এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • সর্ষেবাটা মোচাবাটা চিতলের মুইঠ্যা ইত্যাদি ইত্যাদি (৩)

    Abhyuday Mandal
    অন্যান্য | ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১০ | ১১২৩৫৫ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • . | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১৭:১২433584
  • হ্যাঁ, ডুমুর। খুব ভালো। আমি ইউজুয়ালি ওটা ফুলের ফর্মে খাই।
  • Rajdeep | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১৭:১৩433585
  • সুকুমার তো আদপে বাঙাল, তাই নুচির কথা লজ্জায় মতান্তরে হিংসায় লিখতে পারে নি ;-)

    সবার সেরা পাউরুটি আর ঝোলাগুড় লিখেই খান্ত দিল
  • san | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১৭:১৮433586
  • হ্যাঁ, নারকোল দিয়ে কচুবাটা। আর ইলিশের মাথা ( নেহাৎ না হলে ছোলা নার্কোল) দিয়ে কচুর্শাক। এই দুটোই আমি গতবছর প্রথম খেয়েছি। কী ভাল, কী ভাল।
  • Rajdeep | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১৭:২১433587
  • ইতিহাসে বাঙালদের একমাত্র অবদান

    ইলিশমাথা দিয়ে কচুশাক
  • Arpan | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১৭:২৭433588
  • হ্যা হ্যা হ্যা।

    যেগুলোয় ক দেবার ছিল:

    সিফোঁর পোস্ট @ 04:59 PM

    ফুটকিবাবুর পোস্ট @ 05:05 PM
  • Arpan | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১৭:৩৪433589
  • ডেলিকেসি ব্যপারটা ঘট্‌সদের ঠিক আসে না। একতাল ময়দা, একতাল আলু আর একতাল ছানা। ব্যস। ফলার শেষ। :-)
  • Manish | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১৭:৪৪433591
  • মাখোমাখো করে ইলিশের মাথা দিয়ে কচুর লতি, সম্পূর্ন অন্য জগতের রান্না।
  • Rajdeep | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১৭:৪৪433590
  • খানাখন্দে আদড়েপাদাড়ে গজানো অখাদ্য-কুখাদ্য যাদের র মেটেরিয়াল - তাদের মুখে ডেলিক্যাসি !!!
  • Manish | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১৮:০০433592
  • লাউয়ের খোসা যেটা ফেলে দেওয়া হয় সেটা ফালিফালি করে কেটে, কাঁচালঙ্কা কালোজিরে দিয়ে বটি চচ্চরি।
    বুড়ো লাউয়ের দানা সরষে কাচালংকার সাথে বেটে একটু সেঁতলে নিয়ে ভাতের সাথে মেখে খাওয়া।
    আলুর খোসা একটু মোটা করে কেটে পোস্তো ছিটিয়ে কাচালংকা সহযোগে ভেজে নেওয়া।
    কচি ফুলকপির নরম ডাটা ফালি ফালি করে কেটে আলু,কুমড়োর সাথে সর্ষে বাটা দিয়ে চচ্চরি।
    হেরেই কয় ডেলিক্যাসি
  • Manish | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১৮:০৫433594
  • আর একটা
    খারকুন পাতা বাটা
  • Arpan | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১৮:৩৬433595
  • আরে, মনীশকে একটা বড় থ্যাংকু দিলাম। এইগুলির কথা মনে করে দেবার জন্য।

    আরো একটা ডেলিকেসির কথা লিখি। কাঁঠালের বিচির ডাল। ইলিশের মাথা হলে তো কথাই নেই। চিংড়ি দিয়েও অপূর্ব।
  • kd | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ২২:৩৮433596
  • ছি: ছি:, ছ্যা! সুজ্জো মোদক ছেড়ে নকুড়! কোনো মানে হয়! কী যে করা যায় এই ভুঁইফোড়দের নিয়ে। :(
  • Du | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ২২:৪৮433597
  • আহা কাঠালবিচির ডাল ! পিয়ুরসালা দেখে মনে পড়লো খোসাছাড়ানো সীমবীচি দিয়ে কইমাছ একটা হয় সেও অতি সুখাদ্য। হয় কি আর? হত এককালে।
  • Shuchismita | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ০৫:১৭433598
  • খারকুন পাতা? আমরা বলতাম খারকোল পাতা। অবশ্য নামে কি যায় আসে! আর স্বাদটাও ভুলে গেছি।

    মানকচু বাটার কথা মনে পড়ে যায়। সরষে-কাঁচালঙ্কা-নারকেল কোরা দিয়ে বাটা। পরিমান মত নুন-মিষ্টি। কে বলে বাঙালরা মিষ্টি খায় না! আর হবে না কখনো। দিদা চলে গেল গত বছর!
  • Shuchismita | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ০৫:১৯433599
  • কেডি একদম ঠিক বলেছেন :)
  • m | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ০৫:৫৮433600
  • শুচিস্মিতা,
    আমি কাঠবাঙাল।
    কচুবাটার সব উপকরণ এক্কেবারে আমাদের বাড়ির মত-তবে মাইনাস চিনি:))
    আর কোলকাতায় দেখা হলে অন্য বাঙাল খাবারের সঙ্গে কচুবাটার নেমন্তন্ন রইলো।
  • Shuchismita | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ০৭:২১433601
  • বাহ! গুরুতে এলে কি সুন্দর কচুবাটার নেমন্তন্ন পাওয়া যায় :)

    বাঙাল খাবারের অথেন্টিসিটি বড় সূক্ষ্ম তাঙ্কিÄক বিষয়। ছোটোবেলায় ধারনা ছিল মাছের ঝোলে পেঁয়াজ দেওয়াটা ঘটিবাড়ির কালচার। আমার ঠাকুমা, বাবার দিকের সব আত্মীয়স্বজনের রেসিপিতে সর্বদা পেঁয়াজের আধিক্য থাকত। আর আমিও সেসব রান্নায় মুখ ভ্যাটকাতাম আর ঘটিরা কবে রাঁধতে শিখবে সেই চিন্তায় আকুল হতাম। বিয়ের পর দেখি আমার শাশুড়ীঠাকুরন পারলে ঢ্যাঁড়শও ভাজেন পেঁয়াজ দিয়ে। আর তিনি নাকি খাস কুমিল্লার কন্যে। তেনার কোন ফোড়নের সাথেই আমর ফোড়ন মেলে না। আর রান্নায় মিষ্টি তিনিও দেন। সেই থেকে আমি ঘটি-বাঙাল লড়াইতে ক্ষান্ত দিয়েছি। জগতে দুই প্রকার রান্না হয় - অখাদ্য আর সুখাদ্য। জীবনে কখনো ভাবিনি মুগের ডালে পেঁয়াজ পড়তে পারে। শাশুড়ীর হাতের সেই পেঁয়াজ দেওয়া বাদশাহী মুগের ডালই চেটেপুটে খেয়েছি। ঠাকুমার হাতের দুধভাত পায়েস খেয়ে খেয়ে জানতাম জগতে চালের পায়েস হয় তিন প্রকার - গুড়ের পায়েস, চিনির পায়েস আর ঘটিবাড়ির পায়েস। বড় হয়ে এক ঘটি বন্ধুর বাড়িতে নেহাত দায়ে পড়ে পায়েস খেতে হল। অত ভালো পায়েস খুব কম খেয়েছি। এইসব ঘটি-বাঙাল ট্যাগ বড় কনফিউজিং!!
  • Manish | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১০:৫০433602
  • আরে ঘটি-বাঙাল ট্যাগ আছে বলেই তো এতো সুন্দর খাবারের রেসিপী পাওয়া যাচ্ছে।আমি তো এই ঘটি-বাঙালের ঝগড়াতে বেশ মজা পাই। যদিও আমি পাড় বাঙাল হয়েও মোহনবাগানের সমর্থক।
  • Jhiki | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১২:১৯433603
  • পায়েস দুই প্রকার, কিপটেমি করে বানানো পায়েস, আর উদার হয়ে বানানো পায়েস। দুধ-চালের অনুপাতটাই পায়েসের আসল ফ্যাকটর। তার সাথে পর্যাপ্ত পরিমানে কাজু-কিসমিস আর নলেন-গুড়/ বা চিনি স্বাদ অনুযায়ী।
    যারা জীবনেও পায়েস বানাননি তাদের জন্য ছোট্ট করে রেসিপি দিচ্ছি গ্র্যারান্টী সহকারে, পুড়িয়ে না ফেললে এই পায়েস আপনার হিট হবেই!
    এক লিটার ফুল ক্রীম দুধ জ্বালে বসিয়ে দিন, পাত্রের তলাটা পুরু হলে ভালো হয়। এক মুঠো (সাধারন বাঙালী মেয়ের মুঠো, পুরুষেরা করলে এক মুঠোর ও কম) গোবিন্দভোগ চাল ধুয়ে গরম হতে থাকা দুধের মধ্যে দিয়ে দিন, ভালো করে নাড়িয়ে নিন। ২/৩টে তেজপাতা ওতে দিয়ে দিন আর আঁচ কমিয়ে দিয়ে গুরু পড়তে চলে আসুন। এর পর মাঝে মঝে গিয়ে খালি চেক করে অসুন, যাতে তলা টা না ধরে যায়। চিনির পায়েস করলে চিনিটা দ্বিতীয়বার চেক করার সময় মিশিয়ে দিন। আমি সাধারনত ফুটন্ত পায়েস থেকে এক হাতা গরম দুধ তুলে নিয়ে তাতে নলেন গুড় (গুড়ের পায়েস এর ক্ষেত্রে) কাজু, কিসমিস ভিজিয়ে রাখি, তবে এটা অপশনাল। এইভাবে যখন দেখবেন চাল সেদ্ধ হয়ে উপরের দিয়ে দেখা যাচ্ছে, তখন বুঝবেন পায়েস রেডি, আঁচ নিভিয়ে গুড়, কাজু, কিসমিস মিশিয়ে দিন। পাত্রে ঢাকা দিয়ে ঠান্ডা হতে দিন।
    আমি ছোটবেলা থেকে ভাবতাম পায়েস রাঁধা অতি বড় রাঁধুনীর কাজ, কারণ আমার মা এর বনানো পায়েসের দারুণ সুখ্যাতি ছিল। পাছে আমি বানালে তা মায়ের তুলনায় খুব ই খারাপ হবে তাই কোনদিন পায়েস try করতাম না। দিল্লীতে থাকাকালীন আমার এক কলেজতুতো দিদি-কাম-কলীগ আমার কথা শুনে আমাকে এইভাবে পায়েস বানানো শেখায়, আমি এখনও জানিনা আমার মা ঠিক কিভাবে পায়েস বানান, তবে আমার বানান পায়েস স্বাদে-গন্ধে একই রকম হয়!
  • de | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১৬:২৩433606
  • কচুবাটা শুনে জিভে জল চলে এলো, উল্‌স!

    ঝিকির পায়েসে এট্টা টিপ্স, অনেক সময় দুধে গুড় মেশালে কেটে যায়, তাই আগে একটু চিনি মিশিয়ে তারপরে গুড় মেশালে, দুধ কাটার সম্ভাবনা এক্কেবারে নেই!

    আচ্ছা, পায়েসে মিষ্টি দেওয়া নিয়ে ঘটি-বাঙাল নেই? কারা বেশী মিষ্টি খায়?
  • kichu ektaa | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১৭:৩৪433607
  • d এর বাটার চিকেনের রেসিপির link টা কেউ দেবেন pls ?
  • raatri | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১৮:০০433608
  • তোমরা কেউ কাঁঠালবিচি সেদ্ধ নারকেল,কাঁচা লংকা দিয়ে বাটা খাও নাই??অমেত্তো!!অমেত্তো!!
  • Shuchismita | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১৮:১৩433609
  • চিনির পায়েস বানালে তাতে চিনির সাথে একটু বাতাসা দ্যান। মিষ্টিতে একটা সুষমা আসবে।

    রাত্রির কথা শুনেই ফস করে মনে পড়ে গেল অমৃতমান (দিদা বলত অমত্তমান) পাতার কথা। জিনিসটা খেয়েছি, কিন্তু এতো আগে খেয়েছি যে একটুও মনে পড়ছে না কেমন খেতে।
  • Arpan | ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ০০:১৪433610
  • ইয়েস। রাত্রিদি। পেলেই খাই!
  • SC | ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ০৬:৪০433611
  • ছোটবেলায় মফস্বলের পাইস হোটেলে এক প্রকারের ঝুড়ি ঝুড়ি আলুভাজা পাওয়া যেতো।
    সঙ্গে গরম ভাত আর বড় একটা মাছের পিস।
    এ হলো আম্রিক্কানরা যারে কয় কমফর্ট ফুড।
    সেই ঝুড়ি ঝুড়ি আলুভাজার রেসিপি কেউ জানলে এট্টু দেবেন?
    ডিপ ফ্রাই এমনিতে এড়িয়ে চলি, কিন্তু এ লোভ সামলানো যাচ্ছে না।
  • SC | ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ০৬:৪১433612
  • * ঝুরি ঝুরি।
  • Shuchismita | ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ০৮:২১433613
  • খুব সোজা। আলু খুব সরু করে কেটে নিন। গ্রেটার ব্যবহার করতে পারেন - ওতে খুব পাতলা হবে। তারপর আসল ট্রিক। খুব ভালো ভাবে ধুতে হবে কাটা আলুকে - যাতে আলুর নিজস্ব রস আর একটুও না থাকে। আলুর রস লেগে থাকলে ভাজার সময় মন্ড পাকিয়ে যাবে। এবার আর কি! কড়ায় অনেকটা তেল নিয়ে সোনালী করে ভেজে তুলুন। ভাজার সময় তেলে নুন দেবেন অথবা ভাজা হয়ে গেলে ওপরে বিট নুন ছড়িয়ে দেবেন। কাঁচা আলুতে নুন মাখানোর প্রয়োজন নেই। তাহলেই ক্রিসপি হবে।
  • . | ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১০:০৩433614
  • এই রেসিপিটা আমিও জানি। অনেক অনেক আলু কিনুন। সেগুলোর খোসা ছাড়িয়ে ছোটো ছোটো করে কাটুন। গোল, চৌকো, ত্রিভুজ -যেভাবে খুশি। একটু নুন মাখিয়ে ছাঁকা তেলে ভেজে নিন। এইবারই আসল কায়দাটা। আগে থেকেই বাজার থেকে অনেক ঝুড়ি কিনে রাখতে হবে। আলু ভাজা হবে আর সেগুলো ঝুড়িতে তুলে তুলে রাখবেন। পরিবেশন করুন- ঝুড়ি ঝুড়ি আলুভাজা।
  • . | ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১০:০৫433615
  • (স্বগত: অলপ্পেয়ে চোকের মাতা খেয়েচে! জল্‌জল্‌ করা তারাটা চোকেও পল্লো না গো!)
  • tkn | ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১২:৩৩433617
  • জল্‌জল্‌ তারা??
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লড়াকু মতামত দিন