এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Ekak | ০৯ এপ্রিল ২০১৪ ২৩:০৭223620
  • "কলকাতার গালাগাল ও নেশা নিয়ে তো কাজ তো বিখ্যাত কলকাতার গুন্ডাদের নিয়ে কাজ হয়েছে। ২০ র দশকের আনডারওয়ার্ল্ড নিয়ে অসামান্য কজ রয়েছে। মধ্যযুগীয় গঞ্জ শহর নিয়ে কাজ হয়েছে, অসামান্য বললে কম বলা হয়। চইতন্যর পুরী যাওয়ার রুট নিয়ে কাজ। আসাম/ত্রিপুরা/বাংলা তিন জায়গাকার, নন-আর্বান রিফিউজি দের নিয়ে কাজ হচ্ছে একটা বলতে পারি। ঊনবিংশ শতকের বম্বের গণিকাদের সামাজিক ব্যাকগ্রাউন্ড নিয়ে এক তরুন গবেষক পেপার লিখেছেন। বই বেরোবে। ফুটবল ও ন্যাশনালিজম নিয়ে চমৎকার কাজ রয়েছে। কৌশিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

    বীরভূমের কৃষি কেন্দ্রিক গণ আন্দোলনের ভালো কাজ রয়েছে। বর্ধমানে তো রয়েইছে। হ্যাঁ ইন্টারনেটে নেই। তো কি হয়েসে টা কি, লোকে আগ্রহ থাকলে পড়ে দেখবেন, খোঁজ নেবেন।

    হ্যাঁ আমাদের দেশে হেরিটেজ সম্পর্কে যতটা উত্তেজনা আছে, সামাজিক ইতিহাস সম্পর্কে নাই। তবে ভলান্টারিজম সম্পর্কে আপত্তি র জায়গা দুটো। আমরা না করলে কেউ করছে না ভাবা। আর আমরা করে পৃথিবী কে উদ্ধার করছি এটা ভাবা। এবং আনফরচুনেটলি এটাও শুধু বাংআলীদের দোষ না।"

    আই ডেয়ার আস্ক, এগুলো হয়ে কী হবে যদি আরও বেশি মানুষ না জানে ? কেন রাজনৈতিক নেতারা এত সত্য বিকৃত করার সাহস পায় ? সেখানে ইসলামিক হিস্ট্রির গবেষণা প্রাপ্ত সত্যের ভূমিকা কী ? কেন বহুজাতিক ভুল বোঝাতে পারে ? এই প্রচুর "কাজ " এর খবর আমরা একটা ক্ষুদ্র অংশের লোক জানতে পারি। আমার কাছে রিসার্চ-কাজ এগুলো একাডেমিক ইন্টারেস্ট না সুধু। আমার সোসাইটি -সিভিল লাইফ কিভাবে চলতে পারে, আগে ইতিহাসে ভুল কী হয়েছে, ঠিক কী হয়েছে জানার জন্যে পন্ডিত নিযোগ করিছি। এবার আউটপুট তা লোককে দেবে কে ? "আগ্রহ থাকলে জানবে " এই কথাটার মানে যে জানতেই পারছেনা কেন আগ্রহ হবে তার কোনো জানার অধিকার নেই। ওই শিল্পায়নের তই তে যেকথাটা বারবার এসে চাপা পরে ইউ নিড বেটার প্রসেস তু মেক ইউর পিপল ফীল হওয়াত ইস নেসেসারি। অপশন থেকে তারা বাছবে। অপশনটাও নিজে ইউনিভার্সিটিত তে ঠেঙিয়ে গিয়ে খুঁজে নেবে এত কুক্ষিগত হয়ে থাকা। আলটিমেটলি সবাই দিস্কানেক্তেদ। কিছু চেঞ্জ আনতে গেলে রক্তক্ষরণ ও ভুল পথ। বারবার একই জায়গায় ঘোরা হচ্ছে বারবার। কেও "কাজ " করছেনা বলা হয়নি। একটা পুওর ফীডব্যাক সিস্টেম চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখানো হয়েছে। এটাকে ব্যাক করার জন্যে কেকি কাজ করেছেন সেটা তুলে আনার কোনো যোগ খুঁজে পাচ্ছিনা। একটা নলেজ যত অপেন্লিয়েক্সেসিব্ল হবে তত রিফাইন হবে। এটার বিরুদ্ধে কোনো যুক্তি থাকলে অকাল্ট এর ওকালতি করতে হয়।
  • ঈশান | ০৯ এপ্রিল ২০১৪ ২৩:০৩223619
  • হনু যা যা সব উদাহরণ দিল, সবই হয় মধ্যযুগ নয় তো কুড়ির দশক। ষাট সত্তরের দশকে কিসু হয়েছে কি?

    হচ্ছেনা যখন, যে তিনজন করার চেষ্টা করছে, তারা বলবেই, বাকি কেউ কিসু করছে না, এটা মেনে নিতে হবে। গায়ে লাগলেও। উল্টোদিকে বৃহত্তর জনসমষ্টি যখন বলবে, "করে হাতিঘোড়া হবে টা কি", সেটাও মেনে নিতে হবে। নতুন করে মেনে নেবার কিছু নেই, সেটাই অ্যাক্সেপ্টেড, এই প্রেক্ষিতে।
  • bratin | ০৯ এপ্রিল ২০১৪ ২৩:০১223618
  • এই মরেছে এত ঝামেলা
    কেন বাপ?

    ও বোধি দা একক ঈশেন আকা প্লিজ থামো তোমরা

    কবি বলেছেন"এক দিন পৃথিবী আবার শান্ত হবে।"

    তবে সেটা কবে সেই নিয়ে তিনি নীরব
  • Ekak | ০৯ এপ্রিল ২০১৪ ২২:৪৩223617
  • যার চোখ আছে সে চোখ বন্ধ করে হাঁটলে তো প্রশ্ন করবই। এত লিস্ট চোখ খুলে দেখুক। ধাঁধিয়ে যাওয়ার ভয়ে সরে থাকে বাঙালি এটা ঘটনা। বাঙালির কাছে কি সত্যি টেকনোলজি নেই না জাস্ট উদ্যোগ নেই ? আর মানুষ একটা থেকে ওপর টেকনোলজি তে শিফট করে বেটার মনে করে বলেই। তা কেও বেটার হলে কেও লেসার তো হবেই। এখনো অব্ধিতেক্নলোজি কে আমরা যেটুকু ইউস্করেছি তা হলো আড্ডা দেওয়া হুইচ ইস গুড বাট বেসিক আরেক হলো অন্নপ্রাশনের ভিডিও আপলোড করা হুইচ ইস তু বেসিক তু বি গুড ইনাফ :/ এগোতে বললে ক্ষতি কী।
  • aka | ০৯ এপ্রিল ২০১৪ ২২:৩৪223616
  • আরে যারা কাছে নেই তারা কি করে টেকনলজি ইউজ করবে। তাদের অশ্রদ্ধা করার প্রশ্নই নেই। হানু ভুল বুঝেছে। আপাতত এই।
  • Ekak | ০৯ এপ্রিল ২০১৪ ২২:৩৩223615
  • পাই, ওটা আমি বুঝিনি। যে বিরোধিতা ক্যানো। হলে কি ক্ষতি !
    আমি অবশ্য বাঙালিকে ইনার্শিয়াল এনটিটি বলে একটু ধোয়া দিয়েছিলুম সেটা আলেদা :P
  • h | ০৯ এপ্রিল ২০১৪ ২২:৩২223614
  • ক্ষতি বলি নি। শুধু বলছি, যার কাছে যা আছে সে সেই টেকনোলোজি নিয়ে আত্মপ্রকাশ করছে। সেটার প্রতি একটা অশ্রদ্ধা একক ও আর্জোর কথায় ধরা পড়েছে। তাই নিয়েই কথা। আমার পোস্ট লক্ষ্য করলে সেটা দেখা যাবে। তবে টেড টকে দেখা যাবে না।
  • Ekak | ০৯ এপ্রিল ২০১৪ ২২:৩১223612
  • অঃ, এইচ বধায় কমিউনিকেশন মোড আর সিস্টেমে গুলিয়েছেন। আরবি ফার্সি ভাষা। ইন্টারনেট জাস্ট একটা মোড়। অডিও-ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার। হাতের ক্যারিকেচার + মুখে শব্দ। অডিও-ভিডিও মোড়। তারপরে ভাষা এলো, লিপি এলো। অদীয়ভিদিও ছাড়া কমিউনিকেট করার একটা পথ এলো। এবার আবার অডিও-ভিডিও তে ফিরে জাবেসব। সেখান থেকেই সার্চ হবে। বই হবে। এইটা না বুঝে অনেকে চেন্চন আজ্কের্বাচ্চারা গল্পের বই পড়েনা। পর্বে ক্যানো, অডিও-ভিডিও মোড এ পারসেপ্ট করবে। তাকে সেইভাবে বানিয়ে দিতে হবে। ভাষা তো তার মধ্যেই থেকেজাবে। বিরোধ নেই। সাইলেন্ট মুভির যুগে ফিরে যাওয়ার মত সাব্যস্ত মানুষ আর নতুন করে হবেনা।
  • h | ০৯ এপ্রিল ২০১৪ ২২:৩১223613
  • সুকেতু মেহতা র বম্বে নিয়ে যে বই ম্যাক্সিমাম সিটি, সেটার মত সামাজিক ইতিহাসের বই কম লেখা হয়েছে, অকল্পনীয় দরদ।

    আরেকটা খবর ও দেই, যব ছোড় চলি লখনৌ যাঁর লেখা নাম টা মনে পড়ছে না, তাঁর ই মেটিয়াবুরুজ নিয়ে ফ্যান্টাসটিক একটি বই আছে। অতএব সামাজিক ইতিহাস আছে, বৈজ্ঞানিক শিক্ষা প্রসার কম হয়েছে, আস্থা চ্যানেল এর প্রভাব বেশি, স্কুল কলেজের চেয়ে, কি করা যাবে। তবে টেড টক না হলে নলেজ তৈরি হচ্ছে না মানি না। খিদিরপুর লাইব্রেরী একটা অসামান্য জায়গা।
  • π | ০৯ এপ্রিল ২০১৪ ২২:২৮223611
  • টেড টক না হয়েও অনেক কিছু হয়ে চলেছে, যাতে করে অলস বা গবেষণাবিমুখ বলা যাবেনা, বুঝলাম। কিন্তু টেড টক হলে লাভ বই ক্ষতিটা কী বুঝলাম না।
  • h | ০৯ এপ্রিল ২০১৪ ২২:২৫223610
  • এবং বাই দ্য ওয়ে, মার্ক্সবাদী রা রাজনইতিক ভাবে দুর্বল হলে, হেরিটেজের পক্ষেই লোক বাড়বে, সামাজিক ইতিহাসের পক্ষে না। কারণ দ্য অ্যাটাক ফ্রম দ্য মোদী এন্টারপ্রাইজ ইজ অন রিজন নট অন গ্র্যান্ডিওজ অ্যাকুমুলেশন।
  • h | ০৯ এপ্রিল ২০১৪ ২২:২২223609
  • ইশান ভারতে সামাজিক ইতিহাসের রচনাশৈলীর (হিস্টরিওগ্রাফি) টা মার্ক্সবাদী এবং অনালিস্ট দের ধরে এসেছে এখনকার ইপোকে এবং এর আগেও ছিল। 'ট্রেন্ড অ্যানালিসিস' গোছের কাজ যেটা প্রিন্ট কালচারের একটা অংগ ছিল। নকশা কে ট্রেন্ড অ্যানালিসিস বলা যেতেই পারে, আবার ১৯৩০ এর দশকে বেরোনো ফিল্ম ম্যাগাজিন কেও সেটা বলা যেতে পারে। গবেষক দের কাছে এগুলো পরিচিত।

    এখন সামাজিক ইতিহাসের প্রচুর কাজ হয়। খবর না রাখলে, হয় না বলে উড়িয়ে দেওয়া উচিত না।

    উদা দেই।

    কলকাতার গালাগাল ও নেশা নিয়ে তো কাজ তো বিখ্যাত কলকাতার গুন্ডাদের নিয়ে কাজ হয়েছে। ২০ র দশকের আনডারওয়ার্ল্ড নিয়ে অসামান্য কজ রয়েছে। মধ্যযুগীয় গঞ্জ শহর নিয়ে কাজ হয়েছে, অসামান্য বললে কম বলা হয়। চইতন্যর পুরী যাওয়ার রুট নিয়ে কাজ। আসাম/ত্রিপুরা/বাংলা তিন জায়গাকার, নন-আর্বান রিফিউজি দের নিয়ে কাজ হচ্ছে একটা বলতে পারি। ঊনবিংশ শতকের বম্বের গণিকাদের সামাজিক ব্যাকগ্রাউন্ড নিয়ে এক তরুন গবেষক পেপার লিখেছেন। বই বেরোবে। ফুটবল ও ন্যাশনালিজম নিয়ে চমৎকার কাজ রয়েছে। কৌশিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

    বীরভূমের কৃষি কেন্দ্রিক গণ আন্দোলনের ভালো কাজ রয়েছে। বর্ধমানে তো রয়েইছে। হ্যাঁ ইন্টারনেটে নেই। তো কি হয়েসে টা কি, লোকে আগ্রহ থাকলে পড়ে দেখবেন, খোঁজ নেবেন।

    হ্যাঁ আমাদের দেশে হেরিটেজ সম্পর্কে যতটা উত্তেজনা আছে, সামাজিক ইতিহাস সম্পর্কে নাই। তবে ভলান্টারিজম সম্পর্কে আপত্তি র জায়গা দুটো। আমরা না করলে কেউ করছে না ভাবা। আর আমরা করে পৃথিবী কে উদ্ধার করছি এটা ভাবা। এবং আনফরচুনেটলি এটাও শুধু বাংআলীদের দোষ না।

    আমি একটা পড়াশুনো না জানা মাল, জাস্ট বইয়ের দোকানের কর্মচারীর মত খবর রাখি সেই এত কটা উদা দিতে পারলাম, যারা কাজের মধ্যে আছে অনেক খবর দিতে পারবে। তারা কেউ ই চাইছেনা দেশটা গোল্লায় যাক। কিন্তু কেউ টেড টক দেওয়ার প্রয়োজন বোধ করে নি। এবং যখন কাগচে নাম তুলতে খুব উদগ্রীব হবে, বা ইন্টারনেটে, তখন কাজ কদ্দূর হবে সন্দেহ আছে। হরিচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় টেড টক দিয়েছিলেন শুনি নি, হয়তো দিতেন, এখন বেঁচে থাকলে, কিন্তু একটা নতুন মিডিয়া তে সব কিছু না আসা পর্যন্ত সকলে অলস বা পশ্চাদ বিমুখ এরকম ব্যাকওয়ার্ড ধারণা সমর্থন করতে পারছ্হি না।
  • Ekak | ০৯ এপ্রিল ২০১৪ ২২:২১223608
  • আমি বাঙালি কে মার্কস বাদী মনে করিনা। তাহলে এটলিস্ট একটা সোভিএট্ হত।
  • ঈশান | ০৯ এপ্রিল ২০১৪ ২২:১৫223607
  • নাঃ পঃব এর বাঙালি মার্ক্সবাদী বলে এসব করেনা, আমার মনে হয়না। চিনের মার্ক্সবাদীরা যথেষ্ট যত্ন নিয়েই এসব করেছেন। অলস বলেও মনে হয়না। কারণ, আরও নানাবিধ ক্ষেত্রে আলস্যের কোনো লক্ষণ দেখিনা।

    তবে জাতিগত সংস্কৃতি রক্ষণের ক্ষেত্রে অনুৎসাহী বা কুঁড়ে তো বটেই। যেটা, ধরুন, তামিলরা নয়। যতদূর শুনেছি।
  • sosen | ০৯ এপ্রিল ২০১৪ ২২:১৩223606
  • ওমনাথ।
  • ঈশান | ০৯ এপ্রিল ২০১৪ ২২:০৮223604
  • এটা শুধু ডিজিটাল আর্কাইভের প্রশ্ন নয়। লোকের নিজের ইতিহাস সম্পর্কে শ্রদ্ধা থাকলে এমনিও ইতিহাস আর্কাইভড হয়। কোথাও না কোথাও কোনো না কোনো ভাবে। আমি অবাক হয়ে দেখি, বাংলাদেশীরা কী যত্নে মুক্তিযুদ্ধকে ডকুমেন্ট করে রেখেছে। ওদিকে আমাদের ষাট-সত্তর? তার কোনো ডকুমেন্টেশন নাই।

    এবার বলবেন্না, ওই তো ওমুক বই আছে। সে দুচাট্টি পার্টি দলিল, অতুল্য ঘোষের কষ্টকল্পিত, সেসব কি আর নেই? যা নেই, তা হল, সামাজিক ইতিহাস। ধরুন, পশ্চিমবঙ্গে ক্লাব কালচারের কি করে পত্তন হল, সে তো কোনো পার্টি দলিলে লেখা থাকবেনা। ওর জন্য অন্যরকম সাক্ষ্য দরকার হয়। বা ধরুন বঙ্গে ফাটা কেষ্টর উত্থান ও পতন। বা রাম চ্যাটার্জি পৃথিবী ও বামপন্থী আন্দোলন। এসব নিয়ে আপনি একটাও কাজ করতে পারবেন? চেনাশুনো লোকেরা মরে গেলে, পারবেন না, জাস্ট কোনো কিচু আর্কাইভ করা নেই।

    কি বলব একে? ইতিহাস বিমুখতা? ইতিহাসের মরে যাওয়া? ইন ফ্যাক্ট এই প্রক্রিয়াটা (বা প্রক্রিয়ার অভাব) নিয়ে আলাদা করে গবেষণা হওয়া দরকার। কিন্তু কে দেখবে/পড়বে/করবে সেসব?
  • Arpan | ০৯ এপ্রিল ২০১৪ ২২:০৮223605
  • টেস্ট।
  • π | ০৯ এপ্রিল ২০১৪ ২২:০৭223603
  • ও, এই আন্তর্জালিক কচকচানির মধ্যে কাব্লিদাকে একটা বড় করে থ্যাঙ্কু দিয়ে যাই !
  • h | ০৯ এপ্রিল ২০১৪ ২২:০৬223602
  • যে কোনো নতুন কমিউনিকেশন সিস্টেম, যেমন ইংরেজি, এই ভাবেই সংস্কৃত এবং আর্বী ফার্সী কে ব্যাকডেটেড ঘোষণা করেছিল। এটাকেও সমর্থনের কারণ পাই না।
  • h | ০৯ এপ্রিল ২০১৪ ২২:০৫223601
  • আরেকটা ব্যাপার, কেউ ডিজিটাল সংগ্রহ করলে বা টেড টক দিলে আমার কোন আপত্তি নেই, কিন্তু এটা না করলে লোকে বাঙালী বা মার্ক্সবাদী বা অলস, এই ধারণা গুলো সিরিয়াসলি ভিত্তিহীন। আমার কিসু তেমন সংগ্রহ করার নাই, দেবার মত টক ও নাই, এই ভাট যা দিছি তাতেই বিশ্ব অন্ধকার, কিন্তু তাই বলে আমি অলস হব কেন? আনবিলিভেবল।
  • Ekak | ০৯ এপ্রিল ২০১৪ ২২:০৪223600
  • ইন্টারনেট একটা আধুনিক মোড়। বেটার কমিউনিকেশন সিস্টেম। তার মানে বেটার ফীডব্যাক এন্ড চেকিং। আলটিমেটলি বেটার নলেজ। এইটাই প্রাচীনকাল থেকে হয়ে এসেছে। বেস্ট উপায়ে ছড়িয়ে দাও। অবশ্য যদি বলেন যা তেস্তেদ নয় তাও একসেপ্টেবল নলেজ তাহলে আলাদা কথা। ইন্টারনেট জাস্ট ওই হাতের ভঙ্গী থেকে তালপাতা হয়ে আসা একটা আধুনিক মাধ্যম মাত্র। তার সীমাবধ্ধতা আছে কিন্তু পতেন্সিয়ালিতি অনেক বেশি। অনেক দ্রুত ও অনেক বেশি ফীডব্যাক আসছে। এর খারাপ দিক আছে কিন্তু সেটা আমাদের পরশুর লড়াই। আগামী কালে ইন্টারনেট চাই।
  • π | ০৯ এপ্রিল ২০১৪ ২২:০৩223599
  • ইন্টারনেটে ভিডিও আপলোড করলে নলেজ প্রোডাকশন হয় আনে আপলোড না করলে নলেজ প্রোডাকশন হয় না, এটা মনে করিনা।
  • h | ০৯ এপ্রিল ২০১৪ ২১:৫৯223598
  • এককের এই কোট, এটাকে সমর্থন করার কোন কারণ দেখি না। এর মধ্যে যেটা লুকিয়ে আছে, সেটা হল ইনটারনেটে ভিডিয়ো আপলোড না করলে নলেজ প্রোডাকশন হয়্না। এটা কি করে মানব?
  • π | ০৯ এপ্রিল ২০১৪ ২১:৫৭223597
  • 'যেকোনো টক বা বক্তৃতা ভালোভাবে ভিডিও ও আপলোড করা একটা কালচার যেটা নিজের অজান্তে নলেজ বেস এড করে যায় সমাজে। '

    এটাতে দ্বিমত হবার কোনো কারণ দেখছিনা। আমি তো ভাল টক শুনলেই সেটার ভিডিও করি, কিন্তু ল্যাদ কাটিয়ে আপলোড আর করা হয়না, সেটা আলাদা কথা ! অবশ্য, শুধু ল্যাদই না, ইন্ডিভুজ্যাল প্রোফাইল থেকে তুললে সে কজনের কাছেই বা পৌঁছাবে, এ সংক্রান্ত কনসার্নও কাজ করে। তো, এখানে টেডের মত কোন প্ল্যাটফর্ম থাকলে তো ভালোই হত। ইন ফ্যাক্ট, এরকম কিছু তো গুরুতেও শুরু করা যায়। একটা ভিডিও বা অডিও সেকশন। সেখানে বিভিন্ন লোকজনের রেকর্ড করা কিছু ভাল টক বা সেশনের অডিও/ভিডিও রইলো। অবশ্যই বক্তৃতাদানকারীদের অনুমতিক্রমে।

    ডেমোক্র্যাসি নাও এর মতন সাক্ষাৎকার ভিত্তিক কিছু একটা চালু করার ইচ্ছাও অনেকদিন ধরে ছিল। অন্ততঃ সাপ্তাহিক, কি শুরুর দিকে পাক্ষিক ভাবে ! ইন ফ্যাক্ট, এরকম কিছু সাক্ষাৎকারও নেওয়া আছে।
  • ঈশান | ০৯ এপ্রিল ২০১৪ ২১:৫৬223596
  • পল্লাম। দুই খানা জানা জিনিস শেয়ার করি।

    বাংলা ডিজিটাইজেশনএর যা উন্নতি সবই বাংলাদেশের হাত ধরে। পশ্চিমবঙ্গের বাঙালিরা কিসুই করেনি প্রায়। বহুনিন্দিত বহুজাতিকরা কিছু করেছে। মাইক্রোসফটের এক আধখানা অখাদ্য হলেও ফন্ট আছে। গুগল টুগলের কিছু বাংলা লেখার কলও আছে। কিন্তু সে সবই হালের। ইউনিকোডের সুন্দর সুন্দর ফন্ট বলুন, বাংলা লেখার অভ্র বলুন, সবই ফ্রি, এবং বাংলাদেশীদের দান। বাংলাকে নেটে জনপ্রিয় করার কথা ছেড়েই দিলাম। এই ব্যাপারে পশ্চিমবন্দবাসীদের কোনো ভূমিকাই নাই। তাঁরা মূলতঃ সোফায় বসে ল্যাদ খান ও আর সব "গুরুত্বপূর্ণ" বিষয় নিয়ে ভাট মারেন। সে কোনো অপরাধ নয়, কিন্তু বাংলাদেশীদের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গবাসীডের একটা তফাত আছে এই বিষয়ে সে নিয়ে কোনো সন্দেহই নাই।

    তা, এই মানসিকতা, বাকি সর্বত্রই কাজ করে। ভাষা, ঐতিহ্য, সমসাময়িকতা, কিসুর উপরেই এপারে তেমন মমত্ব নেই। ভাষা ধুয়ে কি জল খাব? চাকরি পাব? আর্কাইভ করে কি লাভ, ও তো কেউ না কেউ করেই দেবে, না করলে গোল্লায় যাক, কিই বা যাবে আসবে, এরকম একটা ভাব। এতে দোষের কিছু নাই। তবে গোটা একটা জাতি যখন বহুলাংশে এরকম ভাবতে শুরু করে, তখন তার অনেককিছুই গোল্লায় যায়। সেটা শুধু ডিজিটাইজেশনেই সীমাবদ্ধ থাকেনা। সর্বত্রই যায়। সে গেলে যাবে, আর কিই করা যাবে। সকলই অদৃষ্ট। সকলই তোমারই ইচ্ছা, ইচ্ছাময়ী তারা তুমি। :-)
  • Ekak | ০৯ এপ্রিল ২০১৪ ২১:৫২223595
  • ইয়ে, শেষ লাইনের আগে আপনি /তুমি গুলো প্লেস হোল্ডার। বাঙালি বুদ্ধিজীবি তা একটা গাল, ওটা দি নি, প্লিস ভুল বুঝবেন না :)
  • Ekak | ০৯ এপ্রিল ২০১৪ ২১:৪৮223594
  • ইন্টারনেট এখন কম লোকে ইউস করেত কি হয়েছে।

    আরে ইন্টারনেট কিছু মানুষের থাকবে, তার চারপাশে টিভি, তার চারপাশে খবরের কাগজ, তার চারপাশে হয়ত বাড়ির লোকের আলোচনা। ইনফরমেশন কন্সেন্ত্রিক সার্কল তৈরী করতে করতে যায়। এগুলো জাস্ট সোসাইটির ওই ওই শ্রেনীর ম্যাক্সিমাস এভেইলেবল কমিউনিকেশন মড। কালকে ইন্টারনেটের চেও বেটার কনসেপ্ট আসতে পারে যে আরও দ্রুত প্রসেসিং এর সুযোগ দেবে। উত্তর দেবে। তাতে সমাজের কিছু লোক উপকৃত হবে, বাকিরা আবার ওই ইন্টারনেট -টিভি সার্কল ধরে ছড়াতে থাকবে। তাতে কি হলো ?
    ইন্টারনেট কে ফুল ইউস করা মানে শুধু ইন্টারনেট কে ইউস করা না। সেই নলেজ পেয়ে বাকিরাও সমৃদ্ধ হচ্ছে লেয়ার বাই লেয়ার। আলটিমেটলি কোনকিছুই যে কোনো অভিমুখে পেনিত্রেত করেনা কিন্তু ইনফরমেশন মড তো এভাবেই উন্নত হয়। উনবিংশ শতাব্দী তে যে লোকগুলো বিলেত থেকে জাহাজে বই আনিয়ে পড়ত তারাও সংখ্যায় কর গোনা ছিল। তাতে কি এসে যায়। তারাই পত্রিকায় লিখেছে। আপনি নিজে যতগুলো মাধ্যমে আছেন গলা তুলুন। মাসাই রা ঢাক বাজিয়ে কমিউনিকেট করে বলে আপনাকে ঢাক শিখিয়ে লাভ নেই। মাসাই দের কাওকে শেখালে কাজে দেবে। এই অদ্ভূত চিন্তাটাআধুনিক বাঙালি বুদ্ধিজীবিদের খুব দেখেছি। সবসময় যেন গিলটি। আরে তোমার গলা যতটা ওঠে চেন্চাও। তার বদলে যেটা হয় তা হলো সবাই সবাইকে চেঁচিয়ে বলছে : আরে চেঁচিয়ে লাভ নেই কেও শুনতে পাবেনা। টিভি ইন্টারনেট এগুলোর আরও বেশি সুবিধা নিতে হবে ইন্দিভিজুয়ালের বক্তব্য ছড়াবার জন্যে। আপনার আসলে টেড এর ফরম্যাট তা অপছন্দ বধায় :) সে হলে আলাদা কথা।
  • h | ০৯ এপ্রিল ২০১৪ ২১:৩৫223593
  • কুমু দি পড়ার কোন সোজা উপায় নেই। আমাদের শান্তিনিকেতনের বাড়িতে যেতে পারেন, গিয়ে পড়ে আসতে পারেন। আমাদের বাড়ির মিনি লাইব্রেরী ডিজিটাইজ করার ইচ্ছে আমাদের আছে, কিন্তু সেগুলো এতটাই পার্সোনাল ইন্টারেস্টে ভর্তি, মানুষের কাজে লাগবে না, তাছাড়া অত সময় ও নেই।

    কিন্তু আমি ওভারল খুব বেশি সংগ্রহের পক্ষে না। বেশির ভাগ জিনিস যা জমা হয় তার জমা না হলেও চলে। যেমন ভাটিয়ালি;-)
  • ঈশান | ০৯ এপ্রিল ২০১৪ ২১:৩০223591
  • একটু সোজা করে বললে পক্ষে বা বিপক্ষে বা নিরাপদ দূরত্ত্বে থেকে আমি আমার মূল্যবান মতামত দিয়ে আপনাদের সমৃদ্ধ করতে পারতাম।

    কিন্তু তা তো হবার নয়, অতএব, পিছনের পাতা পড়ে খুঁটে খাওয়া পর্যন্ত আপনাদের অপেক্ষা করতে হবে।
  • Ekak | ০৯ এপ্রিল ২০১৪ ২১:৩০223592
  • অনেককিছু আছেও যা অন্যেরা কাজে লাগাচ্চেনা কারণ ওই কালচারটা উদ্যোগ নিয়ে গ্রো করেনি বাঙালির মধ্যে। যেকোনো টক বা বক্তৃতা ভালোভাবে ভিডিও ও আপলোড করা একটা কালচার যেটা নিজের অজান্তে নলেজ বেস এড করে যায় সমাজে। পশ্চিমবঙ্গের বাঙালিরা এখনো আনন্দ অনুষ্টানের ভিডিও আপলোড করাতে আছেন। পরের সিঁড়ি তায় সামলে পা রাখেনি। এই যেমন ওরাল হিস্ট্রি প্রজেচ্ক্ত বললেন ওটা একটা ধাপে পা রাখা । এটা শুধু একাডেমিক উদ্যোগ নয়, কালচার হিসেবে গ্রো করা উচিত। পরিণতি ভালনা কিন্তু এখন ঐটাই পথ, কারণ পশ্চিমকে দেখলে হবেনা আমাদের আগের যুদ্ধ কিছুবাকি আছে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত