এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • kumu | ১৯ এপ্রিল ২০১৪ ২৩:৫২226320
  • লিং isebindia.com/05_08/07-07-1.html
    সবাইকে আবারো ধন্যবাদ,ভালোবাসা,উলুতপুলুত হওন।ভালোবাসার মত আর কী আছে?সারাটিদিন ধরি নিলেও তা অশেষ।
    ব্যাং, শ্যামলদা ওসব কুড়োন না,গোবুদা কুড়োতেন সেও এক আধটা।
  • kc | ১৯ এপ্রিল ২০১৪ ২৩:৪৭226319
  • কলকাতা হেরেছে? ইশ! চেলসির হার দেখতে গিয়ে কলকাতার হার দেখা হলনা। ঃ-)
  • kumu | ১৯ এপ্রিল ২০১৪ ২৩:৪৬226318
  • দ,সরি অনেকক্ষণ ছিলাম না।
    সিঁদুর প্রাচীন কালে তৈরী হত হলুদগুঁড়োয় ক্যালসিয়াম অক্সাইড/হাইড্রক্সাইড অথবা ফিটকিরি,আয়োডিন এইসব নানারকম মিশিয়ে এতে ক্ষতির তেমন সম্ভাবনা ছিলনা।
    কিন্তু এখন যে সিঁদুর বাজারে পাওয়া যায় তাতে প্রচুর ক্ষতিকর উপাদান থাকার সম্ভাবনা।যেহেতু সিঁদূর তৈরী করার কোনো নির্দিষ্ট মেথড নেই তাই এর কম্পোজিশনও নানারকম হতে পারে।উজ্জ্বল লাল রং আনার জন্য সিঁদুরে যে সব উপাদান ব্যবহার করা হতে পারে-Vermillion বা মারকিউরিক সালফাইড/সালফাইট(সব মার্কারি যৌগের বিষক্রিয়া আছে)
    লেড টেট্রক্সাইড(দীর্ঘদিন চামড়ার সংস্পর্শে থাকলে শরীরে জমা হয়ে লেড পয়জনিং হতে পারে)অথবা অন্য কোন সস্তা রং।ব্র্যান্ডবিহীন বাজার চলতি সিঁদূরে লেড টেট্রক্সাইড থাকার সম্ভাবনা খুব বেশী।
    সম্ভবতঃ ১৯৯৪ সাল নাগাদ CPCB ও আরো দুটি সংস্থার সুপারিশ অনুযায়ী সিঁদুর,কুমকুম বিন্দি -এইসব প্রসাধনীর জন্য Ecomarking আবশ্যিক করা হয়েছিল।তবে কেউ বিশেষ কর্ণপাত করেনি।কোন সিঁদুরের প্যাকে ingredientএর লিস্টও দেওয়া থাকে না,যদিও তা থাকা উচিত।

  • T | ১৯ এপ্রিল ২০১৪ ২৩:৩৯226317
  • বেশ হয়েছে।
  • সায়ন | ১৯ এপ্রিল ২০১৪ ২৩:৩৭226316
  • জে পি ডুমিনি :) :)
  • ঈশান | ১৯ এপ্রিল ২০১৪ ২৩:৩১226315
  • কুমুদিদের বিবাহবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আমাদের এখানে বসন্ত এয়েছে। :-)
  • byaang | ১৯ এপ্রিল ২০১৪ ২৩:২৯226312
  • কুমুদি আর গোবুদাকে হ্যা ম্যা অ্যা। কুমুদিকে অ্যাত্তো অ্যাত্তো রুমাল, চুলের ক্লিপ আর সেফটি পিন দিলুম। গোবুদা যাতে সারা জীবন ধরে গুছিয়ে রাখতে থাকে।
  • Blank | ১৯ এপ্রিল ২০১৪ ২৩:২৫226311
  • কুমুদি আর শ্যামল দাকে হেপ্পি জন্মদিন
  • সায়ন | ১৯ এপ্রিল ২০১৪ ২৩:২০226310
  • অনেক বানান ভুল রয়েছে, অনিচ্ছাকৃত।
  • সায়ন | ১৯ এপ্রিল ২০১৪ ২৩:১২226308
  • দমদি, নীচের লেখাটা অনুবাদ করেছিলাম ২০১১'য়। বুলবুলভাজায় খুঁজে দেখলাম নেই। (বুলবুলভাজায় এটা পেলাম - http://www.guruchandali.com/default/2013/09/06/1378489616356.html#.U1Kp4lWSzl8) নিজের কাছে অনুবাদটা ছিল, সেটা এখানে দিলাম।

    মূল লেখা - Killing thy Neighbour : India, and its Border Security Force
    - Rahnuma Ahmed

    খুনী পড়োশ - ভারতের সীমা সুরক্ষা বল
    - রহনুমা আহমেদ

    * ৭ই জানুয়ারি ২০১১ঃ সকাল ৬’টাঃ কুনিগ্রামের অনন্তপুরে বর্ডার পার হওয়ার সময় ফেলানি’র কাপড় কাঁটাতারে জড়িয়ে যায়। অনেরো বছর বয়সী এই বাচ্চা মেয়েটা দিল্লি’তে কাজ করত। দশ বছর পরে ওইদিন সে তার আব্বার হাত ধরে দেশে ফিরছিল, তার যে শাদি! খুব চীৎকার করেছিল ফেলানি। বিএসএফ তাকে গুলি করে মারে। তারপর তারা ফেলানির পনেরো বছরের শরীরটা নিয়ে চলে যায়। *

    স্টীল আর কংক্রীট দিয়ে তৈরী আট-ফুট উঁচু দুই-দেওয়ালের প্রাচীর, তীক্ষ্ম-ধারালো কাঁটাতার দিয়ে ঘেরা, বাংলাদেশের সীমা বরাবর ভারতবর্ষ সরকার-দ্বারা নির্মীয়মান এই সুবিশাল “গ্রেট ওয়াল অফ ইন্ডিয়া”র কাজ শেষ হয়ে গেলে সমষ্টিগতভাবে এর আয়তন হবে মার্কিন-মেক্সিকো সীমানা, ইজরায়েল-প্যালেস্টাইন আর বার্লিন’এর দেওয়ালের চাইতেও বেশী।

    ফ্লাডলাইটের আলোয় উজ্জ্বল, নির্মীয়মান এই প্রাচীরটির উদ্দেশ্য ভারতের সীমারেখায় দেশের পক্ষে প্রতিকূল সবরকম পরিস্তিতির মোকাবিলা এবং সুরক্ষা প্রদান, এই প্রাচীর এমন একটি বন্দোবস্ত যা কিনা এই সব প্রতিকূল পরিস্থিতি অঙ্কুরেই বিনাশ করবে। উচ্চশেণীর প্রযুক্তিতে মোড়া এই প্রাচীরে লাগানো হবে নাইট ভিশন ক্যমেরা, পোর্টেবল থার্মাল ইমেজারি ডিভাইস, ওয়র-ক্লাস সার্ভেইল্যান্স রেডার, ডাইরেকশন ফাইন্ডার, অটো-ট্রীগার গ্রাউন্ড সেন্সর, শক্তিশালী টেলিস্কোপ যে সব কিনা “ফোর্স মাল্টিপ্লায়ার” হিসেবে “কার্যকরী” সীমা-সুরক্ষা ব্যবস্থাপনার সহায়ক হবে।

    ইতিমধ্যে ভারত-বাংলাদেশের সীমায় এই প্রাচীরের সত্তর শতাংশ কাজ সম্পূর্ণ হয়ে গেছে। ১০ই নভেম্বর ২০১০’এ রাজ্য সভায় একটি প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে ভারতের রাজ্য গৃহ-মন্ত্রী বলেন এই প্রাচীরের কাজ সন ২০১২’এ মার্চ’এ শেষ হবে। একটি সম্ভাব্য ব্যয়ের হিসাব অনুযায়ী, এই প্রোজেক্টের পিছনে মোট খরচ প্রায় ৬০ কোটি টাকা।

    অ্যামস্টারডাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ উইলেম-ফন শেনডেল বলেন আধুনিক যৌক্তিকতার নীরিখে ঔপনিবেশিক সীমা-বিভাজনের ভূমিকা সামান্যই। এই দুই দেশের সীমানা একটা সরলরেখা নয়। এমন এক আঁকাবাঁকা রেখা যা দেশের ভৌগলিক, সাংস্কৃতিক, সামাজিক সবকিছুর স্থান-কাল-পাত্র চাড়িয়ে অন্তর্লীন ইতিহাসের প্রতি এতটুকু সৌজন্য না-দেখিয়ে অতিক্রান্ত হয়েছে। এই প্রসঙ্গে প্রাচীন রাজধানী গৌড়’এর নাম এসে পড়ে। এমন উদভ্রান্ত সীমানা যা নিঃসন্দেহে মনুষ্যত্ব এবং ইতিহাসের প্রতি সম্পূর্ণ শ্রদ্ধা ও সহানুভূতিহীন কোনও ভাবনার ছায়াতেই দেখা যায়। ("excessively baroque mind" - The Bengal Borderland: Beyond state and nation in South Asia, 2005)।

    কৃষিজমি, হাটবাজার, পরিবার, সম্প্রদায় -- সীমানা সবকিছুর ভাগাভাগি করে দেয়, আপনজনদের ছাড়িয়ে নিয়ে যায় দূরে। দক্ষিণের ঘন সবুজ ম্যানগ্রোভ বনানী অথবা উত্তরপূবেরের গিরি-তরু-ছায়া পাহাড় পর্বত – সেমানা এই সবকিছু কেটে ফালি করেছে। বাংলার কত গ্রাম বিভাজিত হয়েছে এভাবে। দৈনন্দিন সরল গ্রাম্য জীবন আজ আমলাতান্ত্রিক জটিল আবর্ত্তে ভরা। ভারতীয় মুসলমান আইনকর্মী মজনু রেহমান মন্ডল এবং তাঁর বাংলাদেশী স্ত্রী আহমেদা খাতুম নিজের বাবা মারা যাওয়ার পর এই উপলব্ধি করেছিলেন যখন তাঁকে নিজের গ্রাম ভিরা’তে বাবা’র অন্ত্যেষ্টির কাজে শামিল হতে গিয়ে দিল্লী থেকে পাসপোর্ট আর কোলকাতায় ভিজা’র আবেদন করতে হয় (বিদীশা ব্যানার্জী, December 20, 2010)। পাণিধর গ্রামে ফজলুর রহমান’এর বাড়িতেও এইভাবে সীমানার কাঁটাতার হামলা করে, আলাদা করে দেয় দুইভাই’কে। যে ভাই একদিন তার বাড়ির সামনেই থাকত, আজ সে অন্য দেশবাসী! (Time, February 5, 2009) কাঁটাতারের এমন মহিমা! এখানেই থেমে থাকেনি, সীমান্তবর্তী গ্রামে এভাবেই পৃথক দেশে সরে গেছে রসুই এবং শয়নকক্ষ’ও।

    এখন নিজের চাষের জমিতে যেতে, অথবা নিতান্ত গৃহস্থালীর বাজার করতে হলে সীমান্তবর্তী গ্রামবাসীদের সারিবদ্ধ হয়ে নিজের নিজের পরিচয়পত্র বিএসএফ রক্ষীবহিনীর কাছে জমা রাখতে হয়। তাদের এই রক্ষীবহিনীর কৃপা-বশবর্তী হয়েই চলতে হয়। অনেকসময় জমির ফসল নষ্ট হয়ে যায়, যখন এই সুরক্ষাবাহিনীর সম্মতিপত্র পাওয়া যায় না, কিন্তু তাদের আদেশ অনমনীয়। মুর্শিদাবাদের মিঠু শেখ’এর কথায় “কৃষি সমস্যার কথা বিএসএফ বোঝে না”। কখনও কখনও জমিতে যেতেই দুপুর গড়িয়ে যায়। কখনও জল শুধু রাত্রেই পাওয়া যায় কিন্তু আমাদের কাজ বন্ধ হতেই হবে বিকেল চারটের মধ্যে, এমনটাই আদেশ, তার পরে জমিতে কাজ করার অনুমতি নেই। যদি আমরা আমাদের ফসলের স্বার্থে কখনও সেই সময়ের বাইরে থেকে যেতে হয় তো আমাদের ভাগ্যে জোটে বেধড়ক মার। আর তারপর মিথ্যা অভিযোগ দাখিল করা হয় আমাদের নামে। ("Trigger Happy." Excessive Use of Force by Indian Troops at the Bangladesh Border, Human Rights Watch, December 2010).

    বোঝাপড়ার এই খামতি দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর উচ্চতম পর্যায় পর্যন্ত অসহযোগিতার কারণ হয়ে ওঠে। বিএসএফ’এর ডিজি রামণ শ্রীবাস্তব এক অফিশিয়াল ভারত-বাংলাদেশ বৈঠকে বিডিআর (বাংলাদেশ রাইফেলস, নতুন নামঃ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ) কে তাদের অভিযোগ যে ভারতীয় সীমাবাহিনী নিরাপরাধ, নিরস্ত্র এবং অসামরিক বাংলাদেশীদের খুন করছে – এর উত্তরে বলেন যে “বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই এইসব মৃত্যুর ঘটনাগুলি ভারতের মাটিতে রাতের অন্ধকারে হয়েছে, তো এরা নিরাপরাধ হল কীভাবে?” সম্যক ধারণার প্রতিধ্বনি শোনা যায় বাংলাদেশ রাইফেলস’এর চীফ মেজর জেনারেল মইনুল ইসলামের কন্ঠে। সন ২০১০’এর মর্চ মাসে “রাতের অন্ধকারে মানুষ এবং গবাদি পশু পাচার” প্রসঙ্গে ইনি বলেন “এইসব ঘটনা (মৃত্যু) নিয়ে আমাদের বিচলিত হওয়া ঠিক নয়। আমরা এই ব্যাপারে কথা বলেছি এবং আপনাদের নিশ্চিন্ত করছি যে নিরাপরাধ মানুষ আর মারা যাবে না।”।

    * বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্ত দোহালখারি লেক’এ ২০০৯’এর মার্চে মাছ ধরছিলো তেরো বছরের আবদুর রকীব। একজন প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ানে “বর্ডারে দাঁড়িয়ে বিএসএফ’এর এক সেনা রকীবের কাছ থেকে মুফ্‌তে মাছ চাইছিল। রকীবের সঙ্গে এই নিয়ে সেই সেনার বচসা বাধে। গালিগালাজ হয়। এরপরে ঐ রক্ষী রকীবের দিকে তার বন্দুক তাক করে এবং ভয়ে ছুটে পালাতে চাওয়া রকীবের দিকে গুলি করে। দু’জন আহত হয়। রকীবের বুকে গুলি লাগে। রকীব সঙ্গে সঙ্গে মারা যায়। রকীব, তেরো বছরের একটা ছেলে। *

    দিনের পর মসের পর বছর দরিদ্র, অর্ধভুক্ত, অভুক্ত মানুষগুলো দুইমুঠো অন্নসংস্থানের জন্য, ক্রমবর্দ্ধমান জনসংখ্যার চাপে, শুকনো নদীখাত ভরে চর হয়ে গিয়ে অনুন্নত সেচব্যবস্থার মুখে নুয়ে পড়ে শেষমেষ এগিয়ে এসেছে মানুষ, গবাদি পশু এবং বেআইনি রপ্তানির বাজারে কাজ করে চারটে পয়সার মুখ দেখতে, খাবার জোগাড় করতে, বাঁচতে। বিএসএফ আর বিজিবি’র একে অপরকে দুর্নীতির অভিযোগ করার মাঝে ন্যায়াধিকার দপ্তরের প্রতিবেদন মারফত জানা গেছে যুযুধান দুই পক্ষেরই কিছু উচ্চপদাধিকারী, রাজনীতিবিদ এবং সরকারি বাবু সুনিশ্চিতভাবেই এই পাচার প্রক্রিয়ার সঙ্গে সরাসরিভাবে যুক্ত। এক ঊর্দ্ধতন বিএসএফ কর্মচারীর জবানীতেঃ “দুই পক্ষের প্রচুর লোক এই সব কাজের সঙ্গে জড়িত। আমাদের তরফেরও। শুধু সেই কারনেই এইসব ছোটোখাটো কৃষকেরা দু’একটা গরু নিয়ে ধরা পড়ে। বৃহত্তর সেই সব চালান যাতে করে ড্রাগস বা গবাদি পশু পাচার করা হয়, সেগুলো কোনওদিনই ধরা পড়ে না।”।

    কলকাতা-ভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা “মানবাধিকার সুরক্ষা মঞ্চ”এর (মাসুম) কর্নধার কিরীটি রায় মনে করেন এসবের পিছনে একটি শাস্তিবিহীন নৈরাজ্যবাদ কায়েম রয়েছে। “আমরা বহুবার কোর্টকাছারি করেছি, জাতীয় মানবাধিকার মঞ্চ, জাতীয় সংখ্যালঘু প্রতিষ্ঠান, তপশীলী জাতীয় সংস্থা, জাতীয় শিশুঅধিকার সংরক্ষণ প্রভাগ পর্যন্ত গিয়েছি। কিন্তু আমাদের তোলা কোনও কেসই সন্তোষজনক উপসংহার পায়নি। কিছু কিছু ক্ষেত্রে ভুক্তভোগী পরিবারের কেউ কেউ বিএসএফ’এর কোর্টে জিজ্ঞাসাবাদের খাতিরে হাজির হন, কিন্তু আদতে আমরা যারা অভিযোগকারী, কোর্টে আমাদের জবার দুরুস্ত করতে আমাদের কখনও শমন দেওয়া হয়নি। আজ পর্যন্ত কোনও বিচারের ফলাফল জনসাধারণকে জানানো হয়নি।

    বিএসএফ বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের কাছে মানবাধিকার উল্লঙ্ঘন করা নিয়ে কোনওরকম খুঁটিনাটি দেয়নি। বিএসএফ সেনাদের মধ্যে শাস্তিবিহীনতাজনিত অরাজকতা বিএসএফ সেনারা এখন আইন বলে ভাবে। এই ভাবনাও যে কত বড় সত্যি কারণ যতক্ষণ না ভারত সরকার বিএসএফের বিরূদ্ধে ভারতীয় দন্ডবিধি অনুসারে কোনও তদন্ত বলবৎ করছে বিএসএফ এমনই নির্মম স্বৈরাচার কায়েম রাখবে, এটা এখন তারাও বোঝে।

    * ২২শে এপ্রিল ২০০৯’এ রবীন্দ্রনাথ মন্ডল এবং তাঁর স্ত্রী ভারতে বেআইনিভাবে প্রবেশ করে রবীন্দ্রনাথ’এর চিকিৎসা করে বাংলাদেশে নিজের বাড়িতে ফিরছিলেন। বিএসএফ’এর ঘোড়াডাঙা ক্যাম্পের একটা টহলদারী দল তাঁদের রাস্তার মাঝেই দাঁড় করায়। এরপরে রবীন্দ্রনাথের চোখের সামনে ওনার স্ত্রীকে ধর্ষণ করে বিএসএফ সেনার দল। রবীন্দ্রনাথ নিজের স্ত্রীকে বাঁচাতে চেষ্টা করে অপারগ হন এবং মারা যান। পরেরদিন সকালে বিএসএফ জওয়ানরা স্বামীর মৃত শরীর সমেত ঐ মহিলাকে লাক্কিদরি’তে জিরো পয়েন্টে ছুঁড়ে ফেলে দেয়। *।

    ভারতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের এক মুখপাত্রের বক্তব্য অনুসারে, “এই প্রাচীরের উপযোগিতা মার্কিন-মেক্সিকান সীমানার মতই, ওয়েস্ট ব্যাঙ্কে ইজরায়েলের বেড়ার মত যার মূল কাজ অবৈধ অভিবাসন এবং সন্ত্রাসবাদী অনুপ্রবেশ বন্ধ করা।

    রিজওয়ানা শমশাদ মনে করেন ১৯৮০’র সূচনালগ্নে ‘ভারতীয় জনতা পার্টি’ সৃষ্ট উন্মাদনা আর পরে ১৯৯০’তে লক্ষ লক্ষ বাংলাদেশী মুসলমানের অনুপ্রবেশ আসলে জাতীয় অর্থনীতির উপরে একটা খাঁড়ার ঘা বিশেষ যা ভারতের আভ্যন্তরীন সাম্যবাদ এবং সুরক্ষার বিপক্ষে একটা বড় প্রশ্নচিহ্ন। এই ঘটনার প্রত্যক্ষ সংযোগ ভারতের একাধিপত্য এবং সার্বিক চেতনার পরিপন্থী। অপরপক্ষে জনভিত্তিক এই অভিবাসনের প্রত্যক্ষ ফল হতে পারে বাংলাদেশী নাগরিকদের ভারতের একটি রাজ্য থেকে পৃথক রাজ্যের দাবি করা। ১৯৯৫ সালে সেন্টার ফর স্টাডি অফ সোসাইটি অ্যান্ড সেকুলারিজ্‌ম’এর দ্বারা করা একটি স্টাডি অনুসারে, বিজেপি এবং শিবসেনার অভিযোগ শুধু অত্যুক্তি বা অতিশয়োক্তি নয়, চূড়ান্ত মিথ্যাচারও। ভয় আর অসুরক্ষার বোধে জন্ম নেয় ‘হিন্দুত্ব’এর পরাকাষ্ঠা। অভিবাসীরা তখন তাদের রোজি-রুটির চক্করে শিখে নিচ্ছে সচ্ছ্বল বেঁচে থাকা। বিজেপি-শিবসেনা জোট দাবী করেছিল যে শুধু মুম্বই’তে তিন লক্ষ অবৈধ বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী। ১৯৯৮ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত ক্ষমতাসীন সময়ে তারা শনাক্ত করে ফেরত পাঠিয়েছিল মাত্র দশ হাজার অবৈধ কর্মচারিদের।

    রিজওয়ানা লেখেন, এই সমস্ত পরিসংখ্যান সংবাদ মাধ্যম এবং সরকারী প্রতিবেদন বিশেষে কম-বেশী হয়। ১৯৯২ সালে বিজেপি’র এক রাষ্ট্রীয় অধ্যক্ষের ঘোষণা অনুসারে এই সংখ্যাটা দেড় কোটির কাছকাছি। যুক্তফ্রন্ট গৃহমন্ত্রী ইন্দ্রজিৎ গুপ্তা ১৯৯৭’এর ৬ই মে বলেন এই সংখ্যাটা প্রায় এক কোটি। ২০০০ সালে কার্গিল কান্ডের পর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বাজপেয়ী গৃহ, প্রতিরক্ষা, সামরিক এবং অর্থ দপ্তরের মন্ত্রকদের নিয়ে যে গোষ্ঠী গঠন করেন তাঁদের মতে এই সংখ্যাটা দেড় কোটি বা তারও বেশী। রিজওয়ানা যোগ করেন, এর সংজ্ঞা অতি সরলীকৃত এবং পক্ষপাতদুষ্ট – মুসলমান অভিবাসী মানেই অনুপ্রবেশকারী; হিন্দু অভিবাসী অর্থাৎ রিফিউজী; এইসব শস্তা শ্রমিকদের উপযোগিতায় ভারতের চাঙ্গা হওয়া অর্থনীতির কথা কোথাও লেখা নেই।

    মানবাধিকার কমিশনের প্রতিবেদন অনুসারে, বিএসএফের হাতে মৃত মানুষের মধ্যে খুব অল্পসংখ্যকের সন্ত্রাসমূলক কাজের প্রত্যক্ষ সংযোগের কথা প্রমাণিত হয়েছে। বেশীরভাগ তদন্তেই দেখা গেছে আরোপী দুষ্কৃতিদের সঙ্গে অস্ত্র বলতে কাস্তে, লাঠি আর ছোটো ছুরি যেসব একজন গ্রামবাসী সাধারনভাবে সঙ্গে রাখেন। এমন কোনও মৃতদেহ পাওআ যায়নি যার শরীরের বুলেটের দাগ কখনও এটা প্রমাণ করতে পরে যে বিএসএফ আত্মরক্ষার জন্য গুলি চালিয়েছিল। মৃত শরীরগুলোর পিঠে গুলির ক্ষত প্রমাণ করে যে ছুটে পালানোর সময় তাদের পিঠের পিছন থেকে গুলি করে মারা হয়। পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জে ছোঁড়া গুলিগুলোর ক্ষত প্রমাণ করে যে তাদের মৃত্যু হয় সেনা হাজতে।

    বিএসএফ অনেক ভারতীয়ের প্রাণও নিয়েছে। ভারতের মাটিতে। ২০১০’এর মে মাসে বসিরুন বিবি আর তাঁর ছ’মাস বয়সের পৌত্র আশিক। ২০১০’এর মার্চে আতিউর রহমান। ২০০৯’এর আগস্টে শ্যামসুন্দর মন্ডল। ২০০৯’এর জুলাই’এ সুশান্ত মন্ডল। ২০০৯’এর মে মাসে আবদুস সামাদ। সীমানার দুই প্রান্তে রাতের অন্ধকারে দুর্ঘটনাবশতঃ গুলি চালিয়ে নিরীহ গ্রামবাসীদের মৃত্যু ঠেকাতে সাধারণ কার্ফিউ জারি করা শুরু হয়। নিরীহ লোকের মৃত্যু এই দিয়েও বন্ধ করা যায়নি।

    প্রহার, অত্যাচার, ধর্ষণ, খুন। কি কারণ হতে পরে এমন বর্বরোচিত ব্যবহারের? মানবাধিকার সংস্থার প্রতিবেদন অনুসারে, কার্গিল পরিস্থিতির সময় তয়নাত করা সৈনিকেরা সেই কঠিন এবং চাপযুক্ত পরিস্থিতির বাইরে মানসিকভাবে আজও বেরিয়ে আসতে পারে নি আর সেই অসহ্য মানসিক নিপীড়ন এখানে অন্যভাবে দেখা দিচ্ছে।

    চেকপোস্ট, কারফিউ আর উচ্চপ্রযুক্তির নজরদারি ব্যবস্থা, নিপীড়ন, হম্বিতম্বি, মারধোর, অত্যাচার আর স্নাইপার আমাকে গাজা’র কথা মনে পড়িয়ে দেয়। সাধারণভাবেই, একবার কাজ শেষ হয়ে গেলে, এই প্রাচীর আক্ষরিকভাবেই “বাংলাদেশকে বৃত্তাকারে ঘিরে থাকবে” (Time, February 5, 2009)।

    ১৯৪৭ সালে দেশভাগের সময় ঔপনিবেশিক বিভাজন-সীমা কোনও সহানুভূতিহীন মোটাদাগের মনের পরিচায়ক ছিল। আজকের পাশবিক কর্মধারা, যেখানে রয়েছে তীক্ষ্ম-ধারালো কাঁটাতারের বেড়া আর “ট্রীগার-হ্যাপী” বিএসএফ বন্দুকবাজ – তা শুধু নাজী-সুলভ মনোবৃত্তি মনে পড়ায়।

    ইজরায়েল আর ভারতের “লিমিটলেস রিলেশনশিপ”এর (Military Ties Unlimited. India and Israel, New Age, January 18, 2010) প্রসঙ্গ মাথায় রাখলে উপরের উদাহরণ অতিশয়োক্তি মনে হবে না। নগরীয় গেরিলা যুদ্ধে ইজরায়েলের ভারতীয় কম্যান্ডোদের অনুশীলন কার্যক্রম এবং বিদ্রোহ-দমনমূলক সমরশিক্ষা এমনকি সীমা সুরক্ষা বল’কে অভিজ্ঞ বিশেষ অনুশীলন প্রদানের আশ্বাসও উল্লেখযোগ্য। আউশউইত্‌জ থেকে ফেরা হাজো মেয়ার ইজরায়েলের এই অদ্ভুত উৎসাহকে নাজীর সঙ্গে তুলনা করেছেন। তিনি আরও বলেছেন, – “আমি ইজরায়েল আর নাজী-জার্মানির ভেতরে অভিন্নতা নিয়ে অন্তহীন লিখতে পারি”।

    নিজের প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে মিলেমিশে থাকার অক্ষমতা ইজরায়েলকে ক্রমশঃ একটি “pariah” দেশে পরিণত করছে (British MP)। সেই চরম এবং অযৌক্তিক ভয় ইজরায়েলিরা নিজেরাই দেখেছে (Gideon Levy)। ভারতের ভবিষ্যৎ, ক্রমবর্দ্ধমানভাবে, সেই একই ঘটনাধারার দিকে মোড় নিতে চলেছে।
  • kumu | ১৯ এপ্রিল ২০১৪ ২৩:১০226307
  • সকলকে অজস্র অজস্র অজস্র আন্তরিক ধন্যবাদ, ভালোবাসা আমার ও শ্যামলদার পক্ষ থেকে।গুরুর এই ভালোবাসার উৎসবের তুলনা নেই।
    ছোটাই এর গান শ্যামলদাকে পাঠিয়ে দিলাম।
  • Blank | ১৯ এপ্রিল ২০১৪ ২৩:০৫226306
  • হিউয়েন সাং এর সময়ে মনে হয় নেশার জন্য সকাল সন্ধে চা খাওয়া চালু হয় নি চীনে।
  • Blank | ১৯ এপ্রিল ২০১৪ ২২:৫৭226305
  • নাহ, চীন থেকে ডাইরেক্ট এসেছিল রেশম।
  • Arpan | ১৯ এপ্রিল ২০১৪ ২২:৫৬226304
  • না না। ব্রিটিশরা এনেছিল। চা জনপ্রিয় করতে বিনামূল্যে চা খাওয়াত তো।
  • | ১৯ এপ্রিল ২০১৪ ২২:৫২226303
  • ও চীন থেকে ডায়রেক্ট আসে নি? আমি ভাবছিলাম (কেন ভাবছিলাম জানি না) এই হিউয়েন সাঙ বা ফা হিয়েনের সময় কখনও ভারতে এসেছিল
  • Blank | ১৯ এপ্রিল ২০১৪ ২২:৫০226302
  • আমাদের দেশে চা এসেছিল ব্রিটিশ দের সময় থেকে। তুমি কি চীনে কবে চা এসেছে সেটা বলছো?
  • | ১৯ এপ্রিল ২০১৪ ২২:৪৯226301
  • আচ্ছা হিউয়েন সাঙের বিবরণে তো চায়ের কথা নাই। তাইলে চা ঠিক কবে চীন থেকে আমাদের দেশে এল, কেউ জানে?

    আমার সেই লাল টুকটুকে পাহাড়টার নীচে গিয়ে দাঁড়ানোর বড় ইচ্ছা, সেই যে সান শুয়ান এর বইতে ছিল। আর আমি খুঁজছিলাম বলে T ছবি দেখিয়েছিল, সেই পাহাড়টা।
    আর হিন্দুকুশ তো অসহ্য সুন্দর, চোখ ঝলসে যায়।

    সায়ন, পড়ব, খুঁজে বের কর।
  • | ১৯ এপ্রিল ২০১৪ ২২:৩৮226300
  • রস টেলর বোল্ড ক্যালিস।
    ইউ বিউটি!!
  • b | ১৯ এপ্রিল ২০১৪ ২২:৩৩226299
  • Blank | ১৯ এপ্রিল ২০১৪ ২২:৩২226297
  • ঠিক আছে। পোর্টার আর গাইডের জন্য লাহোর তো যেতেই হবে। আপনাকে ডেকে নেবোখন।
  • | ১৯ এপ্রিল ২০১৪ ২২:৩২226298
  • "চিলিতে গোপনে" পড়েছি। বেশ ভালো লেগেছে। বুদ্ধদেব বাবুর অনুবাদ বেশ ভালো।দেজ'স থেকে বেরিয়েছে।
  • b | ১৯ এপ্রিল ২০১৪ ২২:৩০226296
  • হামার বহুত ইচ্ছা লাহোর, পেশোয়ার খাইবার পাস। রাস্তায় আটক নামের জায়গায় সিন্ধু নদ পেরোনো।

    আর করাচী থেকে বোলান মেল ট্রেনে চেপে কোয়েটা।
  • b | ১৯ এপ্রিল ২০১৪ ২২:২৫226295
  • As everybody rushed towards him, the man who had stood erect on his legs for fifteen years, now pitched face-forward on to the ground. On one side, behind barbed wire, stood together the lunatics of India and on the other side, behind more barbed wire, stood the lunatics of Pakistan. In between, on a bit of earth which had no name, lay Toba Tek Singh.
  • Blank | ১৯ এপ্রিল ২০১৪ ২২:২৩226294
  • পাকিস্তান হিমালয়ে যাবো। হিন্দুকুশ অপুর্ব সুন্দর জায়গা। আর যাবো মরুতীর্থ হিংলাজে। সেই গন্ধকের হ্রদ পেরিয়ে।
  • Blank | ১৯ এপ্রিল ২০১৪ ২২:১৯226293
  • স্প্যানিশের ইংরাজি অনুবাদ হয়, বাংলা হয় না। আমি বই মেলায় কয়েকটা বাংলা অনুবাদ নেড়ে চেড়ে দেখেছি। বাক্য গঠন খুব দুর্বল - মার্কেজ পরলে যেমন ভাঙের নেশায় সময় থেমে যায়, সেই অনুভুতি আসে না।
  • b | ১৯ এপ্রিল ২০১৪ ২২:১৭226292
  • ঐ নো ম্যানস ল্যান্ডেই পড়েছিলো টোবা টেক সিং-এর শরীরটা। সে তো অন্য গল্প।
  • kc | ১৯ এপ্রিল ২০১৪ ২২:১৬226291
  • ক্ল্যান্ডেস্টাইন ইন চিলে র বাংলা অনুবাদটা বোধ হয় বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য্যর করা। "চিলিতে গোপনে" - একটা মার্কেজই বাংলায় পড়েছি। অনুবাদটা অতটা ভাল লাগেনি। কিন্তু ইংরেজি গুলো'ওতো অনুবাদই। সেগুলো কিন্তু দমদির কথামত মাথার মধ্যে সেঁধিয়ে আছে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত