এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Ekak | ২৬ এপ্রিল ২০১৪ ০০:৫৯228752
  • তাহলে বাংলাদেশী কিছু সিনেমার গান শুনুন। ডিপজল কে প্রত্যক্ষ করুন। উফফ !
  • তাপস দাশ | ২৬ এপ্রিল ২০১৪ ০০:৫৭228749
  • রেনেসাস চলে গেছে। উহা যুক্তির কারাগারে উত্পন্ন হওয়া ব্যাধি ছিল ।
  • ঈশান | ২৬ এপ্রিল ২০১৪ ০০:৫৩228748
  • ছিঃ সুদু অপোসোমোস্কিতি। রেনেসাস ছেরে তালসাস। ধিক্কার।
  • তাপস দাশ | ২৬ এপ্রিল ২০১৪ ০০:৫১228747
  • পরের ভাটে "তোমায় আমি ভালোবাসি, তোমায় আমি চাই" গান টি শোনার দাবি তুলে রাখলাম। কর্প লোকজনকে অনুরোধ তাঁরা গানটি তুলে রাখুন। আমি লাচব
  • Atoz | ২৬ এপ্রিল ২০১৪ ০০:৪৮228745
  • এই উকুন বাছার গানটা শুনলেই আমার বাঁদরদের মনে পড়ে যায়। সিরিয়াসলি। বাঁদরেরা খুব ভালোবেসে উকুন বাছে পরস্পরের, বাছে আর খায়, মনে হয় টক চাটনি টাইপের লাগে ওদের কাছে।উকুন খুবই ভালোবাসে মনে হয় নইলে দুইজনে দেখা হলেই কেন উকুন বাছতে থাকে?
    ঃ-)
  • ঈশান | ২৬ এপ্রিল ২০১৪ ০০:৪৮228746
  • কলকাতার রসগোল্লা আমার হেব্বি লাগে।
  • তাপস দাশ | ২৬ এপ্রিল ২০১৪ ০০:৪৭228744
  • তোমার মুখটা কী সুন্দর আমি বলবই বলব এবং আমি কলকাতার রসগোল্লা - এগুলোও স্মরনীয়
  • Atoz | ২৬ এপ্রিল ২০১৪ ০০:৪৪228743
  • ধন্যবাদ তাপস। বুঝলাম। সম্পাদনা।
  • | ২৬ এপ্রিল ২০১৪ ০০:৪৩228742
  • আমার তো বাংলা গান নিয়ে কোনো ছুৎমার্গ নেই। টুকুন আমার টুকুন/ তোমার মাথায় বাসবো বসে ভালোবাসার উকুন অথবা প্রেম জেগেছে আমার মনে বলছি আমি তাই/তোমায় আমি ভালোবাসি, তোমায় আমি চাই- আমার তো দিব্যি মনে আছে। কি সুর,কি কথা- কোথাও শুনলেই গলগল করে সব মনে পড়ে যায়। ভাবের ঘনঘটা নেই, সহজ সরল সুর,অন্ত্যমিল। বাংলাগানের সে একটা অন্যরকম যুগ।
  • তাপস দাশ | ২৬ এপ্রিল ২০১৪ ০০:৪২228741
  • ক্ষেত্র গুপ্ত মহতী নানা রকম সম্পাদন কাজ করেছেন। সাহিত্য রচনা করেননি।
  • bratin | ২৬ এপ্রিল ২০১৪ ০০:৪০228739
  • সত্যি বলছি ও ট আমি গাই নি। ঃ))
  • Atoz | ২৬ এপ্রিল ২০১৪ ০০:৪০228740
  • ইনফো, অনেক ধন্যবাদ।
    কিন্তু এই ক্ষেত্র গুপ্ত বাংলাসাহিত্যের কোন দিকে কাজ করেছেন? এঁর কোনো লেখা পড়েছি বলে মনে পড়ছে না(অবশ্য কতটুকুই বা জানি এই বঙ্গসমুদ্রের ! সাগরকূলে নুড়ি কুড়াই মাত্র )। ইনি কী ধরণের লেখা লিখতেন?
  • bratin | ২৬ এপ্রিল ২০১৪ ০০:৩৮228737
  • পথে এবার নামো সাথী পথেই হবে পথ চলা।
  • | ২৬ এপ্রিল ২০১৪ ০০:৩৮228738
  • কম কেন হবে হুতো? এমন লোকও জানি, মাথায় ওড়না দিয়ে সাতবছরের মেয়েকে ধর্মীয় স্কুলে পাঠায়। দিনে ষাট মাইল যাতায়াত করে সপ্তাহে পাঁচদিন সেখানে যেতে হয়।এরাও আছেন তো।এখনকার
    বাংলাদেশের গান তো আমার সব সময়ই খুব বেশি পাশ্চাত্যধর্মী মনে হয়। ইংরেজিতে ভেবে সুর দিয়ে বাংলায় লেখা। বরং লোকসঙ্গীতের জন্যে বাংলাদেশের দিকে তাকানো যায়। আর ভাষাচর্চা যদি বলো, ওরা কোনোভাবেই পিছিয়ে নেই। সচলায়্তনের কথা ভাবো।
    তবে বাংলা ওদের জাতীয় ভাষা। স্বাধীনতার জন্যে, ভাষার জন্যে আত্মত্যাগ ও খুব একটা প্রাচীনযুগের কথা নয়।এখনও আমাদের মত কবরে ফুল দেবার সময় আসে নি। এইটুকুই আশাঃ)
  • aka | ২৬ এপ্রিল ২০১৪ ০০:৩৪228735
  • আশির দশকের মেইনস্ট্রীম গান বাজে, কি বাংলা, কি হিন্দি।আবার নব্বই থেকে ভালো গান শুরু হয়েছে। ওদিকে মিঠুন দা আর এদিকে বুম্বাদার গলায় কত ভালই বা গান মানাবে?
  • Atoz | ২৬ এপ্রিল ২০১৪ ০০:৩৪228736
  • আচ্ছা "সুর্মা নদীর গাংচিল আমি শূন্যে দিলাম উড়া" এই গানটা কার?
  • rabaahuta | ২৬ এপ্রিল ২০১৪ ০০:৩২228734
  • শুনতাম তো।
    কিন্তু তখন তিনি অলরেডী পুরনো হয়ে গেছেন- নতুন কিছু শুনতাম না।
  • aka | ২৬ এপ্রিল ২০১৪ ০০:৩১228733
  • হুতো সলিল চৌধুরী শুনত না?
  • rabaahuta | ২৬ এপ্রিল ২০১৪ ০০:২৯228731
  • y এর কথাকে অস্বীকার করতে পারছিনা। কিন্তু শুধু মেনস্ট্রীম বলে নয়, মেনস্ট্রীম সিনেমা গানের মানটা এত নীচে নিয়ে গেছিল, যে শোনার রিস্কই নিই নি। সেটা অবহেলা হয়েছে হয়তো। যেমন সুমন শোনার আগে রবিগান ছাড়াঅন্য নতুন বাংলা গান শোনার কথা ভাবতেই পারতাম না।
  • Ekak | ২৬ এপ্রিল ২০১৪ ০০:২৯228732
  • ঈশেন রবিবাবুর নাম নিলো উদাহরণ দিতে। উনি ই তো মেরেছেন :( এমন হোম ওয়ার্ক দিলেন যে তার ভয়ে অঙ্ক শেখা হলনা। "সঙ্গীত ভাবনায়" কিসব র্যাডিকাল কথাবার্তা ভাব কে মাথায় রেখেই রাগ। বাণীর প্রাধান্য। উফ। একী পরবর্তী প্রজন্মের কর্ম নাকি। বাণী মনে রাখার মত গান সারা পৃথিবীতেই অল্প জন্মায়। সুরে আর সুরযন্ত্রে যদি মন দিত বাঙালি অনেক বেটার রেসাল্ট করত পরীক্ষায় :/ তালিম ফালিম নিয়ে বা না নিয়ে পাগলের মত সুরের মধ্যে থাকবে, কথা যা হোক হোগগা তা নয় গালে হাত দিয়ে ভাবতে বসলো। এদিকে সুর দিচ্ছে সেই পাশ্চাত্য থেকে কপি। মাঝখান থেকে ন্যাচারালি বাণী একটু একঘেয়ে হলেই লোকে জাস্ট ছুঁড়ে ফেলে দেয় কারণ সুরটা আগেই শুনে বসে আছে। এত কঠিন হোমওয়ার্ক দেওয়া রবিবাবুর মোটেই উচিত হয়নি :) সিরিয়াসলি। নিজে মোর ঘোরাতে গিয়ে পরের লোকজন তালকানা।
  • kumu | ২৬ এপ্রিল ২০১৪ ০০:২৬228730
  • বিশেষ কিছু না।
    বাড়ীর লোকজনের সোম্বার সকালে আসার কথা ছিল।তা আমি ভাবলুম কাল আপিসের পর এক বন্ধুর বাড়ী যাব।বাজার্ফাজার রান্নাফান্না সবি রোব্বার দেখা যাবে।কিন্তু ১১ টার সময় ফোন পেলুম তেনারা কালই আসবেন,সকালে ও বিকেলে।ইদিকে ঘরে কোন রান্নার বেবস্থা নাই,কাল সাড়ে নটার মধ্যে আপিস ঢুকতে হবে ও বেডরুমের এসি তো চলচেন না।

    আসলে কিছুই না।এরকম সকলেরি হয় কতশতবার।কিন্তু ডিডিদা যেমন বল্লেন,বয়েস হলে এই সামান্যতেই টেনশন হয়ে যায়।
  • rabaahuta | ২৬ এপ্রিল ২০১৪ ০০:২৪228729
  • মিঠুদি, হ্যাঁ, সে তো আছেন। তবে তাঁরা সংখ্যাগুরু কিনা সেটা নিয়ে আমার সন্দেহ আছে, কারন বাংলাদেশেও বাণিজ্যসফল কুনাট্য রঙ্গের রমরমা কিছু কম নয়ঃ) আর বাংলাদেশের গানে, এই মুহুর্তে, অন্তত লিরিকের দিক দিয়ে সুমন চন্দ্রবিন্দু সৈকতদা (আরো কতলোকের কথা জানিই না, এই যেমন আজ যেটা শোনালে) এদের কারো একশো মাইলের মধ্যে আছে বলে তো চোখে পড়ে না। ভিতর বাহিরে/ তোমাকে অভিবাদন এইসব সুমনের গান, আর এখনকার নয়।
  • | ২৬ এপ্রিল ২০১৪ ০০:২৩228728
  • ওটা পুরোনো দিনের একটা শাস্তি দেবার উপায় মিঠু।

    শূল টা হল বল্লম বা খোঁচা টাইপেরের একটা
    বস্তু। শাস্তি কারীর দেহের বিভিন্ন অংশ শূলে গেঁথে ঘোরানো হয়। ধীরে ধীরে কষ্ট দিয়ে মারা।

    নারকীয়।
  • y | ২৬ এপ্রিল ২০১৪ ০০:২২228726
  • একদম। টই তে লিখবেন কেন? ঠিক। এই আধুনিক বাংলা গান সিনেমাতে আর অ্যালবামে - নিয়ে আগে যা বলা হয়েছে সেসবে রিজয়েন্ডার দেওয়া একদম অনুচিত।
    বাদ্দেন।
    তো এখানেই বলি।
    ১) বাংলা সিনেমার গানের শ্রোতারা একেবারে মেইনস্ট্রীম সিনেমার, একটা বিশাল লিস্ট দিতে পারেন, যেগুলো আঁতেলরা শোনেননি স্রেফ মেইনস্ট্রীম বাংলা সিনেমার গান বলে নাক কুঁচকেই। সেগুলো ও নাকি গান হিসেবে যথেষ্ট ভালো ছিল। এই সাথী ইত্যাদি সিনেমার পরে জিৎ দেবের উঠে আসার সময়কালেই বাংলা সিনেমার মেইনস্ট্রীম গানে এই সব ভালো কাজ হয়েছে। মেলডি ও লিরিকে। বালার দেবাশিস সাহা র মতো ডেডিকেটেড মেইনস্ট্রীম বাংলা সিনেমাখোর কাউকে পেলে এটা জানতেন। আঁতেলরা আবাজ দেবার সময় সেসব বাদে খোরাক গানই খুঁজে বের করেন, সেটাও কমন প্র্যাকটিস।
    ২) অ্যালবামের গানে, আচ্ছা জীবনমুখী ও ব্যন্ডের গানই বলি, ভালো লাগার এলিমেন্ট যদি দেখেন তো দেখবেন একটা প্রধান ব্যপার "আমি-তুমি-তুমি-আমি' পার্মুটেশন কম্বিনেশন কাটিয়ে ওঠা লিরিকে। বিষয় বৈচিত্র, এক্সপ্রেশনের বৈচিত্র। একেকজন বা একেক ব্যান্ডের নিজস্ব আওয়াজ অর্থাৎ একেবারে হঠকে কয়েকটা এক্সিসটেন্স। সুমন, নচি, অঞ্জন, শিলু, প্রতুল, মৌসুমী, লোপা, পল্লব, কামাল, প্রত্যেকে স্বকীয়। শ্রীকান্ত, ইন্দ্রনীল, রূপঙ্কর, শমীক, খরাজ, রাঘব - ডিক্লাইনিং হলেও কিছুটা তবু আলাদা। পরশপাথর, ক্যাকটাস, ভূমি, চন্দ্রবিন্দু, ফসিলস - দেখুন স্বরগুলো আলাদা।
    এবার সিনেমা হিসেবে ভাবুন, একটা সিনেমায় গান ঢোকাতে লিরিকে বিষয়-স্বাধীনতার একটা বড় জায়গা ছেটে ফেলতে হবে, এক্সপ্রেশনের জায়গা হিরো বা সিনেমার সাবজেক্ট ও মুড অনুযায়ী ছেটে ফেলতে হবে। আপনার সবচেয়ে পছন্দের দশটা অ্যালবামের গান সিনেমায় ঢোকাতে হলে তার স্টোরিলাইন কিরকম হতে পারে ভেবে দেখেছেন? অর্থাৎ সিনেমায় গান সব সময়েই বনসাই, অ্যালবামের তুলনায়, এই অ্যালবামের শিল্পীদের সৃষ্টির ক্ষেত্রে। তো অ্যালবামের সুমন, নচি, চন্দ্রবিন্দু সিনেমায় পুওর ম্যানস সুমন, পুওর ম্যানস নচি, পুওর ম্যানস চন্দ্রবিন্দু হবে এতে আর সন্দেহ কি?
    ৩) এবার কিছু লোক ডেডিকেটেড সিনেমা নিয়ে কাজ করে গেল। একের পর এক সিনেমার গান লিখে গেল, সুর করে গেল, গেয়ে গেল - এবং সেই সঙ্গে ক্রিয়েটিভিটি চর্চার ক্ষেত্র হিসেবে সিনেমার গানের উপরেই পুরোপুরি ডিপেন্ড করল -তো কিছু আরডি, কিশোর, রফি, গুলজার, মদনমোহন, হসরত জয়পুরী উঠে আসতেও পারে ক্রমে বাংলা গানে। যেমন ১ এ বলেছি এরকম কিছু ভালো জিনিস তৈরি ও হচ্ছিল হয়তো। কিন্তু সলিল চৌ যেমন বলেছেন, বাংলা ভাষার প্রতিষ্ঠিত কবিরা গান লিখতে এগিয়ে না এলে বাংলা গানের বাঁচার আশা কম - এই কথা এখনো জাস্টিফায়েড। ভালো কবি নন এরকম কোনো লিরিসিস্টের নাম মনে করতে পারলাম না।

    ঘুম পেয়েছে বলে শেষদিকে চিন্তা ও যুক্তিপরম্পরা একটু জট খেয়ে যাচ্ছে বটে, তবে ভাববেন না, টপিক টা চালিয়ে গেলে আবার আসিব ফিরে।
  • | ২৬ এপ্রিল ২০১৪ ০০:২২228727
  • আলোআঁধারির ঐ আধুনিকতা সুস্থরুচিরই অঙ্গ;)
  • | ২৬ এপ্রিল ২০১৪ ০০:২০228725
  • বোঝো!! ঃ))

    ( তাও ভালো। আমেরিকা থাকতে নেমতন্নো করে নি)

    ওসব হবে না বাপু। তুমি কলকাতয় ফেরো। তারপরে আমি উত্তরপাড়ায় তোমার বাড়ি আক্রমন করছি। ঃ))
  • | ২৬ এপ্রিল ২০১৪ ০০:১৭228724
  • বাংলাদেশিদের প্রসঙ্গে হুতোকে, এদেশে এমন অনেকেই আছেন,যারা বাংলাভাষাটাকে অসম্ভব ভালোবাসেন। ছেলেমেয়েদের নিজস্ব সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচয় করাতে সর্বদা সচেষ্ট। আশা জাগে, এদের ছেলেপিলেরা খানিকটা হলেও উত্তরাধিকার বহন করবেঃ)
  • rabaahuta | ২৬ এপ্রিল ২০১৪ ০০:১৩228722
  • না, আমি কিন্তু সেটা ভাবছিনা। বাজারটা বানানো যায় সেটা নিয়ে একমত। এখন নেই, যারা চায় ও যাদের ক্ষমতা আছে, তাদের বানাতে হবে। পথটা জাস্ট একটু কঠিন, কারন মান টা খুবই নীচে ছিল- হুট করে ওঠা হয়তো এক্ষুনি বাণিজ্যসফল নাও হতে পারে, বা লগ্নীকারীদের জন্যে খুব বড় রিস্ক।

    হিন্দী সিনেমা, হ্যাঁ সত্যি বড় প্রতিযোগী, সিনেমা গান সবই। আমি সবই লগ্নী, বাজার, পয়সা কড়ি এইসব দিক দিয়ে ভাবছি।
  • তাপস দাশ | ২৬ এপ্রিল ২০১৪ ০০:১৩228723
  • সুস্থ রুচির সব ছবি দেখতে ভালো হয় না মোটেই।
  • | ২৬ এপ্রিল ২০১৪ ০০:১০228721
  • বাংলা ছবির বাজারটা কিছুটা হিন্দি ছবি গিলে নিয়েছে- সবাইকেই খুশি করতে পারেঃ)কিছু লোক হলিউডি সিনেমা দেখবে।মাল্টিপ্লেক্সে অন্যরকম সুস্থ রুচির ছবি অন্তহীন কি জাতিস্মর চলবে কিছুদিন-তারপর টিভিতে রাইটস বিক্রি করে টাকা আসবে।- কোন বাংলাসিনেমা এরসঙ্গে ফাইট দেবে?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত