এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  গুরুচন্ডা৯

  • হরিদাসের বুলবুলভাজা

    Guruchandali
    গুরুচন্ডা৯ | ২৮ এপ্রিল ২০০৬ | ১২৫৪৬৭ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • pragati | ১৬ মার্চ ২০০৭ ১৫:১৮561812
  • এই ভয়ঙ্কর শ্বাসরুদ্ধ দিনে এই তিনটি লেখা প্রকাশের জন্য অনেক ধন্যবাদ।
  • B | ১৬ মার্চ ২০০৭ ১৫:৩০561813
  • বিশ্বাস অবিশ্বাসের দাঁড়িপাল্লাকে বিভ্রান্ত করার জন্যই আজ বহু মাধ্যম, বহু পার্টি, বহু ঘটনা, এবং বহু তথাকথিত সচেতন, সংবেদনশীল মানুষজন.... এবং অবশ্যই এসবের মধ্যে থেকে বেছে বেছে নির্দিষ্ট কিছু চ্যানেলে কিছু নির্দিষ্ট প্রচার।

    আরও যেটা সেটা হোলো, একদিকে "অমুকে তো এরকম বলবেই", অন্যদিকে "তমুকে তো এরকম লিখবেই" এরকম দুটো স্বনির্ধারিত রঙে রাঙিয়ে দুটো কাঁচের চশমা লাগিয়ে যেকোন জিনিষ পড়া বা দেখা।

    সেরকমই ঘষা কাঁচের চশমা পরা এ অধমের আজ আক্ষেপ হচ্ছে এই ভেবে যে এটা এখনও কিছু বন্ধ্‌ সমর্থনকারীদের মাথায় আসে নি যে বিক্ষিপ্ত কিছু ঘটনায় তাদের নৈরাজ্যমূলক কার্যকলাপের ছবি তোলার সময় "বুদ্ধ-পদ্ধতি" বা "লক্ষণ-পদ্ধতি" অবলম্বন করার দরকার ছিলো।

    কারণ বিশ্বাস-অবিশ্বাসের প্রশ্ন তুলে এরকম জেহাদ ঘোষণা করার মানুষেরা সেটাকেই এ পাতায় বড় মূলধন করে অনেক মানুষকে এ ঘৃণ্য ঘটনার থেকে অন্যদিকে দৃষ্টি নিয়ে যাবার প্রচেষ্টায় ব্যাকুল থাকবে।
  • Arijit | ১৬ মার্চ ২০০৭ ১৫:৪২561814
  • খুড়ো - আগেই বলেছি - যদি সত্যি হয়, জীবনে মুখ খুলবো না। কিন্তু যদি মিথ্যে হয়, তাহলে এটা নির্লজ্জ মিথ্যে - নোংরা ব্যবসা। এটুকু বলে অমি ঘটনা থেকে দৃষ্টি সরাচ্ছি না। তার প্রমাণ দিতে হবে কি? কিন্তু মিথ্যে হলে তার দায় নিতে তৈরী থেকো।
  • appan | ১৬ মার্চ ২০০৭ ১৬:১২561815
  • যদি সত্যি হয়, তাহলে চাইবো এ বাংলায় জনযুদ্ধ আসুক নেমে।

    লক্ষ্মণ শেঠ আর বিনয় কোঙারদের জন্য এক-একটি বুলেটই যথেষ্ট।
  • kd | ১৬ মার্চ ২০০৭ ১৬:১৬561816
  • কত পার্সেন্ট মিথ্যে হলে এই রিপোর্টটিকে মিথ্যে প্রচার আর ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ বলে মানবো? আমি নিজে এত shaken এটা পড়ে, লাইন টানতে পারলুম না, কতখানি atrocity আমার কাছে acceptable
  • B | ১৬ মার্চ ২০০৭ ১৬:৩৬561817
  • কদিন ধরেই তোর একটা ব্যাপার ভালো লাগছে। আমাকে দাদা থেকে কাকায় উন্নীত করাটা। উল্টে পাল্টে মিশিয়ে গায়ে ছেটাস না, আর ধরে রাখার জায়গা নেই।

    (মজা বাদ দিয়ে) অরিজিৎবাবু, আজ কি করে উৎপল দত্তের "দিন বদলের পালা" নাটকটা ভুলে গেলে? মনে পড়লো? সেই ১৯৬৬-৬৭তে পথনাটিকাতে বহু জায়গায় মঞ্চস্থ হতো যেটা। সেটা ছিলো খাদ্য আন্দোলন, অশান্ত বাংলার পুলিশের গুলিতে কটি ম্রিত্যু নিয়ে বিচারের নামে প্রহসন নিয়ে। ওই হাওড়ার অলোক বন্দোপাধ্যায় নামেই সম্ভবত: একটি ছেলের মৃত্যুর বিচার প্রহসন।

    চিন্তা কোর না, সি বি আই-য়ের তদন্ত ঘোষণা হয়েছে, ওই নরকের কীট তাতে পূর্ণ সহযোগিতা করার আশ্বাসও দিয়েছে। আরেকটা বিচার-প্রহসন????!!!!

    তারপর গুরু-র একপেশে পরিবারের বিচারের জবাব নেওয়ার আগেই না হয় আমারটা নিয়ো, শুধু আমি নই, আমার পরিবার তৈরী থাকবে।

    শোনো অরিজিৎ, এটা জবাবের উতোরচাপানের সময় নয়। নয়তো আমি তোমাকে সম্প্রতি হয়ে যাওয়া যাদবপুর প্রিণ্টিং অ্যাণ্ড ফোটোগ্রাফি টেকনোলজির ছাত্র সংসদ নির্বাচনের আগে কিছু বিরোধী(ওই তোমার ভাষায় "তথাকথিত নকশাল"দের কেউ কেউ) ছাত্রের বিবেকনগর স্থিত মেসের বাড়িওলাকে গিয়ে স্থানীয় সি পি এমের কমিটির লোকেদের তাদের মাওবাদী আখ্যা দিয়ে উচ্ছেদের জন্য জোরাজুরি, ইত্যাদি অনেক কেচ্ছার কথা প্রকাশ করবো।

    চাইলে তুমি অবিশ্বাস কোর আর সেই হাওয়ায় আন্দোলিত কোর এ পাতা।

    যে কথাটা এক প্রয়াত নাট্যকার বহু আগে বলেছিলেন তার দাদাকে, দাদা এ সরকারের জন্য আমাদের অনেকের নিরোধ পরতে হচ্ছে, এ যে কত যন্ত্রণার..., গত কদিনে সেই নিরোধ খুলে ফেলা শিল্পীরা যদি আবার কিছু দিন বদলের পালা, কলকাতার হ্যামলেট, ব্যারিকেড, চাক ভাঙা মধু.... বানিয়ে অন্য ঔরসে সমাজে স্পন্দন আনেন....

    তাহলে তুমি নও, সমস্ত ২৩৫ যেন তৈরী থাকে।

    মুশকিল একটাই, এ পার্টির পতনের সঙ্গে সঙ্গে বাংলায় কমিউনিজ্‌ম্‌-কে ঘেন্না করবার লোকই প্রবল হবে। আর এ সেণ্টিমেণ্ট-কেই ধর্ষণ করছে ঐ ২৩৫।

    ধর্মতলার স্ট্যাচুর পরিণতি তখন তোমার আজকে বারবার উল্লিখিত NDTV কোমর বেঁধে দেখাবে ...

    ঠিক সেই ৮৯-৯০এ প্রণয় রায় যেমন ওই The World this Week ---NDTV presents এ দেখাতেন।

    আমি তুমি আলিমুদ্দীনে বসে দেখবো সে প্রোগ্রাম।
  • S | ১৬ মার্চ ২০০৭ ১৬:৪৪561818
  • এ বার MASUMএর বক্তব্য।

    Friends,

    Just now, Sadhan Roy Chowdhury, Masum informed that two rape victims, 1) Kajol Majhi 2) Gouri Pradhan are admitted in Nandigram Block Hospital. They gave statements to Mr. Roy Chowdhury.

    In a primary health center having accommodation of eight, there are 65 injured persons staying in the hospital. There is no medical facility at all.

    AHRC issued statements with appeal to visit a team from NHRC urgently on 15.3.2007.

    27 bodies have been traced in the bank of Haldi river, CBI team is after the bodies. But it is said that members of CBI team lack adequate knowledge and quality in investigating such carnage. the officials are mainly from anti corruption branch.

    Abhijit Datta
    Masum



    বাপ্পাদা, অরিজিৎ, দুজনকেই অনুরোধ, প্লিজ, ব্যাপারটাকে রাজনৈতিক মতাদর্শগত রাইভ্যালরিতে নিয়ে যেও না। অরিজিৎ অনুভূতির কোন স্তর থেকে 'যদি সত্যি হয়, আর কোনওদিনও মুখ খুলব না' বলেছে, আমি নিজেকে অরিজিতের জায়গায় কল্পনা করে কিছুটা আন্দাজ করতে পারছি। স্বপ্নভঙ্গই বলো আর যাইই বলো, আমি যে মতাদর্শকে রক্তের মধ্যে মিশিয়ে ফেলেছিলাম, তার থেকে বেরিয়ে তো আসতে পারব না। এটা আমার অক্ষমতা। বামপন্থীই থাকব আমি, যতই ঘেন্না করি না কেন এই কীটদের। এরা যা করেছে, যা করছে, তা বামপন্থা নয়, উগ্রপন্থা। সবার ওপরে ধর্ষণ হয়েছে বামপন্থী মতাদর্শের।

    আসলে তো আপাদমস্তক ভন্ড আমি, আমরা। কিচ্ছুটি করার মুরোদ নেই, নিরীহ আস্ফালন করা ছাড়া। পরিস্থিতির দিকেই নজর রাখি বরং। দোষারোপ নয়, প্লিজ।
  • B | ১৬ মার্চ ২০০৭ ১৬:৪৮561819
  • অন্য একটা কথা ও চিঠিতে লিখি নি ইচ্ছে করেই।

    দীপ্তেনদা যেটা মমতার মুখে শুনি নি বলে লিখেছেন, সেটা হয়তো মমতাও দেখেছে। তাই আজ কলকাতা টিভিতে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ওই ধর্ষণই শুধু নয়, আরও অনেক ঘটনার কথা উল্লেখ করেছেন।

    হতে পারে সৌমিত্র বসুর লেখাও পড়েছেন, নয়তো সংবাদমাধ্যমকে ধন্যাবাদ তো বললেনই, উপরন্তু অনেকটা সৌমিত্র বসুর কথারই প্রতিচ্ছবি মনে হোলো।

    তবে লাশ পাওয়ার ঘটনা বাড়ছে। শুধু তারা নয়, কলকাতা-ও দেখাচ্ছে।
  • B | ১৬ মার্চ ২০০৭ ১৬:৫২561820
  • শমীক, তোমার মহৎ প্রচেষ্টাকে সাধুবাদ জানিয়েই বলতে বাধ্য হচ্ছি যে অরিজিৎ যথেষ্ট পোড়খাওয়া ছেলে, আর ওর সাথে আমার এ পাতার বাইরেও যে সম্পর্ক তার জেরে আমরা পারস্পরিক কিছু কথা বলতেই পারি। তাতে রাইভ্যাল্‌রি জাতীয় শব্দ ব্যবহার করে শিশুসুলভতা প্রকাশ কোর না।
  • a x | ১৬ মার্চ ২০০৭ ১৭:০১561822
  • সংহতির তরফ থেকে একজন (শাক্যজিত) গৌরাঙ্গর (এই বিবৃতিতে যাঁর বয়ান) বাড়িতে ফোন করে। অবশ্যই এমন সময় সে বাড়ি বসে ছিলনা। কিন্তু যে সূত্র থেকে গৌরঙ্গর বাড়ির ফোন নং সে পায়, অর্থাৎ তারা টিভি, তারা জানিয়েছে এই ঘটনা সম্পূর্ণ সত্যি। তারা টিভি, সৌমিত্র, ধর্ষিতারা, ভেসে যাওয়া লাশ গুলো সবাই মিথ্যে কথা বলতেই পারে। বুঝব কি করে মিথ্যে বলেছে কিনা। সিবিআই তদন্ত? সিআইএ তদন্ত? মেইনস্ট্রীম মিডিয়া? আদালত? শুনে নিজেরই হাসি পাচ্ছেনা?
    এই প্রথম আমি kd'র কোন কথার সাথে বোধহয় একমত হতে পারলাম। কতটা পার্সেন্ট সত্যি হলে তবেই সেটা সত্যি? ২০ টা লাশ? ১০০ টা লাশ? ৫ টা ধর্ষণ না ৫০ টা ধর্ষণ? এই তর্ক গুলো অলরেডি যা খবর বেড়িয়েছে তার সামনে পাতি banalities নয় কি?
  • appan | ১৬ মার্চ ২০০৭ ১৭:০৭561823
  • বাজারী কাগজের রিপোর্টারও শিল্পায়নের প্রতিবেদন সরিয়ে লিখেছেন:

    ""নারায়ণবাবুর সাথে এসেছেন তাঁর ভাই ভক্তরাম হালদার। তিনি বলেন, নিজেদের যেটুকু জমি আছে, সেটাই প্রাণে বাঁচাতে চেয়েছিলাম। তার জন্য ঘরের বৌ-বাচ্চারা পর্যন্ত প্রাণ দেবে, ভাবতে পারিনি। ভাইয়ের কথায় মুহূর্তের জন্য জ্বলে উঠেছিল নারায়ণ হালদারের চোখ। বললেন, যা হয়েছে, তার কতটুকু জানেন আপনারা? সামনে ছিল বাচ্চাগুলো। ওদের দু'টো পা ফাঁক করে চিরে দিয়েছে। আমি নিজের চোখে দেখেছি সে দৃশ্য।''

    কিছু মনে পড়ল কি? কয়েক বছর আগের মায়ের জঠর থেকে তলোয়ারের ডগায় ভ্রূণ চিরে দেবার দৃশ্যটি? কোথায় যেন ঘটেছিল সেটি?

    প্রসঙ্গত এরা অনেকেই এই সেদিন পর্যন্ত সিপিএম করতেন। লাস্ট নির্বাচনে এরাই সিপিআই-কে জিতিয়েছিলেন। লাস্ট তিরিশ বছর ধরে এদের বাইরে কিছু জানতেন না।

    এদের গত আড়াই মাসে উল্টো বুঝিয়ে দিল কিছু নকশাল আর তৃণমূলীরা? এই সীমিত ক্ষমতা নিয়েও? তাহ'লে তো মানতেই হয় ভয় পাবার যথেষ্ট কারণ আছে বইকি লক্ষ্মণ শেঠ আর তার অনুগত ক্যাডারদের!!
  • Arijit | ১৬ মার্চ ২০০৭ ১৭:১১561824
  • মৃত্যুর ঘটনার নিন্দা করতে পিছপা নই। একটা হয়ে থাকলেও, চল্লিশটা হয়ে থাকলেও। কালো পাতা কালও দেখিয়েছি, আজও সেই পাতা আছে। মৃত্যু নিয়ে ব্যবসা ফাঁদার প্রচেষ্টার নিন্দা করতেও পিছপা নই।

    সৌমিত্র বসুর লেখা (যেটা অন্য দুজনের বক্তব্য) - সেইটা বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছে - সেটাই বলছি। এর সাথে আদর্শগত কোন ইস্যু নেই, রাইভ্যালরিও নেই। আমার এপাতাকে আন্দোলিত করার ইচ্ছে বা চেষ্টা কোনটাই নেই। এই পাতা এবং সিপিএম কোনটাই আমার বাপের সম্পত্তি নয়। আর ওই প্রতিবেদনের ঘটনাতে সিপিএম না হয়ে তৃণমূল বা বিজেপি হলেও আমার বক্তব্য একই থাকবে।

    এখানেও কেউ যদি আমার সিপিএমের সাথে অ্যাটাচমেন্টের প্রশ্ন তোলেন, তাহলে সেটা তাঁর অ্যাটিচিউডের প্রশ্ন।
  • Arijit | ১৬ মার্চ ২০০৭ ১৭:১৬561825
  • অক্ষ - সত্যি চাপা থাকে না। সেটাই আমার ভরসা। গুজরাটেও থাকেনি, এখানেও থাকবে না। এটা জানলে হাসি পায় না। ভরসা বাড়ে।

    এই প্রসঙ্গে এটাই শেষ উত্তর। নির্লজ্জের মতন কামড়াকামড়ি করে ঘটনার graveness-কে উড়িয়ে দেব না, আর লাশ তুমি কার খেলাতেও মাতব না।
  • B | ১৬ মার্চ ২০০৭ ১৭:৫৯561826
  • দাঁড়া যাস না। আর এত রেগে চলে যাবি কেন? কম্পুতে কেউ কামড়াতে পারে নাকি? একটু দেরী হলো, উত্তর লিখতে, তাতেই তোর এত ...., নে আরেকটু মাথা গরম কর্‌।

    অ্যাটিচ্যুড বা অ্যাটিচিউড? সাধারণভাবে বহুবার ব্যবহার করলেও সত্যি এ কথাটার এত বিস্তৃত অর্থ আমার জানা ছিলো না, হতে পারে ৬২ থেকে ৬৯ নিখাদ বাংলায় আর ৭০ থেকে ৭২ শুধু বিজ্ঞানের বিষয় ছাড়া সব বাংলায় পড়ার দোষ। তবে "তাঁর অ্যাটিচিউড" দেখে, তাও তোর মত শক্তমনের ছেলের ব্যক্তি আচরণ মূল্যায়ন করতে গিয়ে এই শব্দ ব্যবহার দেখে মানেটা দেখলাম সংসদ অভিধানে। পরপর যে মানেগুলো পেলাম - ১) ভঙ্গী, ২) ঢঙ, ভড়ং ৩) মনোভাব, ধারণা। (to)strike an attitude - অকস্মাৎ নাটকীয়ভাবে কোন ঢং বা ভড়ং বা ভঙ্গী অবলম্বন করা।

    কি করি? সেই বৈশিষ্ট্য তো এই বয়সে আর যাবে না, তাই সেটাকে সাথে করেই বলি -

    ১ম অনুচ্ছেদের কালো পতাকার ব্যাপারে সেই অনেকদিন আগে বলার মত করেই সীমাবদ্ধে টুটুল আর দোলনের একটা কথোপকথন মনে পড়লো। তোর ব্যাপারতা অবশ্য অনেক উঁচু স্তরের। তাই কিছু বললাম না।

    তবে ২য়র শেষ পংক্তি নিয়ে প্রবল সন্দেহ। আগের কোন আলোচনায় তার প্রতিফলন না দেখায় আশ্চর্যান্বিত হওয়া, সবই হোল।

    খুব দু:খ নিয়ে হাসি চাপলাম। কারণ নরেন্দ্র মোদী, কল্যাণ সিং, আদবানি, সুষমা স্বরাজ, উমা ভারতী, প্রমুখ এবং অবশ্যই মমতাকেও(মরণ অবধি অপরিবর্তনীয়) তাহলে বাম বা সি পি এম নেতাদের কার্যকলাপের পাশে দাঁড় করানো গেলো বা উল্টোটা।

    ৩য় অনুচ্ছেদটা তো মারাত্মক। তোর সি পি এম করার কথা এসেছে কি? তাহলে অ্যাটাচ্‌মেণ্টের উল্লেখ কেন? সি পি এম-এর মধ্যে অপেক্ষাকৃত সুস্থ মানসিকতার তকমা থাকলে "বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে" কিছু কিছু বক্তব্যের মধ্যে দিয়ে যখন তখন শুধু বিরোধের বা সন্দেহের বা আধা বিশ্বাসের বা একটা eternal দোলায়মান বাতাবরণ আরও প্রবলভাবে তৈরীটা আরও সহজ হয় না কি? অস্বীকার করলে তোর প্রিয় প্রবচনেই বলি, "ঘুড়ায়ও হাস্‌বো।" উদাহরণ দেবো না। এমনিতেই কোন চিঠি ছোট করে লিখতে পারি না। কিন্তু এটার ক্ষেত্রে আগের সব রেকর্ড ম্লান হয়ে যাবে।

    ওটা জি-মেইলের জন্যই থাক না।
  • a x | ১৬ মার্চ ২০০৭ ১৮:২১561827
  • সত্যি চাপা থাকেনা??! এতদিন রাজনীতি করে এতটা naive?? তাপসি মালিকের সত্যি কি? কোনোদিন জানব? একমাস পরে যেখানে গিয়ে মাটির স্যম্পল, তদন্ত হয়, সেখানে সত্যি পাবার আশা থাকে?? সিবিআইএর ভূমিকা বাদ দিয়েই? ইতিহাসে তাপসি মালিক একটা? আর গ্রেভনেস? আমাদের ডিসেন্সিটাইজ্‌ড হতে আর কিছু বাকি আছে??
  • Arijit | ১৬ মার্চ ২০০৭ ১৯:০৩561828
  • তা অক্ষ - চম্পলা সর্দারের সত্যিটাও তো বেরিয়েই পড়েছিলো, না? বয়স হচ্ছে তো, মনেও থাকে না - কখন কোনটা সত্যি, কোনটা মিথ্যে হয়ে যায়।

    খুড়ো - আবার লেখাচ্ছো কেন? ওপাড়ায় কেউ রাশিয়ার ডাক্তারের সংখ্যা বা স্তালিন বা তিয়েন আন মেন নিয়ে কোন মিডিয়া রেফারেন্স দেখালে তার যথার্থতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে না? ভুলে যেও না - আমরা, আমরা সকলেই - তুমি, আমি, অক্ষ, শমীক - সকলেই - সেটাই বিশ্বাস করি যেটা বিশ্বাস করতে চাই।

    আমি তো তাই সত্যিটা বের হোক এটুকু চেয়েছি। তা সে যাই হোক।
  • Arijit | ১৬ মার্চ ২০০৭ ১৯:০৯561829
  • আর আমার সবচেয়ে বেশি হাসি পাচ্ছে নির্লজ্জতার এই জলজ্যান্ত উদাহরণ দেখে - হ্যাঁ, আমিও সেই নির্লজ্জদের দলে পড়ি - এই উত্তরগুলো দিচ্ছি বলে।
  • a x | ১৬ মার্চ ২০০৭ ১৯:১৪561830
  • একশোবার পড়েছিল। তার থেকে এই বোঝা গেল যে সব সত্যই বেরিয়ে পড়ে? এটা কি ডিফেন্সিভ অ্যাটিচ্যুড না? এই অ্যাটিচ্যুড যতক্ষণ থাকবে, ততক্ষণ যা যা অপছন্দ সবই বিশ্বাসের বাইরে থাকবে। সব মিথ্যে। সৌমিত্র, তারা টিভি, সব নকশাল মাওবাদী, তৃণমূল। এই যে BBC'র ৩০ টা কাউন্ট প্লাস আজকের ২৭ টা - হ্যাঁ কাউন্টই বলব। এই যে দুটো মেয়ের ধর্ষণের এও ষড়যন্ত্র। ধরলাম আর কিছুই ঘটেনি এই টুকুই -এটুকু আজকাল আর সেরকম সেন্‌শনাল খবর না। তাও তাহলে এইটুকুই ঘটেছে ৫০০০ পুলিশ, RAF, ক্যাডর বাহিনী যেখানে। এদের মধ্যে দিয়ে ঢুকে কোনো এক অলৌকিক শক্তিতে মাওবাদীরা বা নকশালরা বা তৃনমূলরা এই ঘটনা ঘটিয়েছে।
  • Arijit | ১৬ মার্চ ২০০৭ ১৯:২১561831
  • কেন উত্তর দিচ্ছি তা নিজেও জানি না। ভরসা রাখি সব সত্যিই বেরোবে। হয়তো বেরোয় না, তবু ভরসা - এটাকে হয়তো ভদ্রভাষায় অপটিমিজম বলে।

    সেই অপটিমিজমের জন্যেই কোন সভ্য দেশে এরকম হতে পারে সেটা বিশ্বাস করতে কষ্ট হয়। সত্যি না হলে খুশি হবো - সিপিএম বলে নয়, মানুষ বলে। মানুষ বলেই এখনো বলিনি যে এটা অপপ্রচার। মানুষ বলেই ভাবতে চাইছি যে সত্যিই এরকম হতে পারে কি?

    আবু ঘ্রাইবের ঘটনা শুধুমাত্র আল জজীরা প্রচার করলে এক কথায় বিশ্বাস করতেন কি?
  • a x | ১৬ মার্চ ২০০৭ ১৯:২২561833
  • আরে নির্লজ্জতাই তো। এই লেখা বেরোনোর আগে কিছু খবর পাচ্ছিলাম একই খবর - সেগুলো উড়িয়ে দিচ্ছিলাম কারণ এই পার্টিটা তৈরির পেছনে আমার বাপ আর তার বন্ধুদের কেও দেখেছি তো, জন্ম থেকে শুনে এসেছি এ রাজ্যে এরকম হয়না, এরকম হতে পারেন। এটা রাগ না, ক্ষোভ না, দু:খ না, কান্না না, শুধু আছে adrenalin rush যার জোরে গত ৬০ ঘন্টা টানা জেগে আছি। দুদিন ল্যাবে যাইনি। আথচ আজ কোনো অনুভূতিও নেই। এরকম rush কোনো নেশায়ে হয়না। তাই আজ আমিও ছাড়বনা, দেখি না আর কি কি সত্যি বেরোয়ে।
  • LCM | ১৬ মার্চ ২০০৭ ২০:০২561834
  • অনেকেই বোধহয় বিশ্বাস করতেই পারছেন না, এরকম হয়, বা এরকম হতে পারে। এই রিপোর্টে যা যা বেড়িয়েছে তার কতটা সত্যি সে হিসেবে না গিয়েও একটা কথা বলুন তো : এরকম একটা কি নতুন কিছু ?
    আমরা সকলেই কি কমবেশী সন্ত্রাসের রাজনীতির সাথে বড় হই নি। পাঞ্জাব, আসাম, কাশ্মীর, গুজরাট, ৭১ এর বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ, ৭০-এর নকশাল আন্দোলন - এসব নিয়েই তো আমরা বড় হয়েছি। এই পাশবিকতা, নৃশংসতা, নিষ্ঠুরতা... - এসব আমাদের দু:স্বপ্ন। আমরা এগুলো জানি, আমরা এগুলোর সাথে পরিচিত।
    পর পর দু দিনে, পশ্চিমবঙ্গে এবং ছত্রিশগড়ে যে জিনিস হল তা আমরা চাই না। আমরা ভাবতে চাই যে এরকম হতে পারে না। কিন্তু বারবার এরকম হয়। দু:স্বপ্নর চেয়ে বজ্রকঠিন বাস্তব-কে আমরা অস্বীকার করতে চাই। এই চাওয়াটুকু নিয়েই বেঁচে থাকা।
  • IN | ১৬ মার্চ ২০০৭ ২০:৩৫561835
  • এই রিপোর্ট-এর ৫০% ও যদি সত্যি হয়, তা হলেই নরেন্দ্র মোদি, বা সিদ্ধার্থ শন্‌কর রায় এর সাথে বুদ্ধ বাবু কে এক সারি তে দাঁড় করানো যায়।

    ভাব তে কষ্ট হচ্ছে, এই পার্টি কেই সমর্থন করে আমার বাবা চাক রি হারিয়েছিলেন। এই পার্টি কেই আমি ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছি।
  • K | ১৬ মার্চ ২০০৭ ২০:৩৮561836
  • প্রমান?

    সরকার, প্রসাশন বা পার্টির কাউকে সুনির্দিষ্ট ভাবে অভিযুক্ত করে শাস্তি দেওয়ার মত প্রমানের আশা মনে হয় কেউ-ই রাখছেন না। তবে টিভি, কাগজ, নেট, বন্ধুবান্ধবের ফোন ইত্যাদি থেকে যা বেরিয়ে আসছে তাতে সৌমিত্র বসুর লেখাতে যে যে ঘটনার উল্লেখ আছে তার সবগুলির-ই সত্যতার আভাস বেশ স্পষ্ট।
    আজ থেকে এক-দুই-তিন বছর পরেও নন্দীগ্রামে গিয়ে সেখানকার মানুষদের সঙ্গে ব্যক্তিগত আলাপচারিতা করতে পারলে সত্যটা জানা যাবে হয়তো। তবে প্রমান কি আর করা যাবে? যাঁরা এসবের প্ল্যান করেছেন, প্রমান লোপাটের প্রশিক্ষন তো তাঁদের বহুদিনের!
  • bz | ১৬ মার্চ ২০০৭ ২২:১৯561837
  • Where do we stand now?
    -----------------------------

    Long ago I heard about a party. They used to believe in sharing dreams with other. They used believe in distributing courage among others, they used to believe in coupling bond with others. And definitely we were not those others. By birth we are privileged. We got the right family, right names, right education and more importantly the right key to hang around in the power corridor.

    Still we knew there was a party to take care of the children of lesser god. A party to raise the voice for those down trodden people, to fight for their right. Oh yes to fight against us, to take the land grabbed by our forefathers for generations, to distribute money sucked by our forefathers at the cost of someone else sweat and blood. We knew that some change is going to come, my power no longer gives me the right to spin the society around my whims, to siphon off money originally sent to improve others conditions. We knew someone is there who may come and ask for their rights and we were horrified. Everyone gets in that state when power slips from one's hand. Only one who has been in power knows how miserable it is to live without it.

    But since a society is governed by the mass, we saw the transfer of power to the majority. Power went to them, to the party of the poor people, to their messiah. And we watched the change. Truly, even we knew it was going for the benefit of all. And how could we question our conviction? We have seen them, self less, grassroot workers. We have seen our Amar uncle, who even could not contest in a municipal vote, to walk about 3 miles to get a small donation for the party. He was a short man of big stature, believing that for a party worker it was beyond imagination to spend money for luxary (read only to hire a cycle rickshaw) at the cost of party fund. They were the faces of the party. We knew the power was gone to the right people, for a change at the cost of 'privileged ourselves' we got a government with humanitarian face. We a society of pygmies got some giants among us.

    And believe me there was no doubt to put faith in it. We have seen 'Operation Barga', we have seen land and land reforms, we have seen the changes in village life with the transfer in power. The critic told it was bound to happen, when the globe becomes a village, its' effect must reach even to the distant corner, however small it might be. We accepted, tried to negate party's contribution and failed. We saw our neighboring states and admitted, bitterly, that atleast the party was catalyst. The ushered the spring, distributed land, spent money for rural welfare, raised the standard of living of all. and we were happy as the progress was as a whole. They kept their words and we got convinced. Never thought twice to bring them back in to power, elections after elections and decades after decades.
  • bz | ১৬ মার্চ ২০০৭ ২২:৪১561838
  • Where do we stand now?
    --------------------------------------
    And then we sensed the change in party. As it was unspoken truth that to get the fruit of development you need some attachment with the part, people came in. Like water comes out after releasing the floodgate. Party became bigger and bigger. And like a mass fractal, as it becomes bigger it becomes more and more hollow. As the first sign corruption came it. But still party kept words. They even distributed corruption. It was no longer a facility available to higher officals in the power corridor. It became the most general tool. Corruption became a part of our life. And people came forward and offered the theory of optimum corruption. And we bought it.

    So corruption became a part of our livelihood. To get a telephone connection I have to bribe. Does not matter because I also take the bribe for transfering files from one desk to other. I pay balck money from my black money. I support corruption to keep my opportunity open. We have seen long queue for a gas cylinder, we have seen the longer queue for the school admission but we accepted. On the daily basis we have drawn our strtategy. We made our own rule book, when should we take a privilege from party or government and when we should try it honestly. We did not mind to stand in a long queue to deposit a cheque but dfinitely called others to get my son admitted to one of the good schools. So we bent and the party stooped to conquer.

    And they really won. They won over us. They won over our consciences. We got small share of power at the cost of our right to protest. We bacame a part of the machinary at the cost of our freedom of speech. We got overwhelmed by the party poewer and obviously tried to stick to it. Some of us never had any courage to come out of it. Some of us had the courage but when the conscience called they found they were also a part of the corruption. And few luckier, who could even come out of that net found nowhere to go, no leader to follow, no land to stand and raise the voice. A party never gets absolute power only beacuse of their supporters, they also reign as their opponents are weak and senseless. In the electoral politics you have to select one. So we again voted for the party. We offered them the biggest margin ever, we almost wiped out opponents from assembly. We just plattered them absolute power. But we were never ready for absolute corruption.

  • bz | ১৬ মার্চ ২০০৭ ২২:৫৯561839
  • Where do we stand now?
    ----------------------------------------

    And then came the absolute blow. The party went for one-way mission. To bring industry to our state. Industry was always welcome. It opens the door for so many opportunities. But not at the cost of our home, our land. And we were hopeful to settle the matter peacefully. We knew it would be so, no other way. In the same way they settled for school admission list or transfeered bureaucrats. Peacefully, without much hype, giving everybody a small piece of shares. Long ago Caeser used to rule rome and the senators used to scurry around him for morcels. We lowered ourselves to that level.

    But for the first time we saw the arrogant face of th party. They decided to grab a land at any cost. Be it over blood and bullet. They came and got the land in singur. we kept quiet. No some protests were there from different sections but we were not bothered. Because it was in singur, a non descript village, not to my place. Then came Nandigram. Again a brutal bloodshed. And moreover it got the communal card. For the first time in last 30 years we started thinking my next door man in terms of his religion. But hardly we knew that many firsts were yet to come. And then came the inevitable. They came and trampled our protest. Visions were engulfed by blood. Atrocities reached to its zenith. And they brough law and order over the deathbodies of other.

    And now we stand mum. We can not support this brutality. We don't want to be part of this government. We still believe in those party ideologies but not the faces of the party. We envy to them who are dead now. Because they are not going to live like us. Fear and cold horror have reached to every vein of our body. We have seen what will be the outcome of protesting. And hardly we have any land to protest. We supported them, we elected them, we took the share of corruption and now how come we wash our hand and protest again them? We stand like hollow man, a conscience lost long before, a spine bent for own benefit, no where to go, no voice to raise but only a life left to follow their orders. We stand like a hollow man.

    (End)
  • * | ১৭ মার্চ ২০০৭ ১২:৫৯561840
  • এই প্রতিবেদন যেন সত্যি না হয়।
    গত ২-৩ দিন TV দেখতে দেখতে অনেকবার চোখ ফেটে জল এসেছে - আর নিজেকে অসম্ভব ঘেন্না করতে শিখেছি। স্বার্থপরতার চুড়ান্ত নিদর্শন দেখিয়ে ঠান্ডা ঘরে বসে শুধু বক্তিমে মেরে, বিশ্বাস-অবিশ্বাস নিয়ে তর্ক করেই দিন কাটাই, রাস্তায় নামার সৎসাহসটুকুও হারিয়ে ফেলে এক মেরুদণ্ডহীন ক্লীবে পরিণত হয়েছি। আমি, আমার পরিবার, আমার বাড়ি, জমি তো নিরাপদ। ওগুলোতে কারো হাত পড়লে নাহয় পথে নামা যাবে !
    তদ্দিন উটের মত বালিতে মুখ গুঁজে থাকাতেই কি আনন্দ ! আর বিশ্বকাপ তো আছেই!
    ধিক নিজেকে !
  • dd | ১৭ মার্চ ২০০৭ ১৩:২৯561841
  • এই প্রতিবেদন, আশা করছি এবং মনে হছে সত্যি নয়।

    ব্যাংগালোরে বাংলা টি ভি বিশেষ আসে না। জাতীয় টি ভি ও খবরের কাগজে নন্দীগ্রাম প্রায় নেই। বাংলা খবরের কাগজ (মানে আজকাল থেকে বর্তমান- একেবারে ৩৬০ ডিগ্রী)পড়েও মনে হয়েছে সৌমিত্রর প্রতিবেদন চট জলদি আবেগ সর্বস্ব প্রতিবেদন। সত্যি নয়।

    যদি তাই ই হয় তো খুব খুসী হবো। এই ভেবে নয় যে আমি ই ঠিক বল্লাম। খুসী হবো যে সত্যি বাংলার বুকে এরকম মধ্যযুগীয় অত্যাচার হয় নি।

    দু:খ পাবো যে সৌমিত্রর মতন আরো কিছু আদর্শবাদী তরুন তরুনী হাস্যাস্পদ হবে।
  • kd | ১৭ মার্চ ২০০৭ ১৪:১৮561842
  • dd, আমি কলকাতায় থেকেও TV দেখিনা, সব কাগজের internet edition পড়ি (অবিস্যি গণশক্তি পড়ি মোড়ের মাথায়)। এবারই শুধু তারা বাংলা আর কলকাতা দেখলুম এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে। আমার মনে হয়েছে সৌমিত্রর রিপোর্ট অন্তত: ৩০% ঠিক - and that's enough for me.

    এই আমাদের সোনার বাংলা! ছি ছি ছি!
  • r | ১৭ মার্চ ২০০৭ ১৫:৩৫561844
  • সৌমিত্র বসু যা লিখেছেন তা যদি সম্পূর্ণ মিথ্যা হয়, যদি বা বিকল্প ইতিহাস নাই বা লেখা হয়, তবুও "পুঁজিবাদী মিডিয়াতে" যা খবর আমরা শুনেছি তা কি আমাদের রাগ-ঘৃণা-দু:খের পক্ষে যথেষ্ট নয়? অমানবিকতা কি আজকাল সিনেমাটিক বিবরণসাপেক্ষে নিক্তি মেপে বিচার করতে হচ্ছে? অবশ্যই সম্পূর্ণ তথ্য বেরিয়ে আসা জরুরী। জরুরী যে মানুষগুলোর বাড়ির লোকজন এখনও নিখোঁজ তাদের স্বার্থে। কিন্তু লজ্জায় মাথা হেঁট করার জন্য আমার মনে হয় না ২৪ঘন্টা ভালো না তারা নিউজ ভালো এইরকম চুলচেরা কোনো বিশ্লেষণের দরকার আছে। ক্ষোভে ফেটে পড়ার জন্য আমার মনে হয় না বিকল্প ইতিহাসের দরকার আছে। নাকি এই স্থবির সময়ে আমাদের বিবেককে জাগিয়ে রাখার জন্য প্রতিদিন বীভৎসতার কড়া ডোজের দরকার পড়ছে?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আদরবাসামূলক মতামত দিন