেছে বা কিছু স্টেপ নিতে পারে বলে মনে হয়।?
    কারণ, কাল হয়তো কংগ্রেস ক্ষমতায় আসতে পারে। তারা কি তখন ছেড়ে দেবে?
    বাম আমলে কজন কংগ্রেস এর মন্ত্রী শাস্ত্রী শাস্তি পেয়েছিলো বা তিনো আমলে কজন বাম?এ খেলার নাম রাজনীতি রে বাপ্পা!
    খালি লালুর মতন দু এক জন শাস্তি পেয়েছে।এরকম অন্তত ডজন খানেক, সি বি আই মামলা ঝুলে আছে বা অগ্রসর হয় নি।
  • PT | ২৪ এপ্রিল ২০১৮ ১৪:৪১374271
  • ক্যামেরার সামনে টাকা নিলে সেটা প্রমাণ করা অনেক বেশী সহজ। কিন্তু সেটা নিয়ে সিবিআই কেন অগ্রসর হচ্ছে না সেটাই বিচার্য বিষয়।

    তিনো আমলে কোন মন্ত্রীদের শাস্তি পাওয়ার কথা ভাবছেন? CBI বুদ্ধবাবুকে নন্দীগ্রাম ঘটনা থেকে বিযুক্ত করেছে। আর টাকাকড়ি যাদি কেউ লুঠে থাকে তাহলে সেটা তার হাতঘড়ি (মেয়রেরটার দাম ২২ লক্ষ) ইত্যাদিতে প্রতিভাত হবে। এমনকি মজিদ মাস্টার যে বাড়িটায় থাকে (কয়েকদিন আগে আবাপ দেখাল) সেটায় তিনোদের কোন ছোট লেভলের নেতাও হাগু-মুতু করতে যাবে না। অনেক খেটেখুটে সুর্যবাবুর স্ত্রীর নামে একটা ৪০০০০ টাকার মামলা দেখনো গেছে।
    সুশান্ত ঘোষ জামিনে মুক্ত। কোথাও পড়লাম যেন যে কংকাল কান্ডে নাকি মামলা দাঁড়াবেও না আর তাপসী মালিককে আসলে কে মেরেছে তাই নিয়ে কল্লোলদা, সুজাত ভদ্র এমনকি তিনোদের কারো কোন উৎসাহ নেই। শুধু বেচারাম তাপসীর বাবার মনোনয়ন পেশ করা আটকানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

    তাই বলছি যে ঝোপঝাড় না পিটিয়ে প্রকৃত অপরাধীদের তালিকাটা প্রকাশ করুন।
  • dc | ২৪ এপ্রিল ২০১৮ ১৪:৪৯374272
  • মদনদাও জামিনে মুক্ত।
  • sm | ২৪ এপ্রিল ২০১৮ ১৪:৫০374274
  • প্রকৃত অপরাধীর তালিকা আপনি বার করুন। যতক্ষণ না আদালতে প্রমাণিত হচ্ছে, আমি কোন ব্যক্তিকে দোষী ভাবী না।
    আপনি পূর্বানুমান করে নেন। সেটা আপনার পুরনো বদ অভ্যেস।
    আপনি যতোই শাক দিয়ে মাছ ঢাকুন, পচা গন্ধ এড়াতে পারবেন না।
    কারণ, বাম আমলে অনেক ঘটনা ঘটেছিল। আমি লিস্ট দিতে চাই না।কিন্তু ঘটনা গুলো ঘটেছিল, এটা কিন্তু সত্যি।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভেবেচিন্তে মতামত দিন