এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • jhiki | ২৫ এপ্রিল ২০১৪ ১৭:১৬228450
  • সে, আই বেগ টু ডিফার। আমি খুব সাধারণ পরিবারে বড় হয়েছি, কিন্তু খাওয়ার মারাত্মক বাছবিচার ছিল। জল দিয়ে চিঁড়ে-নুড়ি, রুটি-আলু চচ্চড়ি এসব কখনও খাই নি, আরো লম্বা লিস্ট আছে। টিফিনে পরোটা, লুচি, সুজি, আলু-ছোলা- শশা,চিঁড়ে বাদাম ভাজা,কেক এসব ঘুরিয়ে ফিরিয়ে নিয়ে যেতাম। আমাদের বাড়ীতে সেই সময় পোহা, উপমা, নুডলসের চল ছিল না। চারবছর হোস্টেলে থেকেছি, তারপর পিজি। কোনদিন না খেয়ে থাকতে হয়নি।
    ছেলেমেয়ের খাদ্যাভ্যাস বুঝে সেটাকে স্বাস্থ্যসম্মত ভাবে বাননোটাই আমি ঠিক মনে করি। জোর করে কোন কিছু চাপিয়ে দেওয়া (সে খাবারই হোক বা শিক্ষা) আমার ঘোরতর অপছন্দ।
  • kumu | ২৫ এপ্রিল ২০১৪ ১৭:১৫228449
  • মশামেসোকে কনগ্রা।
  • de | ২৫ এপ্রিল ২০১৪ ১৭:০১228448
  • থ্যাংকু, পাই, দুদি!
  • Du | ২৫ এপ্রিল ২০১৪ ১৬:৫৮228447
  • হ্যাঁ পাই এটাই, থ্যাংকু
  • pi | ২৫ এপ্রিল ২০১৪ ১৬:৫৪228444
  • নাঃ, বলেই দি।
    গত পরশু কলা ছানার বড়া করেছিলাম। খেয়ে কী বলেছিল, আগেই বলেছি। ঐ, সুন্দর হয়েছে, তুমি খাও।
    গতকাল করলাম কলার প্যানকেক। খেতে বললো, ভালো হয়েছে, তবে, কী যেন বলে, কলাটা না দিলে আরো ভালো হত।
    এই করে দুটো কলা উদ্ধার হয়েছিল। বলেছিলাম, বাকিদের জন্য আমার অন্য প্ল্যান আছে। অনেক রেসিপি পেয়েছি। সবই ট্রাই করবো।
    আজ সকালে ফ্রিজ খুলে দেখি একটাও কলা নেই।
  • Du | ২৫ এপ্রিল ২০১৪ ১৬:৫৪228445
  • সেই তো, খুঁজে পাচ্ছি না, দে। টিফিন দিয়ে গাদা খানেক পাতা আসছে। দ নিশ্চয়ই বলতে পারবে।
  • de | ২৫ এপ্রিল ২০১৪ ১৬:৫২228443
  • দু দি - টিপিনের টই কোথায় আছে?
  • Du | ২৫ এপ্রিল ২০১৪ ১৬:৫০228442
  • নতুন গুরুতেও টইয়ের বিষয়ের লিস্টে খাবার বা রান্না জায়গা পায় নি ? যেটা কিনা গুরুতে নস্টালজি আর রাজনীতির সঙ্গে জনপ্রিয়তায় পাল্লা দেয়? এতো মোটেই চন্ডালি হল না।
  • de | ২৫ এপ্রিল ২০১৪ ১৬:৪৮228440
  • পাই নিশ্চই মশামেসোকে খাইয়েচে - অথবা হনুমান পুষেছে -
  • সে | ২৫ এপ্রিল ২০১৪ ১৬:৪৮228441
  • সেকেন্ড গেস, কলার শরবৎ খাইয়ে জনে জনে ডেকে ডেকে।
  • সে | ২৫ এপ্রিল ২০১৪ ১৬:৪৭228439
  • দে,
    বুঝেছি। ফুড ভ্যালুটা ঠিক ধরেছেন।
  • de | ২৫ এপ্রিল ২০১৪ ১৬:৪৫228436
  • সে,

    আপনি একদম ঠিকঠাক লিখেছেন, আমার কোনই বক্তব্য নেই এ নিয়ে। আমি একটু আমার সিচুয়েশনটা লিখি ? আমার মেয়ের স্কুল সকাল সাতটায় শুরু হয় - সকালবেলা সে নিজে অ্যালার্ম দিয়ে ওঠে। আমায় ডাকে না, কারণ আমি বেশীর ভাগ সময়েই রাত জেগে কাজ করি। সকালে নিজে দুধ গরম করে কর্নফ্লেক্স মিলিয়ে আর ড্রাইফ্রুট ধুয়ে খেয়ে স্নানে যায়। স্নান থেকে বেরিয়ে জামকাপড় পরতে পরতে আমি উঠে পড়ি। এটা ওর বেশ ছোটবেলা থেকেই রুটিন।

    সকালে টিফিন দি না, আমি ইন্স্টিট্যুটে যাবার সময়ে ও'র টিফিনটা স্কুলে দিয়ে চলে যাই। রাস্তাতেই পড়ে। এছাড়াও টিফিন গরম থাকবে। টিফিনে কি দিলাম আর তার নিউট্রিশনাল ভ্যালু কি, ওর খেতে ভালো লাগবে কিনা - এটা একেবারেই আমার ব্যক্তিগত চিন্তা - সেখানে ও কি খেতে ভালোবাসে বা বাসে না এটা চিন্তা করাটা আমার জরুরী মনে হয়। দিনের পর দিন পাঁউরুটি মাখন দিয়ে দেওয়াটা তো শরীরের জন্যও ভালো নয়। স্কুল থেকে বাড়ি ফিরতে ফিরতে প্রায় সোয়া দুটো। খেতে বসতে আরো কিছুক্ষণ লাগে খাবার নিজে গরম করে নিয়ে। অতোটা সময় শুধু একটু ময়দা আর ফ্যাট?

    আমরা যারা বাইরে কাজে বেরোই তাদের ছেলেপুলেরা এমনিতেই খুব আন্ডারস্ট্যান্ডিং হয় - সুতরাং আমি অন্ততঃ তাদের দিকে কোনরকম আঙুল তুলতে পারবো না।

    ঝিকি,

    স্কুলের লাঞ্চ খুব ভালো অপশন। এরা তো লাঞ্চের আগেই বাড়ি ফিরে যায়।
  • de | ২৫ এপ্রিল ২০১৪ ১৬:৪৫228437
  • সে,

    আপনি একদম ঠিকঠাক লিখেছেন, আমার কোনই বক্তব্য নেই এ নিয়ে। আমি একটু আমার সিচুয়েশনটা লিখি ? আমার মেয়ের স্কুল সকাল সাতটায় শুরু হয় - সকালবেলা সে নিজে অ্যালার্ম দিয়ে ওঠে। আমায় ডাকে না, কারণ আমি বেশীর ভাগ সময়েই রাত জেগে কাজ করি। সকালে নিজে দুধ গরম করে কর্নফ্লেক্স মিলিয়ে আর ড্রাইফ্রুট ধুয়ে খেয়ে স্নানে যায়। স্নান থেকে বেরিয়ে জামকাপড় পরতে পরতে আমি উঠে পড়ি। এটা ওর বেশ ছোটবেলা থেকেই রুটিন।

    সকালে টিফিন দি না, আমি ইন্স্টিট্যুটে যাবার সময়ে ও'র টিফিনটা স্কুলে দিয়ে চলে যাই। রাস্তাতেই পড়ে। এছাড়াও টিফিন গরম থাকবে। টিফিনে কি দিলাম আর তার নিউট্রিশনাল ভ্যালু কি, ওর খেতে ভালো লাগবে কিনা - এটা একেবারেই আমার ব্যক্তিগত চিন্তা - সেখানে ও কি খেতে ভালোবাসে বা বাসে না এটা চিন্তা করাটা আমার জরুরী মনে হয়। দিনের পর দিন পাঁউরুটি মাখন দিয়ে দেওয়াটা তো শরীরের জন্যও ভালো নয়। স্কুল থেকে বাড়ি ফিরতে ফিরতে প্রায় সোয়া দুটো। খেতে বসতে আরো কিছুক্ষণ লাগে খাবার নিজে গরম করে নিয়ে। অতোটা সময় শুধু একটু ময়দা আর ফ্যাট?

    আমরা যারা বাইরে কাজে বেরোই তাদের ছেলেপুলেরা এমনিতেই খুব আন্ডারস্ট্যান্ডিং হয় - সুতরাং আমি অন্ততঃ তাদের দিকে কোনরকম আঙুল তুলতে পারবো না।

    ঝিকি,

    স্কুলের লাঞ্চ খুব ভালো অপশন। এরা তো লাঞ্চের আগেই বাড়ি ফিরে যায়।
  • pi | ২৫ এপ্রিল ২০১৪ ১৬:৪৫228438
  • উঁহু ঃ)
    হিন্টঃ গুরু করা কাজে এসেছে।
  • সে | ২৫ এপ্রিল ২০১৪ ১৬:৪৪228434
  • বিলিয়ে দিয়ে।
  • | ২৫ এপ্রিল ২০১৪ ১৬:৪৪228435
  • নিশ্চয় অন্য কেউ বেড়াতে যাচ্ছিল, তাদের গছিয়ে দিয়ে হ্হ
  • pi | ২৫ এপ্রিল ২০১৪ ১৬:৩৯228433
  • কিন্তু শেষ অব্দি আমি ঐ কলার দঙ্গলের হাত থেকে কীকরে উদ্ধার পেলাম, এনি গেস ? ঃ)
  • Du | ২৫ এপ্রিল ২০১৪ ১৬:৩৬228432
  • টিপিনের মস্ত বড় টই আছে তো
  • JAW | ২৫ এপ্রিল ২০১৪ ১৬:১৬228431
  • রোবু বাবুকে অনেক থ্যাঙ্কু। প্রচুর কাঁচা টোম্যাটো পড়ে। আসলে ভেজি প্যাচ পরিস্কার করা হলো, শীত আগতপ্রায়, ফাউ হিসেবে ফ্রস্ট। সকল ভেজির পঞ্চত্ব প্রাপ্তি। কাঁচা কুমড়ো ও উৎপাটন করা হলো, ফুলগুলো বেসন সহযোগে, আহা! ইসের স্বাদই বদলে যায়!
    কুমড়ো ভদ্র সবজি, সুপক্ক অবস্থায় বহুদিন এমনিই থাকে। আর বলেই দিই, পাম্পকিন সুপে ফালা ফালা করে মাশরুম হালকা ভেজে দিলে মন্দ লাগে না। আসলে এটি একটি ইউরেকা প্রাপ্তি। সবজি বাড়ন্ত, কুল্লে কয়েকটা মাশরুম পড়ে ছিল, আর ফ্রিজায়িত পাম্পকিন সুপ, দ্বিতীয়টি গরম করে মাশরুম ডালা হলো।
    মাশরুম ইন পাম্পকিন স্যুপ!
  • শেফ | ২৫ এপ্রিল ২০১৪ ১৬:১৩228430
  • সহজ রেসিপি, এ আর কপি করার কী আছে?
  • san | ২৫ এপ্রিল ২০১৪ ১৬:১১228429
  • কি নাম কুমুদি ?
  • তাপস | ২৫ এপ্রিল ২০১৪ ১৬:০৯228427
  • গুড ওয়ান। প্রথম চারটে প্রশ্নোত্তর পড়েই রেপটা মনে এসেছিল। কিন্তু অফিসার রেপ এনালজি জানে - এটা ভারী চমত্কার হইসে !
  • jhiki | ২৫ এপ্রিল ২০১৪ ১৬:০৯228428
  • দে, অমি গতবছর টিফিন বানাতাম, তিনি প্রায় কিছুই খেতেননা, হু হু করে ওজন কমা, কনস্টিপেশন নানাবিধ সমস্যা দেখা দিচ্ছিল। স্কুলের লাঞ্চে শিফট করলাম, বন্ধুদের সাথে পিকনিকের মত লাগে বলে খেয়ে নেয়।
    স্ন্যাক ব্রেকে সোম-বৃহ নুটেলা/ বেল্লা স্প্রেড দেওয়া বিভিন্ন শেপে কাটা ব্রাউন ব্রেড, শুক্র চিকেন নাগেট!!

    আর কিছু দিতে সে মানা করে, আমিও জোর করে দিই না।
  • রোবু | ২৫ এপ্রিল ২০১৪ ১৬:০৬228423
  • Man: Hello! I'd like to report a mugging.
    Officer: A mugging, eh? Where did it take place?
    Man: I was walking by Gandhi street and a man pulled out a gun and said, "Give me all your money"
    Officer: And did you?
    Man: Yes, I co-operated.
    Officer: So, you willingly gave the man your money without fighting back, calling for help or trying to escape?
    Man: Well, not exactly, I was terrified. I thought he was going to kill me!
    Officer: Mmmm but you did co-operate with him. And I have been informed that you are quite a philanthropist, too.
    Man: I give to charity, Yes!
    Officer: So, you like to give money away. You make a habit of giving money away.
    Man: What does that have to do with this situation.
    Officer: You knowingly walked down the gandhi street in your suit when everyone knows you like to give away money. and then you didn't fight back. It looks like you gave money to someone, but now you're having an after donation regret. Tell me, do you really want to ruin his life because of your mistake?
    Man: This is ridiculous!!
    Officer: This is a rape analogy. This is what woman face every single day when they try to bring their rapists to justice.
    - From Quora by Manas Joshi, programmer, writer, dreamer nd gamer
  • kumu | ২৫ এপ্রিল ২০১৪ ১৬:০৬228424
  • হেহে, কাঁটাকলকে আমরা অন্য নামে জানতাম,হেহেহে।
  • সে | ২৫ এপ্রিল ২০১৪ ১৬:০৬228425
  • দে,
    আপনাকে বলছি না। বড়ো করে ডিস্‌ক্লেইমার লেপে দিয়ে নিজের বক্তব্য বলি? নইলে সব হারেরেরেরেরে করে তেড়ে এসে কামড়াবে।
    আসলে এটা একটা ব্যালেন্সের ব্যাপার। প্লীজ কিছু মনে করবেন্না এবং প্রোপ্যাগান্ডা করেই কিছু বলে ফেলি।
    আমার মেয়ে যদি আমার সুবিধে অসুবিধে না বোঝে তবে সেটা আমারি গাফিলতির ফল। ক্ষিদে যদি পায়, তখন পাঁউরুটির স্যান্ডুইচ্‌ পছন্দ নয় বলে খাচ্ছিনা - এরকম হবার কথা নয়।
    তার মানে ক্ষিদে পায় নি। ক্ষিদে পাচ্ছে না। খাবারের স্বাদ বুঝে পছন্দমতো ক্ষিদে পায়।
    এই গুরুতে যাঁরা সব এখন লেখেন টেখেন প্রায় প্রত্যেকেরই নিজের শৈশবের সঙ্গে সন্তানের শৈশবের মধ্যে অনেক তফাৎ। আর্থিক স্বচ্ছলতার তফাৎ তার মধ্যে সবচেয়ে বড়ো। যে খাবার আমরা সোনামুখ করে খেয়েছি, বা হয়ত টিফিন জোটেনি কোনো কোনো সময়ে - সেই আমরাই সন্তানকে কী দেব, কী দেব না ডিসাইড করতে থৈ পাই না।
    এর ফল পরে কী হবে বা হতে পারে সেই হাইপোথেসিসে যাচ্ছি না। কিন্তু হাতে গরম কিছু টিনেজার দেখেছি/দেখছি - তারা অত্যন্ত অবুঝ, স্বার্থপর, সেফ্‌সেন্টার্ড হয়ে উঠছে।
    একটা অবুঝ, স্বার্থপর, সেফ্‌সেন্টার্ড প্রজন্ম তৈরী হয়ে গেছে, আরো আসছে। তাতে আমার কিছুই এসে যায় না, বয়েস বেড়েছে মরে যাব, ব্যাস-। কিন্তু আবার এসে যায় ও। নিজের সন্তানকে(দের) যদি সত্যিই ভালোবাসি, তবে বুঝতে হবে যে - এই অবুঝতা তাদের নিজেদের জন্যেও স্বাস্থ্যকর নয়। দেহ ও মন দোটোর জন্যেই। দ্বিতীয়টার জন্যে খুব বেশি করে।
  • san | ২৫ এপ্রিল ২০১৪ ১৬:০৬228426
  • 201, 32A
  • de | ২৫ এপ্রিল ২০১৪ ১৬:০৩228422
  • এগুলোই করি পাই - পোহা, উপমা, ন্যুটেল্লা প্যানকেক -- একটু একঘেয়ে হয়ে গেছে তাই নতুন রকম কিছুর খোঁজ -

    কুমুদির জন্য -

    আলু ডুমো ডুমো করে কেটে নিও, টোমাটো চারটুকরো - কড়ইয়ে চিনেবাদাম রোস্ট করে একটু আধভাঙ্গা মতো করে নিও। সাদা তেলে অল্প মেথি, কাঁচালংকা আর কারিপাতা ফোড়ন দিয়ে আলু আর নুন-হলুদ দিয়ে ভাজো। তারপর একটু আদাবাটা আর ধনেগুঁড়ো দিয়ে একটু নেড়েচেড়ে অল্প জলদিয়ে চাপা দাও। আলু সেদ্দো হয়ে এলে আর ঝোল টেনে এলে টমাটোগুলো দাও। অল্পক্ষণ রেখে, টমাটো অল্প নরম হয়ে এলে ওপরে ভাঙ্গা চিনেবাদাম ভাজা ছড়িয়ে নামিয়ে নিও। আমি টমাটো গলে গেলে পছন্দ করি না তাই একটু পরে দি টমাটোটা। রুটি দিয়ে ভালোই লাগে খেতে।
  • এমেম | ২৫ এপ্রিল ২০১৪ ১৬:০২228421
  • স্যান কীভাবে কাঁটাকল যেতে? কত নম্বর বাস?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত