এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • হানি সিং, অশ্লীল র‌্যাপ ও বর্তমান প্রজন্মের সঙ্গে বিমর্শ

    ranjan roy
    অন্যান্য | ০৭ জানুয়ারি ২০১৩ | ৭৫৯৯৪ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Ekak | ১০ জানুয়ারি ২০১৩ ১১:৪৬577837
  • এই তৈ পড়ে যা প্রথমেই মনে হচ্ছে যে গুরুর অধিকাংশ জনগণ গোবলয়ের গ্রাম গুলোর কোনো খোঁজ রাখেন না। কোনদিন সেসব প্রত্যন্ত গ্রামে গিয়ে থাকেন নি। ছাপরা-সিওয়ান ছাড়িয়ে একটু ভেতরে যান। যান অজমগরের দিকে। হানি সিং তো বাচ্চা ! ন্যাংত মুজরা দেখে ছেলে-বুড়ো ভীড় করে। হোটেলের বদ্ধ ঘরে বসে কিছু পাপী এইসব শোনে-দেখে আর বাকি দেশ ধোয়া তুলসীপাতা এরকম নয় মোটেই। দুম্দারাক্কা ধরে নেবার আগে দেশটাকে দেখলে হত না ? আবার এসব বললেই আপনেরা বলবেন এগুলো হচ্ছে হিন্দি সিনেমার প্রভাব। না মশাই কিছুর প্রভাব নয়। অফ্গুলো ওদের কালচারের অন্গ্য। বাঙ্গালী বাবু রা যখন পাছাপেরে মসলিন পরিহিতা দের দোলন দেখে "এনকর " (ভুল বাঙালি উচ্চারণ, এনিওয়ে ) ধুলো তুলতেন সেই যুগে কোনো সিনিমা ছিলনা তাদের প্রভাবিত করার জন্যে। "ছুঁড়ি তর নাই এর নীচে অমন দীঘি কে কেটেছে ? চৌ দিকে মালঞ্চ করা মধ্যিখানে ফুল ফুটেছে " গান টা মনে পড়ে ? আমাদের ই উত্তর কলকাতার খুর-ঠাউদ্দা রা মুড়কি দিয়েছেন এর তালে তালে। হাফ আখ্রাই খেউর এ সেক্স বলুন খিস্তি বলুন কিছুর কম ছিল না। মাঝখান থেকে বাঙালি একটু চুচিল হয়েছে। এখন এসব কত্তে হলে হোটেলের রুমে ঢোকে আর বাকি দেশ সেটা হয়নি। তারা প্যান্ডেল খাটিয়ে মুজর করে। ৭০ বছরের বুড়ো আর ৭ বছরের বাচ্চা একসঙ্গে দেখে। ইটা ফ্যাক্ট। ভালো-না-মন্দ সেটা বৃহত্তর সমাজ ঠিক করবে। আমরা কতিপয় না।

    মুশকিল হলো হানি সিং এর গান খারাপ লাগার সঙ্গে এই পয়েন্ট গুলো আসে না। কিন্তু আপনারা অন্য পথে যাচ্ছেন বলে আমাকেও যেতে হলো। গানে "কিস মি " বলা গেলে "ল্যাওরা চুস" বলা যেতে পারে। ১০০ বার পারে। ওটা পয়েন্ট ই নয়।
    হানি সিং এর এই পার্টিকুলার গানটায় যে ডম ফ্যান্টাসি আছে সেটা মিউচুআল নয়। পর্ন এও গুচ্ছ্চের ডম থাকে। ডম ইস আ পার্ট অফ ইরোটিকা। কিন্তু সেটা মিউচুআল বলে কখনই প্যাত্রিয়ার্চাল অমুক তমুক মনে হয় না। এখানে মনে হয় এবং স্পষ্টভাবে মনে হয়। এটাই ভারতীয় সমাজের রোগ। এদের প্রাপ্তবযেস আসে প্যাত্রিয়ার্চাল ডম এর হাত ধরে। একটা গান ব্যান করে সেই রোগ সধ্রায় নাকি ?? আর ইটা কোনো উদাহরণ হয়েও থাকবেনা। বরং গায়ক বিখ্যাত হবে। প্রাইভেট প্রোগ্রাম এ বিশাল টাকার অফার পাবে। গ্রাম এ গাইবে। সেসব গ্রামে ভারতীয় সংবিধান পৌছায় না মশাই। পুলিশ সেখানে বীচি চুলকাতে চুলকাতে মেয়েদের সঙ্গে কথা বলে। যদি এই ধরনের সংস্কৃতি (হ্যা এটাও সংস্কৃতি , শত্রু কে স্বেকার করুন নিলে লড়াই করতে পারবেন না ) র বিরুদ্ধে লড়তে হয় তাহলে সংস্কৃতি দিয়েই লড়তে হবে।
    লড়াই টা কঠিন। অনেক সময়সাপেক্ষ। ধৈর্য হারিয়ে ব্যান-ব্যান করে চেঁচালে একচক্ষ রাষ্ট্র কে মদত দেওয়া এবং হানি সিং ধরনের হাজার হাজার বিখ্যাত-অখ্যাত গায়ক দের আরও বড় বাজার করে দেওয়ার পথ প্রসস্ত হবে।
  • a x | ১০ জানুয়ারি ২০১৩ ১১:৪৬577836
  • চটি পেটাপেটি মিউচুয়াল আন্ডার্স্ট্যান্ডিংয়ে হলে ভাওলেন্ট সেক্স বলা যেতে পারে, কিন্তু ইম্পোসড ভায়োলেন্স না।

    আর একটা জিনিস বোধহয় লোকের একটু "ঘুলিয়ে" গেসে গিয়া।

    আমি আইডিয়ালি ব্যান ব্যপারটাকে সাপোর্ট করিনা। কিন্তু অন্যান্য যা কিছু ব্যান লোকে এমনিতে মেনে নিচ্ছে, যেমন চাইল্ড পর্ণ ইত্যাদি, সেটার সাথে এর তফাৎ কেন থাকবে সেটা বুঝছিনা।

    চাইল্ড পর্ণ ইস অ্যান অ্যাক্ট ইটসেল্ফ, মানে সেখানে একটি বাচ্চাকে দিয়ে সত্যি সত্যি কিছু করানো হচ্ছে। এটা ক্রাইম, ব্যান তো হবেই। এবার আমি যদি গল্প লিখি যেখানে একজন বাচ্চার ওপর কোনোরকম যৌন-নির্যাতন চলছে, সেখানে কিছু ইন এফেক্ট হচ্ছেনা কোনো বাচ্চার ওপর। কাজেই দুটোর সেন্সার তো আলাদা ভাবেই হবে।

    অন্যদিকে আমি যদি ভাওলেন্টলি অ্যান্টি-সেমিটিক বই লিখি, সেখানে আমি ইন -এফেক্ট কোনো ইহুদিকে ধরে গ্যাস চেম্বারে না পোড়ালেও আমার বই ব্যান হবে। দুটোর মধ্যে তাহলে তফাৎ কোথায়? টার্গেটেড হেট ক্রাইমের তফাৎ। টর্গেটেড কখন, যখন জাতি, দেশ, ধর্ম, যৌনতা ইত্যাদি দিয়ে ডিফাইন্ড হচ্ছে। তাহলে কখন কোনো জিনিস জেন্ডার স্পেসিফিক হেট ক্রাইমের আওতায় পড়ছে সেটা ডিফাইন করার সময় এত ধূসরতা আসছে কেন? এটা কি আমরা এতই অভ্যস্ত এই সেক্সুয়াল ম্যাচিস্মো দেখতে যে তার আড়ালের ভায়োলেন্সটা যাস্ট চোখেই পড়েনা? ইহুদিদের তো ইতিহাসে একবার পোড়ানো হয়েছে। মেয়েদের তো প্রতিটি যুদ্ধে (এবং শান্তিতে) কাতারে কাতারে রেপ করা হয়। জাপানের তো মাঞ্চুরিয়ার সাথে বাণীই ছিল, রেপ, বার্ণ, কিল। সারি সারি মেয়ে শুয়ে যৌনাঙ্গে লাঠি ঢোকানো এই ছবিও দেখেছি আমরা। মেয়েদের রেপ করে স্তন, যৌনাঙ্গ কেটে বস্তাতে ভরে এক দেশ থেকে আরেক দেশে পাঠানোও শুনেছি। এই অসম্ভব মাইন্ড-বগলিং ভায়োলেন্সের বারবার টার্গেট হয়েও তাহলে কেন এই বুক বাজিয়ে "আমি বলাৎকারী" বলা ইত্যাদিকে টার্গেটেড হেট ক্রাইমের তলায় আনা যাবেনা?
  • lcm | ১০ জানুয়ারি ২০১৩ ১২:০১577838
  • ধুস, আমি মজফরপুরের এর কাছে গ্রামে দেখেছি। ভোজপুরি, মুজরা, পশ্চিমবঙ্গের গ্রামেও আছে - সেগুলো আদি রসাত্মক কথাবহুল গান - ভায়োলেন্ট কখনই নয়। তামিলনাড়ু-তে কাডালুরের কাছে পানরুটি গ্রামের বাজারে গান দেখেছি, এক বিন্দু মানে বুঝি নি, বন্ধুদের কাছ থেকে বুঝেছি খানিকটা হিজরে দের গানের মতন - একটু শরীর বিষয়ক লিরিক্‌স। ইন ফ্যাক্ট বেশ নরম সরম যৌন আবেদনপূর্ন লিরিক্‌স। যেমনটি, অনেক পুরাতনী বাংলা গানে থাকত। সেগুলির সঙ্গে হানি-র তুলনা ঠিক নয়।
  • sosen | ১০ জানুয়ারি ২০১৩ ১২:০৫577839
  • একক, হানি সিংকে ব্যান করার কথাটা কিন্তু আসছে না। আসছে ডিস্ট্রিবিউসনাল মিডিয়ায় সেক্সুয়াল ভায়োলেন্স ব্যান করার জন্য আরো পরিচ্ছন্ন, ক্রিস্টালকাট সেন্সরশিপের কথা।
    একে একে দিচ্ছি।
    সাইবার ল'- ইন্টারনেটের মাধ্যমে ডিস্ট্রিবিউসন-
    Section 67 deals with publishing or transmitting obscene material in electronic form. The earlier
    Section in ITA was later widened as per ITAA 2008 in which child pornography and retention of
    records by intermediaries were all included.
    Publishing or transmitting obscene material in electronic form is dealt with here. Whoever publishes or
    transmits any material which is lascivious or appeals to the prurient interest or if its effect is such as to
    tend to deprave and corrupt persons who are likely to read the matter contained in it, shall be punished
    with first conviction for a term upto three years and fine of five lakh rupees and in second conviction
    for a term of five years and fine of ten lakh rupees or both.
    This Section is of historical importance since the landmark judgement in what is considered to be the
    first ever conviction under I.T. Act 2000 in India, was obtained in this Section in the famous case “State
    of Tamil Nadu vs Suhas Katti” on 5 November 2004. The strength of the Section and the reliability of
    electronic evidences were proved by the prosecution and conviction was brought about in this case,
    involving sending obscene message in the name of a married women amounting to cyber stalking, email
    spoofing and the criminal activity stated in this Section.
    Section 67-A deals with publishing or transmitting of material containing sexually explicit act in
    electronic form. Contents of Section 67 when combined with the material containing sexually explicit
    material attract penalty under this Section.
    Child Pornography has been exclusively dealt with under Section 67B. Depicting children engaged
    in sexually explicit act, creating text or digital images or advertising or promoting such material
    depicting children in obscene or indecent manner etc or facilitating abusing children online or inducing
    children to online relationship with one or more children etc come under this Section. ‘Children’ means
    persons who have not completed 18 years of age, for the purpose of this Section. Punishment for the
    first conviction is imprisonment for a maximum of five years and fine of ten lakh rupees and in the
    event of subsequent conviction with imprisonment of seven years and fine of ten lakh rupees
  • dukhe | ১০ জানুয়ারি ২০১৩ ১২:০৬577840
  • এককের বক্তব্যটা এট্টু সামারাইজ করা যাবে? কোনকিছুই ব্যান করা উচিত নয় যতক্ষণ না তা ফিজিকালি/মেটেরিয়ালি কারো ক্ষতি (চুরি, ডাকাতি,খুন, ধর্ষণ ইত্যাদি) করছে?
  • sosen | ১০ জানুয়ারি ২০১৩ ১২:১০577841
  • ক্লাসিফিকেশন ল'
    A

    Adults Only

    Restricted to adult audiences (18 years or over). The content in these films is considered too strong for young children so this category is off-limits to minors. This rating is similar to the MPAA's R, the BBFC's 15 and the OFLC's MA15+ ratings.
    Nobody younger than 18 may rent or buy an A-rated VHS, DVD, Blu-ray Disc, UMD or game, or watch a film in the cinema with this rating. Such films may contain:
    References and use of hard drugs.
    Explicit language or intensely suggestive dialogue.
    Strong horror scenes and blood and gore.
    Partial nudity.
    Crude and detailed references to sexual behavior.
    Portrayals of sexual activity.
    Adult/disturbing themes.
    Intense/brutal violence.
    Portrayals of sexual violence.

    S

    Restricted to any special class of persons

    This rating signifies that the film is meant for a specialised audience, such as doctors. The following content is banned from public exhibition: Endorsement or illegal use of drugs, tobacco and/or alcohol.
    Endorsement of racist language.
    Extreme horror scenes and excessive blood and gore.
    Portrayals of full-frontal or rear nudity.
    Portrayals of real sex (i.e. pornography).
    Excessive or continued brutality.
    Explicit and unjustified scenes of sexual violence.
    Content offending the sentiments of religious communities.
    Content offending the sovereignty and/or foreign relations of India.
    Any other content offending the standards of morality and decency generally accepted by adults in India.
  • Ekak | ১০ জানুয়ারি ২০১৩ ১২:১৫577842
  • সোসেন
    আমার বক্তব্য যাঁরা ব্যান চাইছেন তাঁদের উদ্দেশ্যে।
    ক্রিস্টালকাট সেন্সরশিপ বলে আদৌ কিছু হয় কিনা এই নিয়ে আমার সন্দেহ আছে।
    ওটা ইউতপিয়া। ধরুন যদি এই দিল্লি গ্যাং রেপ এর ঘটনাটি নিয়ে আমি একটি সিনেমা বানায় যেখানে ৪৫ মিনিট ধরে ডিটেইল এ রেপ এবং খুন দেখানো হয় তাহলে সেই সিনেমা আদৌ অনুমোদন পাবে কি পাবে না ?
    আমি তো বাস্তব কে তুলে ধরলুম। তাই না ?
    তাহলে আপনার সেস্ন্সর বোর্ড আমার সিনেমা কে "এ" সার্টিফিকেট দেবে হয়ত। তাতে কি যাবে আসবে ? ভারতবর্ষের মত দেশে লক্ষ্য লক্ষ্য সিনেমা হলে যেখানে দিস্ত্রিবিউশোন এর ওপর কোনরকম সরকারী কন্ট্রোল রাখা সম্ভব নয় সেখানে এই সিনেমা দেখতে হলে অপ্রাপ্তবয়স্ক রা ঢুকলে কি হবে ? সেন্সর সিস্টেম এর গ্রেদেষণ এর মানে কি ? একটা ১৬ বছরের বাচ্চা আমার সিনেমার দিতেইল্ড রেপ এন্ড মার্ডার সীন দেখতে পারবেনা অথচ ২৬ বছরের লোক পারবে। এই তো সেন্সরশিপ। এতে কি ঘোরার ডিম হয় ? পটেনশিয়াল রেপিস্ট কমবে ??

    সেন্সরশিপ ব্যাপারটাই একটা প্রেক্তিভ মেসার যেটা রাষ্ট্র নিতে বাধ্য হয় যখন ন্যাচারাল সোশাল সার্ভায়ল্যানস দিয়ে কিছু কন্ট্রোল করতে পারেনা। প্রচন্ড দুর্বল অস্ত্র ইটা। বিশেষ করে ভারতবর্ষে।

    তালপাতার তরোয়াল ধারালো হলো না ভোঁতা তা দিয়ে কি আসে যায় বলুন তো ? :(
  • lcm | ১০ জানুয়ারি ২০১৩ ১২:২৩577843
  • একক বোধহয় একটু বেশী ফ্যানটিক হয়ে পড়ছে। সেন্সরশিপ সোসাইটির, র‌্যাদার সিভিক সোসাইটির সোস্যাল স্ট্রাকচারের অঙ্গ। দরকার একটু আছে। না হলে আপনিই উঠে যেত, বিবর্তনের হাত ধরে।
    যেমন, ছোট বাচ্চাদের ভায়োলেন্ট জিনিসপত্র দেখতে দেওয়া হয় না, বা, রেকমেন্ড করা হয় না, তার সায়েন্টিফিক সাইকোলজিক্যাল কারণ আছে, সেন্সরশিপ ব্যাপারটা এক্কেবারে ফালতু নয়।
    তবে হ্যাঁ, এর অপব্যবহার কি হয় না। একশো বার হয়।
  • lcm | ১০ জানুয়ারি ২০১৩ ১২:২৬577844
  • ভেবে দ্যাখো, যখন আইন করে সতীদাহ সেন্সর করা হল, ব্যান করা হল, শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে ঘোষনা করা হল, তখন কিছু মানুষ খেপে গেছিল। সরকারের এই সেন্সরশিপ তাদের ব্যক্তি স্বাধীনতায় অবশ্যই হস্তক্ষেপ করেছিল। কিন্তু, এই সেন্সরশিপ দরকার ছিল।
  • lcm | ১০ জানুয়ারি ২০১৩ ১২:২৭577846
  • মানে যে মহিলা সত্যিই স্বেচ্ছায় স্বামীর মৃতদেহর ওপর ঝাঁপিয়ে পরে মারা যেতে চাইছিল, তার ব্যক্তি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ হল।
  • Ekak | ১০ জানুয়ারি ২০১৩ ১২:৩১577847
  • ইন্ডিয়ান ল এত ভাগ টার্ম এ ভর্তি যে পড়তে গিয়ে হাসি চাপতে পারিনা।
    "Publishing or transmitting obscene material in electronic form is dealt with here. Whoever publishes or
    transmits any material which is lascivious or appeals to the prurient interest or if its effect is such as to
    tend to deprave and corrupt persons who are likely to read the matter contained in it, shall be পুনিশেদ"

    এইবার আমার বানানো ওই কল্পিত সিনেমা টি যেখানে আমি আগে থেকে বয়ান দিয়ে রেখেছি যে " ভীভত্সো ধর্ষণ এবং খুনের যন্ত্রণা দর্শক কে বোঝাবার উদ্দেশ্যে নির্মিত" সেটাকে ঠিক কিভাবে ব্যান করবেন এট্টু ব্যাখ্যা করুন। "অব্সীন" /"ল্যাসিভিআস" একটার পর একটা গ্রে টার্ম। কোনো মানেই নেই এসব শব্দের। যে কোনো দুষ্টু বুদ্ধির লোক এগুলোকে বোকা বানাতে পারে এবং এর ফাঁক দিয়ে রগরগে পর্ন "এ" মার্ক লাগিয়ে মূলধারার সিনেমা হিসেবে বিক্রি করতে পারে।
    শ্য়াম্বাজারী থিয়েটারে নাচাগানা আপনারা দেখেছেন কিনা জানিনা। আমি দেখেছি। স্বল্পবাস নায়িকা পৃথুলা চেহারায় বিকট যৌন (? :( :( ) আবেদনমূলক নৃত্য পরিবেশন করছেন একটি সামাজিক পালা তে। সামাজিক ? হ্যা মশাই ! সোয়ামী অসুস্থ। তার অসুধের বন্দ্যবস্ত করতে মেয়েটি বার এ গিয়ে নাচে। এই হলো গিয়ে গল্প। এমন হৃদয়্বিদারক্ভাবে সাজানো গপ্প কে আটকাবে কোন সেন্সর বোর্ড ? !!
  • sosen | ১০ জানুয়ারি ২০১৩ ১২:৩২577848
  • *Consumption of pornography is no offence. All that the law forbids is its publication or transmission without authority।

    Violations of Cinematograph act and penalties.
    The following are the major violations that agitate the minds of the public:
    (a) exhibition of an ''''A'''' certified film to a non-adult
    (b)exhibition of an ''''S'''' certified film to persons other than those for whom it is meant;
    (c) exhibition of a film in a form other than the one in which it was certified. Such violations are known as interpolations. Interpolations can be described as follows (i) re-insertion in the prints of a film, those portions which were deleted by the Board while certifying the ফিল্ম (ii) insertion in prints of a film, portions which were never shown to the Board for certification; (iii) exhibition of ''''bits'''' unconnected with the certified film.
    (d) exhibition of a film which was refused a certificate (or ''''banned'''' in common parlance)
    (e) exhibition of uncertified films with forged certificates of other films.
    (f) exhibition of films without CBFC certificate. (হানি সিং এর ব্যাপার/ ভোজপুরি মুভি /এম এম এস-পর্ন এর এক্তিয়ারে। )

    A person guilty of violation while exhibiting celluloid films is punishable with imprisonment for a term which may extend to Three years, or with fine which may extend to Rs.1/-lakh, or with both, and with a further fine up to Rs.20,000 for each day for a continuing offence. Similarly, Showing of video films which violate the rules in the manner prescribed in this section will attract imprisonment of not less than three months but which may extend to three years and a fine of not less than Rs.20,000 but which may extend to Rs.1/-lakh and a further fine up to Rs.20,000 for each day for a continuing offence.

    Furthermore, the trial court can direct that the offending film be forfeited to the Government. Under Section 7A, any police officer can enter a hall where an offending film is being screened, search the premises and seize the print. Films can also be seized when they are likely to be exhibited in violation of Cinematograph Act.
  • lcm | ১০ জানুয়ারি ২০১৩ ১২:৩৯577849
  • হ্যাঁ ঠিক আছে। কিন্তু একটা স্ট্রাকচার চাই। পারফেক্ট নয়। কিন্তু লাগে।
    সোসেনের এই ঠিক আগের পোস্টের লাস্ট প্যারা দেখো।
  • Ekak | ১০ জানুয়ারি ২০১৩ ১২:৪১577850
  • এল্সিয়েম
    একটু মাথা খাটান কায়ন্দ্লি।
    "একট" কে ব্যান করা আর "একটিং" কে ব্যান করা দুটো কম্প্লীত্লি আলাদা ব্যাপার।
    যে কারণে সতীদাহ কে ব্যান করা যায় সেই কারণে সিনেমায় সতীদাহ দেখানো কে ব্যান করা যায় না। কারণ গান-সিনেমা-আর্ট যাই বলুন সেটা একটিং, একট নয়।
    কন্সিস্তেন্ত্লি গলাচ্ছেন আপনি :(।
    এবার বলবেন একটিং দেখে যদি কেও একট করার উত্সাহ পায় ? সেটা পেতে পারে/নাও পারে। সেইখানটা সোশাল সার্ভায়ল্যানস। ইটা এত গ্রে এরিয়া যে স্টেট কে মাথা গলাতে দিলে সে রোবটের মত ইফ-বাত এলগ দিয়ে ঘেঁটে ফেলবে সব। বরং ব্যক্তি মানুষের বুদ্ধি-শিক্ষার ওপর ভরসা রাখা তা বেতার চয়েস। তার জন্যে সামাজিক আন্দোলন দরকার ।
    ইটা সতিদাহের মত কোনো একট নয় যে ত্যান্জিব্ল কেস আড্রেস করা যাবে। এবং গিয়ে পুলিশ বন্ধ করে দেবে। নিজের দায়ত্ব স্টেট দৈত্যের ঘরে চাপিয়ে দিলেই সবসময় ভালো ফল হবে এমন নয়। এই ক্ষেত্রে দায়ীত্ব তা আমাদের।
  • sosen | ১০ জানুয়ারি ২০১৩ ১২:৪৩577851
  • একক, সেতো আমরা জানি যে ইন্ডিয়ান ল এর শুধরানোর দরকার। সেজন্যই কি এই ফ্যাক্ট গুলো রেকগনাইজ করার দরকার নয়?
    যাচ্ছেতাই সিস্টেম, তার যন্ত্রপাতি গুলিও ভোঁতা, সেন্সর বোর্ডের লোকেরা গাধা, পুলিশ নোংরা, এসব তো জানা। কিন্তু এর কোনটা দিয়েই কি জাস্টিফাই করা যায় সেগুলোকে চলতে দেওয়া? বা চললেও সেগুলোকে মডারেট করার প্রয়োজনকে উড়িয়ে দেওয়া যায় কি? যা হোক বেসিক কিছু আইন আছে, আরো আসুক, যা মানা হয়না তা মানা বাধ্যতামূলক করার চেষ্টা হোক, সেজন্য কি এই ব্যাপারগুলোকে এড্রেস করার দরকার নেই?
  • S | ১০ জানুয়ারি ২০১৩ ১২:৪৪577852
  • আরেকটা কথা আছে। টেকনিকালি সেন্সরশিপ আর বোধয় সম্ভব নয়। কারণ ইন্টারনেটে সব গান ইত্যাদি সবই পাওয়া যাচ্ছে। সেখানে এক আধটা নাচা গানা বন্ধ করে কি হবে? উল্টে মাইলেজ পাবে। তাই গান বন্ধ না করে মেয়েদেরকে সন্মানের চোখে দেখার শিক্ষাটা দেওয়া খুবই জরুরি। এবং এই শিক্ষাটা সকলেরই পাওয়া উচিত - ছেলে মেয়ে নির্বিশেষে।
  • lcm | ১০ জানুয়ারি ২০১৩ ১২:৪৮577853
  • সেন্সরশিপ-এর প্রয়োজন আছে, ব্যক্তি স্বাধীনতাকে ভায়োলেট করলেও - শুধু এই কথাটা বলার জন্যেও সতীদাহর উদাহারণ দিয়েছি। ব্যক্তি স্বাধীনতাই নিয়ে অনেক কথা হচ্ছিল কিনা, তাই। এর সাথে হানির গানের কোনো সম্পর্ক নেই, সিনেমার ও না। অবশ্য কিসের সঙ্গে কিসের সম্পর্ক আছে তা এখানে বোঝা মুশকিল। যেখানে, রবীন্দ্রনাথ, হানি, মিস শেফালি সব একসঙ্গে আলুচানা হচ্ছে।
  • dukhe | ১০ জানুয়ারি ২০১৩ ১২:৫০577854
  • ব্যান/সেন্সর এগুলো ভোঁতা তরোয়াল হলে এর পক্ষে-বিপক্ষে দুটো স্টান্সই আদতে অর্থহীন। তাই তো?
  • S | ১০ জানুয়ারি ২০১৩ ১২:৫২577857
  • নো ডাউট সেন্সরশিপের পক্ষেও অনেক কথা বলা যায়। এটা গ্রে এরিয়া। কিন্তু আলটিমেটলি যন্তরটা অকেজো। আর সরকারের হাতে এক্সট্রা পাওয়ার দেওয়ার কোনো মানে নেই।
  • sosen | ১০ জানুয়ারি ২০১৩ ১২:৫২577855
  • একক, সারা দেশের লোক গিয়ে একটা সিনেমার কন্টেক্স্ট তো ঠিক করতে পারেনা? সেজন্যই সেন্সর বোর্ডের দরকার। ব্যান নয়, সব কিছুই দেখানো যায়, গাওয়া যায়। কিন্তু A আর S এই দুটো ক্যাটেগরির ডিফারেন্স আছে। আমি কেন দেখাবো, হার্ডকোর ভায়োলেন্স? নিশ্চয়ই আমার কিছু মেসেজ দেওয়ার আছে। সেই মেসেজ যদি discriminatory হয়, ক্রিশ্চান পোড়াও, হিন্দু পোড়াও মেয়ে রেপ করো এরকম হয়, তা হলে সেটা যেন কারুর কাছে না পৌঁছয় সেটা দেখার ক্ষমতা একটা আইডিয়াল কমিটির হাতে থাকা দরকার। এই আইডিয়াল ব্যাপার টাতে পৌঁছনো যায় না। কিন্তু নিয়ার আইডিয়াল হওয়া যায়। যদি মেসেজ প্রপার হয়, তাহলে সেই মেসেজ ফিল্টার করার ক্ষমতা যাদের আছে তাদের কাছেই যেন সেটা যায়। তাই এস গ্রুপ ও আছে। শুধু বয়স নয়, বিচক্ষণতার আরো মাপকাঠি আছে।
    আর আইন যদি ব্যর্থ হয় এই ক্লাসিফিকেশন অনুসরণ করতে তাহলে সেটা সিস্টেমের ব্যর্থতা। সেটা সারাতে চেষ্টা করার দরকার নেই?
  • lcm | ১০ জানুয়ারি ২০১৩ ১২:৫৬577859
  • এগুলো দুমুখো অস্ত্র।
    তুলে দিলে লোকে কিছু গাল দেবে, দেখেছ কি অবস্থা, টিভিতে হানি খবর পড়ছে, মিনিস্টারদের বাম-মা তুলে গাল দিচ্ছে।
    রাখলে বলবে, দেখেছ কি অবস্থা, মানুষ (আবালবৃদ্ধবণিতা) একটু শান্তিতে হানির গান শুনতে পাচ্ছে না।
  • sosen | ১০ জানুয়ারি ২০১৩ ১২:৫৬577858
  • S -ইন্টারনেটে সেন্সরশিপ আছে। আপনি যদি আম্রিগাবাসী হন, তাহলে প্লিজ দিন সাতেক দিনে কুড়িবার চাইল্ড পর্ন ভিডিও দিয়ে নেট সার্চ এবং ডাউনলোড করে দেখবেন? সেন্সরশিপ এবং আইন দুটোই মালুম হবে।
  • Ekak | ১০ জানুয়ারি ২০১৩ ১৩:০৩577860
  • সোসেন
    আমি বারবার একটাই কথা বলছি যে সবকিছু "ল " দিয়ে হয়না। আপনি যতই ইন্ডিয়ান ল কে সধ্রান না ক্যান এই এরিয়া গুলো থেকেই যাবে। সমাজ বলেও একটা বস্তু আছে এবং সেখানে সোশাল সার্ভায়ল্যানস জরুরি। ব্যান করলে সমাজ করুক না। গ্রাম এর মেয়েরা রুখে দাঁড়াক এইসব অপমানজনক নাচ্চা-গানার বিরুদ্ধে। সেটা অনেক এফেক্টিভ।
    বাই ভার্তু অব বিয়িং "ল", ল ইস ব্লায়ন্দ। এটার ভালো-খারাপ দুটো দিক ই আছে। কাজেই যে কাজ সোসাইটির সেটাও ল এসে সামলে দেবে এমন নয়।
    অলীক-কুনাট্য-রঙ্গ দেখে যে ইন্টেলেকচুয়াল দের প্রান কেঁদেছিল তাঁরা নিজেরা কলম ধরেছিলেন। সংস্কৃতিক আন্দোলন এর জন্ম দিয়েছিলেন। মধুসূদন থেকে রবিবাবু সেই প্রচেষ্টার অঙ্গ। গুর্গুরে ভটচাজ কে কজন মনে রেখেছে ? তিনি to আইরিশ বেশ্যা দের নগ্ন ছবি আর সাহিব দের অজাচার নিয়ে বই ছাপতেন। একসময় বাঙালি আর কিছু না পেয়ে হুর্মুরিয়ে পরত সেসব। কিন্তু চাপা পরে গেছে নতুন সৃষ্টি হওয়া মূল স্রোতের কাছে। নিজেদের লড়তে হবে।
    আমরা এখন বড্ড কুঁড়ে। সস্তায় বাজিমাত চাই। আর সব কিছু স্টেট এসে ঠিক করে দেবে ভাবি। আর পুজোসংখ্যা উপন্যাসে রগরগে সেক্স গুঁজে দিয়ে মৌসুমী প্রকাশনী আলো করে বসি। এই আত্মধর্ষন এবং বোকা বোকা রাস্ত্রনির্ভরতা থেকে বেরিয়ে আসা দরকার।
  • S | ১০ জানুয়ারি ২০১৩ ১৩:০৫577861
  • অতো দিতে হবে না। দিনে বার কয়েক কি করে বোমা বানানো যায় সেই সার্চ দিলেই, বাড়িতে লোক চলে আসবে। এখানেই আমার প্রব্লেম। এই প্রোফাইলিঙ্গ টাতেই আমার আপত্তি। হানি সিং এর গান শুনলেই তারা মন্দ, আর কবিগুরুর গান শোনা মানেই সব ভদ্দর লোক এই সরলীকরণে আমি বিশ্বাস করিনা, মানি না।
  • S | ১০ জানুয়ারি ২০১৩ ১৩:১০577862
  • মাঝখান দিয়ে রাষ্ট্রের হাত শক্ত করা হয়। কালকে কোনো দেশে বামেদের রাজত্ব এলে ইস্কুলে ইস্কুলে প্রার্থনা সঙ্গীত হিসেবে রাশিয়ান বিপ্লবের গান গাওয়ানো হবে না চাইলেও। মোদি এলে ক্রুড় হিন্দু প্রার্থনা চালু হতে পারে - ধর্ম নির্বিশেষে। এটা খুব মুস্কিলের।
  • lcm | ১০ জানুয়ারি ২০১৩ ১৩:১৩577863
  • রাষ্ট্রের হাত ভেঙ্গে দাও, গুঁড়িয়ে দাও। লড়াই চাই।
  • S | ১০ জানুয়ারি ২০১৩ ১৩:১৭577864
  • এই নিয়ে হানি সিং কে গান লিখতে দেওয়া হোক।
  • Ekak | ১০ জানুয়ারি ২০১৩ ১৩:১৮577865
  • সরলীকরণ শুরু হলো। কাটি।
    শত্রু দের থেকে ঘর বাঁচাতে আমি বাগানে নেকড়ে ছেড়ে রেখেছি। সেই নেকড়ে আমার ঘরে ঢুকতে দেব কিনা এই সিদ্ধান্তের অধিকার তা আমার। এর সঙ্গে নেকড়ে কে ধরে মারার কোনো সম্পক্ক নেই। আসলে বিনি পয়সায় পাওয়া স্বাধীনতা হলে এই হয়। মানুষ এর আর সামাজিক দায়ত্ব বলে কিসসু নেই। ট্যাক্স দিয়ে নেকড়ে পুসিচি বলে কথা। সেই সব করবে। আমার ছেলে-মেয়ে আমাকে শালা বললেও সে এসে এট্টু কামড়ে দিয়ে চলে যাবে। কিই সোন্দর !
  • lcm | ১০ জানুয়ারি ২০১৩ ১৩:২৬577866
  • হ্যাঁ, সেই ভালো, আবার জটিল করবার দরকার হলে তখন না হয়...
  • sosen | ১০ জানুয়ারি ২০১৩ ১৩:৪৬577868
  • সমাজ ঠিক হোক। মেয়েরা প্রতিবাদ করুক। সেতো আছেই। সেটা দীর্ঘস্থায়ী লড়াই। এক শতক আরো লাগতে পারে। লাগার পর ও আইনের মাধ্যমেই এর রেগুলেশন হবে বলেই আমার ধারণা। এই আইনের ক্ল্যারিফিকেশন ইম্প্লিমেন্টেশন দুটোই বরং স্বল্প উদ্যোগে করা যায়। আইন ছাড়া কোন কিছু হয় বলে মনে হয়না। যে কোনো ডিসক্রিমিনেসনের এলিমিনেশন করতে আইন আনা প্রথমে হয় তার পর ধীরে ধীরে মেজরিটির দৃষ্টিভঙ্গি বদলায় বলেই ধারণা ছিল। যাই হোক। গ্রে এরিয়ার আয়তন যুগে যুগে রিডিফাইনড হয়, তাবলে চাইল্ড মলেস্টেশন ও রেপ কোনকালে আইনানুগ হতে পারেনা এগুলোর ক্ষেত্রে ক্লিয়ার কাট আইন থাকতে পারে, বিভিন্ন দেশে রয়েছে, থাকা সম্ভব। আমরা না চাইলেও।
    নিজেদের লড়ার প্রশ্ন এরই কমপ্লিমেন্টারী। প্রশ্ন রুচিগত সর্দারির নয়। প্রশ্ন দু-একটি এমন একশনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার যেগুলোকে হালকাভাবে কোনো সভ্য মানুষ নিতে পারেনা, নেওয়া উচিত নয়। রাষ্ট্রের হাতে এই ক্ষমতা না থাকলে কার হাতে থাকবে? আমার উদ্দেশে কাল একটি ছেলে এই গান গাইলে আমার মাথা গরম হয়ে যাবে, তাকে দু চারটে চড় থাপ্পড় মারলাম ও ধরা যাক, তারপর পুলিশ বলল এমন কোনো আইন তো নেই যে গান গাওয়া যাবে না? রাষ্ট্র তো এমন বলে নি?
    আমার সুরক্ষা কে যোগাবে? কারণ আমি তো তাকে মেরেছি, আমি তার গান গাওয়ার স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করেছি, তাই না? অপরাধী আমি, সে নয়। সে হয় তো ভাষা বোঝেনি, শুধু বিট বুঝেই গেয়েছে! তা-হলে?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভেবেচিন্তে প্রতিক্রিয়া দিন