এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • h | ১৮ মার্চ ২০১৪ ১১:০৬216300
  • বোতিন সব বক্তব্য দোবো বাবা, কিন্তু এবার হয় ফোন নয় চশ্মা পাল্টা, আর তো পারা যায় না।
  • Bhagidaar | ১৮ মার্চ ২০১৪ ১১:০৪216299
  • অ রবু!
  • kc | ১৮ মার্চ ২০১৪ ১০:৫৯216298


  • এই পোস্টার টা নাকি মিথ্যে কথা। কালকে উইকিলিকস বলেছে।
  • lcm | ১৮ মার্চ ২০১৪ ১০:৫৭216296
  • ঐ জন্য বলি সারাদিন এত ব্যস্ত থেকো না। বেরেক নাও।
  • | ১৮ মার্চ ২০১৪ ১০:৫৭216297
  • *শেয়ার
    নিয়ে
    করলাম
  • | ১৮ মার্চ ২০১৪ ১০:৫৬216295
  • আমাদের মেয়ে গ্রুপের একটি মেয়ে কাল এইটে শএয়ার করেছে। পড়ে খুব ভাল্লাগলো। অনুমতি ন ইয়ে শেয়ার করল্কাম

    **********************************************************

    একটু গল্প করি। আমি বড় হয়েছি মোটামুটি কনজার্ভেটিভ পরিবেশে। ইউনিভার্সিটিতে পড়ার সময়ও পর্যন্ত ঠাসঠুস বের হতে পারতামনা বাসা থেকে। কখনো কোনো কারনে বাসায় ফিরতে সন্ধ্যা হয়ে গেলে ভয়ে কোনো বন্ধুকে সাথে নিয়ে বাসায় যেতাম এটা বোঝানোর জন্য যে ওর কারনে দেরি হয়েছে। সবসময়ই গার্লস স্কুল-কলেজ-ইউনিভার্সিটিতে পড়ায় ছেলেদের সাথে বন্ধুত্ব হয়নি তেমন। তবে বাসার ভেতর চরম আহ্লাদে বড় হয়েছি। নিজে কখনো পানিটাও নিয়ে খাইনি এমন অবস্থা। যখন অনার্স করছিলাম, আম্মা ভাত মেখে পিছে পিছে ঘুরে ঘুরে খাওয়ায় দিতো, আমি রেডি হতাম। আর এতো বড় হওয়ার পরেও আব্বা আমার জামা-কাপড় ধুয়ে দিতো প্রায়ই। অনার্সের পর বিয়ে করি, নিজের পছন্দে। এটাও একটা অসম্ভব বিষয় ছিলো। আমার বাসায় প্রেম করা মানেই শেষ। সেখানে প্রেম করে বিয়ে! অনেক ঝামেলার পর আমাদের বিয়ে হয়, তাও যথেষ্টই ধুমধাম করে।
    বিয়ের পরে শ্বশুড়বাড়িতে এসে বেশিরভাগ মেয়েই যেই সমস্যাগুলার মধ্যে পরে, আমারো পরতে হয়েছিলো। মাস্টার্সে ভর্তি হয়েছি মাত্র, ক্লাশ করতে হবে, টিচারের বাসায় যেতে হবে, বাসায় পড়তে হবে। আবার শ্বশুড়বাড়িতে সবার মানসিকতা ছিলো, বউ মানে বউ, রান্না করবা, ঘর-সংসার দেখবা, পড়তে চাও পড়, কিন্তু এগুলা আগে করতে হবে, আর চাকরি তো করাই যাবেনা, চাকরি করলে সংসার দেখবে কে! আমার পক্ষে কোনোভাবেই সম্ভব হচ্ছিলোনা ম্যানেজ করা। শ্বাশুড়ি প্রচন্ড মেজাজি মানুষ, আর প্রচন্ড গোছানো, টিপটপ, একটা কিছু উলটাপালটা হলেই খুব চিল্লাচিল্লি করতো। এগুলা দেখতে দেখতে অসুস্থ হয়ে যাচ্ছিলাম। হাজব্যান্ডও প্রচন্ড ব্যস্ত থাকতো, অনেক দেরিতে ফিরতো অফিস থেকে। আর প্রায়ই অফিসিয়াল ট্যুর থাকতো। সারাক্ষন একা একা থাকতাম আর কান্নাকাটি করতাম। খালি সুযোগ খুঁজতাম মায়ের বাড়ি যাওয়ার। ক্লাশ করা বাদ দিলাম, স্যারের বাসায় যেতাম সপ্তাহে তিনদিন। অন্যান্য দিন রান্না-বান্না, সংসার। পড়াশোনাও কিচ্ছু করতামনা। মাস্টার্স পরীক্ষার সময় সিদ্ধান্ত নিলাম পরীক্ষা দিবোনা। ১মাস পরে পরীক্ষা, কিচ্ছু পারিনা পরীক্ষা দিয়ে কি হবে। প্রিপারেশন নিতে হলে এখন আমার ২৪ঘন্টা পড়তে হবে, যেটা কোনোভাবেই সম্ভব না।
    হঠাত একদিন সকালে ঘুম থেকে উঠেই একেবারে ঝোঁকের মাথায় সব বইপত্র গুছিয়ে আম্মার বাসায় চলে গেলাম। শুধু বলে গেলাম যে যাচ্ছি। পরীক্ষার আগের ওই ১মাস আর পরীক্ষার পুরা সময়টা আর আসিনি বাসায়। এর মধ্যে শ্বশুড়বাড়ির দিকের আত্মীয়দের বিয়ে, এই প্রোগ্রাম-ওই প্রোগ্রাম, আর আমার কাছে ফোন যে চলে আসো, যেতেই হবে। আমিও বলে দিতাম, সম্ভবই না, পরীক্ষা শেষ হওয়ার আগে পর্যন্ত এসব কিচ্ছু পারবোনা। ওরা বিরক্ত হতো, নানান কথাবার্তা বলতো, পাত্তা দিতামনা। পরীক্ষার পরে এলাম বাসায়। এই ত্যাড়ামির রেজাল্টও ভালো হয়েছিলো। যথেষ্টই ভালো রেজাল্ট করেছিলাম মাস্টার্সে
    তারপর আমার ছেলেটা হলো। ওকে নিয়েই ব্যস্ত হয়ে গেলাম। এর মধ্যে জবের চিন্তা একরকম বাদই দিলাম। ছেলেকে জীবনেও বাসায় রেখে চাকরি করা যাবেনা। জবের কথা শুনলেই সোজা বলে দিতো, তোমার বাচ্চা কে পালবে? আমার সব বন্ধুরা জব করে, শুধু আমিই বাসায় থাকি আর ফ্রাস্ট্রেটেড হই। হাজব্যান্ডের সাথেও সম্পর্ক খারাপ করে ফেলছিলাম। ও সবসময়ই আমাকে সাপোর্ট দিয়ে আসছে সব ব্যপারেই। জবের ব্যপারেও বলতো, তুমি ঢুকো কোথাও, পরেরটা পরে দেখা যাবে। আমি ছেলের কথা ভাবলেই আর সাহস পেতামনা। সারাক্ষন ঘরের কাজ, রান্নাবান্না, মেহমানদারি, বাচ্চা, সব একা করতে হয়, কাজের লোকও নাই বাসায়। খুব কষ্ট হতো।
    ছেলেকে একটা ডে কেয়ারে দিয়েছিলাম শুধুই নিজের একটা স্পেস বের করতে। বাসায় বলেছিলাম, প্রি-স্কুলে দিয়েছি। ওকে নিয়ে স্কুলে যেতে হবে, আবার শেষ হলে একেবারে নিয়ে আসবো, এভাবে তখন দিনের কিছুটা সময় নিজের জন্য পেতাম। ঘুরতাম, আড্ডা দিতাম, মাঝে মাঝে আম্মার বাসায় গিয়ে ঘুম দিতাম। যখন মোটামুটি সেট হয়ে গেলো সব, এক বন্ধুর জোড়াজুড়িতে সাউথ পয়েন্ট স্কুলে সিভি দেই। যেই সময়টায় ছেলে ডে-কেয়ারে থাকছে ওই সময়টাই স্কুলের টাইমিং, অসুবিধা কি! দুইদিনের মধ্যেই ইন্টারভিউ, জয়েনিং লেটার। বাসায় জানাইও নাই কিছু। জয়েন করার আগেরদিন রাতে একেবারে মিষ্টি নিয়ে এসে শ্বশুড়-শ্বাশুড়িকে সালাম করে বললাম, সাউথ পয়েন্টে জয়েন করবো, কালকে জয়েনিং। সব এতো হঠাত করে হলো যে রিয়েক্ট করার কোনো সুযোগই পায়নি কেউ।
    এগুলা গত সাড়ে ছয় বছরের কাহিনী। ৭মাস হয়ে গেলো জব করছি। ছেলেকে আর ডে-কেয়ারে দিচ্ছিনা, আপাতত মায়ের কাছে রেখে রেখে স্কুল করছি। ইনশাল্লাহ জুনে আমার স্কুলেই ভর্তি করে দিবো। এখন যখন এগুলা ভাবি মাঝে মাঝে, কোনোকিছু নিয়েই খারাপ লাগেনা। আমার শ্বশুড়বাড়ি থেকেও কোনো সমস্যা হচ্ছেনা। পাঁচদিন স্কুল করি, একবেলা সংসার করি, আর দুইদিন ফুলটাইম সংসার করি। আসলে যা যা ফেইস করেছি নানান সময়ে, কোনোটাই অস্বাভাবিক না। এর মধ্যে সবই বদলেছে, আমিও, আমার চারপাশের মানুষগুলাও। অনেককিছুই যা আগে অসম্ভব ছিলো, তা এখন সহজেই সম্ভব। যা সম্ভব ছিলো, এখন অসম্ভব। সময়ের সাথে সাথে আমার নিজের চিন্তাভাবনা, দৃষ্টিভঙ্গিও অনেক বদলেছে। সবকিছুর পিছনের রিজনটা এখন আমি পজিটিভলি ভাবতে পারি, আগে হয়তো পারতামনা।
    সবকিছুর পরে, একটা মানুষের লাইফ যেমন হলে সে নিজেকে সুখি মানুষ ভাবতে পারে, আলহামদুলিল্লাহ, আমার লাইফটা এখন তা-ই। সমস্যা আছে, ঝামেলা আছে, তারপরেও কোনোকিছু নিয়েই কোনো দুঃখবোধ নাই, আফসোস নাই, অভিযোগ নাই। ঠিক এতোটুকু থাকলেই আমি খুশি।
    *************************************************************
  • aranya | ১৮ মার্চ ২০১৪ ১০:৫২216294
  • আসলে হয়েছে কি এলসিএম, সারা দিন এত ব্যস্ত কেটেছে, কাগজ পড়ার সময় পাই নি। রাত ১টায় হঠাৎ বুজী-দের তিনো+অর্পিতা-কে সমর্থনের এই নিউজ দেখে এট্টু শক মত খেলাম, তাই ঐ 'আত্মা বিক্রয়' ইঃ গেরামভারী কথা।
    আসলে তো আত্মা বলেই কিছু নাই, শক-টাও নিশ্চই কাল সকালের মধ্যে কেটে যাবে
  • lcm | ১৮ মার্চ ২০১৪ ১০:৪৮216293
  • একিরে ভাই, বোতিন আমার বক্তব্য শুনতেই চায় না।
    আমিও বাম, তবে সকালের দিকে, অবশ্য বেশী গরম পড়লে গোধূলিবেলায়। মাঝে মধ্যে সন্ধের দিকে বিবেকের দংশনে, আত্মার উপদ্রবে ভুগি (অরণ্যের ন্যায়)... সারা দিনে কতবার যে আত্মা কেনাবেচা করি... ইদানীং ঠিক দুপুর বারোটার সময় সুজ্জের দিকে তাকিয়ে ১০৮ বার আমোদী আমোদী বলি।
  • নেতাই | ১৮ মার্চ ২০১৪ ১০:৪৭216292
  • ঃ))
    এ নিয়েআমার কোনো বক্তবু নেই। আমি বুজীদের ব্যাপার স্যাপার ভালো বুজিনা।
  • রোবু | ১৮ মার্চ ২০১৪ ১০:৪৪216291
  • ও।
  • bratin | ১৮ মার্চ ২০১৪ ১০:৪১216288
  • আর বাম ভাব দ্গারায় অনুপ্রানির যে সব
    সিপিএম র কাছের বুদ্ধিজীবি এই বাজারে
    ডিগবাজি খেলেন তাঁদের তিবি আমি গুরু র রেসিডেন্ট সিপিএম যথস অরি কেস রাহদীপ্বি শিবু দা দে দু দি রোবু নেতাই
    পিটি দা বৈজনত এনাদের বক্তবু শুনতে বিশেহ ভাবে আগ্রহী। ঃ))))
  • bratin | ১৮ মার্চ ২০১৪ ১০:৪১216289
  • আর বাম ভাব দ্গারায় অনুপ্রানির যে সব
    সিপিএম র কাছের বুদ্ধিজীবি এই বাজারে
    ডিগবাজি খেলেন তাঁদের তিবি আমি গুরু র রেসিডেন্ট সিপিএম যথস অরি কেস রাহদীপ্বি শিবু দা দে দু দি রোবু নেতাই
    পিটি দা বৈজনত এনাদের বক্তবু শুনতে বিশেহ ভাবে আগ্রহী। ঃ))))
  • lcm | ১৮ মার্চ ২০১৪ ১০:৪১216290
  • ভোট দিলে আত্মা বিক্কিরি হয়!
  • aranya | ১৮ মার্চ ২০১৪ ১০:৩৮216287
  • আম আদমীর ব্যাপারেও আমার একই পর্যবেক্ষণ - তিনোমুল ওয়ান পার্সন পার্টি, আর গত ৩ বছরে সেই একটি পার্সনের কাজের যা নমুনা দেখা গেছে, আত্মা বিক্কিরি না করলে তার সাথে থাকা অসম্ভব
  • Arpan | ১৮ মার্চ ২০১৪ ১০:৩৫216286
  • হ্যাঁ, ইনি চান্দুমিঞাই। কুনো সন্দো নাই। ঃ)
  • lcm | ১৮ মার্চ ২০১৪ ১০:৩০216285
  • আম আদমি সুবিধা মতন সাইড বদলাতে পারে, কিন্তু যারা চাড্ডি সিনেমা বা নাটক করে তারা পারবে না কেনো... সুবিধাবাদ জিন্দাবাদ..
  • aranya | ১৮ মার্চ ২০১৪ ১০:২৮216284
  • কৌশিক সেন, সুমন মুখো, শঙ্খ ঘোষ - কিছু বুজী-র বিবেক আজও অক্ষত - ভাল লাগে
  • aranya | ১৮ মার্চ ২০১৪ ১০:২৪216283
  • আত্মা বিক্রয়কারী-দের দলে আরও কিছু বুজী যোগ হল, সাধে পিটি এদের একদম দেখতে পারেন না
  • | ১৮ মার্চ ২০১৪ ১০:০২216281
  • চান্দুমামার ইসেগুলো হেব্বি। :-))
  • গজু | ১৮ মার্চ ২০১৪ ০৯:৪৭216280
  • ওরা দিতে বাধ্য। ওদের আশেপাশে তৃণমূলের কনসেন্ট্রেশনটা দেখুন। এবং আমি এই পরিস্থিতিতে জাদুকরকে সমর্থন সূচক হাততালি দেব কিনা ভাবছি। সরাসরি রেসিস্টান্সে যাওয়া শক্ত তাই এটা একটা ঘোরালো পথ তো বটেই।
  • j | ১৮ মার্চ ২০১৪ ০৯:৪৪216279
  • সম্পুর্ণ তৃণমুলায়ন হতে আর খুব বেশি বাকি নেই

    তবে হ্যাঁ মেঘনাদ আর রুদ্রপ্রসাদের প্রতিক্রিয়া বেশ অবাকই করেছে, এনারা কি বালুরঘাটের প্রার্থীর পার্ক স্ট্রীট ঘটনা পরবর্তী মন্তব্য, সারদার সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত থাকা - এসবকে কিলো দরে ডিসকাউন্ট দিয়ে দিলেন
  • π | ১৮ মার্চ ২০১৪ ০৯:৩৪216278
  • rhh = ঢ় গুরু লে আউটে
    অভ্রতে Rh।
  • গজু | ১৮ মার্চ ২০১৪ ০৯:২৯216277
  • ১) ওমাটিকায়া মানে কি কেউ কইল না।
    ২) ভেবে দেখলাম সু স বা অ শী কে অতটা দোষ দেওয়া যায় না। সকলের দৃ(ঢ এ শুন্য)তা সমান নয়। নাৎসী জার্মানিতে সব জার্মান বোধবুদ্ধি হারায়নি, ভান করতে হয়েছিল। আমি তাদের তত দোষ দিই না।
    ৩) ঢ য় শুন্য লেখে কি রূপে?
  • Abhyu | ১৮ মার্চ ২০১৪ ০৮:৫৭216276
  • ফস্সারা ফস্সাদেরই বিয়ে করে।
  • | ১৮ মার্চ ২০১৪ ০৮:৫০216275
  • :-D

  • Arpan | ১৮ মার্চ ২০১৪ ০৮:৩২216274
  • ইনফোসিস চাকরিতে সংরক্ষণ করেছে!!

    প্রেক্ষিত ঘোষের মত এই মালটা হারলেও চরম খুশি হব।
  • π | ১৮ মার্চ ২০১৪ ০৮:২৪216273
  • নিলকেনি প্রাইভেট চাকরিতে সংরক্ষণের পক্ষে !
    Congress candidate for Bangalore South Nandan Nilekani on Friday said he was for reservation in the private sector, considering that society has discriminated against some communities for years.

    At an interaction with the media at the Bangalore Press Club, Nilekani said Infosys has done this. However, he said, “The real issue was that we needed crores of jobs and the challenge was to create them. We need to increase the supply of educational opportunities and jobs.”
  • sosen | ১৮ মার্চ ২০১৪ ০৮:২৩216272
  • পিপিদিদি রা গা কে বে' করছে ?
  • π | ১৮ মার্চ ২০১৪ ০৮:১৯216271
  • ঃ))
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত