এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • আমেরিকান প্রেশিডেনশিয়াল ইলেকশান ২০১৬

    Abhyu
    অন্যান্য | ১০ মার্চ ২০১৬ | ১০৩৫৭১ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • aka | ০৯ ডিসেম্বর ২০১৬ ০৮:৫৪699946
  • সমস্ত এক্সিট পোল মানে যা বাজারে দেখা গেছে সিএনএন, নিউ ইয়র্ক টাইমস, ফক্স, এবিসি তাদের মাদার হল ন্যাশনাল ইলেকশন পোল। এনিপির হয়ে কাজ করে এডিসন রিসার্চ। স্যাম্পেল সাইজ ২০,০০০ মতন। এবারের রেসপন্স কতজনে দিয়েছে সিএনএনে দিয়ে দিয়েছে। ২৪,০০০ বা ২৫,০০০ কত হবে।

    এবারে এখান থেকে মিডিয়ান কি করে বের করতে হবে সেটা এক্সেল কাজে লাগিয়ে ইউটিউবে দেখে নিন।

    ভাবছি অমৃতলালের মতন কিছু বলব কিনা।
  • দ্রি | ০৯ ডিসেম্বর ২০১৬ ২১:০৫699947
  • আমার হিসেবে মিডিয়ান কিন্তু ৭৫কে এলোনা। ৬০ কে মত এলো। কেন কে জানে।

    হিলারীর অবশ্য আরো কম। ৫০কের আসেপাশে।

    এসবই অবশ্য প্রোজেকশান কারেক্ট ধরে নিয়ে।

    প্রোজেকশানে কিছুটা এরার আছে। সেটা অনুযায়ী হিলারী পাচ্ছে ৬২ মিলিয়ান মত আর ট্রাম্প ৫৬। আসল হিসেব ৬৬ আর ৬৩। পোল ট্রাম্পকে বেশী আন্ডারএস্টিমেট করেছে মনে হল।

    আমার হিসেবে অবশ্য অ্যাপ্রক্সিমেশান আছে।
  • aka | ০৯ ডিসেম্বর ২০১৬ ২১:১৭699948
  • আমার ঐ পোলের পারসেন্টেজ ধরে এসেছে ৬৯ আর ৭৭।

    কিছু লেখাপত্তর পড়লাম তাতে আর্গুমেন্ট হল, ইনকাম নয় এবারে এডুকেশন আর রেসই বড় ব্যপার - টোটাল পপুলার ভোটে। আর ইলেকটোরাল কলেজ ভোটের হিসেবে সুইং স্টেটের লো-ইনকাম গ্রুপ।
  • দ্রি | ০৯ ডিসেম্বর ২০১৬ ২১:২৭699949
  • ৬৯ আর ৭৭ কিভাবে হতে পারে যেখানে সারা দেশের মিডিয়ান ৫৫র অ্যারাউন্ডে? লোয়ার ইনকাম গ্রুপ কি ভোট দিতে যায় নি? আনলাইকলি।
  • aka | ০৯ ডিসেম্বর ২০১৬ ২১:৩২699950
  • সেটা একটা থিওরী। এমনকি সুইং স্টেটেও ট্রাম্প যত না জিতেছে হিলারী তার থেকে বেশি লুজ করেছে। বহু লো-ইনকাম ডেমোক্রেট ভোট দেয় নি।
  • দ্রি | ০৯ ডিসেম্বর ২০১৬ ২১:৪০699951
  • লাস্ট বার দুয়েকের তুলনায় এবার টার্নাউট বোধহয় কম।

    লো ইনকাম গ্রুপের লোকেরা যারা ট্রাম্পকে পছন্দ করে না, তারা হিলারীকে নিয়েও বেশী এক্সাইটেড ছিল না। এটা হিলারীর ব্যর্থতা। কে লেসার অফ দা টু ইভেল্স সেটা বাছতে না পেরে কাউকেই দেয় নি।

    তবে আমার মনে হয় আপনি হিসেবটা একবার ক্রসচেক করুন। ৬৯ আর ৭৭ খুব বেশী।
  • aka | ০৯ ডিসেম্বর ২০১৬ ২১:৫৫699952
  • করব। এক্সেলটা আছে বোধহয়। নইলে আবার কষে দেখতে হবে।

    তবে দুজনেরই ৫০-৯৯ কে র মধ্যে। রেঞ্জটা খুব বেশি। প্রতি ১০ কের মধ্যে ডিস্ট্রিবিউশন পেলে মনে হয় আরও অ্যাকিউরেট হত।
  • দ্রি | ০৯ ডিসেম্বর ২০১৬ ২১:৫৮699953
  • হ্যা, দুজনেরই ৫০ আর ৯৯ কের মধ্যে। এটা আমিও পেয়েছি।
  • দ্রি | ০৯ ডিসেম্বর ২০১৬ ২২:০০699954
  • আপনি হিসেবটা স্যাম্পল স্পেসে করলেন, না অ্যাকচুয়াল পপুলেশানে করলেন? আমি পপুলেশানে করলাম।
  • aka | ০৯ ডিসেম্বর ২০১৬ ২২:০২699957
  • স্যাম্পেলে, সেইটা ডিফারেন্স হতে পারে।
  • দ্রি | ০৯ ডিসেম্বর ২০১৬ ২২:০৬699958
  • ও ওকে। আমি ধরে নিলাম প্রোজেক্টেড পার্সেন্টেজগুলো পপুলেশানে ট্রু। তারপর পপুলেশানের অ্যাভেলেবল ডেটা দিয়ে করলাম।

    স্যাম্পলে ইনকাম ডিস্ট্রিবিউশান কিভাবে ঠিক করলেন?
  • aka | ০৯ ডিসেম্বর ২০১৬ ২২:১৪699959
  • সিএনএনে পারসেন্টেজ ব্রেকাপ দেওয়া আছে - ১৭, ১৯, ৩০, ২৪, ৪, ৬।
  • দ্রি | ০৯ ডিসেম্বর ২০১৬ ২২:২৪699960
  • হম। কিন্তু পপুলেশানে ব্রেকাপটা ৩৬, ২৩, ৩৫, ২৪, ৩, ৪ এর কাছাকাছি। এটা অবশ্য টোটাল ভোটারের ব্রেকাপ। আমি ধরেছি সব গ্রুপের মোটামুটি সমান ফ্র্যাকশান ভোট দিয়েছে।

    সিনেন পোলে দুটো লোয়ার গ্রুপ আন্ডাররিপ্রেজেন্টেড। এর দুটো কারণ হতে পারে। পোল লো ইনকাম গ্রুপের এগেনস্টে বায়াসড। বা সত্যিই লো ইনকাম গ্রুপ কম ভোট দিতে গেছে।

    ইন এনি কেস, ৬৯ আর ৭৭ এক্সপ্লেনড হল।
  • SS | ১০ ডিসেম্বর ২০১৬ ০১:০৫699961
  • এই হচ্ছে সেই পোস্ট ইলেক্শন এক্সিট পোল -
    http://www.cnn.com/election/results/exit-polls
    অংক করতে পারছি না এখন, কিন্তু একবার চোখ বুলিয়ে দেখলাম মোস্ট ইম্পর্ট্যান্ট ইস্যু ফেসিং দা কান্ট্রিতে যার মনে করেছে ইকনমি, তার ক্লিন্টন ওভার ট্রাম্প ৫২/৪১। কিন্তু যার মনে করেছে ইমিগ্রেশন, তারা ক্লিন্টন/ট্রাম্প ৩৩/৬৪।
  • aka | ১০ ডিসেম্বর ২০১৬ ০১:৫৮699962
  • দ্রি, এক্সেল খুঁজে পেয়েছি, ন্যাশনাল পারসেন্টেজ ধরলে আমারও হিলারী ৪৯ আর ট্রাম্প ৬১ এল।
  • ঈশান | ১০ ডিসেম্বর ২০১৬ ০৯:১০699963
  • এই তো অবশেষে আপনারা হিসেবটা করছেন। :-)

    তাহলে দাঁড়াল, ৬৯ আর ৭৭। গরীব লোকেরা এমনিতেই তুলনায় কম ভোট দিয়েছে। কারণ দুটো হতে পারে। ওই দ্রি যা বলেছেন, "সিনেন পোলে দুটো লোয়ার গ্রুপ আন্ডাররিপ্রেজেন্টেড। এর দুটো কারণ হতে পারে। পোল লো ইনকাম গ্রুপের এগেনস্টে বায়াসড। বা সত্যিই লো ইনকাম গ্রুপ কম ভোট দিতে গেছে।"

    ধরা গেল পোল ঠিকই আছে। তাহলে আগেরবারের পোলের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা দরকার, গরীব লোকেরা কতটা কম ভোট দিয়েছে। তপ্পরে অ্যানালিসিস।
  • Rust belt has decided | ১০ ডিসেম্বর ২০১৬ ০৯:৪৭699964
  • ধুর ধুর অন্যালিসিস প্রচুর করেছেন। এইবার অঙ্ক করে একটু বলে দিন না হিলারি কেনো ওয়াশিংটন আর নেব্রাস্কা প্রাইমারিতে জিতলো কিন্তু ককাস এ হারলো! অন্যালিসিস আর নেওয়া যাচ্ছে না!
  • Rust belt had decided | ১০ ডিসেম্বর ২০১৬ ০৯:৫০699965
  • পুরো অন্ধের হস্তী দর্শন হচ্ছে!
  • Bhagidaar | ১০ ডিসেম্বর ২০১৬ ১০:৪০699966
  • ওদিকে তো আবার রাশিয়ার ইন্ভল্ভমেন্ট নিয়ে সরকারী তদন্ত শুরু হয়েছে!
  • aka | ১০ ডিসেম্বর ২০১৬ ১৬:৪২699968
  • ওসব হোক্স জানেন না। হিলারী কক্কাস ঝক্কাস কিসে একটা হেরেছে = হোয়াইট ওয়ার্কিঙ্গ ক্লাস ডিসাইডেড = বার্ণি= ট্রাম্প = লিবারালরা বোগাস = ফ্রিড্ম্যান বলেছে রিপাবলিকানরা ওয়ার্কিঙ্গ ক্লাসের স্বার্থ দেখছে।

    আর গ্রোপিঙ্গ = লকার রুম টক

    রেসিজম নেই।

    এই হল তিনশত ষাট ডিগ্রি ভিউ।
  • Arpan | ১০ ডিসেম্বর ২০১৬ ১৭:৪৯699970
  • রাশিয়া ঠিক কী করেছে এখনো বুঝিনি। সার্ভার হ্যাক করে ইমেল পাঠিয়ে দিয়েছে?
  • Ekak | ১০ ডিসেম্বর ২০১৬ ১৮:১৩699971
  • দুদিকের তর্কে কেউ যদি ইন্টার রিলেশন স্বীকার না করেন তাহলে তো এরকমই ভিউ আসবে :)

    রেসিজম এর গ্রোথ প্যাটার্ন কী আধুনিক বিশ্বে । একী এমনিই হয় নাকি ? ইনফ্লুয়েঞ্জার প্রত্যক্ষ কারণ ভাইরাস কিন্তু আপনি খালি গায়ে শীতের রাতে ঘুরে বেড়ালে, সেটাও কিন্তু ইনক্লুডেড কারন। ওপেন মার্কেটের চেয়ে বড়ো শত্রু এই মুহূর্তে কেও নেই নেশন গুলোর কাছে। লিবারাল ইমিগ্রেশন পলিসি থেকে শুরু করে চীপ লেবার পাওয়ার লোভ, এগুলোকে আমরা দিনের পর দিন পুশ করি, করবোও। কিন্তু এর সাঈদ এফেক্ট জাস্ট চোখ বুজে থাকলেই বন্ধ হয়ে যাবে এমন নয়। ইটস আ ফ্যাক্ট দ্যাট আ পাওয়ারফুল মার্কেট ফোর্সেস মালটাকালচালিস্ম। যে ফোর্সটা নরমাল কোর্স এ, মানুষ যেভাবে ধীরে ধীরে একে ওপরের সঙ্গে সোশ্যাল এন্ড ইকোনোমিক স্পেস শেয়ার করে সেভাবে আসেনা। এটা একটা বাইরে থেকে তৈরী করা এক্সট্রা ফোর্স। মানুষকে দ্রুত সিভিলাইস্ড থুড়ি মার্কেট ফ্রেন্ডলি করার চেষ্টা। ইট ওয়র্কস বাট উইথ লট অফ সাইড এফেক্টস। রেসিজম যে সমাজে খুশখুশে কাশির মতো আগে থেকেই ছিল বা থিতিয়ে এসেছিলো, সেটাকেই বাড়িয়ে কয়েক শো হাজার গুন্ করে দেয়। অন্য জাতির লোক আমার কাজ নিয়ে নিচ্ছে এর চে বড় প্যানিক আর কিছু নেই। যতই আমেরিকান সাইকোলজিস্ট রা গাবদা গাবদা পেপার লিখে রেসিজম কে স্বয়ংচালিত রোগ হিসেবে প্রমান করার চেষ্টা করুন না কেন, রেসিজম এর ভয়ঙ্কর আউটবার্স্ট এর পেছনে রিসোর্স হারানোর প্যানিক - জমি হারানোর প্যানিক সব কিছুই জুড়ে আছে এন্ড প্যানিক ইস পলিটিকাল এনটিটি। কিছু লোককে দাগিয়ে দিলুম রেসিস্ট আর তার মানেই তাদের রেসিজম এর পেছনে কোনো কারন নেই এমন দুধভাত নয়। ইউরোপ -আমেরিকা কোথাও নয়। এগুলো মার্কেট ক্যাপিটালিজমের লোকেরা খুব ভালো করেই জানে, তাই ইনক্লুসিভিস্ট পপুলার কালচার প্রমোট করে নানাভাবে একটা ব্যালান্স আনার চেষ্টা করে। সামটাইম ইট ওয়ার্কস। সামটাইম ডাস নট। মিডিয়াভেল ওয়ার্ল্ড এর রেসিজম -হিটলারের সময়ের রেসিজম এগুলোর সংঙ্গে ঘেঁটে এক করলে মুশকিল আছে।

    আগের সময়ের চেয়ে এইমুহূর্তে দাঁড়িয়ে ওপেন মার্কেট হচ্ছে সবচে বড় এনিমি তাদের কাছে যাদের সময়ের গর্ভে হারিয়ে যাওয়ার সময় এসেছে। সুতরাং তারা মরণ কামড় দেবেই। সারা দুনিয়া জুড়ে দিচ্ছে। এর মধ্যে যদি মার্কেট বাঁচাতে হয় তাহলে ওই লিবারালদের মতো একটা করে সুন্দর নাম দিয়ে পার পাওয়া যাবেনা, তিন পা এগোনোর সঙ্গে এক পা পিছিয়ে একটু ব্যালান্স আন্তে হবে। তা যদি না আনা যায় তবে বহুত খারাপ দিন, অনেক পা পিছিয়ে থাকতে হবে আগামী অনির্দিষ্টকাল।
  • দ্রি | ১০ ডিসেম্বর ২০১৬ ২২:৪৮699972
  • রাশিয়া কি করেছে সেটা কেউই এখনও বোঝেনি। কারণ সিআইএ সেটা কাউকেই বোঝায়নি। শুধু 'উই হ্যাভ রিজনস টু বিলিভ' বলা ছাড়া। সিআইএর এই অ্যাসার্শান দেশবাসী বিলিভ করবে কিনা সেটা দেশবাসীই ঠিক করুক।

    ট্রাম্পকে রাশিয়া সাহায্য করেছিল কিনা সেটা প্রমাণ করার চেয়ে হিলারীকে সৌদি আরব, কাতার এরা সাহায্য করেছিল কিনা সেটা প্রমাণ করা একটু বেশী সোজা হলেও হতে পারে।
  • দ্রি | ১০ ডিসেম্বর ২০১৬ ২৩:০০699973
  • মোস্ট ইম্পর্ট্যান্ট ইস্যু ফেসিং দা কান্ট্রিতে যার মনে করেছে ইকনমি, তার ক্লিন্টন ওভার ট্রাম্প ৫২/৪১। এটা তো মনে হয় ঠিকই আছে।

    কারণ পোলে অন্যত্র আমরা দেখতে পাচ্ছি, ৪২% বিশ্বাস করছে ইন্টারন্যাশানাল ট্রেড হয়ে জব বাইরে চলে যাচ্ছে। এরা ট্রাম্পকে বেশী ভোট দিয়েছে। কিন্তু ৩৯% বিশ্বাস করছে জব ক্রিয়েটেড হচ্ছে, এবং ১১% বিশ্বাস করছে কোন তফাত হচ্ছে না। এবং এই ৫০% ক্লিন্টনকে বেশী ভোট দিয়েছে। সব মিলিয়ে ক্লিন্টনের লীড।

    ঠিকই আছে। গ্লোবালাইজেশান একটা কমপ্লেক্স প্রসেস। এতে সবার ক্ষতি হয় এমন নয়। অনেকের লাভও হয়। যাদের লাভ হল তারা সাপোর্ট করবে, আর যাদের ক্ষতি হল তারা অপোজ করবে। এই তো সোজা কথা। কিন্তু দীর্ঘদিন এই গ্লোবালাইজেশান চালিয়ে, ক্ষতি হওয়া লোকেদের একটা ক্রিটিকাল মাস হয়েছে। তারা এখন একটা পোলিটিকাল ফোর্স। বিশেষ করে কিছু স্টেটে। এবং সারা পৃথিবীতেই এটা এখন হচ্ছে। আমেরিকার যেইসব স্টেটে এটা হয়েছে তারা এবারের ইলেকশান রেজাল্ট ডিসাইড করেছে।
  • Ekak | ১০ ডিসেম্বর ২০১৬ ২৩:০৪699974
  • প্রেসিডেন্ট ইলেক্ট যদ্দিন না প্রেসিডেন্ট হয় তদ্দিন এসব রাশিয়া বিরোধী সেন্টিমেন্ট উস্কানো ইত্যাদি চলবে, বলেই মনে হচ্ছে। কোনো একটা বড় কেসে প্রেসিডেন্ট ইলেক্ট কে ফাঁসাবার চেষ্টা কি হিলারি ঘনিষ্ট বিযুরোক্রাট রা করবে না ? লিচ্চই করবে।
  • দ্রি | ১০ ডিসেম্বর ২০১৬ ২৩:০৭699975
  • আরো একটা ছোট্ট পয়েন্ট। এই পোলে পার্টিসিপেট করা লোকজনের মিডিয়ান হাউসহোল্ড ইনকাম প্রায় ৭৫কের কাছাকাছি (যার মধ্যে ট্রাম্পের ৭৭ আর হিলারীর ৬৯), এবং এটা আমেরিকার মিডিয়ান ৫৫কের চেয়ে অনেকটা বেশী। নিউ ইয়র্ক টাইমস তাদের স্যাম্পল স্পেসে বড়লোকদের একটু বেশী করে নিয়েছে।
  • দ্রি | ১০ ডিসেম্বর ২০১৬ ২৩:১৮699976
  • এই পোলে আরেকটা ইন্টারেস্টিং ফাইন্ডিং। ৫৫% হিলারিকে পছন্দ করে নি, ৬০% ট্রাম্পকে পছন্দ করে নি, ১৮% কাউকেই পছন্দ করে নি। যারা কাউকেই পছন্দ করেনি তাদের মধ্যে হিলারি পেয়েছে ৩০% আর ট্রাম্প পেয়েছে ৪৭%। ট্রাম্পকে অনেস্ট আর ট্রাস্টওয়ার্দি লাগে নি ৬৪% লোকের, আর হিলারিকে লাগে নি ৬১% লোকের।
  • দ্রি | ১১ ডিসেম্বর ২০১৬ ০০:০৮699977
  • এরপর বাকি থাকছে রেসিজ্‌ম।

    ইমিগ্রেশান পলিসি নির্ধারণে মানবিক অ্যাসপেক্ট খুবই কম, ইকনমিক কনসিডারেশানই বেশী। একটা ক্লাস অফ ক্যাপিট্যালিস্ট তো আমেরিকার মত দেশে ইমিগ্রেশান প্রেফার করে, পুশ করে। বিশেষ করে ইল্লিগাল ইমিগ্রেশান। কারণ ইল্লিগাল ইমিগ্র্যান্টদের মিনিমাম ওয়েজ দিতে হয় না। একই কাজ অনেক কমে করিয়ে নেওয়া যায়। এখন এই পলিসি ঠিকই আছে, যতক্ষণ নিজেদের দেশে ম্যাক্সিমাম লোকের কাজ আছে, আর যাদের কাজ নেই তারা খুব সস্তায় কাজ করার থেকে ওয়েলফেয়ারে থাকতেই ভালোবাসবে। কিন্তু দেশে লং টার্ম আনেমপ্লয়মেন্টের সংখ্যা বাড়লে, আন্ডারএমপ্লয়মেন্ট বাড়লে ইল্লিগাল ইমিগ্র্যান্টদের মানুষ পছন্দ করবে না এটা খুব স্বাভাবিক।

    হিলারি ইল্লিগাল ইমিগ্র্যান্ট এনকারেজ করেছে, আর মিনিমাম ওয়েজ বাড়াবে বলেছে। ওদিকে ট্রাম্প ইল্লিগাল ইমিগ্র্যান্ট আটকাবে বলেছে, আর মিনিমাম ওয়েজ কমাবে বলেছে। এই দুটো একই কয়েনের দুই সাইড। মিনিমাম ওয়েজ বাড়ালে জব লস আরো ত্বরাণ্বিত হবে। ওয়ালমার্টের সিইও বলেছিল এখন রোবোট টেকনোলজি এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে এর চেয়ে বেশী মাইনে বাড়লে আমার পক্ষে রোবোট কিনে নেওয়া বেটার। তাতে নেট এফেক্ট হবে আমেরিকান জবগুলো সব যাবে, আর ইল্লিগাল ইমিগ্র্যান্টরা মিনিমাম ওয়েজের কমে কাজ করে লো ওয়েজের স্পেসটা ধরে নেবে। উল্টোদিকে ট্রাম্প যেটা চাইছে সেটা হল ইল্লিগাল ইমিগ্র্যান্টরা চলে যাক, আমেরিকানদের চাকরীগুলো যতটা সম্ভব বেঁচে যাক, কিন্তু তারা সস্তায় কাজ করুক। দুজনেই একটু ভিন্নভাবে ক্যাপিট্যালিস্টের স্বার্থে কাজ করছে। কিন্তু আমেরিকানদের একটা বড় অংশ ট্রাম্পের পলিসি চাইছে সেটা বোঝা ডিফিকাল্ট নয়। দুদলেরই স্বার্থ আছে। ইল্লিগাল ইমিগ্রেশানে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির স্বার্থ হল, এরাই পরে গিয়ে ডেমোক্র্যাটিক ভোটার বেস হবে। আর রিপাবলিকানরাও বোঝে এদের আটকাতে পারলে ডেমোক্র্যাটিক বেসে বৃদ্ধির হার কমিয়ে ফেলা যাবে ঢের।

    তবে সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং হল, আজ ট্রাম্প যে সব কথা বলছে সেগুলোই হিলারি এবং বিল অতীতে বলেছিল, অন্য ইলেকশানে।



    তখন যেই সেকশানকে তারা উ করছিল তাদের ট্রাম্প এবার আগেই ধরে নিয়েছে। এখন তাই রেসিস্ট ট্যাগ ছাড়া অন্য কোন লাইন অফ প্লে নেই।
  • aka | ১১ ডিসেম্বর ২০১৬ ২১:৪৬699979
  • আসছে বছর আবার হবে, আপাতত কদিন নোট নিয়ে নৌটঙ্গি করে আসি।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ঠিক অথবা ভুল মতামত দিন