এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • jhiki | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ০৮:৪৪211919
  • ভেরি মাচ কন, কান এঁটো করা হাসিওলা ছবিও আছে।
    তবে হাসিটা প্রফেশনাল কিনা সে ব্যাপারে কবি নীরব।
  • Ishan | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ০৮:৪৪211920
  • ঝিকি আসায় আরেকটা গপ্পো মনে পড়ল। (ঠান্ডা লেগে জ্বর হওয়ায় আমি বেশ ঝিম মারা গপ্পোদাদু হয়ে গেছি।)

    বিইকলেজে গোড়ায় ছিল দুটো মেয়েদের হস্টেল। পরে হল একটা। একটু বড়ো-সড়ো করে। চারতলা বানিয়ে। তারপর হল কি, সেই হলের চারদিকে কাঁটাতারের বেড়া বসে গেল। গার্ডরুম বসল। আর দশটার মধ্যে ঢুকে পড়ার নিয়ম হল। তাতে আমি খুবই রেগে গিয়েছিলাম। মানে আমার কোনো স্বার্থ ছিল এমন না, কিন্তু রক্ত গরম, আমরা যদি সারারাত বাইরে কাটাতে পারি, তো মেয়েরা কেন পারবেনা। এই নিয়ে ছেলেদের মধ্যে আমি প্রচুর লেকচার দিয়ে ফেললাম। বিপ্লব হয় হয় আর কি। হতে গিয়েও হানা, একটিই কারণে, দু-তিনটি মেয়ের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, তাদের কোনো কমপ্লেনই নেই এই নিয়ে। শুনে তো আমি হাঁ। এরকম বলে কেন? তো, আমার তাতেও এগোনোর ইচ্ছে ছিল, কিন্তু বিই কলেজে ফ্রি মিক্সিং এর অবস্থা তখন এতই খারাপ, যে, আমি রোজ চেনা হাপচেনা মেয়েদের সঙ্গে বিপ্লবের ছুতোয় পান্ডিয়া দেখা করতে যাচ্ছি শুনলে লোকে প্যাঁক দিয়ে প্যান্টুল খুলে দিত। প্যাঁকের ভয়ে আর এগোলাম না। বিপ্লবই মাঠে মারা গেল।

    গপ্পোটা মনে পড়ল একটাই কারণে। কোনটা যে সিকিউরিটি আর কী যে লিবারেশন, তখনও বুঝিনি, এখনও নির্ঘাত বুঝিনা।

    (ব্যাপারটা ভুলেই গিয়েছিলাম, ঝিকি এবার একটু আলোকপাত করুক)।
  • Ishan | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ০৮:৩৫211918
  • অ্যাঁ? শুইয়ে রেখেছিল মানে কী? কন না নন-কন? :-)
  • Ishan | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ০৮:৩৪211917
  • রিদ্ধি কিছু কমিয়ে বলল। পুজোর সময় আমাদেরই বন্ধুবান্ধবদের ভিড়ের মধ্যে ঢুকে পড়তে দেখেছি, কনুই চালাবে বলে। আজকে কতজনকে বধ করলাম, সে এক ভারি বীরত্বের ব্যাপার ছিল। তাতে যৌনতা কম, অ্যাডভেঞ্চার বেশি। হলিউডি টলিউডি জাপানি জার্মান কোনো সিনেমায় কেউ কাউক্কে ভিড়ে কনুই মারতে শিখিয়েছে বলে দেখিনি। ও একেবারেই জনতার নিজস্ব প্রকল্প। এখানে যদি কোনো কালচারের প্রভাব থেকে থাকে তো নবারুণীয় অন্তর্ঘাত (যা তখনও লিপিবদ্ধ হয়নি)।
  • jhiki | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ০৮:৩২211916
  • আইটেম ধরণের নাচগান বারকয়েক চাক্ষুষ করার সুযোগ(!) হয়েছে। সিনেমায় যা দেখায়, বাস্তবে অনেক পুরুষ তার চেয়েও বিকৃত আচরণ করে, আর সেই পুরুষেরা বলিউডি সিনেমা দ্বারা অনুপ্রাণিত দেশীও নয়!!!
    একটা পার্টিতে মেয়েটাকে নিয়ে আক্ষরিক ভাবে কয়েকজন পুরুষ লোফালুফি করছিল এবং গ্রুপ ফোটো তোলার সময় সামনের সারিতে তিনজন বসে, মেয়েটাকে কোলের ওপর শুইয়ে রেখেছিল।
  • sosen | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ০৮:২৫211915
  • একটিই কালচার তো নেই। সেরম ট্রাইবাল কাল্চারে হয়। আর সাজেশনটা সমাজেরই, শিল্প তো মাধ্যমমাত্র। অন্য কালচারের গ্রহণযোগ্যতা বাড়ানো ই হয়তো উপায়।
  • riddhi | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ০৮:২৩211914
  • ক্রস-কালচার মানে? আমার আর ভাইদের কথা বলতে পারি, আমাদের ক্রস-ক্রিস কোন কালচারি ছিল না। এখনো নেই। হুলিয়ে হিন্দি সিনেমা, পানু দেখেছি। একবার উত্তাল মাল খেয়ে "যেতে নাহি দিব' বলা ছাড়া নন-কন কিছু করিনি।
    বিদেশ স্বদেশ কোন কিছুরি কোন প্রভাব নেই। একবার সুলেখাদির ওপর হেবি রাগ হওয়ায় ওনার গু*কে বিষাক্ত বলেছিলাম, ব্যাস। ওটা ছাড়া লাইফের সব খিস্তিই ছেলেদের উদ্দেশ্যে। সেক্সিসম কি বস্তু জানার পর বা*দ কম, বাবা*দা বেশী বলি। মানে, একটা সচেতন প্রয়াস করি। আর কত ভাল হব? রবীনা ট্যান্দন কে এখনো ভাল লাগে, দেশে রেপ বাড়ছে বলে 'টিপ টিপ বরসা পানি' দেখা বন্ধ করতে পারলুম না।
  • Ishan | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ০৮:১৩211913
  • সমাজে যদি একটিই কালচার থাকে, যা ট্রেন্ড হিসেবে বলে দিচ্ছে, যে, খোলামেলা পোশাক বা নগ্নতা ধর্ষণের ট্রিগার, তাহলে সিনেমা কেন, রাস্তাঘাটে মিনিস্কার্ট পরা মেয়ে দেখলেও সেটা ধর্ষণের ট্রিগার হতে পারে। এবং এক্ষেত্রে ডিকটেশনটা(যদি ডিকটেশন আছে ধরেই নিই) সমাজের, সিনেমার নয়। সমাজ ডিকটেট করছে, খোলা শরীর মাত্রেই ধর্ষণযোগ্য।

    সেক্ষেত্রে ট্রিগার বন্ধ করতে গেলে, হয় সমাজের ডিকটেশন বন্ধ করতে হবে, অথবা শর্টকাট নিলে বলিউডি নৃত্য বন্ধ করতে হবে, মেয়েদের পোশাকে বিধিনিষেধ আরোপ করতে হবে (কারণ সবই ট্রিগার), মানে এক কথায় চরম রক্ষণশীলরা যে কথা বলে থাকেন।
  • sch | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ০৮:০৫211912
  • একটাই করা যায় লোক জনকে ভালো ভাবে বুঝিয়ে দেওয়া যায় যে -
    সিনেমাটা একটা কল্পজগৎ - ওর সাথে বাস্তবের সম্বন্ধ নেই। এখানে যা যা হয় সেগুলো বাস্তবে করতে গেলে ব্যাপক ক্যাল খাবে।
  • sosen | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ০৭:২১211911
  • তবে পিনাকীদা ও পাইয়ের শেষের দিকের বাক্যালাপ পড়ে কোনদিকে ঝুকবো বুঝতে পারছি না। ক্রিটিসিজম যেমন দরকার, শিল্পমাধ্যমের ও ব্যক্তিমানুষের প্রকাশের অধিকারও আছে একশোবার। ব্যান করা যায় না। কি করা যায়, ক্রস কালচারের ইন্ট্রোডাকশন হয়তো।
  • sosen | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ০৭:০১211910
  • নগ্নতা যৌন উত্তেজনাকে ট্রিগার বাস্তবজীবনে করতেও পারে, নাও করতে পারে। কিন্তু ট্রেন্ড যখন বলে দেয় যে ওটি ট্রিগার, তখন ব্যাপারটা গোলমেলে। আর যে সমাজে ওটিকে নিউট্রালাইজ করার মত দ্বিতীয় বা তৃতীয় কালচার নেই, সেখানে আরো গোলমেলে। সিরিয়াল ও সিনেমায় বহু-শাস কাল্চারও এইরকমি।
    তবে বহুবিধ সামাজিক কারণের মধ্যে এটি একটি কারণ মাত্র, এরকমই মনে হয়।
  • sosen | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ০৬:৪৪211909
  • রাত্রের আলোচনা পড়লাম। পিনাকীদা মূল পয়েন্টটি স্পষ্ট করেই বলেছেন। আমার প্রশ্ন মেয়েদের পোর্ট্রে করা নিয়ে যতটা, তার চেয়েও বেশি পুরুষদের পোর্ট্রে করা নিয়ে। আর অনেকেই দেখলাম বলেছেন, কই, আমরা তো প্রভাবিত হইনি।হইনি তার কারণ আমাদের ক্রস-কালচারও ছিল।মাইক্রোলেভেলে পপুলার কাল্চার দিয়ে আমরা সকলেই প্রভাবিত হই। ভারতীয় বিশাল সমাজের অনেকটা বলিউডি ট্রেন্ড দিয়ে নিয়ন্ত্রিত। পোশাক আশাকের ট্রেন্ড যদি মানতে পারা যায়, ব্যবহারগত ট্রেন্ড কেন মানা যাবে না।
  • aka | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ০৬:০৫211908
  • ১ ঘন্টা প্লেনে উঠে বসে আছি। প্লেনের বাথরুম নাকি জমে গেছে। মিনিয়াপোলিশের ঠান্ডায়।
  • শুভ্রয্যোতি | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ০৩:০৯211907
  • তাহলে আমাইয় বলুন নারী দুর্বল এটা ধরে নিয়ে কি সেগ্রেডেশান তৈরী হয়নি, যেন পুরুষ হলেই পরিস্কার শৌচাগার বা সুরক্ষার প্রয়োজন নেই। কিন্তু আর শারীরিক ভাবে ছেলেমেিয়ে সকলেরই কিছু বৈশিষ্ট আছে এবং একে নিয়ে ব্যবসায়ে নামলে পুঁজিও আছে, সেটা হওয়াটাও স্বাভাবিক। এতে তো কোনো ভয়াবহ দেশ রসাতলে গেল, মেয়েরা রেপ হয়ে গেল দেখলাম না। মেয়েরা ছোটো কাপড় পড়ে অ্যাড করলে রেপ হয়ে গেলে কন্ডমের অ্যাড দেখে দেশে বাচ্চা হওয়া বন্ধ হয়ে যাবে।
  • pinaki | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ০৩:০২211905
  • না না ঘুমাই, গুন্নাইট।
  • pinaki | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ০৩:০২211906
  • সিনেমায় সংখ্যালঘু, দলিতদের ডেরোগেটরি রিপ্রেজেন্টেশন হলেও ক্রিটিসিজিমের মানে নেই। রেসিস্ট বক্তব্য থাকলেও ক্রিটিসাইজ করা যাবে না, ইত্যাদি, ইত্যাদি।
  • pinaki | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ০২:৫৮211904
  • সেভাবে দেখলে তো কোনোকিছু নিয়েই ক্রিটিসিজমের মানে নেই।
  • ঈশান | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ০২:৫৪211903
  • শুভ্রজ্যোতি, আইডিয়ালি ঢিকই বলেছেন তো। ওই জন্যই শারীরিক ভাবে অসমর্থদের, বৃদ্ধদের জন্য আলাদা রকম ব্যবস্থা থাকে। তবে সব মিলিয়ে ব্যাপারটা আলাদা করে দেবার দিকে এগুলে মুশকিল। কারণ, প্রথমতঃ ট্রেনে বাসে বক্সিং এর মতো সত্তর কেজি, ষাট কেজি, পঞ্চাশ কেজির শ্রেণীবিভাজন করা তো কঠিন, ঢাকের দায়ে মনসা বিকোবে। দ্বিতীয়তঃ এতে করে একটা সেগ্রিগেশন তৈরি হবে। যেন গায়েজ্জোর থাকলে আরামের প্রয়োজন নেই, ইত্যাদি। তার চেয়ে সকলেই যাতে মোটামুটি আরামে এবং একসাথে চলতে পারে, সেটা দেখা উচিত।

    শৌচাগার, পিতা বা মাতা হবার ছুটি, ধর্ষণের অধিকার, সব ক্ষেত্রেই এটা প্রযোজ্য।
  • π | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ০২:৫৩211901
  • একমাত্রিক হলেই বা ক্রিটিসিজম আসবেই কেন ? শিল্পের কি দায় পড়েছেই বাস্তবকে ডিট্টো পয়েন্ট বাই পয়েন্ট প্রোজেক্ট করার ?
    আর তাছাড়াও, বাস্তব ও অনেক সময় একমাত্রিক হয় তো। শিল্প তাকেও তুলে ধরতে পারে।
  • pinaki | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ০২:৫৩211902
  • কিন্তু এবার ঘুমোবো। পরে হবে।
  • ঈশান | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ০২:৫১211900
  • ওদিকে পাইয়ের পয়েন্টও ভ্যালিড। শিল্প খামোখা কেন সবকিছুর রিপ্রেসেন্টেটিভ হবার দায় নেবে? এই যে ভাটে গান হল, বাবুল মোরা, কস্মিন কালেও সেটা আমাদের রিয়েলিটি না। কিন্তু গাইতে কী কোনো অসুবিধে হল, না দুঃখ পেতে?
  • subhrajyoti | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ০২:৪৯211899
  • নারী পুরুষ অসম, সত্যিই শারীরিক ভাবে নারী পুরুষ অসম, তবে সেই দিক দিয়ে দেখলে সব পুরুষ সমান নয়, সব নারীও সমান নয়, এবন যদি আপনি করেন নারী পুরুষ ভেদাভেদ ্তবে আমি করবো সবল দুর্বল ভেদাভেদ। তাহলে এবার ট্রেনে সবল আর দুর্বল কামরা আলাদা করা উচিৎ, দুর্বল স্পেশাল ট্রেন চালানো উচিৎ অফিস টাইমে। কিন্তু সেটা করলে যে স্বীকার করতে হবে যে হ্যাঁ আমি দুর্বল আর সেটা করতেই তো যত সমস্যা। রেপ মানে কি??
  • ঈশান | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ০২:৪৮211897
  • ওই যাঃ। কমবেশির ব্যাপার না। পুরুষেরও আলাদা কিছু অধিকার থাকা প্রয়োজন তো। যেমন বাবা হবার ছুটি। যেমন ধর্ষিত এবং অ্যাবিউজড হবার অধিকার (এগুলো ভারতীয় আইনে স্বীকৃত নয়) এবং শিক্ষা। এগুলো পুরুষদের জাস্ট নেই। এমনকি অভাববোধটাও নেই। রি-এনফোর্সমেন্ট এতই তীব্র।
  • pinaki | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ০২:৪৮211898
  • আমি রেপের সাথে খুব একটা রিলেট করাচ্ছি না। ক্রিটিসিজম অর্থেই বলছি।
  • ঈশান | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ০২:৪৫211895
  • এগুলো ক্রিটিসিজমের অংশ। মানে আজকের বাংলা সিনেমা নিয়ে এই একই সমালোচনা আমারও আছে। দেখলেই মনে হয়, সব শালা বাঙালি ইংরিজি মিশিয়ে কথা বলে, মেয়েরা জামা কেনে ফ্যাবিন্ডিয়া থেকে, ফার্নিচার মানেই ডিজাইনার, আর চায়ের দোকান উঠে গিয়ে সবাই সিসিডিতে কফি খায়। মাছ-মিষ্টি-মোর হোক, কী এই পরশু যেটা দেখলাম, সায়েব-বিবি-গ্যাংস্টার, সবেতেই তাই।

    সমালোচনা ঠিকই আছে। কিন্তু প্রশ্ন হল, এই সিনেমাগুলো কি জীবপচর্যাকে বদলে দেবার ক্ষমতা রাখে? এই দেখে দলে দলে কফি খেতে সিসিডি দৌড়চ্ছে? লোকে অতো গাম্বাট নয়। চায়ের দোকানে ভিড় ঠিকই গজগজ করছে। বন্ধু বা বান্ধবীকে নিয়ে নিভৃতে বসার সময় লোকে আবার সিসিডি যাচ্ছে। মেয়েদের কেসটাও তাই। লোকে সিনেমা দেখছে ঠিকই, কিন্তু গিলছে না। সিনেমা দেখে লোকে সুড়সুড়ি খাচ্ছে ঠিকই, কিন্তু ওইটা রেপ ট্রিগার করেনা। মানে গ্রসলি করেনা।
  • π | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ০২:৪৫211896
  • সেকথা বললে আরো প্রশ্ন এসে যাবে। শিল্প কি সবসময় যা উচিত, তাকেই দেখাবে, নাকি যা বাস্তব, তাকেও দেখাবে ? শিল্পের কি সবসময় পঃকাঃ থাকার দায় আছে ইঃ প্রঃ।
  • pinaki | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ০২:৪০211894
  • আগেরটা পাইকে।

    ঈশানকে,

    ঠিকই তো। তা শারীরিকভাবে পুরুষরা কিছু সুবিধে পেয়ে রয়েছে, এবার সেটাকে কালচার দিয়ে আরো রিইনফোর্স করা মানে তো মেয়েদের আরো ভালনারেবল করে তোলা।
  • Ekak | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ০২:৩৯211893
  • একটা নোংরা থিওরি আছে। প্রোস্তিতিউশোন থেকে শুরু করে সেক্স এস আ কম্পিটিটিভ নেচার কিভাবে আসতে আসতে সোসাইটি থেকে প্রান্তিক হয়ে গ্যালো। গে ল্য পাস হয়েছিল রাজার পরকীয় সামলাতে জানো নিশ্চই। তার ই সোশাল ভার্সন। এন্তর্তেইন্মেন্ত গার্ল বল, হুরী পরি যাইহোক এরা বেসিক্যালি গৃহবধু দের ত্রাস। পৃথিবীর সর্বর্ত্র না হলেও ভারতে অন্তত যৌনশিক্ষা থেকে কলা শিক্ষা পুরোটাই এনারা ধারণ করতেন এবং শ্রেষ্ঠী থেকে একটু মধ্যবিত্ত থেকে ওপরে ওঠা মানুষ মানেই এই জগত টার সঙ্গে সম্পৃক্ত। এই একটা পয়েন্টে মেয়েদের স্বার্থের দুনিয়া আসতে আসতে ভাগ হতে থাকে। আসতে আসতে অর্থনৈতিক চালচিত্র বদলে যায়। ছোট পরিবার। সন্তান। বউ এর চোখের সামনে সর্বক্ষণ। তারপর আরও। ওদিকে হুইগ রা থাকে না। এদিকে বাবু রা শেষ। গৃহবধু সম্প্রদায় এবার পুরোটা গিলে নেন। এর সঙ্গে সেক্সুয়াল কম্পিটিশন ব্যাপারটার ও পর্দা পরে যায়।
  • pinaki | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ০২:৩৬211892
  • না, সবক্ষেত্রেই নয় নিশ্চয়ই। যদি দেখা যায় ইরোটিকা বা যৌনতা বিষয়ক সাহিত্যেও পাওয়ার প্লে টা মোটামুটি একমাত্রিক, যা অনেকক্ষেত্রেই সত্যিও, সেগুলোকে মাথায় তুলে নাচার কোনো কারণ আছে বলে তো মনে হয় না। যেকোনো একমাত্রিক, রিডাক্শানিস্ট রিপ্রেজেন্টেশনকে কালচারাল প্লেনে অপোজ করার প্রয়োজন রয়েছে বই কি। সমাজে একটা পাওয়ারের অসাম্য রয়েছে, আর আমি সিনেমায় এমন জিনিস দেখাতে থাকলাম, যা ঐ অসাম্যকেই আরো ফীড করতে থাকল। সেটাকে অপোজ করব না?

    এটাতো অন্য ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। সমাজে আর্থনৈতিক অসাম্য আছে। এবার দেখা গেল সিনেমাতে সবসময় চরিত্র বলতে সুপার এলিট লোকজনকেই মূলতঃ দেখানো হতে লাগল, তাদের ল্যাভিশ জীবনযাপন, তাদের মাত্রাতিরিক্ত ভোগ, এগুলৈ একমাত্র বিষয়। পাওয়ারের অসাম্যকে দেখানো হচ্ছে এলিটের চোখ দিয়ে, গরীব মানুষকে দেখানো হচ্ছে উদ্যোগহীন, অলস হিসেবে, যেভাবে এলিট দেখতে চায়। তা এই পোর্ট্রেয়াল যখন চালু ক্ষমতার অসাম্যকে ফীড করছে তখন তাকে অপোজ করব, নাকি করব না? নাকি বলব যে 'গরীবকে অলস দেখানো হয়েছে মানে তার অন্য সত্ত্বাগুলোকে খর্ব করা হয়েছে মনে করছ কেন?'
  • ঈশান | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ০২:৩১211891
  • নারী আর পুরুষ তো অসমই। শরীরের প্রশ্নে, গঠনের প্রশ্নে। রাধিকার জল আনতে যাওয়া শরীরি বিভঙ্গ কি আর কেষ্টা ব্যাটা (আমাদের কেষ্টা নয়)র হলে মানাত?

    এমনকি মেয়েদের সমানাধিকারের দাবীটাও অতি ভুলভাল। মেয়েদের কনট্রাসেপশনের অধিকার চাই, পরিচ্ছন্ন শৌচাগারের অধিক প্রয়োজন। শারীরিক জোরের বিরুদ্ধে অধিক প্রোটেকশন প্রয়োজন। ইত্যাদি ইত্যাদি। এর কোনোটাই পুরুষের ততটা বা একেবারেই প্রয়োজন নেই। অন্যদিকে পুরুষের অন্যরকম কিছু অধিকার চাই। উভয়ের সুষম অধিকার চাই বলা যেতে পারে, সমান মর্যাদা চাই ও বলা যেতে পারে, কিন্তু সমানাধিকার? একেবারেই না।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত