এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • সিঙ্গুর: কি ভাবছেন সবাই(২)

    Ishan
    অন্যান্য | ১৮ অক্টোবর ২০০৬ | ৭৯২৫৯ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • r | ০৬ আগস্ট ২০০৮ ১২:৩৮697142
  • ডি: ক্লে:

    কল্লোলদা কাল থেকে ভেবে যাচ্ছেন আমার যাবতীয় রাগ সিঙ্গুরকেন্দ্রিক। সর্বাংশে ভুল।

    জরদগব, অক্ষম এবং কুচুটে জাতি ন্যানো হলেও যা, না হলেও তাই।
  • sarathi | ০৬ আগস্ট ২০০৮ ১৪:০০697143
  • প: বঙ্গ ভারত সরকারের শিল্পনীতি অগ্রাহ্য করে কিছু করতে পারবে না, একটাই রাস্তা আছে সরকার যদি নিজে বিনিয়োগ করে, কিন্তু সেটা সম্ভব কিনা জানি না
  • kallol | ০৬ আগস্ট ২০০৮ ১৪:৪৭697144
  • র - আমি তবে ভুল বুঝেছি। তবে খুব ভুল বুঝিনি। ঐ বিশেষণগুলো আমি কর্ণাটকে কন্নডিগাদের, পাঞ্জাবে পাঞ্জাবীদের, উড়িষ্যায় ওড়িয়াদের, অন্ধ্রে তেলেগুদের, বিহারে বিহারীদের ওপর বর্ষিত হতে দেখেছি।
    তবু দেশটা চলে। প্রচুর ভালো কাজ হয়। প্রচুর খারাপ কাজও হয় - সে কোথায় না হয়।
  • sarathi | ০৬ আগস্ট ২০০৮ ১৫:০০697145
  • প: বঙ্গে শুধু খারাপ কাজই হয় ;)

    খারাপ খারাপ কাজ করার আমরা একটু কাঁকড়া খেয়ে নি, ,এই যা
  • h | ০৬ আগস্ট ২০০৮ ১৫:৩১697146
  • পরিস্থিতির অসহায়তা থেকে লোকজন জমি অধিগ্রহণ করে ফেলছে, এবং গোটা প্রসেসে অসংখ্য গুল মারতে বাধ্য হচ্ছে, এটা আমায় বোঝানো সহজ হতে পারে, কারণ আমি চুনোপুঁটি, তবে সর্বত্র নয়।
  • r | ০৬ আগস্ট ২০০৮ ১৬:০৬697147
  • নিজেদের শাপমন্যি করাই ভালো।

    একটা সময়ের পরে বাঙালী জাতি হিসেবে কিচ্ছু শেখে নি। লাস্ট শিখেছিল দু ছটাক বামপন্থা। সেটা এখন হজম হয়ে মলদ্বার দিয়ে বেরোচ্ছে। বিপ্লব মানে ঝাড়পিট, তর্ক মানে কিৎকিতে ঝগড়া, আর আইন অমান্য তো সর্বত্র রাস্তাঘাটে।

    পাগল করে দেবে!
  • bb | ০৬ আগস্ট ২০০৮ ১৬:১১697148
  • পশ্চিমবঙ্গে যে শিল্পের দরকার তা বোঝার জন্য CPM হবার দরকার হয়না। আর মমতার এই অহেতুক আন্দোলনে সবচেয়ে ক্ষতি হচ্ছে শিল্প সম্ভবনার এতে তো কোনো দিরুক্তি নেই বলে আমার মতো সাধারণ মানুষের ধারনা।
  • umesh | ০৬ আগস্ট ২০০৮ ১৬:৪১697149
  • মমতা কে দোষ দিয়ে কি হবে?
    আজ CPM বিরোধী পক্ষে থাকলে তাই করতো যা মমতা করছে।
  • sarathi | ০৬ আগস্ট ২০০৮ ১৬:৪৩697150
  • বা: কি সুন্দর জাষ্টিফিকেশন
  • h | ০৬ আগস্ট ২০০৮ ১৬:৪৫697152
  • বিবি সাধারণ মানুষ। আর যারা কর্মসংস্থান হারাছেন তার অসাধারণ মানুষ, তাঁদের খেতে না পেলেও চলে, বা দুম করে হঠাৎ 'কেরিয়ার চেনজ' করতে বল্লে তাঁদের রাগ করা উচিত নয়। এইটা হাইট।

    দেখেন শিল্প দরকার কথাটা কোনো আইসোলেটেড ট্রুথ নয়। সিঙ্গুর কারখানাটা কার দরকার? তাড়াটা কার?

    আমি আপনার সম্ভাব্য উত্তর গুলো সাজিয়ে দিছি, আপনে বাছেন। কিন্তু বাছার পরে ভাববেন যে সব লোক সিস্টেমের কোন সুবিধে পায় না, বা কোনো সোশাল ট্রান্সফর্মেশনে যাদের হাতে চয়েস বলে কিসু নাই তাদের কাছে কিন্তু অপশন ও বিশেষ কিসু নাই। মমতার পার্টি ফালতো পার্টি, এ ব্যাপারে আমার অন্তত কোন সন্দেহ নাই। যিনি নিজে সঞ্জয় গান্ধীর রাজনীতি থেকে উঠে এসছেন তিনি এক বছরে কৃষক দরদী হয়ে গেলেন এসব ঢপের চপ। কিন্তু প্রতিনিধিঙ্কেÄর বিতর্কের বাইরে বুদ্ধ-নিরুপমের মুর্খামি কে সমর্থন করার কোন লজিক থাকলে জানাবেন।

    সিঙ্গুর কারখানাটা কার দরকার? তাড়াটা কার?
    --------------------------------------

    ১। টাটা কর্পোরেটের। বা তাদের যারা ধার দিয়েছে তাদের।
    ২। বাংলার উচ্চশিক্ষিত মানুষের। মূলত: মধ্যবিত্ত উচ্চবিত্তের। চাগরি প্রার্থী এবং কনজিউমার হিসেবে।
    ৩। শিল্প মহলের এবং সংবাদমাধ্যমের
    ৪।রাজ্য সরকারের

    এইবার এই স্কিমে 'সাধারণ মানুষ' কোথায়? খুঁজে পেলে জানান। 'ট্রিকলিং এফেক্ট' এর ঢপটা বাদ দিয়ে প্লিজ।
  • umesh | ০৬ আগস্ট ২০০৮ ১৬:৪৭697153
  • মমতা হলো CPM এর Frankenstein.
  • siki | ০৬ আগস্ট ২০০৮ ১৭:২০697154
  • ক্যানো? সাধারণ মানুষ হাঁ করে বসে আছে না, মোটোর সাইকেল বেচে ন্যানো কিনবে এই দেওয়ালির ছুটিতে?
  • arjo | ০৬ আগস্ট ২০০৮ ১৯:২৮697155
  • র আর হ এর পোস্ট পড়ে মনে হল "সবাই বৃদ্ধ হচ্ছেন" :-))
  • pinaki | ০৭ আগস্ট ২০০৮ ০৬:৪১697156
  • বিপ্লব-টিপ্লব না হওয়া অবস্থায় বা বিপ্লবী পরিস্থিতি না থাকা অবস্থায় এই ধরণের কৃষি-শিপ্ল বিষয়ক ঘোটালায় আমার সমবায় পদ্ধতিতে চাষ, কৃষিপণ্যের বিপণন এবং ছোট ও মাঝারি শিল্প, কৃষিভিত্তিক শিল্প - এগুলোকে গুরুঙ্কÄ দেওয়া উচিৎ বলে মনে হয়। ভারি ম্যানুফ্যাকচারিং শিল্প হতে পারে - কিন্তু কর্মসংস্থানের মূল উৎস সেগুলো আজকের দিনে খুব একটা নয়। তাই প্রচুর কর্মচ্যুতির বিনিময়ে কেউ এই ধরণের শিল্প করতে চাইলে তাকে একেবারেই এন্টারটেইন করা উচিৎ বলে মনে হয় না। কর্মচ্যুতি না ঘটিয়ে যদি কোথাও হয় তো হোক - এইরকম আর কি।

    কিন্তু সমবায় প্রথায় চাষ এবং কৃষিপণ্যের বিপণন নিয়ে, তার সমস্যা আর সম্ভবনা নিয়ে কারুর ভালো ফাণ্ডা থাকলে লিখুন না একটু।

    কল্লোল দা একটু লেখো না। দরকারে অন্য সুতো খুলে।
  • d | ০৭ আগস্ট ২০০৮ ০৭:৫২697157
  • কারখানা হোক বা না হোক, সি পি এমের উইন উইন সিচুয়েশান। হলে তো হলই - শিল্পোন্নয়ন ইত্যাদি। আর না হলে "ঐ যে ওরা, ওরা সব মহাক্ষতি করে দিল' ইত্যাদি।

    এই রাজ্য সরকারই বলেছিল না টাটার এই জমিটাই চেয়েছে। এদিকে তারা তো আবার কোর্টে গিয়ে বলে এলো যে সেরকম কোন দাবী তাদের ছিল না। মিথ্যে বলা তো দেখি একেবারে রক্তেমজ্জায় রয়েছে। এই নিয়ে কটা মিথ্যে হল?
    তো, ৩০ বছর ধরে একটা ইনফ্রাস্ট্রাকচার ফ্রেমওয়ার্ক তৈরী করতে পারা গেল না, যাতে কলকাতা থেকে অনেক দূরের কোন অঞ্চলেও একটু আধটু শিল্পোন্নয়ন হয় টয়।

    আর এটাও ঠিক যে সিপিএম না হয়ে অন্য কোন পার্টি করলেও উনিশবিশ এরকমই করত। সিপিএমও এইভাবেই "পোতিবাদ' "পোতিবাদ' খেলত। যেমন খেলছে ওড়িশায়। বা অন্যান্য রাজ্যে (যেখানে যেটুকু পারে)।
  • h | ০৭ আগস্ট ২০০৮ ১০:৫৫697158
  • কলকাতা থেকে দূরঙ্কÄর সঙ্গে জমি সিঙ্গুর অধিগ্রহণ বিতর্কের কি সম্পর্ক বুঝলাম না।
  • Blank | ০৭ আগস্ট ২০০৮ ১১:০৩697159
  • টাটা মনে হয় বলেছে যে জমি অধিগ্রহনের সাথে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই। তো সরকার ই বা কবে বলেছিল যে টাটা জমি অধিগ্রহন করছে? সরকার নিজের দায়িঙ্কেÄ জমি নিয়েছে।
  • bb | ০৭ আগস্ট ২০০৮ ১১:১২697160
  • হ আপনার লেখা পড়লাম। সিঙ্গুরে যাদের জমি গেছে তারা অবশ্যই সাধারণ মানুষ। তাদের কিন্তু ক্ষতিপুরণ দেওয়া হয়েচে। একই সাথে আমি আপনার সাথে একমত যে এঁদের পক্ষে নতুন করে নিজেদের বদলানো সহজ নয়। কিন্তু আমরা তো এরকম এর আগেও দেখেছি যে কৃষিজীবি তার জমি বেচে দিয়েছেন বেসরকারি হাতে এবং সেই টাকা নিয়ে আরেক জীবিকা বেছে নিয়েছেন, তাইনা? যেহেতু সরকার জমি নিয়েছে তাই এতো চেঁচামিচি আর বিরোধিতা।
    আমি নিজে চাকরি করেছি প্রথম জীবনে টাটা স্টিলে আর সেই অভিঞ্জতা থেকে বিশ্বাস করি টাটারা কারখানার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের মানুষের জন্য অনেক করেন।
    আমার আর বিশ্বাস যে বিরোধীরা অহেতুক বিরোধিতা জিইয়ে রাখতে চাইছেন রাজনৈতিক ফায়দা লোটার জন্য।
    যারা সিপিএম বিরোধী তারা সব কিছুকেই বাঁকা চোখে দেখবেন তাই কারখানা বা শিল্পায়নের ভালো দিকটা তারা শিকার করছেন না।
    আমি অবশ্যই একই কারণে ওড়িশাতে পস্কোর জমি বিরোধী আন্দোলনকে সমর্থন করিনা।
    এটা আমার একান্ত ব্যক্তিগত মতামত এবং অনেকেরই এর বিরোধী মতামত থাকতে পারে, সেটা শুনতেই তো এখানে আসা।
  • bb | ০৭ আগস্ট ২০০৮ ১১:১৪697161
  • ** স্বীকার
  • h | ০৭ আগস্ট ২০০৮ ১১:২৯697163
  • টাটা কি কি শর্তে কি মাল পেয়েছে সেটা পরিষ্কার হয় নি, সেটা সমস্যার অন্যতম কারণ। কেস হল এখন পরিস্থিতি যা তাতে রাজ্য গুলো বেসিকালি ইন্দ্রের অপসরাদের মত ইনভেস্টমেন্ট কে সিডিউস করে। মনমোহনের খোলা অর্থনীতির পরে, এই সদ্য এস এই জেড নীতি যে গৃহীত হয়েছিল, তার মাস্টার স্ট্রোক হল, সিল্পের জন্য জমি র হ্যাপা পোয়ানোর দায় সরকারের, আর জমি নিয়ে বাছাবাছির সাজেস্টিভ nudge nudge করার স্বাধীনতাটা কর্পোরেটের।

    কি মস্তি মাইরী। প্রোটেকশনিজম এর আমলে সরকার জাতীয় শিল্প গড়ার জন্য দেশে কর্পোরেট গুলোকে বিশাল আরাম দিয়েছে, এখন আবার একই কারণে জমি দিচ্ছে। কঠিন মস্তি।

    টাটা অনেক কর্পোর চেয়ে বেশি সোশাল রেসপন্সিবিলিটি ইত্যাদি দেখিয়েছে এটা ঠিক হলেও এই মস্তিটার কন্টিনুইটির কথা কোন হালায় বলে না।
  • Arpan | ০৭ আগস্ট ২০০৮ ১১:৩০697164
  • কলকাতা থেকে দূরত্বের কথা বলা এটাই যে শালবনিতে অনুর্বর জমি যখন জিন্দালদের স্টিল কারখানার জন্য অধিগ্রহণ করা হয়, তখন কোন বিতর্ক ওঠেনি। এমনকি স্থানীয় বিরোধী দলও কোনরূপ বাগড়া দেয়নি।
  • h | ০৭ আগস্ট ২০০৮ ১১:৪৮697165
  • বিবি, আপনার মাথা ঠান্ডা। আমি যদি উষ্মা প্রকাশ করে থাকি সরি। কেস হল চারিদিকে এত ঢপ, লোপালুপি করতে করতে মাঝে মাঝে ঘেন্না ঘরে যায়।

    ক্রেডিবিলিটির প্রশ্ন যদি বলেন, তাহলে অনেক কিছু বলতে হয়। রাজ্য সরকারের ক্রেডিবিলিটি আমার কাছে এখন লো। তার কারণ অসংখ্য, তবে আমার কাছে মূল কারণ হল যাদের ভোটে সিপিআইএম ২৩৫ হয়েছিলেন, তাদের একটা বড় অংশ ভাগচাষী আর ক্ষেতমজুর। সিপিআইএম তাদের সমর্থনের শ্রেণী ও গণভিত্তি অনেকাংশে বিস্মৃত হতে বসেছে। অ্যাসপিরেশনাল মধ্যবিত্তের স্বপ্নে সাবস্ক্রাইব করাটা একটা কারণ। আরেকটা কারণ হল ছাত্র ফ্রন্ট থেকে উঠে আসা নেতাদের বাড় বাড়ন্ত। অতি সংক্ষেপে।
  • h | ০৭ আগস্ট ২০০৮ ১১:৫৬697166
  • বিরোধী শক্তি নিজেকে যে কৃষক প্রেমী বলে সেটা ঢপের। দুরঙ্কÄ টা কোন ইস্যু নয়। কবার কি চাষ হয় সেটা ইস্যু। সেচ কেমন সেটা ইস্যু। বাজারের সংগে, পোর্টের সংগে নৈকট্য জনিত অসুবিধে যেগুলো সেটা যদি একমাত্র ইস্যু হত তাইলে বেশি জমির দাম পেলে এগুলো মিটে যেত। অর্পণ, মূল সমস্যা রিহ্যাবিলিটেশনের এবং ফোর্সড ডিসপ্লেসমেন্টের।
  • bb | ০৭ আগস্ট ২০০৮ ১২:০১697167
  • হ একমত আপনার সঙ্গে। আমরা যারা ভেবে ছিলাম সমাজ কে বদলাবো আজ তারা সুখের চাকরি করছি আর আরও বেশি রোজগারের পিছনে ছুটচি।
    আজ সমাজ অনেক বেশি বস্তুবাদী, আর তারই প্রভাব পড়ছে পার্টিতে।আমরা তো কথা রাখিনি, তাই বেনোজলেরা আজ পার্টিতে সর্বেসর্বা।
    কেউই কথা রাখেনি :(
  • Arpan | ০৭ আগস্ট ২০০৮ ১২:২৯697168
  • হ্যাঁ, সেইটাই মেন ইস্যু। একমত। কিন্তু দূরত্ব কথাটা যে প্রেক্ষিতে বলা সেটা মোটামুটি এইরকম।

    ১। সরকারের উন্নয়নের ভাবনাচিন্তা সব কলকাতাকেন্দ্রিক। এইটা শুধু দৃষ্টিভঙ্গীর সীমাবদ্ধতা নয়, পরিকাঠামোর অভাবও বটে। যেই কারণে হুগলী বা ২৪ পরগণা বা পূর্ব মেদিনীপুরের বাইরে ভারি শিল্প গড়ার কথা ভাবা যায় না। তো, বলার কথা এইটাই যে যে অঞ্চলের মানুষজন সিঙ্গুরের মত চাষের উপর নির্ভরশীল নন, রুজি রোজগারের জন্য বাইরের রাজ্যে পাড়ি জমান, সেইখানে শিল্পের জন্য জমি অধিগ্রহণ করলে কেস কি এমন ঘেঁটে থাকত?

    ২। এই বামফ্রন্ট সরকার শিল্পায়নের ঢাক বাজিয়ে বিপুলভাবে নির্বাচনে জয়ী হয়েছিল। এই ঢাকের আওয়াজে চাপাপড়ে গিয়েছিল প্রস্তুতির দৈন্যদশা। যে সরকার তিরিশ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকে তাঁদের কাছে জমির উর্বরতার হিসাব, কফসলি জমি, কবার সেচ হয় এইসব ইনফর্মেশন থাকবে না, এইটা জানলে ব-এ আকার ছাড়া আর কিছু মুখ দিয়ে বেরোয় না। সিঙ্গুরের জমির উর্বরতা নিয়ে সরকারের কাছে কোন তথ্যই ছিল না এইটা মুখ্যমন্ত্রী পরে ঘুরিয়ে স্বীকারও করেছেন। ওই অঞ্চলেই যে জলা বা নিচু জমি আছে যেখানে চাষবাদ হয় না সেও তো জানা গেল ক্রমে। :)

    ৩। এর সাথে কম্পেন্সেশন প্যাকেজ বা রিহ্যাবিলিটেশন নিয়েও চাট্টি কথা বলা যেত। কিন্তু এই নিয়ে গাদা গাদা বাইট এই থ্রেডেই টাইপানো হয়ে গেছে।
  • h | ০৭ আগস্ট ২০০৮ ১৩:৪২697169
  • গাদা গাদা টাইপানো যখন হয়েই গেছে, তাইলে আর কথা কি, হগলেই সব জেনে গেছে, বলে ফেলেছে ও বুঝে গেছে। তাহলে এইবার টইপত্তর বন্ধ করেই দেওয়া যায়।
    কলকাতা আর বড় শহর থেকে দূরে হয়ে গেলেই ডিসপ্লেসমেন্ট আর রিহ্যাবিলিটেশনের সমস্যা থাকবেনা মানুষের, এটা একটু কলকাতাকেন্দ্রিক ভাবনাচিন্তা এই আর কি। তাই যদি হত তাহলে সর্দার সরোবরে আন্দোলন হত না, পস্কো কেসেও হত না। উর্বরতা সম্পর্কে তথ্য ছিল না টা ঢপ, বুদ্ধ জেনেরালি গুল দেন, ভদ্দরনোক কিনা আমাদেরি মত আর কি, পিওর হোয়াইট লাইজ। কেসটা হল ন্যানো গাড়ি শহরকেন্দ্রিক লোকজন চড়ে কেন্দ্রের কাছে কাছে ঘোরাঘুরি কব্বে ও হাওয়া খাবে এইটেই কলকাতাকেন্দ্রিক টাটা ও মধ্য উচ্চবিত্তের মনের কথাটি। বাংলার প্রতিভারা বাংলার বাইরে চলে যাচ্ছে বলে যে গেল গেল বলে যে রব টি উঠেছিল এবং আবার উঠছে, তার মূল হোতা আবাপ সহ বাংলার মধ্যবিত্ত পলিটিক্স। বাংলার ছেলেরা বাইরে গিয়ে একটু রান্না বান্না কত্তে শিখলে বাংলার মায়েরা বা বাংলার বিবাহিত বোনেরা খুব দু:খ পাবেন কিনা সে সম্পর্কে নির্দিষ্ট কোন তথ্য সরকার বা আবাপ কারোর কাছেই নেই ! বাজারের নৈকট্যের প্রয়োজন উৎপাদকের। সেটা কৃষি উৎপাদকদের ও প্রয়োজন। তৃণমূলকে একটা কথা বলে ল্যাম্পুনিং করাই যায়, সিংগুরে তাদের মেন সমর্থনের নেতৃঙ্কÄ হল এগ্রিকালচার প্রোডাকশনে নয় ট্রেডে যাদের স্বার্থ আছে তাদের। কিন্তু সেটা সত্যি হলেও গুরুঙ্কÄপূর্ণ নয়। আমার কাছে মানুষ অকারণে পেশা বদল করতে বাধ্য হলে, যে সব সামাজিক সুরক্ষার কুশন তাদের হক, সেটার কোনোটাই সরকার দিতে পারে নি, সেটা অসন্তোষের জনসমর্থনের একটা কারণ। অবিশ্যি দিলেও অ্যাম শ্যুওর ওয়েলফেয়ার গ্রেভি ট্রেনের বিপদ সম্পর্কে প্রথম সম্পাদকীয়টা আবাপ তেই লেখা হবে।

    জলা বা নীচু জমিতে শিল্প হবে, পুরোনো শিল্পের জমিতে শিল্প হবে এইগুলো কথার কথা। আমার কথা হল যেখানেই হোক, তাতে কারো জীবিকার সমস্যা হলে সেটা সরকারকে দেখতে হবে। পিরিয়ড।
    শিল্প কোথায় হবে, এটা সম্পর্কে দরদাম করার জায়্‌গায় সরকার নেই, মোটামুটি ভারতবাসী কে এইটেই মনমোহনের উপহার।গত দেড় দশকে। এবং তার হয়ে কথা বলার মত লোকেরা এখন থিংকিং সেগমেন্ট থেকে শাউটিং সেগমেন্টে পরিণত।
    এই কথাটা আগের পোস্টে বলেছিলাম। তো এখানে তো সকল আলোচনাই হয়ে গেছে।
  • Arpan | ০৭ আগস্ট ২০০৮ ১৪:১৮697170
  • হানু বহুত খচে আছে! :)

    ১। টইপত্তর বন্ধ করার কথা তো বলিনি। কিন্তু একই কথার পুনরাবৃত্তি করাটা বেশ চাপের। সেইজন্য বলেছিলাম নতুন কিছু ওতে লেখার নেই।

    ২। জীবিকা সমস্যা হলে সরকারকে তো দেখতে হবেই। পিরিয়ড। কথা হল ডিসপ্লেসমেন্ট আর রিহ্যাবিলিটেশনের সমস্যার অভিঘাত তো মেজার করা যায়। সেইমত ভাবনাচিন্তাও করা যায়। তা না করে গায়ের জোরে করতে গেলে তো সমস্যা হবেই।

    ৩। জীবিকা সমস্যার দায় সরকার পুরো নাও নিতে পারে। জিন্দালরা যখন জমি নিয়েছে তার বিনিময়ে কী দেবার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে সেইটাও জানা দরকার।

    http://www.hindu.com/2007/06/01/stories/2007060103331300.htm

    তো, জিন্দালদের ব্যাপারে যদি বুদ্ধবাবুর সাধুবাদ প্রাপ্য হয়, তাহলে সিঙ্গুর নিয়ে ছড়ানোর জন্য তাঁর সমালোচনাও প্রাপ্য। তার জন্য যদি "উন্নয়নবিরোধী' ও "রাজ্যের মানুষের স্বার্থের পরিপন্থী' এই লেবেল লেগে যেতেই পারে। :)

    ৪। বুদ্ধ গুল দেন। এইটাই তো দময়ন্তী তার পোস্টে বলেছিল। নয় কী?
  • Arpan | ০৭ আগস্ট ২০০৮ ১৪:২১697171
  • ** যদিও
  • Arpan | ০৭ আগস্ট ২০০৮ ১৪:৩০697174
  • যদি ২ নং পয়েন্ট বোঝাতে অসমর্থ হই তাহলে আরেকটু চেষ্টা করি। এই ধর নন্দীগ্রাম আর নয়াচরের উদাহরণটা নেওয়া যাক। নন্দীগ্রামে অপারেশন সানশাইন ইত্যাদি হবার আগে পর্যন্ত কেউ জানতই না সেইখানে ডিসপ্লেসমেন্ট এবং রিহ্যাবিলিটেশনের সমস্যা নিয়ে সরকারের কী ভাবনাচিন্তা। শেষপর্যন্ত জানা গেল নন্দীগ্রামের মানুষ না চাইলে শিল্প হবে না। এও জানা গেল নয়াচরে আরামসেই ওই প্রস্তাবিত কারখানা হতেই পারে। কাউকে জমি বা জীবিকাচ্যুত না করেই। ভাল কথা। কিন্তু মাঝখানে অনেককিছু অনভিপ্রেত ঘটে গেল যা সদিচ্ছা থাকলেই এড়ানো যেত।
  • h | ০৭ আগস্ট ২০০৮ ১৪:৩০697172
  • তো?

    আমার ধারণা, টইপত্তর পড়ে নয়, এখনো টইপত্তর বাংলার তথা পৃথিবীর পোলিটিকাল ইকোনোমির নানা ডিসকোর্সের প্রধান সূত্রদের মধ্যে একটা হয়ে উঠতে পারে নি, এমনি কাগজ টাগজ পড়ে আমার মনে হয়েছিল, যে বিষয়টা সম্পর্কে সবচেয়ে কম প্রশ্ন করা হচ্ছে সেটা মধ্যবিঙ্কেÄর পলিটিক্স। আমার কাছে জিন্দালদের মহানুভবতা কোন ইস্যু নয়। বুদ্ধবাবুর গুল ধরার লোক আছে, আবাপ আর কংগ্রেসের আর টি এম সির গুল ধরার লোক কিঞ্চিত কম পড়েছে। আর জিন্দাল রা যদি কিসু করে থাকেন সেটার জন্য প্রশংসা জিন্দালদের প্রাপ্য, রাজ্য সরকারের নয়। টাটারাও তাঁদের বেনোভ্যালেন্সের জন্য প্রচুর প্রশংসা পেতে পারেন।
    বেনোভ্যালেন্স টা ইস্যু ই নয়। we are talking about the rights of the dispossed and disenfranchised.
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। মন শক্ত করে মতামত দিন