এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  নাটক

  • হীরকের রানী ভগবান (৪)

    s
    নাটক | ২৩ মে ২০১৬ | ১৩১৪৫০ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • T | ২৩ মার্চ ২০১৭ ১০:৪৩711629
  • কবিতা লেখেন না তো? সেফটি হিসেবে মাঝে মাঝে গোমাতার ছবি পোস্ট করতে পারেন।
  • dc | ২৩ মার্চ ২০১৭ ১০:৪৬711630
  • ওবাবা কবিতা আজ অবধি পড়েই দেখিনি, তার আবার লেখা! ছবি টবিও পোস্ট করার দরকার নেই, কে কোথায় ঘুরে দাঁড়ায় কে বলতে পারে!
  • Pi | ২৩ মার্চ ২০১৭ ১০:৪৮711631
  • পরিমল ভট্টাচার্যের লেখা।

    ্‌্‌্‌

    একদিন আগেও যে বিষয়টা বেশ কিছুটা খিল্লির পর্যায়ে ছিল, তেমনটা আর রইল না। জামিন-অযোগ্য ধারায় মামলা রুজু হয়েছে। সমাজটাকে এখনও যতটা সুস্থ আর সুবুদ্ধিময় বলে ভাবি আমরা কিছু মানুষ, ভাবতে চাই, সেই ভাবনার গালে আরেকটি সপাটে থাপ্পড়।

    আশা করা যাক এক্ষেত্রে বিশেষ কিছুই হবে না, হাজতের কম্বল কিম্বা শৌচালয়ের মগ নিয়ে ছন্দ মিলিয়ে কবিতা লিখতে হবে না কবিকে। হয়তো বা স্থানীয় রাজনীতির চাপে পড়ে যে কেস দেওয়া হয়েছে, রাজ্য রাজনীতির চোখ মটকানিতে তাতে ধামাচাপা পড়বে।

    পুলিশের খাতায় কেস এক ধরণের বিষ আগাছা, সেই আগাছা রোপণ করা হল একজন নাগরিকের নামে, একটি কবিতা লেখার অপরাধে। আমাদের বিচারব্যবস্থার যে বিচিত্র শম্বূকগতি, এবং পরিস্থিতি যা, তাতে এই ধরণের মামলা দ্রুত নিস্পত্তি ঘটবে, বিচারক সংশ্লিষ্ট পুলিশকে ডেকে ভৎসনা করবেন, মামলা তুলে নেওয়া হবে, এমনটা না হওয়াই দস্তুর। খুব সম্ভব ধামাচাপা পড়ে যাবে। সেই ধামার নীচে থেকে যাবে আগাছার বিষাক্ত শিকড়বাকড়। প্রয়োজনে যে কোনো সময় তাকে জল হাওয়া দিয়ে বাঁচিয়ে তোলা যেতেই পারে। তখন দিনের পর দিন, মাসের পর মাস কোর্ট-ঘর করতে হবে অভিযুক্তকে। কৌঁসুলি, হিয়ারিং, অ্যাপিল, ব্রিফ, শমন, রুলিং। ।।

    এমন দু-তিনজন ভুক্তভুগিকে চিনি, তাঁদের মধ্যে একজন বিশিষ্টও আছেন। মুশকিল হল, যত বিশিষ্টই হোক না কেন কেউ, দিনের পর দিন মাসের পর মাস মিডিয়ার পাদপ্রদীপ থাকে না। তারপরেও হিয়ারিং-এর ডেট পড়লে কোর্টে যেতে হয়। সেই কোর্টটা যদি হয় দূরের কোনো শহরে (এক্ষেত্রে যেমন) তাহলে নিরাপত্তার প্রশ্নটাও এসে পড়ে। এক্ষেত্রে মানুষটির স্বাভাবিক জীবনযাত্রা কাজকর্ম কীভাবে দফারফা হয়, সেটা হয়তো অনুমান করা যায়। তাঁর পরিবারের লোকেদের কী অবস্থার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়, আর্থিকভাবে কী ধরণের চাপ পড়ে, তার আন্দাজ সহজে পাওয়া যায় না। ধরে নেওয়া যাক যদি তেমন কিছু নাও ঘটে, যদি কেস ধামাচাপা পড়েও যায়, তাহলেও সম্ভাব্য হেনস্থার বিভীষিকা তার বিষাক্ত ছায়া ফেলে তাঁদের আগামী দিনগুলোয়। জীবনটাই বদলে যায়।

    আর এই ব্যাপারটা খুব ভাল করেই জানে মৌলবাদীরা। ইটপাটকেল নিয়ে শুটিং-এর সেটে ঢুকে ভাঙচুর কিম্বা প্রদর্শনীতে ছবির ক্যানভাস ফালাফালা করার থেকেও ঢের বেশি মোক্ষম মামলা ঠুকে দেওয়া, কিম্বা পুলিশ দিয়ে ‘কেস খাইয়ে দেওয়া’। হ্যাপা নেই, খরচাও কম। এর ফলে মুষ্টিমেয় কিছু লোকজন প্রতিবাদ-টতিবাদ করবে, মিছিল-টিছিল করবে। তা করুক না, এতে করে প্রায় নিখরচায় একটি প্রান্তিক সংগঠন এবং দু-চারটি মুখ বিখ্যাত হয়ে উঠবে, তাদের জমি তৈরি হবে। কিন্তু মিছিল টক শো আর কদিন? তারপর একা একা কোর্টে দৌড়তে হবে না বাছাধনকে? কিম্বা সেই সম্ভাবনায় বিনিদ্র রাত কাটাতে হবে না? আর বেছে বেছে মামলাও ঠোকা হবে দূরের কোনো ছোট শহরের এজলাসে, যেখানে মিডিয়ার ওবি ভ্যান যায় না। ছুটিয়ে মারতে হবে অভিযুক্তকে। যদি সে লেখক হয় ইতিমধ্যে তার কলমের কালি জমাট বেঁধে যাবে, সৃজনকোষ কপালে উঠে যাবে বাপধনের।

    আর এইভাবে একজন মানুষ ও তাঁর পরিবারের, তাঁর একশো হাজার অনুরাগী কিম্বা তাঁর মতো ভাষানগরের বাসিন্দা মুক্তচিন্তার হাজার হাজার মানুষের মনের শান্তি কেড়ে নিতে পারে, তাঁদের ভাবনার আকাশকে বিষিয়ে দিতে পারে একজন এক্সওয়াইজেড, একটি এবিসিডি শহরের থানায় গিয়ে, একটি ফুলস্কেপ কাগজে তিন টাকার ডটপেন দিয়ে একটি ভুলে ভরা অভিযোগ দাখিল করে।

    এর প্রতিরোধ কীভাবে? মারের বদলা মার? আমি জানি না।

    কিন্তু যে দেশে পাতা ঝরার মতো আত্মহত্যা করে চাষি আর আদিবাসী পত্রকারের যোনিতে পাথর ভরে ছেড়ে দেওয়া হয়, সে দেশে ‘সম্মান’-এর মতো বায়বীয় বিষয় নিয়ে কোটি কোটি টাকার মানহানির মামলা হয়, তার বিচারও হয়। সে দেশে একজনের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবাবেগহানির অভিযোগ আমার শান্তি সুস্থিরতা কেড়ে নিয়েছে, আমার মুক্তচিন্তার আকাশকে বিষিয়ে দিয়েছে, আমার সম্ভাব্য বাকস্বাধীনতায় লাগাম পরিয়েছে - এই মর্মে যদি কয়েকশো মানুষ অভিযোগ দাখিল করে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে কয়েকশো থানায়? যদি কাঁথি থেকে বারাসাত সদর মহকুমা আদালতে মামলা দায়ের হয়?

    বেশ কিছুকাল হল প্রকাশ্য সভায় নেতার মুখে কালি ছেটানোর জুতো ছোঁড়ার খবর আর শোনা যায় না, প্রতিবাদীকে পুলিশের হাতে তুলে দেবার বা ছেড়ে দেবার আগে একটু উত্তমমধ্যম দেবার স্ট্র্যাটেজি শুরু হবার পর থেকেই কি? মারের বদলা মার? আমি জানি না।

    আইন কী বলে? মাত্রাবৃত্ত ছেড়ে বরং আইন পাঠ হোক কিছুকাল। এই ধরণের হেনস্থার শিকার মুক্তচিন্তার মানুষকে আইনি সাহায্য দেবার জন্য একটি তহবিল তৈরি হোক। আর বাকস্বাধীনতা নিয়ে প্রতিবাদগুলো আরেকটু প্রোৎসাহী হোক, সোম্বচ্ছরের হোক।

    কেন জয়পুর লিটফেস্ট-এর সময় অরুন্ধতী রায়কে নাগপুর আদালতে ছুটতে হয় সাইবাবার পাশে থাকার জন্য, আর এই নিয়ে একটি শব্দও উচ্চারিত হয় না, এই নিয়ে চর্চা হোক; কেন তসলিমা বিতাড়িত, কেন বইমেলায় রুশদি ব্রাত্য হলেন এবং তাঁকে মিথ্যাবাদী দেগে দিলেন গিল্ডের কর্তা, এই নিয়ে বরং আলোচনাসভা হোক পরের বইমেলায়। আর সম্ভব হলে, প্যাভিলিয়ানগুলো পানসারে, কালবুর্গী আর দাভোলকারের নামে হোক। তাঁদের রচনা বাংলায় অনুবাদের ব্যবস্থা হোক।

    এসব হোক, অথবা অন্য কিছু। না হলে বাকস্বাধীনতা নিয়ে আমাদের প্রতিবাদগুলো বড়ই সুগন্ধি আর আল্ট্রা-থিন হয়ে যাবে, ফর্দাফাই হয়ে যাবে ইস্পাতের ফলায়। তার কারণ ফলা ক্রমশ ধারালো হয়ে উঠছে, তাতে শান দেবার শব্দ শোনা যাচ্ছে ঘরে বাইরে।
  • dc | ২৩ মার্চ ২০১৭ ১১:০৫711632
  • "আমাদের বিচারব্যবস্থার যে বিচিত্র শম্বূকগতি, এবং পরিস্থিতি যা, তাতে এই ধরণের মামলা দ্রুত নিস্পত্তি ঘটবে, বিচারক সংশ্লিষ্ট পুলিশকে ডেকে ভৎসনা করবেন, মামলা তুলে নেওয়া হবে, এমনটা না হওয়াই দস্তুর। খুব সম্ভব ধামাচাপা পড়ে যাবে। সেই ধামার নীচে থেকে যাবে আগাছার বিষাক্ত শিকড়বাকড়। প্রয়োজনে যে কোনো সময় তাকে জল হাওয়া দিয়ে বাঁচিয়ে তোলা যেতেই পারে। তখন দিনের পর দিন, মাসের পর মাস কোর্ট-ঘর করতে হবে অভিযুক্তকে। কৌঁসুলি, হিয়ারিং, অ্যাপিল, ব্রিফ, শমন, রুলিং "

    এক্স্যাক্টলি। এ ছাড়াও থাকে প্রত্যেকবার কোর্ট হিয়ারিং এর সময়ে উকিলকে ফি দেওয়া, পাঁচশো-হাজার। বছরের পর বছর এই হাজিরা দিয়ে যেতে হয়।
  • চহার মগজ শিকন | ২৩ মার্চ ২০১৭ ১১:২১711633
  • তার কারণ বিচারক-উকিল-পুলিশ-মুহুরী - এইটা একটা নেক্সাস। একেবারে ওপর থেকেই এই নেক্সাস রয়েছে। খাও, অওর খানে দো।
  • dc | ২৩ মার্চ ২০১৭ ১১:২৩711634
  • ঠিক। কোন কারনে একবার মামলার খপ্পরে পড়ে গেলে সহজে ছাড়া পাওয়া যায় না।
  • ebela | ২৩ মার্চ ২০১৭ ১১:৩৯711635
  • http://ebela.in/state/non-bailable-case-filed-against-srijato-1.584497?ref=hm-new-stry
    এদিকে, ওই বিতর্কিত কবিতাটি নিয়ে এদিন রাতে ফেসবুকেই শ্রীজাতকে ‘ধিক্কার’ জানিয়ে একটি লেখা পোস্ট করেছেন কলকাতা পুরসভার মেয়র পারিষদ অতীন ঘোষ। সেখানে তাঁর বক্তব্য, একটি ধর্মের বিশ্বাসে আঘাত করেছেন শ্রীজাত। পাশাপাশি তাঁর প্রশ্ন, এজন্য তাঁর কি শাস্তি হওয়া উচিত নয়। পরে এ ব্যাপারে ফোনে যোগাযোগ করা হলে অতীন বলেন, ‘‘ফেসবুকে আমিই লিখেছি। ওটা আমারই বক্তব্য। শ্রীজাত ধর্মের মেরুকরণ করতে চাইছেন। আমি তাঁর শাস্তি চাইছি।’’
  • cm | ২৩ মার্চ ২০১৭ ১১:৪০711636
  • "আর 'পশ্চিমবঙ্গে কং নেই, সিপিয়েম নেই, বিজেপিই নাকি আসল বিরোধী' এই বালের প্রচারটা আসলে প্রচারই।" ধন্যবাদ। এটা বেশ স্পষ্ট করে বলার দরকার। যতবার প্রচ্ছন্ন প্রচার চলবে ততবার।
  • S | ২৩ মার্চ ২০১৭ ১১:৫১711637
  • একটা টেকো, বেঁটে, রুগ্ন, পাতি দেখতে কবির কয়েক ছত্র কবিতা পড়ে এদের সবার এই হাল (আরো অনেক খারাপ কথা লিখতে ইচ্ছে করছে, কোনোমতে নিজেকে সামলালাম)। এরা করবে দেশোদ্ধার। সব কাপুরুষের দল।
  • pi | ২৪ মার্চ ২০১৭ ০৯:২১711639
  • এই সময় কি এবার গেরুয়া ধরতে চলেছে নাকি ?

  • চহার মগজ শিকন | ২৪ মার্চ ২০১৭ ০৯:২৭711641
  • টাইমস অফ ইন্ডিয়া গ্রুপের কাগজের পক্ষে সেটাই স্বাভাবিক। আর এই ভদ্রলোক তো...যাকগে।
  • pi | ২৪ মার্চ ২০১৭ ০৯:৩৩711642
  • আচ্ছা, আগের পোস্ট যেটা ঘুরছে, তাতে পুরো আসেনি।

    এটা পুরোটাঃ
    "গতকাল লিখেছিলাম শ্রী জাতর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ শিলিগুড়ি পুলিশ গ্রাহ্যের মধ্যে আনছেনা! আজ এখন জানতে পারলাম সেই মত বদলে ফেলে তারা কবির বিরুদ্ধে ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করার জন্য জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা রুজু করেছে! শুনে আমি ক্রুদ্ধ ও স্তম্ভিত! কোনও শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষের পক্ষে এটা মেনে নেওয়া সম্ভব নয়। আমিও নিচ্ছিনা!
    এ কথা ঠিক ধর্মনিরপেক্ষতা এদেশে এখন সংখ্যালঘু তোষণের নামান্তর হয়ে উঠেছে। সেজন্যই গোটা দেশ জুড়েই এখন বিজেপির এত বোলবোলা, সব তথাকথিত সেকুলার দলগুলি নিক্ষিপ্ত হচ্ছে ইতিহাসের আস্তাকুঁডে।
    এ কথাও ঠিক আমাদের কাব্যে সাহিত্যে সংস্কৃতি চর্চায় হিন্দু দেবদেবীদের নিয়ে মস্করা করে পার পেয়ে যাওয়া যায়। ধর্মনিরপেক্ষতার অভিমুখ কেবল একটি ধর্মের দিকেই ঘোরানো থাকবে কেন সেই প্রশ্নটিও সঙ্গত।
    বাম জমানায় এই কলকাতা থেকে তসলিমাকে যখন মোল্লাদের তোয়াজ করতে ঘাড ধাক্কা দিয়ে তাডিয়ে দেওয়া হযেছিল একটি ধর্মনিরপেক্ষ বিবেককেও জাগ্রত হতে দেখিনি! তসলিমার বেলায় নীরবতা, শ্রীজাতর বেলায় উদ্বেলতা এই দ্বিচারিতার মধ্যে লুকিয়ে আছে আসলে নপুংসকতা যেটার কেতাবী নাম হয়েছে ছেকুলারিজম!
    রুখে যদি দাঁডাতে হয়, তাহলে ভাল মৌলবাদ আর খারাপ মৌলবাদের মধ্যে তারতম্য বিধান করলে চলবেনা! একদল সম্পর্কে নীরব থেকে অন্যদল সম্পর্কে গলাবাজি করলে পাটকেল খেতেই হবে! ভারত আর নেহরু-গান্ধির দেশ নেই এটা বিস্মৃত না হওয়াটাই মঙ্গলের!
    তবু কবিতার বিরুদ্ধে পুলিশি ব্যবস্থা নেওয়া হলে আমি সেটা মানব না, কেননা এটা হবে সভ্যতার অপমান! থানার বডবাবু কবিতার মূল্যায়ন করতে বসবেন এটা ভাল কার্টুনের বিষয় হতে পারে মাত্র! এটা পশ্চিমবঙ্গ। এখানকার একজন কবিই একদা ঊর্দিধ্বারীদের দেখে লিখেছিলেন," পুলিশ, কবিকে দেখলে তুই টুপিটা খুলিস!"
  • Ekak | ২৪ মার্চ ২০১৭ ১১:১৬711643
  • খী মুশ্কিল। ধর্ম ব্যাপর্টাই তো মাথার পোকা। সেকুলারিজ্ম মানে আই এম টেকিঙ্গ কেয়ার ওফ মাই ওয়োর্মস। ইউ টেক কেয়ার ওব ইওর্স। হিন্দু ধর্মে খিল্লি জায়েজ তাই খিল্লি হোবে। ইস্লামে জায়েজ নয় তাই হবেনা। সিম্পল

    ইস্লামিস্ট দের পোকা হিন্দুদের শোরীরে ঢুকেছে বোলে ওদের মোতো কোরে ভাব্ছে।
  • PT | ২৪ মার্চ ২০১৭ ১১:২৩711644
  • যাক, বাঁচা গেল।
    তসলিমাকে তাড়ানো বা ফের ডেকে না আনাটা জাস্টিফায়েড হয়ে গেল।
  • dc | ২৪ মার্চ ২০১৭ ১১:২৬711645
  • উফ পিটিদা যে রেটে সিপিএমকে ট্রোল করে, অবিশ্বাস্য :d
  • PT | ২৪ মার্চ ২০১৭ ১১:৩১711646
  • কেন, কেন? আরে বাবা তিনো বা তোনোব্যথীরাও তো তসলিমাকে ডেকে অনেনি। তার ওপরে শ্রীজাত তো জানালেন যে তিনি রোলের দোকান নন যে তাঁকে সব ভ্যারাইটির রোল বিক্কিরি করতে হবে......দোষ শুধু আমারই!!
  • S | ২৪ মার্চ ২০১৭ ১৩:০৭711647
  • সেকুলারিজমের প্রথম রুলঃ মাইনরিটিদের সুরক্ষা; সেইটাকে কেউ তোল্লাই বললে সে সেকুলারিজমের কিছুই বোঝেনা।
  • একক | ২৪ মার্চ ২০১৭ ১৩:২৫711648
  • অবস্যই। কিন্তু এখানে একটা প্রশ্ন। সারা ভারতের পাঁচমিশেলি হিন্দু ধর্মের তুলনায় গোবলয়ের শুদ্ধ হিন্দুত্ব কি মাইনরিটি নয় ? বা সারা পৃথিবীর ইসলামের তুলনায় সালাফিস্ট রা কি মাইনরিটি নয়। তাহলে কী আমরা সেকুলার হিন্দু হিসেবে গোবলয়কে ও সেকুলার মুসলিম হিসেবে সালাফিস্ট দের সুরক্ষা দেব ?
  • S | ২৪ মার্চ ২০১৭ ১৩:৩৯711650
  • যদিও বড্ড তাত্ত্বিক আলোচোনা (এইমুহুর্তে এই আলোচোনার দরকার আছে বলে আমার মনে হয়না)ঃ

    "তাহলে কী আমরা সেকুলার হিন্দু হিসেবে গোবলয়কে ও সেকুলার মুসলিম হিসেবে সালাফিস্ট দের সুরক্ষা দেব ?"

    কার/দের/কিসের থেকে সুরক্ষা?
  • Ekak | ২৪ মার্চ ২০১৭ ১৩:৫৬711651
  • ফৌজদারি সুরক্ষা দেওয়ার জন্যে তো সেকুলারিজম লাগেনা আলাদা করে। বাকি ক্ষেত্রগুলো। যেমন রামলালা পন্থী সংখ্যালঘু হিন্দুরা দাবি করবে সারা ভারতে কসাইখানা নিষিদ্ধ তাদের ভাবাবেগ ও সংস্কৃতি মেনে। ওদিকে সালাফিস্ট মুসলিমরা দাবি করবে ধর্ম নির্বিশেষে মহিলারা যেন হিজাব পরেন। এইগুলো মেনে নেওয়া হবে তো ? সামাজিক সুরক্ষা। সংস্কৃতির সুরক্ষা। সংবিধানেও এসব দিকে জোর দিকেই একগুষ্টি লিখেছে। কে কাকে মারলো কে কার কান কেটে নিলো এগুলো ডিরেক্ট ক্রাইম, তার জন্যে সেকুলারিজম এর কোনো ভূমিকা নেই।
  • S | ২৪ মার্চ ২০১৭ ১৪:১১711652
  • আমার সুরক্ষার জন্যে যদি অন্য কেউ অসুরক্ষিত হয়ে যায় - তবে সেই দাবী মানার কথা এখানে হচ্ছে না।

    ফৌজদারি সুরক্ষা দেওয়ার জন্যে তো সেকুলারিজম লাগেনা ঃ এইটা শুনে বেশ অবাক লাগলো। তাইলে বিজেপি জেতার পরে লেখকদের মুখে কালি ঢেলে দেওয়া বা ঐজাতীয় ঘটনা বাড়লো কেন?
  • PM | ২৪ মার্চ ২০১৭ ১৫:৪০711653
  • " সেকুলারিজমের প্রথম রুলঃ মাইনরিটিদের সুরক্ষা; সেইটাকে কেউ তোল্লাই বললে সে সেকুলারিজমের কিছুই বোঝেনা। "--- এটা কি ঠিক?

    আমার তো ধারনা ছিলো সেকুলার ধারনার প্রধান ভিত্তি দুটো--

    ১। Secularism is the principle of the separation of government institutions and persons mandated to represent the state from religious institutions and religious dignitaries ( সংগা উইকি থেকে তোলা)

    ২। সমাজে ধর্মীয় বহুত্বের প্রতি সহিষ্ণুতা। ধর্মের ভিত্তিতে মানুষকে আইডেন্টিফাই না করা।

    মাইনরিরিটির সুরক্ষা সেকুলারিসমের করোলারি হতে পরে ( ধর্মীয় বহুত্বের অংশ হিসেবে), কিন্তু "প্রথম রুলঃ "? ! রেফারেন্স পাওয়া যাবে?
  • PT | ২৪ মার্চ ২০১৭ ১৮:৪৪711655
  • For the first time, the Nehruvian order is facing an existential challenge. It can be met – as it must be – but only by a morally superior politics.
    সেই কব্বে থেকে লিখছি রাজনীতিহীন রাজনীতি পরিত্যাগ করতে। বাংলায় লিখলে কেউ বোঝেনা মনে হয়!!
  • PM | ২৪ মার্চ ২০১৭ ২১:৩০711656
  • dc আমার প্রশ্ন টা বর্তমান পরিস্থিতি নিরপেক্ষ। ---- প্রশ্ন টা বেসিক কনসেপ্ট নিয়ে করেছি। সেকুলারিস্ম এর প্রাথমিক ধারনাতে কি ধর্মীয় প্রেক্ষিতে মাইনরিটি বা মেজরিটি বলে আলাদা শ্রেনীবিন্যাস আছে ? তাও আবার "প্রথম রুল " হিসেবে ?

    বাংলা টার্ম টা আরো ভালো-- ধর্ম নিরপেক্ষ--- মেজরিটি বা মাইনরিটি কোনো ধর্মের বা ধর্মীয় গোষ্ঠির পক্ষেই নয় --- বিরুদ্ধেও নয় অবশ্যই ---জলবত তরলম ঃ)

    বেসিক কনসেপ্ট এ সমস্যা থাকলে ইম্প্লিমেন্টেসনে ফাঁক তো থাকবেই --- আর সেই ফাঁক দিয়ে ঢুকে বিভেদকামী শক্তিগুলো ফাল হয়ে বেরোবে--যেমন আজ হচ্ছে
  • s | ২৪ মার্চ ২০১৭ ২২:৩৩711657
  • PM এর সঙ্গে একমত।
    Secularism ব্যাপরটা দেশের সংবিধানে নির্দিষ্ট ব্যাখ্যা নিয়ে আছে, এবং দেশের সরকার, প্রশাসন, বিচারব্যবস্থা তথা নাগরিকরা সেই ব্যখ্যা অনুযায়ী চলা উচিৎ।
    মোদ্দা বিষয় সেকুলার মানে দেশের কোন আইন ধর্ম ভিত্তিক হবে না বা কোন ধর্মকে প্রধান্য দিয়ে (বা স্বার্থহানি করে) হবে না।

    মাইনরিটির সুরক্ষা ইত্যাদি কখনই সেক্যুলারিসমের বিষয় নয়। সহজ ব্যপার সহজ রাখাই উচিৎ।

    With the 42nd Amendment of the Constitution of India enacted in 1976,[1] the Preamble to the Constitution asserted that India is a secular nation. However, neither India's constitution nor its laws define the relationship between religion and state. The laws implicitly require the state and its institutions to recognise and accept all religions, enforce parliamentary laws instead of religious laws, and respect pluralism. India does not have an official state religion.
    কিন্তু এই মাইনরিটির স্বার্থরক্ষা/ তোষণ করতে গিয়ে এই সেক্যুলারিটির ব্যাখ্যাকেই অবজ্ঞা করা হয়েছে।
    In matters of law in modern India, however, the applicable code of law is unequal, and India's personal laws - on matters such as marriage, divorce, inheritance, alimony - varies with an individual's religion. Muslim Indians have Sharia-based Muslim Personal Law, while Hindus, Christians, Sikhs and other non-Muslim Indians live under common law. The attempt to respect unequal, religious law has created a number of issues in India such as acceptability of child marriage, polygamy, unequal inheritance rights, extrajudicial unilateral divorce rights favorable to some males, and conflicting interpretations of religious books.

    Secularism as practiced in India, with its marked differences with Western practice of secularism, is a controversial topic in India. Supporters of the Indian concept of secularism claim it respects a Muslim person's religious rights and recognises that they are culturally different from Indians of other religions. Supporters of this form of secularism claim that any attempt to introduce a uniform civil code, that is equal laws for every citizen irrespective of his or her religion, would impose majoritarian Hindu sensibilities and ideals, something that is unacceptable to Muslim Indians. Opponents argue that India's acceptance of Sharia and religious laws violates the principle of equal human rights, discriminates against Muslim women, allows unelected religious personalities to interpret religious laws, and creates plurality of unequal citizenship; they suggest India should move towards separating religion and state.

    https://en.wikipedia.org/wiki/Secularism_in_India
  • dc | ২৪ মার্চ ২০১৭ ২২:৪০711658
  • হ্যাঁ, সেকুলার রাষ্ত্রের মানে হওয়া উচিত রাষ্ট্র কোনভাবে ধর্মের সাথে জড়াবে না। কিন্তু কংগ্রেস কোনকালেই তা করেনি, ইচ্ছেমতো নিজের স্বার্থে ধর্মকে ব্যবহার করেছে।
  • aranya | ২৪ মার্চ ২০১৭ ২২:৪৯711659
  • আর 'সেকুলার মানুষ'-এর সংজ্ঞা কি হবে?
  • S | ২৪ মার্চ ২০১৭ ২২:৫৯711661
  • উইকিপিডিয়া থেকে কপি পেস্ট না করে কেউ একটু লিখুক না সেকুলারিজম কী? ব্রিটেন তো সেকুলারঃ আবার সেখানে একটা এস্টাব্লিস্ট চার্চ আছে। সেখানে স্টেট আর রিলিজিয়ন সেপারেটেড নয়ঃ কিন্তু আইন অনুযায়ী রিলিজিয়নের নামে ডিস্ক্রিমিনেশন হবেনা। আমাদের দেশে/আমেরিকাতে প্রেসিডেন্ট/প্রধান মন্ত্রী বাইবেল/গীতায় হাত রেখে কিসব বলে। তখন তো স্টেট আর একটা বিশেষ রিলিজিয়ন মিলে মিশে যায়। তা সত্ত্বেও এই সব কটি দেশ সেকুলার। ২০০৫এর আগে ইরাকও সেকুলার ছিলো। তাই ফিট অল ডেফিনিশন নাই।

    মাইনরিটির সুরক্ষা অবশ্যই সেকুলারিজমের ডেফিনিশন নয়। ইনফ্যাক্ট মাইনরিটির সুরক্ষা রিপাব্লিকের পারপাস। আমার বক্তব্য ছিলোঃ সেকুলারিজমকে ঠিকঠাক ভাবে ইমপ্লিমেন্ট/মেইনটেইন করতে গেলে মাইনরিটিদের একস্ট্রা রাইটস দিতে হয়। এটা যারা নিজেরা কখনো কোনো সোসাইটিতে মাইনরিটি হয়ে থাকেনি, তাদের পক্ষে বোঝা কঠিন।

    এখন কেউ বলতেই পারেন যে এইসবের কারণেই বিজেপি আজ এতো ভালো ফল করছে, ইত্যাদি। সেটা একেবারেই ভুল ধারণা - ইনফ্যাক্ট বিজেপি এই ধারণাটা প্রোমোট করে। ক্লাস এইট নাইনে পড়ার সময়ে আমিও তাই মনে করতাম। আজকে কঙ্গ খারাপ করছে কোনো ভালো লিডারশিপ নেই বলে, ভালো অল্টারনেটিভ পলিসি নেই বলে, মোদি একটিভ থাকছে বলে, আর বিজেপির স্ট্রঙ্গ ক্যাম্পেনিঙ্গের ফলে। কঙ্গ, বাম, দিদি, নেতাজী, লালু কখনো মুসলমান তোষণের জন্য ভোট হেরেছে বলে তো মনে পরেনা। ইনফ্যাক্ট রিলিজিয়্স লাইনে খলেত গিয়ে মোদিজী বিহারে হেরেছে। যদি ভোটে জেতা আর সেই জেতা দলের পলিসি সমর্থনের মধ্যে আদৌ কোনো কোরিলেশন থাকে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা মনে চায় প্রতিক্রিয়া দিন