এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  নাটক

  • হীরকের রানী ভগবান (৪)

    s
    নাটক | ২৩ মে ২০১৬ | ১৩১৭০১ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • একক | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ১৫:১৬711829
  • আমি জানতে আগ্রহী, কালকে একদল মেয়ে-পুরুষ তরুণ সাগরের দেখাদেখি উলঙ্গ হয়ে রাস্তায় বেরোলে এই "রীতি ভার্সাস বদমায়েসী " লজিক টা কোথায় থাকবে ?
  • T | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ১৫:২১711830
  • সে ধর্মের অজুহাতে শিখদের অস্ত্র রাখার অনুমতি দেবে কারণ একটা লোক যে 'শিখ' এই আইডেন্টিটিটা সে তার ধর্ম সমেতই গ্রহণ করেছে। না হ'লে তো সকলেই জাস্ট মানুষ। ভারত সেকুলার দেশ হলেও তার আইন তো সেকুলার নয়।
  • pi | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ১৫:২৫711831
  • টি এর বিশ্লেষণগুলো ভাল লাগছে। কিন্তু সিপিএম এর প্রবাদপ্রতিম সঙ্গঠন শহরে ছিল, গ্রামে না।।এটা ঠিক ?
  • একক | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ১৫:২৬711832
  • তিতাস
    তুমিও জানো ওরকম একই লজিকে রামভক্ত আইদেন্তিটি কেও ভল্ল (তরবারি নয়, কোত্থাও শালা তরবারি নেই ) আর ধনুর্বাণ জুড়ে ডিফাইন করা যায় :)

    প্রশ্ন হলো বারবার চিত্কার হবে ধর্ম আর রাষ্ট্রকে পৃথক করা নিয়ে অথচ তুমি কিছু লোককে কিছু স্পেশাল প্রিভিলেজ দেবে ধর্মের বেসিসে ......এটা জাস্ট উদমা ভন্ডামি :D :D
  • কল্লোল | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ১৫:৫৭711833
  • শিখেরা তাদের ধর্ম পালনের জন্য কৃপান রাখে। আইন মেনে ৬ইন্চির কম। কিন্তু মহরম আর শিখেদের ধর্মীয় মিছিলে অস্ত্র থকে পুলিশের অনুমতি নিয়ে। পূর্ব বা দক্ষিন ভারতে কোন হিন্দুধর্মীয় মিছিলে অস্ত্র থাকে না। আর অদিবাসীরা তির ধনুক বহন করতে পারে। আইন মানুষের জন্য, মানুষ আইনের জন্য নয়।
  • T | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ১৬:০০711834
  • একক, না করা যায় না বলেই মনে হয়। কারণ শিখদের আইডেন্টিটির একটা পার্ট হিসেবে সাথে অস্ত্র রাখার ঐতিহাসিক প্রিসিডেন্স আছে। এ ব্যাপারে তাদের ধর্মে সুনির্দিষ্ট নির্দেশ রয়েছে। যে সোশ্যাল শেলের (খোলস) মধ্যে 'শিখ' ব্যাপারটা থাকে তাকে অস্ত্র সমেত স্বীকার করাটা
    তাদের প্রতি একধরণের সামাজিক ন্যায় মার্কা কিছু ব্যাপার।
    রামভক্ত কোনো সেক্ট তো নয়। শ পাঁচেক বছর ধরে হিন্দুধর্ম যেভাবে ইতিহাসের রাস্তায় ঘুরেছে তাতে কোনখানে অস্ত্র নিয়ে ঘোরার নিদর্শন রয়েছে? এইবার তুমি বলবে ভল্ল আর ধনুর্বাণ জুড়ে এই আজ থেকে যদি কেউ ডিফাইন করে দেয়। তো, তাতে বলব যে, হিন্দু ধর্মের যাবতীয় অ্যামবিগুইটি মেনে নিয়েও, যদি ধর্মীয় অ্যামেন্ডমেন্ট হিসেবে এটা জুড়ে দেওয়া যায়, তবে তা আগে সামাজিক মান্যতা পাক, তারপর দেখা যাবে। এই সামাজিক মান্যতা পাওয়ার রাস্তায় উল্টোদিক থেকে প্রতিবাদ এলে সেটাও পার্ট অব দ্য গেম। খেলো, খেলে অধিকার অর্জন করো, দুশো বছর পর এই কল্লোলদারাই বলবে, লোকায়ত সংস্কৃতির নিদর্শন হিসেবে অস্ত্র রাখাটা সনাতন অধিকার :) কিন্তু তদ্দিন অবধি নো পাসারন।

    ভারত তো এথেইস্ট দেশ নয়, সেখানে ঐভাবে প্রিভিলেজের কতকটুকুন ধর্ম থেকে আসছে আর কতটা ধর্মকে ঘিরে প্রাচীন সমাজব্যবস্থা সংস্কৃতি ইত্যাদি থেকে আসছে সেসব আলাদা করা মুশকিল। এত ঘাঁটা দেশ।
  • T | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ১৬:০১711835
  • না না পাইদি, লেখার দোষে অমনটা মনে হচ্ছে। গ্রামেও ছিল।
  • একক | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ১৬:০৫711836
  • হ্যা, তাহলে আমরা মেনে নিচ্ছি যে, আরেসেস এর এই অস্ত্র নিয়ে রামনাম মিছিল আসলে রামসংস্কৃতির সংবিধানিকরণের আন্দোলন। এই জায়েজ অধিকারের আন্দোলনকে কেও রাজনৈতিক জায়গা থেকে বিরোধিতা করছেন বা সমর্থন, কিন্তু এর মধ্যে ওরকম কোনো নৈর্বক্তিক মরাল বিরোধিতার আদৌ জায়গা নেই।

    ব্যাস। এইটুকুই ক্লিয়ার হওয়ার ছিলো :)
  • T | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ১৬:০৮711837
  • না, আরেসেসের রামসংস্কৃতির আন্দোলন আসলে একটা বৃহৎ জনগোষ্টীর মধ্যে মনোলিথ নির্মাণ করার কৌশল যাতে ওদের হাপপ্যান্টের বিক্রীবাবদ লাভ বেশী হয়।

    এটা একটা সামাজিক আগ্রাসন, তাই মরাল বিরোধিতার জায়গা তো আছেই। রাজনৈতিকও আছে।
  • একক | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ১৬:১২711839
  • এই মনোলিথ নির্মানের কৌশলের উপরেই যে কোনো প্রাতিষ্ঠানিক ধর্ম দাঁড়িয়ে আছে। শিখ ও তাই। পঞ্চ ক ইত্যাদি ও তাই। শৈব ও তাই। বৌদ্ধ ও তাই। ক্রিস্চিয়ানিটি ও তাই। স্ক্রিপচার + পাওয়ার +স্ট্রাকচার এই মনোলিথ না থাকলে তো সেটা প্রাতিস্থাকিন ধর্মই হবেনা। লোকায়ত হয়ে যাবে। সামাজিক আগ্রাসন করে একটা ধর্মের ধারণার তলায় প্রজাকে বাঁধা, এর বাইরে কোন প্রতিষ্ঠানিক ধর্মের ইতিহাস আছে, একটা দুটো উদাহরণ শুনি ?

    নাকি, আরেকটা নতুন মনোলিথ এসে এক্সিস্টিং মনোলিথ কে আক্রমন করছে বলে ভয়।
  • কল্লোল | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ১৬:১৫711840
  • উত্তর ভারতে হিন্দু ধর্মীয় মিছিলে অস্ত্র নিয়ে যায় শুধু মাত্র রাজপুতেরা। ওরাই নবরাত্রির অষ্টমদিনে অয়ুধপূজো করে। এটা রাজপুত রীতি। আসলে হিন্দু রীতি বলে একটা কিছু হয় না।
  • একক | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ১৬:২০711841
  • কাল যেতনা। আজ যেতে চাইছে। অসুবিধে কী ? ধর্মীয় অধিকারে অস্ত্র ওপেন ক্যারি করা যায় এই বেসিক প্রিমায়স মেনে নিলে একটা নতুন ধর্মীয় দল একই অধিকার দাবিতে জনমত গঠন ও আন্দোলন করছে, তাদের পাশে দাঁড়াতে আপত্তি কেন রে ভাই ? :)
  • T | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ১৬:৩৮711842
  • এই মনোলিথ নিমার্ণের জন্য যুদ্ধ আগ্রাসন এবং তার প্রতিরোধই তো ইতিহাস। যে যেখানে হেরেছে সে সেখানে মুখ বুজে অন্যপক্ষের সংস্কৃতি মেনে নিতে বাধ্য হয়েছে। ধর্ম তার প্রাতিষ্টানিক রূপ পেয়েছে। সে তো অস্বীকার করছি না। বলছি যে, এই আগ্রাসন যেমন ছিল তেমনই প্রতিরোধটাও ছিল। একটা উদাহরণ দিচ্ছি। শ্রীচৈতন্য। উনি যখন ধুয়ে দিচ্ছেন সেইসময়কার ব্রাহ্মণ্যধর্মকে, উঁচু জাত নীচু জাত পার্থক্য ঘোচাচ্ছেন, ওঁর অবর্তমানে নিত্যানন্দের ওয়াইফ (সম্ভবতঃ) বৈষ্ণব প্রভাবকে কুক্ষিগত করার জন্য স্ট্রাকচার দেওয়া ডিসাইড করেন। কাশী বারাণসী থেকে (অথবা ওখানে গিয়ে, মনে পড়ছে না) ডেকে আনেন টিকিওয়ালাগুলোকে। তারা এসে নিজেদের পাওয়ার স্ট্রাকচার অনুযায়ী বৈষ্ণব ধর্মকে আমূল সংস্কার করেন ও এর ফলে তার অ্যাকচুয়াল এইম থেকে সরে জিজিতে চলে যায়। জাতবোষ্টম নামক একটি শূদ্র মাফিক সম্প্রদায় তৈরী হয়। এই স্ট্রাকচার প্রেম নিজে থেকেই ইন্সট্যানশিয়েট করেছিল আগ্রাসন, প্রতিরোধ বিশেষ কিছু ছিল না।

    আমাদের মানে বাঙালীদের এগজিস্টিং মনোলিথ কি? আদপেই কি কিছু আছে? আমাদের ওখানে কালীমন্দিরে লোকে আইদার পরীক্ষার সময় অথবা হাসপাতালে আত্মীয় ভত্তি হ'লে মাথা ঠোকে। এখন কালীর সাথে পরীক্ষারই বা কি আছে, স্বাস্থ্যেরই বা কি আচে, তবুও লোকে মাথা ঠোকে। আমার মনে হয়েছে এইরকম যে লোকে ভাবে কালী সরস্বতী সবই তো নিজেদের মধ্যে চেনা জানা, একজন আরেকজনকে বলে দেবেন খন :) এইটা ইম্পর্ট্যান্ট কিন্তু। আমাদের জীবনযাত্রা বিবিধ কারণে, মানে চৌত্রিশ বছরের বাম শাসন, ভিয়েতনাম, সিয়াইএ ইত্যাদি কারণে, ভীষণ রকম লো কী। সাদামাটা। প্রায় আশি নব্বই বছর ধরে ক্রমাগত কোণঠাসা হয়ে গিয়ে কোনোভাবে নিজেদের মতো করে বেঁচে থাকা। কম্প্রোমাইজ করা। তারপর এক ফাঁকে কাজ গুছিয়ে নিয়ে বউয়ের সামনে বাহাদুরি। অনুপকুমারের ক্যারেক্টারের মতো।
    -- আজ যা দিয়েছি না, আরে আমার শালার খুড়তুতো ভাই তো কাউন্সিলর। বাড়ীওলা কি আর তা জানে, বলে দিইচি, আর জ্বালাতে আসবে না।
    এতে অনলি তেত্রিশরকম দেবতা ও আমি মর্যাদাপুরোষোত্তম কালী ব্যানার্জী এই ভাবটা চলে গিয়ে একটা পেলব ভাব আসে। শ্রী আশুতোষ ডিকশনারি নিয়ে তাড়া করলেও বলা যায় যে, এইটা আমাদের যুগযুগ ধরে চলে আসা ব্রাহ্মণ্যবাদী হারামীপনাকে একটু সরিয়ে রেখে অন্য বাতাসকে আসতে দেয়। সম্প্রীতির একটা আবহাওয়া তৈরী হয় ও শান্তিনিকেতন গড়ে ওঠে। আমরা এটলিস্ট রেকনাইজ করতে শিখি যে আমাদের চং বং এর বাইরেও একটা বিশাল সংখ্যক মানুষ রয়েছে যাদের পোষাকী ভাষায় মেহনতী বলা হয়, এবং তাদেরও একটা লোকায়ত কালচার রয়েছে।
    এই বিরুদ্ধে যদি এখন তরোয়াল নিয়ে হাই পিচ জ্যায় সিরাম, গেরুয়া ফেট্টী ও একমাত্র রামজাদা বাকিসব হারামজাদার দাবী ওঠে তবে আমাদের ইতিহাসকেই অস্বীকার করা হয়। ইতিহাস অবশ্যই বদলানোর প্রয়োজন কিন্তু তা কিছু শুয়োরের বাচ্চার হাত ধরে অবশ্যই হারামের দিকে যেতে পারে না।
  • T | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ১৬:৪০711843
  • কিস্যু অসুবিধে নেই একক, তারা তরোয়াল উঁচিয়ে জ্যায় সিরাম বলে চেঁচালে, পালটা প্রতিরোধও হবে। সেও তো বাকী দের অধিকার। তাদের পাশে দাঁড়াতেই বা আপত্তি কি? :)
  • T | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ১৬:৪১711844
  • ওপরের লেখার প্রথম প্যারাটা একটু এডিট হ'ত। যাকগে।
  • Ekak | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ১৬:৪৪711845
  • প্রতিরোধ এর ইতিহাস মেনে নিতে তো অসুবিধে নেই। কিন্তু প্রান্তিক-লোকায়ত যখন প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মের প্রতিরোধ করে ........আর একজন যখন তিনটে প্রাতিষ্ঠানিক কে স্বীকৃতি দিয়ে আরেকটা কে আটকায়, দুটো গল্প তো এক না :):):)

    প্রান্তিক তো দুদিক বানিয়ে খেলে না। এখন তার যুক্তি ধার করে শোনালে শুনবো ক্যানো ? এখানে হচ্ছে ব্র্যান্ড ভ্যালুর যুদ্ধ। অথচ ভাব এমন যেন রিলায়েন্স এসে বলছে হে চাষীগণ, আম্নাদের থেকে বীজ নিন, আমরা মেহনতি চাষীর পক্ষে। আদানির থেকে নেবেন না।

    কার থেকে ধার করা যুক্তি কারা ব্যাবোহার করছেঃ, সর্বদাই দ্রষ্টব্য :)
  • T | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ১৬:৫৩711846
  • কোথায় আবার হিন্দু ধর্মকে স্বীকৃতি দেওয়া হ'ল না। ভারতবর্ষই লাটে উঠে যাবে তাহলে :)। ঐ বিশেষ ধর্মীয় আচারের কতটুকু প্রাতিষ্ঠানিক তা আগে দেখাও। তুমি দেখাও যে এই এই ডেট পাওয়া যাচ্ছে ইতিহাস থেকে যেখানে হিঁদুরা তরোয়াল নিয়ে রামনবমী করেচে। ফলে ঐটে প্রাতিষ্ঠানিকতাই একপ্রকার। অমুক শ্লোক বা তমুক পুজো উপাচারে লেখা আছে। এই সব মিলিয়ে।

    ব্র্যান্ডো ভ্যালুর ব্যাপারটা বুঝলাম না অবশ্য।
  • T | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ১৬:৫৬711847
  • ইনফ্যাক্ট কোন পুজোর ষোড়োশপোচারে শোভাযাত্রার নিয়মাবলী লেখা রয়েছে একটু বলো। সেই কবে জমিদারগণ নিজে থেকে দায়িত্ব না নিলে আজ দেব অ্যাত সুপারহিট হ'ত :)
  • Ekak | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ১৭:০২711848
  • আমি তো আগেই বলেছি : ধরে নেওয়া যাক এই আজ থেকে শুরু হলো। এক্স একটি ধর্ম। তার ওয়াই জেড আচরণ। অসুবিধে কী, যদি বেসিক প্রিমাইজ থাকে যে ধর্মীয় প্রিভিলেজের দাবি করা যাবে ?

    পুরো নিয়মাবলী ও কোনো একদিন শুরু হয়েছে। এটা আজ শুরু হলো। যা কিছু পুরোনো দিনে কোনো রাজা বা জমিদার বা কোনো পুরোনো দিনের ধর্মগুরু করে গেছেন সেটাই সংবিধানের কোলে চড়বে, আর নতুন ধর্মগুরুরা স্বীকৃতি পাবেন না কেন ? এই পুরোনো টেক্সট দেখিয়ে ধর্মের সার্টিফিকেট দেওয়া ব্যাপারটাই তো বেসলেস :) কিঁছু মানুষ একযোগে হয়ে একটা ধর্ম কে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে চাইছে। চরিতমানস পাঠ আগেও হতো। এবার অস্ত্র পূজা, পথ পরিক্রমা রথযাত্রা এইসব জুড়বে। এতে সমস্যা কী ?

    এরকম কোনো অলিখিত নিয়ম আছে কী যে যে এতো বছরের পুরোনো প্রাতিষ্ঠানিক ধর্ম হলে তার সাতখুন মাপ আর নতুন কোনো ধর্মকে প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স দেওয়া হবে না ? কোন ডিপার্টমেন্ট থেকে সেরকম লাইসেন্স দেওয়া হয় ? :)
  • Ekak | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ১৭:০৪711850
  • মানে, এককথায় তোমার ওই পুরোনো ধর্ম -তার ইতিহাস দেখিয়ে লেজিটিমেট করা ..........এই পুরো লজিকটা কেমন মদের দোকানের লাইসেন্স দেওয়ার মতো শুনতে লাগছে :):)
  • dc | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ১৭:০৭711851
  • একক যেটা বলছো, শিখদের অস্ত্র রাখা আর মুসলমানদের অস্ত্র নিয়ে মিছিল করার ঐতিহাসিক প্রোসিডেন্স আছে বলে রামনবমীর অস্ত্র মিছিলও জায়েজ, এটা মনে হচ্ছে "নর্মালাইজ" করার চেষ্টা হয়ে যাচ্ছে ঃ) জানি তুমি ডেভিলের অ্যাডোকেসি করছো, আরেসেসও এসব কথাই বলে। আমি অবশ্য বলবো একটা সাবালক রাষ্ট্রের উচিত শিখ বা মুসলমানদেরও ওপেনলি অস্ত্র প্রদর্শনী করার থেকে ডিসকারেজ করতে, আর হঠাত করে হনুমানোলারা অস্ত্র প্রদর্শনী শুরু করতে চাইলে সেটাও ডিসকারেজ করতে।

    এছাড়া তিনো, সিপিএম, ডিমের ডেভিল, ভিয়েতনাম আর সিআইয়ে নিয়েও কিছু বলার ছিল, সে তো অবশ্য এই মহাবিশ্বের সব বাঙালিরই বলার আছে, তাই এদের নিয়ে রাতে এসে লিখব।
  • T | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ১৭:২৭711852
  • আরে না না, নিয়মাবলী আজ থেকেই শুরু হোক না, অসুবিধে কিছু নেই। তাকে সনাতন বলে দাবী না করলেই হ'ল।

    কিন্তু অ্যাঙ্গেলটা কি? সেটা হচ্ছে এই যে, হে হিন্দু তুমি তোমার গৌরব ভুলিয়াছ, বিধর্মী তোমায় শাসন করিতেছে, অতএব খাঁড়া নিয়ে তুমি রাস্তায় নামো। এরপর মমতা এফাইয়ার করলে তখন অন্যদের দিকে আঙুল তুলে ক্যাঁওম্যাঁও হচ্ছে যে ওরাও তো অস্ত্র নিয়ে হাঁটে। তো তারা বুদ্ধিমানের মতো আগেই সেটা নিজেদের 'প্রাতিষ্টানিকতার' মধ্যে রেজিস্টার করে রেখেছে। তুমিও চান্স পেয়েছিলে, তখন মনে ছিল না, এদিকে ইন্ডিয়ান পিনাল কোড ফর্ম হয়ে গেছে। অতএব ঘুরে এসো।

    এছাড়া অ্যাকচুয়াল ইন্টেনশনটা কি? শুধুমাত্র পুজোয় একটা অ্যাডিশনাল উপাচার ঢোকানোর দাবী। একদমই না। আসল অ্যাজেন্ডাটা রয়েছে পেছনে। ফলে তুমি যখন আস্তিনে তাস লুকিয়ে অন্য মতলব করছ, তখন ফেয়ার প্লের (কোয়েশ্চেনেবল) আবদারটা আবদারই।

    পুরোনো টেক্সট দেখিয়ে ধর্মের সার্টিফিকেট বেসলেস হতেই পারে না। ধর্মের চলনটা দেখো। এবং মানব সমাজের চলনটাও। একটা ব্রাঞ্চিং প্রসেসের মতো। বহু বহু ধারায় আস্তে আস্তে ভেঙে যাচ্ছে। এই অবস্থায় ধর্মের লেজিটিমেসির অন্যরকম ভিত্তিই হচ্চে তার ঐতিহাসিকতা।
    একদম ইনিশিয়াল ফেজে সমাজে যখন সামান্য কটা ব্রাঞ্চ, ধর্মগুরুদের উৎপত্তি হচ্ছে কালের নিয়মে। এই উত্থান তার সাথে একটা রহস্যময়তা জুড়ে রেখেছে। সেটা সমাজের আদি বিবর্তনের ফল, টেকনোলজি কিচ্ছু নাই, ফলে মিস্টিক ব্যাপারটাই অন্যতম (পারলে ইফ এন্ড অনলি ইফ লিখতাম) উৎপত্তির কারণ। এই মিস্টিক ব্যাপারটা আরো অরিজিনেট হয় খুব প্রাইমাল আন্ডারস্ট্যান্ডিং থেকেও। ধর্মগুলোর স্ক্রিপচারে এইসময় লোকাল এফেক্ট কিছু দেখা যায় আর দেখা যায় খুব অ্যামবিগুয়াস শব্দগুচ্ছ। এটা ডেলিবারেট অ্যাটেম্পট যাতে সমাজের বহুস্তরকে একসাথে ধরা যায়। ব্র্যাঞ্চিং শুরু হওয়ার পর মিস্টিসিজম মেইনলি কালচারের সাথে জুড়ে যায়। ফলে সারের অভাবে ঢ্যাঁড়শও আর ফলেনি।
    এখন এই অবস্থায় নতুন ধর্মগুরুর উৎপত্তি সম্ভব নয় কারণ নেসেসারি ইনগ্রেডিয়েন্টগুলোই নেই। এর কারণ স্টেট ফর্ম হয়ে গেছে। তাকে টেকনোলজির সাথে পা মেলাতে হবে। ফলে সে ইন্টারভেন করছে সমাজে যদ্দুর সম্ভব ইকোয়ালিটি বজায় রেখে।

    ফলে পুরোনো টেক্সট, ধর্মগুরু এই ব্যাপারটা মান্যতা পায় তার ঐতিহাসিকতার কারণেই। একটা রহস্যের আবরণ থাকে কিনা। হিটলার খুঁজতে বেরোন তিব্বতে। আমরা খুঁজতে বসি বেদে ভিমানা আছে কি নেই। কেউ তো বারণ করেনি শঙ্করাচার্যকে যে ভাই আরেকটা বেদ কি উপনিষদ লিখুন, আমরা আছি।

    একটি প্রাতিষ্ঠানিক (এই শব্দটা বারবার লিখতে গিয়ে হেসে ফেলছি) ধর্মে নতুন ধর্মগুরুর উৎপত্তি হওয়া অসম্ভব।
  • Ekak | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ১৭:২৮711853
  • চেশ্টা নয়, নর্মালাইজ কর্ছি। জেখানে সঙ্গবিধান ভোট ব্যান্ক পলিটিকস করে পছন্দের সেকশন কে আবগরি লাইসেন্স পাইয়ে দিয়েছে সেখানে বাকিরাও নুইস্যন্স রাইট চাইবে। আগে নুইস্যান্স রাইট দেওআ বন্ধ হোক।
  • T | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ১৭:৩২711854
  • তো এইবার তরোয়াল নিয়ে নাচানাচি, লোকায়ত আচার বলো। অবশ্যই মেনে নিচ্ছি। সেভাবেই তো হয়েছে। কিন্তু লোকায়ত ধরে নিলে রামজাদা হারামজাদার গ্র্যান্ড ন্যারেটিভ আর থাকে না। সেদিকেও বিপদ। :)

    মদের দোকানের লাইসেন্স দেব না, তাড়ু বিক্রী কত্তে পারে, কিন্তু তা হলে তাড়ুই আমাদের জাতীয় পাণীয় এ বলা চলবে না। :)
  • Ekak | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ১৭:৩৮711855
  • এ হে হে পেনাল কোড ফর্ম হয়ে গেছে বলে জদি ঘুরে আস্তে হয় তাহোলে জেন্ডর রাইট থেকে জত রাইট্স সবার ঐ দশা হবে ঃ)

    এভ্রিথিঙ্গ ওয়াস লীগাল অর ইল্লিগাল এট সাম পয়েন্ট ওব হিস্টরি। আইডেন্টিটি পলিটিক্স এভবে হয় ন।

    কাল জদি তরুন সাগরের দেখাদেখি এক্দল ছেলে মেয়ে ন্যন্গ্টো হয়ে সর্বোর্ত্রো জায়, তো কী বলবে ? দিগম্বর মুনিরা পেনাল কোডে ছাড় পেয়ে গ্যছে, তোমরা ঘুরে এসো ?

    সেখেত্রে তারা ন্যান্গ্টো হোয়ে তোমার সামনে নাচবে, সেটাই "ঘুরে আসা"
  • T | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ১৭:৫৩711856
  • সবার তো ঐ দশাই হয়েছে। এলজিবিটি তো আইনের চোখে ইল্লিগাল। ইতিহাসের এই পয়েন্টে দাঁড়িয়ে। তর্কটা তো একটা পয়েন্ট অব রেফারেন্স ধরেই হচ্ছে। আমার বক্তব্য খুব সিম্পল। তা হচ্ছে এই,

    কিছু লোক তরোয়াল নিয়ে নাচানাচি করল। প্রচার করতে চাইল রামনবমী হচ্ছে ইউনিফায়েড গ্র্যান্ড থিয়োরী। যারা মানবে না তারা মৌলবাদী।
    এইখানে প্রশ্ন অনেক। এক তো তাদেরকে বলা হ'ল এই তোমাদের এই তরোয়াল প্রেম আমরা ক্যানো মানব। উত্তর আসছে যে ইহা সনাতন ধর্মানুযায়ী। সেটাকে স্ট্রাকচারাল অ্যাঙ্গেল থেকেই রেফিউট করে দেওয়া যায়। দুই, রামনবমী যে সুপারসেট সেটা কিভাবে হচ্ছে। উত্তর আসছে যে, আমরা বলছি তাই। তাকে 'বাল' বলেই রেফিউট করে দেওয়া। এবং শিঙাড়ার দিকে মন দেওয়া যায়।

    পিনালকোডের কথাটা ক্যানো লিখেছি আরেকবার লিখে দিচ্ছি। যেহেতু এদের উদ্দেশ্যটা আসলে অন্য, নিছক ঈশ্বরপ্রীতি নয়, তো পুরু যেমন বলেছিলেন, ঢ্যামনার সাথে ঢ্যামনার মতো ব্যবহার। তাই হচ্ছে।

    যদি বল ও, তাহলে পিনালকোডের প্রসঙ্গটা ছলনা মাত্র। তাহলে আমি বলব যে লিবেরালদের অ্যাত খিস্তি করা হয়, সমস্ত বলই যখন তাদের কোর্টে ঠেকে মজা দেখা হচ্চে, তখন তারা পালটা একটু ফিরিয়ে দিল আর কী। :)

    সত্য সেলুকাস কী বিচিত্র...ইত্যাদি।
  • PT | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ১৭:৫৬711857
  • এই সব হাই লেভেল পন্ডিতি তক্ক করে বাবরি মসজিদ ভাঙ্গাটা ঠেকানো যায় নি। ঠেকানো যায়নি গুজরাটের মুসলমান হত্যা কিংবা শিখ হত্যাও। ঠেকানো যায়নি কেননা এই অসামাজিক কাজকম্মকে কাউন্টার করার মত কোন রাজনৈতিক শক্তি (অথবা তাদের সদিচ্ছা) ছিল না।
    কাজেই "I hate all the political parties. I am not left, not right,I am radical humanist" এই জাতীয় রাজনীতি বিবর্জিত নৈরাজ্যবাদীর নেতৃত্বে জমায়েত করে ঘন্টা হবে!!
  • T | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ১৮:০১711858
  • আর আইডেন্টিটি পলিটিক্সের তর্ক সর্বদাই অন্য পরিসরে চলে। মূল পরিসরে নয়। কারণ তার উৎসই হচ্ছে সমাজের বেসিক সামাজিক নির্মাণগুলোকে চ্যালেঞ্জ করার ফলে। মূল পরিসরের স্কেলে সেই ব্যাপারটা ঢোকে অনেক পরে। সুতরাং একজন সাধু দিগম্বর হয়েছেন বলে কিছু লোক ল্যাঙটো হয়ে বেরিয়ে পড়ল সেটা হবে না। আগে যেটা ঘটবে সেটা হ'ল, মানে যেটা 'সহি আইডেন্টিটি পলিটিক্স', আলোচনার অন্য পরিসরে সমাজে নগ্ন থাকার ট্যাবুকে অ্যাটাক করা। এর উদ্দেশ্যই হচ্ছে সমাজে ঘা টা মারার আগে নিজেদের ফাউন্ডেশন শক্ত করা, সেটা শুধুমাত্র আনর্থোডক্স স্টেপ দিয়ে হয় না, একটা বিরাট লার্জ স্কেলে ইন্টারঅ্যাকশন ঘটাতে হয়। এসবের বাইরে কেউ দুম করে একদিন ল্যাঙটো হয়ে ঘুরতেই পারে, এবং বলতেই পারে ক্যানো ঐ তো ওও ঘুরেছে, (লক্ষ্য করো, রামন্যাকামীবালাদের যুক্তিও একই রকম) কিন্তু তাতে কিছুমাত্র চতুর্বর্গ লাভ হয় না।
  • T | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ১৮:০৭711859
  • কিন্তু আর পারছি না বাবা। হাত ব্যথা হয়ে যাচ্চে। আরেকজন কেউ একটু আগে বাড়ো। একক অক্লান্তভাবে লিখে যাবে কিন্তু। :)
  • Ekak | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ১৮:১৯711862
  • দিগম্বর জখোন শুরু করেছিলেন তখোন ও সাধু ন্যন্গ্টো হয়ে থাকা নর্ম্যটিভ ছিলো না। যাদের পাব্লিক নুডিটির ইচ্চে আছে তাড়াও শুরু করুন না !

    ধর্ম-ও আইডেন্টিটি পলিটিক্স। অন্য আইডেন্টিটি পলিটিক্স রা প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পোরেছে বলে, মাপকাঠি আলাদা হয়ে জায় না।

    আর এস এস সারা ভারোতে জত সেন্টার খুলেছে, জতো সভাকার্জো চালায় তাতে ওরা ওদের মত করে ইন্টরএকশোন জথেষ্ট করে। কোনো যুক্তিতেই আর এস এস এর রাম সন্স্ক্রিতি আন্দলনের সান্গ্বিধানিক ও রাজ্নৈতিক অধিকর অন্যজ্যো হচ্চে না। এবার রাজ্নৈতিক মোটিভেশন থেকে বিরোধিতা তো এক্শো বার এক্সেপ্টেড। ব্যাপার টাকে মরালাই করার এক্টা চেশ্টা হয় জার কোনো বেস আনসাবস্ট্যানশিএটেড।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আদরবাসামূলক মতামত দিন