এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • pi | ০৮ মে ২০১৪ ১৮:৫৪232830
  • ঐন্দ্রিলার কেসটার কী হল, কারুর জানা আছে ?
  • de | ০৮ মে ২০১৪ ১৮:৫১232829
  • ছেলে শুনলে ঠিকই আছে -- আমার কন্যা স্কুল কামাই করতে বল্লে অতি অসন্তুষ্ট হয়! কারণ প্রত্যেক ক্লাসের পারফরম্যান্সের ওপর আলাদা করে মার্কিং থাকে ওদের স্কুলে। স্কুল কামাই করার প্রশ্নই নেই তাই!
  • Reshmi | ০৮ মে ২০১৪ ১৮:৪৩232828
  • আমার ছেলের স্কুলের গরমের ছুটি নিয়ে আগের বছরেও এখানে লিখেছিলাম, মনে আছে। দুম করে ১৫ দিন ছুটি কমিয়ে দিল, কি না, সিলেবাস শেষ হয় না! ক্লাস সিক্সেই এই অবস্থা ছিল, সেভেনে ও যে ছুটি কমবে, জানাই ছিল। টিচাররাও অসহায়, পুরোটাই স্কুল কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত। আর দেখেছি বেশির ভাগ অভিভাবকেরও তেমন তাপ উত্তাপ নেই এই নিয়ে, বরং স্কুল তো এসি, বাড়িতে থাকলেই তো কথা না শুনে বাইরে খেলতে চলে যাবে গরমের মধ্যে, তার থেকে স্কুলে যাওয়াই ভাল, এই অ্যাটিট্যুড।
    মাস স্কেলে প্রতিবাদ হয় না, তাই স্কুল কর্তৃপক্ষের সিদ্ধন্তেরও নড়চড় হয় না গুটিকয় অভিভাবকের কথায়। এ অবস্থায় আর কিই বা করার থাকে, ছেলেকে অসুবিধা হলে স্কুলে যাস না বলা ছাড়া? অ্যাসাইনমেন্ট বা ক্লাস টেস্ট হেল্থের থেকে বেশি গুরুত্বপুর্ণ তো নয়!
  • aka | ০৮ মে ২০১৪ ১৮:৪০232827
  • হ্যাঁ এসএম এরকমই কিছু করা।
  • byaang | ০৮ মে ২০১৪ ১৮:৩২232826
  • অথচ এখনও রোজ হাত কামড়াই, প্রায় প্রতি পদে, কেন পাইয়ের কথা শুনলাম না। কেন ওকে জোর করে ছাড়িয়ে অন্য কোথাও ভর্তি করলাম না!
  • quark | ০৮ মে ২০১৪ ১৮:৩১232825
  • খুব খুব ইন্সিকিওর্ড লাগছে, একটা আতঙ্ক। এখনো টিভি দেখিনি। বাড়ি ফিরেও খুলব না। কাল যেন কাগজে ওর মুখটা না ছাপা হয়।
  • byaang | ০৮ মে ২০১৪ ১৮:৩০232824
  • ইন্দোর ৬ঃ০৮ দেখে মনে পড়ল। এপাতায় ব্যাঙাচির শিরদাঁড়ার চোটের কথা যখন লিখেছিলাম, স্কুলের চাপের কথা, তখন অনেকেই বিশেষ করে পাই বলেছিল স্কুল পাল্টে দিতে। কিন্তু ঐ এক কারণে পাল্টাতে পারি নি। যা ইন্দো লিখল ৬ঃ০৮য়ে। ছেলে স্কুল পাল্টাতে চায় নি, তার ইচ্ছের বিরুদ্ধে তাকে জোর করতে চাই নি আর বেটার অপশনও খুঁজে পাই না। কোথায় সে স্বর্গ, কে জানে!
  • de | ০৮ মে ২০১৪ ১৮:২২232823
  • বাচ্চা অজ্ঞান হয়ে পড়ে গেছে করিডরে - এর থেকে বড় এমারজেন্সি আর কি হবে? সঙ্গে সঙ্গেই হাসপাতালের ক্যাসুয়ালটিতে নেওয়া উচিত!
  • de | ০৮ মে ২০১৪ ১৮:১৯232821
  • আমার যাবতীয় আত্মীয়ের বাচ্চা ওই স্কুলেই পড়ে -- আমি একবার গড়িয়াহাটের ব্রাঞ্চে আমার ভাইঝিকে পৌঁছতে গেছিলাম। বাইরে থেকে অভিভাবকদের ভিড় দেখে আমার চোখ ছানাবড়া! বড্ড দমচাপা স্কুল। মাঠ ইঃও নেই বোধহয়।
  • sm | ০৮ মে ২০১৪ ১৮:১৯232822
  • aka, দেখুন তো ওপরের পোস্ট টা থেকে কোনো আইডিয়া বা উত্তর পেলেন?
  • sm | ০৮ মে ২০১৪ ১৮:১৬232819
  • দেখুন বিদেশেও কোনো স্কুল এ ডাক্তার থাকে দেখি নি। স্যাম্পল সাইজও খুব স্বল্প। এক্ষেত্রে স্কুল কতৃপক্ষ কি করে? ছোট করে বাচ্চার পেরেন্ট কে খবর দেয় আর একটু জটিল বুঝলে অ্যাম্বুলেন্স কে। অ্যাম্বুলেন্স এলে কি করে; অক্সিজেন দেয়, জীবন দায়ী ইনজেকশন দেয় ও স্বত্তর হাসপাতাল নিয়ে যায়। cpr এর প্রয়োজন হলে দিতে পারে।
    কলকাতাতেও সম্ভব। ঘন জনবহুল শহর। প্রচুর হাসপাতাল ও নার্সিং হোম আছে। কোনো জরুরি অবস্থার কন্ট্রোল রুম থাকলে ( যাদের কাছে ফোন কল লিস্ট থাকবে) স্বত্তর অ্যাম্বুলেন্স ও প্যারামেডিক গোছের ব্যক্তির আসা সম্ভব। তবে ইন বিটউইন সময়ের জন্য স্কুলে প্রাথমিক এমের্জেন্সী সামলানোর ট্রেনিং ও cpr ট্রেনিং নেওয়া ব্যক্তি থাকলে ভালো হয়। এটা যে কোনো স্কুল শিক্ষক বা অফিস স্টাফ হতে পারেন। শুনেছি NCC থেকে আগে এমনি ট্রেনিং দেওয়া হত। এটি যে কোনো হাসপাতাল বা সেচ্ছাসেবী সংঘঠন ও দিতে পারে। এত কথা বলার উদ্দেশ্য যেন ভবিষ্যতে এমন ঘটনা না ঘটে। তবে মন টা খারাপ।
  • aka | ০৮ মে ২০১৪ ১৮:১৬232820
  • এখন এই কথা বললেই হয়ত আবার চাট্টি গালি খেতে হবে।

    কিন্তু আসল প্রবকেম ডিফাইন্ড প্রসেস নেই। এমার্জেন্সি ঠিক কোনটা, হলে কিইই বা করবে কেউ জানে না। কারন কিছু ডিফাইন করা নেই।
  • de | ০৮ মে ২০১৪ ১৮:১৪232816
  • সাউথপয়েন্টে সত্যিই বাচ্চার সংখ্যা অসম্ভব বেশী। দুনিয়ার কোন ভদ্র স্কুলে এতো বাচ্চা নেয় না। ম্যানেজ করতে পারাই তো সম্ভব নয়!
  • I | ০৮ মে ২০১৪ ১৮:১৪232817
  • তারা এইমাত্র ফিরল।
  • I | ০৮ মে ২০১৪ ১৮:১৪232818
  • হ্যাঁ, এইটা একটা জেনুইন অভিযোগ। এত পড়াশুনা করিয়ে কী চতুর্বর্গ ফললাভ হবে? ১৫ দিন বেশী ছুটি দিলে কী ক্ষতি হয়?
  • এমেম | ০৮ মে ২০১৪ ১৮:১০232815
  • সারা জীবন আপশোস থেকে যাবে, ঠিকই তাই।
  • I | ০৮ মে ২০১৪ ১৮:০৮232814
  • এখন, এই সত্যিটা আর কোনোদিনই জানা যাবে না। যে, স্কুল ঠিক কতটা চেষ্টা করেছিল।
    মুশকিলটা হচ্ছে, এত বড় স্কুল বলেই আরো সমস্যা। যদি আর একটু কম বড় হত, আর একটু সহজে ম্যানেজ করা যেত। আরো মুশকিল এই যে, এসব জেনেই তো ভর্তি করেছি। ছেলেও এখন আর স্কুল ছাড়তে রাজী নয়। ছেড়ে কোথায়ই বা যাবে! কোথায় সে স্বর্গ আছে!
  • এমেম | ০৮ মে ২০১৪ ১৮:০৭232813
  • যার যায় তার যায়, সত্যিই তাই।
  • de | ০৮ মে ২০১৪ ১৮:০৫232812
  • বম্বেতে মে'র প্রথম থেকে জুনের মাঝামাঝি অব্দি ছুটি - একটু সামার ভেকেশন বেশী হলে ভালোই হয় - বাচ্চাদের কষ্ট কম হয়। নাহলে কষ্ট হলে স্কুলে যাস না বলে কোন লাভ হয় না। হাজারটা টেস্ট, অ্যাসাইনমেন্ট - এসব কেউ মিস করতে চায় না!
  • aka | ০৮ মে ২০১৪ ১৭:৫৫232810
  • মৃত্যু তো হতেই পারে। সব সময়ে হাতের মধ্যে থাকে না। কিন্তু মারা যাবার আগে কি শেষ সর্বাত্মক চেষ্টা করা হয়েছিল? এইটা ক্লিয়ার না হলে সেই আপশোষ সারা জীবন থেকে যায়।

    স্কুলই বা কি করবে। কোন ডিফাইন্ড প্রসেস নেই। আমাদের ছোটবেলাতেও শরীর খারাপ হলে অফিস রুমে নিয়ে যেত। তারমধ্যে ফেক শরীর খারাপও ছিল আবার সত্যিকারের শরীর খারাপও ছিল। কেউ সাইকেল চালিয়ে গিয়ে বাড়িতে খবর দিত। এখন ফোনে খবর দেয়।

    ওদিকে বাড়ির লোকের মনে হবে যে হয়ত একটু আগে হসপিটালে নিয়ে গেলে বেঁচে যেত।
  • de | ০৮ মে ২০১৪ ১৭:৫৫232811
  • খুবই খারাপ খবর!! বাচ্চাদের সামান্যতম সমস্যায়ও সঙ্গে সঙ্গে এমার্জেন্সিতে নেওয়া উচিত কেননা তারা ঠিকমতো এক্সপ্লেইন করতে পারে না। এতো বড় স্কুল, এতোগুলো বাচ্চা পড়ে, এতো কম রেস্পনসিবিলিটি সেন্স!!

    টুংকাই সাবধানে ফিরেছে আশা করি!
  • I | ০৮ মে ২০১৪ ১৭:৪৯232809
  • আমরাও স্কুলে পড়াকালীন একটি ছেলে মারা গেছিল। রহড়া মিশনে স্কুলের মধ্যে উঁচু পাঁচিল দিয়ে ঘেরা একটা পুকুর ছিল। ছেলেটি ঐ পাঁচিল টপকে পুকুরে ঝাঁপ দিয়েছিল। আর উঠতে পারে নি। তখন এত মিডিয়াও ছিল না।

    মৃত শিশুদের সমাজ!
  • byaang | ০৮ মে ২০১৪ ১৭:৪৭232808
  • ঃ(
  • I | ০৮ মে ২০১৪ ১৭:৪৬232807
  • তাকে ফোন করেছিলাম। গোঁজ হয়ে বলল-আমি জানি, একটা ছেলে মরে গেছে।
    আর কিছুই বলল না।
  • kumu | ০৮ মে ২০১৪ ১৭:৪৪232806
  • টুংকাইকে সাবধানে তেখো।বাচ্চাদের ওপর এইসব ঘটনার প্রভাব পড়ে খুব।
  • aka | ০৮ মে ২০১৪ ১৭:৪২232804
  • খুবই খারাপ খবর। এদ্দিনেও একটা ৯১১ ইকুইভ্যালেন্ট তৈরি হল না।
  • a x | ০৮ মে ২০১৪ ১৭:৪২232805
  • মর্মান্তিক। মাথায় একটু আঘাতেই তো ভালো মতন ব্লিডিং হয়। এরকম হলে সঙ্গে সঙ্গে অভিভাবকদের ফোন করে জানায় না?
  • Tim | ০৮ মে ২০১৪ ১৭:৪১232803
  • খুবই খারাপ লাগলো শুনে। ঃ-(
  • byaang | ০৮ মে ২০১৪ ১৭:৪০232802
  • যাক তাও রাত্তির আছে সঙ্গে।
  • I | ০৮ মে ২০১৪ ১৭:৩৮232801
  • রাত্তির গেছে আনতে। তারা এখন ফিরছে। রাস্তায় আছে। এদিকে আজকে পুল কার বেরোয় নি রাস্তায়, সম্ভবতঃ ভোটের ডিউটি পাবার ভয়ে। রাত্তির সকালেই গেছিল ওকে নিয়ে। পৌঁছে দিয়ে সে আবার এদিক-ওদিক গেছিল, এতক্ষণ বসে থাকবে ! খবরটাও জানত না। আমিই টিভি দেখে ফোন করি। তারপর তো স্কুলে পৌঁছে দেখে এই সব !
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত