এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • এমেম | ১৯ মার্চ ২০১৪ ১৫:০২216780
  • আমি কিন্তু ক্লাস নাইন থেকে শাড়ি। স্কুলে নিয়ম ছিল। সাদা লাল পাড়।
  • de | ১৯ মার্চ ২০১৪ ১৫:০০216778
  • আমি কিন্তু প্রথম থেকেই জানি সে মে'। সেই প্রথম যখন মে' দের ক্লাসের গপ্পো করতেন, তখন থেকে। ঃ)
  • এমেম | ১৯ মার্চ ২০১৪ ১৫:০০216779
  • 2.34 পড়ে মন খারাপ হল।
  • de | ১৯ মার্চ ২০১৪ ১৪:৫৯216777
  • আমি ক্লাস নাইন থেকে টিউশনি করতাম হাতখরচের টাকার জন্য -- বাড়িতে হাতখরচের চল ছিলো না।

    আমার বাবা পুরো হিটলার ছিলেন বাড়িতে - জিনস-টিনস বাড়ি থেকে বেরিয়ে তবেই পরেছি, নিজের টাকায়। তার আগে সেই একঘেয়ে সা কা বা স্কা ট। তাও খুব ট্রাডিশনাল ডিজাইন।
  • সে | ১৯ মার্চ ২০১৪ ১৪:৫৭216776
  • এখানে পিডিয়েফ কীকরে আপলোডায়?
  • এমেম | ১৯ মার্চ ২০১৪ ১৪:৪২216775
  • এর আবার কেন আছে নাকি? গল্পগুলো পড়বার সময় ভিসুয়ালাইজ করেছি কেমন দাড়িয়ে আছো বা বসে আড্ডা দিচ্ছ। তাছাড়া অকারণে আপনি আজ্ঞেও করেছি।
  • সে | ১৯ মার্চ ২০১৪ ১৪:৪১216774
  • নিজের জন্যে প্রথম একটা জিন্‌স্‌ কিনি লন্ডনে। নিজের জন্যে কিছু কিনতাম না।
  • jhiki | ১৯ মার্চ ২০১৪ ১৪:৩৯216773
  • আমি বোধহয় সিক্স/সেভেন থেকে হাতখরচের টাকা পেতাম। মাসে ৫০ টাকা, বাবা দিত। এছাড়া স্কুলে সাইকেল নিয়ে যেতাম বলে সাইকেলের মেইটেন্যান্স বাবদ কিছু মায়ের কাছ থেকে পেতাম।

    তবে মাধ্যমিক অবধি মায়ের সাথে গিয়েই জামাকাপড় কিনতে হত।
  • সে | ১৯ মার্চ ২০১৪ ১৪:৩৫216772
  • কেন এমেম? কেন?
  • সে | ১৯ মার্চ ২০১৪ ১৪:৩৪216771
  • হুঁ। রেডিমেড সালোয়ার কামিজ কিনে দেয় নি কোনোদিনো, আমি বেশ রোগা ছিলুম তখন। সোভিয়েত ইউনিয়নে সালোয়ার কামিজ নিয়েই যাই নি প্রথমবার। বছর দেড় দুই পরে দেশ থেকে নিয়ে গেছলাম।
    কিন্তু সবচেয়ে খারাপ যেটা লাগত সেটা হচ্ছে - যে শাড়ী আমি ভালোবেসে পরতাম ছোটোবেলা থেকে, সেটাকেই জবরদস্তি করে পরানোর প্রচেষ্টা। ঘেন্না ধরে গেছল শাড়ীতে। ওদেশে ভারতীয়দের অত্যাচারে খুব কষ্ট পেয়েছি।

    আমি কোনো দিন হাত খরচের টাকা পাই নি। নেভার।
    আমার হাতে প্রথম টাকা আসে, তিনটি তিন রুবলের নোট। মোট নয় রুবল্‌। মস্কো থেকে যখন ট্রেনে তুলে দিচ্ছে আমাদের। তিন দিন তিন রাত তার একটা নোটও ভাঙ্গাই নি। বুকের মধ্যে ভাঁজ করে রেখেছিলাম।
  • এমেম | ১৯ মার্চ ২০১৪ ১৪:২৯216770
  • আমি একটুও খুশি হইনি। মেয়ে জেনে।
  • jhiki | ১৯ মার্চ ২০১৪ ১৪:২৮216769
  • তুমি আশির দশকের সেষের দিকে রাশিয়া গেছিলে না?

    তখন তো দিব্যি রেডিমেড সালোয়ার কামিজ পাওয়া যেত। সেগুলো আবার আমার গায়ে অনেক বড় হত। তবে সেলাই ভালৈ জানতাম, তাই সময় করে নতুন জামা পড়ার আগে নিজেই খাপিয়ে নিতাম। স্কার্ট ইত্যাদিও বেশীরভাগই রেডিমেড, মাঝেমধ্যে নিজের ডিজাইন বানাতে দিতাম। মাধ্যমিকের পর থেকে মা আমাকে আমার জন্য বরাদ্দ টাকা দিয়ে দিত। আমি বন্ধুদের সাথে গিয়ে ইচ্ছেমত পোষাক কিনতাম।
  • সে | ১৯ মার্চ ২০১৪ ১৪:২৪216767
  • ঃ-)
  • b | ১৯ মার্চ ২০১৪ ১৪:২৪216768
  • পি ইউ পাশ শুনে মনে পড়ে গেলো। আমাদের বাড়ীওয়ালী দিদা নিজের ভাগ্নে সম্পর্কে খুব গর্ব করে বলেছিলেনঃ আমাদের অপু খুব ভালো ছেলে। প্রথমবার উচ্চমাধ্যমিকে ব্যাক পেয়ে পরেরবার এক চান্সে পাশ।
  • এমেম | ১৯ মার্চ ২০১৪ ১৪:২১216766
  • কোনও মানে হয়? সে মেয়ে নাকি?
  • সে | ১৯ মার্চ ২০১৪ ১৪:১৬216765
  • সোভিয়েত ইউনিয়ন? সেখানে পড়তুম কই?
    শাড়ী নিয়ে যত কম বলা যায় ততই ভালো। আমাদের ইস্কুলে ক্লাস নাইন থেকে শাড়ী পরতে হতো। আমি আবার সেভেন থেকেই বেড়াতে বেরুলে ফ্রকের ওপর মায়ের শাড়ি পরতাম। ব্লাউজ ছিলো না তাই ফ্রকের ওপরে। কলেজে উচ্চমাধ্যমিক পড়তে গিয়ে দুটো শাড়ী ছিলো এবং ফ্রক। সালোয়ার কামিজ তখন দর্জ্জি দিয়ে বানাতে হতো কাপড় কিনে, সঙ্গে ওড়না কিনতে হতো। অনেক খরচ। উচ্চমাধ্যমিকের শেষের দিকে প্রথম সালোয়ার কামিজ হলো সালোয়ার ও কামিজের একই কাপড়, একই প্রিন্ট। বড়োবাজার থেকে সেই কাপড় কেনা হয়েছিলো দরদাম করে। খুব ইচ্ছে ছিলো চুড়িদার-কামিজ পরবার, কিন্তু তাতে আলাদা আলাদা কাপড় কিনতে হয়। তাই হয় নি।
    কলেজে বাবার শার্ট পরে গেছি। ঘড়ি ছিলো না। বাবার রিস্ট ওয়াচ পরতাম। বাবার জিন্স ও কেটে কুটে সেলাই করে পরেছি।
    সোভিয়েত ইউনিয়ন যাবার সময় আমার প্রথম প্যান্ট কেনা হলো, সবুজ কর্ডের প্যান্ট। কোমর ঢিলে। তবু বেল্ট কেনা হয় নি। অনেকগুলো টপ সেলাই করে দিয়েছিলেন আমাদের দর্জ্জি কাশেম-ভাই। আর সঙ্গে নিয়ে গেছিলাম এক পিস খদ্দরের শাড়ী তার পাড় তেরঙা এবং একটা মুর্শিদাবাদি সিল্কের শাড়ি যাতে বাটিকের কাজ করা। সেই শাড়ীটা এখনো আছে। এই জানুয়ারীতেও কলকাতায় পড়ে ঘুরেছি।
  • jhiki | ১৯ মার্চ ২০১৪ ১৪:০৫216764
  • মাধ্যমিকের রেজাল্ট কোন ফাঁকতালে বেরিয়ে গেছিল বুঝতেই পারিনি। তখন সকাল-বিকেল ফিজিক্স-ম্যাথ-কেমিস্ট্রির টিউশনে গিয়েই কাহিল হয়ে যেতাম।

    পরীক্ষার আগেই ঘোষনা করে দিয়েছিলাম যে আর শাড়ী পরব না, তাই নো স্কুল। ভর্তি হয়েছিলাম উয়োমেন্স কলেজে। পুনরায় স্কার্টে প্রত্যাবর্তন, মাঝে মাঝে জিনস। কালে ভদ্রে সালোয়ার কামিজ। তবে শাড়ী নৈব নৈব চ ঃ-)
  • এমেম | ১৯ মার্চ ২০১৪ ১৪:০৩216763
  • কিন্তু রাশিয়াতে গিয়ে তো ভালো লেগেছে।
  • সে | ১৯ মার্চ ২০১৪ ১৩:৫৭216762
  • ডিট্টো। অবশ্যই সম্মান। আমাদের সমাজ তো কেবল ডিগ্রীর পেছনেই ছুটে মরে।
  • সে | ১৯ মার্চ ২০১৪ ১৩:৫৬216761
  • মাধ্যমিক পাশ করে ঘোষনা করে দিয়েছিলাম আর পড়বো না। পড়তে আমার কোনোদিনো ভালো লাগেনি। কিন্তু কী কর্ব? জোর করে ভর্তি করালো হায়ার সেকেন্ডারিতে। তখন থেকেই ক্লাস পালানো শুরু।
  • এমেম | ১৯ মার্চ ২০১৪ ১৩:৫৫216760
  • আমার তো মনে হয় বিরাট বড় সম্মান দিয়েছেন। একটা গল্প লেখো তুমি শরতবাবু।
  • phutki | ১৯ মার্চ ২০১৪ ১৩:৫৩216759
  • আমি মাধ্যমিকে ইতিহাসে ৭৩ পেয়ে ঘোষণা করেছিলাম যে আমি উচ্চ মাধ্যমিকে ইতিহাস নিয়ে পড়বো। লেটার পেয়ে দেখিয়ে দেব। তাতে মা কেমন খ্যাকখেকিয়ে হেসে বলল, জানা আছে।
  • সে | ১৯ মার্চ ২০১৪ ১৩:৫১216758
  • বোঝো!
  • এমেম | ১৯ মার্চ ২০১৪ ১৩:৫০216757
  • তুমি তো কৃপণ নও বিধাতার মত।
  • এমেম | ১৯ মার্চ ২০১৪ ১৩:৪৯216756
  • বিধাতার চেয়ে বড় করেছিলেন।
  • সে | ১৯ মার্চ ২০১৪ ১৩:৪৭216754
  • হ্যাঁ হ্যাঁ রবি ঠাকুর কী বললেন?
  • এমেম | ১৯ মার্চ ২০১৪ ১৩:৪৭216755
  • এক লাইনে উত্তর চাই।
  • সে | ১৯ মার্চ ২০১৪ ১৩:৪৬216752
  • ১১ ক্লাস সিস্টেম যখন চালু হয়, তখন ক্লাস নাইন থেকেই সাইন্স, আর্ট্‌স্‌, কমার্স, হোম সাইন্স স্ট্রীমে ছাত্রছাত্রী ভাগাভাগি হয়ে যেত।
    ইস্কুল ফাইনালের যুগে আবার ক্লাস এইট থেকে ভাগাভাগি তেমন ছিলো না, কিন্তু ইলেক্‌টিভ বলে কোনো একটা বিষয় নিতে হতো।
    ওদিকে ১১ ক্লাস ছিলো সিনিয়র কেম্ব্রিজের ইকুইভ্যালেন্ট।
    সারা ভারতে ১০+২ শিক্ষা ব্যবস্থা চালু হয়ে যাওয়া সত্ত্বেও মধ্য প্রদেশে ১১ ক্লাস শিক্ষাক্রম চালু ছিলো দীর্ঘসময়।
  • এমেম | ১৯ মার্চ ২০১৪ ১৩:৪৬216753
  • রবি ঠাকুর কী কম্পপ্লিমেন্ট দিয়েছিলেন বললেন না / বললে না যে বড়?
  • সে | ১৯ মার্চ ২০১৪ ১৩:৪১216750
  • প্রি ইউনিভার্সিটি ছিলো যখন ১১ ক্লাস চালু হয় তখন।
    কোনো কোনো ইস্কুলে তখনও দশ ক্লাসের ইস্কুল ফাইনাল, আবার নিউ সিলেবাসে ১১ ক্লাস। এটা ষাটের দশকের গোড়ার দিকে ১৯৬৪-৬৫ হবে।
    তখন দশ ক্লাস ইস্কুল ফাইনাল প্লাস এক বছরের প্রি ইউনিভার্সিটি চালু হয়েছিলো। সত্তরের দশকের মাঝামাঝি অবধি এটা চলে।
    তখন ১১ ক্লাস বা প্রি ইউ পাশ করলে থ্রি ইয়ার্স ডিগ্রী কোর্সে ভর্তি হওয়া যেত। পাস কোর্স বা অনার্স কোর্স।
    আরেকটা জিনিসও অধুনা লুপ্ত - প্রি মেডিকেল।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত