এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • হীরকের রানী ভগবান!

    aanteldi
    অন্যান্য | ০৭ জানুয়ারি ২০১২ | ৩৩৩৮০৮ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • fevi | 227.*.*.* | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১২ ০১:৩৩518221
  • বিবি, লাইন গুলো এরকমঃ

    জাগো জাগো জগো সর্বহারা
    অনশন-বন্দী-ক্রীতদাস
    শ্রমিক দিয়াছে আজ সাড়া
    উঠিয়াছে মুক্তির আশ্বাস।
  • siki | 96.*.*.* | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১২ ০২:২৯518222
  • কেশ কঙ্গা কৃপাণ কচ্ছ কড়া।

    আমার সত্যিই এখন ক্লান্ত লাগে এই পৌনঃপুনিকতায়।
  • ranjan roy | 24.*.*.* | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১২ ০৯:১৪518223
  • মাইরি! ফেভির দেয়া মুখড়া পড়ে আর থাকতে না পেরে গুনগুনিয়ে উঠলামঃ
    সনাতন জীর্ণ কু-আচার
    চুর্ণ করি জাগো জনগণ।
    ঘুচাও এ দৈন্য হাহাকার
    জীবন মরণ করি পণ।

    শেষ যুদ্ধ শুরু আজ কমরেড,
    এসো মোরা মিলি এক সাথ,
    গাও ইন্টারন্যাশনাল
    মিলাবে মানব জাত।

    আক্ষরিক অনুবাদ, কাজেই ভালো নয়, কাজ চলে যায় আর কি!
    এর পাশে নজরুলের ভাবানুবাদঃ অন্তরন্যাশনাল সংগীত--- অনেক অনেক বেশি--!

    অন্তরাটা দেখুনঃ
    যত অত্যাচারের শিরে বজ্র হানি
    হাঁকে লাঞ্ছিত জনমনমথিত বাণী।
    নব জনম লভি অভিনব ধরণী
    ওরে ওই আগত।।
  • PT | 213.*.*.* | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১২ ১২:৫০518224
  • RR
    আপনার কথাগুলো মানতে আপত্তি নেই। সমস্যা হচ্ছে যে তৃণদের সম্পর্কে কোন বক্তব্য রাখলেই, "৩৪ বছরের ইত্যাদি...", "সুভাষ চক্কোত্তি ও তারাপীঠ" কিংবা সুর্জিতের দাঁড়ি (আমি তুলিনি কথাটা) ইত্যাদি "পৌনঃপুনিক" উল্লেখ করতে থাকেন কেউ কেউ। যেন বামেরা মমতার পায়ে হত্যে দিয়ে পড়ে বলেছিল তাদের কর্মপদ্ধতি অনুসরণ করার জন্য!! বামেদের দোষের উল্লেখ করে তৃণদের কৃতকর্মকে চাপা দেওয়ার চেষ্টা এখন একটা বহুল প্রচলিত পদ্ধতি হয়ে দাঁড়িয়েছে চ্যানেল চ্যানেলে। সেই বদ অভ্যেসটি গুরুর পাতায় প্রতিফলিত হতে দেখলে কেমন গা চুলকোয়। তাই প্রতিবাদ না জানিয়ে কোন উপায় দেখিনা।

    আর আমার চাইতে আপনি বোধহয় আরও বেশীই জানেন যে culture আর religion, বিশেষতঃ আমাদের দেশে এমন জাপটা-জাপটি করে থাকে যে তাদের ছাড়িয়ে আলাদা করা মুশকিল। বাংলাদেশ সৃষ্টির একটা অন্যতম কারণ সেটা। এরপর কোনদিন হয়্ত দক্ষিণ ভারতীয় বামপন্থী কর্মীর নিরামিষ খাদ্যাভ্যাস থেকে সন্দেহ করা হবে যে সেও ধর্মীয় সংকীর্ণতার বাইরে বেরোতে পারেনি!!
  • Du | 127.*.*.* | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১২ ১৯:৩৮518225
  • রঞ্জনদা যখন বলছেন পার্টি ধর্ম দেখে ক্যান্ডিডেট দিয়েছে, হতেই পারে, কিন্তু এর একটা হলেও ব্যাতিক্রম আমার চোখে দেখা। ঐ পোস্ট আশি সময়ে শিলচরে পার্টির জেতার ভালো~ই সম্ভাবনা ছিল সেখানে পার্টি যাঁকে দাঁড় করিয়েছিল তিনি জন্মসূত্রে মুসলমান। এখন শিলচরের লোকেদের (ইন জেনেরাল) ধর্মনিরপেক্ষ বলে বদনাম নেই। কাজেই এরকম ফীডব্যাক পাওয়া গিয়েছিল শুরুতেই ( মানে ফিক্স হবার আগে) যে আপনারা অন্য ক্যান্ডিডেট দিলে আপনাদেরকেই ভোট দেব। কিন্তু পার্টি হিন্দু ক্যান্ডিডেট দেয়নি। নামটাম আর মনে নেই, আমি তখন ছোট কিন্তু আলোচনাটা শুনেছিলাম। তাই আমার মনে ঐটাই রয়ে গেছে।
  • h | 127.*.*.* | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১২ ২২:১৪518226
  • তো মুখ্যমন্ত্রীর কালীপূজো সম্পর্কে রঞ্জনদার কি বক্তব্য বা মাঝে মাঝেই চাদর গায়ে মুসলমান প্রধান এলাকায় বক্তব্য রাখা, ইমাম দের বা হজীদের সুযোগ সুবিধে দেওয়া নিয়ে কি বক্তব্য?

    দেখুন বাংলা বক্তব্য হল খুব পরিষ্কার। ভারতে বামপন্থীরা দুভাবে সমালোচিত হয়েছেন, এক- ভারতীয় ধর্মীয় সংস্কৃতি বা এথ্নিসিটি বা জাতি ক্যাটিগরি কে বুঝতে না পারার জন্য। বিদেশ থেকে আমদানী করা লিবেরালিজম কে মান্যতা দেওয়ার জন্য দুই - যথেষ্ট প্রকৃত সেকুলার না হওয়ার জন্য।

    ঠিক যেমন ভাবে আনন্দবাজার মাঝে মাঝে বাম্পন্থীদের প্রকৃত বামপন্থী না হওয়ার জন্য সমালোচনা করেন, তো করেন, পয়সা দিলে বিশুদ্ধ বামপন্থী ডজনে পাওয়া যায় তো তাঁরা ব্যবসার কাজে তাঁদের কাজে লাগান, ভালো ই করেন।

    এই সমালোচনা টা আপনার সুবিধার্থে বলে দেই, শুধু সিপিআই সিপিএম এর দিকে ধেয়ে আসা সমালোচনা নয়, বিভিন্ন গোত্রের আগেকার নকুদের প্রতি ও একই ভাবে সমালোচনা ধেয়ে গেছে। তো তার উত্তর তারা নিজেদের মত করে খুঁজেছেন, কোথাও জাতিভিত্তিক রাজনীতি তে পার্টিসিপেট করে কোথাও জাতিভিত্তিক ট্রেড ইউনিয়ন বানিয়ে কোথাও না করে। বিভিন্ন সংগঠন বিভিন্ন ভাবে কাজ করেছেন।

    পশ্চিমবঙ্গে এখন শুধু না, বিশেষতঃ কেরালায় দীর্ঘদিন ধরে এই দু ধরণের সমালোচনাকারীরা বারে বারেই রাজনইতিক ভাবে হাত মিলিয়ে রাজনইতিক সাফল্য পেয়েছেন। তো সেই বোঝাপড়া সম্পর্কে আপনার অবস্থান কি? আর সমালোচনার কোন ভাগটি আপনি সাব্স্ক্রাইব করেন জানতে আমি ইচ্ছুক?

    তার পরে এই আলোচনা আবার করা যাবে?
  • ranjan roy | 24.*.*.* | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১২ ০২:৩৮518227
  • পিটি,
    ঠিক বল্লেন কি ? আপনি আপনার পোস্টটা দেখুন। বর্তমান মন্ত্রীসভার সদস্যদের হাতের আংটি বলাই যথেষ্ট ছিল। কিন্তু সেখানে আপনি দাঁড়ি না টেনে খোঁচালেন সিপিএম বিরোধী বুদ্ধিজীবীদের। কেমন প্রগতিশীল সরকারকে সমার্থন করেছিলে দেখ! যেন আপনি না দেখালে কেউ দেখতে পাচ্ছে না!
    তখন সিকির পোস্ট এল অবভিয়াস প্রশ্ন এবং সুরজিত ইত্যাদি নিয়ে।
    খেয়াল করুন-- তিনোমন্ত্রীদের কথিত অপকম্ম বা আংটি নিয়ে বলায় কেউ প্রতিবাদ করেনি। যাদের চোখ নেই বলেছেন তারা বলেছে যে আগে নিজেদের লোকজনের দিকে তাকিয়ে দেখুন।
    আপনি বক্তব্য বর্তমান সরকারের সমালোচনায় সীমিত রাখুন, কোন প্রবলেম নেই। নইলে সেই পৌনঃপুনিক তুই-বেড়াল না মুই-বেড়াল শুরু হয়ে যাবে। তাতে ফালতু বাওয়াল ছাড়া কোন লাভ নেই।
    হনু,
    খানিকটা ওপরের বক্তব্য। আমার কি মতামত আশা কর? মুখ্যমন্ত্রী কেন, কয়েক যুগ ধরে, এমনকি সিদ্ধার্থ রায় বা কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসব্ভার লোকজনের ইফতার পার্টি বা মাথায় টুপি পরে হাজির হয়ে জনসংযোগ করা নিয়ে কোন বামপন্থী সমর্থকের কি বক্তব্য থাকতে পারে?
    সোজা কথায় রাষ্ট্রনায়কদের ( তাদের নিজস্ব ধর্মবিশ্বাস যাই হোক না কেন) কোন ধর্মীয় অনুষ্ঠানে বা সাম্প্রদায়িক আনুষ্ঠানে যোগ দেয়া উচিত নয়।
    একই কারণে মতুয়া সম্পরদায়ের মন জিততে গত নির্বাচনের আগে ডান বাম দুই বড়পার্টির নেতাদের মঞ্চে গিয়ে হুড়োহুড়ি দৃষ্টিকটু লেগেছে। আমার বর্তমান আবাসের পেছনেই আছে হরিচাঁদ ঠাকুর রিসার্চ ফাউন্ডেশনের জন্যে দেয়া সরকারি জমি--- বড় বড় করে লেখা মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর সৌজন্যে প্রাপ্ত। বল, কি বলবে?
  • h | 127.*.*.* | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১২ ০৫:৩৩518228
  • বেশ তাইলে আপনি দ্বিতীয় ভাগে, আমার আগের পোস্ট অনুযায়ী। ফাইন। তো দুই ভাগের বোঝাপড়া টা নিয়ে কি বক্তব্য? এই প্রশ্নটা এড়িয়ে যাবেন না প্লিজ।

    মতুয়া সম্পর্কে দু টি কথা বলি, ১৯৭১ এর আগে যাঁরা বাংলাদেশ থেকে ভারতে এসেছেন কেবল মাত্র তারাই রিফিউজি-অধিকার ইত্যাদি পাবেন, এই নিয়মের বিরুদ্ধে কথা বলতে গিয়েই মতুয়ারা আর এসপি-সিপিএম এর সংগে কিছু কনভেনশন করেছে। সবচেয়ে বড় যেটি হয়েছিল তাতে মুকুল রায়, গৌতম দেব দুজনেই উপস্থিত ছিলেন। বিষয় টির সঙ্গে আসামের ক্রাইসিস ও জড়িত। অতএব আমার মতে, জাতীয় স্তরে দেখলে, এই মতুয়া দের তোলা প্রশ্নটি শুধুই একটি বা দুটি ভোটের রাজনীতি না, কতগুলি সঙ্গত আইনি ডিবেট আছে, যার পক্ষ ও বিপক্ষ সম্পর্কে আপনার ধারণা পরিষ্কার আশা করি। এটা ঠিক ইফতার পার্টি অ্যাটেন্ড করা বা পূজো উদ্বোধন করা না।
    দ্বিতীয়তঃ বাংলার সমাজ-শিক্ষা সংস্কার মানে রামমোহন ও বিদ্যাসাগর, এই গল্পে
    হরিচাঁদ একটি ইন্টারেস্টিং সংযোজন, তার গবেষণা কিছু হওয়া দরকার সেটা মানতে আপনার অসুবিধে কোথায়।
    হ্যাঁ এইবারে যদি বলেন, গৌতম দেব এর রাজার হাটে জমি বন্টনের রাজনীতির যেটা মেন খেলা সব পক্ষকে কিছু দিয়ে রাখলাম, যাতে কেউ সাস্টেন্ড ট্যাঁ ফোঁ না করতে পারে, এটা যে কোন সর্কার ই চালিয়ে থাকে। ইন ফ্যাক্ট বামফ্রন্টের সম্পর্কে অভিযোগ হল, তারা গুণীজনদের জন্য যথেষ্ট 'করে' নি। এই পদ্ধতির অনুগ্রহ ও বিষয় প্রদান এর রাজনীতির এক টা গ্রহণ যোগ্যতা আছে, এবং অনুগ্রহ গ্রহণ এর সময়ে অনেক সংবেদনশীল ই যারপরনাই আহ্লাদী হয়ে নির্বিবাদে অনুগ্রহ গ্রহণ করে থাকেন, সেসব গল্প-গসিপ ও আপনার অজানা থাকার কথা না। এবং সেটা বামপন্থী দের তৈরী না এটা মানতে আপনার অসুবিধে থাকার কথা না। তবু এই রাজনীতির যদি ওভারল সমালোচনা করেন, জমি অধিগ্রহন নিয়ে বক্তব্য রাখেন, নগরায়ন আর শিল্প প্রতিষ্ঠা, দু ধরণের কাজের জন্য একই জমি অধিগ্রহণ আইন কেন সেসব নিয়ে যদি প্রশ্ন করেন তাহলে সেটা অন্য ডিবেট। বা ইন্ডাস্ট্রিয়ালাইজেশন এর বিরুদ্ধে বক্তব্য রেখে ক্ষমতায় এসে, মমতার আর্বানাইজেশন এর বিরুদ্ধে বক্তব্য নেই কেন, বা শিল্পপতি দের নতুন সুবিধে দেওয়ার জনয় নতুন কমিটি নতুন উদ্যো গত হপ্তাতেই আরম্ভ করতে হচ্ছে কেন, সে প্রসঙ্গ ও অন্য ডিবেট।
  • h | 127.*.*.* | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১২ ০৫:৪২518230
  • নাট্য আকাডেমি সেন্ট্রাল ক্যালকাটায় না হয়ে সল্লেকে হয়েছে বলেই না এত আমরা-ওরা ও রেলওয়ে কমিটিঃ-)) কিন্তু সরকারের কাছে অনুগ্রহ নেব না, এটা কেউ বলেছেন বলে মনে পড়ছে না।
    এটা অনেকটা সেই বৈজয়ন্তর অমর উক্তির মত, স্পিভাক যদি চক্রবর্তী ই থাকতেন, আর বিনয় মজুমদারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন, তাইলে বাংলা কবিতার যুগান্তর আর হত না, প্রয়ো জন ই হত না;-)
  • h | 127.*.*.* | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১২ ০৫:৪৯518231
  • বাই দ্য ওয়ে, রিথিংকিং ওয়ার্কিং ক্লাস হিসটরিঃ বেঙ্গলঃ ১৮৯০-১৯৪০, দীপেশ চক্রবর্তির এই বইটি নাড়া চাড়া করলে আপনি বুঝতে পারবেন, আমি কেন প্রথম ও দ্বিতীয় ভাগের মধ্যে কার বোঝাপড়ার কথা আপনাকে বলছি এবং কেন সেটা ডিফেন্ড না করে আপনার আমার বা পিটি বা দু এর মত পাতি সিপিএম এর সঙ্গে তর্কে আসা উচিত না বলে মনে করছি। এক ই বিষয়ে, এক ই প্রসঙ্গে একাধিক সম্পূর্ণ বিপরীত অবস্থান থেকে পার্লামেন্টারি এবং জনপ্রিয় লেফট এর বিরুদ্ধে আক্রমণ হয় নি বা হয় না কোনটাই না, তো আপনার ডিফেন্স টা কি আগে শুনি?
  • h | 127.*.*.* | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১২ ০৬:০২518232
  • আরেকটা প্রশ্নের জবাব দেবেন একটু, সেফোলোজি তে, প্রাক নির্বাচন অ্যানালিসিস এ বিভিন্ন ভোট ব্লকের সম্ভাব্য ভোটিং প্যাটার্ন নিয়ে পাবলিক ডিসকাসন টা ও, পশ্চিমবঙ্গে বা কেরালায় তো বটেই, ভারতেও কাদের বা কোন ধরণের অ্যানালিস্ট দের, কোন ধরণের মিডিয়া সংস্থার আমদানী? তারা সকলেই সিপিএম কিনা?

    এইটা বলছি এই কারণে, আমি বিশ্বাস করি জেনুইনলি, আপনাদের ব্যাংকের কর্মচারীরা যেমন অনেকেই প্রাইভেটাইজএশন আটকানোর কাজে ট্রেড ইউনিয়ন করার সময়ে বামপন্থী, পাড়ায় এসে দক্ষিন্পন্থী, বা ওরা-সুভাষ- -কে-বুঝলো-না টাইপ্স, তেমনি মুসলমান বা মতুয়ারাও ব আদিবাসেরাও বা পাহাড়ের লোকেরাও ভোট দেওয়ার সময়ে যেখানে যতটুকু সুযোগ আছে, সেখানে ব্যক্তি এবং কমিউইনিটির দাবী দাওয়ার সময়ে নানা দাবীর ভিত্তিতে সমষ্টি, এবং এটাই দস্তুর। অতএব একটা রিসার্চ ফাউন্ডেশন এর জমি দিয়ে গভরনেন্সের ফেলিওর ইত্যাদিতে তৈরি হওয়া ডিসইলিউশন যেমন আটকানো যায় নি, তেমন ই, ভূমি সংস্কারে বা রিফিউজি আন্দোলনে বামপন্থীদের ওভার অল ভূমিকা সদর্থক এটা অস্বীকার করতে গেলে আরেকটু অন্য লেভেলে খেলতে হবে, যেটা এই থ্রেডে সম্প্রতি আপনি খেলেন নি ঃ-) তাছাড়া কেন যে পার্টিকুলার রিসার্চ ফাউন্ডেশন খোলা হয়েছে, আমি তার পক্ষে, আমি তো জোগেন মন্ডল বা আরুজ আলি মাতুব্বার রিসার্চ ফাউন্ডেশন এর পক্ষে, হ্যাঁ এই পঃবঙ্গে হলেই ভালো হয়, তাই বলে কি আমি বরিশাইল্যা দের টেনে খেলাচ্ছি? বলুন, বুকে হাত রেখে বলুন ;-)
  • ranjan roy | 24.*.*.* | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১২ ০৮:০৬518233
  • হনু,
    মাইরি একেবারে থিসিস ঝাড়লে!ঃ))))

    এক,
    সত্যি কথা, আমি মতুয়াদের সম্বন্ধে গত ইলেকশনের আগে কিচ্ছু জানতাম না।
    দুই,
    রিসার্চ হওয়া সব সময়েই ভালো। কিন্তু পাবলিক অডিট দরকার। সরকারি জমিতে তৈরি। একবার আমার বাড়িতে এসো। পেছনেই। একনজর দেখলেই --। এমনকি সল্লেকের পশ্চিমবঙ্গ নাট্য আকাদেমিতে নাটক নিয়ে কি কি রিসার্চ হচ্ছে জানতে পারলে ভাল লাগবে। কারণ, আমি নাটক নিয়ে বাংলায় কিছু পড়ার মশলা পাব। দিদির সদ্য সমাপ্ত রবীন্দ্র ও অর্ধ-সমাপ্ত নজরুল কেন্দ্রেও কতদূর রিসার্চ হয় ভবিষ্যতে জানার ইচ্ছে।
    তিন,
    এই টইটা বামেদের ওপর আক্রমণ ও প্রতিরোধের জন্যে কি? শিরোনামে স্পষ্ট যে বর্তমান সরকারের ক্রিয়াকলাপের ওপর সার্চলাইটের জন্যে।
    আমার বক্তব্য স্পষ্টঃ এ নিয়ে সবাই, আমিও, যত ইচ্ছে লিখব,-- কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে বামদলের ব্যাপক পরাজয়ের জন্যে কিছু কথিত বুদ্ধিজীবীকে দায়ী ধরে নিয়ে প্রত্যেকটি ঘটনার সঙ্গে একবার করে -দেখ শালারা! কাকে এনেছিস বলে খোঁচানো অনাবশ্যক। তাতে বামেরা ক্ষমতায় আসবে না।
    চার,
    পিটি যেমন বলেছেন-- এই দেশে ধর্ম ও সংস্কৃতি অনেক জায়গায় মিলেমিশে আছে।
    তাই কোন মিনিস্টার হাতে কটি তাবিজ বেঁধেছেন বা কে নিজের চেম্বার বাস্তু অনুযায়ী ভেঙে গড়ছেন এগুলো শুধু নির্মল আনন্দের অংশ হতে পারে, সিরিয়াস পলিসি চর্চার নয়। কেউ যদি মুক্তমনা হয়েও ভুল বা পাব্লিকের জন্যে ক্ষতিকর পলিসি ডিসিশন নেন, সেটা আরো ভয়ংকর। কাজেই পলিসি এবং প্রয়োগের ভুল-ঠিক নিয়ে বিতর্ক কাম্য, তুচ্ছ বিষয় নিয়ে নয়।
  • ranjan roy | 24.*.*.* | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১২ ০৮:১৪518234
  • হনু,
    দীপেশ চক্রবর্তির বইটা পড়ার ইচ্ছে ; তোমার কাছে কি আছে? নইলে প্রকাশনের নাম জানিও, পড়ব।
    হে ভগবান! এসব কথা কোত্থেকে এল? ভূমি-সংস্কার-উদ্বাস্তু সমস্যা এসব নিয়ে বামেদের কাজের সদর্থক ভূমিকার কথা কবে কে অস্বীকার করেছে? অন্ততঃ গুরুর পাতায়?
  • Ishan | 60.*.*.* | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১২ ০৯:৪৫518235
  • হনুর বাংলা বক্তব্য হল, বামদের কেন একদিকে "কঠোর ভাবে সেকুলার নন" বলে, এবং অন্যদিকে "জাত-পাত-ধর্ম-সহ ভারতীয় বাস্তবতা বোঝে না" বলে একই সঙ্গে সমালোচনা করা হবে। কেন হবেনা, সেটাই তো বুঝিনি। সবাইকেই তো দেয়। উদাহরণস্বরূপ, কোনো পার্টি দাঙ্গায় মদৎ দিলে লোকে "যথেষ্ট সেকুলার নয়" বলে গাল দেয় (শিখ হত্যায় কংগ্রেস বা গুজরাতে বিজেপি)। আবার বৃহৎ বাঁধ ইস্যুতে "পুরো ওয়েস্ট থেকে টুকছে, বাস্তবতা কিছুই বোঝেনা" বলে গাল দেয়।

    যখন যেমন প্রয়োজন, তখন তেমন সমালোচনাই তো হবে। সব পার্টিরই হয়। বিজেপি থেকে শুরু করে মাওবাদী অবধি। কেউই বিশেষ ব্যতিক্রম না। এবং এর সঙ্গে দীপেশ চক্রবর্তীর বিশেষ সম্পর্ক নাই।

    বিটিডাব্লু, এই টইটা খুলে খসড়া নিয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কিনা দেখছিলাম। বুলবুলভাজা গুলো বেরোনোর পর, দেখছি সব উৎসাহ হারিয়ে গেছে। সেটা ভালো না মন্দ বুঝতে পরছিনা।
  • কল্লোল | 230.*.*.* | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১২ ০৯:৪৯518237
  • হনু।
    রিফিউজি আন্দোলন, ভূমি সংষ্কার ও পঞ্চায়েত নিয়ে আমার কিছু বলার আছে।
    ভূমি সংষ্কার - অপারেশন বর্গা নিঃসন্দেহে ভালো কাজ। কিন্তু কোন ভালো কাজই ভালো থাকে না যদি সদিচ্ছা না থাকে। অভিযোগ ১ঃ জমির পাট্টা থাকতো পার্টি অফিসে। পাট্টাদার অনুগত না থাকলে তাকে জমি চাষের অধিকার হারাতে হতো।
    অভিযোগ ২ঃ অপারেশন বর্গার ফলে জমিপিছু
    জনসংখ্যা বেড়ে গেলো। ফলে চাষবাস ক্রমশঃ অলাভজনক হয়ে উঠলো। তাই নিয়ে কোন ভাবনা চিন্তা ছিলো না। কৃষিতে সমবায় নিয়ে ভাবা হলো না।
    অভিযোগ ৩ঃ সমস্যার সমাধান ভাবা হলো ভারী শিল্পায়নে। পবয়ের মতো উর্বর জমিসম্বৃদ্ধ জায়গায় বরং কৃষি ও কৃষিসম্পৃক্ত শিল্পের কথা ভাবা যেতো।
    পঞ্চায়েত - নিঃসন্দেহে ভালো কাজ। কিন্তু কোন ভালো কাজই ভালো থাকে না যদি সদিচ্ছা না থাকে।
    অভিযোগ ১ঃ পঞ্চায়েত ক্রমশঃ দলতন্ত্রের আখড়া হয়ে উঠেছিলো।
    অভিযোগ ২ঃ কোথাও কোথাও পঞ্চায়েত হরিয়ানার খাপ পঞ্চায়েতের মতো কাজ করছিলো। মানুষের ব্যক্তি জীবনে নাক গলাচ্ছিলো।
    অভিযোগ ৩ঃ পঞ্চায়েতের প্রশাসনিক ক্ষমতা বাড়ানোর ফলে পঞ্চায়েত্কে ঘিরে ক্ষমতার বৃত্ত তৈরী হচ্ছিলো, তা নিয়ে কোন ভাবনা চিন্তা ছিলো না।
    এগুলোর একটা সূত্র ঃ দুটোরই সূত্র, রাঘব বন্দ্যোপাধ্যায়ের কেশপুর কথা।

    রিফিউজি আন্দোলনে বাম ভুমিকা সদর্থক বড়ো অর্থে, সামাগ্রিক অর্থে। কিন্তু আঞ্চলিক পরিসরে নানান কোলে ঝোল টানার গল্প আছে। এক্ষুনি সূত্র দিতে পারছি না। দুটো লেখা আছে। একটা আত্মজীবনী, অন্যটা উপন্যাস।
  • aranya | 78.*.*.* | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১২ ০৯:৪৯518236
  • ইণ্টেলেকচুয়াল-রা যত ইচ্ছে ব্যাখা -বিশ্লেষণ চালিয়ে যেতে পারেন, কিন্তু গ্রাউণ্ড রিয়েলিটি হল আবার লক্ষ্মণ শেঠ কে দরকার, ভোটের দায়, বড় দায়।

    লক্ষ্মণের, লক্ষ্মণদের হাত থেকে মুক্তি নাই :-(।

    আজকের আবাপ থেকে -

    ' নন্দীগ্রাম-কাণ্ডের যাবতীয় ‘দায়’ চেপেছিল যাঁর কাঁধে, হলদিয়া পুরভোটে ‘সাফল্যে’র পরে পূর্ব মেদিনীপুরে দলের হাল ধরতে সেই লক্ষ্মণ শেঠকেই বেছে নিতে হচ্ছে সিপিএমকে!
    জেলা সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য হিসেবে সম্প্রতি পূর্ব মেদিনীপুরের বিভিন্ন জোনাল কমিটির সাংগঠনিক দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে নন্দীগ্রাম নিখোঁজ-মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত এবং আপাতত জামিনে মুক্ত লক্ষ্মণবাবু, অশোক গুড়িয়া, অমিয় সাহুদের হাতে। আর খাস হলদিয়ায় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে লক্ষ্মণ-জায়া তমালিকা পণ্ডা শেঠ ও তাঁদের ‘ঘনিষ্ঠ’ প্রণব দাসকে। রাজ্য নেতৃত্বের উপস্থিতিতে সাংগঠনিক এই দায়িত্ব বণ্টনের পরে তা সিপিএমের জেলা কমিটির বৈঠকে অনুমোদিতও হয়েছে।'
  • কল্লোল | 230.*.*.* | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১২ ১০:০২518238
  • ধম্মো, জাতপাত ও বাম।
    বামেদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ভারতীয় উপমহাদেশের রাজনীতিতে ধম্মো, জাতপাতের ভূমিকাকে পাত্তা দেয় নি বামেরা।
    তার মনে এই নয় যে ধম্মো ও জাতপাতে জড়িয়ে যেতে হবে।
    জাতপাত, ধম্মের ভূমিকা বোঝা আর দুগ্গোপূজোর উদ্বোধন করা, ইফতার পাট্টি দেওয়া, মাতুয়া মায়ের চরণের সেবা লাগে, এক কথা নয়।
  • h | 213.*.*.* | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১২ ১০:০৫518239
  • মুক্তমনা না হয়ে ক্ষতিকারক পলিসি নেওয়া আর মুক্তমনা হয়ে ক্ষতিকারক পলিসি নেওয়া র মধ্যে প্রথম টিকে কেন আপনার কম বিপজ্জনক মনে হচ্ছে, সেটা আবার আমার কাছে পরিষ্কার নয়। মানে আপনি কেউ 'মুক্তমনা' না হলে তাকে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে কেন দেখবেন, বা সে আপনার এই পেট্রোনাইজিং দৃষ্টিভংগী কে আপদ মনে করলে আপনার অবস্থান কি হবে, এ সম্পর্কেও একটু জানতে ইচ্ছে করছে।

    প্রশ্ন গুলো ব্যক্তিগত না, ধরুন কোন পাবলিক লাইফে ধর্মীয় চিহ্ন ব্যবহারে আপনার আপত্তি থাকে, তাইলে আপনাকে কিন্তু তুরস্ক বা মিশরে র সেকুলারিলিজম এর নামে বদখৎ বাড়াবাড়ি কে ব্যাখ্যা করার দায়িত্ত্ব নিতে হবে। কামাল পাশা একদিন ঠিক করলেন, টার্কিশ লিপি বলে কিসু দরকার নেই, আধুনিক হতে গেলে রোমান লিপি ব্যবহার করতে হবে, একদিনে ভাষা মুছে গেল। ইত্যাদি। আর্মেনিয়ান জেনোসাইড, মিশরে মুসলিম ব্রাদারহুডের নেতাদের উপরে মিশরে সোভিয়ে বন্ধু দের অত্যাচার, যারা কিনা পরে আধুনিক বলে আমেরিকার বন্ধু হয়ে গেল স্যাট করে, কে আপনার পসন্দের সেকুলারিজম এর পক্ষে কিন্তু মুক্তমনা অথচ বিপজ্জনক ক্যাটিগরি তে রাখতে হবে। তাতেও শান্তি নেই, কারণ সংকীর্ণমনা এবং বিপজ্জনক নেতৃত্ত্ব ঝুরি ঝুরি, এবং খুব প্যারোকিয়াল এবং মানুষের উপকারে লেগেছেন এরকম নেতৃত্ত্ব যদি আপনার পসন্দের হয়, তাইলে বিধান রায় কে নিয়ে সেলিব্রেশন করতে হবে, আর মহম্মদ ইসমাইল এর হারা নিয়ে কাউন্টিং এর সময়ে লোডশেডিং এর গল্প নিয়ে আহা উহু করা চলবে না। তো আমার বক্তব্য ছিল, আড্ডা মারছেন মারুন, খ্যাল করে না বললে প্যাঁক দেবো না?

    এই সব নানা বিপদের কথা মাথায় রেখেই নেহরু ডিসকাভারি অফ ইন্ডিয়া লিখেছিলেন, তো পরে নানা ক্যাচালে সেই নেশন বিল্ডিং থিসিস বান্চাল হয়ে যায়, আপনাকে আর নতুন করে কি বলবো। শবনম তেজানি সহ, পশ্চিম উত্তর ভারতের পার্টিশনের সময়কার ইতিহাস যাঁর লিখেছেন তাঁদের বক্তব্য হল, মুসলমান দের কমিউনিটি পলিটিক্স কে কাউন্টার করতে গিয়ে আম্বেদকরের কমিউনিটি পলিটিক্স এ সংবিধানে জায়্গা দেওয়া হয়, এবং স্বাধীন ভাগ হওয়া ভারতের রাজনইতিক ডিবেটে ধর্মীয় মাইনরিটি র সম্ভাব্য দাবী দাওয়া চাপা পড়ে। তেজানি একদি থেকে হয়্তো ঠিক, কিন্তু দেশ ভাগের সময়ে ঐ ভয়াবহ রক্তপাতের পরে নেহরুর পক্ষে আর কিছু করা আদৌ সম্ভব ছিল কিনা সেটা সম্পর্কে উচ্চাবাচ্য করেন নি। সাচার এবং রঙ্নাথ কমিশন ইত্যাদি দের বক্তব্য এর থেকে বিশেশ দূরে না। এই মান্যতা বা ্বেকৃতির ডিবেট কে শুধু সংরক্ষণ এর টার্ম্স এ দেখা টা আম্বেদকরের না হলেও কাঁসীরাম দের ভুল এইরকম যদি বলেন তাও দুটো কথা হয়।
    বাকি পরে লিখছি। থিসিস কেন, কোন জাড়ার উদ্দেশেয়ি এটা লেখা নয়, ভাট মাত্র, কালের নিয়মের চুরমুরের সাদা পাতা বা ফুচকর শালপাতা।
    কল্লোল দা পরে উত্তর দিচ্ছি।
  • ranjan roy | 24.*.*.* | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১২ ১১:০১518242
  • হনু,
    আমার পোস্টটা আর একবার দেখ। আদৌ আমি তা বলিনি। যা বলেছি তা হল পাব্লিক প্রতিনিধি বা সার্ভেন্ট আদৌ মুক্তমনা কি না সেটা নিয়ে আমার কোন মাথাব্যথা নেই, সেটা বড়জোর নির্মল আনন্দের ব্যাপার।
    কিন্তু তার পলিসি বা প্রয়োগ জনসাধারণের পক্ষে ক্ষতিকর কি না সেটাই আমার সিরিয়াস কনসার্ন এবং আলোচনার বিষয়, ট্রিভিয়া নয়।
    খানিকটা দেং শিয়াও পিং এর বেড়াল ইঁদুর ধরতে পারে কি না গোছের ব্যাপার!ঃ)))
    আমি বুঝতে অপারগ যে এই টইতে" হীরকের রাজা ভগবান" শীর্ষক আলোচনায় উপরোক্ত স্ট্যান্ড নেয়ার জন্যে আমাকে কামাল আতাতুর্কের "সেকুলারিজম" ঠিক না ভুল, বিধান রায় ও মহম্মদ ইসমাইলের ইলেকশানের লাইট নেভা বিতর্কে--- এসব নিয়ে পক্ষাবলম্বন কেন করতে হবে?
    কারণ সেই বিতর্কে ঢুকলে তার আগে অনেক বিতর্কে ঢুকতে হবে। যেমন বিধান রায় আদৌ জনকল্যাণ কারী প্রশাসক ছিলেন কি না, বিড়ি-শ্রমিক ইউনিয়নের নেতা ইসমাইলের ওনার বিরুদ্ধে দাঁড়ানো উচিত ছিল কি না--ইত্যাদি, ইত্যাদি।
    ধরা যাক, আমি গত কয়েকবছর আগে অব্দি অরাজনৈতিক ব্যক্তি ছিলাম। ইতিহাস-সমাজতত্ত্ব কিস্যু জানি না। তাহলে আজ এই স্ট্যান্ড কেন নিতে পারবো না যে রাজনৈতিক ব্যক্তিদের পলিসি ও প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা হোক, ব্যক্তিগত ইডিওসিনক্র্যাসি নিয়ে নয়-- যতক্ষণ না তাদের সেইসব অভ্যেস পলিসিকে প্রভাবিত করছে?
  • PT | 213.*.*.* | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১২ ১৩:২৪518243
  • RR
    আপনি হঠাৎ তৃনমূলী বুদ্ধিজীবিদের হয়ে কালো কোট গায়ে চড়ালেন কেন? তাঁরা চুপ করে আছেন বলেই তো পোস্টিং। বিশেষতঃ যাঁরা ভোটের আগে এত বাইট দিয়েছেন-না বলতেই দিয়েছেন তাঁদের নৈঃশব্দ আপনাকে বা আরো কাউকে কাউকে কেন পীড়ন করে না কে জানে -কিন্তু আমাকে করে।

    ব্যক্তির ধর্মীয় সংস্কার/বিশ্বাস দেশের সব্বোনাশ করে কি না সেটা বোধহয় সব ভারতীয়রই "পৌনঃপুনিক" আলোচনা করা উচিৎ। গুজরাট, বাবরি ছাড়ুন-২০১০-এর দেগঙ্গার দাঙ্গার কথা চাপাচুপি দিয়ে সামলানো হয়েছে - সে সবের শুরুও ঐ ব্যক্তির বিশ্বাস থেকে। সব চাইতে বড় কথা লালবাড়ি তো কারো ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয় যে সেখান থেকে "বাস্তু" নামক একটি ধর্মীয় বিশ্বাসের বার্তা সারা রাজ্যে ছড়িয়ে দিতে হবে। সেখানে বাইটাসক্ত পণ্ডিতেরা চুপ করে থাকলে অস্বাভাবিক লাগছে না আপনার?!
  • | 233.*.*.* | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১২ ১৩:৪১518244
  • এই খানে অনেক গুলো কথা বলার ছিল। কিন্তু বলবো না। কিন্তু কথা যে বলার আছে সেটা বলবো।বেশ করবো।
  • Hatem | 131.*.*.* | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১২ ১৩:৫৪518245
  • আহা বলে ফেলো। বদহজম হবে।
  • | 233.*.*.* | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১২ ১৩:৫৭518247
  • পাগোল ঃ))।
  • | 233.*.*.* | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১২ ১৩:৫৭518246
  • আর আপনি ও বা কেন জগতে বাম দলের মত মহন দল নেই তার গুন কীর্তন এ ব্যস্ত। অথচ চেপে ধরলে বলেন ওদের নাকি কোন দিন ভোট দেন নি? এর পরেও এখানে আপনাকে কেউ কিছু বলে নি সেটা এখানের লোকদের মহানুভব্তা বলতে পারেন PT দা।
  • siki | 96.*.*.* | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১২ ১৪:১০518248
  • পিটিবাবু আকাশ থেকে পীড়ন পেড়ে পেড়ে এনে নিজের ঘাড়ে চাপাতে বডডো ভালোবাসেন।

    আর কিছু বলার নেই।
  • PT | 213.*.*.* | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১২ ১৪:৪৭518249
  • @ব

    "এর পরেও এখানে আপনাকে কেউ কিছু বলেনি...." (RR-নজর করুন!!) মনে করিয়ে দিল একাত্তরের ভোটের আগের কথাঃ সোদ্পুর স্টেশনের পাশের রাস্তার সবে দখল নিয়েছে নবরা। বিকেলের অন্ধকারে রাস্তার মোড়ে দাঁড়ানো ছেলেটা পকেট থেকে কালো একটা কিছু বের করে নাকের সামনে নাচিয়ে বললঃ-"এই শ্লা এখানে কি করছিস?"

    ভয় দেখানোরও একটা "পৌনঃপুনিকতা" আছে -পরিবর্তন সেটার থেকেও রেহাই দেয়না। তার শুরুটা সব সময়েই তো বুদ্ধিজীবিদের বুদ্ধিভ্রম দিয়ে হয়!!
  • | 120.*.*.* | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১২ ১৫:০০518250
  • আপনাকে আর কিছু বলার নেই। ভালো থাকবেন। আর বাম আন্দোলন কে দিকে দিকে ছড়িয়ে দেবেন এই প্রাথর্না করে শেষ করছি।
  • j | 230.*.*.* | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১২ ১৭:৫০518253
  • কি ক্ষান্ড ! কে জানেন এই সোহম ?সেই পোসেনজিত - রোনজিত মোল্লিক দের সিনেমার শিশুশিল্পী মাস্টার বিট্টু

    এই ছেলেটা গ্যালোবারে অনেক বিধানসভা কেন্দ্রে গিয়ে তিনোদের হয়ে পোচারও করেচে !
  • PT | 213.*.*.* | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১২ ১৭:৫৯518254
  • মাত্র দেড় মাসের মধ্যেই এতসব কান্ড। সোদপুরের ঘটনার উল্লেখ বোধহয় অর্থহীন নয়!!
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। বুদ্ধি করে প্রতিক্রিয়া দিন